Tag: Shraddha Walker Murder

Shraddha Walker Murder

  • Aftaab Poonawala: শ্রদ্ধা হত্যার পরে আফতাবের ফ্ল্যাটে যেতেন এক মহিলা চিকিৎসক! দাবি পুলিশের

    Aftaab Poonawala: শ্রদ্ধা হত্যার পরে আফতাবের ফ্ল্যাটে যেতেন এক মহিলা চিকিৎসক! দাবি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রিজের মধ্যে রাখা রয়েছে লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকারের কাটা মুণ্ডু (Shraddha Walker Murder)। সেই ঘরেই নিত্যনতুন মহিলাদের সঙ্গে প্রেমালাপ চলত আফতাব আমিনের (Aftab Poonawala)। চাঞ্চল্যকর এই তথ্যই উঠে এসেছে তদন্তকারী আধিকারিকদের কাছে। দিল্লি পুলিশ সুত্রে খবর, বাম্বেল নামক ডেটিং আপ মারফত আফতাবের যোগাযোগ হত বিভিন্ন মহিলার সঙ্গে। ইতিমধ্যে পুলিশ ঐ ডেটিং আপের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে এবং লিখিত চিঠি পাঠিয়েছে আফতাবের প্রোফাইল বিষয়ে জানতে চেয়ে । জানা গেছে, শ্রদ্ধা ওয়ালকরের দেহ লোপাটের কাজ চলাকালীন ছত্তরপুরে আফতাবের ফ্ল্যাটে আসতেন এক মহিলা, পেশায় তিনি সাইক্রিয়াটিস্ট। ঐ মহিলাকে ডেকে পাঠিয়ে ইতিমধ্যে একপ্রস্থ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দিল্লি পুলিশ।

    আরও পড়ুন: জি-২০ শীর্ষ সম্মলেন ভারতের নেতৃত্ব দেওয়াটা একটা সুযোগ, গর্বের মুহূর্ত, বললেন মোদি

    আফতাব আমিনের নতুন ঠিকানা দিল্লির তিহার জেল

    শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত আফতাবের (Aftaab Poonawala) পলিগ্রাফ ও নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট করা হচ্ছে। এদিকে, পুলিশ হেফাজতের পরে গতকালই আফতাব আমিনের নতুন ঠিকানা হয়েছে দিল্লির তিহার জেলের ৪ নম্বর সেল। ২৪ ঘণ্টা কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে তার উপর। গত শনিবার আম্বেদকর হাসপাতাল থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তার শুনানি হয়।

    শুনানি চলাকালীন আফতাব (Aftaab Poonawala) কোর্টকে জানায়, ঘটনার অনেক কিছুই মনে করতে তার অসুবিধা হচ্ছে, কারণ ঘটনাটি পুরনো এবং এই জায়গায় সে নতুন। কোর্ট তার স্বাস্থ্যের খবর নেয় এবং তার কাছে জানতে চায়, কোনও রকম থার্ড ডিগ্রি তার উপর দেওয়া হয়েছে কি না! উত্তরে আফতাব জানায়, কোনও থার্ড ডিগ্রির সম্মুখীন তাকে হতে হয়নি। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছে সে। 

    আরও পড়ুন: নতুন জীবন পেল আর্জেন্টিনা! বিশ্বকাপে এগিয়ে যেতে এবারে কী করতে হবে মেসিদের?

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
          
            

     

  • Shraddha Walker Murder: তিহার জেলে বন্দি আফতাব, রয়েছে সিসিটিভির নজরদারিতে

    Shraddha Walker Murder: তিহার জেলে বন্দি আফতাব, রয়েছে সিসিটিভির নজরদারিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বান্ধবী শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনে (Shraddha Walker Murder) অভিযুক্ত আফতাব পুন্নাওয়ালাকে (Aaftab Poonawala) পাঠানো হল বিচার বিভাগীয় হেফাজতে। তার পরেই আফতাবকে পাঠানো হয় তিহার জেলে (Tihar Jail)। সেখানে চব্বিশ ঘণ্টা সিসিটিভি ক্যামেরায় নজর রাখা হবে তার ওপর। তিহার জেলের ৪ নম্বর কুঠুরিতে রাখা হয়েছে তাকে। প্রথমবার কোনও অপরাধ করে যারা তিহার জেলে আসে, তাদের রাখা হয় এখানেই। দিল্লির আদালত আফতাবকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। এদিকে, পুলিশও ওই খুনের ঘটনায় নতুন কিছু সূত্র পেয়েছে। তারা জেনেছে, শ্রদ্ধাকে খুনের পরে পরেই এক মহিলা আফতাবের বাসভবনে গিয়েছিলেন। তাঁকে চিহ্নিতও করেছে দিল্লি পুলিশ।

    আফতাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    অভিযুক্ত আফতাবের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, সে তার বান্ধবী তথা লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে খুন (Shraddha Walker Murder) করে তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে কেটেছেন। মোট ৩৫টি টুকরো করা হয়েছিল শ্রদ্ধার দেহ। দেহের সেই টুকরোগুলি রাখা হয়েছিল ৩০০ লিটারের একটি ফ্রিজে। হত্যার পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহারও করে সে। রাতের অন্ধকারে নিকটবর্তী জঙ্গলে সেই দেহাংশ সে ফেলে আসত বলেও জেনেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, শ্রদ্ধাকে খুনের কথা জেরায় স্বীকারও করে নিয়েছে আফতাব।

    আরও পড়ুন: ন্যূনতম সময়ের মধ্যে উপযুক্ত শাস্তি পাবে শ্রদ্ধা হত্যাকারী! কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    এদিন বিচার বিভাগীয় হেফাজত হওয়ার পর আফতাব পুন্নাওয়ালার স্বাস্থ্য পরীক্ষাও হয়। পরে পাঠানো হয় জেলে। তিহার জেলের ওই সেলে আফতাব একা নয়, রয়েছে আরও কয়েকজন। তাই প্রয়োজন আফতাবের নিরাপত্তার। সেই কারণেই তাকে চব্বিশ ঘণ্টা সিসিটিভির নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শ্রদ্ধাকে খুনের (Shraddha Walker Murder) অভিযোগে আফতাবকে গ্রেফতার করা হয় নভেম্বরের ১২ তারিখে। প্রথমে তাকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়। নভেম্বরের ১৭ তারিখে সেটা বাড়ানো হয় আরও পাঁচ দিন। মঙ্গলবার আরও চার দিনের জন্য তাকে পাঠানো হয় পুলিশি হেফাজতে। তার পর হয়েছে বিচার বিভাগীয় হেফাজত।

    এদিকে, শ্রদ্ধা খুনের (Shraddha Walker Murder) পরপরই আফতাবের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন যে মহিলা, তাঁকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। ওই মহিলা সাইকোলজিস্ট। একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় আফতাবের। তাঁকেও জেরা করছে পুলিশ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi-Mehrauli Murder: শ্রদ্ধা খুনের তদন্তে সিবিআই? আফতাবের নার্কো পরীক্ষায় ‘হ্যাঁ’ আদালতের

    Delhi-Mehrauli Murder: শ্রদ্ধা খুনের তদন্তে সিবিআই? আফতাবের নার্কো পরীক্ষায় ‘হ্যাঁ’ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়াকার খুনের মামলায় এবার তদন্তে নামতে পারে সিবিআই। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, দিল্লি হত্যাকাণ্ডের (Delhi Murder Case) কিনারা করতে রীতিমতো ঘাম ঝড়ছে দিল্লি পুলিশের। এখনও বেশ কিছু তথ্য হাতে আসেনি। এই তথ্যগুলিই এই খুনের তদন্তে মিসিং লিঙ্ক বলে দাবি করেছে পুলিশ। আর সেই তথ্য খুঁজতেই ময়দানে নামতে পারে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে হিন্দু লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করল মুসলিম যুবক

    এদিকে খুনের মামলার অভিযুক্ত আফতাব আমিন পুনাওয়ালার ‘নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট’- এর অনুমতি দিয়েছে সাকেত আদালত। বুধবার দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শীঘ্রই ধৃতের নার্কো পরীক্ষা করানো হবে। সাধারণত খুব বড় ধরনের অপরাধে নার্কো পরীক্ষার অনুমতি দেয় আদালত। মুম্বই বিস্ফোরণের খলনায়ক আজমল কাসবের ক্ষেত্রে এই পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ‘নার্কো অ্যানালিসিস টেস্ট’- এ ধৃতের জবানবন্দি আদালত গ্রাহ্য না হলেও এ ক্ষেত্রে তদন্তের সুবিধা হয়। অনেক না জানা তথ্যের খোঁজ পাওয়া যেতে পারে এই পরীক্ষায় বলে আশাবাদী দিল্লি পুলিশ।

    কী ঘটেছিল?

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Delhi-Mehrauli Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর। কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Delhi-Mehrauli Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Delhi-Mehrauli Murder)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Shraddha Walkar Murder: শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে বিয়ার-সিগারেট খান আফতাব, দেখেন নেটফ্লিক্স

    Shraddha Walkar Murder: শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে বিয়ার-সিগারেট খান আফতাব, দেখেন নেটফ্লিক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Shraddha Walker Murder) মামলায় ক্রমাগত নতুন নতুন তথ্য উদ্ধার করছে দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। এবার সামনে এল হাড় হিম করা এক তথ্য। আফতাবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, খুনের পর  ১০ ঘণ্টা ধরে শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে আফতাব। সেইসবের মাঝে ক্লান্ত হয়ে গেলে কিছুক্ষণ বিশ্রামও নেয় সে। বিয়ার খায়, সিগারেট খায়। দেহের টুকরোগুলি কয়েক ঘণ্টা ঘরে জলে ধোয়। এছাড়া দেহ টুকরো টুকরো করা হয়ে গেলে, অনলাইনে খাবার আনিয়েও খায় আফতাব। তারপর নেটফ্লিক্সে সিনেমাও দেখে সে। 

    জেরায় আফতাব আরও জানায়, যাতে শ্রদ্ধাকে চেনা না যায়, তাই দেহ টুকরো করার পর তাঁর মুখ পুড়িয়ে দেয় সে। এমনকী কীভাবে দেহ লোপাট করবে তা জানতে ইন্টারনেটের সাহায্যও নেয় সে। খুনের পর কেমিক্যাল এবং ব্লিচিং পাউডার দিয়ে মেঝের রক্তের দাগ মোছে আফতাব। মূলত প্রমাণ লোপাটের জন্যই এইসব করেছিল বলে জেরায় জানায় আফতাব।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে হিন্দু লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করল মুসলিম যুবক

    খুনের পরেও ওই ফ্ল্যাটেই থাকতো আফতাব। অনলাইনে আনাতো খাবার। পাশাপাশি শ্রদ্ধার স্যোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টও চালু রেখে দিয়েছিল সে। শ্রদ্ধার অ্যাকাউন্ট থেকে টাকাও ট্রান্সফার করে। অন্যদিকে আবার অন্য মহিলাদের সঙ্গেও সম্পর্ক রাখছিল আফতাব। তাদের কখনও কখনও সে ফ্ল্যাটে আনত বলেও জানা গিয়েছে। সেক্ষেত্রে আফতাবের অপরাধের জাল আরও কতটা ছড়িয়ে, তাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

    কী ঘটেছিল?

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Delhi-Mehrauli Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর। কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Delhi-Mehrauli Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Delhi-Mehrauli Murder)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

         

  • Shraddha Walker Murder: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    Shraddha Walker Murder: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Shraddha Walker Murder) মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই একের পর এক তথ্য উঠে আসছে দিল্লি পুলিশের হাতে। এবার মেহুরুলির জঙ্গল থেকে শ্রদ্ধার আরও কিছু কাটা দেহাংশ উদ্ধার করল পুলিশ। পাওয়া গেল খুলির অংশও। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহাংশগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছে। 

    কে চালাবে সংসারের খরচ এই নিয়েই বচসা শুরু হয়েছিল ১৮ মে। তারপরই সেই ভয়ঙ্কর পরিণতি আড়াই বছর ধরে লিভ-ইনে থাকা সঙ্গীর হাতে খুন হয় শ্রদ্ধা। পুলিশের জেরায় এমনই জানিয়েছে আফতাব। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের সবরকম প্রয়াস চালায় সে। শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে। তারপর রাতের অন্ধকারে তা ফেলে আসে জঙ্গলে। এখনও সব টুকরো খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাকি দেহাংশের খোঁজে তল্লাসি চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। 

    আফতাবের (Aftab Amin Poonawala) দিল্লির ছত্তরপুরের ফ্ল্যাটে একাধিক রক্তের দাগ মিলেছে। রান্নাঘর-সহ ফ্ল্যাটের একাধিক জায়গায় মিলেছে রক্তের দাগ। আফতাবের ওই ফ্ল্যাটের জলের বিল বকেয়া রয়েছে। ওই মাসে ৩০০টাকা জলের বিল আসায়, পুলিশের অনুমান রক্তের দাগ ধোয়ার জন্য প্রচুর জল খরচ করেছে আফতাব। শ্রদ্ধাকে বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার পর সেখনাকার শাওয়ার ছেড়ে দেয় আফতাব। তারপর দেহ টুকরো করতে থাকে। শাওয়ারের তলায় পুরো কাজটি করে সে। যাতে রক্ত শাওয়ারের জলে ভেসে বাইরে চলে যেতে পারে খুব সহজে, তাই এই পদ্ধতি। 

    প্রেম থেকে খুনের আখ্যান

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Shraddha Walker Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    আরও পড়ুন: সোমনাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে গুজরাটে প্রচার শুরু মোদির

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর।

    কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Shraddha Walker Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Shraddha Walker Murder)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

LinkedIn
Share