Tag: Shantiniketan

Shantiniketan

  • Sukanta Majumdar: রাজ্যে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়! উদ্যোগী সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: রাজ্যে আরও একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়! উদ্যোগী সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একটি মাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। রাজ্যের শান্তিনিকেতনের রয়েছে কেন্দ্রীয় বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। সাধারণত একটি রাজ্যে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থাকে। তবে, বিশেষ ক্ষেত্রে আরও একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা যেতে পারে। তাই পিছিয়ে পড়া উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরিতে উদ্যোগী হলেন বালুঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এনিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি সেই দাবি সনদ তুলে দেবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    পিছিয়ে পড়া উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় না থাকার ফলে অনেক পড়ুয়ায় বঞ্চিত হচ্ছেন। এদিকে উত্তরবঙ্গের পড়ুয়াদের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে হচ্ছে পাশের রাজ্য আসামে। এমন পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির দাবি উঠেছে বালুরঘাট সহ জেলাজুড়ে। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ-সুবিধা বাড়লে বালুরঘাট সহ জেলার যুবক যুবতীদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে বালুরঘাটের বাসিন্দা সৌভিক সরকার বলেন, দীর্ঘদিন পর জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। তবে, তার পরিকাঠামো এখনও সেভাবে গড়ে ওঠেনি। গোটা উত্তরবঙ্গে কোনও কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় নেই। সাংসদের উদ্যোগে যদি উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হয় তাহলে আমার মতো পড়ুয়াদের সুবিধা হবে। এবিষয়ে বালুরঘাটের অন্য এক বাসিন্দা শিল্পী সাহা বলেন, আমাদের পড়াশুনা অনেক আগে শেষ হয়েছে। এখন আমাদের ছেলে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে উত্তরবঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হয়, সেক্ষেত্রে অনেক সুবিধা পাবে তাঁরা। পড়াশুনা থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় থাকে। যা পড়ুয়াদের শিক্ষা অর্জনে বিশেষ সুবিধা দেবে।

    কী বললেন সুকান্ত?(Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, কেন্দ্রের একটি নীতি রয়েছে প্রতি রাজ্যে একটি করে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় হবে। যেহেতু উত্তরবঙ্গ পিছিয়ে পড়া জেলা, তাই আমরা আগেও দাবি জানিয়েছি এবং আগামী দিনে এমন দাবি জানাবো। বিশেষ মর্যাদা দিয়ে উত্তরবঙ্গে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হয়। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরও উত্তরবঙ্গে সেভাবে উন্নয়ন হয়নি বললেই চলে। তাই আগামী দিনে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নজরেও বিষয়টি আনব, যাতে উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantiniketan: পৌষমেলার প্লট বুকিং নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি! কী হয়েছে জানেন?

    Shantiniketan: পৌষমেলার প্লট বুকিং নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি! কী হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনে (Shantiniketan) পৌষমেলার প্লট বুকিংয়ের জন্য চারগুণ ফি নেওয়া হচ্ছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছিলেন। এটা নিয়ে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ ছিল। সেই ক্ষোভের মধ্যে এবার যোগ হল প্লট বুকিং নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Shantiniketan)

    পৌষমেলায় শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) পূর্বপল্লির মাঠে প্লট বুকিংয়ে জিএসটি নম্বর ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে রাজ্য ও কেন্দ্রের জিএসটি। এছাড়া, পৌষমেলার স্টলের জন্য প্লট বুকিংয়ের টাকা সরকারের কোন খাতে জমা পড়ছে কোন সদূত্তর নেই। অথচ, এই প্রথম পূর্বপল্লির মাঠে পৌষমেলা করছে রাজ্য সরকার।  ২০১৯ সালে শেষবার শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লীর মাঠে হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। তারপর থেকে আর হয়নি মেলা। তবে বোলপুর ডাকবাংলো মাঠে ২০২১ ও ২২ সালে বিকল্প পৌষমেলা করেছিল রাজ্য সরকার। এবার উপাচার্য হিসাবে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মেয়াদ শেষ হতেই সকলে মনে করেছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ পৌষমেলা করবে। কিন্তু, রাজ্য সরকার মেলা করার জন্য বিশ্বভারতীর কাছে পৌষমেলার মাঠ চেয়ে আবেদন করে। দীর্ঘ টালবাহানার পর মাঠ দেয় বিশ্বভারতী।

    ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, ২০১৯ সালের পর পূর্বপল্লির মাঠে হচ্ছে পৌষমেলা। তবে এই মেলার আয়োজক রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যের শুরু হয়ে গিয়েছে মেলার স্টলের জন্য প্লট বুকিং। আর এই প্লট বুকিং নিয়ে ব্যপক দুর্নীতি হচ্ছে। আর জিএসটি নম্বর ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে জিএসটি। শুধু স্টেট জিএসটি নয়, সেন্ট্রাল জিএসটিও নেওয়া হচ্ছে। অথচ কোনও জিএসটি নম্বর নেই, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। এমনকী, রাজ্য সরকার মেলা করলেও সরকারের কোন খাতে এই প্লট বুকিংয়ের টাকা জমা পড়ছে তার উল্লেখ নেই। ব্যবসায়ীরা যথারীতি জিএসটি নম্বর ছাড়াই জিএসটি দিয়ে প্লট বুক করছে। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ডাকবাংলো মাঠে বিকল্প পৌষমেলায় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। তারপরেই পূর্বপল্লির পৌষমেলার প্লট বুকিং নিয়ে ব্যবসায়ীরা দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantiniketan: পৌষমেলার প্লট বুকিংয়ে ফি বাড়ানো হল চারগুণ! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    Shantiniketan: পৌষমেলার প্লট বুকিংয়ে ফি বাড়ানো হল চারগুণ! ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতনে (Shantiniketan)পৌষমেলার প্লট বুকিংয়ের টাকা চারগুণ বাড়িয়ে দেওয়ায় বাড়ছে ক্ষোভ। শনিবার থেকে শুরু হল পৌষমেলার প্লট বুকিং। প্রথম দিনেই ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, রেট চার্ট প্রকাশ না করেই চার গুণ টাকা বৃদ্ধি করে প্লট দেওয়া হচ্ছে। শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট জানায়, মেলার প্লট বুকিংয়ের ফি বৃদ্ধি নিয়ে কোনও আলোচনাই বৈঠকে হয়নি। সব মিলিয়ে পৌষমেলার প্লট বুকিং নিয়ে চরম বিশৃঙ্খলা।

    প্লট বুকিংয়ের ফি বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা (Shantiniketan)

    ২০১৯ সালে শেষবার শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) পূর্বপল্লির মাঠে ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা হয়েছিল। তৎকালীন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী মেলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যা নিয়ে ক্ষোভ ছিল বোলপুর-শান্তিনিকেতনবাসীর। নতুন উপাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর পৌষমেলা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তবে, সময় কম থাকায় দায়িত্ব নিয়ে মেলা করার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। ফলে, এবারও পৌষমেলা হওয়া প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। বহু টালবাহানার পর এবার পূর্বপল্লির মাঠে হচ্ছে পৌষমেলা। তবে,এই পৌষমেলার আয়োজক বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ও মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট নয়। এই মেলার আয়োজক প্রশাসন। আর প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্লট বুকিংয়ে রেট বাড়়িয়ে দেওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, এদিন থেকে পৌষমেলার স্টলের জন্য প্লট বুকিং শুরু হয়। কিন্তু, ব্যবসায়ীদের অভিযোগ কোন রকম রেট চার্ট প্রকাশ না করেই প্লট বুকিং হচ্ছে। আর প্লট বুকিংয়ের জন্য ৪ গুণ ফি বৃদ্ধি করা হয়েছে। অর্থাৎ, ২০১৯ সালে প্রতি স্কোয়ার ফুট প্লট ২৫ টাকা ছিল। এবার ১০০ টাকা করা হয়েছে। চারগুণ ফি কী করে বৃদ্ধি করা হল তা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো দরকার।

    জেলা পরিষদের সভাধিপতি কী সাফাই দিলেন?

    বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন, মানুষ খুব উৎসাহিত প্লট বুকিংয়ের জন্য। কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ নেই। আর ফি বৃদ্ধি করা হয়নি। ২০১৯ সালের রেট বহাল রাখা হয়েছে। যারা ফি বাড়ানো হয়েছে বলে অভিযোগ করছে তা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজভবনের উত্তর গেট এবার ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’, নামকরণ করলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজভবনের উত্তর গেট এবার ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’, নামকরণ করলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনের উত্তর গেটের নামকরণ হচ্ছে ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’। বৃহস্পতিবার শান্তিনিকেতন সফরে এসে ফটকের নামের ফলক উন্মোচন ও শুদ্ধিকরণ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। কবিগুরুর ‘প্রাণের আরাম’ ছাতিমতলায় সেই ফলকের উন্মোচন করা হয়। সঙ্গে ছিলেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিক। রাজ্যপাল রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালা, ছাতিমতলা, উপাসনা গৃহ ঘুরে দেখেন।

    রাজভবন থেকে শ্বেত পাথরের ফলক আনলেন রাজ্যপাল (C V Ananda Bose)

    বন্দেভারত এক্সপ্রেসে এদিন সকালে শান্তিনিকেতনে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। বোলপুর স্টেশন থেকে সোজা তিনি শান্তিনিকেতনে যান। রথীন্দ্র অতিথি গৃহে তিনি বিশ্রাম নেন। দুপুরে রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় আসেন তিনি। ঘুরে দেখেন গুরুদেবের ব্যবহৃত সামগ্রী। সেখান থেকে ছাতিমতলায় যান রাজ্যপাল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি দেওয়া একটি শ্বেত পাথরের ফলক রাজভবন থেকে নিয়ে আসেন তিনি। সেই ফলকে লেখা ছিল ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’। এই ফলকটি কবির ‘প্রাণের আরাম, আত্মার শান্তি, মনের আনন্দ’ ছাতিমতলায় উন্মোচন ও শুদ্ধিকরণ করেন। এমনিতেই পৌষমেলা নিয়ে এতদিন টালবাহনা চলছিল। অবশেষে প্রশাসনের উদ্যোগে পূর্বপল্লির মাঠে পৌষমেলা হওয়ার কথা রয়েছে। এনিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ মেলা করার বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে। যদিও এদিন রাজ্যপাল বিশ্বভারতীতে এসে পৌষমেলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    কী বললেন রাজ্যপাল? (C V Ananda Bose)

    বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিককে পাশে নিয়ে রবীন্দ্রভবনের সামনে দাঁড়িয়ে রাজ্যপাল (C V Ananda Bose) বলেন, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেশের শুধু নয়, বিশ্বের কাছে গর্বের। তাঁর সৃষ্টি পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে আছে। আমি গর্বিত এমন বিখ্যাত মানুষের কর্মভূমিতে আসতে পেরে। এরপর রাজ্যপাল বলেন, এই ফলকটি রাজভবনের উত্তর গেটে বসবে। রাজভবনের উত্তর গেটের নামকরণ করা হবে ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Poush Mela: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! উপাচার্য-ট্রাস্টি বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    Poush Mela: পূর্বপল্লির মাঠেই ফিরছে পৌষমেলা! উপাচার্য-ট্রাস্টি বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত বেশ কয়েক বছর বন্ধ থাকার পর এবার শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লির মাঠেই বসতে চলেছে পৌষমেলা (Poush Mela)। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সম্মত হয়েছেন বলে খবর। মেলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও উদ্যোক্তাদের ভাবাচ্ছে পরিকাঠামোর অভাবের দিকটি। মঙ্গলবার এই বিষয় নিয়ে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিকের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক সারে শান্তিনিকেতন ট্রাস্ট।

    বৈঠকে কী আলোচনা হল? (Poush Mela)

    ট্রাস্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন পৌষমেলায় (Poush Mela) প্রায় দু’হাজার দোকান বসে। খড়্গপুর আইআইটি সফটওয়ারের মাধ্যমে এতদিন পৌষমেলায় স্টল বণ্টনের বিষয়টি সামাল দিত। কিন্তু, বেশ কয়েক বছর মেলা হয়নি। এরমধ্যে বিশ্বভারতীর সঙ্গে খড়্গপুর আইআইটির চুক্তির মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছে। ফলে, নতুন করে আবার চুক্তি করতে হবে। তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। কারণ, হাতে ততটা সময় নেই। এই অবস্থায় কী করে পরিকাঠামোর হাল ফেরানো যায় তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে ক্যাম্পাসে। জলের সমস্যা নিয়েও ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের কথা হয়েছে। আশপাশের পুকুর, জলাশয় সংস্কার করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। পাশাপাশি,পরিকাঠামোগত কী কী কাজ এখনই করা দরকার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানাতে বলা হয়েছে। পৌষমেলা হওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করায় খুশি সকলেই।

    পৌষমেলা নিয়ে ট্রাস্টের সম্পাদক কী বললেন?

    ট্রাস্টের সম্পাদক অনিল কোনার বলেন, এদিন উপাচার্যের সঙ্গে মেলা (Poush Mela) নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানে সবিস্তারে আলোচনা করা হয়েছে। হাতে সময় খুব কম। সফটওয়ার নিয়ে আজই উপাচার্য খড়্গপুর আইআইটিকে চিঠি লিখবেন। ওটা হয়ে গেলে আমরা দেখব কী কী করা যায়। যা বললেন, যা যা আলোচনা হল তা লিখিতভাবে আমরা দিয়ে দিচ্ছি। লিখিত আকারে তা পাওয়ার পরেই কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে পদক্ষেপ করবে। তারপর যথাযথ জায়গায় তিনি তা নিয়ে আলোচনা করবেন।   মেলা সংগঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantiniketan: শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে নার্সিং ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু, চাঞ্চল্য

    Shantiniketan: শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে নার্সিং ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিনিকেতন (Shantiniketan) মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী নিবাসে নার্সিং ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু। সমগ্র ঘটনার ভিডিওগ্রাফি করে বোলপুর থানায় তদন্তের দাবি জানালেন ছাত্রীর বাবা। অভিযোগ, ছাত্রীটি যখন অসুস্থ হয়, তার চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন পরিবারকে দেওয়া হয়নি। ছাত্রীমৃত্যুর ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantiniketan)

    হুগলি জেলার পুরশুড়ার শ্যামপুরের বাসিন্দা চিন্ময় দত্ত। তাঁর মেয়ে স্নেহা দত্তকে (২০) নার্সিং পড়ানোর জন্য শান্তিনিকেতন নার্সিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেছিলেন। শান্তিনিকেতন (Shantiniketan) মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী নিবাসে থেকেই সে পড়াশোনা করত। ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ছাত্রী নিবাসে খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ স্নেহার মুখ থেকে ফ্যানা বের হতে শুরু করে। কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে বাড়িতে খবর দেওয়া হয়। মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও, ঘটনার পর থেকে শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কেউ কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। উল্লেখ্য, এই শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজের এক কর্মকর্তা মলয় পীঠ অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। গরু পাচার মামলায় ইডি ও সিবিআইয়ের স্ক্যানারে রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই একাধিকবার কলকাতার নিজাম প্যালেস ও দিল্লিতে ডেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।

    কী বললেন ছাত্রীর পরিবারের লোকজন?

    এদিন বোলপুর থানায় বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন ছাত্রীর বাবা চিন্ময় দত্ত। তিনি সমগ্র ঘটনার ভিডিওগ্রাফি করে তদন্তের দাবি করেছেন। চিন্ময়বাবু বলেন, আমার মেয়ে মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী নিবাসে অসুস্থ হয়। অথচ তাকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়নি। যদি ভর্তি করা হয়ে থাকে, সেই প্রেসক্রিপশন আমাদের দেওয়া হয়নি। মেডিক্যাল কলেজে (Shantiniketan) ছাত্রীটিকে ভর্তি না করে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে কেন পাঠানো হল? তিনি আরও বলেন, আর কোনও মায়ের কোল যেন এভাবে শূন্য না হয়ে যায়। অনেক স্বপ্ন নিয়ে মেয়েকে পড়তে পাঠিয়েছিলাম। সব শেষ হয়ে গেল। আমি এই ঘটনার তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging: এবার বিশ্বভারতীতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ, দু’জনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা উপাচার্যের

    Ragging: এবার বিশ্বভারতীতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ, দু’জনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা উপাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের (Ragging) ঘটনা নিয়ে গোটা রাজ্য তোলপাড়। হস্টেলের ভিতরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত এখনও চলছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল খোদ বিশ্বভারতীতে। বিশ্বভারতীর নিচুবাংলো ছাত্রবাসে বসবাসকারী ফ্রেঞ্চ বিভাগের এক ছাত্র, তাঁর সহপাঠীর বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ তুলছেন। যা নিয়ে শান্তিনিকেতন জুড়়ে তোলপাড়় শুরু হয়েছে।

    কীভাবে র‍্যাগিংয়ের বিষয়টি সামনে এল? (Ragging)

    বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, হস্টেলে র‍্যাগিংয়ের (Ragging) অভিযোগের কথা কর্তৃপক্ষকে ই মেল মারফত জানান আবাসিক এক ছাত্র। নির্যাতনের স্বীকার হাওয়া ছাত্র একেবারে সোজাসুজি ইউজিসি দফতরে ই মেল মারফত অভিযোগ করে দেন। বেশ কয়েকজন অভিভাবকও একই অভিযোগ জানান কর্তৃপক্ষকে। ইউজিসি থেকে মেল আসতেই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা গ্রহণ কর্তৃপক্ষের। বিশ্বভারতীর কাছে এই বিষয়ে সঠিক তদন্ত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে ইউজিসি কর্তৃপক্ষ। সেই চিঠি পেয়ে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার রাতে হস্টেলে যান উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিশ্বভারতীর সমস্ত হস্টেলে পরিদর্শনে যান কর্তৃপক্ষ। তাঁরা আবাসিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের কারও কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, বিশ্বভারতীর নিচু বাংলো হস্টেলে থাকতেন শুভ সরকার, অঙ্কিত কুমার এবং মণীশ কুমার নামে তিন ছাত্র। তাঁদের বিরুদ্ধে হস্টেলের বেশ কয়েক জন আবাসিক র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ আনেন। এর পর সোমবার সকালে হস্টেলে যান বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ। অভিযুক্ত পড়ুয়াদের ডেকে পাঠানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল অফিসে। কিন্তু, অভিযুক্ত তিন জনের মধ্যে এক ছাত্র হস্টেলে ছিলেন না। বাকি দু’জন কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন। পরে, হস্টেল থেকে তাঁদের সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়। নির্দেশ মতো বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অফিসে অভিযুক্তরা জিনিসপত্র নিয়ে আসেন। সোমবার রাতে কর্তৃপক্ষের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই আবাসিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। যদিও এ নিয়ে সরকারি ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। রাতের অন্ধকারে অভিযোগকারী ছাত্রকে ছাত্রাবাস থেকে নিয়ে শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লি গেস্ট হাউসে অস্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantiniketan: আমেরিকার চাকরি ছেড়ে শান্তিনিকেতনে চাষবাসে মেতেছেন দম্পতি, কেন জানেন?

    Shantiniketan: আমেরিকার চাকরি ছেড়ে শান্তিনিকেতনে চাষবাসে মেতেছেন দম্পতি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার বহুজাতিক সংস্থায় চাকরি, বিলাসবহুল জীবন-যাপন ছেড়ে মাটির টানে প্রাকৃতিক চাষে নিজেদের নিয়োজিত করেছেন এক দম্পতি। শুধু নিজেরা চাষ করেন এমন নয়, প্রাকৃতিক চাষ নিয়ে প্রশিক্ষণও দেন তাঁরা। তাঁদের গবেষণার বিষয়ও বেশ সুন্দর। প্রাকৃতিক চাষে ফলন কতটা নির্ভেজাল হয়, পাশাপাশি ভারতের মতো কৃষিপ্রধান দেশে কেন মহিলা চাষির সংখ্যা কম-এই দুটি বিষয়ের উপর তাঁরা নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) অদূরে রূপপুর গ্রামে তাঁদের দোতলা মাটির বাড়ি, চাষের জমি। পুকুর পাড়ে প্রশিক্ষণ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত সহ বিদেশ থেকেও আগ্রহী পড়ুয়ারা আসেন। চাষে উৎপাদিত ফসল বিক্রি ও পাঠদান থেকে যা উপার্জন হয়, তা দিয়েই সুন্দরভাবে জীবন কাটান একদা প্রবাসী এই দম্পতি।

    কেন আমেরিকা ছেড়ে সপরিবারে ফের বাংলার মাটিতে ফিরলেন? (Shantiniketan)

    দেবল মজুমদার ও অপরাজিতা সেনগুপ্ত। বর্ধমান জেলার বাসিন্দা দেবলবাবু যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করে চাকরি পান আমেরিকার কেন্টাকি শহরে একটি বহুজাতিক সংস্থায়। অন্যদিকে, কলকাতার বাসিন্দা অপরাজিতা সেনগুপ্ত প্রেসিডেন্সি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হয়ে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে আমেরিকার কেন্টাকি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। পরে সেখানেই একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা শুরু করেন। খাদ্যদ্রব্যে কেন স্বাদ কম, খাদ্যে ভেজালের পরিমাণ বাড়ছে কেন- প্রভৃতি ভাবিয়ে তোলে এই দম্পতিকে। আমেরিকার একাধিক গ্রাম ঘুরে সেগুলোই উপলব্ধি করতে থাকেন দেবল-অপরাজিতা। এরপরেই হঠাৎ সিদ্ধান্ত। আমেরিকার বিলাসবহুল জীবন-যাপন ছেড়ে মাটির টানে, দেশের টানে ফিরে আসেন। চাকরি জীবনের জমানো টাকা থেকে শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) অদূরে রূপপুর গ্রামে পুকুর সহ সাড়ে ৫ বিঘা জমি কিনে শুরু করেন চাষ নিয়ে গবেষণা। ফার্মাকালচার কোর্স করেছেন দুজনেই।

    দেশীয় পদ্ধতিতে চাষের প্রশিক্ষণ নিতে কোন কোন দেশের পড়ুয়ারা আসেন?

    রাসায়নিক সার ব্যবহারে ফসল ফললেও তার স্বাদ, গুণাবলি প্রভৃতি একেবারেই থাকে না। উপরন্তু, কীটনাশক ব্যবহারে ক্ষতি হয় মানবদেহে। এছাড়া, ভারতবর্ষের মতো কৃষিপ্রধান দেশে মহিলা চাষির সংখ্যা কম। মহিলারা চাষের কাজে অংশ নেন, কিন্তু তাঁদের নামে জমি না থাকায় চাষি বলে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। এই নিয়েই মূলত গবেষণা এই দম্পতির। এমনকি, অন্যদেরও প্রশিক্ষণ দেন তাঁরা। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত সহ বাংলাদেশ, আমেরিকা, ফ্রান্স, সুইডেন প্রভৃতি দেশ থেকে আগ্রহী পড়ুয়ারা তাঁদের শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) বাড়িতে থেকে প্রাকৃতিক চাষ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ ও হাতে-কলমে গবেষণায় অংশ নিয়ে গিয়েছেন। এমনকি, ফার্মাকালচার নিয়ে পড়ানোর জন্য সাম্মানিক অধ্যাপক হিসাবে ভারতের বিভিন্ন কৃষি প্রতিষ্ঠান, সেমিনার সহ নেপাল, বাংলাদেশ, আমেরিকা থেকে ডাক পেয়েছেন এই দম্পতি।

    নিজের খামারে দেশীয় পদ্ধতিতে কী কী চাষ করেন এই দম্পতি?

    মাটি ও কাঠ দিয়ে তাঁদের তৈরি বাড়িও বেশ সুন্দর দেখতে। বর্তমানে তাঁদের খামারে ৭ রকমের দেশি ধান, ডাল, গম, বিভিন্ন রকমের লেবু, আম, আতা, পেয়ারা, করমচা, সবেদা, কামরাঙা প্রভৃতি চাষ হয়। পাশাপাশি, মাছ, হাঁসের ডিম উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত ফসল নিজেরা খান, এছাড়া জ্যাম-জেলি প্রভৃতি তৈরি করে বিক্রি করেন। উদ্বৃত্ত ফসল বিক্রি করে এক কন্যা সন্তান সহ এই দম্পতির দিনযাপন হয়।

    কী বললেন এই দম্পতি?

    দেবল মজুমদার ও অপরাজিতা সেনগুপ্ত বলেন, ‘ক্রমশ বিশ্ব এক উলটো পথে হাঁটছে। খাবারে বিষ দিচ্ছি, হাওয়া দূষিত হয়ে উঠছে, মহিলারা চাষের কাজ করলেও ভারতে তাঁদের নামে জমি কম। তাই মহিলারা চাষি হিসাব স্বীকৃতি পান না। এসব নিয়ে আমরা না ভেবে বাড়ি-গাড়ি কেনাকাটায় মন দিই বেশি। আমরা আমেরিকায় স্থানীয় খাবারের বিষয়ে ভাবা শুরু করি। তারপরেই সিদ্ধান্ত নিই। সব কিছু ছেড়ে আমাদের এই শান্তিনিকেতনে (Shantiniketan) চলে আসা। নিজেরা প্রতি মুহূর্তে ভুল করতে করতে শিখি, অপরকেও শেখাই। এভাবেই সাবলীল ভাবে আমাদের দিন কেটে যায়।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Visva Bharati: বিশ্বভারতীর মুকুটে নয়া পালক! শান্তিনিকেতন পেতে চলেছে বিশ্ব হেরিটেজের স্বীকৃতি

    Visva Bharati: বিশ্বভারতীর মুকুটে নয়া পালক! শান্তিনিকেতন পেতে চলেছে বিশ্ব হেরিটেজের স্বীকৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় ফের উঠে এল বাংলা।​ রবীন্দ্র জয়ন্তীর পরেই জানা গেল সুখবর। ইউনেস্কোর (UNESCO) ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় ঠাঁই পেতে চলেছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় জায়গা করে নেওয়ার পর এবার শান্তিনিকেতনের পালা। ২৫ বৈশাখের ঠিক পরদিন, বুধবার ট্যুইট করে এই কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি। 

    বিশ্বে প্রথম হেরিটেজ বিশ্ববিদ্যালয়

    এই প্রথম কোনও সক্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়কে রাষ্ট্রসংঘের তরফ থেকে হেরিটেজ তকমা দেওয়া হবে। কারণ এই হেরিটেজ তকমা এতদিন দেওয়া হতো স্মৃতিসৌধগুলিকে। এই হেরিটেজ বা ঐতিহ্যশালী তকমার কথা বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর মুখে আগেই শোনা গিয়েছিল। এ বছরের গোড়াতেই তিনি বলেছিলেন, বিশ্বভারতী হেরিটেজ বিশ্ববিদ্যালয় তকমা পেতে চলেছে। বিশ্বে প্রথম হেরিটেজ বিশ্ববিদ্যালয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউনেস্কোর উপদেষ্টা সংগঠন (The International Council on Monuments and Sites) বা ইকোমসের পক্ষ থেকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকায় বিশ্বভারতীর নাম নথিভুক্তিকরণের সুপারিশ করা হয়েছে। বিশ্বভারতী এই তকমা পেতে চলায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: পড়ল রেকর্ড ভোট, ত্রিশঙ্কু হবে কর্নাটক বিধানসভা?

    খুশির হাওয়া শান্তিনিকেতনে

    জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের রিয়াধে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ কমিটির সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিনিকেতনকে ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ (UNESCO World Heritage) বলে ঘোষণা করা হতে পারে। ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর শান্তিনিকেতনে এসেছিলেন ইউনেস্কোর তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল। তাঁদের সামনে শান্তিনিকেতনের স্থাপত্য, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের স্বীকৃতির প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। তারপরই সরকারিভাবে সুপারিশ করা হয়েছে। এই সুখবর প্রকাশ্যে আসার পরেই শান্তিনিকেতন জুড়ে যেন উৎসবের আমেজ। বিশ্বভারতী অধ্যাপক কিশোর ভট্টাচার্য বলছেন, নতুন এই সাফল্যের কৃতিত্ব আচার্য ও উপাচার্যর। আমরা এই খবরে খুশি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার! আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন দ্রৌপদী মুর্মু

    Draupadi Murmu: রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবার! আজ দুদিনের জন্য রাজ্য সফরে আসছেন দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবার রাজ্যে আসছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসছেন তিনি।  সোমবার-মঙ্গলবার দু’দিনের সফরে আসছেন রাষ্ট্রপতি। দমদম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে রেসকোর্স পৌঁছবেন তিনি।

    রাষ্ট্রপতির সারাদিন

    নবান্ন সূত্রে খবর, সোমবার বিকেলেই রাজ্য সরকারের তরফে রাষ্ট্রপতিকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার কথা। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও।

    আজ প্রথমে রাজভবনে পৌঁছবেন দ্রৌপদী মুর্মু। সেখানে কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়ার পরে তাঁর এলগিন রোডে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাসভবনে যাওয়ার কথা। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে সেখান থেকে  জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি যাবেন রাষ্ট্রপতি। ঘুরে দেখতে পারেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মস্থান। এর পর কলকাতায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা তাঁর। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন রাজভবনেই রাত্রিবাস করবেন রাষ্ট্রপতি। পর দিন ২৮ মার্চ সকালে তাঁর বেলুড়মঠে যাওয়ার কথা। সেখান থেকে দ্রৌপদীর সম্ভাব্য গন্তব্য বীরভূমের শান্তিনিকেতন।

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    কড়া নিরাপত্তা

    রাষ্ট্রপতির সফরের জন্য ইতিমধ্যেই শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার থেকেই মহানগরের বিভিন্ন জায়গায় জোরদার পুলিশি টলহদারি চলছে। রাষ্ট্রপতির দুই দিনের রাজ্য সফরের জন্য যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আনা হয়েছে। সোমবার এবং মঙ্গলবার দুই দিনই দমদম বিমানবন্দর,কলকাতা, বেলুড় মঠ এবং বীরভূমের বোলপুর শান্তিনিকেতনে যান চলাচল ব্যবস্থা প্রভূত পরিমাণে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

    বোলপুরে রাষ্ট্রপতি

    কলকাতা সফর সেরে রাষ্ট্রপতির যাওয়ার কথা শান্তিনিকেতনে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শান্তিনিকেতনের বিনয় ভবন সংলগ্ন কুমিরডাঙা মাঠে রাষ্ট্রপতির হেলিকপ্টার অবতরণ করার কথা। সেখান থেকে বিশ্বভারতীর রবীন্দ্র ভবন, কলা ভবন, আশ্রম প্রাঙ্গণ ঘুরে দুপুরে আম্রকুঞ্জের জহরবেদিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা দ্রৌপদীর। সেই অনুষ্ঠানে থাকার কথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসেরও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share