Tag: Sheikh Shahjahan

Sheikh Shahjahan

  • Sandeshkhali: শাহজাহানের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত, গোডাউনে সারি সারি গাড়ির হদিশ

    Sandeshkhali: শাহজাহানের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত, গোডাউনে সারি সারি গাড়ির হদিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকালেই বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয় শেখ শাহাজাহানকে। এদিন বিকালে আট দিনের জন্য সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল বসিরহাট মহকুমা আদালত। শেখ শাহজাহানকে ঘনিষ্ঠ বাকি সাতজনকে পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল বসিরহাট মহকুমা আদালত। পাশাপাশি এদিন ফের সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ায় অভিযান চালায় ইডি। সেখানে একটি গোডাউনে সারি সারি গাড়ির হদিশ পায় ইডি। সন্দেশখালিতে শাহজাহানের মাছের ডেরায় হানা দেয় ইডি।

     গোডাউনে মিলল সারি সারি গাড়ি (Sandeshkhali)

    গরু পাচারকাণ্ডে ধৃত অনুব্রত মণ্ডলের ডেরায় হানা দেওয়ার সময় এরকম একাধিক গাড়ির সন্ধান পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সরবেড়িয়ায় সন্ধান মিলল গাড়ির গোডাউনের। শাহজাহানের রাজনৈতিক গুরু মসলিন শেখ হচ্ছেন ওই গোডাউনের মালিক। গাড়ির গোডাউনের মধ্যে রয়েছে চারটি গাড়ি, তার মধ্যে শেখ শাহজাহান ও শেখ আলমগীরের গাড়িও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চারটি গাড়ির মধ্যে রয়েছে একটি হুডখোলা গাড়িও। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গাড়ির এই গোডাউনের মালিক মসলিন শেখের হাত ধরেই রাজনীতিতে আসেন শেখ শাহজাহান। সেই মসলিন শেখের গোডাউনেই এই বিলাসবহুল গাড়িগুলির সন্ধান পান ইডির অফিসাররা। এদিন সকাল থেকেই সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় অভিযান চালাচ্ছে ইডির তদন্তকারী দল। শাহজাহানের মাছের যে কারবার ছিল, সেই ডেরায় এদিন ইডি হানা দেয়। বেশ কিছু তথ্য পায়।

    আরও পড়ুন: পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি ছুটেছিলেন শাহজাহান, উত্তম ও শিবুদের বাঁচাতে, বিস্ফোরক অর্জুন

    গুপ্তধনের সন্ধানে ইডি!

    এই গাড়ির গোডাউনটির চাবি পেতে গিয়েও শুরুতে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল ইডির। পরবর্তীতে ওই গোডাউন সংলগ্ন একটি দোকান থেকে সেই চাবি পান ইডির অফিসাররা এবং গোডাউন খুলতেই বেরিয়ে আসে একের পর এক সারিবদ্ধ গাড়ি। কিন্তু, কী কারণে এই গাড়িগুলিকে লোকচক্ষুর আড়ালে রেখে দেওয়া হয়েছিল সেই বিষয়টি এখনও স্পষ্ট নয়। এগুলি কি শুধুই গাড়ি, নাকি এর মধ্যে কোনও গোপন নথি-পত্রেরও খোঁজ পাওয়া যেতে পারে? আপাতত সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে গুপ্তধনের সন্ধান চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসাররা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি ছুটেছিলেন শাহজাহান, উত্তম ও শিবুদের বাঁচাতে, বিস্ফোরক অর্জুন

    Arjun Singh: পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি ছুটেছিলেন শাহজাহান, উত্তম ও শিবুদের বাঁচাতে, বিস্ফোরক অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। রাতেই দিল্লির উদ্দেশে তিনি রওনা দেবেন। তার আগেই বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। সন্দেশখালির শাহজাহানের সঙ্গে পার্থর সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। আর নৈহাটিতে ইডি অভিযান হবে বলেও ইঙ্গিত দিলেন বারাকপুরের সাংসদ।

    পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে শাহজাহান যোগ! (Arjun Singh)

    সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার আকুঞ্জপাড়ায় বিঘার পর বিঘা জমি, একের পর এক ভেড়ি, প্রাসাদোপম বাড়ি রয়েছে শেখ শাহজাহানের। এটা সকলের কমবেশি জানা। ইডি-র ওপর হামলার ঘটনায় সিবিআইয়ের হেফাজতে রয়েছেন তিনি। সিবিআই হেফাজতে থাকা সন্দেশখালির সেই শেখ শাহজাহানের প্রসঙ্গ টেনে অর্জুন (Arjun Singh) বলেন, “নৈহাটিতে সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানের বিঘার পর বিঘা জমি কেনা রয়েছে। পার্থ ভৌমিক সন্দেশখালি ছুটেছিলেন শেখ শাহজাহান, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরাদের বাঁচাতে। ওদের সম্পত্তির সঙ্গে বিধায়ক যুক্ত কিনা, সেটা দেখতে হবে। যতদুর জানি, মামুদপুর, পলাশী মাঝিপাড়া এবং জেটিয়া এলাকায় শাহজাহানের প্রচুর জমি রয়েছে। আর রাজারহাটে ১৩ বিঘা জমি শেখ শাহজাহানের সঙ্গে কার নামে রেজিস্টারি আছে তার প্রমাণ আর কিছুদিনের মধ্যেই দিয়ে দেবো। ২০২৪-এ লোকসভায় বিজেপি যদি আমাকে প্রার্থী করে তাহলে আমি ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝিয়ে দেব। “এরপরই তিনি বলেন, “নৈহাটিতে খুব শীঘ্রই ইডি আসছে। আপনারা দেখতে পাবেন।” তবে, ই়ডি নৈহাটিতে কোথায় যাবেন তা তিনি খোলসা করেননি। শাহজাহানের সঙ্গে আঁতাঁত রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও দাবি অর্জুনের।

    আরও পড়ুন: শাহজাহানের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত, গোডাউনে সারি সারি গাড়ির হদিশ

    কী বললেন পার্থ?

    নৈহাটির বিধায়ক পার্থ ভৌমিকই বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকেই বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন অর্জুন। কেন লোকসভা নির্বাচনে বারাকপুর কেন্দ্রের টিকিট দেওয়া হল না, তা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরেও দেন তিনি। অর্জুন (Arjun Singh) ফের বিজেপিতে প্রত্যাবর্তনের সিদ্ধান্তও নেন। আর তারপরই পার্থ ভৌমিকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুনের। যদিও পার্থ ভৌমিক অর্জুনের অভিযোগ উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “এতদিন কেন একথা বললেন না? আর দলের নির্দেশ মেনেই সন্দেশখালি গিয়েছিলাম।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: সন্দেশখালিতে ছেঁড়া হল সিবিআইয়ের দেওয়া নোটিশ, শোরগোল

    CBI: সন্দেশখালিতে ছেঁড়া হল সিবিআইয়ের দেওয়া নোটিশ, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনায় শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে নেওয়ার পর সন্দেশখালিতে একাধিকবার অভিযান চালিয়েছে সিবিআই (CBI)। শাহজাহান ঘনিষ্ঠদের জিজ্ঞাসাবাদও করেছে। সোমবার বিকেলে আকুঞ্জিপাড়া এলাকায় নোটিশ দিতে ঢুকেছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন ন্যাজাট থানার পুলিশকর্মীরাও। সেই সময়েই রহমান আকুঞ্জি নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে নোটিশ ধরাতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিসাররা। রহমান আকুঞ্জির বাড়ির এক সদস্য নোটিশটি গ্রহণ করলেও, পরক্ষণেই বাড়ির অপর এক সদস্য সেই গ্রহণ করা নোটিশ ছিঁড়ে ফেলেন। সিবিআই আধিকারিকদের সামনে এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: শাহজাহান ঘনিষ্ঠ সিরাজের গ্রেফতারের দাবিতে ফের অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (CBI)

    গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালি ইডি অভিযান চালানোর সময় শাহজাহান বাহিনী হামলা চালায়। ভাঙচুর করা হয় গাড়িও। বনগাঁয় ইডি হানার সময় সেখানেও হামলার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার ফের সিবিআই আধিকারিকরা সন্দেশখালি যান। সিবিআই (CBI)ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে আকুঞ্জিপাড়ায় রহমান আকুঞ্জি ও আবিবুর আকুঞ্জিকে নোটিশ দিতে গিয়েছিল সিবিআই-এর তদন্তকারী দল। মঙ্গলবার নিজাম প্যালেসে সন্দেশখালির ঘটনার সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয় তাঁদের। সেই সূত্র ধরেই তাঁদের বাড়িতে নোটিশ পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন সিবিআই-এর অফিসাররা। সিবিআই আধিকারিকরা নোটিশ দিতেই একজন নোটিশ ছিঁড়ে দেন। তবে, কেন সিবিআইয়ের দেওয়া নোটিশ ছিঁড়ে দিলেন তা নিয়ে তিনি কোনও কথা বলেননি। তবে, যিনি প্রথম নোটিশটি গ্রহণ করেছিলেন তিনি এই ঘটনায় বেশ বিব্রত হয়ে পড়েন। বাড়ির অপর সদস্য কী কাণ্ড ঘটিয়েছেন, তা বুঝতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে সিবিআই অফিসারদের কাছে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেন এবং নোটিশের অপর একটি কপি যাতে দেওয়া হয়, সেই অনুরোধ করেন। সেই মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে নোটিশের একটি প্রতিলিপি রহমান আকুঞ্জির পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নতুন করে আবার নোটিশ গ্রহণ করেন রহমান আকুঞ্জির বাড়ির সদস্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ইডির ওপর হামলা, সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ জিয়াউদ্দিন সহ ৩

    Sandeshkhali: ইডির ওপর হামলা, সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ জিয়াউদ্দিন সহ ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ইডি আধিকারিকদের উপর হামলার ঘটনায় আদালতের নির্দেশে শাহজাহান শেখ ও তাঁর প্রধান ২ শাগরেদ তথা শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দার— এই তিন জন রয়েছেন সিবিআই হেফাজতে। তবে সোমবার, ইডির উপর হামলার ঘটনায় প্রথম গ্রেফতারি করল সিবিআই। ধৃত শাহজাহান শেখের ‘ডান হাত’ বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা জিয়াউদ্দিন মোল্লা। জানা গিয়েছে, তিনি সরবেড়িয়া-আগরহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। এ ছাড়া গ্রেফতার করা হয়েছে দিদারবক্স মোল্লা এবং ফারুক আকুঞ্জি নামে শাহজাহানের আরও দুই শাগরেদকে। দিদারবক্স পেশায় নিরাপত্তারক্ষী বলে জানা গিয়েছে। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শাহজাহান মার্কেটে সে কাজ করত। তবে ফারুকের পেশা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

    সন্দেশখালিতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নোটিশ ধরায় সিবিআই

    মামলা হাতে পাওয়ার পর পরই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যান সিবিআই আধিকারিকরা। তখনই তাঁরা অভিযুক্তদের হাজিরার নোটিশ ধরান। সিবিআই বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী সঙ্গে নিয়ে প্রথমে ন্যাজাট থানার অন্তর্গত রাজবাড়ি ফাঁড়িতে পৌঁছায়। এরপর সন্দেশখালি থানার পুলিশকে নিয়ে সরবেড়িয়া-আকুঞ্জিপাড়ায় হাবিবুর রহমানের বাড়িতে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সে সময়ে বাড়িতে ছিলেন না হাবিবুর। সিবিআইয়ের নোটিশ ছিঁড়ে ফেলে দেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। অন্যদিকে, সিবিআই পৌঁছে যায় শাহজাহানের জামাই রানাবাবু লস্করের বাড়িতেও। কিন্তু সেখানে বাড়ি তালা বন্ধ থাকায় শুধু ছবি তুলে নিয়ে চলে যায় তারা। জিয়াউদ্দিন সহ ৭ জনকে সোমবার হাজির হওয়ার নোটিশ ধরানো হয়েছিল। সেই মতো সোমবার কলকাতায় সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন জিয়াউদ্দিন সহ বাকিরা। দীর্ঘ জেরা চলার পর, জিয়াউদ্দিন  এবং শাহজাহানের আরও ২ শাকরেদকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

    মঙ্গলবার কারা হাজিরা দিচ্ছে সিবিআই দফতরে

    এদিকে, তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার আরও বেশ কয়েকজনকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার যে তিনজনের সিবিআই দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা রয়েছে, তাঁদের মধ্যে দুজন হলেন হাবিবুর রহমান এবং বেড়মজুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাজি সিদ্দিকি মোল্লা। আপাতত শেখ শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়েছে সিবিআই। এবং সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। উল্লেখ্য, সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল ন্যাজাট থানায়। কোর্টের নির্দেশ মতো, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে এই মামলা চলে যায়, সিবিআই-এর হাতে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বসিরহাট আদালতে তোলা হল শাহজাহানকে, চারদিনের হেফাজত চাইল সিবিআই

    Sheikh Shahjahan: বসিরহাট আদালতে তোলা হল শাহজাহানকে, চারদিনের হেফাজত চাইল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বসিরহাট আদালতে তোলা হয় সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)। তবে, এদিন সিবিআইয়ের কনভয় যখন শাহজাহানকে নিয়ে বসিরহাটের পথে, সেই সময়েও উল্টো দিক থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের গাড়ি কলকাতার ব্রিগেডের দিকে যেতে দেখা গিয়েছে। এমনকী, সেই গাড়ির কারণে মাঝেমধ্যে থমকেও গিয়েছে শাহজাহানের কনভয়। পরে,বসিরহাট আদালতে তুলে সন্দেশখালির শাহজাহান শেখকে চার দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে চেয়েছে সিবিআই। তবে, আপাতত আদালতের পক্ষ থেকে রায়দান স্থগিত রাখা হয়েছে।

    কোনও কথা বলননি শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)

    ইডি-র ওপর হামলার প্রায় দুমাস ফেরার ছিলেন শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। মিনাখাঁ থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। এরপর বসিরহাট আদালতে তাঁকে তোলা হয়েছিল। সেই সময় পুলিশ তাঁকে স্পর্শ করার সাহস দেখায়নি। বাদশার মেজাজেই ছিলেন। সেবারও তিনি কোনও কথা বলেননি। তবে, জহর কোর্ট পরে সংবাদ মাধ্যমকে ভি চিহ্ন দেখিয়েছিলেন। তবে, সিবিআই তাদের হেফাজতে নেওয়ার পর এদিন বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। আদালতে পৌঁছে গাড়ি থেকে নামার সময়ে কোনও কথা বলেননি শাহজাহান। তাঁর হাত ধরেই তদন্তকারীরা আদালতে নিয়ে যান। শুনানি শেষে তাঁর আইনজীবী জানান, শাহজাহানকে আরও জেরা করে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করা প্রয়োজন- এই মর্মে তাঁর হেফাজতের আবেদন জানিয়েছিল সিবিআই। আদালত এখনও পর্যন্ত রায় দেয়নি।

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    শাহজাহানের সঙ্গীদের নোটিস দিল সিবিআই

    গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। বসিরহাট আদালত তাঁকে ১০ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিল। সিআইডি-র হেফাজতে ছিলেন তিনি। পরে কলকাতা হাই কোর্ট শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে বলে। হিসাব মতো, তিন দিন শাহজাহানকে হেফাজতে পেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। শাহজাহানকে হেফাজতে পাওয়ার পরেই সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে তৎপর হয়েছে সিবিআই। পর পর দু’দিন তারা সন্দেশখালিতে গিয়েছে। তার মধ্যে দ্বিতীয় দিন শাহজাহানের বাড়ি, বাজার, অফিসে তল্লাশিও চালানো হয়েছে। বিশাল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সিবিআই সন্দেশখালির সরবেড়িয়া এলাকা কার্যত চষে ফেলেছে। এমনকী, ডুগরিপাড়া গ্রামে শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ দু’জনের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। শাহজাহানের আট সঙ্গীকে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাতুড়ে চিকিৎসকের বাড়িতে সিবিআই হানা, ভাঙা হল ঘরের তালা

    CBI: শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাতুড়ে চিকিৎসকের বাড়িতে সিবিআই হানা, ভাঙা হল ঘরের তালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শাহজাহানের ডেরায় সিবিআই হানা দেয়। তাঁর ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে পৌঁচ্ছে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। এবার শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাতুড়ে চিকিৎসক শফিকুল মোল্লার বাড়িতে সিবিআই (CBI) হানা দেয়। সন্দেশখালির ডুগরিপাড়া গ্রামে ওই হাতুড়ে চিকিৎসকের বাড়ি। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। বাড়ির বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন আধিকারিকেরা। এর আগে ভুগরিপাড়া গ্রামের আরও একটি বাড়িতে গিয়েছিল সিবিআই। দিন আলি মোল্লা নামের ওই গ্রামবাসীর ছেলে শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। তাঁকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। তাঁর মোবাইলের খোঁজ করছিলেন গোয়েন্দারা। এর পর ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে তাঁরা যান হাতুড়ে চিকিৎসকের বাড়িতে।

    চিকিৎসকের ভা়ড়াটেদের জিজ্ঞাসাবাদ (CBI)

    কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে সন্দেশখালিতে ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। ওই ঘটনার অন্যতম মূল অভিযুক্ত শাহজাহান এখন তাদের হেফাজতে রয়েছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার দিনভর শাহজাহানকে জেরা করেছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। তার পরেই শুক্রে তাদের দল পৌঁছে গিয়েছে সেই শাহজাহানের ডেরায়। ডুগরিপাড়ার চিকিৎসকের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। তিনি পেশায় হাতুড়ে চিকিৎসক হলেও তাঁর বাড়ির দোতলায় একটি স্কুল চলে। স্কুলটির নাম সরবেড়িয়া ডুগরিপাড়া চাইল্ড অ্যাকাডেমি। এছাড়া ওই বাড়ির নীচের তলায় অনেক ভাড়াটে রয়েছেন। কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারেন, তাঁদের কেউ মুর্শিদাবাদ, কেউ দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে সন্দেশখালিতে এসেছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী বাইরে থেকে গোটা বাড়ি ঘিরে ফেলে। বাড়ির প্রত্যেকের পরিচয়পত্র যাচাই করা হয়। সিবিআইকে দেখে বাড়ির মহিলারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

    ঘরের তালা ভেঙেছে সিবিআই

    ডুগরিপাড়ার এই বাড়ির একটি ঘরের তালাও ভেঙেছে সিবিআই (CBI)। সেখানে তল্লাশি চালানো হয়। গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে শাহজাহান শেখের বাড়ির সামনে ইডির ওপর হামলার সময়ে এই বাড়ির কেউ উপস্থিত ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে, শফিকুল সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। চিকিৎসকের কন্যা বলেন, হঠাৎ করে ওরা আমাদের বাড়িতে ঢুকে পড়ে। আমি জানি না কেন ওঁরা এসেছেন। বাবা এখন বাড়িতে নেই। শাহজাহানকে এলাকার নেতা হিসাবে চিনি। আমাদের বাড়িতে তাঁর যাতায়াত নেই। ৫ জানুয়ারি ঘটনার দিন আমার বাবা বাড়িতেই ছিলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    Sandeshkhali: হামলার দিন শাহজাহানকে তিনি ফোন করেছিলেন, আগেভাগেই স্বীকার তৃণমূল বিধায়কের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এই টালমাটাল পরিস্থিতির সূচনা হয়েছিল চলতি বছরের ৫ই জানুয়ারি। সেদিন শাহজাহান বাহিনী ইডি’র ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছিল। শাহজাহানের দাপটের কথা যতই তারপর থেকে প্রকাশ্যে এসেছে, ততই একটা প্রশ্ন জোরালো হয়েছে। তা হল, তাঁর মাথায় কার কার হাত রয়েছে অর্থাৎ তৃণমূলের কোন কোন প্রভাবশালী নেতা তাঁর এই ধরনের অমানবিক অত্যাচারে মদত জুগিয়ে গিয়েছেন। ইতিমধ্যেই শাহজাহানের ফোনের কল লিস্ট জোগাড় করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর সেই খবর পাওয়া মাত্রই সেখানকার বিধায়ক সুকুমার মাহাতো সাফাই গাইতে ময়দানে নেমে পড়েছেন। নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন যে সেদিন তিনি শাহজাহানকে ফোন করেছিলেন।

    কী বললেন বিধায়ক? (Sandeshkhali)

    স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “ওইদিন সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ আমি শাহজাহানকে ফোন করেছিলাম।” আর সেই ফোন তিনি নাকি নিজের ইচ্ছায় করেননি, করেছিলেন হাজি নুরুলের নির্দেশ মেনে। ফোনে তিনি শাহজাহানকে (Sandeshkhali) কী বলেছিলেন? সুকুমার মাহাতোর কথায়, “ইডির ওপর যাতে হামলা না হয়, সেই পরামর্শই আমি ওকে দিয়েছিলাম। যদিও ততক্ষণে সমস্ত ঘটনা ঘটে গিয়েছে।” তৃণমূলের প্রভাবশালী তত্ত্ব এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই সামনে এসেছে। তাই সুযোগ বুঝে তৃণমূলের সঙ্গেও দূরত্ব তৈরিতে নেমেছেন ওই বিধায়ক। তিনি বলেন, “আমি তেমনভাবে দল করি না। শুধু উন্নয়নের কাজকর্ম দেখছি।” তাঁর দাবি, তিনি রাজনৈতিকভাবে কোনও প্রভাবশালী নেতাও নন।

    ৩ মিনিটে ২৮টি ফোন? (Sandeshkhali)

    এদিকে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সেদিন ইডির তল্লাশি অভিযান শুরু হওয়ার পর ৩ মিনিটে মোট ২৮ টি ফোন করেছিলেন শাহজাহান। তাঁর নিজের হেফাজতে ছিল দুটি ফোন। ফোনগুলি করা হয়েছিল সেখান থেকেই। যেহেতু এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে তদন্তে নেমেছিল ইডি, তাই তারা শুরুতেই ফোনের কল লিস্ট জোগাড় করে ফেলেছিল। এরপর সিবিআই যখন তদন্তের নির্দেশ পায়, তখন সেই কল লিস্ট (Sandeshkhali) তারা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। তৃণমূল বিধায়কের কাছে এটা পরিষ্কার যে কল লিস্ট অনুযায়ী তাঁরও ডাক আসবে। তাই আগেভাগেই তিনি সাফাই দেওয়া শুরু করে দিয়েছেন, এমনটাই মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: শংকর আঢ্যকে গ্রেফতারের পরও হয়েছিল হামলা, তদন্তে নেমে সোজা বনগাঁয় সিবিআই

    CBI: শংকর আঢ্যকে গ্রেফতারের পরও হয়েছিল হামলা, তদন্তে নেমে সোজা বনগাঁয় সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৫ জানুয়ারি বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান শংকর আঢ্যের বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। দিনভর তল্লাশির পর মধ্যরাতে শংকর আঢ্যকে গ্রেফতার করে তাঁর শিমুলতলার বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যান তাঁরা। সেই সময় সন্দেশখালি মডেলে হামলা চালানো হয়েছিল ইডি আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর। পরবর্তীতে এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। সেই নির্দেশ পেয়ে তদন্তে নামে সিবিআই (CBI)। ইডি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপর হামলার এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শংকর আঢ্যের বাড়ির সামনে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা। প্রায় ২০ থেকে ২৫ মিনিট ধরে চারপাশ ঘুরে দেখেন সিবিআই কর্তারা। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং রাজ্য পুলিশের আধিকারিকরা।

    সন্দেশখালি মডেলেই প্রতিরোধ (CBI)

    তদন্তভার হাতে পেয়েই সিবিআই যেমন সন্দেশখালির ত্রাস শাহজাহান শেখের বাড়িতে গিয়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে, ঠিক একই ভাবে সিবিআইয়ের (CBI) আরও একটি দল হানা দিয়েছিল বনগাঁয়। এই বনগাঁতেই রেশন দুর্নীতি মামলায় ধৃত পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শংকর আঢ্যের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে বাধা পেয়েছিল ইডি। এখানে কোনও আধিকারিক প্রহৃত হননি ঠিকই, কিন্তু সন্দেশখালি মডেলেই তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল।

    ঘটনার পুনর্নির্মাণ? (CBI)

    এদিন সিবিআই যা করল, তাকে সেদিনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ বলে চলে। সিবিআই আধিকারিকরা পুলিশ অফিসারের কাছ থেকে সেদিনের ঘটনার বিবরণ শোনেন। তাঁর বাড়ি ঘুরিয়ে দেখানোর পাশাপাশি এলাকার কোন কোন জায়গায় কতগুলি সিসিটিভি রয়েছে, তার পরিসংখ্যান নেয় সিবিআই। একই সঙ্গে সেদিন শংকর আঢ্যকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় কোন জায়গায় হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সেই জায়গাটিও তাঁরা ঘুরে দেখেন। সিবিআই আধিকারিকরা শংকর আঢ্যের বাড়ির ছবি তোলার পাশাপাশি তার বাড়ির সামনে রাস্তায় বিদ্যুতের পোলে লাগানো সিসিটিভির ছবিও তোলেন।

    তবে তাঁদের ওপর নতুন করে যাতে কোনও হামলার ঘটনা না ঘটে, তাই সিবিআই (CBI) আগে থেকেই সতর্ক ছিল। আধা সেনা নিয়েই তারা এলাকায় ঘোরে। পুলিশকে অবশ্য এদিন আগাগোড়া তাদের সহযোগিতা করতেই দেখা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সিল করা তালা খুলে শাহজাহান শেখের বাড়িতে ঢুকল সিবিআই

    Sandeshkhali: সিল করা তালা খুলে শাহজাহান শেখের বাড়িতে ঢুকল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিল করা তালা খুলে শাহজাহান শেখের বাড়িতে ঢুকল সিবিআই। তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে রয়েছে দুজন ইডির আধিকারিক এবং ফরেন্সিক দল। আজ শুক্রবার সকালে আবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) এসেছে সিবিআই। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার বাড়ি এবং তার আশেপাশের এলাকা ঘুরে দেখে গিয়েছিল। আজ সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে কমপক্ষে ৫০ জন সেনা জওয়ান বাহিনী রয়েছে। গোটা বাড়িকে ঘিরে রেখেছে বাহিনী। কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে যাতে পড়তে না হয় সেই দিকে নজর রাখা হয়েছে। রেশন দুর্নীতির মামলার তদন্ত করতে গিয়ে গত ৫ জানুয়ারি আক্রান্ত হয়েছিলেন ইডির তিন জন আধিকারিক। এরপর ঘটনার ৫৬ দিনের মাথায় গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ।

    সঙ্গে ফরেন্সিক দল (Sandeshkhali)

    পাশাপাশি এদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে রয়েছে ফরেন্সিক দল। এলাকা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ফরেন্সিক দলের তরফ থেকে শাহজাহানের বাড়ির (Sandeshkhali) আশেপাশের এলাকার যাওয়া-আসার ছবি স্কেচ করে নেওয়া হয়েছে। ক্যামেরাবন্দি করা হচ্ছে এলাকার বাড়ি এবং চারিপাশের মুহুর্তকে। সেই সঙ্গে তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন ইডির দুই আধিকারিক। ইডির সঙ্গে কথা বলেই তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করছেন সিবিআই তদন্তকারী অফিসার এবং ফরেন্সিক দলের সদস্যরা।

    ইডির বয়ানও রেকর্ড করে সিবিআই

    উল্লেখ্য হাইকোর্টের নির্দেশে শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়েছে সিবিআই। ইডির অফিসারদের উপার হামলা, মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। গতকাল তাঁকে জিজ্ঞসাবাদ করা হয় নিজাম প্যালেসে। সেখানে গিয়েছিলেন ইডির ডেপুটি ডিরেক্টর গৌরব ভারিল। গত ৫ই জানুয়ারি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির উপর আক্রমণে অভিযোগের ভিত্তিতে তিনিই এই মামলার এফআইআর দায়ের করেছিলেন। একই সঙ্গে সিবিআই, ইডির বয়ান রেকর্ড করেছে। এরপর আজ শুক্রবার শাহজাহানের বাড়িতে গিতে তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসারেরা।

    আগেও শাহজাহানের বাড়িতে অভিযান হয়েছিল

    এর আগে শেখ শাহজাহানের সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বাড়িতে দুবার গিয়েছিল ইডির তদন্তকারী অফিসারেরা। প্রথম বার ঢুকতে বাধা পেয়েছিল এবং আক্রান্ত হয়ে ফিরে আসতে হয়েছিল। দ্বিতীয় বার এই তৃণমূল নেতার বাড়ির দরজার তালা ভেঙে ঢুকেছিল ইডির অফিসারেরা। এরপর ফাঁকা বাড়িতে তাল্লাশি চালিয়ে বাড়িটিকে সিল করে দেয় তাঁরা। এরপর আজ ফের একবার সিবিআই সিল করা তালা ভেঙে তল্লাশি শুরু করে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CBI: শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে সন্দেশখালি, বসিরহাটে গিয়ে নথি সংগ্রহ করল সিবিআই

    CBI: শাহজাহানকে হেফাজতে নিয়ে সন্দেশখালি, বসিরহাটে গিয়ে নথি সংগ্রহ করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার প্রায় দুমাসের মাথায় পুলিশ গ্রেফতার করে শাহজাহানকে। এতদিন তিনি পুলিশ হেফাজতে ছিলেন। পরে, আদালতের নির্দেশে শাহজাহানকে বুধবারই নিজেদের হেফাজতে পায় সিবিআই। রাতেই সন্দেশখালি যান সিবিআই (CBI) আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর টিম।

    সন্দেশখালি গিয়ে কী করল সিবিআই? (CBI)

    সন্দেশখালিতে ইডি-র ওপর শাহজাহান বাহিনী হামলা চালিয়েছিল। এই ঘটনার পর শাহজাহান এবং তাঁর অনুগত অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইডি অফিসারদের খুনের চেষ্টার অভিযোগ করেছিল ইডি। পরে ন্যাজাট থানার পুলিশ ইডির ওপর হামলার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করে। পরবর্তীকালে সেই মামলায় যুক্ত করা হয় খুনের চেষ্টার ধারাও। কিন্তু, অভিযুক্ত হিসাবে সেখানে শাহজাহানের নাম ছিল না। মঙ্গলবার এই দুই অভিযোগের ভিত্তিতেই সন্দেশখালির ঘটনায় দু’টি এফআইআর দায়ের করে সিবিআই। শুরু করে তদন্ত। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতাহাই কোর্টের নির্দেশানুসারে সন্দেশখালি মামলায় অভিযুক্ত শাহজাহানকে হেফাজতে নেয় তারা। বুধবার রাতে সিবিআইয়ের (CBI) দল সন্দেশখালি গিয়ে সেখানে উপস্থিত উচ্চ পদাধিকারী পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে। একই সঙ্গে পুলিশের কাছ থেকে তাদের করা অভিযোগ সংক্রান্ত নথিপত্রও সংগ্রহ করেছেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা।

    বসিরহাট থানায় নথি সংগ্রহ করল সিবিআই

    সন্দেশখালিতে হওয়া ইডির ওপর হামলার ঘটনারই তদন্তে নেমেছে সিবিআই। বুধবার এই সংক্রান্ত দু’টি এফআইআর দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এছাড়া একটি মামলা দায়ের হয়েছে বনগাঁয়। রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা তথা প্রাক্তন পুরপিতা শঙ্কর আঢ্যের বাড়ির সামনে হওয়া ইডির ওপর হামলার ঘটনায়। সন্দেশখালির দু’টি মামলার একটি দায়ের হয়েছিল ইডির অভিযোগের ভিত্তিতে। অন্যটি করা হয়েছে ন্যাজাট থানার পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে। সূত্রের খবর, এই এফআইআর সংক্রান্ত বিষয়েই ন্যাজাট থানার পুলিশের সঙ্গে বুধবার রাতে যোগাযোগ করেন সিবিআইয়ের (CBI) আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার বসিরহাট থানায় গিয়ে পুলিশের দায়ের করা মামলার নথি সংগ্রহ করল সিবিআই। হামলার পর শাহজাহান ফোনে কার কার সঙ্গে কথা বলেছিল তা খতিয়ে দেখতে কল ডিটেলস চেক করছেন আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share