Tag: sheikh shahjahan sandeshkhali

sheikh shahjahan sandeshkhali

  • Sandeshkhali News:  “সন্দেশখালির মহিলাদের ভয় দেখানো হচ্ছে”, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ মহিলা কমিশনের

    Sandeshkhali News:  “সন্দেশখালির মহিলাদের ভয় দেখানো হচ্ছে”, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ। চর্চায় সন্দেশখালি (Sandeshkhali News) । সন্দেশখালিতে প্রায় ১০০টি মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। এরই মাঝে নির্বাচন কমিশনের কাছে জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মার অভিযোগ, “সন্দেশখালির মহিলাদের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন সদনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারকে চিঠি পাঠিয়ে এই অভিযোগ করেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা।

    মহিলা কমিশনের অভিযোগ 

    মহিলা কমিশনের তরফে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে চিঠির প্রতিলিপি পোস্ট করা হয়েছে। তাতে লেখা হয়েছে, আমাদের নজর এসেছে ভোটের মাঝে সন্দেশখালির মহিলাদের অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। ভয় দেখানো হচ্ছে। তাদের প্রভাবিত করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন যাতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে। কমিশনের চেয়ারপার্সন ওই অভিযোগপত্রে সরাসরি নালিশ জানিয়েছেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। চেয়ারপার্সনের বক্তব্য, “তৃণমূল কর্মীরা সন্দেশখালির (Sandeshkhali News) মহিলাদের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করছেন। মহিলারা যাতে এই পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে অভিযোগ প্রত্যাহার করতে বাধ্য না হয় সেজন্য নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেছে মহিলা কমিশন।”

    ভয় দেখিয়ে স্টিং অপারেশন! (Sandeshkhali News)

    এক্ষেত্রে উল্লেখ্য শাসক দলের ঘনিষ্ঠ এক প্রাক্তন সাংবাদিক বর্তমানে ইউটিউবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali News)  গিয়ে একটি স্টিং অপারেশন করে বলে অভিযোগ। ভয় দেখিয়ে কয়েকজন আন্দোলনকারি এবং এক বিজেপি কর্মীর মুখ থেকে কিছু কথা বলিয়ে নেন বলে অভিযোগ। যদিও ওই বিজেপি কর্মী স্পষ্ট করে বলেছেন, “যে কণ্ঠস্বরটি শোনা যাচ্ছে সেটা তাঁর নয়। আন্দোলনকারী মহিলা বলেছেন তাঁকে মামলা তুলে নেওয়া হবে এই প্রলোভন দেখিয়ে একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে চাপ দিয়ে অনেক কথা বলিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরে শাসক দলের তরফে ওই ইউটিউবারের ভিডিওকে সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা হয়।

    আরও পড়ুন: জমি হাতিয়েছিলেন শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মিজানুর! সন্দেশখালি গিয়ে খোঁজ নিল সিবিআই

    ভাইরাল ভিডিওর পর আসরে তৃণমূল! (Sandeshkhali News)

    এরপর দেখা যায় আন্দোলনকারি সেজে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী দাবি করেছেন তাদের ওপর নাকি চাপ দেওয়া হয়েছিল অভিযোগ করার জন্য। এ নিয়ে শুরু হয়েছে চাপানউতর। এরই মাঝে শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক ডেকে মহিলা কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল তৃণমূল নেতৃত্ব। শাসকদলের তরফ থেকে সন্দেশখালি জুড়ে যে চাপ তৈরি করা হচ্ছে তাতে সন্দেশখালির (Sandeshkhali News) তদন্ত প্রভাবিত বলে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshhkhali Incident: ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই! কার বাড়িতে ঢুকল এবার?

    Sandeshhkhali Incident: ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই! কার বাড়িতে ঢুকল এবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও গুলি, বন্দুক উদ্ধার আবার কখনও স্টিং অপারেশন। সপ্তাহে অন্তত একবার সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। সেই জানুয়ারি মাস থেকে সংবাদ শিরোনামে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার এই প্রত্যন্ত এলাকা। সোমবার ৩ সদস্যের প্রতিনিধি দল হাজির হয়েছে সন্দেশখালিতে। এবার জমি মাফিয়ার খপ্পড়ে পড়া দিনু মন্ডল ও হান্নান গাজির বাড়িতে উপস্থিত হন সিবিআইয়ের (CBI) তদন্তকারী দলের সদস্যরা।

    দিনু মণ্ডলের বাড়িতে সিবিআই

    এদিন সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল ন্যাজাট থানার শিরিষতলায় দীনু মণ্ডলের বাড়িতে উপস্থিত হন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর শেখ শাহজাহানদের দল বলের বিরুদ্ধে বলপূর্বক (Sandeshkhali Incident) জমি দখলের অভিযোগ ছিল। এর মধ্যে একটি অভিযোগ করেছিলেন দীনু মন্ডল। এদিন তাঁর বাড়িতে জমি সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হন তদন্তকারিরা। স্থানীয় সূত্রে খবর কাগজপত্র দেখানোর পর দিনু মন্ডল নিজের জমিও ঘুরিয়ে দেখান সিবিআই আধিকারিকদের।

    আরও পড়ুন: ভোটের আবহে ২৩টি দেশের ৭৫ জন প্রতিনিধি ভারতে এলেন

    হান্নান গাজির বাড়িতেও সিবিআই

    উল্লেখ্য বসিরহাটে (Basirhat) জমি দখল মামলার তদন্তভার বর্তমানে রয়েছে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে। গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের খবর ইমেলের মাধ্যমে বলপূর্বক জমি দখলের (Sandeshkhali Incident)  অভিযোগ জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। এদিন ন্যাজাট থানার ঝুপখালি এলাকার হান্নান গাজি নামে এক ব্যক্তির বাড়িতেও উপস্থিত হন সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানেও জমি জমা দখল সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল। অভিযোগ খতিয়ে দেখেন তদন্তকারিরা। গত মাসে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন এবং জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার সিবিআইকে গ্রহণ করতে হবে। এরপর অনলাইনে পোর্টাল খুলে ই-মেল মারফত অভিযোগ গ্রহণ শুরু হয়। প্রায় একশোর কাছাকছি অভিযোগ দায়ের হয়। সেই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত নেমেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। গত বৃহস্পতিবার সন্দেশখালি কাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট মুখ বন্ধ খামে জমা দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    Sandeshkhali: “আমি আর শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিলাম, কুণাল লুকিয়ে দেখছিল”, কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু অস্ত্র রেখেছিল ওখানে। লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।” বক্তা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে  সিবিআই-কে (C.B.I.) তৃণমূল (T.M.C.) নেতা কুণাল ঘোষ তাঁর বাক্যবাণ সংযোগে যেভাবে নির্লজ্জ আক্রমণ করেছেন তার যোগ্য জবাব এভাবেই দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    কী বলেছিলেন কুণাল (Sandeshkhali)?

    “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ। কেজি কেজি বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পর কুণালের মন্তব্য, “আগে থেকে কেউ রেখে দিতে পারে। পুলিশের উচিত ছিল সেটা দেখা। বাংলাকে বদনাম করার চক্রান্ত। ভোটের মধ্যে তৃণমূল সম্পর্কে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমত তৈরি করার জন্য অস্ত্র উদ্ধারের নাটক। পুলিশের ইন্টেলজেন্স কোথায়।” শুক্রবার এই মন্তব্য করেছিলেন কুণাল ঘোষ। শনিবারও নিজের মন্তব্যেই কায়েম ছিলেন তিনি। বলেছেন, “যা বলেছি ভুল কোথায়”।

    সুকান্তের বক্তব্য

    পাল্টা সন্দেশখালি (Sandeshkhali) প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বেনজির কটাক্ষ ছুড়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আসলে উনি সব জানেন। আর বাকিরা কেউ কিছু জানে না। আমি আর শুভেন্দু অধিকারী পিঠে বোঝা নিয়ে গিয়েছিলাম। দিলীপ ঘোষ গর্ত খুঁড়ে রেখেছিল আগে থেকে। রাহুল সিনহা টর্চ ধরেছিল। আর সুকান্ত-শুভেন্দু একটা একটা করে অস্ত্র রেখেছিলাম ওখানে। আর পাশ থেকে লুকিয়ে দেখেছিল কুণাল ঘোষ।”

    পুলিশের ব্যর্থতা

    পুলিশের ইন্টেলিজেন্স ফেলিওর। নাকি সব জেনেও পুলিশ চুপ ছিল প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। যেভাবে বছরের পর বছর শাহজাহানের (Sandeshkhali) বিরুদ্ধে অভিযোগের পরেও তাঁকে ছেড়ে রেখেছিল পুলিশ তাতে রাজ্য পুলিশের থেকে কী আর আশা করা যায় বলছেন রাজ্যের বিরোধী নেতারা।

    আরও পড়ুন: “অভিষেক এইট ফেল”, বিস্ফোরক দাবি ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী ববির

    কী কী উদ্ধার হয়?

    শুক্রবার শাহজাহানের বাড়ির (Sandeshkhali) আধা কিলোমিটেরর মধ্যে তাঁর এক সাগরেদের বাড়ি থেকে দেশী বিদেশী মিলিয়ে ৭টি পিস্তল। ১২০ টি বেশি কার্তুজ ও বিষ্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই (CBI)।  বিষ্ফোরক উদ্ধার করতে নামাতে হয় রোবট। নামানো হয় এনএসজি কমান্ডো। সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার একটি বাড়ির মেঝে ভেঙে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ অস্ত্রভাণ্ডার।  ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্তে এসে তৃণমূল পরিচালিত সরবেড়িয়ার আগারহাটি পঞ্চায়েত সদস্য হাফিজুল খাঁয়ের আত্মীয় আবু তাহের মোল্লার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাফিজুল খাঁয়ের ভগ্নিপতি হন এই আবু তাহের মোল্লা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan) রোহিঙ্গাদের (Rohingya) নিয়ে এসে ক্যাম্প তৈরি করেছিলেন। সেই ক্যাম্পের খরচ দিত জেলা পরিষদ। বিষ্ফোরক অভিযোগ বিজেপির বর্ধমান দুর্গাপুরের প্রার্থী দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। শেষ দফায় ১ জুন বসিরহাটে (Basirhat) নির্বাচন হবে। দেশ জুড়ে নির্বাচন চলাকালীন সন্দেশখালি (Sheikh Shahjahan Sandeshkhali) থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ফের জাতীয় রাজনীতির ইস্যু হয়ে গিয়েছে সন্দেশখালি। দেশি, বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সহ একশোর বেশি রাউন্ড গুলি বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই (CBI)। উদ্ধার হয়েছে বিষ্ফোরক। অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। নামাতে হয়েছে এনএসজি (NSG) কমান্ডো। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক অস্ত্রপাচারের যোগের অভিযোগ করেছে বিজেপি।

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য (Seikh Shahjahan)

    দিলীপ ঘোষ বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকা যদি অস্ত্রের আড়তে পরিণত হয়, তাহলে দেশের সুরক্ষা কোথায়? যারা ইডির উপর হামলা চালিয়েছিল তারা প্রত্যেকে সন্ত্রাসবাদি। কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত তল্লাশি চালিয়ে প্রত্যেককে জেলে ভরা। শেখ শাহজাহান (Seikh Shahjahan)  রোহিঙ্গাদের নিয়ে এসে ওখানে ক্যাম্প তৈরি করেছিল। সেই ক্যাম্পের খরচ চালাত ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ। ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের পাঠানো হত সারা ভারতের নানান প্রান্তে।”

    ঘটনার সূত্রপাত

    গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারকদের উপর হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তদন্তে সন্দেশখালিতে গিয়ে শেখ শাহজাহানের (Seikh Shahjahan)  বাড়ির ৫০০ মিটার দূরের একটি বাড়ি থেকে বিপুল অস্ত্র ভান্ডার বাজেয়াপ্ত করল সিবিআই। বিরোধীদের প্রশ্ন সিবিআই এখানে অস্ত্রের হদিশ পায়। অথচ পুলিশ কেন পায় না। পুলিশের বিরুদ্ধে আগেও উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। শাহজাহান ও তার বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে উল্টে তাদের কাছেই আলাপ আলোচনার জন্য নাকি পাঠিয়ে দিত পুলিশ। সেই অভিযোগে নতুন অধ্যায় জুড়ল সন্দেশখালি থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার। এমনকি এই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ইন্টেলিজেন্স ফেলিওরের তত্ত্ব এনেছেন খোদ রাজ্যের তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ। শেখ শাহজাহানের সাগরেদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে অস্ত্রভাণ্ডার। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার আধার কার্ড, প্যান কার্ড, আগ্নেয়াস্ত্র কেনার লাইসেন্স ও কার্তুজ কেনার বিল সহ আরও বহু নথি।

    উঠছে আরও অনেক প্রশ্ন

    বিরোধী দলের নেতাদের প্রশ্ন সন্দেশখালিতে এত অস্ত্র এল কোথা থেকে? কারা আনল, কী কারণে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ওই বাড়িতে? ওই অস্ত্র কী ভোটের সময় সন্ত্রাসের জন্য মজুত করা হয়েছিল? এই অস্ত্রের জোরেই কি ইডির উপর হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছিল দুষ্কৃতীরা? একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। সন্দেশখালির মাস্টার মাইন্ড শেখ শাহজাহানের (Seikh Shahjahan)  সঙ্গে এই অস্ত্রের যোগ পাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

    বিরোধী দলনেতার বক্তব্য

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Seikh Shahjahan) এক্ষেত্রে বলেছেন, “যদি মিনাখাঁতে যান আইয়ুব গাজীর বাড়ি থেকে অস্ত্র পাবেন। জীবনতলায় যান শওকত মোল্লার ডেরা থেকে অস্ত্র পাবেন। বাসন্তীতে গেলে রাজা গাজীর ডেরা থেকে অস্ত্র পাবেন।” যে কটি নাম বলেছেন বিরোধী দলনেতা সকলেই নিজ-নিজ এলাকায় শাসকদলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানগড়ে অস্ত্রভান্ডারে মিলল পুলিশের রিভলভার, শোরগোল

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও কুনাল ঘোষ এর বক্তব্য এই অস্ত্র সিবিআই রেখে দিয়ে আই ওয়াশ করা তদন্ত করেছে। পুলিশের আগে থেকে সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। পুলিশের ইন্টেলিজেন্স কি করছিল। কেউ অস্ত্র রেখে রাজ্যকে বদনাম করার চেষ্টা করছে কিনা সেটা পুলিশের নজরদারি রাখা উচিত ছিল। অস্ত্র পাওয়া গেলে পুলিশের ভূমিকা ওতো অবশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে। রাজনৈতিক কারণে শুভ কুনাল ঘোষ যাই বলুন না কেন ইন্টেলিজেন্স ফেললিয়নের কথা তিনি ঘুরিয়ে স্বীকার করে নিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: নয়া ঠিকানা নিজাম প্যালেস! অবশেষে সিবিআই হেফাজতে শেখ শাহজাহান

    Sheikh Shahjahan: নয়া ঠিকানা নিজাম প্যালেস! অবশেষে সিবিআই হেফাজতে শেখ শাহজাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) সিবিআই-এর (CBI) হাতে তুলে দিতে বাধ্য হল সিআইডি (CID)। স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য শেখ শাহজাহানকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম। স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নগাদ সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়া হয় শাহজাহানকে। এরপর ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে মেডিকেলের জন্য। তারপর সেখান থেকে নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace, Kolkata) নিয়ে যাওয়া হবে তাঁকে। 

    শাহজাহানের স্বাস্থ্যপরীক্ষা

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না জানিয়েছিলেন, আজ বিকেল ৪টে ১৫ মিনিটের মধ্যে সিবিআই-এর হাতে শাহজাহানকে তুলে দিতে হবে সিআইডি-কে। কিন্তু সিবিআই যেতেই সন্দেশখালিকাণ্ডে ধৃত শাহজাহান শেখকে (Sheikh Shahjahan) নিয়ে ভবানী ভবন থেকে এসএসকেএম হাসপাতালে যান রাজ্যের গোয়েন্দারা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে শাহজাহানের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করা হয়। হস্তান্তর প্রক্রিয়ার আগে নিয়ম মেনে শাহজাহানের স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানোর পর তাঁকে নিয়ে বেরিয়ে যায় সিআইডি। অন্য দিকে, সিবিআই ভবানী ভবনে অপেক্ষায় করতে থাকে শাহজাহনকে হেফাজতে নেওয়ার জন্য।

    আরও পড়ুন: ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! ইডির তালিকায় শাহজাহানের কোন কোন জমি?

    আদালত অবমাননার অভিযোগ

    আদালতের নির্দেশ মেনে সাড়ে ৩টে নাগাদই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান সিবিআই আধিকারিকেরা। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। কিন্তু আদালতের দেওয়া সময় পার হয়ে গেলেও শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) নিয়ে ভবানী ভবন থেকে বেরোতে দেখা যায়নি সিবিআইকে। যার প্রেক্ষিতে রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ করে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি। এদিন কলকাতা হাইকোর্টে অনুপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম। এই আবহে তাঁর এজলাসে থাকা শাহজাহান মামলার শুনানি হয় জাস্টিস হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চে। এই আবহে হরিশ ট্যান্ডন জানান, প্রধান বিচারপতির রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার কোনও কারণ নেই। যদিও রাজ্যের যুক্তি ছিল, যেহেতু সুপ্রিম কোর্টে তারা স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করেছেন, তাই আজকেই যেন শাহজাহানকে সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া না হয়। তবে রাজ্যের সেই যুক্তি ধোপে টেকেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Shahjahan: ‘বাঘের’ চোখে জল! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে কেঁদে ফেললেন শাহজাহান

    Sheikh Shahjahan: ‘বাঘের’ চোখে জল! কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে কেঁদে ফেললেন শাহজাহান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই-এর খাঁচায় কান্না শেখ শাহজাহানের! ইনিই কি সেই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা! যার ত্রাসে ভয়ে কাঁটা হয়ে থাকত সন্দেশখালিবাসী! যাকে তার অনুগামীরা বলত ‘বাঘ’! এখন সিবিআইয়ের খাঁচাবন্দি হয়ে সব তেজ প্রায় উবে গিয়েছে শেখ শাহজাহানের। কদিন আগেও, পুলিশের সামনে আদালতে যে ভাবে তাঁকে ঢুকতে দেখা গিয়েছিল, তা নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। আজ কোথায় সেই প্রতাপ? কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের প্রশ্নবাণে ভয়ে কাঁটা হয়ে গিয়েছেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। তাঁকে কটাক্ষও করেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শাহজাহানের চোখে জল

    সিবিআই সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা গতকাল শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) হেফাজতে পেতেই তাঁর চোখে জল চলে আসে। দু’দিনের টালবাহানা শেষে বুধবার শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) হেফাজতে পেয়েছে সিবিআই (CBI)। গতকাল প্রায় ঘণ্টা দুয়েক ভবানী ভবনে অপেক্ষা করার পর সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে হাতে পায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, হস্তান্তরের আগে অবধি সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নেতা বুঝতে পারেননি তাঁকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সিবিআই তাঁকে নিয়ে যাবে এটা বুঝতে পারার পর কার্যত ভেঙে পড়েন তিনি। 

    খাবার নিয়ে বায়না শাহজাহানের

    সিবিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে গরম ভাত আর ঘি খেতে চেয়েছিলেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। অবশ্য শাহজাহানকে ভাত বা ঘি কোনওটাই দেওয়া হয়নি। শাহজাহানের শারীরিক পরীক্ষায় ডায়াবেটিসের ইঙ্গিত মিলেছে। তাই তাঁকে রুটি দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল তরকারি। ভাত, ঘি, আলু সেদ্ধর বদলে এক প্রকার বাধ্য হয়ে সেই খাবার খান শাহজাহান। এর আগে গতরাতে নাকি শাহজাহানকে ভাত, ডাল, সব্জি দেওয়া হয়েছিল।

    সিবিআই-এর জেরায় কান্না!

    সিবিআই সূত্রে খবর, গতকাল প্রায় ২ ঘণ্টা জেরা করা হয়েছে তাঁকে। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে ফের জেরা পর্ব শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সিবিআই সূত্রে জানা যাচ্ছে, সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে কী কী প্রশ্ন করা হবে তার জন্য ২৫০ প্রশ্নের একটি প্রশ্নমালা তৈরি করা হয়েছে। ইডির তল্লাশির সময় শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) কোথায় ছিলেন? কেন তল্লাশি চালানো যায়নি? তাঁর বাড়ির বাইরে এত লোক কীভাবে জড়ো হল? তাঁর ফোন কেন ব্যস্ত ছিল? তিনি কাকে ফোন করেছিলেন? গোলমাল থামানোর কোনও চেষ্টা কেন করেননি? তল্লাশি চালাতে না পেরে ইডি চলে যাওয়ার পর তিনি কোথায় যান? এতদিন অবধি কোথায় লুকিয়ে ছিলেন? এমনই একাধিক প্রশ্ন করা হবে বলে খবর। একইসঙ্গে মাছের ভেড়ি এবং ব্যবসা নিয়েও শাহজাহানকে একাধিক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। তাঁর কী কী ব্যবসা আছে? কোথায় কোথায় মাছের ভেড়ি আছে? কতদিন ধরে রাজনীতি করছেন? বর্তমান দলের সঙ্গে কতদিন ধরে যুক্ত? কার হাত ধরে যুক্ত হয়েছেন? এরকম শয়ে শয়ে প্রশ্ন রয়েছে। আর তদন্তকারী সংস্থার এই সব প্রশ্নবাণেই নাকি সন্দেশখালির শেখের নয়ন ছলছল করে ওঠে! 

    আরও পড়ুন: নারী দিবসে মহিলাদের অনন্য সম্মান, লিঙ্গভেদ দূর করতে সক্রিয় বিআরও

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    ইডির ওপর হামলার ৫৫ দিনের মাথায় মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)। তবে গ্রেফতারির পরেও তাঁর শরীরী ভাষায় ফুটে উঠছিল ‘ঔদ্ধত্য’। বিশেষত বসিরহাট আদালতে শাহজাহানের গটগট করে হাঁটা এবং তর্জনী নাড়ার দৃশ্য নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছিল। তবে সিবিআই (CBI) হেফাজতে আসতেই বদলে গেল সেই চিত্র! এ নিয়ে সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে ‘নেংটি ইঁদুর’ বলে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বৃহস্পতিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন এই বিজেপি (BJP) নেতা। সেখানে ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালত চত্বরে শাহজাহানের ‘মেজাজ’ এবং বুধবার সিবিআই হেফাজতে তাঁর মাথা নীচু করে হাঁটার দৃশ্য দেখা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে আসতেই যেন উধাও হয়ে গিয়েছে সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’র ঔদ্ধত্য!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সিবিআই-এর খাঁচায় সন্দেশখালির ‘বাঘ’, রাতেই কি শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ?

    Sheikh Shahjahan: সিবিআই-এর খাঁচায় সন্দেশখালির ‘বাঘ’, রাতেই কি শাহজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ টালবাহানার পর শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) হেফজতে নিল সিবিআই। মঙ্গলবার বিকেল থেকে বুধবার সন্ধ্যা, ৬টার পর শেখ শাহজাহানকে ভবানী ভবন থেকে নিজেদের হেফাজতে নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। সন্দেশখালিকাণ্ডে অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়েই ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।  হেফাজতে নেওয়ার পর জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শেখ শাহজাহানকে। জোকা ইএসআই হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর শেখ শাহজাহানকে নিজাম প্যালেসে নিয়ে যায় সিবিআই। রাতেই এক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে একদা সন্দেশখালির (Sandeshkhali Incident) দাপুটে তৃণমূল নেতাকে। 

    বাধ্য হয়ে সিবিআই-এর হাতে

    আদালতের দেওয়া সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ শাহজাহানকে নিয়ে ভবানী ভবন থেকে বেরোন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট মামলার কাগজপত্র সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় সিআইডি। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্ত এখন সিবিআইয়ের হাতে। মঙ্গলবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, শাহজাহানকেও সিবিআইয়ের হাতেই তুলে দিতে হবে। বুধবার সারাদিন লুকোচুরি খেলার পর এক প্রকার বাধ্য হয়েই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে শাহজাহানকে তুলে দেয় রাজ্য। উল্লেখ্য, বুধবারই সিবিআই সন্দেশখালিকাণ্ডে তিনটি এফআইআর করেছে। তার মধ্যে একটিতে সন্দেশখালির অশান্তিতে মূল অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে শাহজাহানের।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    গত ৫ জানুয়ারি রেশন মামলার তদন্তে সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় শাহজাহানের বাড়িতে গিয়ে আক্রমণের মুখে পড়তে হয় ইডি আধিকারিকদের। তারপর থেকে দীর্ঘ ৫৫ দিন নিখোঁজ ছিল শাহজাহান। তারপর আদালতের কড়া নির্দেশে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এবারও হাইকোর্টে ধাক্কা, সুপ্রিম কোর্টে অস্বস্তি, তাও দু’দিনের টানাপোড়েন চলল শাহজাহানকে নিয়ে। কিছুতেই শেখ শাহজাহানকে সিবিআই-এর হাতে তুলে দিতে রাজি হচ্ছিল না রাজ্য। “অভিযুক্তকে আড়াল করতেই কি লুকোচুরি খেলছিল পুলিশ?” কার নির্দেশেই বা শাহজাহানকে সামলে রাখা হচ্ছিল। প্রশ্ন তুলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

     

    আরও পড়ুন: ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! ইডির তালিকায় শাহজাহানের কোন কোন জমি?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত, আজই সিবিআই-এর হাতে শেখ শাহজাহান?

    Sheikh Shahjahan: হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখল শীর্ষ আদালত, আজই সিবিআই-এর হাতে শেখ শাহজাহান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার৷ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই জারি রাখল শীর্ষ আদালত। শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) সিবিআই-এর হাতেই তুলে দিতে হবে রাজ্য পুলিশকে, বুধবার এমনই নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা শাহজাহান শেখকে সিবিআইয়ের হাতেই তুলে দিতে হবে। সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) নিয়ে মঙ্গলবার হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল সরকার। বুধবার বিচারপতি সঞ্জীব খন্নার বেঞ্চ জানিয়ে দেয় ধৃত নেতাকে সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করতে হবে পুলিশকে। 

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সন্দেশখালি মামলায় (Sandeshkhali Incident) হাইকোর্টের পর সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেল রাজ্য। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে হস্তক্ষেপ করল না শীর্ষ আদালত। অর্থাৎ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) নিজেদের হেফাজতে নিতে আর বাধা নেই সিবিআইয়ের। মঙ্গলবারই কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআই-এর হাতে শেখ শাহজাহানকে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকারকে। সেই নির্দেশের পরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনুসিঙ্ঘভি শীর্ষ আদালতে জরুরি শুনানির আবেদন জানালে তা খারিজ হয়ে যায়। তবে বুধবার পিটিশন দাখিল করা হয় শীর্ষ আদালতে। তাও সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ সেই মামলা শুনতে চায়নি। এই আবহে আপাতত হাইকোর্টের নির্দেশের ওপর হস্তক্ষেপ করতে চায়নি সুপ্রিম কোর্ট। 

    আরও পড়ুন: ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! ইডির তালিকায় শাহজাহানের কোন কোন জমি?

    আজই সিবিআই হেফাজতে শাহজাহান

    বুধবার সকালে অভিষেক মনুসিঙ্ঘভির আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি সঞ্জীব খান্না জানান, এই ধরনের মামলায় জরুরি শুনানির আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি। তবে আজ বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় সাংবিধানিক বেঞ্চের কাজে ব্যস্ত। তাই তাঁর এজলাসে শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) সংক্রান্ত মামলার উল্লেখ করা সম্ভব হয় কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার বিকেলেই হাইকোর্টের নির্দেশ মতো শাহজাহানকে হেফাজতে নিতে ভবানী ভবনে পৌঁছে যান সিবিআইয়ের আধিকারিকেরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শাহজাহানকে না-নিয়েই ভবানী ভবন ছাড়তে হয় তাঁদের। সিআইডি যুক্তি দেয় যেহেতু রাজ্য সরকার হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতে গিয়েছে রাজ্য, তাই মামলাটি বিচারাধীন। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম নির্দেশের পর সিবিআই আজ, বুধবার ফের শাহজাহানকে নিজেদের হেফাজতে নিতে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Shajahan: ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! ইডির তালিকায় শাহজাহানের কোন কোন জমি?

    Sheikh Shajahan: ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত! ইডির তালিকায় শাহজাহানের কোন কোন জমি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shajahan) ১২.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সন্দেশখালি, সরবেরিয়া এবং কলকাতায় রয়েছে সে সব জমি, ফ্ল্যাট, ভেড়ি রয়েছে। মঙ্গলবারই সন্দেশখালি (Sandeshkshli) মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ইডি (ED) জানিয়েছে, তহবিল তছরুপ প্রতিরোধ আইন বা পিএমএলএ-র (PMLA) আওতায়, ‘প্রভিশনালি’, অর্থাৎ, অস্থায়ীভাবে এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    ইডির নজরে কোন কোন জায়গা

    মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইডি (ED) জানিয়েছে, বিভিন্ন অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ, বিভিন্ন অস্থাবর সম্পত্তির আকারে লুকিয়ে রেখেছে শাহজাহান (Sheikh Shajahan)। এর মধ্যে ১৪টি স্থাবর সম্পত্তি এবং আরও কিছু অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে। ১৪টি স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে সরবেড়িয়া গ্রাম, সন্দেশখালি (Sandeshkshli) এবং কলকাতায় থাকা শাহজাহানের অ্যাপার্টমেন্ট, কৃষিজমি, মৎস্য চাষের জমি, বসত এলাকার জমি ও ভবন ইত্যাদি। এছাড়া, শাহজাহানের দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও ‘অ্যাটাচ’ করা হয়েছে। রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় বেশ কিছুদিন ধরেই ইডির আতসকাঁচের নীচে ছিলেন শাহজাহান। তাঁর বিপুল সম্পত্তি র খোঁজও চলছিল। গত ৫ জানুয়ারি রেশন ‘দুর্নীতি’ মামলায় সন্দেশখালিতে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল ইডি। সেখানে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলা হয়েছিল। 

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃণমূল আর বেশিদিন থাকবে না’’, ইস্তফা দিয়েই হুঙ্কার অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    ইডির (ED) উপর হামলা, রেশন কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত থাকা ছাড়াও শাহজাহান (Sheikh Shajahan) ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি (Sandeshkshli) এলাকায় জোর করে জমিদখল, মহিলাদের উপর যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। গত বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেফতারের পর, রাজ্য পুলিশের হেফাজতেই আছেন তিনি। মঙ্গলবারই, কলকাতা হাইকোর্ট শাজাহানকে সিবিআই-এর কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে। এই রায়ের বিরুদ্ধে জরুরি শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। তাই মঙ্গলবার বিকেলে শাহজাহানকে হেফাজতে নিতে ভবানী ভবনে পৌঁছেও সন্দেশখালির বাঘকে ছাড়াই ফিরে যেতে হয় সিবিআইকে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share