Tag: shiv sena

shiv sena

  • Uddhav Thackeray: শিবসেনায় ভাঙন ঠেকাতেই দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন উদ্ধব ঠাকরের, বলছে সমীক্ষা

    Uddhav Thackeray: শিবসেনায় ভাঙন ঠেকাতেই দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন উদ্ধব ঠাকরের, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি (President) পদে এনডিএ (NDA) প্রার্থী বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu) সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিবসেনা (Shiv Sena) প্রধান উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। তাঁর এই সিদ্ধান্ত কী শিবসেনায় বিভাজন রুখতে, উঠছে প্রশ্ন। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, শিবসেনায় বিভাজন রুখতেই দ্রৌপদীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উদ্ধব।

    সোমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এনডিএ-র তরফে রাষ্ট্রপতি পদে নাম ঘোষণা করা হয় বিজেপির দ্রৌপদীর। বিজেপি বিরোধীরা প্রার্থী করেন তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহাকে। তার পরেই প্রচারে বের হন দ্রৌপদী ও যশবন্ত। সম্প্রতি শিবসেনা সাংসদের নিয়ে মাতোশ্রীতে বৈঠকে বসেছিলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। সূত্রের খবর, সেখানেই সাংসদদের সিংহভাগ রাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ প্রার্থী বিজেপির দ্রৌপদীকে সমর্থনের বিষয়ে সওয়াল করেন। সাংসদদের চাপের মুখে পড়ে দ্রৌপদীকে সমর্থনের কথা জানান উদ্ধব। যদিও তাঁর দাবি, দ্রৌপদীকে সমর্থনের বিষয়ে কোনও চাপ ছিল না। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে ফের যাতে শিবসেনায় বিভাজন সৃষ্টি না হয়, সেজন্যই উদ্ধবের এই সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুন : দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব, তোপ যশবন্তের

    ইতিমধ্যেই একবার বিভাজন ঘটেছে শিবসেনায়। ৫৬ জন বিধায়কের মধ্যে ৪০ জনকে পাশে পেয়েছেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে গড়েছেন সরকার। হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীও। এমতাবস্থায় দ্রৌপদীকে সমর্থন না করলে শিবসেনার ঠাকরে শিবিরে ফের ভাঙন ধরত। যশবন্তকে বাদ দিয়ে উদ্ধব কেন দ্রৌপদীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিলেন, তা জানতে সম্প্রতি দেশজুড়ে সমীক্ষা করেছিল আইএএনএস সিভোটার-ইন্ডিয়া ট্র্যাকার। তাতেই জানা গিয়েছে, শিবসেনায় ভাঙন রুখতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উদ্ধব। যাঁদের ওপর সমীক্ষা করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৬৩ শতাংশ মানুষ মনে করেন উদ্ধব যশবন্তকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিলে ফের একবার ভাঙন ধরত শিবসেনায়। ৩৭ শতাংশ মানুষ এটা মানেন না বলেই জানিয়েছেন। সমীক্ষা থেকে এও জানা গিয়েছে, এনডিএ সমর্থকদের মধ্যে ৭৭ শতাংশই বিশ্বাস করে দ্রৌপদীকে সমর্থন না করলে আরও একবার ভাঙনের মুখোমুখি হত শিবসেনা। বিরোধীদের ৫৪ শতাংশও জানান দলে আরও একবার বিদ্রোহ ঠেকাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঠাকরে। যদিও ৪৬ শতাংশ মানুষ এর সঙ্গে সহমত নন।

    আরও পড়ুন : শিবসেনার সব পদ থেকে শিন্ডেকে সরালেন উদ্ধব, কেন জানেন?

    সমীক্ষায় উঠে এসেছে আরও একটি তথ্য। সেটি হল দলে ফের একবার বিভাজন রুখতেই যে ঠাকরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা জানিয়েছেন সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৭৫ শতাংশ হিন্দু, ৬৩ শতাংশ পিছড়ে বর্গ শ্রেণির মানুষ, তফশিলি উপজাতির ৬৯ শতাংশ এবং তফশিলি জাতির ৬৬ শতাংশ মানুষ।মুসলিম সম্প্রদায়ের ৬৮ শতাংশই সহমত পোষণ করেন না এই যুক্তির সঙ্গে।

     

  • Sharad pawar: মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে লড়া উচিত মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটের, মত পাওয়ারের

    Sharad pawar: মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে লড়া উচিত মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটের, মত পাওয়ারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election)। ওই বছরই হবে মহারাষ্ট্র (Maharasthra) বিধানসভার নির্বাচনও। এই বিধানসভা নির্বাচনে মহাবিকাশ অঘাড়ি (Maha Vikas Aghadi) জোটের তিন দলের একসঙ্গে লড়া উচিত। অন্তত এমনই মনে করেন এনসিপি (NCP) প্রধান শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)।

    গত বিধানসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসে মহাবিকাশ আঘাড়ি জোট। জোটে শামিল তিন দল-শিবসেনা, এনসিপি এবং কংগ্রেস। বছর আড়াই মসৃণভাবে সরকার চলার পর সম্প্রতি দলে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন শিবসেনার বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। কংগ্রেস এবং এনসিপি নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ার পক্ষে সওয়াল করেন শিন্ডে। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে বিজেপি শাসিত গুজরাটের সুরাটে চলে যান শিন্ডে। পরে মধ্যরাতের বিমান ধরে চলে যান বিজেপি শাসিত আরও এক রাজ্য আসামে। পরে বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। তাঁর সঙ্গেই চলে যান সিংহভাগ বিধায়ক। হাতে গোণা কয়েকজন বিধায়ক রয়ে গিয়েছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন : ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    সম্প্রতি ঔরঙ্গাবাদ এবং ওসমানাবাদের নাম বদল হয়েছে। ঔরঙ্গাবাদের নাম হয়েছে শম্ভনজিনগর, আর ওসমানাবাদের নাম হয়েছে ধারাশিব। উদ্ধব ঠাকরের সরকারের আমলেই হয়েছে এই সিদ্ধান্ত। সেই প্রসঙ্গে পাওয়ার বলেন, এটা মহাবিকাশ আঘাড়ির কমন মিনিমাম প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত ছিল না। দু দিনের সফরে ঔরঙ্গাবাদে এসেছেন পাওয়ার। সেখানেই সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই নাম পরিবর্তনের ব্যাপারে তাঁর মতামত দেন। বলেন, নাম বদলের সিদ্ধান্ত হয়ে যাওয়ার পরে আমি এটি জানতে পেরেছি।

    আরও পড়ুন : ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?

    ২০২৪ সালে মহারাষ্ট্র বিধানসভার নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তের তিনি বলেন, বিধানসভা নির্বাচনে তিন দলের জোট মহাবিকাশ আঘাড়ির লড়াই করা উচিত। তবে এটা যে নিতান্তই তাঁর ব্যক্তিগত মত, তাও জানান পাওয়ার। পাওয়ার বলেন, এনিয়ে আমি প্রথমে আমার দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলব। তার পরে কথা বলব বাকি জোট শরিকদের সঙ্গে। শিবসেনার বিদ্রোহ প্রসঙ্গে এনসিপি সুপ্রিমো বলেন, হিন্দুত্ব, এনসিপি এবং ফান্ডের অভাবের কথা বলে বিদ্রোহ ঘোষণা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে অশান্তি, তা জানা যায়নি।

     

  • Shivsena on Droupadi Murmu: দলীয় সাংসদদের চাপে বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মুকেই সমর্থন করছে শিবসেনা?

    Shivsena on Droupadi Murmu: দলীয় সাংসদদের চাপে বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মুকেই সমর্থন করছে শিবসেনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মুকেই সমর্থন করতে চলেছে শিবসেনা। অন্তত শিবসেনা সূত্রেই এ খবর মিলেছে। এনডিএ (NDA) রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী মুর্মুকে (Droupadi Murmu) সমর্থনের জন্য শিবসেনা (Shiv Sena) প্রধান উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) ওপর চাপ বাড়িয়েছিলেন শিবসেনা সাংসদরা। সোমবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে উদ্ধবের সঙ্গে বৈঠকেও বসেছিলেন শিবসেনার সাংসদরা। সূত্রের খবর, সেখানেই দ্রৌপদীকে সমর্থন করতে উদ্ধবের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন তাঁরা। শেষমেশ শিবসেনার তরফে দ্রৌপদীকেই সমর্থন করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।  

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সূত্রের খবর, তার আগে দ্রৌপদীকে সমর্থনের বিষয়ে সমর্থনের ইঙ্গিত দিতে পারেন উদ্ধব। মতোশ্রীতে শিবসেনার বৈঠকে ১৮ জন লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১৩ জন এবং রাজ্যসভার ২ জন সাংসদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।এঁদের মধ্যে অন্তত আটজন দ্রৌপদীকে সমর্থনের বিষয়ে অনড় বলে সূত্রের খবর। শিবসেনার এক শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের মধ্যে অনেকেই চান বিজেপি এবং শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে সম্পর্ক জোড়া লাগুক। কারণ বিজেপি আমাদের পুরানো শরিক। আদর্শগতভাবে বিজেপি আমাদের প্রকৃত সঙ্গী। উদ্ধব ঠাকরে এই বিষয়ে কিছু বলেননি, কিন্তু ভেবে দেখবেন বলেছেন। তিনি বলেন, বিদ্রোহের কারণে বিজেপি ও শিবসেনার মধ্যে তিক্ততা বেড়েছে। কিন্তু দল যদি দ্রৌপদীকে সমর্থন করে, তাহলে ভাঙা সম্পর্ক জোড়া লাগার সুযোগ থাকবে। ফের সম্পর্ক গড়ে তোলার সম্ভাবনাও থাকবে। মঙ্গলবার শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেন, শিবসেনা যেটা ঠিক ভাবে সেটা করে। অতীতেও আমরা কংগ্রেসের প্রার্থী টিএন শেষনকে সমর্থন করেছিলাম। ইউপিএ প্রার্থী প্রতিভা পাটিল এবং প্রণব মুখোপাধ্যায়কেও সমর্থন করেছিলাম। পিছড়েবর্গরা জাতির স্বার্থে এগিয়ে আসুক আমরা চাই।  

    আরও পড়ুন : ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    এদিনের বৈঠকে লোকসভার ১৮ জন সাংসদের মধ্যে পাঁচজন অনুপস্থিত ছিলেন। এঁরা হলেন, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের ছেলে শ্রীকান্ত শিন্ডে, ভাবনা গাওয়ালি, সঞ্জয় যাদব, সঞ্জয় মাণ্ডলিক এবং হেমন্ত পাটিল। দাদরা ও নগর হাভেলির একমাত্র সাংসদ কলাবেন দেলকরও ওই বৈঠকে ছিলেন না বলেই শিবসেনা সূত্রের খবর। শিবসেনা সূত্রে খবর, সঞ্জয় যাদব, সঞ্চয় মাণ্ডলিক ও হেমন্ত আগেই শিবসেনা প্রধানকে জানিয়েছিলেন ব্যক্তিগত কারণে সোমবারের বৈঠকে থাকতে পারবেন না তাঁরা।

    আরও পড়ুন : উদয়পুরের মতো নৃশংস ঘটনার প্রতিবাদ করা উচিত মুসলিমদেরও, জানাল আরএসএস

    প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই শিবসেনার সংসদীয় দলের মুখ্য সচেতক পদ থেকে ভাবনা গাওয়ালিকে সরিয়ে দেন উদ্ধব। তার আগেই উদ্ধবকে ভাবনা চিঠি লিখে বিজেপির সঙ্গে জোটে যাওয়ার কথা বলেছিলেন। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিবসেনার রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় রাউত এবং প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী। যদিও রাজ্যসভার সাংসদ অনিল দেশাই দিল্লিতে থাকার কারণে গরহাজির ছিলেন এদিনের বৈঠকে। এদিকে, শিন্ডে শিবিরের দাবি, অন্তত ১২ জন সাংসদ নিয়মিত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন।

     

  • Maharashtra speaker election: মহারাষ্ট্রে ফের জয় টিম শিন্ডের, স্পিকার পদে বিজেপির রাহুল  

    Maharashtra speaker election: মহারাষ্ট্রে ফের জয় টিম শিন্ডের, স্পিকার পদে বিজেপির রাহুল  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভার স্পিকার নির্বাচিত হলেন বিজেপির (BJP) রাহুল নরওয়েকার (Rahul Narwekar)। রবিবার সকালে ভোটাভুটিতে ১৬৪টি ভোট পেয়ে স্পিকার (Speaker) নির্বাচিত হন তিনি। মহারাষ্ট্র বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৮৮। অর্থাৎ ম্যাজিক ফিগারের চেয়েও ঢের বেশি ভোট পেয়েছেন রাহুল। উদ্ধব ঠাকরের প্রার্থী শিবসেনা (Shiv Sena) বিধায়ক রজন সালভি পেয়েছেন মাত্র ১০৭টি ভোট।

    গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে শূন্য হয়েছিল মহারাষ্ট্র বিধানসভার স্পিকার পদ। ইস্তফা দিয়েছিলেন কংগ্রেসের নানা পাটোলে। তারপর থেকে স্পিকারের কাজ সামলাচ্ছিলেন ডেপুটি স্পিকার নরহরি জিরওয়াল। এদিন স্পিকার নির্বাচনের পর পূরণ হল সেই শূন্যস্থান। মহারাষ্ট্রের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে মতানৈক্যের জেরে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন শিবসেনা বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। তার জেরে গত বুধবার মুখ্যমন্ত্রিত্ব পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। ওই পদে বসেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয় বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে। রবিবার হয় স্পিকার নির্বাচন। হয় ভোটাভুটিও। ভোটদানে বিরত ছিলেন তিন বিভিন্ন দলের বিধায়ক। এদিকে হুইপ জারি করেছিল শিবসেনা। তাতে অবশ্য কোনও লাভ হয়নি। বরং অনেক বেশি ভোট পেয়ে বিজেপির রাহুল পরাস্ত করেন শিবসেনার স্পিকার পদপ্রার্থীকে। রাহুলও এক সময় শিবসেনায় ছিলেন। ঘনিষ্ঠ ছিলেন আদিত্য ঠাকরের। ২০১৪ সালে বিধানসভা ভোটে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভে ত্যাগ করেন শিবসেনা-সঙ্গ। পরে যোগ দেন এনসিপিতে। তারও পরে বিজেপিতে। সেখানেই হল বাজিমাত।

    আরও পড়ুন : গুয়াহাটির হোটেলে ৮ দিন আস্তানা, ৭০ লক্ষের বিল মিটিয়েছে শিন্ডে-বাহিনী?

    এদিকে, রাহুলের জয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়করা। শিবসেনার ১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার ক্ষমতা চলে এল স্পিকারের হাতে। গত মাসে ডেপুটি স্পিকার নরহরি এই ১৬ জনের বিরুদ্ধে বিধায়ক পদ খারিজের জন্য পদক্ষেপ করেছিলেন। নবনির্বাচিত স্পিকার সেই আবেদন প্রত্যাহার করতে পারেন। শিবসেনার শিন্ডে বাহিনীকে আদৌ আসল শিবসেনা হিসেবে চিহ্নিত করা যায় কিনা, সেই ক্ষমতাও থাকছে স্পিকারের হাতে। রাত পোহালেই আস্থা ভোট। এদিন স্পিকার নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় প্রত্যাশিতভাবেই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের।

    আরও পড়ুন : ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?আরও পড়ুন : গুয়াহাটির হোটেলে ৮ দিন আস্তানা, ৭০ লক্ষের বিল মিটিয়েছে শিন্ডে-বাহিনী?

  • Maharashtra Crisis: “শিন্ডের তরফে প্রস্তাব এলে…”, মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে কী বলল বিজেপি?

    Maharashtra Crisis: “শিন্ডের তরফে প্রস্তাব এলে…”, মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিয়ে কী বলল বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবসেনার (Shiv Sena) বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) কাছ থেকে সরকার গড়ার বিষয়ে প্রস্তাব পেলে তা বিবেচনা করে দেখা হবে। অন্তত এমনই জানিয়ে দিলেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। শিন্ডেকে বিদ্রোহী বলতে রাজি নয় পদ্ম শিবির। বিজেপি নেতা সুধীর মুঙ্গাতিয়ার বলেন, আমরা কাউকে বিদ্রোহী বলে মনে করি না। তাঁর প্রশ্ন, শিন্ডের সঙ্গে যদি মোট বিধায়কের দুই তৃতীয়াংশের সমর্থন থাকে, তাঁকে বিদ্রোহী বলি কী করে?

    আরও পড়ুন : ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক অস্থিরতা বর্তমানে পৌঁছেছে সুপ্রিম কোর্টে। বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে শিবসেনা বিধায়কদের একটা বড় ঝাঁক শাসক জোট মহারাষ্ট্র বিকাশ আঘাড়ি (MVA) ছেড়ে বেরিয়ে যান। এনসিপি এবং কংগ্রেসের সঙ্গে নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়েই সরকার চালাতে হবে শিবসেনাকে। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে শিন্ডের বিরোধ বাঁধে। এর পরেই জোট ছেড়ে অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে বিজেপি শাসিত গুজরাটের সুরাটে চলে যান শিন্ডে। সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে ওই বিধায়কদের নিয়ে তিনি উড়ে যান বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য আসামে। সেখানকারই একটি বিলাসবহুল হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন : গুজরাট ছেড়ে একনাথ শিন্ডেরা রয়েছেন আসামে, কেন জানেন?

    দিন দুয়েক আগে ফের বিশেষ বিমানে গুজরাতের ভদোদরায় উড়ে আসেন শিন্ডে। সাক্ষাৎ করেন মহারাষ্ট্রেরই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে। সেখানেই দুই নেতার মধ্যে সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। আসামের হোটেল থেকেই শিন্ডে জানিয়েছিলেন, তাদের পিছনে একটি জাতীয় দলের সমর্থন রয়েছে। যদিও, পরে একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে শিন্ডে বলেন, আমাদের পিছনে বালাসাহেব ঠাকরের শক্তি রয়েছে।

    বিজেপি অবশ্য শিবসেনার এই সংকটকে প্রথম থেকেই তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা বলে উল্লেখ করে এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গঠনের যে কোনও প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখা হবে বলে ফড়নবিশের বাড়িতে বৈঠকের পরে জানান সুধীর। তিনি বলেন, প্রতিদিনের ঘটনার ওপর কড়া নজর রাখছে বিজেপি। 

    প্রসঙ্গত, সোমবারই একনাথ শিবিরকে স্বস্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। দলবিরোধী আইনের আওতায় বিদ্রোহী ১৬ জন বিদ্রোহী বিধায়ককে ‘ডিসকোয়ালিফাই’ করতে উদ্যত হয়েছিলেন উদ্ধব ঠাকরে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি মতো, বিদ্রোহী শিবসেনা বিধায়ককে নোটিস পাঠিয়ে মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ সম্পর্কে আত্মপক্ষ সাফাইয়ের নির্দেশ দিয়েছিলেন মহারাষ্ট্র বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার নরহরি সীতারাম জিরওয়াল। পাল্টা বিদ্রোহী পক্ষের তরফে ডেপুটি স্পিকারের বিরুদ্ধে একটি অনাস্থা প্রস্তাব বিধানসভাতেই পেশ করা হয়। ডেপুটি স্পিকার তা খারিজ করেন। 

    দলবিরোধী নোটিশ প্রাপ্তি এবং অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ— এই দুই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় একনাথ শিবির। গতকাল শুনানিতে ১৬ জন শিবসেনা বিধায়কের বিরুদ্ধে কেন দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে নোটিস পাঠানো হয়েছিল, সে বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার (ভারপ্রাপ্ত স্পিকার) জিরওয়ালের জবাবও চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, শিন্ডে-সহ বিধায়কের বিরুদ্ধে ১১ জুলাই পর্যন্ত দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    এদিকে, মহারাষ্ট্রের মহাসংকটের মধ্যেই এবার শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করল রাজ ঠাকরে শিবির। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা সুপ্রিমো রাজ ঠাকরের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন শিন্ডে। গত দু দিনে অন্ততঃ দুবার দুই নেতার মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।

    অন্যদিকে, বালাসাহেব ঠাকরে ছবি দিয়ে তার সঙ্গে শিন্ডের কাজে প্রশংসা করে গুয়াহাটির একাধিক জায়গায় পোস্টার পড়েছে। পোস্টারে উল্লেখ করা হয়েছে, হিন্দুত্ব ফর এভার। গর্ব করেন বলুন, আপনি হিন্দু। আপনাকে আমরা সব ধরনের সমর্থন জানাব। পোস্টারটি কারা সাঁটিয়েছে, তা জানা যায়নি।

    মৃত্যুর এক দশক পর মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে ফের একবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছেন প্রয়াত বালাসাহেব!

     

  • Eknath Shinde: গুয়াহাটির হোটেলে ৮ দিন আস্তানা, ৭০ লক্ষের বিল মিটিয়েছে শিন্ডে-বাহিনী?

    Eknath Shinde: গুয়াহাটির হোটেলে ৮ দিন আস্তানা, ৭০ লক্ষের বিল মিটিয়েছে শিন্ডে-বাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন শিবসেনার (Shiv Sena) বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। তাঁর শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মহারাষ্ট্রের টালমাটাল রাজনৈতিক পরিস্থিতি থিতু হয়েছে। তবে এখন উঠছে অন্য প্রশ্ন। তা হল, আসামের গুয়াহাটির যে হোটেলে এতদিন ধরে ছিলেন শিন্ডে বাহিনী, তাতে খরচ হল কত?

    আরও পড়ুন :শিবসেনার সব পদ থেকে শিন্ডেকে সরালেন উদ্ধব, কেন জানেন?

    মহাবিকাশ আঘাড়ি নয়, বিজেপির সঙ্গে জোট গড়েই মহারাষ্ট্রে সরকার চালাতে চাইছিলেন শিন্ডে। তা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) সঙ্গে বিরোধের জেরে অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাটের সুরাটে চলে যান শিন্ডে। পরে সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে আরও এক বিজেপি শাসিত রাজ্য আসামের গুয়াহাটিতে চলে যান শিন্ডে বাহিনী। সেখানকার একটি বিলাসবহুল হোটেলে ছিলেন তাঁরা। হোটেলটির নাম র‌্যাডিসন ব্লু । জালুকবাড়ির গোতানগর এলাকার ওই হোটেলের ৭০টি ঘর বুক করা হয়েছিল শিন্ডে, তাঁর অনুগামী বিধায়ক এবং তাঁদের সঙ্গীদের জন্য। সূত্রের খবর, শিন্ডে বাহিনী যে আট দিন ধরে এই হোটেলে ছিলেন, সেজন্য হোটেলের বাইরে ব্যবস্থা করা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার। শিন্ডে বাহিনী হোটেলে আসার আগে হোটেলটিতে গিয়ে সব খবরাখবর নেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তার পরেই হোটেলে আসে শিন্ডে বাহিনী। পরে মহারাষ্ট্রে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শিন্ডে। বুধবার র‌্যাডিসন ব্লু হোটেল ছাড়েন শিন্ডের অনুগামী বিধায়করা। তাঁদের নিয়ে গিয়ে রাখা হয় গোয়ার হোটেলে। প্রশ্ন হল, আটদিন ধরে শিন্ডে বাহিনী যে এই হোটেলে ছিলেন, তার খরচ কত?  

    আরও পড়ুন : বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    এ ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটেছেন শিন্ডেবাহিনী। মুখ খোলেনি হোটেল কর্তৃপক্ষও। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিদ্রোহী বিধায়করা বিলাসবহুল এই হোটেলে থাকা খাওয়া বাবদ সব মিলিয়ে বিল মিটিয়েছেন ৬৮ থেকে ৭০ লক্ষ টাকা।এই টাকার মধ্যে শুধুমাত্র খাওয়া বাবদ শিন্ডে বাহিনীকে দিতে হয়েছে প্রায় ২২ লক্ষ টাকা। এই হোটেলে স্পা সহ অন্যান্য সুবিধাও রয়েছে। তবে হোটেল সূত্রে খবর, প্রয়োজনীয় পরিষেবার বাইরে এই বিধায়করা অন্য কোনও সুযোগ সুবিধা নেননি। এঁদের কেউই স্পা জাতীয় কোনও পরিষেবাও নেননি।

  • Maharashtra political crisis: সঙ্কট আরও ঘনীভূত,  বুধেই পদত্যাগ করছেন উদ্ধব ঠাকরে?

    Maharashtra political crisis: সঙ্কট আরও ঘনীভূত,  বুধেই পদত্যাগ করছেন উদ্ধব ঠাকরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ডামাডোল। করোনা (Covid) সংক্রমিত হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। ওই একই কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রাজ্যপালও। এদিকে, নিভৃতবাসে থেকে অনুগামী বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সকাল থেকে খবর ছড়িয়ে পড়ে, পদত্যাগ করতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরে ভার্চুয়াল বৈঠকে ঠিক হয়, আপাতত পদত্যাগ করছেন না উদ্ধব। অন্যদিকে, এদিন বিকেল পাঁচটার মধ্যে গুয়াহাটি থেকে ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কদের মুম্বাই ফিরতে বলেছেন শিবসেনা নেতৃত্ব। এদিকে, এদিন একটি চার্টার্ড বিমানে করে চার বিধায়ককে নিয়ে গুয়াহাটি উড়ে যান মহারাষ্ট্রের বিজেপি সভাপতি চন্দ্রকান্ত পাটিল।

    আরও পড়ুন : উদ্ধব ঠাকরের বিরুদ্ধে একনাথ শিন্ডের ‘বিদ্রোহের’ নেপথ্য কারণ কী?

    ‘নরম হিন্দুত্ব’ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিদ্রোহী মন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সম্পর্কে চিড় ধরে। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে হনুমান চালিশা পাঠ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পর গ্রেফতার করা হয় বিজেপি সাংসদ নবনীত রাণা ও তাঁর বিধায়ক স্বামী রবি রাণাকে। এর পরেই উদ্ধব এবং একনাথের সম্পর্কের ফাটল চওড়া হয়। তার পরেই সঙ্গী ৪০ জন বিধায়ককে নিয়ে একনাথ প্রথমে চলে যান বিজেপি শাসিত গুজরাটে। সেখান থেকে মধ্য রাতে উড়ান ধরেন গুয়াহাটির। একনাথের দাবি, তাঁর সঙ্গে রয়েছেন ৪৬ জন বিধায়ক। তার মধ্যে ৩৪ জনই নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছেন তাঁকে। 

    পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিন বেলা একটায় বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগেই করোনা ধরা পড়ে তাঁর। তার আগে করোনা সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন রাজ্যপাল। পরে দলীয় বিধায়কদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন উদ্ধব। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয়, এখনই পদত্যাগ করছেন না মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন : কাউন্সিলর থেকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী, কে এই দ্রৌপদী মুর্মু?

    এদিকে, বিদ্রোহী বিধায়কদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি চিঠি দিয়েছে শিবসেনা। এদিনই বিকেল পাঁচটার মধ্যে গুয়াহাটি থেকে মুম্বাই ফিরতে বলা হয়েছে তাঁকে। তা না হলে তাঁদের বহিষ্কার করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত বলেন, যতক্ষণ না সব বিধায়ক গুয়াহাটি থেকে ফিরে আসবেন, ততক্ষণ দলের তরফে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না।  

     

    এদিকে, বিদ্রোহী বিধায়কের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই দাবি একনাথের। তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে ৬ নির্দল সহ ৪৬ জন বিধায়ক রয়েছেন। এই সংখ্যা ক্রমশ বাড়বে। এখনও পর্যন্ত আমরা বিজেপির তরফে কোনও প্রস্তাব পাইনি। তাদের সঙ্গে আমাদের আলোচনাও চলছে না। তবে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে তাঁদের আর আলোচনার কোনও সম্ভাবনাই নেই বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন একনাথ।

    ডামাডোলের এই পরিস্থিতিতে এদিনই বিকেলে বৈঠকে বসতে চলেছেন এনসিপি নেতৃত্বও। তবে এই মুহূর্তে সরকারের কোনও সঙ্কট নেই বলেই দাবি কংগ্রেসের।

     

  • Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে পট পরিবর্তনের সত্যিকারের শিল্পী কে, কী জানালেন শিন্ডে?

    Maharashtra Political Crisis: মহারাষ্ট্রে পট পরিবর্তনের সত্যিকারের শিল্পী কে, কী জানালেন শিন্ডে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra)পালাবদলের পিছনে রয়েছে দেবেন্দ্র ফড়ণবিশের (Fadnavis) মস্তিষ্ক। তাঁর অভিজ্ঞতা আর প্রচেষ্টাতেই তৈরি হয়েছে বিজেপিশিন্ডে সরকার। আস্থা ভোটে জয় পেয়েই এমনটা জানিয়েছেন খোদ একনাথ শিণ্ডে (Eknath Shinde)। জয়ের পর শিণ্ডে জানান, মুম্বই ছাড়ার পর প্রতিনিয়ত ফড়ণবিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। গুয়াহাটির হোটেলে যখন সব বিধায়করা ঘুমোতেন তখন চলত শিন্ডে-ফড়ণবিশের আলোচনা, এমনটাই জানালেন মহারাষ্ট্রের নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

    শিন্ডে বলেন, বিধান পরিষদ ভোটে তাঁর সঙ্গে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল, তার পরেই তিনি তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছিলেন। মহারাষ্ট্র থেকে গুয়াহাটি যাওয়ার সময় কীভাবে পুলিশের নজরদারি এড়িয়েছিলেন সেটাও জানান তিনি। শিণ্ডে বলেন, ‘আমি জানি কীভাবে মোবাইল টাওয়ারের সূত্র ধরে কাউকে ট্র্যাক করা যায়। আমি এটাও জানি কীভাবে এই নজরদারি এড়ানো যায়।’ দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই প্রক্রিয়া। সোমবারই আস্থা ভোটে জয় পেয়েছেন তিনি। তার পরে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ভাষণ দেওয়ার সময়, বিভিন্ন পক্ষের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মহারাষ্ট্রে যে ঘটনা একের পর এক ঘটল, তাঁর ‘তার সত্যিকারের শিল্পী’ হলেন দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন উদ্ধবের মন্ত্রিসভায় থাকাকালীন তাঁর দফতরে বার বার নাক গলাতেন অজিত পাওয়ার, আদিত্য ঠাকরেরা, যা তিনি একেবারেই পছন্দ করতেন না। শিন্ডে জানান, এর আগে দুবার মুখ্যমন্ত্রীর দাবিদার ছিলেন তিনি কিন্তু উদ্ধব গোষ্ঠী তাঁকে আটকে দেয়। কোনও সাধারণ মানুষও যে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারে তা মানতে চাইত না উদ্ধব-গোষ্ঠী, দাবি শিন্ডের।

    আরও পড়ুন: রাজনীতি করি না! মানুষের জন্য কাজ করি, বঙ্গ রাজনীতিতে ফের সক্রিয় মহাগুরু

    অন্যদিকে, সোমবার মহারাষ্ট্র বিধানসভায় আস্থাভোটে (floor test)অংশ না নেওয়ার জন্য ট্র্যাফিক জ্যামকে দায়ী করলেন, কংগ্রেস নেতা তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চহ্বাণ (Ashok Chavan)। মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়কের মধ্যে ১২ জন সোমবারের আস্থা ভোটে অংশ নেননি। সময় মতো বিধানসভায় পৌঁছতে না পারার কারণেই এই বিধায়করা আস্থা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারেননি বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে অশোক চহ্বান বলেন, ‘সাধারণত, প্রথমে আলোচনা হয়, তারপর ভোট হয়। কিন্তু এদিন তা হয়নি। যাইহোক, যেহেতু সরকার ১৬৪ ভোট পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করেছে, তাই বিরোধীদের সংখ্যায় কিছু যায় আসে না।’ এক শীর্ষ স্থানীয় কংগ্রেস নেতা এ প্রসঙ্গে বলেছেন যে বিধায়কদের অনুপস্থিতি ইচ্ছাকৃত বলে মনে হচ্ছে না। ‘যদি উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিধায়করা অনুপস্থিত থেকে থাকেন, তবে দলকে ব্যবস্থা নিতে হবে।’ 

  • Maharashtra Update: শিবসেনার সব পদ থেকে শিন্ডেকে সরালেন উদ্ধব, কেন জানেন?

    Maharashtra Update: শিবসেনার সব পদ থেকে শিন্ডেকে সরালেন উদ্ধব, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্রোহী নেতা তথা মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) নয়া মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে (Eknath Shinde) সরিয়ে দেওয়া হল শিবসেনার (Shiv Sena) সমস্ত পদ থেকে। শিবসেনার তরফে জারি করা এক চিঠিতে বলা হয়েছে, উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) বলেছেন শিন্ডে দল বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত। তিনি স্বেচ্ছায় দলের সদস্যপদ ছেড়েছেন বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে শিবসেনার তরফে। উদ্ধব ঠাকরের চিঠিতে বলা হয়েছে, একনাথ শিন্ডেকে শিবসেনার সংগঠনের সব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে। শিবসেনার তরফে এ ব্যাপারে তাঁর ওপরে যাবতীয় ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মহারাষ্ট্রের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব।

    আরও পড়ুন : বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    কংগ্রেস এবং এনসিপির সঙ্গে জোট থেকে বেরিয়ে আসতে উদ্ধবকে বলেছিলেন তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য শিন্ডে। উদ্ধব তাতে রাজি হননি। তার জেরে অনুগত ৩৯ জন বিধায়ককে নিয়ে শিন্ডে উড়ে যান গুয়াহাটি। তার পরেই রাজ্যপালকে চিঠি দিয়ে আস্থা ভোট দাবি করেন। রাজ্যপাল আস্থা ভোটের নির্দেশ দিলে তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন উদ্ধব। যদিও আস্থাভোটের ওপরে স্থগিতাদেশ দিতে চায়নি সুপ্রিম কোর্ট।

    সুপ্রিম কোর্ট আস্থা ভোটে স্থগিতাদেশ দিতে না চাওয়ায় ২৯ জুন রাতে ফেসবুক লাইভ করে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। ৩০ জুন সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে। এদিকে, লোকসভায়ও শিবসেনার অনেক সদস্য শিন্ডের পক্ষ নিয়ে নেন। উদ্ধব শিবিরে থাকা ১৬ জন বিধায়কের মধ্যেও ১৪ জন শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন : “সেদিন থেকেই পতন শুরু…”, উদ্ধবকে ট্যুইট-বাণ রাজ ঠাকরের

    এদিকে, শিন্ডেকে সবক শেখাতে মরিয়া হয়ে ওঠেন উদ্ধব। তার জেরে শিবসেনার সংগঠনের সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। শিন্ডেকে পাঠানো চিঠিতে উদ্ধব লিখেছেন, সম্প্রতি দেখা গিয়েছে আপনাকে দল বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হতে। আপনি শিবসেনার সদস্য পদও ছেড়ে দিয়েছেন। তাই আপনার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। উদ্ধব লিখেছেন, শিবসেনার দলীয় প্রধান হওয়ার কারণে আমি একনাথ শিন্ডেকে সমস্ত দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য এই অধিকার ব্যবহার করছি।

     

  • Maharastra political crisis: বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    Maharastra political crisis: বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অব্যাহত মহারাষ্ট্রের (Maharastra) মহাসংকট! দুভাগ হয়ে গিয়েছে বালাসাহেব ঠাকরের তৈরি শিবসেনা (Shiv Sena)। সূত্রের খবর, শিবসেনা বালাসাহেব নাম নিয়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) বাহিনী। তাদের ঠেকিয়ে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। বিদ্রোহীদের প্রতি তাঁর বার্তা, ভোটে জিততে নিজেদের বাবার নাম নাও, আমার বাবার নাম নেবে না। এদিকে, শনিবারই মধ্যরাতে গুজরাটের ভাদোদরায় শিন্ডের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশ। শিবসেনা বাঁচাতেই যে তিনি নয়া শিবসেনা গড়ছেন, এদিনই তা ফের জানিয়ে দিলেন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডে।

    আরও পড়ুন : সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গে জোট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিবাদের জেরে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তাঁরই মন্ত্রিসভার সদস্য একনাথ শিন্ডে। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে প্রথমে চলে যান গুজরাট এবং পরে সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে উড়ে যান আসামের গুয়াহাটিতে। সেখানেই অনুগতদের নিয়ে ঘাঁটি গেড়েছেন তিনি।

    তবে এর মধ্যেই শনিবার মধ্যরাতের বিশেষ বিমানে গুজরাটের ভাদোদরায় ফিরে বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে দেখা করেন শিন্ডে। সূত্রের খবর, মহারাষ্ট্রে সম্ভাব্য সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হয়েছে এই দুই নেতার। ২০১৯ সালে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে মহারাষ্ট্রের তখতে বসার আগে তিনদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ছিলেন ফড়নবীশ-ই। রাতে তাঁর সঙ্গে আলোচনার পরে ফের বিজেপি শাসিত আসামে ফিরে যান শিন্ডে। এখানকারই একটি বিলাসবহুল হোটেলে প্রায় ৪০ জন অনুগত বিধায়ককে নিয়ে রয়েছেন বিদ্রোহী এই শিবসেনা নেতা।

    আরও পড়ুন : ‘যাঁরা যেতে চাইছেন যান, নতুন শিবসেনা গড়ব’, হুঁশিয়ারি উদ্ধবের

    এদিকে, শিবসেনা বালাসাহেব নাম নিয়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে শিন্ডে বাহিনী। সে খবর কানে পৌঁছতেই ফুঁসে উঠলেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। বিদ্রোহীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ভোটে জিততে তোমরা নিজেদের বাবার নাম নাও, আমার বাবার (বালাসাহেবের) নাম নয়। তাঁর সাফ কথা, বালাসাহেবের নাম ব্যবহার করা যাবে না কোনও মতেই। কেবল হুঁশিয়ারি দিয়েই ক্ষান্ত হননি উদ্ধব। বিদ্রোহী বিধায়কদের বিরুদ্ধে সরাসরি নালিশও ঠুকলেন নির্বাচন কমিশনে। সূত্রের খবর, শিবসেনার তরফে এ ব্যাপারে একটি চিঠিও দেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। উদ্ধব বলেন, ওরা যা পারে করুক। নিজেদের ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্ত নিক। কিন্তু বালাসাহেব ঠাকরের নাম নিয়ে কিছু করা যাবে না। উদ্ধবের নেতৃত্বে এদিন শিবসেনার জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকও বসে। সেখানে নেওয়া হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। বৈঠক শেষে আদিত্য ঠাকরে বলেন, শিবসেনা বিধায়কদের ‘প্রতারণা’ আমরা কোনওদিন ভুলব না। আমরা নিশ্চিতভাবে জিতব।

    এদিকে, শিবসেনা বাঁচাতেই যে তিনি লড়ছেন, এদিন তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন শিন্ডে। বলেন, এমভিএ সরকার নামের ড্রাগনের কবল থেকে শিবসেনাকে মুক্ত করতে চাইছি আমি। এই লড়াই পার্টি কর্মীদের জন্যই।

    অন্যদিকে, শিন্ডে বাহিনীর অভিযোগ উদ্ধবের দলবল হামলা চালিয়েছে তাদের একাধিক পার্টি অফিসে। এখন নিরাপত্তার আশঙ্কায় ভুগছেন বিদ্রোহীরা। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের তরফে ১৫ জন বিধায়ককে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। এদিকে, বিদ্রোহী বিধায়কদের স্ত্রীদের বোঝানোর মরিয়া চেষ্টা করছেন উদ্ধবের স্ত্রী রশ্মি। অন্তত শিবসেনার একটি সূত্রের খবর এমনই।  

     

LinkedIn
Share