Tag: shantipur

shantipur

  • Shantipur: শান্তিপুরে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Shantipur: শান্তিপুরে বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরের (Shantipur) বড় জিয়াকুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম অধীর সরকার। তিনি বিজেপির বুথ কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?(Shantipur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় শান্তিপুর (Shantipur) ব্লকের আরবান্দি দু’নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায় বেশ কিছু দুর্গা প্রতিমা নিয়ে শোভাযাত্রা বের হয়, আর সেখানেই অংশগ্রহণ করেছিলেন ওই বিজেপি কর্মী অধীরবাবু। শোভাযাত্রা শেষে তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। তখনই বড় জিয়াকুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় হঠাৎই দুষ্কৃতীরা তাঁকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে, ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন তিনি। শান্তিপুর থানার পুলিশ গিয়ে আহত বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পরেই উত্তেজিত হয়ে ওঠে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। হাসপাতালের ভিতরেই পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। পরবর্তীতে মৃত বিজেপি কর্মীকে হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে শান্তিপুর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এরপর রাতেই মৃতদেহ মর্গে পাঠানো নিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ফের পুলিশের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তারপর পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠলে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    শান্তিপুর (Shantipur) পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির সহকারী সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী বলেন, অধীর আমাদের দলের ভালো সংগঠক। স্থানীয় বুথ কমিটির সহ সভাপতি। এলাকায় নিজেদের আধিপত্য ফিরে পেতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে। নাহলে গোটা শান্তিপুর জুড়ে দফায় দফায় বিক্ষোভ করা হবে। কারণ, এভাবে দলীয় কর্মীদের খুন করে বিজেপিকে শেষ করা যাবে না। অন্যদিকে, বিজেপির আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: শান্তিপুরে স্ক্রাব-টাইফাসে আক্রান্তে কিশোর, জেলাজুড়ে আতঙ্ক

    Shantipur: শান্তিপুরে স্ক্রাব-টাইফাসে আক্রান্তে কিশোর, জেলাজুড়ে আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া জেলায় স্ক্রাব-টাইফাস রোগে আক্রান্ত হল এক কিশোর। জেলায় এই প্রথম এই ধরনের রোগে দেখা মিলল বলে দাবি চিকিৎসকদের। নদিয়ার শান্তিপুরের (Shantipur) কাঁসারিপাড়ার বাসিন্দা ১৪ বছরের  এক কিশোর আক্রান্ত হয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। এমনিতেই নদিয়া জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বা়ড়ছে। এরমধ্যে স্ক্রাব-টাইফাস রোগে আক্রান্তের হদিশ মেলায় রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কীভাবে জানা গেল? (Shantipur)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে ওই কিশোর জ্বরে আক্রান্ত হয়। সে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। জ্বর না ছাড়ায় পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন। তাকে চিকিৎসা করেছিলেন শান্তিপুরের শিবাজী প্রসাদ কর নামে এক চিকিৎসক। পরবর্তীতে তিনি প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলেন,হয়তো ডেঙ্গি হতে পারে। তৎক্ষণাৎ তার রক্ত পরীক্ষার জন্য তিনি নির্দেশ দেন। কিন্তু, রক্ত পরীক্ষা করিয়ে দেখা যায় ডেঙ্গি তার হয়নি। কিন্তু, তার জ্বর ছাড়ছে না। সন্দেহ হওয়ায় তখন অন্য আরএক বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া হয়। আবার রক্ত পরীক্ষা করিয়ে দেখা যায় ওই কিশোর স্ক্রাবটাইফাস রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এরপরেই তাকে শান্তিপুরের (Shantipur) একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এমনিতেই জেলায় এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৩০০ জন। জেলার মধ্যে রানাঘাটের দুই ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। এই ব্লকে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। রানাঘাটের পাশে রয়েছে শান্তিপুর। সেখানেও অনেকে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে স্ক্রাব-টাইফাস রোগে আক্রান্তের হদিশ মেলায় জেলাজুড়ে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    কী বললেন চিকিৎসক?

    এব্যাপারে চিকিৎসক শিবাজী প্রসাদ কর বলেন, স্ক্রাবটাইফাস একটি এমন রোগ যা একটি বিশেষ পরজীবী পতঙ্গের কামড়ানো থেকে হয়। তবে, নদিয়া জেলায় এই প্রথম স্ক্রাবটাইফাস রোগী তিনি দেখছেন। সচরাচর এই রোগ নদিয়া জেলায় চোখে পড়ে না। এই রোগ বিশেষত জঙ্গলমহলে এবং উত্তরবঙ্গের দিকে বেশি দেখা যায়। তবে, অতি দ্রুত রোগ নির্ণয় করা গিয়েছে এবং চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে ওই কিশোর। তবে, এই নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: শান্তিপুরে বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে বোমাকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    Shantipur: শান্তিপুরে বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে বোমাকাণ্ডে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা ছিল। এবার সেটাই সত্য প্রমাণিত হল। দুদিন আগেই নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) বেলঘড়িয়া-২ নম্বর পঞ্চায়েতের গবার চর মাঝেরপাড়া এলাকায় বিজেপির জয়ী সদস্য গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের বাড়িতে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। সেটাই সত্য প্রমাণিত হল। এবার সেই ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা কৃষ্ণপদ রাহাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনা জানাজানি হতে আদতে শাসক দলেরই মুখ পুড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Shantipur)  

    নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) বেলঘড়িয়া-২ নম্বর পঞ্চায়েতে ১৯টি আসন রয়েছে। এরমধ্যে ১২টি পেয়েছে তৃণমূল। আর বিজেপি ৭টি আসন দখল করে। গবার চর এলাকায় বিজেপির হয়ে পঞ্চায়েতে দাঁড়িয়েছিলেন গৌরাঙ্গবাবু। তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন বোমাকাণ্ডে ধৃত কৃষ্ণপদ রাহা। কিন্তু, বিজেপি প্রার্থীর কাছে তিনি পরাজিত হন। আর তারপর থেকেই গৌরাঙ্গবাবুকে নানাভাবে হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে কৃষ্ণপদ রাহার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ১৮ সেপ্টেম্বর সোমবার গভীর রাতে গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বারান্দাতেই বিছানা করে ঘুমাচ্ছিলেন, তখনই একদল দুষ্কৃতী তাদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে। যদিও একটি বোমা বিছানার উপরে পড়তেই গৌরাঙ্গবাবুর এক নাবালক ভাগ্নে এবং মা জখম হন। এছাড়াও বারান্দার পাশের একটি টিনের দরজা ভেঙেচুরে যায়।

    কী বললেন বিজেপির জয়ী সদস্য?

    বিজেপির জয়ী সদস্য গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই তৃণমূল এসব করছে। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে ওরা ফের আমার বাড়িতে বোমাবাজি করে। আগেও একথা বলেছি। পুলিশি তদন্তে আমার অভিযোগ প্রমাণিত হল। আসলে ওরা হেরে গিয়েছে তা মেনে নিতে পারছে না। তাই, এই ধরনের ঘটনা ঘটনাচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    শান্তিপুরের (Shantipur) বেলঘড়িয়া অঞ্চলের তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। কেউ অভিযোগ করে থাকলে শাস্তি পাবে। আইন আইনের পথে চলবে। এতে আমার কিছু বলার নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়ির বিছানায় ফেলা হল বোমা, জখম ৩, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Shantipur: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়ির বিছানায় ফেলা হল বোমা, জখম ৩, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর বাড়িতে আবারও বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur)। ঘুমন্ত অবস্থায় বিছানার মধ্যে বোমা মারার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর বেলঘড়িয়া-২ নম্বর পঞ্চায়েতের গবার চর মাঝেরপাড়া এলাকায়। ঘটনায় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যর নাবালক ভাইপো সহ তিনজন জখম হন। যদিও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে শান্তিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantipur)  

    নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) বেলঘড়িয়া-২ নম্বর পঞ্চায়েতে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন গৌরাঙ্গ বিশ্বাস নামে এক দলীয় কর্মী। ভোটে জয়যুক্ত হন তিনি। তারপর থেকেই একাধিকবার গৌরাঙ্গ বিশ্বাস সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সোমবার গভীর রাতে গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বারান্দাতেই বিছানা করে ঘুমাচ্ছিলেন। তখনই একদল দুষ্কৃতী তাদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে। যদিও একটি বোমা বিছানার উপরে পড়তেই গৌরাঙ্গবাবুর এক নাবালক ভাইপো, ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রী জখম হন। এছাড়াও বারান্দার পাশের একটি টিনের দরজা ভেঙেচুরে যায়। এরপরে আতঙ্কে রাতের ঘুম উড়ে যায় এলাকার লোকজনের।

    কী বললেন বিজেপির জয়ী সদস্য?

    বিজেপির জয়ী সদস্য গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বলেন, নির্বাচনের আগে থেকেই তৃণমূল এসব করছে। এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে ওরা ফের আমার বাড়িতে বোমাবাজি করে। দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিজেপির তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে শান্তিপুরের (Shantipur) বেলঘড়িয়া অঞ্চলের তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ রায় বলেন, বিজেপি সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমরা বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে তৃণমূল করি। কিন্তু এলাকায় যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় থাকে, সেই চেষ্টা করি সব সময়। বোমাবাজির ঘটনা আমরা কিছুই জানি না। বিজেপি মিথ্যে অভিযোগ করে তৃণমূলের নামে বদনাম করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: এটাই কি উন্নয়ন! অভাবের তাড়নায় দুধের শিশুকে বিক্রি করে দিচ্ছেন মা?

    Shantipur: এটাই কি উন্নয়ন! অভাবের তাড়নায় দুধের শিশুকে বিক্রি করে দিচ্ছেন মা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার বিনিময়ে এক মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুরসভার চেয়ারম্যান সহ পুর প্রতিনিধিরা। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে আটক করে। যদিও শিশু বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গৃহবধূ ও তাঁর পরিবারের লোকজন। নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বেড় পাড়ার ঘটনা।

    ঘটনাস্থলে পুরসভার চেয়ারম্যান

    শান্তিপুর (Shantipur) পুরসভার চেয়ারম্যান সুব্রত ঘোষের দাবি, হঠাৎই তিনি জানতে পারেন, ওই এলাকার এক গৃহবধূ তাঁর একটি এক মাসের শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। ওই গৃহবধূর আরও এক বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। খবর পেতেই নিজে ওই গৃহবধূর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা জানার চেষ্টা করেন তিনি। ওই গৃহবধূকে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করলে পরবর্তীতে নিজের মুখে স্বীকার করে নেন, হ্যাঁ, তিনি এই কাজ করার চেষ্টা করেছেন। এই ঘটনা নিন্দনীয় বলেই জানিয়েছেন পৌরসভার চেয়ারম্যান।

    কী বললেন গৃহবধূ?

    অন্যদিকে গৃহবধুর পরিবারের দাবি, অর্থের অভাবে কোনও রকমে সংসার চলে। যে কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই অশান্তি হত। বেশ কয়েক হাজার টাকা দেনা হয়ে যায় ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীর। সেই কারণেই বাচ্চাদের মানুষ করতে পারবেন না বলে ওই গৃহবধূ তাঁর নিজের আত্মীয়কে আইনের পথে হেঁটেই  শিশুকন্যাকে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও এসব অস্বীকার করে অভিযুক্ত গৃহবধূর (Shantipur) দাবি, তিনি বাচ্চা বিক্রি করেননি। নিজের ইচ্ছাতেই তাঁর জা-এর কাছে দিয়ে দিচ্ছিলেন। কারণ দেনার দায়ে কর্মসংস্থানের জন্য অন্যত্র চলে যেতেন তিনি।

    তদন্তে শান্তিপুর (Shantipur) থানা

    এই ঘটনায় এলাকায় রীতিমতো উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এখন শিশুকন্যা সহ স্বামী-স্ত্রী দুজনেই রয়েছেন পুলিশের (Shantipur) হেফাজতে। এখন দেখার সত্যিই কি ওই গৃহবধূ নিজে থেকেই তাঁর শিশুকন্যাকে বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, নাকি ঘটনার পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ। এসবই তদন্ত করে দেখছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shantipur: তৃণমূলে যোগ না দেওয়ার জের! বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার সিভিক ভলান্টিয়ার স্বামীকে বরখাস্ত

    Shantipur: তৃণমূলে যোগ না দেওয়ার জের! বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার সিভিক ভলান্টিয়ার স্বামীকে বরখাস্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার জন্য এরকম ঘটনা ঘটবে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি শান্তিপুর (Shantipur) থানার সিভিক ভলান্টিয়ার কার্তিক হালদার। তাঁর বাড়ি শান্তিপুরের নৃসিংহপুরে। বিজেপির টিকিটে স্ত্রী জয়লাভের পর তাঁর সঙ্গে ঘরছাড়া হতে হয়েছিল তাঁকে। চাপের কাছে মাথানত না করায় এবার চাকরি গেল তাঁর। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শেষ একমাস অনুপস্থিত থাকার কারণেই ওই সিভিক ভলান্টিয়ারকে অপসারণ করা হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Shantipur)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্তিকবাবুর স্ত্রীর নাম সুপর্ণা বর্মন। তিনি ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন। দু’বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। সদ্যসমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুপর্ণা বর্মন বিজেপির টিকিটে পঞ্চায়েত সমিতিতে জয়লাভ করেন। সুপর্ণাদেবী জয়লাভ করলেও স্বামীকে নিয়ে উধাও হয়ে যান। চাপ থাকলেও তিনি তৃণমূলে পরে যোগদান করেননি। এই প্রসঙ্গে বিজেপি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা সুপর্ণাদেবী বলেন, ‘‘শান্তিপুর (Shantipur) থানার পুলিশ-প্রশাসন থেকে শুরু করে দুষ্কৃতীরা তৃণমূলে যোগদান করার জন্য আমার বাপের বাড়ি ও শ্বশুরবাড়িতে ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করার জন্য নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে আমার ভোটপ্রচারে একদিনও স্বামীকে পাইনি। বোর্ড গঠনে অংশ নেওয়ার পর তিনি ভেবেছিলেন, এবার বুঝি কিছুটা স্বস্তি মিলবে। কিন্তু, রবিবার রাতে থানা থেকে আমার স্বামীর সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি থেকে বরখাস্তের চিঠি এসেছে।’’

    কাজ চলে যাওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী?

    বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী কর্তিকবাবু বলেন, ‘‘এখন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, ডিউটিতে অনিয়মিত যোগদানের। কিন্তু, গত ১০ বছর ধরে চাকরিতে কোনও ছুটি পর্যন্ত নিইনি। শান্তিপুর (Shantipur) থানার ওসি সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন। তাতে কোনও অন্যায় হয়নি। আমার স্ত্রী বিজেপির সদস্য বলেই আমার চাকরি চলে গেল।’’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    আসলে নদিয়া জেলার মধ্যে শান্তিপুর (Shantipur) পঞ্চায়েত সমিতিই একমাত্র বিজেপির দখলে। সঙ্গে তিনটে পঞ্চায়েতও। আর সেই জয়ের পর বিশেষ পুলিশি অত্যাচার নেমে এসেছিল। জানা গিয়েছে, শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে ২৯টি আসনের মধ্যে ১৬টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। ১৩টি তৃণমূলের। অভিযোগ, বোর্ড ঘোরানোর খেলায় তৃণমূলের সঙ্গে নেমেছিল পুলিশ-প্রশাসনও। শুধুমাত্র বিজেপির একনিষ্ঠ কর্মী বলে তাঁরা নিজেদের আত্মগোপন রেখেও বোর্ড গঠনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, তৃণমূলে যোগ না দেওয়ার কারণে ওই পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের স্বামীর চাকরি চলে গেল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, তাঁরা নিজেদের আত্মগোপন করেই রেখেছিলেন, তাহলে আর চাপ দেওয়া কীভাবে সম্ভব! সিভিক ভলান্টিয়ারের অপসারণের সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক বিষয়। তাতে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jute: অবাক কাণ্ড, পাটের পাতা থেকেও তৈরি হচ্ছে চা! এই চা খেলে কোন কোন রোগ থেকে মুক্তি?

    Jute: অবাক কাণ্ড, পাটের পাতা থেকেও তৈরি হচ্ছে চা! এই চা খেলে কোন কোন রোগ থেকে মুক্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবি সুকুমার রায় লিখেছিলেন, নিম গাছেতে হচ্ছে শিম, কাকের বাসায় বগের ডিম। এবার সেরকমই এক অনন্য গবেষণায় সাড়া মিলেছে ভারতীয় কৃষি গবেষণাগারে। এবার পাট (Jute) গাছ থেকে হবে চা। এও কি সম্ভব! হ্যাঁ, সম্ভব। আর তাই করে দেখিয়েছে কলকাতার একটি কৃষি গবেষণাগার।

    কীভাবে হচ্ছে পাট (Jute) থেকে চা?

    পাট (Jute) শাক তো অনেক খেয়েছেন, এবার বাংলার মাটিতে পাট পাতা থেকেই তৈরি হচ্ছে চা। কলকাতার গবেষণাগারে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা আইসিএআর-নিনফেট কৃষি নিয়ে গবেষণা করে। এই সংস্থার টালিগঞ্জের গবেষণা কেন্দ্রে তৈরি হচ্ছে এই বিশেষ পানীয় অর্থাৎ পাট থেকে চা। পাটের জমি থেকে পাতা তুলে সেটাকে প্রথমে জীবাণুমুক্ত করা হয়। এরপরই বিশেষ তাপমাত্রায় সেই পাট পাতা শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। নির্দিষ্ট সময় পরে সেই শুকনো পাটপাতা গুঁড়ো করে রাখা হয় টি ব্যাগে। এই টি ব্যাগ গরম জলে দিলেই চা রেডি।

    কী বললেন আইসিএআর-নিনফেট-এর মুখ্য বিজ্ঞানী?

    আইসিএআর-নিনফেটের মুখ্য বিজ্ঞানী দেবপ্রসাদ রায় বলেন, আমাদের এই গবেষণা সংস্থা থেকে তৈরি এই চা-এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘জুট লিভ টি’। এই চায়ে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যার ফলে ক্যান্সারজনিত রোগ এবং সুগার রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বার্ধক্যজনিত রোগ সহ বিভিন্ন রোগ থেকে অনেকটাই নিস্তার মিলবে সাধারণ মানুষের। শান্তিপুরে কৃষক বন্ধুদের নিয়ে একটি বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করে গবেষণা সংস্থা আইসিএআর-নিনফেট। কৃষক বন্ধুদের একটি কর্মশালার মাধ্যমে কীভাবে পাট (Jute) গাছ থেকে চা হবে এবং তার ফলে কীভাবে তাঁরা বাজারে সেটিকে বিক্রয় করতে পারবেন এবং লাভের মুখ দেখবেন, তারও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। একটি বিশেষ ওষুধ যা জলের সঙ্গে মিশিয়ে পাট জাক দেওয়ার জায়গায় দিয়ে দিলে অতি দ্রুত পাট গাছ থেকে পাট সংগ্রহ করতে পারবেন চাষিরা। এই বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবে, পাট গাছ থেকে চা হলে সেটা বাজারে বিক্রি হলে অনেকটাই লাভবান হবেন কৃষকরা। আগের মতো পাট হয়ে উঠবে অর্থকরী ফসল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতি হাতছাড়া তৃণমূলের, দখল করল বিজেপি

    Nadia: শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতি হাতছাড়া তৃণমূলের, দখল করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের হাতছাড়া শান্তিপুর (Nadia) পঞ্চায়েত সমিতি। জেলার মধ্যে এই প্রথম পঞ্চায়েত সমিতি দখল করল বিজেপি। অতীতে কখনও বামফ্রন্ট, পরবর্তীতে তৃণমূলের হলেও শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতি এই প্রথম দখল করল বিজেপি। বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাস। 

    কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস (Nadia)

    শান্তিপুর (Nadia) পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠনের পর বিজেপির নবনিযুক্ত সভাপতি হলেন নৃপেন মণ্ডল। তিনি হরিপুর ১০ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি থেকে জয়লাভ করেছিলেন। অপরদিকে সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হন চঞ্চল চক্রবর্তী, তিনি আবার ফুলিয়া টাউনশিপ ২৮ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি থেকে জয়লাভ করেছেন। পঞ্চায়েত সমিতি দখলের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বিজয়োল্লাস লক্ষ্য করা যায়। এদিনের বোর্ড গঠন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তথা রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম বিধানসভার বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী এবং রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট উত্তর-পূর্বের বিধায়ক অসীম বিশ্বাস, চাকদা বিধানসভার বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

    বিজেপি সাংসদের বক্তব্য

    বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের (Nadia) দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনে মানুষ যেভাবে বিজেপির প্রতি আস্থা রেখেছেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে ভোটই দেবে না মানুষ। তিনি পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, থানার ওসি অঞ্চল সভাপতির মতো আচরণ করছেন। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এলাকায় ঢুকে বিজেপি কর্মীদের ঘরছাড়া, মারধর করে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। শাসকের এত হিংসার পরেও মানুষ বিজেপিকে জয়যুক্ত করেছেন। এই জয় সাধারণ মানুষের জয়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    বিজেপি পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন করলেও খোঁচা দিতে ছাড়লেন না শান্তিপুরের (Nadia) তৃণমূল বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী। তাঁর দাবি, বিজেপি বারবার দাবি করে এই রাজ্যে ডবল ইঞ্জিনের সরকার গড়বে। যেদিন এই রাজ্যে ডবল ইঞ্জিনের সরকার হবে, সেদিন এই রাজ্য উত্তরপ্রদেশে পরিণত হবে। এই রাজ্যে তৃণমূল আছে বলেই মা বোনেরা এখনও স্বাধীনভাবে রাস্তায় বেরোতে পারছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: স্বাধীনতা দিবসে শাড়িতে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ ফুটিয়ে তুলে শ্রদ্ধা নদিয়ার তাঁতশিল্পীর

    Nadia: স্বাধীনতা দিবসে শাড়িতে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ ফুটিয়ে তুলে শ্রদ্ধা নদিয়ার তাঁতশিল্পীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তিনি ছিলেন সামান্য হস্তচালিত তাঁতি। নিজের উৎপাদনের কাপড় কলকাতার বিভিন্ন অলিগলিতে ফেরি করে বিক্রি করা মানুষটি আজ নদিয়া জেলার সাত হাজার হস্তচালিত তাঁত শিল্পীর অবলম্বন। তিনি নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুরের ফুলিয়ার বীরেন কুমার বসাক। হস্তচালিত তাঁত শিল্পের ধারক, বাহক হিসাবে এখন সকলেই তাঁকে একনামে চেনেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজ্যপাল, দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি সকলের কাছে প্রশংসিত তিনি। রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদ্মশ্রী সহ বিভিন্ন জাতীয়, আন্তর্জাতিক পুরস্কার রয়েছে তাঁর সংগ্রহে। তিনি শুধু একাই এগিয়ে চলেছেন তাই নয়, ২০১৭-১৮ এবং ১৯ সালের জাতীয় পুরস্কার এ বাংলায় ঘোষিত হয় মোট আটজনের নাম, যার মধ্যে বীরেনবাবুর পাঁচজন ছাত্র রয়েছেন সেই তালিকায়।

    কোন কোন ব্যক্তিত্বদের অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে শাড়িতে?

    সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর, ক্রীড়া জগতের যুবরাজ সৌরভ গাঙ্গুলী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র দামোদর মোদি সহ বিখ্যাত মানুষদের পোর্ট্রেট হাতে চালানো তাঁতে, জামদানি বুটিকের আদলে তিনি হুবহু ফুটিয়ে তুলেছেন অবয়ব। যার মধ্যে বেশিরভাগই তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে নদিয়ার এই তাঁত শিল্পীর (Nadia)। অন্যদিকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিদ্রোহী কবি কাজি নজরুল ইসলাম, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এ পি জে আব্দুল কালাম, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু, জাতির জনক মহাত্মা গান্ধি, সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ, জাতীয় সেবিকা মাদার টেরেসা সহ বহু মহামানবের প্রতিকৃতি তাঁর অত্যন্ত কর্মদক্ষতা শিল্প নিপুণতা এবং ধৈর্যের ফলে সমাদৃত হয়েছে সারা দেশ জুড়ে।

    “আজাদি কা অমৃত মহোৎসব” ফুটে উঠেছে তাঁতের শাড়িতে

    স্বাধীনতা দিবস হোক বা প্রজাতন্ত্র দিবস, সরস্বতী পুজো, কিংবা বিশ্ব হস্ত চালিত তাঁত দিবস, কিংবা কোনও মহামানবের জন্ম অথবা মৃত্যু দিন। তিনি শ্রদ্ধা জানান ফাইন আর্ট জামদানি বুননের মাধ্যমে। এবারে স্বাধীনতার ৭৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে ছ মাস আগে থেকেই, তার সুদক্ষ হস্তচালিত তাঁত শিল্পীদের দিয়ে অসাধারণ শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তুলেছেন সিল্ক বারো হাত শাড়ির উপর। যেখানে আঁচলে রয়েছে ভারতবর্ষের মানচিত্র, এবং গত বছর ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সরকারের গৃহীত “আজাদি কা  অমৃত মহোৎসব” লেখা এবং লোগো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। অন্যদিকে ৩৪ টি বিভিন্ন স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং দেশ বরেণ্য মহামানবের পোর্ট্রেট বুটি হিসাবে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসাবে বুননের  মাধ্যমে সাজানো রয়েছে সমগ্র শাড়িতে।

    কী বললেন বীরেনবাবু?

    বীরেনবাবু বলেন, এই শাড়িটি আমি বিক্রির উদ্দেশ্যে তৈরি করিনি। দেশের ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমার শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আমার, ইচ্ছা দিল্লির ন্যাশনাল মিউজিয়ামে এই শাড়িটি সংরক্ষিত হোক সকলের দেখার উদ্দেশ্যে। সমগ্র পরিকল্পনা আমার হলেও প্রথমে ছবি আঁকার পর থেকে এই মহৎ কর্মকাণ্ড সম্পন্ন হয়েছে আমার কাছে থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নদিয়ার (Nadia) বিভিন্ন প্রান্তের হস্ত চালিত তাঁত শিল্পীদের শিল্প উৎকর্ষতায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Couple: ফেসবুকে ছবি দেওয়া নিয়ে অশান্তি, আত্মঘাতী ব্যবসায়ী দম্পতি

    Couple: ফেসবুকে ছবি দেওয়া নিয়ে অশান্তি, আত্মঘাতী ব্যবসায়ী দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মধ্যে থেকে এক ব্যবসায়ী দম্পতির (Couple) মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরের ফুলিয়া এলাকায়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করে স্বামী আত্মঘাতী হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম আঁখি বিশ্বাস (২৮) এবং সমীর বিশ্বাস (৩৫)। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

    ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বিকেলে গৃহবধূ আঁখি বিশ্বাস বিছানার উপরে অচৈতন্য অবস্থায় পড়েছিল। আর ঠিক তাঁর পাশেই ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর স্বামীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বাড়ির লোকজনই দেখে চিৎকার করে প্রতিবেশীদের ডেকে পাঠান। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে দম্পতির (Couple) দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সমীরবাবু পরিবহণ ব্যবসায়ী ছিলেন। সঙ্গে তাঁর পোল্ট্রির ফার্ম ছিল। আমবাগানের মালিকও ছিলেন তিনি। কয়েক মাস ধরে এক গাড়ির চালককে কেন্দ্র করে মাঝে মধ্যেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ চলতো। ঘনিষ্ঠরা সেই বিষয়টি জানত। অনেকে বিষয়টি মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, যত দিন গিয়েছে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এরমধ্যেই দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধারে এলাকাবাসী হতবাক হয়ে গিয়েছেন।

    কী বললেন সমীরবাবুর বন্ধু?

    সমীরবাবুর এক বন্ধু বলেন, “সমীর খুব ভাল ছেলে। ১০ বছর আগে ওদের বিয়ে হয়। সাত বছরের সন্তান রয়েছে। এমনিতেই ওদের পরিবারে কোনও সমস্যা ছিল না। সাত মাস আগে সমীরের এক বন্ধুকে নিয়ে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। সে পেশায় গাড়ির চালক। তাকে নিয়ে ওদের মধ্যে ঝামেলা লেগেই থাকত। দুদিন আগে ওই গাড়ির চালক নিজের ফেসবুকে, হোয়াটসঅ্যাপের স্ট্যাটাসে সমীরের স্ত্রীর ছবি দিয়েছিল। সেটা নিয়ে এলাকায় চর্চা হয়। মান সম্মানের কারণে ওরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পুলিশের হাতে আসছে ততক্ষণ পর্যন্ত কিছুই পরিষ্কার নয়। তবুও, এটা বলতে পারি এই দম্পতির (Couple) মৃত্যুর জন্য ওই গাড়ির চালক দায়ী”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share