Tag: Sheikh Mujibur Rahman

Sheikh Mujibur Rahman

  • Sheikh Hasina: ‘নির্বাসন ভেঙে চলতি বছরই বাংলাদেশে ফিরব’, গোপন ডেরা থেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি হাসিনার

    Sheikh Hasina: ‘নির্বাসন ভেঙে চলতি বছরই বাংলাদেশে ফিরব’, গোপন ডেরা থেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দাবি হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর দুয়েক ধরে দেশের বাইরে থাকতে বাধ্য হলেও, তাঁর মন যে সেই বাংলাদেশেই (Bangladesh) পড়ে রয়েছে, সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)।  বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার দাবি, চলতি বছরেই তিনি বাংলাদেশে ফিরবেন। তাঁর ভাষায়, “এটি ব্যক্তিগত ক্ষমতায় ফেরার প্রশ্ন নয়, বরং বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার, গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লড়াই।” হাসিনা জানান, তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া রায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ। বিচারব্যবস্থাকে ব্যবহার করে আওয়ামি লিগকে নেতৃত্বশূন্য করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না’ (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। ১৯৭৫ সালে আমার পরিবারের প্রায় সবাইকে হারিয়েছি। একাধিকবার আমায় হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেই মানুষের পাশে থেকেছি। তাই সব বাধা অতিক্রম করে এ বছরই দেশে ফিরব।” আওয়ামি লিগের সাংগঠনিক শক্তি প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “দলটি কাগুজে কোনও সংগঠন নয়, বরং বাংলার মাটি ও মানুষের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত একটি রাজনৈতিক শক্তি। অতীতে বহুবার নিষিদ্ধ ও নির্যাতনের শিকার হলেও, প্রতিবারই জনগণের সমর্থনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে আওয়ামি লিগ।” তাঁর দাবি, বর্তমান সরকার গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও অর্থনীতিকে দুর্বল করেছে। সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং উগ্রবাদের বিস্তার ঘটেছে। এসব কারণে জনগণ আওয়ামি লিগের শাসন কালের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে নতুন করে মূল্যায়ন করছে (Sheikh Hasina)।

    নিষেধাজ্ঞা গণতন্ত্রের পরিপন্থী’

    আওয়ামি লিগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “কোনও রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য নয়। তাই আওয়ামি লিগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, রাজনৈতিক মামলার অবসান এবং রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে (Bangladesh)।” তিনি বলেন, “যদি রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ দেওয়া না হয়, তাহলে জনগণের ক্ষোভই আওয়ামি লিগের জন্য নয়া পথ তৈরি করে দেবে।”

    মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সরে যাচ্ছে বাংলাদেশ’

    বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে হাসিনার অভিযোগ, ৫ অগাস্টের পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ওপর ধারাবাহিক আঘাত এসেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে হামলা, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং উগ্রবাদী শক্তির উত্থানের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে।” আওয়ামি লিগের রাজত্বে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিকাঠামো উন্নয়ন, ডিজিটালাইজেশন এবং সামাজিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলেও দাবি করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina)।

    গোপন সমঝোতার প্রশ্নই আসে না’

    বিএনপির সঙ্গে আওয়ামি লিগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে গোপন আলোচনার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে হাসিনা বলেন, “গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বিচার কোনও গোপন সমঝোতার বিষয় নয়। এগুলি জনগণের সাংবিধানিক অধিকার।” তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগ কারও দয়ার ওপর রাজনীতি করে না। জনগণের সমর্থন ও সাংবিধানিক অধিকারের ভিত্তিতেই দলটি রাজনীতি করে যাবে (Bangladesh)।”

    সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে উদ্বেগ

    বাংলাদেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, আদিবাসী ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, মন্দির ভাঙচুর, লুটপাট, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতায় বাধা অব্যাহত রয়েছে। আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো বলেন, “সংখ্যালঘুরা কোনও ভোটব্যাঙ্ক নন। তাঁরা বাংলাদেশের সমান অধিকারসম্পন্ন নাগরিক। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব।”

    আমার হৃদয় বাংলাদেশেই’

    নির্বাসিত জীবন প্রসঙ্গে হাসিনা জানান, ব্যক্তিগত জীবনের চেয়ে দেশের মানুষের অধিকারই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি প্রতিদিন দেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখেন, খোঁজখবর নেন দলীয় নেতা-কর্মীদের এবং আন্তর্জাতিক মহলের কাছে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন (Sheikh Hasina)। ই-মেলের মাধ্যমে দেওয়া এই সাক্ষাৎকার পর্বের একেবারে শেষে হাসিনা বলেন, “জনগণের শক্তিতেই বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র ফিরে আসবে। আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামি লিগও ফের ঘুরে দাঁড়াবে (Bangladesh)।”

     

  • Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    Sheikh Mujibur Rahman: বাংলাদেশের জনক মুজিবর রহমানকে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা পাক সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতৃত্বদানকারী শেখ মুজিবর রহমানকে (Sheikh Mujibur Rahman) বিশ্বাসঘাতক (Traitor) আখ্যা দিল পাক সেনাবাহিনী। মুজিবর বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাবা। গত বছরের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশান্তরিত হন তিনি। পাক সেনা শেখ মুজিবরকে পাকিস্তানেরই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে তুলনা করেছে। বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে বন্দি রয়েছেন ইমরান। এত সবের পরেও কোনও প্রতিবাদ করেনি বাংলাদেশ। পাক সেনার এই বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে এটা স্পষ্ট হয় যে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে যে সৌহার্দ্য দেখানো হয়, তা আসলে উপরিতলের এবং স্বল্পমেয়াদি। উভয় পক্ষের আধিপত্যবাদী উচ্চাকাঙ্খা পূরণের জন্যই এই সম্পর্ক। যদিও সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি ১৯৭১ সালে যুদ্ধের গভীর ক্ষত এখনও দগদগে হয়ে রয়েছে।

    পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্য (Sheikh Mujibur Rahman)

    ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সৌহার্দ্য সত্যিই ভূ-রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছিল। ২০২৪ সালে এক সহিংস ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর ইসলামাবাদ ও ঢাকার ঐতিহাসিক শত্রুতার সম্পর্ক এক ঝটকায় রূপ নেয় বহুল প্রশংসিত কৌশলগত অংশীদারিত্বে। দ্রুত অনুষ্ঠিত হয় দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ, উচ্চপর্যায়ের এবং সামরিক স্তরের কূটনৈতিক সফর। গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সামরিক সহযোগিতা ইত্যাদি বিষয়ে একের পর এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় (Sheikh Mujibur Rahman)।

    লোক দেখানো সৌহার্দ্য!

    তবে রাওয়ালপিন্ডি থেকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বিবৃতি দক্ষিণ এশিয়ায় গড়ে ওঠা এই নতুন কূটনৈতিক সম্পর্ককে ঘিরে থাকা উচ্ছ্বাসকে ভেঙে দুরমুশ করে দিয়েছে। এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে লোক দেখানো এই সৌহার্দ্য কি কেবলমাত্র উপরিতলের, আর ভেতরে ভেতরে কি এখনও আগুনের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে ছাইয়ের মতো গভীর অবজ্ঞা ও শত্রুতা (Traitor)? যে একই পাক সেনাবাহিনী একদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে একের পর এক প্রতিরক্ষা চুক্তি করছে, তেমনি অন্যদিকে সেই সেনাবাহিনীই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জনককে হেয় ও অপমান করছে। ফলে ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে গড়ে ওঠা এই ঘনিষ্ঠতার নেপথ্যে প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়েই উঠেছ গুরুতর প্রশ্ন।

    জঙ্গি কার্যকলাপ

    পাকিস্তান কি ভারতবিরোধী অবৈধ জঙ্গি কার্যকলাপ চালানোর জন্য বাংলাদেশকে শুধুই একটি ব্যাকইয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে? বাংলাদেশ কি ধীরে ধীরে ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য একটি উর্বর ও প্রস্তুত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে উঠছে? পাকিস্তান কি বাংলাদেশকে কেবলমাত্র ভারত-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই দেখছে (Sheikh Mujibur Rahman)? শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক মন্তব্য এসব গভীর সন্দেহকে আরও তীব্র করে তুলেছে। প্রসঙ্গত, মুজিবরই সেই মানুষ যিনি বলেছিলেন, “ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও বলব আমি বাঙালি, বাংলা আমাদর দেশ, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার নিঃশ্বাসে প্রশ্বাসে।” তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হয়ে ওঠার আগেই তিনি এই নামটির সঙ্গে নিজের অস্তিত্ব এক করেছিলেন। তাঁকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস রচিত হতে পারে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই অর্থে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ অভিন্ন (Traitor)।

    দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন

    ১৯৫৫ সালের অগাস্ট মাসে করাচিতে পাকিস্তান জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছিল। দিনটি ছিল ২৫ অগাস্ট। এক পর্যায়ে সংসদে মাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে শেখ মুজিবর রহমান তাঁর গমগমে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বরে স্পিকারকে বললেন, স্যার আপনি দেখবেন, ওরা পূর্ববাংলা নামের পরিবর্তে পূর্ব-পাকিস্তান নাম রাখতে চায়। আমরা বহুবার বলেছি, আপনারা এ দেশটাকে বাংলা নামে ডাকেন। বাংলা শব্দটার একটি নিজস্ব ইতিহাস আছে, আছে এর একটা ঐতিহ্য। আপনারা এই নাম পরিবর্তন করতে চাইলে আমাদের জনগণের সঙ্গে আলাপ করতে হবে (Sheikh Mujibur Rahman)।

    বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে ভাগ হয়েছিল পাকিস্তান। পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এ দেশের নাম ছিল পূর্ববাংলা। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্রে পূর্ব বাংলার নয়া নামকরণ হয় পূর্ব-পাকিস্তান। সুতরাং, এটা পরিষ্কার পূর্ব বাংলাকে পূর্ব-পাকিস্তান করার যে চক্রান্ত চলছিল, বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান জাতীয় সংসদে তার প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি যে এই ভূখণ্ডের নামের ব্যাপারে অত্যন্ত সংবেদনশীল ছিলেন, এটাই তার প্রমাণ (Traitor)। ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ, শেখ মুজিব পূর্ব-পাকিস্তানকে স্বাধীন করতে চাইছেন। এই মামলা দাঁড় করানোর জন্য যে কাগজপত্র প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তার মধ্যে ছিল বেনামে লেখা কতগুলো চিঠি ও একটি চিরকুট। তাতে লেখাছিল, বাংলাদেশ (Sheikh Mujibur Rahman)।

  • Mujibur Rahman: মুজিব-বিরোধিতায় মরিয়া ইউনূস, এবার বাংলাদেশের নোট থেকে সরল বঙ্গবন্ধুর ছবি

    Mujibur Rahman: মুজিব-বিরোধিতায় মরিয়া ইউনূস, এবার বাংলাদেশের নোট থেকে সরল বঙ্গবন্ধুর ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুছে ফেলার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে ইউনূস সরকার। হাসিনা সরকারে পতনের পর থেকেই বঙ্গবন্ধু (Mujibur Rahman) বিরোধী একাধিক অবস্থান সামনে এসেছে ইউনূস জমানায়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর পৈত্রিক ভিটেমাটি। বঙ্গবন্ধুকে পাঠ্যক্রম থেকে মুছে ফেলাও হয়েছে। এবার বাংলাদেশের মুদ্রা থেকেও তাঁকে সরিয়ে ফেলল ইউনূস সরকার।

    উঠছে প্রশ্ন (Mujibur Rahman)

    রবিবার ১ জুন বাংলাদেশে (Bangladesh) নতুন ব্যাঙ্ক নোট প্রকাশিত করে ইউনূস সরকার। টাকা থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের (Mujibur Rahman) ছবি একেবারেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বদলে রাখা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় স্থান, বিভিন্ন ল্যান্ডমার্ক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ছবি। বাংলাদেশের সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক এই নতুন নোট প্রকাশের পরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দেশের মুদ্রায় বদল আনার মতো বড় পদক্ষেপ করার ক্ষমতা একমাত্র নির্বাচিত সরকারের আছে। সেই স্থানে রয়েছে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার। তারা কীভাবে মুদ্রার ছবি বদলে ফেলতে পারে?

    কী বলছেন ব্যাঙ্ক কর্তা?

    প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত বাংলাদেশের সমস্ত মুদ্রায় শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ছিল। ১৯৭১-র মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধুর (Mujibur Rahman) আত্মত্যাগকে স্মরণে রাখতেই এমনটা করা হয়েছিল। তবে বাংলাদেশে এখন নতুন শাসন ব্যবস্থা। এতেই এল নতুন নিয়ম। এনিয়ে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “নতুন সিরিজ ও ডিজাইনের অধীনে এবার থেকে আর কোনও ব্যক্তির ছবি থাকবে না, বরং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ও ঐতিহ্যবাহী স্থানের ছবি থাকবে।” বাংলাদেশের নতুন ধর্মীয় স্থানের পাশাপাশি প্রয়াত চিত্রশিল্পী জাইনুল আবেদিনের আঁকা ব্রিটিশ শাসনকালে বাংলার ছবিও তুলে ধরা হয়েছে।

    খালেদা জিয়ার জমানাতেও বদলেছিল ছবি

    বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত বঙ্গবন্ধুর (Mujibur Rahman) ছবি থাকা নোটগুলি বাতিল করা হচ্ছে না। তা কার্যকর থাকবে। তবে ব্যাঙ্ক আর নতুন করে বঙ্গবন্ধুর ছবি সহ নোট ছাপাবে না। প্রসঙ্গত, এটাই নতুন বা প্রথম নয়, এর আগে খালেদা জিয়ার দল বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি বা বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখনও বঙ্গবন্ধুর ছবি সরানো হয়েছিল ব্যাঙ্ক নোটে।

  • Bangladesh: বঙ্গভবন থেকে সরল ছবি, পাঠ্যবই থেকেও বাদ বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্কুলে জুড়ছে আরবি ভাষা

    Bangladesh: বঙ্গভবন থেকে সরল ছবি, পাঠ্যবই থেকেও বাদ বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্কুলে জুড়ছে আরবি ভাষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) রাষ্ট্রপতির আবাসস্থল বঙ্গভবন থেকে অন্তর্বর্তী সরকার সরিয়ে দিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ছবি। সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম সমাজ মাধ্যমে পাতায় একথা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের স্কুলপাঠ্য বইগুলিতে বর্তমানে আরবি ভাষাকে যুক্ত করা হচ্ছে। ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের এই আরবি ভাষা পড়তে হবে। উচ্চমাধ্যমিকের বাংলার যে পাঠ্যবই, সেখানে চারজন লেখকের লেখা বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুও। প্রসঙ্গত ভাষা আন্দোলন নিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘বায়ান্নর দিনগুলি’। ২০২৫ সালের পাঠ্য বই থেকে এগুলি আর থাকবে না বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলছেন অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh) উপদেষ্টা মাহফুজ আলম? 

    অন্তর্বর্তী সরকারের (Bangladesh) উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, ‘‘৭১ পরবর্তী ফ্যাসিস্ট শেখ মুজিবুর রহমানের (Sheikh Mujibur Rahman) ছবি সরানো হয়েছে। এটা আমাদের জন্য লজ্জার যে, আমরা ৫ অগাস্টের পর বঙ্গভবন থেকে তাঁর ছবি সরাতে পারিনি। তার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু, জুলাইয়ের চেতনা বেঁচে থাকা পর্যন্ত তাঁকে আর কোথাও দেখা যাবে না। পাশাপাশি তিনি লিখেছেন, ‘শেখ মুজিব এবং তাঁর মেয়ে বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে যা করেছেন, তা বাংলাদেশ আওয়ামি লিগকে স্বীকার করতে হবে। ১৯৭২ সালের অগণতান্ত্রিক সংবিধানের পাশাপাশি দুর্ভিক্ষ, কোটি কোটি টাকা পাচার এবং হাজার হাজার ভিন্নমতাবলম্বী ও বিরোধীদের বিচারবহির্ভূত হত্যার (৭২-৭৫, ২০০৯-২০২৪) জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। তবেই আমরা ১৯৭১ সালের আগের শেখ মুজিবের কথা বলতে পারি। ক্ষমা ও ফ্যাসিস্টদের বিচার ছাড়া কোনও সমন্বয় হবে না।’’

    আলিম-ওলামাদের পরামর্শ মেনেই অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে আরবি

    প্রসঙ্গত, ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেই ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড’ (এনসিটিবি)-কে নির্দেশ দেয় পাঠ্যসূচিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা’-র অনুসারী করতে হবে। জামাত-বিএনপির বাংলাদেশে (Sheikh Mujibur Rahman) বর্তমানে মৌলবাদের (Bangladesh) শিক্ষা দেওয়া হবে বলেই মনে করছেন অনেকে। শিক্ষা দফতরের এক সূত্রের কথায়, সেই অনুযায়ী ‘আলিম-ওলামাদের পরামর্শ মেনে’ মাধ্যমিক স্তরে আরবি ভাষাকে বিষয় হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: মূর্তি ভাঙার পর এবার কি নোট থেকেও সরবে বঙ্গবন্ধুর ছবি? আশঙ্কা বাংলাদেশে

    Bangladesh Crisis: মূর্তি ভাঙার পর এবার কি নোট থেকেও সরবে বঙ্গবন্ধুর ছবি? আশঙ্কা বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে নোট বাতিলের আশঙ্কা চরমে। ভারতের তুলনায় বাংলাদেশি টাকার মূল্য অনেকটাই কমে গিয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের (Bangabandhu) ছবি রয়েছে বাংলাদেশের টাকায়। ইতিমধ্যে দেশ জুড়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি, মূর্তি, স্মারক এবং স্মৃতিচিহ্নকে নিশ্চিহ্ন করার ধ্বংসযজ্ঞ চলছে। বাংলাদেশ ব্যাঙ্কেও চরম অস্থিরতা চলছে। ফলে নোট বাতিল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    এখন বাংলাদেশি টাকার মূল্য কত ভারতে (Bangladesh Crisis)?

    বাংলাদেশি (Bangladesh Crisis) টাকায় রয়েছে বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের (Bangabandhu) ছবি। ফলে যেকোনও সময় নোট বাতিল হয়ে যেতে পারে। এই আশঙ্কা ব্যাপক ভাবে তৈরি হয়েছে দেশে। তাই ভারতীয় বৈদেশিক মুদ্রায় বাংলাদেশি টাকার মূল্য এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ভারতীয় ১ টাকা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১.৪০ টাকা হচ্ছে। ভারতের ১০০ টাকায় বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪০ টাকা করে পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশে এই অস্থির অবস্থার আগে পেট্রাপোল সীমান্তে ভারতীয় মুদ্রায় বাংলাদেশি ১০০ টাকায় ৭১ টাকা করে দেওয়া হচ্ছিল। এখন ভারতীয় ১০০ টাকায় বাংলাদেশি ৬৫ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় টাকার তুলনায় বাংলাদেশি টাকা প্রতি ১০০ টাকায় ৬ টাকা করে কমে গিয়েছে। ফলে নোট বাতিল হয়ে গেলে আরও প্রভাব পড়বে বাংলাদেশি অর্থনীতিতে। ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্তে ১০০-র বেশি লাইসেন্সধারী মানি এক্সচেঞ্জের কারবারি রয়েছেন। স্বাভাবিক সময়ে হাজার হাজার বাংলাদেশি চিকিৎসা, বেড়ানো, শিক্ষা নানা কারণে ভারতে এসে থাকেন। প্রতিদিন এদের মোটা টাকার কারবার চলে। কিন্তু জুলাই মাস থেকেই ব্যবসা মন্দা চলছে। গত সপ্তাহ থেকে অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক। আতঙ্কে অনেকেই বাংলাদেশি টাকা হোল্ড করা অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, ভারতের উদ্বেগের একাধিক কারণ

    সঙ্কটে বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক!

    সেনা-শাসনে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতিতে বুধবারও উত্তাল। পুলিশ, আওয়ামি লিগ এবং সংখ্যালঘুরা হল হামলার মূল লক্ষ্যে। দেশজুড়ে খুন, হত্যা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দেশটি যেন মৃত্যুপুরী হয়ে উঠেছে। কোথাও ব্রিজের উপর থেকে ঝুলছে মৃতদেহ আবার কোথাও হোটেলে বন্দি করে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে মানুষকে। দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মৃতি বিজড়িত মূর্তি ধ্বংস চলছে নির্বিচারে। একাধিক শিক্ষা কেন্দ্রের হাজার হাজার পুস্তক পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ঠিক এমন অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাঙ্কে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ব্যাঙ্কের গভর্নর, ডেপুটি গভর্নরদের পদত্যাগের দাবি উঠেছে কর্মীদের একাংশের মধ্যেই। চাপের মুখে পড়ে পদত্যাগ করতে হয়েছে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের। কোনও ক্রমে সেনার নিরাপত্তায় আধিকারিকরা ব্যাঙ্ক থেকে বেরিয়ে যান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নিজেকে তুলনা ইমরানের, সেনাকে তীব্র আক্রমণ, কী বললেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী?  

    Imran Khan: বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নিজেকে তুলনা ইমরানের, সেনাকে তীব্র আক্রমণ, কী বললেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর  রহমানের (Sheikh Mujibur rahman) সঙ্গে তুলনা করলেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)।  পাকিস্তানের বর্তমান অবস্থা ১৯৭১ এর মতো বলেও অভিযোগ তাঁর। প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়ে স্বাধীন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশ (Bangladesh)।

    লাহোর থেকে ইসলামাবাদ পর্যন্ত লং মার্চের ডাক দিয়েছিল ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI)। ওই মার্চে যোগ দিয়েছিলেন ইমরান (Imran Khan) স্বয়ং। দিন দুয়েক আগে আচমকাই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এক দুষ্কৃতী। পায়ে গুলি লাগে ইমরানের। গুরুতর জখম হয়েছেন তাঁর দলের দুই নেতাও। ইমরান ভর্তি রয়েছেন লাহোরের সওকত খানুম হাসপাতালে। ওই হাসপাতালেরে বেডে শুয়েই ক্রিকেটার-রাজনীতিক ইমরান সে দেশের সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করে বলেন, কী ঘটেছিল পূর্ব পাকিস্তানে? সব চেয়ে বড় যে রাজনৈতিক দল নির্বাচনে জিতেছিল, তাদের ওপর দমন পীড়ন চালিয়েছিল সেনা বাহিনী। তাদের যে অধিকার ছিল, তা দেওয়া হয়নি। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ১৮ বছর পর বাংলাদেশে ভারতের সঙ্গে দুই সিরিজের প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছিল তখন। কেন ঘৃণা জমেছিল? তারা নির্বাচনে জিতেছিল আর আমরা তাদের সেই অধিকার দিচ্ছিলাম না। প্রধানমন্ত্রী তাদের হওয়ার কথা। কিন্তু আমরা এখানে বসে সিদ্ধান্ত নিলাম, আমরা তাদের প্রধানমন্ত্রী হতে দেব না। তবে আমরা যখন জোড়া ম্যাচ জিতেছিলাম, স্টেডিয়ামে উপস্থিত ৫০ হাজার মানুষ তখন পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান দিয়েছিল। আমি অনুভব করেছিলাম, ওঁদের সঙ্গে আমরা কী অবিচারই না করেছি। ওঁরা আমাদের ছাড়তে চাননি, আমরাই অবিচার করেছি।

    ইমরান (Imran Khan) বলেন, সেই একই ঘটনা আমার সঙ্গে ঘটছে। কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছে দেশের সব চেয়ে বড় রাজনৈতিক দলকে। তাদের নেতাকে মারার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, লোকেরা এই চোরেদের দল, যারা এখন ক্ষমতায় রয়েছে, তাদের চিনতে পারছেন না। তাঁকে হত্যার চেষ্টার জন্য ইমরান অভিযোগের আঙুল তোলেন মেজর জেনারেল ফয়জল নাসির, ইন্টিরিয়র মিনিস্টার রানা সানাউল্লাহ এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের দিকে।

     

LinkedIn
Share