Tag: Shraddha Walkar Murder

Shraddha Walkar Murder

  • Shraddha Walkar: শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিট দিল্লি পুলিশের, রয়েছে শতাধিক সাক্ষীর বয়ান

    Shraddha Walkar: শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিট দিল্লি পুলিশের, রয়েছে শতাধিক সাক্ষীর বয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে (Shraddha Walkar) খুন করায় অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালা বর্তমানে জেল হেফাজতে। সূত্রের খবর, আজ তার বিরুদ্ধে ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিট প্রস্তুত করেছে দিল্লি পুলিশ। এই চার্জশিটে শ্রদ্ধা খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত একাধিক প্রমাণ, তথ্য ও শতাধিক সাক্ষীদের বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। আফতাব পুনাওয়ালার গ্রেফতারের প্রায় আড়াই মাস পরে দিল্লি পুলিশ চার্জশিট জমা করতে চলেছে আদালতে।

    ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিটে কী রয়েছে?

    পুলিশ সূত্রে খবর, শ্রদ্ধার (Shraddha Walkar) খুনের ঘটনা নিয়ে তাঁর আত্মীয়, বন্ধু-বান্ধব থেকে শুরু করে প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদেরই বয়ান এই চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রায় ১০০ জনের বেশি সাক্ষীর বয়ান রয়েছে এই চার্জশিটে। শুধু তাই নয়, এই হত্যা নিয়ে আফতাব কী কী তথ্য দিয়েছে, তার শ্রদ্ধাকে খুন করার স্বীকারোক্তিরও উল্লেখ রয়েছে। আফতাবকে গ্রেফতার করার পরে আফতাবের নারকো টেস্ট, পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়েছে, সেই টেস্ট থেকে কী কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে, সেগুলোও রয়েছে চার্জশিটে। এতে রয়েছে ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট। সূত্রের খবর, সেই খসড়া চার্জশিট এখন নিরীক্ষা করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা। তার পর তা জমা পড়বে আদালতে।

    আরও পড়ুন: আফতাবের ভয়েস স্যাম্পলিং টেস্ট! শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে দিল্লি পুলিশের হাতে রহস্যময় অডিও ক্লিপ

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৮ মে আফতাবের বিরুদ্ধে শ্রদ্ধাকে (Shraddha Walkar) খুন করার অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, শ্রদ্ধাকে খুন করে ৩৫ টুকরোয় কেটে দিল্লির বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে আফতাবের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, দিল্লির আদালতে আফতাব নিজেও স্বীকার করেছিল যে, রাগের মাথায় সে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিল।

    এর পর পুলিশ দিল্লির মেহরৌলির জঙ্গল থেকে কিছু দেহাংশ, হাড়, চুল উদ্ধার করে। সেগুলি শ্রদ্ধার (Shraddha Walkar) কিনা তা নিশ্চিত করতে ডিএনএ টেস্ট করায় পুলিশ। শ্রদ্ধার বাবার সঙ্গে ডিএনএ মিলে যেতেই পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, উদ্ধার হওয়া দেহাংশ শ্রদ্ধারই। চার্জশিটে সেই ডিএনএ রিপোর্টের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে বলে দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর।

    পুলিশের দাবি, প্রাথমিক ভাবে নিজের অপরাধের কথা সে স্বীকারও করে নিলেও, তা প্রমাণ করতে মরিয়া পুলিশ। তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই নতুন নতুন তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। শ্রদ্ধা খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে, বলে আগেই জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবারে এই চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়ার পর আর কী কী তথ্য প্রকাশ্যে আসে, তারই অপেক্ষায় দেশবাসী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Brain Mapping: ব্রেন ম্যাপিং করা হতে পারে আফতাব পুনাওয়ালার, কী এই পরীক্ষা?

    Brain Mapping: ব্রেন ম্যাপিং করা হতে পারে আফতাব পুনাওয়ালার, কী এই পরীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পলিগ্রাফ, নারকো টেস্টের পর এবার শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার ব্রেন ম্যাপিং (Brain Mapping) করতে পারে দিল্লি পুলিশ। ব্রেন ম্যাপিং- এর ফলে ব্রেনের পরিস্কার ছবি পাবেন বিশেষজ্ঞরা। ব্রেনের বিভিন্ন অংশের ছবি তুলে ধরবে এই বিশেষ পদ্ধতি। যা পরবর্তীতে তদন্তে সাহায্য করবে। 

    কী পদ্ধতিতে হবে এই পরীক্ষা?

    অভিযুক্ত, যার ওপর এই ব্রেন ম্যাপিং (Brain Mapping) পরীক্ষা হবে, তাকে প্রথমে বেশ কিছু প্রশ্ন করা হবে। এটা বোঝার চেষ্টা করা হবে, যে তিনি কিছু লুকোতে চাইছেন কী না। বিশেষ কিছু বিষয়ে কথা বলতে দিয়ে বিশেষজ্ঞরা মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু জায়গাকে সক্রিয় করার চেষ্টা করবেন, যেই জায়গাগুলি স্মৃতির জন্যে দায়ী। কিছু শব্দের তালিকা দেওয়া হয়ে থাকে অভিযুক্তকে। 

    এই ক্ষেত্রে (Brain Mapping) তিন ধরনের শব্দ দেওয়া হয়ে থাকে। প্রথমত অর্থহীন কিছু শব্দবন্ধ, যার সঙ্গে মামলার কোনও সম্পর্ক থাকে না। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে এমন কিছু শব্দ দেওয়া হয়, যার সঙ্গে মামলার সরাসরি যোগ রয়েছে। তৃতীয় ক্ষেত্রে এমন কিছু শব্দ দেওয়া হয়, যা অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য। যার বিষয়ে অভিযুক্ত কিছুই জানেন না। 

    অভিযুক্তকে প্রথমে বসতে বলা হয় এবং চোখ বন্ধ করতে বলা হয়। এবার এই তিনধরনের শব্দ থেকে যখন-তখন যেকোনও শব্দ বলা হয়। ৩২ চ্যানেলের ইলেক্ট্রোড সরাসরি খুলির ওপর লাগানো থাকে। অভিযুক্তকে শব্দগুলি মন দিয়ে শুনতে বলা হয়। এই পরীক্ষায় অভিযুক্তের কোন মৌখিক প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মস্তিষ্ক কী প্রতিক্রিয়া (Brain Mapping) দিচ্ছে সেটাই দেখা হয়। মস্তিষ্কের কোন অংশ কীভাবে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে সেটাই মূলত দেখা হয় এই পরীক্ষায়। তার ভিত্তিতেই রিপোর্ট তৈরি করেন বিশেষজ্ঞরা। 

    এই পরীক্ষার ক্ষেত্রে কী আইন রয়েছে? 

    ভারতীয় শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুসারে কোনও ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তাঁর ওপর ব্রেন ম্যাপিং (Brain Mapping) , পলিগ্রাফ বা নারকো টেস্ট করা যাবে না। বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া এই পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট মূল প্রমাণ হিসেবেও গ্রাহ্য হবে না।

    আরও পড়ুন: ‘রাগের বশে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিলাম…’ আদালতে জানাল ‘কিলার’ আফতাব

    যত দিন যাচ্ছে, শ্রদ্ধা খুনের মামলায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে জোরকদমে চলছে পুলিশি তদন্ত (Brain Mapping) । এরই মাঝে শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আফতাব আদালতে স্বীকার করে নিয়েছে যে, সেই তার লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুন করেছে। আফতাব আদালতে জানায়, যা হয়েছে, রাগের বশে হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, শ্রদ্ধাকে খুন করে তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে মেহুরুলির জঙ্গলে ছড়িয়ে দিয়ে এসেছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছিল আফতাব। দিল্লি পুলিশ তাঁর সেই স্বীকারোক্তির (Brain Mapping) উপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জঙ্গলে তিন বার তল্লাশি চালায়। আর এরই মধ্যে জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মৃতদেহের খুলির একাংশ, কাটা কব্জি, হাঁটুর অংশ। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহাংশগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছে। শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। ফলে পরবর্তীতে দিল্লি পুলিশের হাতে  আর কী কী তথ্য উঠে আসে সেটাই এখন দেখার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Aftab Poonawala: আট ঘণ্টা ধরে চলল পলিগ্রাফ টেস্ট, কী কী জিজ্ঞেস করা হল আফতাবকে?

    Aftab Poonawala: আট ঘণ্টা ধরে চলল পলিগ্রাফ টেস্ট, কী কী জিজ্ঞেস করা হল আফতাবকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্ত প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালার (Aftab Poonawala) নার্কো ও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি চেয়েছিল দিল্লি পুলিশ। আদালতের নির্দেশে ইতিমধ্যেই আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু হয়েছে। গতকাল দিল্লির রোহিণীর ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (এফএসএল)-এ প্রায় আট ঘণ্টা ধরে তার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয়। এই টেস্ট চলাকালীন তাকে প্রায় ৪০টি প্রশ্ন করা হয়। শুক্রবার তাকে আবারও ডাকা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    বুধবারই তার (Aftab Poonawala) পলিগ্রাফ টেস্ট করার কথা ছিল, কিন্তু সূত্রের খবর অনুযায়ী, আফতাব জ্বরে ভুগছে। আর সেই কারণে বুধবার তার পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা যায়নি। বৃহস্পতিবারের পলিগ্রাফ পরীক্ষার সময় সে সহযোগিতা করলেও অতিরিক্ত হাঁচির কারণে কিছু রেকর্ডিং পরিস্কার হয়নি। তাই আজও তাকে আবার পরীক্ষার জন্য ডাকা হতে পারে। এফএসএল সূত্রে খবর, খুব শীঘ্রই আফতাবের পলিগ্রাফ পরীক্ষার রিপোর্ট জানা যাবে। প্রসঙ্গত, পলিগ্রাফ টেস্টের অপর নাম ‘লাই ডিটেক্টর’ টেস্ট অর্থাৎ অভিযুক্ত মিথ্যা বলছেন কি না, তা যাচাইয়ের পরীক্ষা।

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    পলিগ্রাফ টেস্টে কী কী জিজ্ঞেস করা হল?

    বৃহস্পতিবার এই পলিগ্রাফ টেস্ট শুরু হয় সকাল ১১টা ৫০ মিনিট থেকে এবং তার রক্তচাপ মাপা সহ বেশ কিছু প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়। জানা গিয়েছে যে, আফতাবকে (Aftab Poonawala) প্রশ্নগুলো হিন্দিতে করা হলেও সে ইংলিশে উত্তর দেয়।

    ১) পলিগ্রাফ টেস্টের সময়, আফতাবকে তার শৈশব, তার বন্ধুবান্ধব ও লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকরের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।

    ২) শ্রদ্ধার সঙ্গে আফতাবের সম্পর্ক ঠিক কেমন ছিল, দিল্লি বা মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে কীভাবে তাঁদের দিন কাটত, এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয়।

    ৩) এরপর শ্রদ্ধাকে খুন করার ব্যাপারে বিশদে জিজ্ঞেস করা হয়। জিজ্ঞেস করা হয়, কী কারণে সে শ্রদ্ধাকে খুন করল, কখন সে এই অপরাধ ঘটালো, খুনের পর কীভাবে সে প্রমাণ লোপাট করল ইত্যাদি।

    ৪) শ্রদ্ধার সঙ্গে ডেটিং শুরু হওয়ার পর কী কী হয়েছিল এবং কেন সে শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করার পর ফেলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাও জিজ্ঞসা করা হয়।

    ৫) আফতাবের কাছে পলিগ্রাফ পরীক্ষায় জানতে চাওয়া হয়েছে, তিনি শ্রদ্ধার মোবাইল ফোনটি কোথায় ফেলেছে। সূত্রের খবর, তার উত্তর অনুযায়ী ফোনটির খোঁজ শুরু হয়েছে।

    ৬) শ্রদ্ধার দেহকে একাধিক অংশে কেটে ফেলার জন্য যে ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করেছিল আফতাব সে সম্পর্কেও তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল।

    শ্রদ্ধা ও আফতাবের বন্ধুদের বয়ান রেকর্ড

    ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশ শ্রদ্ধা ও আফতাবের (Aftab Poonawala) বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ও তাঁদের বয়ান ১৬৪ ধারার অন্তর্গত রেকর্ড করেছে। উভয়ের বন্ধুরাই বলেছে যে শ্রদ্ধাকে আফতাব মারধর করত এবং তাঁকে প্রাণে মারার হুমকিও দিয়েছিল। পুলিশ শ্রদ্ধা ও আফতাবের বন্ধু, যিনি বেঙ্গালুরুতে থাকেন, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে। আবার শ্রদ্ধার এক বন্ধু রজত শুক্লা জানিয়েছেন, আফতাব সিগারেট দিয়েও শ্রদ্ধার গায়ে ছেঁকা দিত। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে নেমে এইসব তথ্যই পাওয়া গিয়েছে তাদের বন্ধুদের থেকে।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ আফতাবের (Aftab Poonawala) ফ্ল্যাট থেকে পাঁচটি ছুরি উদ্ধার করে, যা ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ মনে করছে এই ছুরিগুলি দিয়েই আফতাব শ্রদ্ধার দেহ টুকরো টুকরো করে। আবার পুলিশ শ্রদ্ধার চোয়ালে কিছু চুলের দাগ দেখতে পেয়েছে, যেটাকে ডিএনএ টেস্টে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বলছে, সম্ভবত আগামী সপ্তাহে আফতাবের নার্কো টেস্টও করা হবে।

  • Shraddha Walkar Murder: গাঁজার নেশায় শ্রদ্ধাকে খুন, দাবি আফতাবের

    Shraddha Walkar Murder: গাঁজার নেশায় শ্রদ্ধাকে খুন, দাবি আফতাবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত দিন এগোচ্ছে শ্রদ্ধা খুনের ঘটনায় (Shraddha Walkar Murder) আরও হাড় হিম করা তথ্য সামনে উঠে আসছে। আগেই জানা গিয়েছে যে, আফতাব ১৮ মে তে তার লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুন করে তাঁর দেহ ৩৫টি টুকরো করে জঙ্গলে ফেলে আসে। আর এর মধ্যেই জানা গিয়েছে, যে, গাঁজায় আসক্ত ছিল আফতাব। শ্রদ্ধাকে (Shraddha) খুন করার দিনেও গাঁজার নেশায় ছিল সে। ১৮ মে এই খুন গাঁজার প্রভাবে করেছে বলেও দাবি করেছে আফতাব।

    গাঁজায় আসক্ত ছিল আফতাব

    পুলিশ সূত্রে খবর, আফতাব জানিয়েছে, শ্রদ্ধা তাকে গাঁজা খাওয়ার জন্য প্রায়ই বকাঝকা করত (Shraddha Walkar Murder)। তাকে অনেকবার বারন করত গাঁজা না খেতে। এমনকি খুনের ঘটনার দিনেও নিষেধ করেছিল। ওই দিন দুজনের মধ্যে খরচ নিয়ে ঝামেলা বাঁধে। মুম্বই থেকে দিল্লিতে কে জিনিসপত্র আনবে তা নিয়ে দুজনের মধ্যে অশান্তি চরমে ওঠে। দুজনের মধ্যে বচসার পরে আফতাব বাইরে গিয়ে গাঁজা সেবন করে এবং ফিরে আসে। আফতাব জানিয়েছে, সে শ্রদ্ধাকে খুন করতে চায়নি। কিন্তু গাঁজার প্রভাবেই সে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে শ্রদ্ধাকে। দিল্লি পুলিশ সূত্রের খবর, রাত ৯টা ১০টার মধ্যে আফতাব শ্রদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারপর সে সারারাত শ্রদ্ধার নিথর শরীরের পাশে বসে বসে একের পর এক গাঁজা ভর্তি সিগারেট খেয়ে গিয়েছিল।

    ২০২০ সাল থেকেই হিংসার শিকার শ্রদ্ধা

    ইতিমধ্যে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বছর দুয়েক আগে একবার মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে (Shraddha Walker)। সে সময়ে তাঁর সারা মুখে ছিল কালশিটের দাগ। তদন্তে এমনটাই জেনেছে পুলিশ। অনুমান করা হয়েছে, হিংসার শিকার হয়েই এই অবস্থা হয়েছিল তাঁর। চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন তেমনটাই। হাসপাতালের রিপোর্ট ঘেঁটে পুলিশ জানতে পেরেছে, পিঠে তীব্র ব্যথা, বমিভাব, ঘাড়ে প্রবল ব্যথা, পা অসাড় হয়ে যাওয়া– এই সমস্ত উপসর্গ ছিল শ্রদ্ধার। এরপর হাসপাতালে তিনদিন থাকার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয় (Shraddha Walkar Murder)।

    পুলিশ শ্রদ্ধার বন্ধুবান্ধবদের জেরা করেও ইতিমধ্যেই জানতে পেরেছে, প্রায়ই মারধর করা হত শ্রদ্ধার উপর। খুন হয়ে যাওয়ার কয়েক মাস আগে ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকে মেসেজও করেছিলেন সাহায্য চেয়ে। বলেছিলেন, খুন হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু শ্রদ্ধা আফতাবের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার চেষ্টা করলেও শেষপর্যন্ত তার সঙ্গে লিভ-ইনে থেকে যায়। আর সেই থেকে যাওয়াই কাল হল শ্রদ্ধার (Shraddha Walkar Murder)।

    এই ঘটনার তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই নতুন তথ্য হাতে পাচ্ছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গতকাল আফতাবের পুলিশ হেফাজতের সময়সীমা আরও পাঁচ দিন বাড়ানো হয়েছে ও পরবর্তীতে আরও তদন্ত করার জন্য তাঁকে হিমাচল প্রদেশ বা উত্তরাখন্ডে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। এই খুনের ঘটনায় পরবর্তীতে আর কী কী তথ্য বেরিয়ে আসে, সেটিই এখন দেখার (Shraddha Walkar Murder)।

  • Shraddha Walkar Murder: নিজের পাতা ফাঁদেই ধরা পড়ল আফতাব! শ্রদ্ধা খুনে নয়া দিক

    Shraddha Walkar Murder: নিজের পাতা ফাঁদেই ধরা পড়ল আফতাব! শ্রদ্ধা খুনে নয়া দিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  প্রেমিকা শ্রদ্ধাকে খুনের পর নিজের পাতা পর পর ভুলের জালেই ধরা পড়ে যায় আফতাব। ছয় মাস আগে, গত ১৮ মে শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে খুন করে আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করে ছত্তরপুরের জঙ্গলে ছড়িয়ে দেয়। তবে শ্রদ্ধা যে খুন হয়েছে, এ কথা যাতে কেউ বুঝতে না পারে, তার জন্যই আফতাব শ্রদ্ধার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রেখেছিল। এমন কিছু কাজ করে সে, যাতে মনে হতে পারে যে শ্রদ্ধা তখনও জীবিত। আফতাব নিয়মিত লেনদেনও করত শ্রদ্ধার অ্যাকাউন্ট থেকে। কিন্তু এই চালই যে পাল্টা বিপদ হয়ে ফিরে আসবে তাঁর কাছে, এ কথা কল্পনাও করতে পারেনি আফতাব। শ্রদ্ধাকে খুনের পর মাস ছয়েক ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিলেও ওই ভুলগুলির জন্যই আফতাবকে সন্দেহ করতে শুরু করেন তদন্তকারীরা।

    গত ২৬ অক্টোবর আফতাব আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে পুলিশ। সেই সময় আফতাব জানায়, গত ২২ মে ঝগড়ার পর শ্রদ্ধা দিল্লির ছত্তরপুরের মেহরৌলির ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে গিয়েছিল। জামাকাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী রেখে, শুধু মোবাইল ফোন নিয়েই শ্রদ্ধা বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল, এমনটাই জানায় আফতাব। তার বক্তব্যের উপর ভিত্তি করেই পুলিশ শ্রদ্ধার মোবাইলের গতিবিধি, কল ডিটেলস ও সিগন্যাল লোকেশন খতিয়ে দেখে।

    ২৬ অক্টোবর আফতাবের দাবি ছিল, ‘‘২২ মে-র পর থেকে তাঁর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখেননি শ্রদ্ধা।’’ অথচ, শ্রদ্ধার মোবাইলের তথ্য খতিয়ে দেখে জানা যায়, ২২ থেকে ২৬ মে-র মধ্যে শ্রদ্ধার মোবাইল ব্যবহার করে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আফতাবের ব্যাঙ্কে ৫৪ হাজার টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে। লোকেশন ছিল— মেহরৌলির ছত্তরপুর এলাকা, যেখানে তারা একসঙ্গে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। শুধু তাই নয়। এরপরও, ৩১ মে এমনই একটি চ্যাটের সময় শ্রদ্ধার মোবাইলের লোকেশন ছিল ছত্তরপুর। এখানেই পুলিশের সন্দেহ হয়, প্রশ্ন ওঠে যদি ২২ মে বাড়ি ছেড়ে চলে যায় শ্রদ্ধা, তবে বাড়ির পাশেই কীভাবে শ্রদ্ধার ফোনের লোকেশন পাওয়া গেল।

    আফতাবকে আটক করে লাগাতার জেরা করা হয়। পুলিশের দাবি, তখনই সে স্বীকার করে যে তার কাছেই শ্রদ্ধার ফোন ও ব্য়াঙ্কিং অ্যাপের পাসওয়ার্ড থাকায় সে আর্থিক লেনদেন করেছিল। এমনকী, শ্রদ্ধার ক্রেডিট কার্ডের বিলও মিটিয়ে দিয়েছিল আফতাব, যাতে ব্যাঙ্কের তরফে শ্রদ্ধার মুম্বইয়ের ঠিকানায় কাউকে পাঠানো না হয়।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে হিন্দু লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করল মুসলিম যুবক

    কীভাবে ধরা পড়ল আফতাব

    পুলিশকে আফতাব জানায় কীভাবে পরিকল্পনা করে শ্রদ্ধাকে খুন করে সে। তার দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে যে ঘটনাবলীর কথা জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে, তার সংক্ষিপ্ত তালিকা:

    ১৫ মে, ২০২২: দিল্লির নতুন ফ্ল্যাটে আসে তারা।

    ১৮ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার সঙ্গে বচসা বাধে আফতাবের। সেদিনই সে শ্রদ্ধাকে খুন করার কথা নিশ্চিত করে। বচসার মধ্যে শ্রদ্ধা কান্নায় ভেঙে পড়লে তখনই তাঁর শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করে আফতাব

    ২১ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে আফতাব। নতুন  ফ্রিজ কিনে তাঁর দেহাংশ ফ্রিজে রাখে এবং প্রতিদিন রাত ২টোর পর শ্রদ্ধার দেহের টুকরো এক এক করে জঙ্গলে ফেলে আসতে থাকে আফতাব।

    ২২-২৬ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার অ্যাকাউন্ট থেকে ৫৪ হাজার টাকা নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করে আফতাব।

    ২৬ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার ফোন থেকে শেষ ফোন করা হয়। কল রেকর্ড থেকে সেই তথ্যই মিলেছে।

    ৩১ মে, ২০২২: শ্রদ্ধার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল থেকে তাঁর বন্ধু লক্ষ্মণকে শেষ টেক্সট করে আফতাব। শ্রদ্ধার বয়ানেই সে লেখে। লক্ষ্মণ শ্রদ্ধাকে  এরপর থেকে ফোন করলে দেখে শ্রদ্ধার ফোন সুইচ অফ।

    ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২: শ্রদ্ধার বাবা ভাসি থানায় তাঁর মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার ডায়েরি করে। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসেই শ্রদ্ধার বন্ধু লক্ষ্ণণের সঙ্গে কথা হয় শ্রদ্ধার বাবার। লক্ষ্মণ তাঁকে জানায়, মে-এর শেষ থেকে শ্রদ্ধার ফোন বন্ধ। শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর দেখা বা কথা হয়নি।

    ২৬ অক্টোবর, ২০২২: আফতাব আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে পুলিশ। সেই সময় আফতাব জানায়, গত ২২ মে ঝগড়ার পর শ্রদ্ধা দিল্লির ছত্তরপুরের মেহরৌলির ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে গিয়েছিল। জামাকাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী রেখে, শুধু মোবাইল ফোন নিয়েই শ্রদ্ধা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।

    ৩ নভেম্বর, ২০২২: আফতাবকে দ্বিতীয়বার জেরা করে পুলিশ। তখনও একই কথা বলে সে। আফতাব জানায় সে নিজেও নাকি শ্রদ্ধার খোঁজ করছে। 

    ৮ নভেম্বর, ২০২২: আফতাব এই দাবি করলেও দিল্লি পুলিশ দেখে শ্রদ্ধার ফোন ২২-২৬ মে পর্যন্ত দিল্লির লোকেশনেই ছিল।

    ১১ নভেম্বর, ২০২২: আফতাবকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জানতে চায়, ২২ থেকে ২৬ মে-র মধ্যে শ্রদ্ধার মোবাইল ব্যবহার করে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আফতাবের ব্যাঙ্কে ৫৪ হাজার টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে। লোকেশন ছিল— মেহরৌলির ছত্তরপুর এলাকা, যেখানে তারা একসঙ্গে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকতেন। কী করে এটা সম্ভব? 

    ১২ নভেম্বর, ২০২২: আফতাবের বয়ানে অসঙ্গতি পায় পুলিশ। আফতাবও নানান ধরনের তথ্য দিতে থাকে। পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়। 

  • Delhi Murder: ‘রাগের বশে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিলাম…’ আদালতে জানাল ‘কিলার’ আফতাব

    Delhi Murder: ‘রাগের বশে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিলাম…’ আদালতে জানাল ‘কিলার’ আফতাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাগের মাথায় শ্রদ্ধাকে খুন করেছিলাম।’ আদালতে বিচারকের সামনে জানায় শ্রদ্ধা ওয়ালকর হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আফতাব। যত দিন যাচ্ছে, শ্রদ্ধা খুনের মামলায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে জোরকদমে চলছে পুলিশি তদন্ত। এরই মাঝে শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আফতাব আদালতে স্বীকার করে নিয়েছে যে, সেই তার লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুন করেছে। আফতাব আদালতে জানায়, যা হয়েছে, রাগের বশে হয়েছে।

    দিল্লির সাকেত আদালতে পেশ আফতাবকে

    আজ, মঙ্গলবার পাঁচদিনের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে আফতাবকে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে সাকেত আদালতে পেশ করা হয়। সেখানেই সে এমন মন্তব্য করেছে। শুনানি শেষে অভিযুক্ত আফতাবকে ফের ৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এদিন আফতাব বিচারকের সামনে শ্রদ্ধাকে খুন করার কথা স্বীকার করে নিয়েছে ও দেহের অংশ টুকরো টুকরো করে কাটার ঘটনাটিও স্বীকার করে নেয়। কিন্তু তিনি এমন এক মন্তব্য করে বসলেন, তা নিয়ে হতবাক সবাই। আফতাব বিচারকের সামনে বলেছে, ‘HEAT OF THE MOMENT’ হয়েছে সবকিছু। অর্থাৎ ‘মাথা গরম ছিল, তাই রাগের মাথায় খুন করে ফেলেছি।’

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    আদালতে কী কী বলল আফতাব?

    আফতাব আরও জানায় যে, সে তদন্তে সহযোগিতা করেছে। সে কীভাবে শ্রদ্ধাকে খুন করেছে, কীভাবে শ্রদ্ধার দেহের অংশ টুকরো টুকরো করেছে ও কোথায় সেগুলো ফেলেছে, সেসব বিষয়েই পুলিশকে তথ্য দিয়েছে। তবে সে বলেছে যে, ঘটনার অনেকদিন হয়ে যাওয়ায় তিনি সবকিছু মনে করতে পারছে না।

    তবে পুলিশের তরফে অভিযোগ আসে যে, সে খুনের কথা স্বীকার করলেও কোনও কোনও প্রশ্নের উত্তর সঠিক দেয়নি। আদালতে পুলিশ তার নামে রিপোর্ট জমা দিয়ে জানায় যে, আফতাব ভুল তথ্য দিয়েছে ও তদন্তকে বিভ্রান্ত করছে।

    নার্কো ও পলিগ্রাফ টেস্ট

    এর আগে বৃহস্পতিবার দিল্লি পুলিশকে ৫ দিনের মধ্যে আফতাবের নার্কো টেস্ট করার নির্দেশ দেয় আদালত। এখন আবার পলিগ্রাফ টেস্ট করানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের মামলার তদন্তভার দিল্লি পুলিশের থেকে সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, শ্রদ্ধাকে খুন করে তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে মেহুরুলির জঙ্গলে ছড়িয়ে দিয়ে এসেছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছিল আফতাব। দিল্লি পুলিশ তাঁর সেই স্বীকারোক্তির উপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জঙ্গলে তিন বার তল্লাশি চালায়। আর এরই মধ্যে জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মৃতদেহের খুলির একাংশ, কাটা কব্জি, হাঁটুর অংশ। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহাংশগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছে। শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। ফলে পরবর্তীতে দিল্লি পুলিশের হাতে  আর কী কী তথ্য উঠে আসে সেটাই এখন দেখার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shraddha Walkar Murder: নিখোঁজ আফতাবের পরিবার, খুনে যুক্ত তারাও, দাবি শ্রদ্ধার বাবার

    Shraddha Walkar Murder: নিখোঁজ আফতাবের পরিবার, খুনে যুক্ত তারাও, দাবি শ্রদ্ধার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Shraddha Walkar Murder) মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই একের পর এক হাড় হিম করা তথ্য উঠে আসছে দিল্লি পুলিশের হাতে। সম্প্রতি শ্রদ্ধা ওয়ালকাররের বাবা দাবি করেছেন, তাঁর ২৭ বছর বয়সী মেয়ের খুনে জড়িত রয়েছে আফতাবের পরিবারের সদস্যরাও। একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আফতাবের পরিবারের সবাই নিখোঁজ। এখন আমার মনে হচ্ছে পরিবারও এই খুনের সঙ্গে যুক্ত।” তিনি আরও বলেন, “যখন আমরা আফতাব-শ্রদ্ধার বিষয়ে জানতে ওদের বাড়ি যাই, ওরা আমাদের কোনও রকম সাহায্য করেনি।” দিল্লি পুলিশ কেন এখনও আফতাবের পরিবারকে জেরা করছে না, সে বিষয়ে প্রশ্নও তোলেন শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়ালকার। আফতাবকে জনসমক্ষে ফাঁসিতে ঝোলানোর দাবি করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে বিয়ার-সিগারেট খান আফতাব, দেখেন নেটফ্লিক্স

    অন্য একটি সাক্ষাৎকারে শ্রদ্ধার বাবা বলেন, “২০২১ সালে আমার শেষ বার শ্রদ্ধার সঙ্গে কথা হয়। আফতাবের খারাপ আচরণের বিষয়ে সে কিছুই জানায়নি। কিন্তু আফতাবের মায়ের সঙ্গে যে সম্পর্ক ভালো নয়, তা জানিয়েছিল। তারপরে আমার ছেলে আমাকে সবটা জানায়। আমি, আমার স্ত্রী এবং স্ত্রীর বোন ওদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে, আফতাবের ভাই আমাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেয় নি।”

    জানা গিয়েছে, মেয়ের বিষয়ে জানতে শ্রদ্ধার পরিবার ভাসাইতে আফতাবের বাড়ি গেলে, তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আফতাবের পরিবার আফতাবকে ফোন করে শ্রদ্ধার বাবাকে বলতে বলে, যাতে এই বিষয়ে তাদের জড়ানো না হয়। এরপরেই মানিকপুর পুলিশের তরফে জানানো হয়, আফতাবের পরিবার নিখোঁজ। 

     



    মুসলিম প্রেমিকের হাতে খুন হিন্দু প্রেমিকা

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Shraddha Walkar Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর।

    কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Shraddha Walkar Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Shraddha Walkar Murder)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share