Tag: shantipur

shantipur

  • Kali Puja 2024: ১৩ ফুটের মাতৃমূর্তি রূপসজ্জায় যেন জ্বলজ্বল করে! প্রথা মেনেই পূজিত হন আগমেশ্বরী মাতা

    Kali Puja 2024: ১৩ ফুটের মাতৃমূর্তি রূপসজ্জায় যেন জ্বলজ্বল করে! প্রথা মেনেই পূজিত হন আগমেশ্বরী মাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে আনুমানিক তিনশো বছর আগে আগমেশ্বরী কালীপুজো (Kali Puja 2024) শান্তিপুরে শুরু করেছিলেন সার্বভৌম আগমবাগীশ। তিনি ছিলেন পণ্ডিত কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের প্রপৌত্র। তিনি ছিলেন তন্ত্রসাধক। তাঁরা আগমশাস্ত্রজ্ঞ ছিলেন বা সেই শাস্ত্রে পাণ্ডিত্য লাভ করেছিলেন বলে তাঁদের আগমবাগীশ উপাধি দান করা হয়। সেই সময় শাক্ত ও বৈষ্ণবদের মধ্যে বিরোধ চলছিল বলেই শোনা যায়। তাই শান্তিপুরের অদ্বৈতাচার্য্যের পৌত্র মথুরেশ গোস্বামী শক্তি আর আর ভক্তির মিলনের আশায় তাঁর নিজ কন্যার সাথে বিবাহ দিয়েছিলেন সার্বভৌম আগমবাগীশের। এর ফল তো আশানুরূপ হয়নি, বরং জটিলতা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় মথুরেশ গোস্বামী তাঁর কন্যা সহ জামাতাকে নিয়ে চলে আসেন শান্তিপুরে। শান্তিপুরে এসে মথুরেশ গোস্বামী তাঁর বসতবাটী থেকে কিছুটা দূরে একটি পঞ্চমূণ্ডির আসন স্থাপন করে দেন তাঁর জামাতার তন্ত্রচর্চার জন্য। কারণ যেহেতু শান্তিপুরের গোস্বামীরা প্রত্যক্ষ ভাবে শক্তির উপাসনা করেন না তাই। সেখানেই সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেন সার্বভৌম আগমবাগীশ। মায়ের নির্দেশে তিনি গঙ্গা থেকে মাটি নিয়ে এসে মূর্তি নির্মাণ করে পুজো করেন। তার পরই মূর্তি বিসর্জন দিয়ে দেন। এই প্রাচীন প্রথা আজও হয়ে আসছে মা আগমেশ্বরীর (Agameshwari Mata) পুজোয়।

    নিরামিষ পদে মায়ের ভোগ রান্না (Kali Puja 2024)

    বর্তমানে এই পঞ্চমূণ্ডির আসন সংলগ্ন স্থানটি আগমেশ্বরীতলা নামেই পরিচিত। এইভাবে ঐতিহ্যের সাথে ও আধ্যাত্মিকতার এক উজ্জ্বলতম প্রকাশ দেখা যায় শান্তিপুরের আগমেশ্বরীর পুজোয়। এ তো গেল মাতা আগমেশ্বরীর ইতিহাসের কথা। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়। শান্তিপুরের বড় গোস্বামী বাড়ির বংশধরদের অবদান থাকলেও এখন আগমেশ্বরী মাতা পুজো সমিতি এই পুজো পরিচালনা করে। মায়ের ভোগের ক্ষেত্রে রয়েছে অনন্য নিয়ম। বৈষ্ণব মতে দক্ষিণা কালী রূপে পূজিত হোন দেবী আগমেশ্বরী (Kali Puja 2024)। তাই বড় গোস্বামী বাড়ির গৃহবধূরা নিরামিষ পদে মায়ের ভোগ রান্না করেন। ভক্তদের প্রসাদের জন্য কয়েক কুইন্টাল ভোগ রন্ধনের ব্যবস্থা করা হয়।

    বিসর্জনের সময় রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ

    এছাড়াও দেবী এতটাই জাগ্রত যে ভক্তদের মনস্কামনা অবশ্যই পূরণ হয়। আর সেই কারণে ভক্তদের দেওয়া দানে মাতা আগমেশ্বরীর মাতৃমূর্তি সোনা এবং রুপোর অলঙ্কারে মুড়ে ফেলা হয়। প্রায় ১৩ ফুট উচ্চতার মাতৃমূর্তি যেন রূপসজ্জায় জ্বলজ্বল করে। শুধু নদীয়া নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্তবৃন্দ পুজোর দিন (Kali Puja 2024) সকাল থেকেই ছুটে আসেন শান্তিপুরে আগমেশ্বরী মাতার মন্দিরে। দেবীর বিসর্জনের সময় রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। মাতৃমূর্তির উচ্চতা বেশি হওয়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় বিসর্জনের পথে যাওয়া প্রত্যেকটি রাস্তার আলোর। আর মাত্র দু’দিনের অপেক্ষা, এরপরেই মাতা আগমেশ্বরীর আরাধোনায় ব্রতী হবেন অসংখ্য ভক্তবৃন্দ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: মৃৎশিল্পী না হয়েও সুদর্শন দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে নজির গড়লেন এক কলেজ পড়ুয়া!

    Durga Puja 2024: মৃৎশিল্পী না হয়েও সুদর্শন দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে নজির গড়লেন এক কলেজ পড়ুয়া!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রাজুয়েশন করার পর নিজের শিল্পসত্ত্বাকে ধরে রাখতে চান নদিয়ার শান্তিপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২৩ বছর বয়সি যুবক সৌম্যদীপ মণ্ডল। এ বছর দু’ফুট উচ্চতার সুদর্শন দুর্গাপ্রতিমা তৈরি করে এক অনন্য নজির গড়লেন তিনি। বাবা সন্দীপ মণ্ডল, পেশায় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। সংসারের হাল ধরতে একমাত্র ছেলে সৌম্যদীপ। চার বছর আগে তিনি বিভিন্ন প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু করেন। প্রথমে দু’ফুট উচ্চতা, পরে সাড়ে তিন ফুট উচ্চতার প্রতিমা (Durga Puja 2024) তৈরি করেছিলেন। এরপর সেই প্রতিমা পাড়ি দিয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। এ বছর আবারও তিনি প্রতিমা তৈরির বরাত পান, কলকাতা নিবাসী এক বাঙালি দুর্গাপ্রতিমা তৈরির বরাত দেন সৌম্যদীপকে। সেইমতো দু’ফুট উচ্চতার প্রতিমা তৈরি প্রায় শেষ করেছেন সৌম্যদীপ।

    সাজসজ্জার পুরোটাই মাটির (Durga Puja 2024)

    প্রতিমাতে রয়েছে বিশেষ আকর্ষণ। দেবী দুর্গা মহিষাসুর এবং সিংহের সাজসজ্জা, পুরোটাই মাটির তৈরি। পিছনের সুদর্শন চালি, দেবীর দশ হাতের অস্ত্র থেকে শুরু করে পুরোটাই তৈরি করা হয়েছে, মাটির সাজে। সৌম্যদীপের কথায়, ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন আর্ট-এর ওপর ঝোঁক ছিল। স্কুল জীবনে যখন বাড়ি ফিরতেন, কুমোরপাড়ায় গিয়ে প্রতিমা তৈরি করা দেখতেন। এরপর কলেজে পড়াশোনা শুরু করেও সেই নেশা কাটেনি। কুমোরপাড়ায় মৃৎশিল্পীদের তৈরি কাজ নিজের (College Student) চোখে দেখে সেখান থেকেই শুরু হয় প্রতিমা তৈরি করার ইচ্ছে।

    লক্ষ্য শিল্পকে ধরে রাখা

    চার বছর আগে শুরু করেন বিভিন্ন দেবদেবীর প্রতিমা (Durga Puja 2024) তৈরি। এর আগেও অতি ক্ষুদ্র কালীপ্রতিমা তৈরি করে নজর কেড়েছিলেন। এ বছরও একটি ক্ষুদ্র কালীপ্রতিমা তৈরি প্রায়ই করে ফেলেছেন। আর সেই প্রতিমা পাড়ি দেবে আবারও কলকাতার উদ্দেশে। সৌম্যদীপের বাড়িতে রয়েছে তাঁর মা ও বাবা। একমাত্র সন্তান হিসেবে পরিবারের হাল ধরে রাখতে বিকল্প সৌম্যদীপ ছাড়া আর কেউ নেই। ইতিমধ্যে গ্রাজুয়েশন পাশ করে তাঁর আগামী দিনের লক্ষ্য শিল্পকে ধরে রাখা। আগামীতে তাঁর হাতের ক্ষুদ্র কাজ যাতে বিশ্বের দরবারে পৌঁছায়, সেই চেষ্টাই চালাবেন সৌম্যদীপ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2024: আট হাতে নেই কোনও অস্ত্র, দুটি হাতেই অসুর দমন করেন দেবী কাত্যায়নী!

    Durga Puja 2024: আট হাতে নেই কোনও অস্ত্র, দুটি হাতেই অসুর দমন করেন দেবী কাত্যায়নী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার অদ্বৈত আচার্যের বংশধর বড় গোস্বামী বাড়ি শান্তিপুরের এক অন্যতম তীর্থস্থান। এই বাড়িতেই প্রায় ৩৫০ বছর ধরে চিরাচরিত নিয়ম মেনে পূজিত হয়ে আসছেন দেবী কাত্যায়নী। বর্তমানে চতুর্থতম বংশধর আদ্রিপ গোস্বামীর কথায় জানা যায় দেবী (Durga Puja 2024) আরাধনার ইতিকথা। জানা গিয়েছে, এখন থেকে ৩৫০ বছর আগে তাঁদের বাড়ির রাধারমন বিগ্রহ হঠাৎ চুরি হয়ে যায়। তার পর থেকেই প্রত্যেক সদস্য মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কীভাবে রাধারমনকে খুঁজে পাওয়া যাবে, এই চিন্তায় তখন সবার দিশাহারা অবস্থা। অবশেষে তাঁরা জানতে পারেন, ভাগবত পুরাণে রয়েছে, দেবী কাত্যায়নীর ব্রত করলে ইষ্ট দেবতাকে পাওয়া যাবে। সেই মতো বড় গোস্বামী বাড়ির গৃহবধূরা দেবী কাত্যায়নীর ব্রত করতে শুরু করেন।

    কার্তিক এবং গণেশ উল্টো দিকে (Durga Puja 2024)

    পরবর্তীতে বাড়ির জেষ্ঠা গৃহবধূ স্বপ্নাদেশ পান, তাঁদের রাধারমন নদিয়ার দিগনগরের একটি দিঘিতে পড়ে রয়েছে। তৎক্ষণাৎ বাড়ির সদস্যরা সেই স্থানে ছুটে গিয়ে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তাঁদের বিগ্রহ দেবতা রাধারমনকে। তার পর থেকে প্রত্যেক বছরই মহা সমারোহে পূজিত হয়ে আসছেন দেবী কাত্যায়নী। যদিও দেবী আরাধনায় রয়েছে বিশেষ নিয়ম। দেবীর ৮টি হাতে কোনও অস্ত্র থাকে না, দুটি হাতে থাকে অসুর দমনে অস্ত্র। দেবীর দুই সন্তান কার্তিক এবং গণেশ থাকেন উল্টো দিকে। দেবীর ভোগ নিবেদনেও রয়েছে বিশেষ নিয়ম। বৈষ্ণব মতে পূজিত হন দেবী কাত্যায়নী। মহাভোগ তৈরি হয় বাড়ির দীক্ষিত গৃহবধূদের দিয়ে। সকালে হয় বাল্য ভোগ, সপ্তমী-অষ্টমী-নবমী-এই তিন দিন বিশেষ মহাভোগ হয় ৩৩ ব্যঞ্জনে। নবমীর দিন সকালে দেবীর কাছে সকলের মঙ্গল কামনা করা হয়, বিশেষভাবে দশমীতে (Durga Puja 2024) সারা বাড়িতে শান্তির জল ছেটানো হয়। বাড়ির প্রত্যেক সদস্য শুদ্ধ পোশাকে থাকেন।

    বিসর্জনেও বিশেষত্ব

    তবে দেবী বিসর্জনে রয়েছে বিশেষ নিয়ম। দশমীর দিন সকালে দেবী (Durga Puja 2024) বিসর্জন করে সকলে তড়িঘড়ি বাড়িতে ফিরে আসেন। এরপর রাধারমন অর্থাৎ বাড়ির বিগ্রহ দেবতাকে ভোগ নিবেদন করেন। জানা গিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত দেবী বিসর্জন না হয়, ততক্ষণ রাধারমনকে ভোগ নিবেদন করা হয় না। তবে ৩৫০ বছর ধরে নিষ্ঠা সহকারে দেবীর আরাধনা হয়ে আসছে শান্তিপুরের এই বড় গোস্বামী বাড়িতে। এখন থেকেই চলছে দেবীমূর্তি তৈরির কাজ। ব্যস্ত রয়েছেন অদ্বৈতাচার্যের বংশধারেরাও (Nadia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শান্তিপুরে কচুরিপানা থেকে তৈরি হচ্ছে শাড়ি! নয়া উদ্যোগ দিশা দেখাচ্ছে কর্মসংস্থানেরও

    Nadia: শান্তিপুরে কচুরিপানা থেকে তৈরি হচ্ছে শাড়ি! নয়া উদ্যোগ দিশা দেখাচ্ছে কর্মসংস্থানেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিত্যক্ত কিংবা অব্যবহৃত জিনিসকে কাজে লাগিয়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার আন্তর্জাতিক চিন্তাভাবনার ওপর ভর করে এখন সরকারি বিভিন্ন প্রকল্প হচ্ছে। একদিকে যেমন সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে নানা কাজ করা হচ্ছে, তেমনি বাড়ি বাড়ি থেকে সংগৃহীত পচনশীল এবং অপচনশীল বর্জ্যেরও প্রক্রিয়াকরণ শুরু হয়েছে সরকারি তত্ত্বাবধানে। কেন্দ্রীয় সরকারের এ ধরনের নানা ক্ষুদ্র, কুটির কিংবা হস্তশিল্পের প্রকল্প রয়েছে। মহিলা হোক বা পুরুষ, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে কিংবা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তৈরি করে তাদের মধ্য দিয়ে উৎপাদন এবং বিপণন পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে বিভিন্ন জায়গায় (Nadia)।

    কীভাবে এই ভাবনা মাথায় এল?

    আজ থেকে পাঁচ বছর আগে বনগাঁর এরকমই এক উদ্যোগী কৌশিক মণ্ডল নদিয়ার শান্তিপুর এলাকার বেশ কিছু তাঁতি এবং বাংলার বিভিন্ন জেলার পরিবেশ রক্ষা এবং নতুন ধরনের চিন্তাভাবনাসম্পন্ন মানুষকে নিয়ে গড়ে তুলেছিলেন এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (Nadia)। যদিও সে সময় নদী পরিষ্কার তাঁদের অন্যতম প্রধান কাজ ছিল। আর তা করতে গিয়ে তাঁরা প্রথম লক্ষ্য করেন, কোনও কাজে না লাগা কচুরিপানা মাছচাষের ক্ষেত্রেই হোক বা নদীপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা, সবকিছুতেই প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। সেগুলি পরিষ্কার করার জন্য কৃষকদের অযথা অর্থ ব্যয় হয়। অন্যদিকে সেগুলি পুকুর কিংবা জলাশয়ের পাড়ে পড়ে থেকে থেকে নষ্ট হয়। এর পরই কচুরিপানা দিয়ে কিছু করার চিন্তাভাবনা তাঁর মাথায় আসে।

    কীভাবে হচ্ছে শাড়ি তৈরির কাজ? (Nadia)

    পরীক্ষামূলকভাবে কাজ শুরু হয়। শান্তিপুরের বিভিন্ন ডোবা, পুকুর পরিষ্কারের পর কচুরিপানার গোড়া এবং পাতা ফেলে দিয়ে, প্রধান কাণ্ড কিংবা পাতার মোটা ডাটা থেকে আঁশ ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। পরে তা শুকানো হয়। তবে এক্ষেত্রে মাত্র দু’কেজি তন্তু পাওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গে স্পিনিং মিলের সংখ্যা কম থাকার কারণে তাঁরা বিভিন্ন রাজ্যের এ ধরনের মিলে সুতো তৈরি করে নিয়ে আসেন। যেগুলি কখনও টানায়, কখনও পোড়েন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ২৫ শতাংশের বেশি কখনই নয়। কারণ হিসেবে কৌশিকবাবু জানান, টেকসই এবং ক্রেতাদের ক্ষমতার দিকে নজর রেখেই এটা করা হয়ে থেকে। এভাবেই প্রায় ৪০০ শাড়ি ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে (Nadia)। যা সাড়া ফেলে দিয়েছে ইউরোপ, আমেরিকার মতো দেশগুলিতে। তাদের সংগঠনকে পুরস্কৃতও করা হয়েছে। আগামী দিনে অত্যন্ত কম মূলধনের এই ব্যবসায় অনেকেই আগ্রহী হবেন বলে তাঁর আশা। তবে পরিবেশের কথা ভেবে এবং পরিত্যক্ত জিনিসকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তোলার বিষয়টিতে কেন্দ্র এবং রাজ্য, উভয় সরকারকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর জন্য আবেদন জানিয়েছেন তিনি। 

    কাজ দেখতে আসছেন দূরদূরান্তের গবেষক ছাত্রছাত্রীরা (Nadia)

    নদীয়ার শান্তিপুর মহাপ্রভু পাড়ায় এই কাজ দেখতে এসেছিলেন ছত্তিশগড় রাজ্যের জব্বলপুর এলাকা থেকে সোয়েতা স্যোনি। তিনি জানান, তাঁরা পুরুষ ও মহিলাদের বিভিন্ন ধরনের হস্তচালিত কুটির শিল্প কিংবা ব্যবসায়িক স্বনির্ভরতার কাজে সহযোগিতা করে থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় কচুরিপানার এই শাড়ি দেখার পর নিজে এসে স্বচক্ষে দেখে গেলেন শাড়ি উৎপাদন। আগামী দিনে রাজ্যে ফিরে গিয়ে সেখানে এ ধরনের একটি প্রকল্প করার চিন্তাভাবনা আছে। সুদূর মুম্বই থেকে অর্পনা গাইকোড-এর নেতৃত্বে ৮ ছাত্রছাত্রীর একদল ফ্যাশন ডিজাইন এবং বস্ত্র বয়ন সংক্রান্ত পড়াশোনা করা গবেষক ছাত্রছাত্রীরা একইভাবে স্বচক্ষে দেখতে এসেছিলেন শান্তিপুরে (Nadia)। তাঁরাও জানাচ্ছেন, অত্যন্ত যুগোপযোগী এই প্রকল্পে আগামী দিনে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হতে পারে। তবে শুধু শাড়ি নয়, এই ফাইবার বা তন্তু নানান কাজে লাগানো সম্ভব। অন্যদিকে এই কচুরিপানা সংগ্রহের ফলে বর্ষাকালে উপকৃত হবেন বহু মৎস্যজীবী থেকে শুরু করে নদী এবং বিভিন্ন জলপথে যাতায়াত মাধ্যমের কর্মীরাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: কৃত্তিবাসের ভিটেতে রাম-সীতা মন্দিরে পুজোয় মাতলেন সাংসদ জগন্নাথ

    Ram Mandir: কৃত্তিবাসের ভিটেতে রাম-সীতা মন্দিরে পুজোয় মাতলেন সাংসদ জগন্নাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ram Mandir) রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার উপলক্ষে সারা দেশজুড়ে চলছে নাম যজ্ঞ। লক্ষ লক্ষ ভক্ত এদিন অযোধ্যার রাম মন্দিরে উপস্থিত হয়েছেন। সারা দেশের মানুষ সাড়ম্বরে পালন করছেন এই শুভ দিনটি। গোটা ভারতবর্ষের এক বিশেষ দিন। সনাতন ধর্মের সাফল্যের দিন। সোমবার শান্তিপুরের ফুলিয়ায় কৃত্তিবাস ওঝার জন্মস্থানে উপস্থিত হয়ে এমনটাই জানালেন নদিয়ার রানাঘাটের  বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। নাম সংকীর্তনের মধ্য দিয়ে মেতে ওঠেন তিনি।

    ভারতের সংস্কৃতিকে নষ্ট করছে রাষ্ট্র বিরোধী দল! (Ram Mandir)

    রামায়ণ বাংলায় রচনা করেছিলেন কৃত্তিবাস ওঝা। এদিন রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়ায় কৃত্তিবাসের রামসীতা মন্দিরে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এদিন সেই মন্দিরে হাজির হন সাংসদ সহ একাধিক বিজেপি কর্মীরা। সেখানে বিশেয পুজো হয়। বিজেপি কর্মীদের পাশাপাশি বহু ভক্ত পুজো দিতে সেই মন্দিরে সামিল হন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বিজেপি সাংসদ হাজির হন। তিনি বলেন, গোটা দেশজুড়ে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) রামলালার জয়জয়কার হচ্ছে। রামময় জগৎ, রামময় ভারত। রাম আমাদের আত্মা, রাম আমাদের স্বরূপ। রামের যে নীতি সেই নীতিতেই চলে গোটা জগৎ। রামচন্দ্রের আদর্শ মেনেই আমরা চলি। আর ভারতের যে সংস্কৃতি যে ধর্ম তাকে নষ্ট করার জন্য  উঠে পড়ে লেগেছে এক রাষ্ট্রবিরোধী দল। এই শুভদিনে সেই নাম করছি না। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর গোটা ভারতবর্ষ এক গৌরবময় দেশ হয়ে উঠবে। আরও উন্নয়ন ঘটবে এই দেশের। রামচন্দ্র সব হিংসা দূর করে মানুষের মধ্যে শুভ বোধ জাগ্রত করবে।

    কৃষ্ণনগরে বিশেষ ষজ্ঞের আয়োজন

    এক মাস ধরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে নানান অনুষ্ঠান চলছে। এদিন মহাসাড়ম্বরে সেই শুভ দিন পালিত হচ্ছে। সারা দেশের সঙ্গে সারা রাজ্যের মানুষ রাম নামে মেতে উঠেছেন। নাম সংকীর্তন করছেন মানুষ। এদিন ফুলিয়ার কৃত্তিবাসে রাম সীতা মন্দিরে দাঁড়িয়ে সাংসদ এবং আরও বিজেপি কর্মীরা সকলে রামের নামে মেতে ওঠেন। পাশাপাশি কৃষ্ণনগরের নৃসিংহদেবতলা মন্দিরে ১০৮টি ধুনুচি এবং ১০০৮টি প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশেষ যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। উদ্যোক্তারা কয়েক হাজার ভক্তের জন্য ভোগের ব্যবস্থা করেন। যজ্ঞ শেষে ভোগ বিতরণ করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    Ram Mandir: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনে সারা দেশ মেতে উঠেছে। মন্দিরে মন্দিরে চলছে পুজো। এই আবহের মধ্যে নদিয়ার শান্তিপুরে শুধু মন্দিরগুলিতে পুজো হচ্ছে এমন নয়, এই দিনটিকে স্মরণে রাখতে সোমবার সন্ধ্যায় মসজিদ এবং গির্জায় জ্বালানো হবে মোমবাতি এবং প্রদীপ। এমনটাই জানালেন নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি-২ নম্বর পঞ্চায়েতের পাঁচপোতা পূর্বপাড়া জামে মসজিদ কমিটির অন্যতম সদস্য আশরাফ শেখ এবং শান্তিপুর ব্লকের আরবান্দি-১ নম্বর পঞ্চায়েতের চাদরা ক্যাথলিক চার্চ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জোসেফ মণ্ডল। আজকের দিনটিকে সনাতনী হিন্দু ধর্মের অত্যন্ত পবিত্র একটি দিন বলে মনে করছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তবে, সনাতনী হিন্দু ধর্মের পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরাও যে একইভাবে আনন্দে উচ্ছ্বাসিত তা বলাই বাহুল্য।

    গীর্জা ও মসজিদে জ্বালানো হবে প্রদীপ-মোমবাতি (Ram Mandir)

    সোমবার সকাল থেকেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Mandir)  দিকে নজর ছিল সকলের। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  আর বিশেষ এই দিনটিকে স্মরণে রাখতে উদ্যোগী হয়েছেন শান্তিপুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা। এদিন সন্ধ্যায় গির্জা এবং মসজিদে মোমবাতি, প্রদীপ জ্বালানো হবে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু হিন্দু ধর্মের মানুষেরাই নয়, সংখ্যালঘু সকল সম্প্রদায়ের মানুষেরাই তাতে খুশি। আর সেই কারণেই  মন্দিরের পাশাপাশি শান্তিপুরের এই জামে মসজিদ এবং ক্যাথলিক চার্চেও জ্বলে উঠবে প্রদীপ এবং মোমবাতি। ক্যাথলিক চার্চের দায়িত্বে থাকা জোসেফ মণ্ডল বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা প্রত্যেক বাড়িতে বাড়িতে অক্ষত প্রসাদ বিতরণ করেছি। সকলকেই প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালানোর জন্য বলেছি। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরাও এই দিনটিকে স্মরণ রাখতে প্রদীপ জ্বালাবে। আর গির্জাও সাজানো হয়েছে।

    জামে মসজিদ কমিটির সদস্য কী বললেন?

    জামে মসজিদ কমিটির সদস্য আশরাফ শেখ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সমস্ত জাতিকেই শ্রদ্ধা ও সম্মান করেন। আর তাতেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মসজিদ পরিষ্কার করেছি। সকলে উদ্যোগী হয়ে এই কাজ করছেন। আমরা এদিন সকাল থেকে সমস্ত রকম প্রস্তুত গ্রহণ করেছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: সিভিক ভলান্টিয়ারে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Shantipur: সিভিক ভলান্টিয়ারে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিভিক ভলান্টিয়ার এর চাকরি করে দেওয়ার নাম করে দফায় দফায় এক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। টাকা চাইতে গেলে হুমকির অভিযোগ পরিবারের। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) থানার ফুলিয়া হাসপাতালপাড়া এলাকার।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Shantipur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ছয় মাস আগে শান্তিপুর (Shantipur) হাসপাতাল পাড়া এলাকার বাসিন্দা মালা শর্মার কাছ থেকে তাঁর ছেলেকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি করে দেওয়ার নাম করে টাকার দাবি করেন। প্রথমে ৫০ হাজার টাকা নেন ওই মহিলার কাছ থেকে। এরপর দ্বিতীয় দফায় আরও ৫০ হাজার টাকা নেন বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সুপ্রভাত সরকার ফুলিয়া টাউনশিপ অঞ্চলের তৃণমূলের আহ্বায়ক। মালা শর্মার দাবি, তিন মাসের মধ্যে চাকরি দেওয়ার শর্ত থাকলেও ছয় মাস পেরিয়ে গেল চাকরি দিতে পারেনি ওই তৃণমূল নেতা। ছয় মাস অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পর টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন কথা বলে বার বার বাড়ি পাঠিয়ে দেন তিনি। শুধু তাই নয় অবশেষে টাকা চাইলে হুমকি দেন। কোনও উপায় না পেয়ে অবশেষে শান্তিপুর থানায় অভিযোগ জানাই।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী বললেন?

    প্রতারিত মহিলার তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তৃণমূল নেতা সুপ্রভাত সরকার। তিনি বলেন, ওই মহিলা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করছেন। এটা বিরোধী রাজনৈতিক দলের চক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে। আমি কারও কাছ থেকে কোনও টাকা পয়সা আজ পর্যন্ত নিইনি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এ বিষয়ে বিজেপি নদিয়া দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক সোমনাথ কর বলেন, তৃণমূলের সব ছোট বড় নেতারই একই চরিত্র। সবাই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। আসলে পুলিশের নাম করেই এরা দুর্নীতি করেই চলেছে। এরা জানে রাজ্য পুলিশ কোনও তৃণমূল নেতাকে কিছু করতে পারবে না। আমরা চাই যে নেতা টাকা আত্মসাৎ করেছে তাঁর কঠোরতম শাস্তি হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: চিকিৎসকে মারধর কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী, সাতদিন পর অবশেষে পুলিশের জালে

    Shantipur: চিকিৎসকে মারধর কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী, সাতদিন পর অবশেষে পুলিশের জালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবি মতো কালীপুজোর চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় এক চিকিৎসককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) থানার ফুলিয়ার একটি ক্লাবের ছেলেরদের বিরুদ্ধে। এই হামলার মূল অভিযুক্ত ছিলেন চাঁদ ঘোষ। তিনি এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। অবশেষে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Shantipur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১২ নভেম্বর নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) থেকে ফুলিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ফুলিয়া ঘোষপাড়ায় কালীপুজোর চাঁদা আদায়কারীদের হাতে আক্রান্ত হন চিকিৎসক সুজন দাস। সেই ঘটনায় শান্তিপুর থানায় আক্রান্ত চিকিৎসক অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। আক্রান্ত চিকিৎসককে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে, হামলাকারীদের গ্রেফতারে পুলিশ টালবাহানা করছিল বলে বিরোধীদের অভিযোগ। যদিও চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা নিয়ে সোচ্চার হয়েছিল বিজেপি। আক্রান্ত চিকিৎসককে দেখা করে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবারই বিজেপির পক্ষ থেকে হামলাকারীদের গ্রেফতারির দাবিতে পথে নামে বিজেপি। সেখানেই পুলিশ ও বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। যদিও পরবর্তীতে পুলিশ আশ্বস্ত করে মূল অভিযুক্তকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হবে। পুলিশের আশ্বাস পেয়ে বিজেপি আন্দোলন প্রত্যাহার করে। যদিও ২৪ ঘন্টা যেতে না যেতেই অভিযুক্ত চাঁদ ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা চঞ্চল চক্রবর্তী বলেন, মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পুলিশের সময় লেগে গেল সাত দিন। তৃণমূলের সঙ্গে জড়িত বলেই গ্রেফতারিতে গাফিলতি ছিল পুলিশের। আমরা আন্দোলন করে দাবি জানিয়েছিলাম। চাপে পড়ে হলেও পুলিশের টনক নড়েছে দেখে খুব ভাল লাগছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় পঞ্চায়েতের প্রধান সুদীপ প্রামাণিক বলেন, চিকিৎসকের সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে সত্যিই চাঁদ ঘোষ অপরাধ করে থাকে পুলিশ তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। আইন আইনের পথে চলবে। এই সব ক্ষেত্রে দল কোনও পক্ষ নেবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: আক্রান্ত চিকিৎসকের সুবিচারের দাবিতে বিজেপি-র আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার

    Shantipur: আক্রান্ত চিকিৎসকের সুবিচারের দাবিতে বিজেপি-র আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) থানার ফুলিয়া এলাকায়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। তাতে ১০ জন বিজেপি কর্মী জখম হন। পরে, পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantipur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার ১২ নভেম্বর সকালে ফুলিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন সুজন দাস নামে এক চিকিৎসক। তাঁর বাড়ি শান্তিপুর (Shantipur)। বাইকে করে তিনি ফুলিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। বঁইচা ঘোষপাড়ায় ফুলিয়া-আড়বান্দি রোডে স্থানীয় ক্লাবের ছেলেরা কালীপুজোর জন্য চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু, দাবি মতো চাঁদা দিতে রাজি হননি সুজনবাবু। আর তারপরই ক্লাবের ছেলেরা তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফিরে রোগী দেখতে শুরু করেও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে, সেখান থেকে একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেদিনই তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। বুধবার বাড়ি ফেরার পর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেদিনই তাঁকে জেএনএমে পাঠানো হয়।

    আক্রান্ত চিকিৎসককে দেখতে শুভেন্দু, কী বললেন?

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কল্যাণী জেএনএম কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরে বেরিয়ে এসে রাজ্য সরকার ও শান্তিপুর থানার পুলিশকে নিশানা করেন তিনি। শুভেন্দু আসার সময়ে চিকিৎসকের সঙ্গে ছিলেন তাঁর বাবা ও ভাই। শুভেন্দুর দাবি, স্থানীয় থানার ওসি তাঁর অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এফআইআর নম্বর দেননি বলে সুজন আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। উল্টে যে বাঁচাতে গিয়েছিল, তাকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আসল অপরাধীরা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক হওয়ায় পুলিশ তাদের গায়ে হাত দেওয়ার সাহস পায়নি।

    বিজেপির শান্তিপূর্ণ অবস্থানে গন্ডগোল 

    শুক্রবার দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে শান্তিপুরের (Shantipur) ফুলিয়া ফাঁড়ির সামনে বিজেপি কর্মীরা অবস্থান বিক্ষোভ করেন। সেখানেই কয়েক ঘন্টা ধরে চলে বিজেপির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ। পরবর্তীতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা পুলিশের ব্যারিকে়ড ভেঙে পুলিশ ফাঁড়ির ভিতরে ঢুকতে গেলে শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। তারপর তা প্রায় হাতাহাতিতে পরিণত হয়। ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয় বেশ কয়েকজন মহিলা বিজেপি কর্মী, এছাড়াও আহত হন বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র অর্চনা মজুমদার সহ রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। পরবর্তীতে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়, সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার পুলিশ প্রশাসনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বলেন, পুলিশ তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। যে ব্যক্তি চিকিৎসককে মারধর করেছে সেই মূল অভিযুক্তকে কেন গ্রেফতার করা হল না? আমরা সেই কারণেই পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে আহত হতে হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র অর্চনা মজুমদার বলেন, আমাকেও আঘাত পেতে হয়েছে। পুলিশের এই বর্বরতা আমরা কিছুতেই মেনে নেব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে এসডিপিও অফিস ঘেরাও, জাতীয় সড়ক অবরোধে বিজেপি

    Shantipur: দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে এসডিপিও অফিস ঘেরাও, জাতীয় সড়ক অবরোধে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলার পুলিশ সুপার ভয়ে আসছেন না। অবিলম্বে শান্তিপুর (Shantipur) এবং তাহেরপুর থানার ওসিকে বদল করতে হবে। তারা তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। বদল না করলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো। পাশাপাশি একজন এসডিপিও পাঁচ বছর ধরে একই জায়গায় কী করে দায়িত্বে থাকে, সেটাও পুলিশ সুপারকে জবাব দিতে হবে। শান্তিপুরে বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় এসডিপিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানোর সময় এমনই প্রতিক্রিয়া দিলেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। এদিন পুলিশ সুপার না আসায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা রানাঘাটে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন।

    কী ঘটেছিল? (Shantipur)

    উল্লেখ্য, দু’দিন আগে শান্তিপুর থানার বড়জিয়াকুড়ে অধীর সরকার নামে এক বিজেপি কর্মী খুন হন। অভিযোগ ওঠে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাকে পিটিয়ে খুন করেছে। পাশাপাশি এই খুনের ঘটনা লঘু করে দেওয়ার জন্য শান্তিপুর (Shantipur) থানার পুলিশের অতি সক্রিয়তা লক্ষ্য করা গেছে বলে অভিযোগ ওঠে। সেই কারণেই এদিন নদীয়া রানাঘাটে এসডিপিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপির বেশ কিছু বিধায়ক এবং সাংসদদের নেতৃত্বে চলে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি।

    পুলিশের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ (Shantipur)

    সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, পুলিশ বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে যাতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ছাড়া পেয়ে যায়। কিন্তু আমরা সেটা হতে দেব না। খুন হওয়া বিজেপি কর্মী (Shantipur) অধীর চৌধুরীর ছেলে যে বয়ান দেবে, সেই ভিত্তিতেই অভিযোগ নিতে হবে পুলিশকে। পাশাপাশি তিনি বলেন, শান্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এর আগেও দেখা গেছে বিভিন্ন সময় তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। অন্যদিকে তাহেরপুর থানার যে ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক বর্তমানে রয়েছেন, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন। শুধুমাত্র তৃণমূলের কথায় কাজ করার জন্য তাকে দায়িত্বে রাখা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই দুই থানার ওসিকে বদলি করার দাবি জানাচ্ছি। অন্যদিকে এসডিপিও প্রবীর মণ্ডল কিভাবে পাঁচ বছর ধরে একই জায়গায় দায়িত্ব থাকেন, সেটাও আমরা বুঝে নেব পুলিশ সুপারের কাছ থেকে। তিনি বলেন, অবিলম্বে যদি আমাদের দাবিগুলো না মানা হয়, তাহলে আগামী দিনে সব স্তব্ধ করে দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share