Tag: Share Market

Share Market

  • Share Market: ট্রাম্প জিততেই ফুলেফেঁপে উঠল ভারতের শেয়ার বাজার, রকেট গতিতে সেনসেক্স ৮০ হাজার পার

    Share Market: ট্রাম্প জিততেই ফুলেফেঁপে উঠল ভারতের শেয়ার বাজার, রকেট গতিতে সেনসেক্স ৮০ হাজার পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ আমেরিকা। সেই দেশেরই প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে গড়লেন রেকর্ডও। আর ফল প্রকাশ হতেই ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেল ভারতের শেয়ার বাজারে (Share Market)। চড়চড়িয়ে বাড়ছে সেনসেক্স-নিফটির সূচক।

    সেনসেক্সের সূচকও বেড়ে ৮০,৫০০ অঙ্কে পৌঁছেছে (Share Market)

    প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল কী হতে চলেছে, সকাল থেকেই তার দিকে নজর ছিল শেয়ার বাজারের (Share Market)। দুপুর ১টা নাগাদ পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম সামনে আসতেই হু হু করে বাড়তে থাকে শেয়ার সূচক। তথ্যপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে অটো, ধাতু, পিএসইউ ব্যাঙ্কের শেয়ার সূচকগুলি চড়চড়িয়ে বাড়তে থাকে। নিফটি মিডক্যাপ ও নিফটি স্মলক্যাপ ১০০ দারুণ পারফর্ম করছে। নিফটির সূচক ২৪,৫০০ পয়েন্টে পৌঁছেছে। সেনসেক্সের সূচকও এক লাফে ১০০০ পয়েন্ট বেড়ে ৮০,৫০০ অঙ্কে পৌঁছেছে। বিটকয়েনের মূল্যও হু হু করে চড়েছে। মার্চের রেকর্ড ভেঙে বিটকয়েনের মূল্য ৭৫০৬০ ডলারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে। বুধবার, ৬ নভেম্বর সেনসেক্স ও নিফটিতে এক শতাংশের বেশি বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। এই নিয়ে পরপর দু’দিন ঊর্ধ্বমুখী হল স্টক বাজার। যা লগ্নিকারীদের মুখের হাসি চওড়া করেছে।

    আরও পড়ুন: হোয়াইট হাউসে ফিরছেন ট্রাম্প, “আমেরিকাকে আবার শ্রেষ্ঠ করব”, প্রতিশ্রুতি ভাবী-প্রেসিডেন্টের

    কোন স্টকের কী অবস্থা?

    বিএসইতে এদিন ২৫টি স্টক সবুজ জোনে (Share Market) শেষ করেছে। সবচেয়ে লাভ করেছেন টিসিএস, ইনফোসিস, টেক মাহিন্দ্রা, এইচসিএল টেক ও আদানি পোর্টের লগ্নিকারীরা। আর দর কমেছে টাইটান, ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার লিমিটেড, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক ও এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের শেয়ারের। বিএসইতে ছোট ও মাঝারি পুঁজির সংস্থাগুলির সূচক যথাক্রমে ২.২৮ এবং ১.৯৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিএসইতে তালিকাভুক্তি সংস্থাগুলির সামগ্রিক বাজার মূলধন আগের সেশনের চেয়ে প্রায় ৪৫৩ লক্ষ কোটি টাকা বেড়েছে। মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর এই অঙ্ক ছিল ৪৪৫ লক্ষ কোটি। একদিনে লগ্নিকারীরা চার লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছেন। এনএসইতে তেল ও গ্যাস এবং রিয়েল এস্টেট সংস্থাগুলির শেয়ারের দাম তিন শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া গাড়ি নির্মাণকারী সংস্থা, ফার্মা, সংকর ধাতু, মিডিয়া এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের স্টকের দর এক শতাংশের বেশি চড়েছে।

    কমেছে টাকার দাম

    এদিন সকাল থেকে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট দলের কমলা হ্যারিসের থেকে এগিয়ে ছিলেন। বেলা গড়াতেই তিনি যে দ্বিতীয় বারের জন্য প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে বসতে চলেছেন, তা স্পষ্ট হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এর সরাসরি প্রভাব পড়ে বম্বে ও ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে। এই দুই শেয়ার বাজারের সূচকও রকেট গতিতে চড়তে থাকে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিনে শেয়ার বাজারে (Share Market) রকেট গতি দেখা গেলেও ফের কমেছে টাকার দাম। এ দিন ডলারের নিরিখে ৮৪.১৯-এ নেমে আসে ভারতীয় মুদ্রা। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) অবশ্য ৮৪.১৩-তে নেমে গিয়েছিল ভারতীয় টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sensex And Nifty: একদিনে ১৪ লক্ষ কোটির মুনাফা! এক্সিট পোলের পূর্বাভাসেই রেকর্ড গড়ল সেনসেক্স-নিফটি

    Sensex And Nifty: একদিনে ১৪ লক্ষ কোটির মুনাফা! এক্সিট পোলের পূর্বাভাসেই রেকর্ড গড়ল সেনসেক্স-নিফটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক সংস্থার করা এক্সিট পোল বলছে কেন্দ্রে ফের আসছে বিজেপি সরকার। মুম্বইয়ের সাট্টা বাজারের বুকিদেরও পূর্বাভাস, কেন্দ্রে ফের পদ্ম-রাজ। এসব এক্সিট পোল ঘোষণা হয়েছে শনিবার, সপ্তম তথা শেষ দফার লোকসভা নির্বাচনের পরে। শনিবার এবং রবিবার বন্ধ ছিল শেয়ার বাজার (Sensex And Nifty)। তাই এই এক্সিট পোলের পূর্বাভাসের ছাপ পড়েনি শেয়ার বাজারে। তবে সোমবার বাজার খুলতেই চাঙ্গা বাজার। বিনিয়োগকারীদের আয় হয়েছে ১৪ লাখ কোটি টাকা।

    মর্নিং ট্রেডেই ঊর্ধ্বগতি

    বিশেষজ্ঞদের ধারণা ছিল, এদিন লাফ দিতে পারে শেয়ার বাজার। অন্তত নিফটি তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের অনুমান যে মিথ্যে নয়, তা মালুম হল এদিন বাজার খুলতেই। রকেটের গতিতে উত্থান হয়েছে শেয়ার বাজারে (Sensex And Nifty)। বেশ কিছু শেয়ারের উত্থানের জন্যই মর্নিং ট্রেডে দেখা গিয়েছে ভারতীয় শেয়ার বাজারের ঊর্ধ্বগতি। এখনও পর্যন্ত যে যে সংস্থার শেয়ারের দরে লাফ দেখা গিয়েছে, সেই তালিকার প্রথমেই রয়েছে আদানি গ্রুপের শেয়ারগুলি। বাজার খুলতেই আদানি গ্রুপের শেয়ারগুলি বেড়েছে অন্তত ১০ শতাংশ।

    ইন্ডিয়ান মার্কেট বেঞ্চমার্কস

    জানা গিয়েছে, ইন্ডিয়ান মার্কেট দুই বেঞ্চমার্ক সূচক – নিফটি ৫০ এবং সেনসেক্স – এদিন পৌঁছেছে রেকর্ড উচ্চতায়। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে গত তিন বছরে এই প্রথম। সেনসেক্স যখন বন্ধ হয়েছিল তখন তা ছিল ৭৩,৯৬১.৩১। বাজার খোলার সময় সেটাই ২,৬২২ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৭৬,৫৮৩.২৯। পরে ২,৭৭৮ বা ৩.৮ শতাংশ বেড়ে হয় ৭৬,৭৩৮.৮৯। এদিন বাজার বন্ধের সময় মোটা লাভ পেয়েছে ৩০টি শেয়ার প্যাক। এদের পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ২,৫০৭, শতাংশের হিসেবে ৩.৩৯।

    আর পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন কবে, জানিয়ে দিলেন রাজীব কুমার

    বাজার খোলার সময় নিফটি ৫০ সূচক ৮০৭ পয়েন্ট ওপরে শুরু হয়। আগের দিন বাজার বন্ধের সময় ছিল যেটা ছিল ২২,৫৩০.৭০, সেটাই এদিন বাজার খোলার সময় হয়েছে ২৩,৩৩৭.৯০। পরে বেড়েছে ৮০৮ পয়েন্ট, শতাংশের হিসেবে ৩.৬। নিফটি ৫০ বন্ধ হয়েছে ২৩,২৬৩.৯০, বেড়েছে ৭৩৩ পয়েন্ট, শতাংশের বিচারে ৩.২৫। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে বিএসইতে তালিকাভুক্ত স্টকগুলির মার্কেট ক্যাপ ৪২৬.২৪ লক্ষ কোটি টাকা বন্ধ হয়েছে যা আগের ট্রেডিং সেশনে ৪১২.১২ লক্ষ কোটি টাকা ছিল। অর্থাৎ আজকের সেশনে বিনিয়োগকারীদের সম্পদ বেড়েছে ১৪.১২ লক্ষ কোটি টাকা।

    জানা গিয়েছে, গত ৫২ সপ্তাহের মধ্যে সোমবারই প্রায় ৩০০ স্টকের বাজার মূল্য উঠেছিল শীর্ষে। এর মধ্যে রয়েছে এসবিআই, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, ভারতী এয়ারটেল, লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো, মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা, এনটিপিসি এবং পাওয়ার গ্রিডও (Sensex And Nifty)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Tata Technologies IPO: রাত পোহালেই বাজারে আসছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, উন্মাদনা তুঙ্গে   

    Tata Technologies IPO: রাত পোহালেই বাজারে আসছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, উন্মাদনা তুঙ্গে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ২২ নভেম্বর। এদিনই সাবস্ক্রিপশনের জন্য খুলতে চলেছে স্টক মার্কেটের বহু প্রতীক্ষিত টাটা টেকনোলজিস আইপিও (Tata Technologies IPO)। লঞ্চের আগেই খবরের শিরোনামে চলে এসেছে টাটা টেকনোলজিসের এই আইপিও। গ্রে মার্কেটেও দুরন্ত গতি। ইতিমধ্যেই টাটা টেকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৭০ শতাংশ প্রিমিয়ামে। বাজারে এই অবস্থা বজায় থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই টাটা টেকের আইপিও থেকে ৭০ শতাংশ আয় করতে পারবেন বিনিয়োগকারীরা।

    টাটার শেয়ার মাল্টিব্যাগার 

    টাটা গোষ্ঠীর এই আইপিও নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। স্টক মার্কেটে টাটা গোষ্ঠীর অনেক শেয়ার মাল্টিব্যাগার হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। টিসিএস কিংবা টাইটান অথবা ট্রেন্ট বিপুল মুনাফা দিয়েছে বিনিয়োগকারীদের। বিগ বুল হিসেবে পরিচিত ছিলেন প্রয়াত বিনিয়োগকারী রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা। তাঁর সাফল্যের নেপথ্যেও সব চেয়ে বড় অবদান টাটা গোষ্ঠীর।

    উন্মাদনা তুঙ্গে 

    এর আগে টাটা গোষ্ঠীর আইপিও (Tata Technologies IPO) এসেছিল প্রায় দু’দশক আগে। ২০০২ সালে শেষ আইপিও এনেছিল টাটা। সেবার বাজারে এসেছিল টিসিএস। শেয়ার বাজারে টিসিএসই দ্বিতীয় বৃহত্তম কোম্পানি। মার্কেট ক্যাপের দিক থেকে এর আগে রয়েছে কেবল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। তাই টাটার নতুন আইপিও নিয়ে উন্মাদনা তুঙ্গে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। অপেক্ষার প্রহর গুণছেন তাঁরা।

    টাটার এই আইপিও খোলা হবে ২২ নভেম্বর। বিড করা যাবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত। ৩০ নভেম্বর টাটা টেক শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। যে বিনিয়োগকারীরা আইপিওয় ইউনিট পাবেন না, তাঁদের জন্য ফেরত দেওয়া শুরু হবে ১ ডিসেম্বর। সফল দরদাতাদের ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট শেয়ার জমা হবে। লিস্টিং হবে ৫ ডিসেম্বর।   

    আরও পড়ুুন: বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট শুরু আজ, এবারও কি কেবল ‘নকল মউ স্বাক্ষর’?

    আইপিওর প্রাইস ব্যান্ড নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৭৫ থেকে ৫০০ টাকা। এক-একটি আইপিও ব্লকে রয়েছে ৩০টি শেয়ার। অর্থাৎ এই আইপিওতে লগ্নি করতে একজন ব্যক্তিকে বিনিয়োগ করতে হবে ন্যূনতম ১৫ হাজার টাকা। প্রসঙ্গত, ২০২৩ অর্থবর্ষে টাটা কোম্পানির আয় বেড়ছে ২৫ শতাংশ। টাকার অঙ্কে আয় দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা। কোম্পানির মুনাফা ছিল ৭০৮ কোটি টাকা (Tata Technologies IPO)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Sensex: চাঙা বাজার, ফের বাড়ল সেনসেক্স, ঊর্ধ্বমুখী নিফটির সূচকও

    Sensex: চাঙা বাজার, ফের বাড়ল সেনসেক্স, ঊর্ধ্বমুখী নিফটির সূচকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চড়চড়িয়ে বাড়ছে শেয়ার বাজার। শুক্রবারের তুলনায় ৫২৯.০৩ পয়েন্ট বেড়ে সেনসেক্সের (Sensex) সূচক থামল ৬৬,৫৮৯.৯৩ পয়েন্টে। সোমবার সেনসেক্সের সূচক ছিল ৬৬ হাজার। সোমবার সেনসেক্সের সর্বোচ্চ সূচক ছিল ৬৬,৬৫৬.২১ পয়েন্ট। প্রত্যাশিতভাবেই বেড়েছে নিফটির পয়েন্টও। সোমবার নিফটি থেমেছে ১৯,৭১১.৪৫ পয়েন্টে। শুক্রবারের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১৪৬.৯৫ পয়েন্ট।

    লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী

    জুন মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই সেনসেক্স ও নিফটির লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। ৩০ জুন শুক্রবার ৬৪ হাজারের গণ্ডি পেরিয়ে রেকর্ড গড়েছিল সেনসেক্স। নিফটিও পেরিয়ে গিয়েছিল ১৯ হাজারের চৌকাঠ। তার পর থেকে বেশিরভাগ দিনই ওপরের দিকে থেকেছে সেনসেক্স ও নিফটির সূচকের অভিমুখ। শেষমেশ গড়ল সর্বকালীন (Sensex) রেকর্ড। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে এদিন সর্বোচ্চ লাভের তালিকায় ছিল ব্যাঙ্কেক্স, ফিন্যান্স ও স্মলক্যাপ। ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে সর্বোচ্চ লাভের তালিকায় রয়েছে মিডিয়া, সরকারি ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক, বেসরকারি ব্যাঙ্ক এবং ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস।

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ

    ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে লাভের তালিকায় শীর্ষে থাকা মিডিয়া সেক্টরের লাভের পরিমাণ ৩.১৫ শতাংশ, সরকারি ব্যাঙ্কের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে ২.২৫ শতাংশ এবং ব্যাঙ্কের ১.৪১ শতাংশ। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে এক শতাংশের ওপর লাভ করেছে ব্যাঙ্কেক্স ও ফিনান্স সেক্টর। এদিন ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ ও বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অটো এবং রিয়্যালিটি। সেনসেক্স প্যাক থেকে, এসবিআই, উইপ্রো, রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক, কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক ও ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক লাভবান অবস্থায় ছিল।

    আরও পড়ুুন: ‘চুরিতে নোবেল পেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    জুন ত্রৈমাসিকে ১২,৩৭০ কোটির নিট মুনাফায় ২৯.১৩ শতাংশ লাফ দেওয়ার পরে এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক ২ শতাংশ বেড়েছে। পিছিয়ে ছিল টাইটান, ভারতী এয়ারটেল, টাটা মোটর্স এবং জেএসডব্লিউ স্টিল। এর মধ্যে টাটা মোটর্স ছাড়া বাকি সবকটি সংস্থারই বাজারদর (Sensex) পড়েছে এক শতাংশের কম। নীচের দিকে শেষ হয়েছে এশিয়ান বাজার, সিউল ও সাংহাই। শুক্রবার মার্কিন বাজারগুলি মিশ্র ফল দিয়েছে। গ্লোবাল অয়েল বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ১.৬২ শতাংশ কমে হয়েছে ৭৮.৫৮ মার্কিন ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Adani FPO: কারচুপির অভিযোগে পড়েছে শেয়ার দর, ২০ হাজার কোটি টাকার এফপিও প্রত্যাহার আদানি গোষ্ঠীর

    Adani FPO: কারচুপির অভিযোগে পড়েছে শেয়ার দর, ২০ হাজার কোটি টাকার এফপিও প্রত্যাহার আদানি গোষ্ঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের জেরে বিপাকে আদানি গ্রুপ। ক্ষতির মুখে গৌতম আদানির গোষ্ঠী (Adani FPO)। বিগত কয়েকদিনে শেয়ার বাজারে সজোরে ধাক্কা খেয়েছে আদানি গ্রুপ। এবার চাপের মুখে  আদানি গ্রুপ তুলে নিল ফলো-অন পাবলিক অফার (এফপিও)। শুধু তাই নয়, আদানি গ্রুপ অফ এন্টারপ্রাইজের তরফে জানানো হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের পুরো ২০ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।   

    গতকাল পেশ হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেট। আর এদিনই আদানি গোষ্ঠী (Adani FPO) তাদের বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির কথা জানাল। আর এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির বিষয় আদানির এই বিবৃতি। আদানি গ্রুপ আগে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন শেয়ার ছাড়ার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু বিগত কয়েকদিন আদানি গোষ্ঠীকে নিয়ে যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল তার প্রভাব পড়ছিল শেয়ার মার্কেটে। তাই এই মুহূর্তে সেই শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি এখন স্থগিত রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আদানি গ্রুপ। শুধু তাই নয়, আদানি গোষ্ঠীর তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই যাঁরা এফপিওতে লগ্নি করেছেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

    বিবৃতিতে কী জানাল আদানিরা?

    আদানি গোষ্ঠীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আদানিতে এফপিও (Adani FPO) প্রক্রিয়ার অংশ হতে চাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন সংস্থার প্রধান। কিন্তু গত কয়েকদিনে শেয়ারের দাম যেভাবে পড়ছে তাতে সংস্থার মনে হয়েছে এমতাবস্থায় বিনিয়োগকারীদের কোনওরকম ঝুঁকিতে ফেলা ঠিক হবে না। তাই আপাতত প্রক্রিয়াটি স্থগিত করা হয়েছে। তাছাড়া যাঁরা ইতিমধ্যে বিনিয়োগ করে ফেলেছেন তাঁদের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া কীভাবে সম্ভব সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশপাশি সংস্থা আরও জানিয়েছে, শেয়ারের বাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এই প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু হয়। আদানিদের দাবি, তাদের সংস্থার আর্থিক পরিস্থিতি যথেষ্টই ভালো তাই সংশ্লিষ্ট কারও কোনও চিন্তা করার দরকার নেই। সংস্থার সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে অন্য পরিকল্পনাও বাতিল হচ্ছে না বলে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ২০১৭-এর টেটের ওএমআর শিট! কার নির্দেশে এমন কাজ, রিপোর্ট চাইলেন বিচারপতি

    ২৪ জানুয়ারি হিন্ডেনবার্গেররিপোর্ট যে দিন প্রকাশিত হয়, ওই দিনই আদানি গোষ্ঠীর এফপিও (Adani FPO) বাজারে আসে। তার প্রভাব পড়েছে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ার দরেও। আদানি গোষ্ঠী যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ভারতের উপর অযাচিত আঘাত হানা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Diwali 2022: ‘মুহুরতে’ কেনাবেচা করুন শেয়ার, লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন বছরভর

    Diwali 2022: ‘মুহুরতে’ কেনাবেচা করুন শেয়ার, লাভের কড়ি ঘরে তুলবেন বছরভর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুরু নতুন সম্বৎ (Samvat) ২০৭৯। এই হিসেব বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বছরের হিসেব নয়। এক সময় দিওয়ালিতে (Diwali 2022) বর্ষ গণনা শুরু হত। সেই হিসেবে এবারও দীপাবলির দিন শুরু হচ্ছে ২০৭৯ সম্বৎ। এদিন এক ঘণ্টার ট্রেডিং সেশনের মুহুরত হবে বিএসই (BSE) এবং এনএসইতে (NSE)। বিএসই এবং এনএসই হল দুটি প্রমিনেন্ট স্টক এক্সচেঞ্জ। এই দুই স্টক এক্সচেঞ্জের তরফে মুহুরতের নির্ঘণ্টও ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ধে ৬টা ১৫ থেকে ৭ টা ১৫। শেয়ার কারবারিদের বিশ্বাস, এই মুহুরত মুহূর্তে কোনও শেয়ার কেনাবেচা করলে মিলবে কাঙ্খিত সাফল্য। সমৃদ্ধি আসবে উজিয়ে।

    দিওয়ালির (Diwali 2022) এই মুহুরত মুহূর্তে শেয়ার কেনাবেচা করলে যেহেতু ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয় বলে বিশ্বাস, তাই এই শুভক্ষণের অপেক্ষায় মুখিয়ে থাকেন শেয়ার কারবারিরা। এই সময় তাঁরা কেনাবেচা করেন ইক্যুইটি শেয়ার, কমোডিটি ডেরিভেটিভস, কারেন্সি ডেরিভেটিভস, ইক্যুইটি ফিউচার্স অ্যান্ড অপশানস, সিকিউরিটিজ লেন্ডিং অ্যান্ড বরোয়িং। এই মুহুরতের সময় মাত্র এক ঘণ্টা। তাই এই সময় শেয়ার বাজার খেয়ালি বলেই বিবেচনা করা হয়। তাই শেয়ার বাজারে একেবারেই যাঁরা নতুন, তাঁরা সাবধানে শেয়ার কেনাবেচা করবেন। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিক সাফল্যের চেয়ে কাজটা সুচারুরূপে করতে পারাই সব চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    আরও পড়ুন: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    যে কোনও শুভ কাজ দীপাবলিতে (Diwali 2022) করাই শুভ বলে বিবেচিত হয়। যেহেতু এই দিনে নয়া সম্বৎ শুরু হয়, তাই কাজে সাফল্যও মেলে বেশি। তাই এদিন মুহুরতের সময়টা শেয়ার বাজার থাকে চাঙা। এই সময় সব ধরনের শেয়ার কেনাবেচা হয়। মুহুরতের সময় কোনও শেয়ার কেনা হলে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হন বলেই লোক বিশ্বাস। কেবল এই দিনটিতেই তাঁরা যে লাভ করবেন তা নয়, বছর ভর ঘরে তুলবেন লাভের কড়ি। এক বাজার বিশেষজ্ঞ বলেন, দীপাবলির মুহুরতের সময় শেয়ার কেনাবেচা করাটা ব্যবসায়ীদের পক্ষে শুভ ফলদায়ক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Share Market: টাকার দামে ব্যাপক পতন, সেনসেক্স পড়ল ৯৫৪ পয়েন্ট, নিফটিতে পতন ১.৮%

    Share Market: টাকার দামে ব্যাপক পতন, সেনসেক্স পড়ল ৯৫৪ পয়েন্ট, নিফটিতে পতন ১.৮%

    মাধ্যমিক নিউজ ডেস্ক: সোমবার বাজার খোলার আগেই শেয়ার বাজারে (Share Market) মন্দার আশঙ্কা করা হয়েছিল। ৯৫৪ পয়েন্ট পড়েছে সেনসেক্স (Sensex)। নিফটিতেও (Nifty) তার প্রভাব পড়েছে। নিফটি পড়েছে ১.৮ শতাংশ, অর্থাৎ ৩১১.০৫ পয়েন্ট। দাম পড়েছে একাধিক শেয়ারের। গত সপ্তাহেই সুদের হার বাড়িয়েছে ফেডারাল রিজার্ভ ব্যাংক। অনেকেই মনে করছেন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়াও বাড়াতে পারে সুদের হার। আর সেই আশঙ্কা থেকেই শেয়ার বাজারে এই রকম বিপর্যয় বলে মনে করছে ওয়াকিবহালমহল। উৎসবের মরশুমেও শেয়ার বাজারে কোনও উত্থান হয়নি। মন্দার খাতেই বইছে শেয়ার বাজার।   

    আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে রক্তাক্ত শেয়ার বাজার! সেনসেক্স পড়ল প্রায় ১১০০ পয়েন্ট, পতন নিফটিতেও  

    একাধিক শেয়ারের দাম পড়েছে। সবচেয়ে বেশি যে শেয়ারগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, তারমধ্যে রয়েছে টাটা স্টিল,মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা, মারুতি,ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাংক, টাইটান, পাওয়ার গ্রিড। তবে এই মন্দার বাজারে কিছু সংস্থা লাভের মুখ দেখেছে। যেই সংস্থাগুলি লাভ করেছে তার মধ্যে রয়েছে নেসলে, হিন্দুস্তান ইউনিলিভার। এই লাভ এতটাই সামান্য যে তাতে বাজারের পতন আটকানো যায়নি। নবরাত্রি শুরুর দিনেও বাজার চাঙ্গা হওয়ার কোনও আশা দেখতে পাচ্ছেন না শেয়ার বাজারের কারবারিরা।   

    আরও পড়ুন: আগামী বছরই আর্থিক মন্দার গ্রাসে গোটা বিশ্ব, আশঙ্কা বিশ্ব ব্যাঙ্কের      

    মনে করা হচ্ছে লাগাতার শেয়ার বাজারে পতন আর টাকার দামে পতন এই দুইয়েরই কারণ মার্কিন অর্থনীতিতে মন্দা। অর্থনীতিবিদরা পূর্বাভাস দিয়েছেন, ২০২৩ সালে আমেরিকায় রিসেশন শুরু হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই বিশ্ব অর্থনীতিতে তার প্রভাব দেখা দিতে শুরু করেছে। মনে করা হচ্ছে আগামী কয়েক মাসে মার্কিন অর্থনীতিতে আরও বড় ধাক্কা আসবে। তার প্রভাব পড়বে এ দেশের অর্থনীতিতে। ভারতের বাজারেও দেখা দিতে পারে মন্দা। মুদ্রাস্ফীতি ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।        

    এদিন সকালে প্রায় দেড় শতাংশ পতনের পর -৯৯ শতাংশে এসে থামে নিফটির সূচক। পরে অবশ্য সবার জন্য বাজার খুললে আরও পড়ে নিফটি, সেনসেক্স। সাড়ে ৯টার আগেই প্রায় দেড় শতাংশ কমে যায় নিফটি ও সেনসেক্সের সূচক।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rakesh Jhunjhunwala: রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দেশ, কী হবে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার স্টকের?

    Rakesh Jhunjhunwala: রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দেশ, কী হবে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার স্টকের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিখ্যাত বিনিয়োগকারী এবং স্টক মার্কেটের বিগ বুল রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার (Rakesh Jhunjhunwala) অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সারা দেশ। বিশেষত বিনিয়োগকারীরা। ৬২ বছর বয়সে মুম্বইয়ের ব্রীচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান বিগ বুল। রবিবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে তাঁকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিস এবং কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। ফোর্বস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৫৮০ কোটি মার্কিন ডলার। এত পরিমাণ সম্পত্তি পুরোটাই করেছেন শুধুই বিনিয়োগের মাধ্যমে। 

    আরও পড়ুন: প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা 

    বাজারে প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলারের স্টক রয়েছে রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার নামে। এখন স্টকের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে।  

    বিশ্বের মধ্যে ৪৩৮তম ধনী ব্যক্তি ছিলেন তিনি। ভারতের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তাঁর স্থান ছিল ৩৬ নম্বরে। । শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগের পাশাপাশি তিনি বিমান পরিবহণেও ক্ষেত্রেও পথ চলা শুরু করেন তিনি। গত সপ্তাহেই প্রথমবার মুম্বই থেকে আমেদাবাদ উড়ে যায় তাঁর আকাশা এয়ারের প্রথম বিমান। 

    আরও পড়ুন: অপেক্ষার অবসান, উড়ান শুরু আকাসা এয়ারের 

    পাঁচ হাজার টাকা হাতে নিয়ে তিনি শেয়ার বাজারে পথ চলা শুরু করেন। সেই সময় সেনসেক্স ছিল ১৫০ পয়েন্ট। এক বছরের মধ্য়ে মাত্র ৪৩ টাকায় ‘টাটা টি’-র পাঁচ হাজার শেয়ার কিনে নেন। তিন মাসে স্টকের দাম ১৪৩ টাকায় পৌঁছে যায়। তিন বছরের মধ্যে শেয়ার বাজার থেকে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা আয় করেন তিনি।       

    গত মাসে অর্থাৎ জুলাই মাসে, রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার ‘টাইটান’ এবং ‘স্টার হেলথ অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্স্যুরেন্স’ সহ তাঁর পোর্টফোলিওতে এতটাই দুর্দান্ত উত্থান হয়েছিল যে তিনি একদিনে এক হাজার কোটিরও বেশি আয় করেছিলেন। এই বছরের ২১ জুন, তিনি টাটা মোটরস এবং টাইটানের স্টক থেকে ৫৯০ কোটি টাকা আয় করেছিলেন। ফেব্রুয়ারিতে, মাত্র দু দিনে, তিনি টাইটানের শেয়ারের মাধ্যমে ৬১৮ কোটি টাকা আয় করেছিলেন। ফেব্রুয়ারিতেই মাত্র দশ মিনিটের মধ্যে, তিনি দুটি কোম্পানির শেয়ারের ভিত্তিতে ১৮৬ কোটি টাকা  আয় করেছিলেন।  

    রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা এমনই ব্যতিক্রমী এক ব্যক্তি ছিলেন, যাকে শেয়ার বাজারে কখনই লোকশনের মুখ দেখতে হয়নি। যখন সবাইকে বাজারে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে, তখনও লাভের মুখ দেখেছেন রাকেশ। আর এ কারণেই তাঁকে ‘শেয়ার বাজারের জাদুকর’ বলা হত। শেয়ার বাজারের উত্থান-পতন সম্পর্কে সম্যক ধারণা ছিল তাঁর।  

    রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার সব থেকে লাভজনক বিনিয়োগ ছিল টাটা কোং। রাকেশ এবং তাঁর স্ত্রী রেখা ঝুনঝুনওয়ালা দুজনেই এই কোম্পানির অংশীদার ছিলেন। এছাড়াও তাঁর বড় বিনিয়োগগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল, টাটা মোটরস, মেট্রো ফুটওয়্যার, অ্যাপটেক, স্টার হেলথ। এরমধ্যে স্টার হেলথে তাঁর শেয়ার ছিল ১০%। এছাড়া হাঙ্গামা মিডিয়া, অ্যাপটেকের চেয়ারম্যান ছিলেন ঝুনঝুনওয়ালা। ভাইসরয় হোটেল, কনকর্ড বায়োটেক, প্রভোগ ইন্ডিয়া, জিওজিত ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের ডিরেক্টর ছিলেন তিনি। 

    বিগ বুলের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনিও স্বীকার করে নিয়েছেন যে রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মৃত্যুতে গভীর প্রভাব পড়বে শেয়ার বাজারে। 

     

  • Rakesh Jhunjhunwala: ৬০০ টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করানো জামাও কুঁচকে গিয়েছে…আক্ষেপ ভারতের বিগ বুল রাকেশের

    Rakesh Jhunjhunwala: ৬০০ টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করানো জামাও কুঁচকে গিয়েছে…আক্ষেপ ভারতের বিগ বুল রাকেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছশো টাকা দিয়ে ইস্ত্রি করিয়েছেন জামা। তাও কুঁচকে গিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে ভারতের (India) ওয়ারেন বাফেট (Warren Buffett) রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার (Rakesh Jhunjhunwala) যে ছবি সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে, তা নিয়েই এক সময় প্রশ্ন করা হয়েছিল ভারতীয় শেয়ার মার্কেটের (Share Market) এই বিগ বুলকে (Big Bull)। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, ছশো টাকা দিয়ে জামা ইস্ত্রি করালেও জামার এই হাল।

    সম্প্রতি প্রয়াত হয়েছে রাকেশ। ১৯৮৫ সালে মাত্র ৫ হাজার টাকা নিয়ে শেয়ার মার্কেটে এসেছিলেন। তার পর ক্রমেই পরিণত হয়েছিলেন ভারতীয় শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুলে’। কিছু দিন আগেই আকাশে ডানা মেলে তাঁরই পৃষ্ঠপোষকতায় আকাশা এয়ারলাইন্সের বিমান। শেয়ার বাজারের লভ্যাংশ রাকেশ বিনিয়োগ করেছিলেন একাধিক শিল্প ও বাণিজ্যে। ফোবর্স ম্যাগাজিনের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে রাকেশের সম্পত্তির পরিমাণ আনুমানিক সাড়ে ৫০০ কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৪২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অ্যাপটেক লিমিটেড ও হাঙ্গামা ডিজিটাল মিডিয়া এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান ছিলেন রাকেশ। ছিলেন একাধিক সংস্থার ডিরেক্টরও।

    আরও পড়ুন : প্রয়াত শেয়ার বাজারের ‘বিগ বুল’ রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা

    এহেন রাকেশ যাপন করতেন অতি সাধারণ জীবন। ২০২১ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন তিনি। তখনই তাঁর কুঁচকানো জমার ছবি ভাইরাল হয়। তাঁকে প্রশ্ন করতেই জানা যায়, অতি সাধারণ জীবন যাপন করতেন রাকেশ। রাকেশ জানিয়েছিলেন, অফিসে কোনও খদ্দের কিংবা ক্লায়েন্ট না থাকলে  তিনি শর্টস পরেও অফিস যেতেন। নিতান্তই সাদামাটা জীবন যাপন করতেন তাঁর স্ত্রী রেখা ঝুনঝুনওয়ালাও। তিনিও যে প্রচুর সম্পত্তির মালিক, তা নিয়ে ভাবতেন না রেখা। রাকেশ বলেন, আগে যে হুইস্কি আমরা খেতাম, এখনও তাই খাই। আগের মতোই একই গাড়ি চালাই। একই খাবার খাই। ভারতের ‘ওয়ারেন বাফেট’ বলেন, আমরা মধ্যবিত্ত মানুষ। আমি যদি তাজ মনসিং হোটেলেও থাকি, তাহলেও জিজ্ঞেস করি সস্তার ব্রেকফাস্টটা কী আছে?

    রাকেশের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা অদম্য। জীবনীশক্তিতে ভরপুর। রসিক, দূরদৃষ্টি সম্পন্ন। অর্থনৈতিক বিশ্বে তিনি তাঁর বিপুল অবদান রেখে গেলেন। ভারতের অগ্রগতি নিয়ে তিনি সব সময় ভাবতেন। তাঁর প্রয়াণ দুঃখের। রাকেশের শোকস্তব্ধ পরিবারকে সমবেদনাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দেশ, কী হবে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার স্টকের?

     

  • Mutual Fund Investment: মিউচ্যুয়াল ফান্ডে লগ্নি করতে চাইছেন? দেখতে পারেন এই পাঁচ স্কিম 

    Mutual Fund Investment: মিউচ্যুয়াল ফান্ডে লগ্নি করতে চাইছেন? দেখতে পারেন এই পাঁচ স্কিম 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে মুদ্রাস্ফীতি। মন্দার মুখ দেখছে শেয়ার বাজারও। মিউচ্যুয়াল ফান্ডে (Mutual Fund) বিনিয়োগ (Investment) করতে ভয় পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে ইক্যুইটি-ভিত্তিক স্কিমগুলোতে এমনটা হচ্ছে। যদিও দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।  

    মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে রোজগার হিসেবে না দেখে, দীর্ঘমেয়াদী আর্থিক নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা উচিত। ঠিকঠাক জায়গায় বিনিয়োগ করলে লাভের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে। বিনিয়োগের সময় শেয়ার বাজারের অবস্থা বিবেচনা করে স্বল্প থেকে মধ্য মেয়াদ বা দীর্ঘ মেয়াদী মিউচ্যুয়াল ফান্ডে টাকা রাখতে পারেন।

    আরও পড়ুন: দুমাসে দুবার! ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কতটা সমস্যায় মধ্যবিত্ত?

    দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগ যারা করতে চাইছেন, এটাই তাঁদের বিনিয়োগ করার সঠিক সময়। বাজারের অবস্থা যখন খারাপ থাকে, তখন বিনিয়গ করলে রিটার্নের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। 

    এমন কিছু মিউচ্যুয়াল ফান্ডের স্কিম রয়েছে, যেখানে ঝুঁকি কম, কিন্তু লাভ বেশি।

    আরও পড়ুন: ৪০ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট বাড়ানোর ঘোষণা আরবিআই-এর, শেয়ার বাজারে ব্যাপক ধস

    কানাড়া রোবেকো ব্লুচিপ ইক্যুইটি ফান্ড: এই স্কিমটি পুঁজির বাজারে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে। যারা কম ঝুঁকিতে, বেশি লাভের মুখ দেখতে যান তাঁদের জন্যে আদর্শ। এটি লার্জ-ক্যাপ স্টকগুলিতে বিনিয়োগ করার একটি ভাল বিকল্প। এই স্কিমটি ৩ বছর এবং ৫ বছরের মেয়াদে নিফটি ৫০ -কে ছাড়িয়ে গিয়েছে। 

    মিরাই অ্যাসেট ইমার্জিং ব্লুচিপ: এই স্কিমে এখনও কোনও দীর্ঘ মেয়াদী ফল দেখা যায়নি। কিন্তু ফান্ড ম্যানেজার নীলেশ সুরানার অভিজ্ঞতা এবং ব্র্যান্ডের সুনামের ওপর ভরসা করে টাকা রাখতেই পারেন। ফান্ডটি লার্জ ক্যাপ স্টকগুলিতে ৪৬.৮%, মিড ক্যাপ স্টকগুলিতে ২৫.৭৬% এবং স্মল ক্যাপ স্টকগুলিতে ৮.২৫% বিনিয়োগ করেছে৷ ৩ বছর এবং ৫ বছর মেয়াদে, এই স্কিমটি নিফটি ৫০- কে ব্যাপক ব্যবধানে ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    কুয়ান্ট অ্যাক্টিভ ফান্ড: যারা ঝুঁকি নিতে পছন্দ করেন, এই মাল্টি-ক্যাপ ফান্ড তাঁদের জন্যে । ৩ বছর এবং ৫ বছরের মেয়াদে যেখানে নিফটি ৫০- ৩১.২০% এবং ৬২.৪০% রিটার্ন দিয়েছে, সেখানে এই ফান্ডে বিনিয়োগকারীরা যথাক্রমে ৯৫.৩৯% এবং ১৩৫.৬৫% রিটার্ন পেয়েছেন।   

    আইসিআইসিআই প্রুডেনসিয়াল ইক্যুইটি এন্ড ডেট ফান্ড: যারা মাঝারি ঝুঁকি নিতে পছন্দ করেন তাঁদের জন্যে এই স্কিম আদর্শ। অতীতের ভালো রেকর্ড এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ফান্ড ম্যানেজার থাকায় আইসিআইসিআই প্রুডেনসিয়াল বিনিয়োগের জন্যে ভালো বিকল্প। ১ বছর, ৩ বছর এবং ৫ বছরের মেয়াদে, এই স্কিমটি নিফটি ৫০- কে অনেক ব্যবধানে ছাড়িয়ে গিয়েছে।  

    কোটাক ডেট হাইব্রিড ফান্ড: যারা ঝুঁকি নিতে একদম পছন্দ করেন না কোটাকের এই স্কিমটি তাঁদের জন্যে বিনিয়োগের ভালো বিকল্প। বহুদিন ধরেই কোটাকের শেয়ার বাজারে পারফর্ম্যান্স ভালো। তাই এখানে বিনিয়োগে ঝুঁকিও কম। ঝুঁকি কম হওয়া সত্ত্বেও ভালো রিটার্ন দেওয়ার রেকর্ড আছে এই স্কিমের। 

     

     

     

LinkedIn
Share