Tag: Shraddha murder case

Shraddha murder case

  • Shraddha Murder Case: আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট! শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে রহস্যময় অডিও ক্লিপ

    Shraddha Murder Case: আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট! শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে রহস্যময় অডিও ক্লিপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর হত্যাকাণ্ডে (Shraddha Murder Case) এল নয়া মোড়। এবারে পুলিশের হাতে এল অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালার অডিও রেকর্ড। এই রেকর্ডিংকে ‘বড় প্রমাণ’ বলেই মনে করছে পুলিশ। তবে কি অডিও রেকর্ডিং থেকেই জানা যাবে শ্রদ্ধা খুনের আসল রহস্য? কী জানাল পুলিশ?

    পুলিশের হাতে এল আফতাবের অডিও রেকর্ডিং

    আফতাবের যে নতুন অডিওটি পাওয়া গিয়েছে, তাতে শোনা গিয়েছে, শ্রদ্ধার সঙ্গে কোনও বিষয় নিয়ে তাঁর কথা কাটাকাটি চলছে। আর সেটি পৌঁছে গিয়েছে চরম পর্যায়ে। তদন্তকারীদের দাবি, এই অডিও ক্লিপ পরীক্ষা করার পর বোঝা যাবে যে, ঠিক কী নিয়ে এই দুই লিভ ইন পার্টনারের মধ্যে ঝামেলা চলছিল। আদালতের নির্দেশের পর, সোমবার ফরেন্সিক দল আফতাবের গলার স্বরের নমুনা সংগ্রহ করে। তার পর তা নতুন পাওয়া অডিও রেকর্ডটির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এর পরেই বেরিয়ে আসবে আসল তথ্য, এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সময়ের আগেই পৌঁছল গন্তব্যে, ট্রায়াল রানেই সুপারহিট বন্দে ভারত এক্সপ্রেস

    কেন শ্রদ্ধাকে (Shraddha Murder Case) খুন করা হয়েছিল? কী কারণে এত অত্যাচারের পরেও শ্রদ্ধা সম্পর্কে থেকে গিয়েছিলেন? ঠিক কী কী সমস্যা ছিল দু’জনের মধ্যে? তদন্তকারীদের দাবি, এসবের জবাব পাওয়া যেতে পারে নতুন এই অডিও ক্লিপ থেকে।

    আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট

    পলিগ্রাফ, নারকো টেস্টের পর এদিন কেন্দ্রীয় ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে আফতাবের ভয়েস স্যাম্পেলও নেওয়া হল। এদিন দিল্লি কোর্ট জানিয়েছে, তদন্তকারী অফিসার যে ভয়েস স্যাম্পেলের দাবি করেছেন, তার অনুমতি দেওয়া হল। এরপরই আফতাব পুনাওয়ালার ভয়েস স্যাম্পেলের অনুমতি দেয় কোর্ট। আদালতের নির্দেশে সিবিআইয়ের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এই ভয়েস স্যাম্পেল নিয়েছেন। নতুন অডিও ক্লিপের সঙ্গেও তা মিলিয়ে দেখা হবে। আবার এই ভয়েস স্যাম্পলিং নিয়ে আফতাবের আইনজীবী বিরোধিতা করলেও কোর্ট থেকে স্পষ্ট জানানো হয়, একমাত্র নারকো, পলিগ্রাফের মত পরীক্ষার জন্য অভিযুক্তের সম্মতি নেওয়ার প্রয়োজন পরে। ভয়েস স্যাম্পলিং-এর ক্ষেত্রে অনুমতি লাগে না। সেই কারণেই তদন্তকারী অফিসারের অনুরোধে আজ সম্মতি দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবারই আফতাবের জেল হেফাজতের মেয়াদ আরও ১৪ দিন বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর থেকে তাঁকে হেফাজতেই রাখা হয়েছে (Shraddha Murder Case)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shraddha Murder Case: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

    Shraddha Murder Case: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে (Shraddha Murder Case) নৃশংসভাবে খুন করে, দেহ ৩৫ টুকরো করেছিল আফতাব আমিন পুলাওয়ালা। ফলে তিহার জেলে দিন কাটছে আফতাবের। তবে কোনওরকমের অনুশোচনা নেই তার। খোশমেজাজেই দিন কাটছে তার। জেলে দিন কাটছে দাবা খেলে ও বই পড়ে। জেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলে শান্তই রয়েছে আফতাব। বেশিরভাগ সময়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখে সে। তার দাবি অনুযায়ী, তাকে একটি বইও দেওয়া হয়েছে। ফলে এইসবেই মজে ‘কিলার’ আফতাব।

    কী বই পড়ছে আফতাব?

    তিহার জেল সূত্রে খবর, আফতাব (Shraddha Murder Case) ইংরেজি বই পড়তে চেয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষের তরফে সেই দাবি মেনে ইংরেজি বই ‘দ্য গ্রেট রেলওয়ে বাজার: বাই ট্রেন থ্রু এশিয়া’ নামক একটি বই দেওয়া হয়েছে আফতাবকে। এটি একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বই। এই বই সম্পর্কে জেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, আফতাবকে যে বইটি দেওয়া হয়েছে তা বিদেশি লেখক পল থেরক্সের লেখা। এই বইয়ে কোনও অপরাধের উল্লেখ নেই এবং বইয়ের বিষয়বস্তুও এমন কিছু নয়, যা পড়ে আফতাব তার সঙ্গে থাকা বন্দিদের ক্ষতি করতে পারে।

    দাবা খেলায় মজে আফতাব

    পুলিশ জানিয়েছে, জেলে বেশির ভাগ সময় আফতাব দাবা খেলে। পুনাওয়ালা দাবা খেলার পরিকল্পনা করে সময় কাটায় ও একা থাকতেই পছন্দ করে। তাকে মাঝে মাঝে দুই জেলবন্দীর সঙ্গে ঝগড়া করতেও দেখা গিয়েছে। উল্লেখ্য, আফতাবের সেলে আরও দুই বন্দি রয়েছে, যারা চুরির অপরাধে অভিযুক্ত। দুইজনকেই জেল কর্তৃপক্ষের তরফে আফতাবের উপরে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে (Shraddha Murder Case)।  

    পুলিশ কী জানিয়েছে?

    অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, আফতাবকে দাবা খেলায় বেশ পারদর্শী মনে হয়েছে। সে নিজেই নিজের প্রতিপক্ষ হিসাবেও দাবা খেলে। তাঁকে হারানো খুবই কঠিন। ফলে তার দাবা খেলার চাল দেখে মনে হচ্ছে, সে কতটা ধূর্ত ও তীক্ষ্ণ মস্তিষ্কের। জেলসূত্রে জানা গিয়েছে, তার দাবা খেলার এক-একটি চাল দেখে মনে হচ্ছে শ্রদ্ধা ওয়ালকরের হত্যাও তার দাবা কৌশলের মতো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল। আবার এই হত্যাকাণ্ডের এক তদন্তকারী জানিয়েছে, পুলিশ তাকে যা করতে বলেছিল তা পুরোপুরি অনুসরণ করেছে। সে তার অপরাধও স্বীকার করেছে, পুলিশকে সহযোগিতা করেছে এবং পলিগ্রাফ ও নারকো টেস্টেও রাজি হয়েছে। কিন্তু এখন তার ‘ভালো’ আচরণেও সন্দেহ হচ্ছে পুলিশের।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে আফতাবের নারকো ও পলিগ্রাফ টেস্ট দুই-ই করা হয়েছ। দুটিতেই সে শ্রদ্ধাকে খুন করার কথা স্বীকার করেছে। এরপর অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার ব্রেন ম্যাপিংও (Brain Mapping) করতে পারে দিল্লি পুলিশ। ব্রেন ম্যাপিং- এর ফলে ব্রেনের পরিস্কার ছবি পাবেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পরবর্তীতে তদন্তে সাহায্য করবে।

  • Aftab Poonawalla: নারকো টেস্ট চলাকালীন অবচেতন মনে কী কী বলল আফতাব?

    Aftab Poonawalla: নারকো টেস্ট চলাকালীন অবচেতন মনে কী কী বলল আফতাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পলিগ্রাফ টেস্টের পর বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) নারকো পরীক্ষাও করা হল অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালার (Aftab Poonawalla)। আর এই পরীক্ষা চলাকালীনই বেরিয়ে এল একের পর এক সত্য। এদিন সে আবার বলে, “হ্যাঁ, আমিই খুন করেছি শ্রদ্ধাকে।” সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল তাকে রোহিণীর বাবা সাহেব আম্বেদকর হাসপাতালে সকালে নিয়ে যাওয়া হয় ও প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে চলে তার নারকো টেস্ট। জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে আফতাবের কাছ থেকে একাধিক গুরুত্বপুর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

    আফতাবের নারকো টেস্ট

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল আফতাবকে (Aftab Poonawalla) তিহার জেল থেকে কড়া নিরাপত্তায় বাবা সাহেব আম্বেদকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সকাল প্রায় ৮টা ৪০ মিনিটে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ও তাকে কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করার পর তার নারকো টেস্ট শুরু হয় সকাল ১০টা নাগাদ। এরপর দু’ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর দুপুর ১টার দিকে ফের তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এফএসএল থেকে জানানো হয়েছে, যদি পুলিশ এবং ফরেনসিক দল তার উত্তর সন্তোষজনক না মনে হয়, তবে আফতাবকে আরেকটি নারকো পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: শেষ হল পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ডিসেম্বরের শুরুতেই আফতাবের নারকো টেস্ট?

    নারকো টেস্টে কী কী বলল আফতাব?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, নারকো পরীক্ষায় অবচেতন মনে শ্রদ্ধাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে আফতাব (Aftab Poonawalla)। পলিগ্রাফ টেস্টের মত এই টেস্টেও সে শ্রদ্ধাকে খুনের কথা স্বীকার করেছে। পরীক্ষার সময় আফতাব দাবি করেছে, রাগ ও ক্ষোভের বশেই সে শ্রদ্ধাকে হত্যা করেছিল। পাশাপাশি সে জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৭টি অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, হত্যার পর সেই সব অস্ত্র সে কোথায় ফেলেছে, তাও জেরায় জানিয়েছে আফতাব। শ্রদ্ধার মোবাইল ও জামাকাপড় কোথায় ফেলেছে, তাও এদিন জানিয়েছে আফতাব।

    আরও জানা গিয়েছে, গতকাল আফতাবের স্বাস্থ্যের অবস্থা ভালো ছিল ফলে পুনাওয়ালার নারকো পরীক্ষা সম্পূর্ণ সফল হয়েছে। পুলিশ কমিশনার সাগর প্রীত হুডা জানিয়েছেন, নারকো টেস্টের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে ও  পরীক্ষার পরেও তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছিল। তবে আরও জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র পলিগ্রাফ টেস্ট বা নারকো টেস্টই যথেষ্ট নয়, দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, যদি তার পলিগ্রাফ এবং নারকো বিশ্লেষণের ফলাফল অনিশ্চিত হয়, তবে তারা অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার ব্রেইন ম্যাপিং করাতে পারে। ফলে পুনাওয়ালার ব্রেন ম্যাপিং করার জন্য আদালতের অনুমতি চাইতে যেতে পারে তারা। পরে আর কোনও নারকো টেস্ট হয় কিনা আফতাবের (Aftab Poonawalla) বা টেস্ট হলেও নতুন কোন তথ্য সামনে বেরিয়ে আসে, সেটাই এখন দেখার।

  • Delhi Murder: ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে…’, পলিগ্রাফ টেস্টে কী বলল আফতাব?

    Delhi Murder: ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে…’, পলিগ্রাফ টেস্টে কী বলল আফতাব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে পুলিশের হাতে (Delhi Murder)। শ্রদ্ধাকে নৃশংসভাবে খুনের দায়ে বর্তমানে জেলবন্দী আফতাব। এরমধ্যেই তার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছে। প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে পলিগ্রাফ টেস্ট চলাকালীন তাকে প্রায় ৪০টির মত প্রশ্ন করা হয়। আর প্রশ্নের উত্তরে যা যা উত্তর দিয়েছে, তা জানলে আপনার গা শিউরে উঠবে। আফতাব জানিয়েছে, ফাঁসিতে টাঙানো হলেও নাকি তার কোনও আফসোস থাকবে না, বরং সে জন্নতের হুর পাবে। আরও এমন এমন দাবি করেছে, যা শুনলে আপনি চমকে উঠবেন।

    শ্রদ্ধাকে খুন করে ‘জন্নত হাসিল’

    পলিগ্রাফ টেস্ট চলাকালীন শ্রদ্ধাকে খুন করার (Delhi Murder) বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে সে বলেছে, ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে হুর পাব।’  সে আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধার খুনে তাকে ফাঁসির সাজা দিলেও তাতে সে দুঃখিত হবে না, বরং সে যখন জন্নতে প্রবেশ করবে, তখন তাকে নায়ক হিসাবে স্মরণ করা হবে।

    আরও পড়ুন: আফতাবের উপর হামলা! ধৃত ২ জনকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ

    পলিগ্রাফ টেস্ট আর কী কী বলল?

    আফতাব পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, সে শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পর্কে থাকাকালীন ২০টিরও বেশি হিন্দু মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে ছিল। হিন্দু মহিলাদের টার্গেট করতে এবং তাদের ফাঁদে ফেলার জন্য বাম্বল (Bumble) অ্যাপ ব্যবহার করত সে। শ্রদ্ধাকে খুনের পর আফতাব তার অ্যাপার্টমেন্টে একজন সাইকোলজিস্টকেও নিয়ে এসেছিল। তিনিও হিন্দু নারী ছিলেন। আফতাব আরও জানিয়েছে, তাঁকে একটি আংটিও দিয়েছিল, যেটি শ্রদ্ধারই ছিল (Delhi Murder)। আফতাব আরও বলেছে, শ্রদ্ধাকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করতে তার একটুও খারাপ লাগেনি। তার পরিকল্পনা ছিল মুম্বইতেই শ্রদ্ধাকে খুন করে কেটে ফেলা (Delhi Murder)।

    এই নিয়ে মোট তিনবার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছে আফতাবের। কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আরও একবার ধৃতের পলিগ্রাফ টেস্ট করাতে চায় তদন্তকারীরা। তদন্তকারীদের দাবি, পলিগ্রাফ টেস্টের সময় আফতাব এমন কিছু সত্যি সামনে এনেছে যা তদন্তের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনেকটাই সাহায্য করছে। উল্লেখ্য, দিল্লির একটি আদালত পুলিশকে পাঁচ দিনের মধ্যে নারকো টেস্ট শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এই পরীক্ষার পরে আর কী কী তথ্য বেরিয়ে আসে, তারই অপেক্ষায় দেশবাসী। 

  • Shraddha Walkar: ন্যূনতম সময়ের মধ্যে উপযুক্ত শাস্তি পাবে শ্রদ্ধা হত্যাকারী! কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    Shraddha Walkar: ন্যূনতম সময়ের মধ্যে উপযুক্ত শাস্তি পাবে শ্রদ্ধা হত্যাকারী! কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলায় এবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থা সুবিচার নিশ্চিত করবে।” তিনি আরও জানান, “গোটা ঘটনার উপরে আমার নজর রয়েছে। আমি দেশবাসীকে বলতে চাই, যে ব্যক্তিই এই ঘৃণ্য কাজ করুক, আইনের সাহায্যে ন্যূনতম সময়ের মধ্যে তাঁকে শাস্তি দেওয়া হবে। সঠিক বিচার যাতে হয়, তা নিশ্চিত করবে আদালত, দিল্লি পুলিশ ও বিচারব্যবস্থা।”

    দিল্লি ও মুম্বই পুলিশের যৌথ তদন্ত 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, দিল্লি ও মুম্বই পুলিশ মিলিতভাবে শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলার তদন্ত করছে। দিল্লি ও মুম্বই পুলিশের মধ্যে সমন্বয়ের কোনও অভাব নেই। তিনি বলেন, “শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলায় সম্প্রতিই যে চিঠিটি এসেছে, তাতে দিল্লি পুলিশের কোনও ভূমিকা নেই। শ্রদ্ধা ওয়ালকার মহারাষ্ট্রের একটি থানায় ওই চিঠিটি জমা দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি লিখেছিলেন আফতাব হয়তো তাঁকে টুকরো টুকরো করে কেটে ফেলবে। সেই সময় কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। ওই বিষয় নিয়েও তদন্ত করা হবে। ওই সময় আমরা সরকারে ছিলাম না…এই ঘটনায় যেই-ই দায়ী হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” 

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    দিল্লিতে শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যার অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাঁর লিভ ইন পার্টনার আফতাবকে। সূত্রের খবর, গতকাল আফতাব আদালতে স্বীকার করে নিয়েছে শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে হত্যার কথা। পাশাপাশি সামনে এসেছে মুম্বাইয়ের ভাসাই থানায় আফতাবের বিরুদ্ধে আগেই অভিযোগ করেছিলেন শ্রদ্ধা। কিন্তু তখন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। আর এই প্রসঙ্গ তুলে মহারাষ্ট্র সরকারকে তোপ দেগেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন অমিত শাহ রীতিমতো কড়া ভাষায় বলেন, ”শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন, তাঁকে টুকরো করে ফেলবেন তাঁর প্রেমিক। তবুও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এর দায় যাঁর, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।” 

    শ্রদ্ধার চিঠি

    ২০২০ সালে শ্রদ্ধা তাঁর লিভ-ইন পার্টনার আফতাব পুনাওয়ালার নামে মহারাষ্ট্র পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে, আফতাব তাঁকে মাঝেমধ্যেই মারধর করে। এমনকী কেটে টুকরো টুকরো করে ফেলার হুমকিও দেয়। সেইসময় দেশজুড়ে করোনা পরিস্থিতি। তখন দু’জনে মহারাষ্ট্রের ভেসাইয়ে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। সেই বছরই ২৩ নভেম্বর পুলিশকে এই চিঠিটি লিখেছিলেন শ্রদ্ধা। যার ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছিল অত্যাচার, মারধরের কথা। উল্লেখ্য, মুম্বই বিজেপির প্রধান আশীষ শেলারও ২০২০ সালে শ্রদ্ধা ওয়ালকার তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী আফতাব আমিন পুনাওয়ালার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র পুলিশের কাছে চিঠি লিখে যে অভিযোগ জানিয়েছিলেন, তা নিয়ে কেন পদক্ষেপ করা হয়নি, সেই বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন।

  • Aftab Poonawalla: শেষ হল পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ডিসেম্বরের শুরুতেই আফতাবের নারকো টেস্ট?

    Aftab Poonawalla: শেষ হল পলিগ্রাফ পরীক্ষা, ডিসেম্বরের শুরুতেই আফতাবের নারকো টেস্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেমিকা তথা লিভ-ইন পার্টনাার শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে নৃশংসভাবে খুন করে তাঁর ৩৫ টুকরো করেছিল আফতাব। এরপর দেহের টুকরোগুলো দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ফেলে দিয়ে আসে সে। আর এই হত্যাকাণ্ডের সত্যিটা উদ্ধার করেতই পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয় অভিযুক্ত আফতাবের। অবশেষে ছ’দিন পর সেই পলিগ্রাফ টেস্ট করা অবশেষে শেষ হল। আর এবারে নারকো টেস্টের পালা।

    অবশেষে শেষ হল পলিগ্রাফ টেস্ট

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গতকাল সকাল ১০টায় রোহিণী ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে কড়া নিরাপত্তার সঙ্গে নিয়ে যাওয়া আফতাবকে। এরপর টানা ৫ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর দুপুর ৩ টের দিকে পলিগ্রাফ টেস্ট শেষ হয় তার। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছিল, শ্রদ্ধাকে খুন করার পর বিন্দুমাত্র আক্ষেপ নেই তার। সে আরও দাবি করেছিল যে, শ্রদ্ধাকে খুন করে সে জন্নতের হুর পাবে।

    এক সিনিয়র এফএসএল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আফতাবের পলিগ্রাফ পরীক্ষা সম্পূর্ণ হয়েছে এবং তাঁরা দু-এক দিনের মধ্যে টেস্টের যাবতীয় তথ্য বিস্তারিত ভাবে দিল্লি পুলিশকে দেবে। তিনি জানান, বিস্তারিত প্রতিবেদনে সমস্ত প্রশ্ন ও উত্তর থাকবে। আফতাবের প্রতিটি উত্তরের জন্য, এফএসএল বিজ্ঞানীরা তাদের মতামত দেবেন, ও সেটির উপর ভিত্তি করেই জানা যাবে যে আফতাব সত্যি বলেছে নাকি মিথ্যা।

    আরও পড়ুন: ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে…’, পলিগ্রাফ টেস্টে কী বলল আফতাব?

    নারকো টেস্ট আফতাবের

    মঙ্গলবারই দিল্লির আদালতের তরফে দিল্লি পুলিশকে নারকো টেস্টের অনুমতি দেওয়া হয়। আগামী ১ ও ৫ ডিসেম্বর দিল্লির রোহিনীর ফরেন্সিক আদালতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পলিগ্রাফ টেস্টই যথেষ্ট নয়, আফতাব আমিনের মুখ থেকে সত্যিটা বের করতে দিল্লি পুলিশের তরফে আদালতে নারকো পরীক্ষার অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। অবশেষে সেই পরীক্ষা করানোর জন্য অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। এক্ষেত্রে আফতাবেরও অনুমতি নেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, সত্যি জানার জন্য এই পরীক্ষায় একধরনের ড্রাগ ব্যবহার করা হয়, যাকে ট্রুথ সেরাম বলা হয়। সোডিয়াম পেন্টোথাল, স্কোপোলামাইন ও সোডিয়াম অ্যামাইটাল দিয়ে তৈরি এই সেরাম কোনও ব্যক্তির উপরে প্রয়োগ করলে তিনি অ্যানেসথেসিয়ার বিভিন্ন ধাপে প্রবেশ করেন। হাইপোনেটিক অবস্থায় জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ পাওয়ায়, সেই সময় সত্যি কথা বলার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। ফলে আফতাবের মুখ থেকে পুরো সত্যিটা জানতে এই পদ্ধতিকেই বেছে নিয়েছে দিল্লি পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Delhi-Mehrauli Murder: বাথরুমেই শ্রদ্ধার দেহ টুকরো করে আফতাব! অনুমান পুলিশের

    Delhi-Mehrauli Murder: বাথরুমেই শ্রদ্ধার দেহ টুকরো করে আফতাব! অনুমান পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কে চালাবে সংসারের খরচ এই নিয়েই বচসা শুরু হয়েছিল ১৮ মে। তারপরই সেই ভয়ঙ্কর পরিণতি আড়াই বছর ধরে লিভ-ইনে থাকা সঙ্গীর হাতে খুন হয় শ্রদ্ধা। পুলিশের জেরায় এমনই জানিয়েছে আফতাব। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের সবরকম প্রয়াস চালায় সে। শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে। তারপর রাতের অন্ধকারে তা ফেলে আসে জঙ্গলে। এখনও পর্যন্ত শ্রদ্ধার দেহের মাত্র ১০ থেকে ১৩টি হার পাওয়া গিয়েছে। 

    পুলিশের হাতে এখনও পর্যন্ত যা মিলেছে

    খুলি অধরা: শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করা হলেও তার মাত্র ১০ থেকে ১৩ টি হার পেয়েছে পুলিশ। ৬ মাস আগের ঘটনা। পুলিশ সূত্রে খবর, এই দেহাংশ খুঁজে বার করা বেশ কঠিন। দেহাংশ পচে যেতে পারে, কোনও জীবজন্তু তা খেয়ে ফেলতে পারে। তবে শ্রদ্ধার খুলির খোঁজ চলছে। 

    ফরেন্সিক ল্যাব: দেহাংশগুলি ফরেন্সিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। সেগুলি আদতে শ্রদ্ধার না অন্য কিছুর তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    রক্তের দাগ: আফতাবের (Aftab Amin Poonawala) দিল্লির ছত্তরপুরের ফ্ল্যাটে একাধিক রক্তের দাগ মিলেছে। রান্নাঘর-সহ ফ্ল্যাটের একাধিক জায়গায় মিলেছে রক্তের দাগ।

    ডিএনএ পরীক্ষা: রক্তের দাগ শ্রদ্ধার শরীরের কি না, তা খতিয়ে দেখতে নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। এসবের পাশাপাশি আফতাবের ফ্ল্যাট থেকে যে রক্তের দাগ মিলেছে, তার ডিএনএ পরীক্ষা করতে শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ ওয়ালকরকেও ডাকা হয়েছে দিল্লি পুলিশের তরফে। আফতাবের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা রক্তের নমুনার ডিএনএ পরীক্ষার পর তা ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: নিজের পাতা ফাঁদেই ধরা পড়ল আফতাব! শ্রদ্ধা খুনে নয়া দিক

    জলের বিল: আফতাবের ওই ফ্ল্যাটের জলের বিল বকেয়া রয়েছে। ওই মাসে ৩০০টাকা জলের বিল আসায়, পুলিশের অনুমান রক্তের দাগ ধোয়ার জন্য প্রচুর জল খরচ করেছে আফতাব।  

    শাওয়ারের নীচেই আশ্রয়: শ্রদ্ধাকে বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার পর সেখনাকার শাওয়ার ছেড়ে দেয় আফতাব। তারপর দেহ টুকরো করতে থাকে। শাওয়ারের তলায় পুরো কাজটি করে সে। যাতে রক্ত শাওয়ারের জলে ভেসে বাইরে চলে যেতে পারে খুব সহজে, তাই  এই পদ্ধতি। 

    সিসিটিভি ফুটেজ: কোনও ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু যে কোনও জায়গায় ১৫ দিনের সিসিটিভি ফুটেজ সহজে মেলে। এক্ষেত্রে ঘটনাটি ৬ মাস আগের। তাই সেই ফুটেজ খুঁজছে পুলিশ।

    আফতাবের হাতে ক্ষতের দাগ: গত মে মাসে আফতাব একবার চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিল। তার হাতে কাটার দাগ ছিল। সে চিকিৎসককে বলে ফল কাটতে গিয়ে হাত কেটে গিয়েছে। খুব বড় আঘাত নয়। কিন্তু আঘাতটি ছিল বেশ গভীর বলে পুলিশকে জানিয়েছে ওই চিকিৎসক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share