Tag: Sheikh Shahjahan

Sheikh Shahjahan

  • Sheikh Shahjahan: দুর্নীতির টাকায় বিধায়ককে গাড়ি উপহার শাহজাহানের! ইডির চার্জশিট ঘিরে বাড়ছে রহস্য

    Sheikh Shahjahan: দুর্নীতির টাকায় বিধায়ককে গাড়ি উপহার শাহজাহানের! ইডির চার্জশিট ঘিরে বাড়ছে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। দুর্নীতির টাকায় প্রভাবশালী এক বিধায়ককে দামি গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন সন্দেশখালির শেখ শাহজাহান। এবার চার্জশিটে এমনটাই দাবি করল ইডি (ED)। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংস্থা জানিয়েছে, ওই বিধায়ককে ‘হাতে রাখতে’ই এই উপহার দেওয়া হয়েছিল। তবে বিধায়ক বলতে কার কথা বলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট করেনি ইডি। সূত্রের খবর, ইডিকে দেওয়া নিজের বয়ানেই শাহজাহান স্বীকার করেছেন যে এক বিধায়ককে উপহার হিসেবে গাড়ি কিনে দিয়েছিলেন তিনি। চার্জশিটের ৩০ নম্বর পাতায় রয়েছে শাহজাহানের বয়ান। সেখানেই তাঁর ওই স্বীকারোক্তি রয়েছে বলে খবর। 

    চার্জশিটে ঠিক কী জানিয়েছে ইডি? (ED)

    চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং বিধায়কদের খুশি করতে মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন ধরনের দামি উপহার দিতেন শাহজাহান। এর মাধ্যমে সন্দেশখালি এলাকায় তিনি তাঁর প্রতিপত্তি বজায় রাখতেন। তেমনই এক বিধায়ককে দামি গাড়ি উপহার হিসাবে দিয়েছিলেন তিনি। ইডি তদন্ত করে জানতে পেরেছে, বিএন ঘোষের নামে সেই গাড়ি রেজিস্টার করা হয়েছিল। তবে গাড়ি কেনার খরচ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) নিজেই বহন করেছিলেন। ইডির দাবি, জমি দখল দুর্নীতির টাকাতেই সেই গাড়ি কেনা হয়েছিল। তবে কোন বিধায়ককে ওই গাড়ি দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে চলছে চাপানউতোর। 

    আরও পড়ুন: কুয়েত থেকে ৪৫ দেহ নিয়ে ফিরল বায়ুসেনার বিমান, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা অনাবাসীর

    সন্দেশখালির শেষ কথা শাহজাহান 

    উল্লেখ্য, শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) মামলায় এখনও পর্যন্ত ২৬১ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। এ ছাড়া শাহজাহানের তিনটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শাহজাহানের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেখানে কয়েক কোটি টাকা গচ্ছিত রয়েছে। চার্জশিটে ইডি দাবি করেছে, সন্দেশখালিতে মাছের ব্যবসা, ইটভাঁটার ব্যবসা চালাতেন শাহজাহান। এই ব্যবসার মাধ্যমেই কালো টাকা সাদা করার কাজ চলত। এছাড়াও দুর্নীতির টাকা আরও বিভিন্ন জায়গায় সরানো হয়েছে বলেও দাবি করে ইডি। 
    এই মামলায় ইডি (ED) আগেও বহুবার দাবি করেছে যে, সন্দেশখালি জুড়ে কার্যত ত্রাসের সঞ্চার ঘটিয়েছিলেন শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। ওই এলাকায় তিনিই ছিলেন শেষ কথা। কোনও মন্ত্রী, বিধায়ক কিংবা সাংসদের প্রভাব সেখানে চলত না। তাই মন্ত্রী বিধায়কদের হাতে রাখতে মাঝে মাঝেই এই ধরণের দামি দামি উপহার দিতেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান। 

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: শেষ চার বছরে ২০০ কোটি টাকা উপার্জন শাহজাহানের, চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    Sheikh Shahjahan: শেষ চার বছরে ২০০ কোটি টাকা উপার্জন শাহজাহানের, চার্জশিটে উল্লেখ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমি দখল, মহিলাদের নির্যাতন সহ ইডির (Enforcement Directorate) উপর হামলার একাধিক অভিযোগ শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে। তদন্তকারী আধিকারিকরা এবার জানতে পেরেছেন শেখ শাহজাহান মাত্র চার বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সম্পত্তি তৈরি করেছে। শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ শিবপ্রসাদ হাজরা ওরফে শিবুকে জেরা করে টাকার পাহাড় তৈরি করতে ব্যবসার মডেল জানতে পেরেছেন ইডি আধিকারিকরা।

    ৯০০ বিঘা জমি দখল করে মাছের ব্যবসা

    চার্জশিটে ইডি উল্লেখ করেছে প্রায় ৯০০ বিঘা জমি শেখ শাহজাহান ও তাঁর অনুগামীরা দখল (Sheikh Shahjahan) করে রেখেছিল। সেই জমিতে মাছের চাষ করত তাঁরা সেই মাছ রফতানি করা হত। মাছ রফতানি করেই কালো টাকা সাদা করা হত বলে অভিযোগ। চাষ করা মাছের একটা অংশ স্থানীয় বাজারেও বিক্রি করা হত। শেখ শাহজাহানের নিজস্ব একটি বাজারও ছিল। সেই বাজারেও যে মাছ বিক্রি হত। মাছের ব্যবসার নিয়ন্ত্রনের পাশাপাশি ইটভাটাও ছিল শেখ শাহজাহানের নিয়ন্ত্রণে। অর্থাৎ চাষ থেকে শুরু করে একাধিক ব্যবসা চালাত শেখ শাহজাহান। জানা গিয়েছে শেখ শাহজাহানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখত মোট পাঁচ জন ব্যক্তি। তাঁরা শাহজাহানের কোটি কোটি কালো টাকা সাদা করত এবং এর হিসেব রাখত। সূত্রের খবর এই পাঁচ জন ব্যক্তির খোঁজেও রয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা।

    মেয়ের নামেও অগাধ সম্পত্তি

    আরও জানা গিয়েছে, শেখ শাহজাহানের মেয়ে সাবিনার নামে (Sheikh Shahjahan) রয়েছে একটি সংস্থা। এই সংস্থা প্রায় ৯০ কোটি টাকা উপার্জন করেছে। এই সংস্থার মাধ্যমেই বেশিরভাগ কালো টাকা সাদা করা হয়েছে এমনটাই অভিযোগ ইডি আধিকারিকদের। প্রসঙ্গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডি (ED) আধিকারিকরা (Enforcement Directorate)। এরপর দীর্ঘ টালবাহানের পর রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (CID) হাতে গ্রেপ্তার হয় শাহজাহান। সিবিআই শেখ শাহজাহানকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে ৭ জুন ফের সন্দেশখালির বেতাজ বাদশাহ জেলবন্দি শেখ শাহজাহানকে তোলা হয় বসিরহাট মহকুমা আদালতে। তাঁর সঙ্গেই তাঁর ভাই শেখ আলমগীর, শেখ শাহজাহানের অনুগামী দিদার বক্স মোল্লা সহ আরও কয়েকজনকে আদালতে তোলা হয়েছিল।  

    অস্ত্র লুকোতে ইডির উপর হামলা

    অন্যদিকে, তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই আরও দাবি করেছে ইডির উপর ৫ জানুয়ারি যে হামলা হয়েছিল সেই হামলা শেখ শাহজাহানের নির্দেশেই হয়েছিল। শেখ আলমগীর ও জিয়াউদ্দিনকে ফোন করে তিনি ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা করার নির্দেশ দিয়েছিল শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। শাহজাহানের নির্দেশেই শেখ আলমগীর ও জিয়াউদ্দিন এলাকার মহিলা ও পুরুষদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা চালিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: “‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সোর্স অফ মানি কি?” প্রশ্ন আদালতের

    ইডি অধিকারিকরা (Enforcement Directorate) আক্রমণের শিকার হয়ে ফিরে যেতেই শাহজাহানের বাড়ি থেকে অস্ত্র সরানো হয় আবু তালেবের বাড়িতে। সিবিআই চার্জশিটে এমনটাই দাবি করেছে। শাহজাহানের বাড়িতে রাখা বিপুল অস্ত্র লুকোতেই ইডির উপরে হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এমনকি ওই চার্জশিটে শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) পাশাপাশি তার ভাই শেখ আলমগীরকেও গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Shahjahan: বাড়িতে অস্ত্র লুকোতেই ইডির উপর হামলা! সন্দেশখালি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের

    Sheikh Shahjahan: বাড়িতে অস্ত্র লুকোতেই ইডির উপর হামলা! সন্দেশখালি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে সন্দেশখালি। ইডির ওপর হামলার ঘটনায় এবার চাঞ্চল্যকর দাবি সিবিআইয়ের। বুধবার ইডির ওপর হামলা সংক্রান্ত চার্জশিট জমা দেয় সিবিআই। আর সেখানেই উল্লেখ করা হয়, শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে বিপুল বেআইনি অস্ত্র মজুত করে রাখা হয়েছিল। ইডির হাত থেকে তা বাঁচাতেই তদন্তকারীদের উপর হামলা করা হয়। একইসঙ্গে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছে সিবিআই। 

    সিবিআই-এর দাবি (CBI) 

    সম্প্রতি সন্দেশখালি কাণ্ডে বসিরহাট মহকুমা আদালতে চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই। যেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে, গত জানুয়ারি মাসে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে ইডির উপর যে হামলা হয়, সেই সময় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে লুকানো ছিল বিপুল অস্ত্রভান্ডার। বিপুল পরিমান অস্ত্র লুকোতেই ইডির ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন শেখ শাহাজাহান। আর এই কাজে তাঁকে সহায়তা করেন তাঁর দুই ভাই শেখ আলমগীর ও গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। সিবিআই (CBI) সূত্রে জানা গিয়েছে ইডির অভিযানের কথা আগাম জানতে পেরে যান সন্দেশখালির বাদশা শেখ শাহাজাহান। তখনই দেরি না করে তিনি ভাই শেখ আলমগীর ও গিয়াসুদ্দিন মোল্লাকে নির্দেশ দেন বাড়িতে মজুত করে রাখা অস্ত্র যেন সরিয়ে ফেলা হয়। বেশিরভাগই অস্ত্রই ছিল লাইসেন্স ছাড়া। সেই নির্দেশ মতোই তাঁদের সহযোগী আবু তালেবের বাড়িতে অস্ত্র রেখে আসে অভিযুক্ত শেখ আলমগীর ও গিয়াসউদ্দিন। তারপর ইডি আধিকারীকেরা সন্দেশখালিতে পা রাখলে তাঁদের ওপর চড়াও হয় গ্রামবাসীরা।
    সিবিআই-এর (CBI) ওই চার্জশিটে শেখ শাহজাহানকেই (Sheikh Shahjahan) মাস্টারমাইন্ড বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অস্ত্র যে সন্দেশখালিতেই ছিল, তা প্রমাণ হয়ে গেছে গত এপ্রিল মাসেই। ২৬ এপ্রিল প্রচুর বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছিল ওই এলাকায়। তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খা-এর আত্মীয় আবুতালেব মোল্লার তাঁর বাড়ি থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার হয়। সে দিন এলাকায় পৌঁছেছিল এনএসজি। পরে ওই সন্দেশখালিতেই গোলাম শেখ নামে আর এক ব্যক্তির কাছ থেকেও উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র।  

    আরও পড়ুন: চড়কাণ্ডে সোহমের বিরুদ্ধে মামলা রেস্তোরাঁ মালিকের, উঠল পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও

    পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ 

    অন্যদিকে, সন্দেশখালি (Sandeskhali) কাণ্ডে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ তোলে সিবিআই। সিবিআই (CBI) সূত্রের খবর, গত ৫ জানুয়ারি যখন ইডির আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে তখন ঘটনাস্থলে ছিলেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার। শেখ শাহজাহান মার্কেটের বাইরেই তিনি কর্মরত ছিলেন। সেই ভলান্টিয়ারের বয়ান নিয়েছে সিবিআই। তাঁর বয়ান অনুযায়ী, ওইদিন শাহজাহান মার্কেটের পিছনে যে সকাল থেকে অচেনা মানুষদের ভিড় জমতে শুরু করে তা তিনি সকাল সাড়ে ৭টা নাগাদ থানায় জানিয়েছিলেন। বেশ কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখে ওই জমায়েতে জিয়াউদ্দিন সহ আর কারা উপস্থিত ছিলেন তাঁদের শনাক্তও করেছেন তিনি। এরপর সকাল ৯টা নাগাদ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। সেক্ষেত্রে আগে থেকে খবর থাকা সত্ত্বেও কেন প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে পুলিশ সেখানে পৌঁছল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘শাহজাহান-কর’ দিতে না পেরে ইটভাটা বিক্রি করেন একাধিক মালিক, আদালতে দাবি ইডির

    Sandeshkhali: ‘শাহজাহান-কর’ দিতে না পেরে ইটভাটা বিক্রি করেন একাধিক মালিক, আদালতে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূল দল লোকসভার ভোটে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেলেও, এখনও গলার কাঁটা সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান। তিনি নাকি এলাকায় ‘শাহজাহান-কর’ চাপিয়েছিলেন। ইটভাটার মালিকদের উপর এই করের জুলুমবাজির জন্য বাধ্য হয়ে ভাটা বিক্রি করতে হয়েছে। এমনটাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করেছে আদালতে। বসিরহাটে শাসক দল তৃণমূল জয়ী হলেও, তৃণমূল নেতার এই কয়লা পাচারের তথ্য রাজনীতির আঙিনায় শোরগোল ফেলেদিয়েছে।

    ইটভাটা মালিকের বক্তব্য (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অনেক ইটভাটার মালিক ইডির অফিসারদের কাছে তোলাবাজির অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। এক ভাটার মালিক জানিয়েছেন, “দাদার হুকুম মেনে ওঁদের কাছ থেকেই কয়লা কিনতে হতো।” প্রত্যেক ইটভাটার মালিকদের এই কর দিতে হতো। ভাটা চালাতে গেলে যে কয়লা লাগে, তা বলপূর্বক কিনতে হতো এই তৃণমূল নেতার কাছ থেকেই। এমনকী দাম বেশি দিয়ে খারাপ মানের কয়লাকেই ব্যবহার করতে হতো ভাটায়। এই ভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকায় করের বোঝায় ইটভাটা বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। ঠিক এমনটাই দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। কিন্তু রাজ্যের কয়লা পাচার মামলায় শাহজাহানের কথা না উঠে আসলেও এইবার কয়লা দুর্নীতিতে তাঁর নামের সূত্র পাওয়া গিয়েছে।

    ইডির দাবি

    ইডি সূত্রের খবর, শাহজাহানের হুকুম মানতে বাধ্য হতেন সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ও ন্যাজাটের ২৯টি ইটভাটা মালিকেরা। ইট ভাটার ব্যবসায় প্রচুর কয়লা লাগে। তাই কয়লার জোগানে সবটাই নিয়ন্ত্রণ করতেন শাহজাহান। ইটভাটার মালিক রামালিক বার বার ‘দিদিকে বলো’ নম্বরে ফোন করে বেশ কয়েকবার অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি, বরং আরও অত্যাচারের শিকার হতে হয়েছিল তাঁকে। ভাটার মালিকদের প্রতি টন পিছু ২-৩ হাজার টাকা শাহজাহানকে দিতে হতো। কিন্তু এই বিরাট খরচের বোঝা বহন না করতে পেরে ধামখালির দুটি ইটভাটার মালিক নিজেদের ভাটা বিক্রি করে দিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ মালদায় ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! জেলা সভাপতির নামে দুর্নীতিবাজের পোস্টার

    বিজেপির বক্তব্য

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বিজেপি নেতা বিকাশ সিং বলেন, “আমরা অনেকবার বলে এসেছি, শেখ শাহজাহান অনেক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ইডির তদন্তে সেগুলিই উঠে আসছে। ২০১৬ সাল থেকে কয়লার কারবারের দিকে চোখ ছিল তাঁর।“

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: কয়লা কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ‘সন্দেশখালির ত্রাস’? শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন তথ্য ফাঁস ইডির

    Sheikh Shahjahan: কয়লা কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ‘সন্দেশখালির ত্রাস’? শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন তথ্য ফাঁস ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে ‘সন্দেশখালির ত্রাস’ শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। বিঘার পর বিঘা জমি দখল করে মাছের ভেড়ি তৈরি, এলাকায় অত্যাচারের অভিযোগের পাশাপাশি এ বার শাহজাহানের নতুন কীর্তি প্রকাশ করল ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, শাহজাহান কয়লার কারবারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

    কয়লার কারবারে শাহজাহান যোগ (Sheikh Shahjahan)

    ইডির তদন্তে জানা গিয়েছে, কয়লার কারবারে শাহজাহান যোগের প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। শাহজাহান বেআইনি ভাবে কয়লা থেকেও তোলা আদায় করতেন বলে অভিযোগ। কয়লার জোগানে শাহজাহান এবং তাঁর দলবলকে টাকা দিতে হত। কর হিসাবেই ওই টাকা তাঁরা নিতেন বলে অভিযোগ। এছাড়াও শাহজাহান শেখ সাবিনা ফিশার সাপ্লায়ার, শেখ সাবিনা মাছের আড়তের মাধ্যমেও দুর্নীতি করেছেন বলে ইডির (ED) অভিযোগ। মার্কেট থেকে কমিশন এবং ভাড়া বাবদ টাকা তুলতেন তিনি। এ ছাড়াও অভিযোগের তালিকায় রয়েছে ইটভাটার দুর্নীতি। ইডির চার্জশিটেও তার উল্লেখ আছে বলে সূত্রের খবর। এ ছাড়া, জমি সংক্রান্ত যে কোনও লেনদেনের ক্ষেত্রেও শাহজাহানেরা টাকা তুলতেন বলে জানতে পেরেছে ইডি। সম্প্রতি এলাকায় তদন্তে গিয়ে শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) ও তার সাগরেদদের আরও সম্পত্তির খবর জানতে পারে তদন্তকারীরা। এ ব্যাপারে তদন্তকারী সংস্থার কাছে কয়েকজন অভিযোগও জমা করেছিল। এবার তদন্তে নেমে সে বিষয়েই আদালতে চার্জশিট দাখিল করল ইডি (ED)।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    শাহজাহানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত চার্জশিট দাখিল 

    বৃহস্পতিবার কলকাতার সিবিআই আদালতে ইডির তরফে নতুন করে অতিরিক্ত চার্জশিট দাখিল করা হল। ইডির দাবি, জমি-ভেড়ি দখল, জোর করে টাকা আদায়-সহ বিভিন্নভাবে সন্দেশখালিতে অপরাধের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিল শাহজাহান, তার ভাই এসকে আলমগীর, শিব প্রসাদ হাজরা এবং দিদার বক্স মোল্লা। এর আগে গত ২৭ মে আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছিল, জমি দখল এবং তোলাবাজি করে প্রায় ২৬১ কোটি টাকার সম্পত্তি করেছেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। তবে এই সম্পত্তির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তখনই জানিয়েছিলেন আধিকারিকরা। এদিন জমা দেওয়া অতিরিক্ত চার্জশিটে তদন্তকারী সংস্থার (ED) দাবি, শাহজাহান ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গোদের মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ২৮৮.২০ কোটি টাকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: বেআইনি ভাবে জমি দখলের মামলায় শাহজাহান শেখের ভাইকে ফের তলব ইডির

    Sandeshkhali Incident: বেআইনি ভাবে জমি দখলের মামলায় শাহজাহান শেখের ভাইকে ফের তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) ধৃত তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের ভাই সিরাজউদ্দিন শেখকে ফের তলব করল ইডি। শাহজাহানের আরও কয়েক জন আত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদেরও সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে। এর আগে সিরাজকেও তলব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়। সিরাজ ও শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি তলব করা হয়েছে ধৃত শিবু হাজরার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদেরও।  

    কী কারনে তলব? (Sandeshkhali Incident)

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, শাহজাহানের ব্যাঙ্কের নথি, জমি লিজের কাগজপত্র খতিয়ে দেখতে গিয়ে এবং ধৃতদের বয়ানে যে সব নাম উঠে এসেছে, তাঁদেরই তলব করা হয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, সন্দেশখালির সরবেড়িয়া, ধামাখালি সহ বেশ কিছু এলাকায় আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের নাম ব্যবহার করে জমির লিজ নিতেন শাহজাহান। তাঁরা অবশ্য কেউই খুব বড় মাপের ব্যবসায়ী নন। শাহজাহান শুধু তাঁদের নামটুকু ব্যবহার করতেন। সেই সব ব্যক্তিদের নামেই জমির লেনদেন হত। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সেই সব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই শাহজাহান ও শিবুর আত্মীয় ও ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের ডেকে পাঠানো হয়েছে।

    সিরাজুদ্দিন শেখের বিরুদ্ধে ইডির পদক্ষেপ 

    উল্লেখ্য সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Incident)পরই শাহজাহানের ভাই সিরাজুদ্দিন শেখের নাম শিরোনামে উঠে আসে। একাধিকবার তাঁকে হাজিরা দেওয়ার জন্য সমন পাঠায় ইডি। কিন্তু প্রতিবারই হাজিরা এড়ান সিরাজউদ্দিন। ইডির (ED) তদন্তকারীদের আশঙ্কা, তদন্ত থেকে বাঁচতে বিদেশে পালানোর চেষ্টা করে থাকতে পারেন সিরাজউদ্দিন। তাই তিনি যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সে কারণে দেশের সব বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে সিরাজউদ্দিনের ছবি এবং তাঁর সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “সন্দেশখালির পাপ ঢাকার জন্য তৃণমূল অনেক কিছু করবে”, বিস্ফোরক সুকান্ত

    প্রসঙ্গত, গত ১ মে কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) সরবেড়িয়া এলাকায় শাহজাহানদের বাড়ির সামনে যান সিবিআইয়ের একটি দল। সিরাজের বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেন তদন্তকারীরা। কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। তালাবন্ধ বাড়ির বাইরে নোটিশ সেঁটে দিয়ে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা। আর এই ঘটনার পর আবারও সিজিও কমপ্লেক্সে শাহজাহান শেখের ভাইকে তলব করল ইডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Shahjahan: শাহজাহানের জমি দখলের টাকা নিয়েছেন রাজ্যের আরও ২ মন্ত্রীও, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    Sheikh Shahjahan: শাহজাহানের জমি দখলের টাকা নিয়েছেন রাজ্যের আরও ২ মন্ত্রীও, বিস্ফোরক দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকই নয়, শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) দুর্নীতির টাকা রাজ্যের আরও দুই মন্ত্রীর কাছে গিয়েছে। আদালতে এমন অভিযোগই করল ইডি। কেন্দ্রীয় ওই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, উপরমহল পর্যন্ত এই জমি দখলের টাকা পৌঁছেছে। কলকাতার নগর দায়রা আদালতে সোমবার শাহজাহানের মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই ইডির আইনজীবী নতুন অভিযোগ তোলেন। এদিন ১৩ মে পর্যন্ত ফের শেখ শাহজাহানের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আবার জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে আলমগির, শিবু হাজরা ও দিদার বক্স মোল্লাকেও।

    কী বলল ইডি

    সোমবার আদালতে ইডি দাবি করে, শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) এবং তাঁর অনুগামীরা সন্দেশখালিতে যত জমি দখল করেছিলেন, তার টাকা পেয়েছেন রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীও। ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী আদালতে জানান, সন্দেশখালির জমি দখলের টাকার সঙ্গে উপরমহলেরও যোগ রয়েছে। সেই টাকা পেয়েছেন রাজ্যের দু’-তিন জন মন্ত্রীও। ইডির আইনজীবী আদালতে জানান, সরকারি টেন্ডার নিয়ে বেনিয়ম করেছেন শাহজাহান। প্রভাব খাটিয়ে নিজের অনুগামীদের ওই টেন্ডার তিনি পাইয়ে দিয়েছেন। ২০১৬ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়ে পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে ফেরি পারাপার, বিভিন্ন সরকারি টেন্ডার ঘুরপথে শাহজাহান এবং তাঁর সঙ্গীদের পাইয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে তাঁরা লাভবান হয়েছেন। সূত্রের খবর, শাহজাহানের স্ত্রী এবং আত্মীয়েরা জেরার মুখে এ কথা স্বীকার করে নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    অস্ত্র কারবারের সঙ্গে যুক্ত

    শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) দুর্নীতির টাকা অস্ত্র ব্যবসাতে খাটানো হত বলেও ইডি সূত্রে খবর। কালো টাকা ঘুরিয়ে অস্ত্র ব্যবসা করা হতো বলেও অভিযোগ করা হয়েছে বিশেষ ইডি আদালতে। কিছুদিন আগেই সন্দেশখালি থেকে যে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে, এদিন ইডির আইনজীবী আদালতে সে বিষয়েও বলেন। তিনি বলেন, তদন্তে আগেই তাঁরা জানতে পারেন, অস্ত্র ব্যবসাতেও টাকা খাটানো হয়েছে। এবার সন্দেশখালির গ্রাম থেকে অস্ত্র উদ্ধার বিষয়টি আরও জোরাল করল। এদিনই বসিরহাট আদালতে আসে সিবিআইয়ের একটি দল। বিশাল ব্যাগ, তথ্য নিয়ে ভিতরে ঢোকে তারা। সূত্রের খবর, দু’দিন আগে সন্দেশখালি থেকে উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে বসিরহাট কোর্টে হাজির হয় সিবিআই। ইডির বক্তব্য শুনে শুনে শাহজাহানদের আগামী ১৩ মে পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: একেকটির দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা! মার্কিন মুলুক থেকে নিলামে কেনা হয়েছিল সন্দেশখালির বিদেশি অস্ত্র

    Sandeshkhali: একেকটির দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা! মার্কিন মুলুক থেকে নিলামে কেনা হয়েছিল সন্দেশখালির বিদেশি অস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়িতে হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে পুলিশের রিভলভার যেমন পাওয়া গিয়েছে, তেমনি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। দেশি আগ্নেয়াস্ত্র তো রয়েছে। সব মিলিয়ে এই অস্ত্র মজুত করার সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের যোগের অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। এই আবহের মধ্যে এই আগ্নেয়াস্ত্র কোথায় থেকে আনা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা শুরু করেছে সিবিআই। আর তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য সিবিআইয়ের সামনে উঠে এসেছে।

    মার্কিন মুলুক থেকে এসেছিল অস্ত্র! (Sandeshkhali)

    সিবিআই এর এখন সন্দেহ, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) উদ্ধার হওয়া এই সব অস্ত্রের অধিকাংশ এসেছিল মার্কিন মুলুক থেকে। আর এই সব অস্ত্র এমনই, যে বাজার থেকে কেনা যায় না। এগুলি নিলাম হয়। চড়া দামে কিনতে হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা দাম উঠে যায় একেকটি অস্ত্রের। তাহলে সন্দেহ প্রবল হচ্ছে, নেপথ্যে আন্তর্জাতিক অস্ত্র চোরাচালান চক্র? কীভাবে এই সব আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হত? আর সব থেকে বড় প্রশ্ন এত দামি অস্ত্র কেনার জন্য অর্থ কোথা থেকে আসত? কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৩টি বিদেশি রিভলবার রয়েছে, যেগুলি মার্কিন মুলুকে তৈরি এবং এই সব আগ্নেয়াস্ত্র রীতিমতো নিলাম ডেকে চড়া দামে বিক্রি করা হয়। কী কারণে এই অত্যাধুনিক অস্ত্র সন্দেশখালিতে মজুত করা হয়েছিল, অস্ত্র কেনার টাকাই বা এসেছিল কোথা থেকে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, একেকটি আগ্নেয়াস্ত্রের দাম ৭-৮ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। কোথা থেকে কেনা হয়েছিল এই অস্ত্র? তবে কি অস্ত্র চোরাচালানেও যুক্ত ছিল শেখ শাহজাহান?

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    বিলের সূত্র থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের ভান্ডারের কাছে বেশ কিছু বিল বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই। সেই বিলে কলকাতার এক অস্ত্র কারবারির হদিশ মিলেছে। বিলে কে কেনা হয়েছিল তা উল্লেখ রয়েছে। কার্তুজ কেনার তথ্য রয়েছে। আর কোথায় থেকে অস্ত্র কেনা হয়েছিল তা জানার চেষ্টা করছে সিবিআই। জানা গিয়েছে,  শনিবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) হানা দেয় সিবিআই। সেখানে একাধিক অভিযোগকারীর সঙ্গে তারা কথা বলেন। পাশাপাশি এদিনও শাহজাহান ঘনিষ্ঠ সেই আবু তালেবের বাড়িতেও যান সিবিআই আধিকারিকরা। তবে, সেখান থেকে কী তথ্য সংগ্রহ করেছেন তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CBI: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    CBI: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সন্দেশখালিতে হানা দিল সিবিআই (CBI) টিম। শুক্রবারের মতো শনিবারও তৃণমূল নেতা শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়ি ও দোকানে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শুক্রবার আবু তালেবের বাড়িতে হানা দিয়ে সিবিআই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করে। এদিন সিবিআই টিম শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তুফান মৃধার বাড়িতে হানা দেয়।

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে হানা (CBI)

    স্থানীয় ও সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে সন্দেশখালির সিবিআই (CBI) টিম রাজবাড়ি এলাকায় যায়। সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তুফান মৃধার দোকানে প্রথমে হানা দেয়। তুফান শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু, দোকান বন্ধ থাকায় সেখান থেকে তুফানের বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। তুফান পরিবারের তরফে সিবিআই টিমকে জানানো হয়, সকালে কাজের সূত্রে বাইরে গিয়েছেন তিনি। তবে, এলাকার মানুষজন জানাচ্ছেন, গত তিন-চার দিন ওই দোকান বন্ধ রয়েছে। তুফানকেও এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। তবে, তিনি কোথায় আছেন তা প্রতিবেশীরা কেউ কিছু জানাতে পারেননি।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠকে কলকাতায় জেরা

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি মামলায় শেখ শাহজাহানের বাড়িতে হানা দিতে গিয়ে ইডির আক্রান্ত হওয়ার মামলার প্রেক্ষিতে বার বার সন্দেশখালিতে সিবিআই হানা দেয়। শুক্রবার তালেবের বাড়িতে অস্ত্র উদ্ধারের পর সিবিআই ডেকে পাঠায় এনএসজিকে। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে সন্দেশখালিতে চলে আসেন এনএসজি কম্যান্ডোরা। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের পর এদিন শাহজাহানের অন্য এক ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয়। এর মধ্যে শনিবার শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ এক জনকে কলকাতায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। পাশাপাশি অভিযানও জারি রয়েছে। তবে, তুফানের বাড়িতে গিয়ে কী তথ্য জোগাড় করেছে তা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI) স্পষ্ট করে কিছু বলেনি। তবে, তালেবের বাড়িতে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার সঙ্গে তুফান মৃধার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না তা নিয়ে এলাকায় চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয় নিয়ে তুফানের বাড়ির লোকজন কেউ প্রকাশ্যে কিছু বলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে মিলল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভান্ডার, কে এই আবু তালেব?

    Sandeshkhali: শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে মিলল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভান্ডার, কে এই আবু তালেব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি (Sandeshkhali) লোকসভা ভোটের আবহের মধ্যেই তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হল। উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় শাসক দলের যোগ আরও সুস্পষ্ট হয়েছে। তবে, কে এই আবু তালেব। শাহজাহানের সঙ্গে তাঁর কী সম্পর্ক রয়েছে, তা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কে এই আবু তালেব? (Sandeshkhali)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আবু তালেবের বাড়ি ন্যাজাট থানার বাউনিয়া গ্রামে। তাঁর বয়স ৩০ বছর। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর অল্পদিনের মধ্যে তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। সেই সূত্রে সন্দেশখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের মল্লিক পাড়ার বাসিন্দা তাসমিনা বিবির সঙ্গে আবু তালেবের বিয়ে হয়। বিয়ের পর গত পাঁচ বছর ধরে মল্লিক পাড়ায় তিনি থাকতে শুরু করেন। এলাকায় তিনি টোটো চালাতেন। শাহজাহানের ভেড়ি দেখতেন। শাহজাহানের সঙ্গে তাঁর একাধিক ছবিও রয়েছে। অনেকে তাঁকে শাহজাহানের ডান হাত বলতেন। শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে বেপাত্তা হয়ে যান তিনি।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    তালেবের বাড়ি থেকে অস্ত্রভান্ডার উদ্ধার হতেই হতবাক এলাকাবাসী

    সরবেড়িয়া (Sandeshkhali) আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মল্লিক পাড়ায় একদা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে সিবিআই টিম সাতসকালে সিআরপিএফ জওয়ান নিয়ে হানা দেয়। বাড়িতে আবু তালেবের স্ত্রী তাসমিনা বিবিসহ আরও একজন সদস্য ছিলেন। ঘরে তল্লাশি চালাতেই কিছু বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা উদ্ধার হয়। তদন্তকারীরা দ্রুত এনএসজি-কে খবর দেয়। তারপর অত্যাধুনিক রোবটকে কাজে বোমার বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যে আবু তালেবের স্ত্রীকে আটক করে সিবিআই। সাধারণ টোটো চালক ও ভেরির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা ব্যক্তির কাছে থেকে কীভাবে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গেল তা সিবিআই খতিয়ে দেখছে।  স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, তালেব খুব ভালো ছেলে। তাঁর বাড়িতে বাইরে থেকে কাউকে আসতে কেউ দেখেনি। তবে, তাঁর বাড়ি থেকে এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার হল তা জেনে হতবাক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share