Tag: Shivaratri

Shivaratri

  • Shivaratri: শিবরাত্রির ব্রততে কোন বিধি অবশ্যই মানতে হবে, কী কী করবেন না, জানেন?

    Shivaratri: শিবরাত্রির ব্রততে কোন বিধি অবশ্যই মানতে হবে, কী কী করবেন না, জানেন?

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়: পুরাণ অনুযায়ী ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণা চতুর্দশী তিথিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন শিব পার্বতী। ভক্তদের কাছে এই বিশেষ তিথির আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। বিশ্বাস মতে, এইদিনে ভক্তিভরে শিব আরাধনা করলে জীবনে সুখ শান্তি সমৃদ্ধি আসে। 

    শিবরাত্রির (Shivaratri) দিন কীভাবে শিব আরাধনা করবেন এবং কী কী বিধিনিষেধ মেনে চলবেন তা জেনে নিন

    হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে, ইংরেজির ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ও বাংলার ৫ ফাল্গুন ১৪২৯ শনিবার রাত্রি ৮:০৩ ঘটিকায় শিবচতুর্দশী শুভারম্ভ এবং আগামীদিন ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ বিকাল ৪:১৮-তে মহা সমাপ্তি।

    অমৃতযোগঃ

    শাস্ত্র অনুযায়ী, অমৃতযোগ চলাকালীন লিঙ্গাভিষেক অত্যন্ত শুভ ফলপ্রদ! এ সময় লিঙ্গাভিষেক করলে পুত্র সন্তান প্রাপ্তি হয়, শুভ কাজে আসা সমস্ত বিঘ্ন কেটে যায়। জীবনে সাফল্য আসে। ছাত্ররা পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হয়।

    এবছরে অমৃতযোগের শুভক্ষণগুলি হল

    রাত্রি  ০৮:৪৬-১১:১৮ (১৮ ফেব্রুয়ারি)
    রাত্রি  ০১:০০-০২:৪২ (১৯ ফেব্রুয়ারি)
    ভোর  ০৩:৩৩-০৫:১৫ (১৯ ফেব্রুয়ারি)
    সকাল  ০৭:৪২-১০:৪২ (১৯ ফেব্রুয়ারি)

    কী কী বিধি মেনে চলবেন

    পণ্ডিতরা বলছেন, শিবরাত্রির (Shivaratri) আগের দিন “সংযম” ব্রত পালন করা উচিত। সাত্ত্বিক আহার অর্থাৎ নিরামিষ ও হালকা খাদ্য গ্রহণ করতে হয়। পবিত্র চিন্তা করা উচিত।

     শিবরাত্রির (Shivaratri) দিন কালো তিল ভেজানো জলে সূর্যোদয়ের পূর্বে স্নান করতে হবে, এই মন্ত্রটি পাঠ করে- “ওঁ ত্র্যম্বকং যজামহে সুগন্ধিং পুষ্টি বর্দ্ধনম্। উর্বারুকমিব বন্ধনান্মৃত্যোমুক্ষীয় মামৃতাৎ।।” স্নান সেরে পরিষ্কার পোশাক পরতে হবে।

     স্নানের পর সারাদিন উপোস করে থাকতে হবে, তবে ব্রাহ্মণের বিধান অনুযায়ী তরল জাতীয় কিছু পান করা যেতে পারে ভোলানাথের মাথায় জল ঢালার আগে! তবে অনেকে নির্জলা উপোষ করে থাকেন। সারাদিন এই মন্ত্রটি পাঠ করে যেতে হবে “ওঁ নমঃ শিবায়”।

    শিবরাত্রির (Shivaratri) পূজা চারটি প্রহরে হয়, এবছরের প্রহরের সময়গুলি হল –

    প্রথম প্রহরের পূজা – ১৮ ফেব্রুয়ারি, বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪২ মিনিট। এই সময় দুধ দিয়ে অভিষেক করানোর বিধি দিচ্ছেন শাস্ত্রকাররা।

    দ্বিতীয় প্রহরের পূজা – ১৮ ফেব্রুয়ারি, রাত ৮টা ৪২ মিনিট থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট। এই প্রহরের পুজোতে দই দিয়ে অভিষেক করতে বলছেন পণ্ডিতরা। 

    তৃতীয় প্রহরের পূজা – ১৮ ফেব্রুয়ারি, রাত ১১টা ৫০ মিনিট থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ২টা ৫৮ মিনিট। ঘি দিয়ে অভিষেকের বিধান রয়েছে এই প্রহরের পুজোতে।

    চতুর্থ প্রহরের পূজা – ১৯ ফেব্রুয়ারি, রাত ২টা ৫৮ মিনিট থেকে সকাল ৬টা ০৬ মিনিট। এই প্রহরের পুজোতে মধু দিয়ে অভিষেক করতে বলছেন পণ্ডিতরা।

    শিবপুজোর উপকরণ

    দুধ, দই, ঘি, মধু, সাদা-চন্দন, বেলপাতা, আকন্দ, ধুতুরা, অখণ্ড চাল, ভাঙ, সাদা ফুল, অপরাজিতা ফুল, মরশুমি ফল এবং বেল, প্রদীপ, কর্পূর, মিষ্টান্ন ইত্যাদি। পিতলের পাত্র ব্যবহার করবেন, অভিষেক করতে।

    কোন কোন উপকরণ ব্যবহার করা যাবেনা

    ১)অভিষেকের জন্য স্টিল, তামা, লোহার পাত্র ব্যবহার করা যাবে না।
    ২)হলুদ, সিঁদুর, কুমকুম ব্যবহার করা যাবে না।
    ৩)তুলসী পাতা ব্যবহার করা যাবে না।
    ৪)ভাঙা চাল ব্যবহার করা যাবে না।
    ৫)শঙ্খ থেকে জল অর্পণ করা যাবে না।
    ৬)শঙ্খ বাজানো যাবে না।
    ৭)করতাল বাজানো যাবে না।
    ৮)উগ্র সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে না।
    ৯)ডাব বা নারকেলের জল ব্যবহার করা যাবে না।

    উপবাস ভঙ্গঃ পূজা কার্যাদি পরিপূর্ণ করার পর ব্রাহ্মণের বিধান অনুযায়ী খাদ্য গ্রহণ করে উপোস ভঙ্গ করা যাবে।

    সমগ্র নিয়ম সঠিকভাবে পালন করে পূজার কাজ করতে পারলে আপনার সমস্ত মনোবাসনা পূর্ণ হবে এবং আপনি মহাদেবের আশীর্বাদ প্রাপ্ত হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Shivaratri: এবছর মহা শিবরাত্রি তিথিতে একাধিক শুভযোগ, ব্রতপালনে কী কী ফল মিলবে জানুন

    Shivaratri: এবছর মহা শিবরাত্রি তিথিতে একাধিক শুভযোগ, ব্রতপালনে কী কী ফল মিলবে জানুন

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়: সারা বছর ধরেই শিবলিঙ্গের পুজো চলে। দেবাদিদেব মহাদেব অল্পতেই সন্তুষ্ট। পুজোর উপকরণ বলতে দুধ, বেলপাতা, গঙ্গাজল সঙ্গে ধুতুরা ফুল বা যে কোনও সাদা ফুল হলে ভাল হয়। শিব আরাধনার সবচেয়ে বড় উৎসব হল মহাশিবরাত্রি (Shivaratri)। সারা বিশ্বজুড়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই বিশেষ তিথিতে মেতে ওঠেন শিব পুজোয়।

     সাধারণভাবে প্রতিমাসে একটি করে শিবরাত্রি (Shivaratri) থাকে তবে হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী প্রতি বছর কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হওয়া মহাশিবরাত্রি সবচেয়ে পবিত্র মানা হয়। এই দিন উপোস করে ব্রত পালন করেন ভক্তরা। সন্ধ্যায় শিবলিঙ্গের পুজো হয়। হিন্দুপুরাণ মতে এই তিথিতে বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন শিব ও পার্বতী। পণ্ডিতদের মতে, ২০২৩ সালে মহাশিবরাত্রি তিথিতে একাধিক শুভ যোগের বিশেষ সংযোগ তৈরি হচ্ছে।

    এবছরের মহাশিবরাত্রি (Shivaratri) তিথি এবং চার প্রহরের পুজোর নির্ঘণ্ট

     চলতি বছর ১৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার মহাশিবরাত্রি পালিত হবে। পঞ্জিকা অনুযায়ী, চতুর্দশী তিথির সূচনা হচ্ছে – ১৮ ফেব্রুয়ারি, রাত ৮টা ০২ মিনিটে এবং সমাপ্ত হচ্ছে – ১৯ ফেব্রুয়ারি, বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটে।

    মহাশিবরাত্রিতে (Shivaratri) চার প্রহরের পুজো হয়

    এবছর প্রথম প্রহরের পূজার সময় – ১৮ ফেব্রুয়ারি, বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিট থেকে রাত ৮টা ৪২ মিনিট। 
    দ্বিতীয় প্রহরের পূজার সময় – ১৮ ফেব্রুয়ারি, রাত ৮টা ৪২ মিনিট থেকে রাত ১১টা ৫০ মিনিট। 
    তৃতীয় প্রহরের পূজার সময় – ১৮ ফেব্রুয়ারি, রাত ১১টা ৫০ মিনিট থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ২টা ৫৮ মিনিট।
    চতুর্থ প্রহরের পূজার সময় – ১৯ ফেব্রুয়ারি, রাত ২টা ৫৮ মিনিট থেকে সকাল ৬টা ০৬ মিনিট। 
    ব্রতভঙ্গের সময় – ১৯ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৬টা ০৬ মিনিট থেকে দুপুর ২টা ৪৩ মিনিট। শিবরাত্রিতে (Shivaratri) নিশীথ কালে পুজোর বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। ১৯ ফেব্রুয়ারি, রাত ১১টা ২৫ মিনিট থেকে মধ্যরাত ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত নিশীথ কাল থাকবে।

    চলতি বছরের মহাশিবরাত্রিতে (Shivaratri) তৈরি হচ্ছে অনেকগুলি শুভযোগ

    জ্যোতিষীরা বলছেন, এবছরের মহাশিবরাত্রিতে (Shivaratri) বিশেষ সংযোগ থাকছে। এই দিনেই শনি প্রদোষ ব্রত পড়েছে। এই ধরনের সংযোগ শনি দোষ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য অত্যন্ত ফলদায়ক বলে মনে করা হয়। শুধু তাই নয়, যাঁরা পুত্র লাভ করতে চান তাঁদের জন্যও এই সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সন্তান লাভের পথে বাধা এলে তাঁরা এই যোগে পূজার্চনা করে নিজের মনস্কামনা পূর্ণ করতে পারেন। সর্বার্থ সিদ্ধি যোগও এই দিনে গঠিত হচ্ছে।

    শিবরাত্রিতে গ্রহের অবস্থান এ সময় স্বরাশি কুম্ভে বিরাজ করবেন শনি। সূর্য ১৩ ফেব্রুয়ারি কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করবে। যে কারণে আবার শনি-সূর্যের যুতি তৈরি হবে। শনি অস্ত অবস্থায় থাকবেন। যার ফলে সূর্যের প্রভাব বৃদ্ধি পাবে। এই সংযোগ কেরিয়ার ও আর্থিক দিক দিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে মনে করা হয়। এই শুভ যোগে শিবের পুজো করলে শনির দোষও দূর হবে। এই সময় বৃহস্পতি মীন রাশিতে বিরাজ করবে। যার ফলে হংস রাজযোগ তৈরি হবে, যা কেরিয়ারের জন্য অত্যন্ত লাভদায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share