Tag: Sheikh Shahjahan

Sheikh Shahjahan

  • Sandeshkhali: তলব সত্ত্বেও আসেননি, সন্দেশখালির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে ফের নোটিস সিবিআইয়ের

    Sandeshkhali: তলব সত্ত্বেও আসেননি, সন্দেশখালির পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে ফের নোটিস সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহানকে হেফাজতে নেওয়ার পর থেকেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) একাধিকবার সিবিআই হানা দিয়েছে। শাহজাহান বাহিনীর অনেককেই গ্রেফতার করা হয়েছে। শাহজাহানের ভাই আলমগীরও সিবিআইয়ের হেফাজতে রয়েছে। এই আবহের মধ্যে শুক্রবার ফের সিবিআই হানা দিল সন্দেশখালিতে। এবার আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা আব্দুল আলিম মোল্লার বাড়িতে নোটিস দিল সিবিআই। হাজিরার জন্য ফের ডাক পড়েছে আব্দুল আলিমের।

    কে এই আব্দুল আলিম? (Sandeshkhali)

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিসারদের একটি টিম প্রথমে গিয়েছিল সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ন্যাজাট থানায়। তারপর সেখান থেকে আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতে যান সিবিআই অফিসাররা। প্রসঙ্গত, এই আব্দুল আলিমকে  তৃতীয়বার নোটিস দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির ওপর হামলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে নিজামে ডাকছে সিবিআই। কিন্তু আগের দু’বারের নোটিসের পরও হাজিরা দেননি তিনি। এবার ফের নিজাম প্যালেসে হাজিরার জন্য তৃতীয় দফায় আব্দুল আলিমের বাড়িতে নোটিস পাঠাল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আব্দুল আলিম নামে এই ব্যক্তি পেশায় ব্যবসায়ী। তবে, তাঁর স্ত্রী আগারহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতির তদন্তে সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছিলেন ইডির অফিসাররা। কিন্তু, ইডির অফিসাররা সেদিন শাহজাহানের বাড়িতে ঢোকা তো দূরে থাক, উল্টে এক তীব্র জনরোষের মুখে পড়েছিলেন ইডির অফিসাররা। তারপর থেকেই এলাকা থেকে দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছে শাহজাহান। এবার ইডি হামলার ঘটনায় বাকি জড়িতদের খোঁজেই বার বার হানা দিচ্ছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের পর শাহজাহানকে জেরা করতে চায় ইডি-ও, কোর্টে আবেদন আজই?

    পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার ঘটনায় ঠিক কী হয়েছিল, সেই নিয়ে এবার তদন্তে নেমেছে অপর কেন্দ্রীয় এজেন্সি সিবিআই। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আব্দুল আলিমকে প্রথমে ১৩ মার্চ নোটিস দিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু, সেই নোটিসে হাজিরা দেননি তিনি। এরপর ফের দ্বিতীয় নোটিস পাঠানো হয় সিবিআইয়ের তরফে। তারপরও নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে দেখা যায়নি তাঁকে। কী কারণে বার বার হাজিরা এড়াচ্ছেন এই ব্যক্তি? আব্দুল আলিমের পরিবারের অবশ্য বক্তব্য, ওই ব্যক্তি শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাই যেতে পারছেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: রেখা পাত্র বিজেপি-র প্রার্থী হতেই বক্স বাজিয়ে রং খেলায় মাতলেন সন্দেশখালিবাসী

    Sandeshkhali: রেখা পাত্র বিজেপি-র প্রার্থী হতেই বক্স বাজিয়ে রং খেলায় মাতলেন সন্দেশখালিবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) নারী নির্যাতন নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন। শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে পথে নেমে আন্দোলন করেছিলেন। সেই প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে বসিরহাট লোকসভায় প্রার্থী করে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে বিজেপি। রেখা পাত্র প্রার্থী ঘোষণা হতেই সন্দেশখালিতে রবিবার রাত থেকে রং খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    সাউন্ড বক্স বাজিয়ে উৎসবে মেতে ওঠেন সন্দেশখালিবাসী (Sandeshkhali)

    গত কয়েকমাস ধরে জ্বলছে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। সেখানকার দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তবে ভয়ে মুখ খোলার সাহস ছিল না কারও। পরবর্তীতে ইডি হানাকে কেন্দ্র করে খানিকটা বিপাকে পড়েন শেখ শাহজাহান। বাধ্য হন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করতে। কিন্তু, শাহজাহানের শাগরেদরা তখনও রীতিমতো নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ। এক পর্যায়ে এই দ্বীপ এলাকার বাসিন্দাদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। জনরোষ ব্যাপক আকার নেয়। রেখা পাত্রের নেতৃত্বে পথে নেমে আন্দোলন করেন মহিলারা। লোকসভায় এই সন্দেশখালিকে শাসকদলের বিরুদ্ধে হাতিয়ার করে বিজেপি। প্রতিবাদী মুখ রেখার ওপর আস্থা রাখে পদ্মশিবির। আর তারপরই সন্দেশখালির বাসিন্দারা আনন্দে মেতে ওঠেন। রং খেলায় সামিল হন। সন্দেশখালির পুকুরপাড়ায় এদিন সকাল থেকে জোরে সাউন্ড বক্স বাজিয়ে মহিলাদের নাচ গান চলছে। রং খেলায় মেতে ওঠেন সকলে। তাঁরা বলছেন, “রেখা পাত্র প্রার্থী হয়েছেন। তাই খুশিতে নাচছি। আমাদের গর্ব যে সন্দেশখালির আন্দোলনকারী মহিলা প্রার্থী হয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: তমলুকে প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে প্রার্থী করে বড় চমক দিল বিজেপি

    ১৩ বছর হোলি খেলা হয়নি!

    বিজেপি প্রার্থী রেখা বলেন, “সন্দেশখালিতে রবিবার রাত থেকেই রং খেলা শুরু হয়ে গিয়েছে। ১৩ বছর ধরে আমি যে হোলি খেলা চোখে দেখতে পাইনি, সেই হোলি খেলা দেখলাম।”কেন এত বছর রং ছিল না সন্দেশখালিতে? বিজেপি প্রার্থী রেখার কথায়, “আমাদের সন্দেশখালির পরিস্থিতিটাই এমন ছিল। কেউ সাহসই পাননি রাস্তায় বেরিয়ে হোলি খেলবেন। মা বোনেদের বুকে সেই সাহসই ছিল না। এই আন্দোলনের পর সেই সাহসটা বেরিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ইডি হামলার তদন্তে সন্দেশখালিতে ফের সিবিআই, মুদি ব্যবসায়ীকে আটক

    Sandeshkhali: ইডি হামলার তদন্তে সন্দেশখালিতে ফের সিবিআই, মুদি ব্যবসায়ীকে আটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ফের সিবিআই হানা দেয়। ইডি হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ধৃত দুই অভিযুক্তকে সঙ্গে করে সিবিআই দল সন্দেশখালিতে পা রাখেন। সঙ্গে ছিলেন ইডি হামলার সময় উপস্থিত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। রবিবার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় শাহজাহান শেখের নামাঙ্কিত বাজারে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা। সেখানে দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

    মুদি ব্যবসায়ীকে আটক করল সিবিআই (Sandeshkhali)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) সরবেড়িয়া হানা দেয় সিবিআই। সেখানে শাহাবুদ্দিন মোল্লা নামে এক মুদি দোকানের মালিককে বেশ কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে আটক করে গাড়িতে তুলে নেয় সিবিআই। তার পর সিবিআইয়ের ওই দল চলে যায় সরবেড়িয়ায় ‘শেখ শাহজাহান মার্কেট’-এ। সেখানকার দোকানদারদের সঙ্গে সিবিআই আধিকারিকরা কথা বলেন। জানা গিয়েছে, মুদি দোকানদারের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ ধরে কথা বলার পর  গাড়িতে তুলে বেরিয়ে যায় সিবিআই। সিবিআইয়ের একটি গাড়ি কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয়। আর একটি দল সন্দেশখালির বাজারে ‘শেখ শাহাজাহান মার্কেট’ ঘুরে ঘুরে দোকানদারের সঙ্গে কথা বলে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের সঙ্গে রয়েছেন গত ৫ জানুয়ারি ইডির সঙ্গে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর কয়েক জন জওয়ানও। তাঁদের সঙ্গে নিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা এলাকায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপি প্রার্থীর গাড়িতে হামলা, কর্মীদের মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    ইডি হামলার তদন্তে ফের সন্দেশখালিতে সিবিআই

    রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে গত ৫ জানুয়ারি তৎকালীন তৃণমূল নেতা শাহজাহানের বাড়িতে যায় ইডি। কিন্তু, সেখানে তাদের উপর আক্রমণ করা হয়। ইডির পাঁচ সদস্যের মধ্যে তিন জন জখম হন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়। এমনকী, ইডি আধিকারিকদের ল্যাপটপ, মোবাইল এবং নগদ টাকা কেড়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। আক্রমণের অভিযোগ ওঠে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ এবং অনুগামীদের বিরুদ্ধে। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের ইডির ওপর হামলার মামলা হাতে নিয়ে এ পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। ইতিমধ্যে শাহজাহান ও তাঁর ভাই সহ ঘনিষ্ঠরা রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আর কারা রয়েছে তা জানতেই ফের সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মানুষের অধিকার ফেরাতে বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কার ক্যাম্পে ব্যাপক সাড়া

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মানুষের অধিকার ফেরাতে বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কার ক্যাম্পে ব্যাপক সাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে শিবির করে জনজাগরণের কাজ করছেন বিজেপির নেত্রী আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা ট্রিব্রেওয়াল। উল্লেখ্য গত সপ্তাহে শিবির করেছেন তিনি। ফের একবার আজ শনিবার আইনি সহায়তা দিতে সামাজিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠে একটি ক্যাম্প করেন। এলাকার শত শত মানুষ নিজেদের অভিযোগের কথা জানিয়েছেন এই ক্যাম্পে। তাদের এইসব অভিযোগ তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে। এলাকার মানুষ নিজেদের অভিযোগ জানিয়ে সমস্যার দ্রুত সমাধান চেয়েছেন। 

    এলাকায় তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান-শিবু-উত্তম-সিরাজদের দৌরাত্ম্যে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল। জোর করে জমি দখল, বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন থেকে শুরু করে সম্পত্তি দখল, এককথায় সব কিছু করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও এলাকার মানুষ কোনও সমস্যার সমাধান পাননি। এবার এই বিজেপি নেত্রীর ক্যাম্পে এলাকার মানুষের নিজেদের অভিযোগ জানিয়েছেন। ফলে লোকসভার আগে এই এলাকার হওয়া যে ঘুরছে, সেই কথা রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন। 

    ক্যাম্পে ছিলেন ২০ জন আইনজীবী (Sandeshkhali)

    গতকাল ফের সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিজেপি নেত্রী আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা ট্রিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে ২০ জন আইনজীবী এই ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন। এই ক্যাম্পে সন্দেশখালির সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অভিযোগ সংগ্রহ করেন তাঁরা। সারা দিনে এই ক্যাম্পে প্রচুর মানুষ নিজেদের অভিযোগ লিখিয়েছেন। এলাকার মানুষ ছোট ছোট টোকেন লিখে ক্যাম্পে এসে লাইন দিয়েছেন। এই শিবিরকে ঘিরে মানুষের এখন ব্যাপক আশা। 

    আরও পড়ুনঃ দেবের সামনেই ভোটের প্রচারে তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল গোন্ডগোল

    কী বললেন প্রিয়াঙ্কা?

    আজ শনিবার এই ক্যাম্পে প্রচুর মানুষ ভিড় জমান। যাঁরা যাঁরা অভিযোগ জানিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে সকলেরই জমি তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sandeshkhali) জোর করে দখল করে নিয়েছে। এখনও বহু জমি তৃণমূল নেতাদের দখলেই। এই ক্যাম্পে প্রিয়াঙ্কা বলেন, “এই সমস্ত অভিযোগ কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা আকারে জমা করা হবে। এখানকার মানুষের প্রধান ভরসাস্থল হলাম আমরা। আমরা মানুষের অধিকার নিয়ে শেষ পর্যন্ত লড়াই করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “শাহজাহানের ঘনিষ্ঠরা অত্যন্ত প্রভাবশালী”, আদালতে বললেন সিবিআই-এর আইনজীবী

    Sandeshkhali: “শাহজাহানের ঘনিষ্ঠরা অত্যন্ত প্রভাবশালী”, আদালতে বললেন সিবিআই-এর আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআই হেফাজত শেষ হওয়ায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ঘটনার মূল অভিযুক্ত শাহজাহান শেখ ও তাঁর ভাই শেখ আলমগীর- সহ নয় জন অভিযুক্তকে তোলা হয় বসিরহাট মহকুমা আদালতে। এরপর সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে শেখ শাহজাহান, মেহেবুর মোল্লা ও সুকমল সর্দারকে আরও ছ’ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানানো হয়। তবে সিবিআইয়ের এই আবেদনের বিরোধিতা করে জামিনের দাবিতে  আবেদন করেন অভিযুক্তদের আইনজীবীরা।

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী? (Sandeshkhali)

    জামিনের ঘোর বিরোধিতা করে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, ‘জিয়াউদ্দিন মোল্লা, দিদার বক্স মোল্লা, ফারুক আকুঞ্জি,শেখআলমগীর, সিরাজুল মোল্লারা শেখ শাহজাহানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ওদেরও সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। জামিনে ছাড়া পেলে মামলার নথি, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হতে পারে।’ এরপর বিচারক শেখ শাহজাহান, মেহেবুর মোল্লা ও সুকমল সরদারকে আরও ছ’ দিন সিবিআই হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। এছাড়াও দিদার বক্স মোল্লা ও জিয়াউদ্দিন মোল্লার চার দিনের সিবিআই হেফাজত, শেখ আলমগীর ও মাফুজার মোল্লার ন’ দিনের সিবিআই হেফাজত ও বাকি অভিযুক্তদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বসিরহাট মহকুমা আদালতের বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার, শোরগোল

    শাহজাহানকে হেফাজতে নেওয়ার পরই ঘনিষ্ঠদের গ্রেফতার করে সিবিআই

     গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। বসিরহাট আদালত তাঁকে ১০ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। সিআইডি-র হেফাজতে ছিলেন তিনি। পরে কলকাতা হাইকোর্ট শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে বলে। হিসাব মতো, শাহজাহানকে হেফাজতে পাওয়ার পরেই সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে তৎপর হয়েছে সিবিআই। পর পর দু’দিন তারা সন্দেশখালিতে গিয়েছে। তার মধ্যে দ্বিতীয় দিন শাহজাহানের বাড়ি, বাজার, অফিসে তল্লাশিও চালানো হয়েছে। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিবিআই সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকা কার্যত চষে ফেলেছে। এমনকী, ডুগরিপাড়া গ্রামে শাহজাহান-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে সিবিআই হানা দেয়। এরপরই শাহজাহানের ভাই আলমগীর সহ বাকি অভিযুক্তদের ইডি হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ভারতী ঘোষের নেতৃত্বে বিক্ষোভ, শাহজাহানের ফাঁসির দাবি

    Sandeshkhali: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ভারতী ঘোষের নেতৃত্বে বিক্ষোভ, শাহজাহানের ফাঁসির দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। বিজেপির মহিলা মোর্চার মিছিলকে ঘিরে উত্তেজনা। জেলিয়াখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের লাল কাছারি এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন এলাকার মহিলারা। আজ হাইকোর্টের নির্দেশে পরিদর্শনে যান বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন পুলিশকর্মী ভারতী ঘোষ। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। তাঁদের সামনে রেখে এলাকার মানুষ এদিন আন্দোলনে শামিল হন। শাহজাহানের ফাঁসি চেয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন এলাকার মানুষ। 

    টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষের অভিযোগ, মানুষের জমি জোর করে দখল করে নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বেছে বেছে হিন্দু মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করত তৃণমূলের নেতারা। রাত ১২ টার সময় এলাকার বাড়ির বউদের দিনের পর দিন পার্টি অফিসে আটকে রেখে তৃণমূল নেতাদের সব রকম চাহিদা মেটাতে বাধ্য করা হত। এই অত্যাচারের প্রধান মাথা ছিলেন শেখ শাহজাহান। তাঁর সঙ্গে ছিল শিবু-উত্তম-সিরাজ-আলমগীর সহ আরও অনেক নেতা। একই ভাবে জোর করে চাষের জমি দখল করে নিয়ে মাছের ভেড়ি তৈরি করেছেন এই তৃণমূল নেতারা। প্রতিবাদে আজ এলাকার মানুষ রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান। আজ এই আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেয় বিজেপি। উত্তেজিত মানুষকে সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়োগ করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, অস্থায়ী ক্যাম্পে গিয়ে যেন সকলে নিজের নিজের অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়।

    ৫ জানুয়ারি ইডির উপর আক্রমণ

    গত ৫ই জানুয়ারি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডির আধিকারদের উপর আক্রমণ করে শেখ শাহজাহানের অনুগামীরা। ঘটনার ৫৬ দিনের পর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন শাহজাহান। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। উল্লেখ্য আজ সন্দেশখালির ঘটনায় শেখ শাহজাহান, শেখ আলমগীর, জিয়াউদ্দিন মোল্লা, মাফুজার মোল্লা, সিরাজুল মোল্লা সহ মোট ৯ জনকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহানকাণ্ডে সিবিআই হানা দিল ইটভাটায়, তল্লাশি ঘনিষ্ঠ মাছ ব্যবসায়ীর বাড়িতেও

    Sandeshkhali: শাহজাহানকাণ্ডে সিবিআই হানা দিল ইটভাটায়, তল্লাশি ঘনিষ্ঠ মাছ ব্যবসায়ীর বাড়িতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কাণ্ডে শাহজাহানের একের পর এক অনুগামীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। শাহজাহানের ভাই আলমগীর শেখকে কয়েকদিন আগেই সিবিআই গ্রেফতার করেছে। তাঁর সঙ্গে ইডি ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও দুজন তৃণমূল নেতাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এবার সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহানের সুতো কোথায় কোথায় গিঁট জড়িয়ে রয়েছে, সেই সন্ধানে নেমেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

    ইটভাটায় হানা সিবিআইয়ের (Sandeshkhali)

     ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার নেপথ্যে কী ছিল, সেই রহস্য উদঘাটনে আসরে নেমেছে সিবিআই। সেই সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার মিনাখাঁর এক ইটভাটায় হানা দিয়েছে সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। ইডির ওপর সেদিনের হামলার ঘটনায় এই ইটভাটারই এক কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের একটি টিম হানা দিয়েছে শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ এক মাছ ব্যবসায়ীর বাড়িতেও। ওইমাছ ব্যবসায়ীর নাম আলি হোসেন ঘরামি। সূত্রের খবর, ইডির ওপর হামলার ঘটনার তদন্তে নেমে সিবিআই-এর আতস কাচের তলায় রয়েছেন এই ব্যক্তিও। উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি ইডির তদন্তকারী অফিসারদের একটি টিম গিয়েছিল সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায়। রেশন দুর্নীতিরঅভিযোগের তদন্তে। গন্তব্য ছিল, সন্দেশ (Sandeshkhali) খালির শেখ শাহজাহানের বাড়ি। সেদিন শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকতে পারেনি ইডি। তার আগেই এক তীব্র জনরোষের মুখে পড়তে হয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারদের। আক্রান্ত হয়েছিলেন ইডির অফিসাররা। মাথা ফেটেছিল। রক্ত ঝরেছিল। সেদিন থেকেই এলাকা থেকে বেপাত্তা ছিল শেখ শাহজাহান। দীর্ঘদিন অধরা থাকার পর অবশেষে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং তার ওপরে ইডির ওপর হামলার ঘটনার তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে।

    আরও পড়ুন: মন্দিরে পুজো দিয়ে অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন নিশীথ

    শাহজাহান নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আসরে নেমেছে সিবিআই

    শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর ঘনিষ্ঠদের গ্রেফতারের দাবিতে পথে নামেন সন্দেশখালিবাসী (Sandeshkhali)। দুদিন আগেই দুই তৃণমূল নেতাকে তাড়়া করে ঘরবন্দি করে দেন এলাকাবাসী। ইডি-র ওপর হামলার ঘটনার তদন্তে নেমেই একের পর এক তথ্য উঠে আসছে সিবিআই-এর তদন্তকারী দলের হাতে। সেদিন থেকে কোথায় কোথায় গা ঢাকা দিয়েছিল শাহজাহান? কারাই বা তাকে সাহায্য করেছিল গা ঢাকা দিতে? সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আসরে নেমেছে সিবিআই- এর টিম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: টায়ার জ্বালিয়ে ফের বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে, উঠল তিন তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবি

    Sandeshkhali: টায়ার জ্বালিয়ে ফের বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে, উঠল তিন তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর শেখ সহ তিনজনকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। সেই গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রবিবার ফের সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর বাজারের রাস্তায় নেমে আন্দোলন করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আরও তিনজন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন তাঁরা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন আন্দোলনকারীরা।

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তিন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি (Sandeshkhali)

    ইডি-র ওপর হামলার পর বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিলেন শাহজাহান। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। জমির জবরদখল থেকে শুরু করে মহিলাদের নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ এবং তাঁর শাগরেদদের গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমেছিলেন সন্দেশখালির মহিলারা। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানের গ্রেফতারির পর সেই আন্দোলন কিছুটা থিতিয়েছিল। পরে গ্রেফতার করা হয়েছিল শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ, সরবেড়িয়ার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জিয়াউদ্দিন মোল্লা, ফারুক আকুঞ্জি এবং দিদার বক্স মোল্লাকেও। শনিবার শাহজাহানের ভাই আলমগীর শেখ এবং শাহজাহানের আরও দুই সঙ্গী মাফুজার মোল্লা এবং সিরাজুল মোল্লা গ্রেফতার হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। এই পরিস্থিতিতেই রবিবার সন্দেশখালির বেড়মজুরে নতুন করে শুরু হয় বিক্ষোভ। এদিন যে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছেন গ্রামবাসীরা, তাঁরা হলেন, বেড়মজুর দুই নম্বরে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাজি সিদ্দিক মোল্লা, তৃণমূল নেতা হাশেম মোল্লা এবং জুলফিকার মোল্লা। এঁদের বিরুদ্ধেও জমিদখল এবং মানুষের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেকেই শাহজাহান ঘনিষ্ঠ। এলাকায় রয়েছেন তাঁরা। তাঁদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।

    বসিরহাট আদালতে তোলা হল আলমগীরকে

    অন্যদিকে, শনিবার শাহজাহানের ভাই আলমগিরকে গ্রেফতার করার পর রবিবার তাঁকে বসিরহাট আদালতে তোলে সিবিআই। তাঁর সঙ্গে আনা হয় শাহজাহানের আরও দুই সঙ্গী মাফুজার মোল্লা এবং সিরাজুল মোল্লাকে। এঁদেরকে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হওয়া হামলা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই মামলার সূত্রেই আদালতে তোলা হয় তাঁদের।

    বিজেপি-র শিবির সন্দেশখালিতে

    শনিবার থেকেই বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষের অভিযোগ নেওয়ার শিবির শুরু হয়েছে। শনিবার শিবিরের প্রচুর মানুষ অভিযোগ জানাতে ভিড় করেছিলেন। রবিবারও সন্দেশখালির ত্রিমোহিনী এলাকায় শুরু হয় অভিযোগ গ্রহণ শিবির। প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও সেখানে রয়েছেন ২০ জন আইনজীবীর প্রতিনিধিদল। এদিনও ভিড় বাড়তে শুরু করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে শাহজাহানের ভাই আলমগীরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল সিবিআই

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিকাণ্ডে শাহজাহানের ভাই আলমগীরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডি-র ওপর হামলার ঘটনায় ক্রমশ চাপ বাড়াচ্ছে সিবিআই। আগেই শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। পরে, সন্দেশখালিতে একাধিকবার হানা দেন সিবিআই আধিকারিকরা। শাহজাহানের আত্মীয় ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের নোটিশ ধরিয়েছিল সিবিআই। নোটিশ পেয়ে শনিবার সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগীর ও তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ সহ ১৫ জন বাসিন্দা। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর আলমগীর সহ শাহজাহানের আরও দুই ঘনিষ্ঠকে গ্রেফতার করা হয়।

    ৯ ঘণ্টা জেরার পরই গ্রেফতার শেখ আলমগীর (Sandeshkhali)

    গত ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন শেখ শাহজাহান। শাহজাহানকে বিভিন্ন জায়গায় গা ঢাকা দিয়ে থাকার ক্ষেত্রে সাহায্য করেছিলেন তাঁর ভাই শেখ আলমগীর। এমনই আশঙ্কা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেশখালি (Sandeshkhali) গিয়ে সিবিআই কর্তারা গত বৃহস্পতিবার অফিসে হাজিরার জন্য আলমগীরের বাড়িতে নোটিশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, তিনি হাজিরা দেননি। এরপর শুক্রবার ফের নোটিশ পাঠানো হয়েছিল তাঁকে। শনিবার বেলা ১১টার সময় হাজিরার জন্য বলা হয়েছিল। সেই মতো শনিবার সকালে সিবিআই অফিসে পৌঁছান আলমগীর। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদের পর্ব। দীর্ঘ ৯ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগীরকে গ্রেফতার করে সিবিআই। ইডির তদন্তকারী দলের ওপর হামলার ঘটনার তদন্তে এদিন মোট ১৫ জনকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল সিবিআই-এর অফিসে। সেই তালিকায় ছিলেন সন্দেশখালি ব্লকের তৃণমূল ছাত্র পরিষেদের প্রেসিডেন্ট মাফুজার মোল্লা ও অপর এক তৃণমূল নেতা সিরাজুল মোল্লাও।

    ইডি হামলায় যোগ মিলল শাহজাহান ঘনিষ্ঠের

    গত ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার সময় উন্মত্ত জনতাকে সংঘবদ্ধ করার ক্ষেত্রে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রেসিডেন্ট মাফুজার মোল্লা ও অপর এক তৃণমূল নেতা সিরাজুল মোল্লার ভূমিকা ছিল বলে সন্দেহ সিবিআই কর্তাদের। সূত্রের খবর, এই মাফুজার মোল্লা ও সিরাজুল মোল্লা উভয়েই শেখ শাহজাহানের যথেষ্ট ঘনিষ্ঠ ছিল। হামলার ঘটনায় তাঁদের যোগ সূত্র ধরেই তাঁদের ডাকা হয়েছিল সিবিআই অফিসে। তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিসাররা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেন। কিন্তু, উত্তর সন্তোষজনক না হওয়ায় এই দুজনকেও গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মানুষের অভিযোগ শুনতে বিজেপি-র শিবির

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে মানুষের অভিযোগ শুনতে বিজেপি-র শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন শাহজাহান এবং তাঁর বাহিনী। তাঁদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। এর আগে পুলিশের কাছে বহুবার অভিযোগ জানাতে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল বাসিন্দাদের। পরে, সন্দেশখালিতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হলে গ্রামে ক্যাম্প করেছিল পুলিশ। এবার বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে হাইকোর্টের আইনজীবীরা সন্দেশখালিতে শিবির করলেন।

    শিবিরে অভিযোগ জানাতে ভিড় (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালিবাসীর অভিযোগ জানতে শিবির করতে চেয়ে কিছুদিন আগে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিল বিজেপি। আদালতের নির্দেশে এই শিবির করছেন প্রিয়ঙ্কারা। মূলত শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে জমি দুর্নীতি-সহ বিভিন্ন অভিযোগ জানতে শিবির করল বিজেপি। কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী তথা বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা টিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে ২০ জন আইনজীবী সন্দেশখালির (Sandeshkhali) আগারাটি বিটপোল বাজার এলাকায় শিবির করেছেন। শনিবার সকাল থেকে সেই শিবিরে ভিড় দেখা গিয়েছে। কারও অভিযোগ সরাসরি সন্দেশখালির সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল নেতা শাহজাহানের বিরুদ্ধে। কারও আঙুল শাহজাহানের ঘনিষ্ঠদের দিকে।

    কী বললেন বিজেপি নেত্রী?

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) জমি দুর্নীতি থেকে নারী নির্যাতনের নানা অভিযোগ উঠে এসেছে। জমি সংক্রান্ত অভিযোগ জানতে রাজ্য সরকারের ভূমি রাজস্ব দফতরের তরফেও শিবির হয়েছে সন্দেশখালিতে। অভিযোগ জানতে দুয়ারে সরকার শিবিরের মতো মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়েও অভিযোগ-অনুযোগ নথিবদ্ধ করেছেন সরকারি কর্মীরা। রাজ্যের শাসকদলের তরফে বলা হয়েছে, অভিযোগ প্রমাণিত হলে পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। এই প্রেক্ষিতে বিজেপিও শিবির করল সন্দেশখালিতে। বিজেপি নেত্রী প্রিয়ঙ্কা বলেন, “ভোট পরবর্তী হিংসার সময়ও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম আমরা। সন্দেশখালিতে ঠিক কী কী অভিযোগ রয়েছে, তা আমরা দেখতে চাই। বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক আসছেন। তাঁদের বিশ্বাস যে, আমরা তাঁদের জন্য কিছু করব।”

    শাহজাহানের সন্ত্রাস নিয়ে মুখ খুললেন এক বাসিন্দা

    শনিবার ওই শিবিরে পৌঁছে নানা অভিযোগ করছেন গ্রামবাসীরা। তবে বেশির ভাগই জমি দখলের অভিযোগ। মালতি মাহালি নামে এক মহিলা বলেন, ২০১৭ সালে আমাদের একটি জমি দখল করে নেন শাহজাহানের অনুগামীরা। আমার স্বামী দুলাল মাহালি সেই জমি উদ্ধার করতে শাহজাহানের কাছে গিয়েছিলেন। তখন তাঁকে বলা হয়েছিল ট্যাংরামারি স্কুলে দেখা করতে। কিন্তু, তারপর আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। ওই মহিলার অভিযোগ, স্বামীর খোঁজে একাধিক বার শাহজাহানের কাছে গিয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানায় অভিযোগও করেছিলেন। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এদিন ফের অভিযোগ করলাম এই শিবিরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share