Tag: Shubhendu Adhikari

  • CM Suvendu Adhikari: তিন মাসে আড়াই লাখ পড়ুয়ার পাতে ইসকনের মিড-ডে মিল, সপ্তাহে দু’দিন মিলবে ডিম

    CM Suvendu Adhikari: তিন মাসে আড়াই লাখ পড়ুয়ার পাতে ইসকনের মিড-ডে মিল, সপ্তাহে দু’দিন মিলবে ডিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী তিন মাসের মধ্যে রাজ্যের আড়াই লাখ পড়ুয়ার কাছে ইসকনের মিড-ডে (ISKCON Mid Day Meal) মিল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। শনিবার তারাতলায় ইসকনের ‘সেন্ট্রাল কিচেনে’ মিড-ডে মিলের পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করে একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এ দিন কলকাতা পুরসভা এলাকার প্রাক্-প্রাথমিক থেকে উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ৫০০টি স্কুলের প্রায় ৪৪ হাজার পড়ুয়ার জন্য ইসকনের তরফে মিড-ডে মিল সরবরাহ করা হয়। রাজ্য সরকার আগেই জানিয়েছিল, স্কুলের পড়ুয়াদের জন্য উন্নত মানের খাবার নিশ্চিত করতে ইসকনের হাতে মিড-ডে মিল পরিষেবার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। ইসকনের খাবার মূলত নিরামিষ হওয়ায় শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, পড়ুয়াদের পাতে তা হলে ডিম থাকবে কি না। বিরোধিতা ও বিতর্কের মধ্যেই শনিবার মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, পড়ুয়াদের ডিম দেওয়া হবে। তবে ইসকনের রান্না করা খাবারের ব্যবস্থার বাইরে পৃথকভাবে ডিম সরবরাহ করা হবে।

    পড়ুয়াদের ডিম দেওয়া হবে (CM Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “পড়ুয়াদের সপ্তাহে দু’দিন ডিম দেওয়া হবে। তবে আলাদা ব্যবস্থার মাধ্যমে।” ইসকনের মিড-ডে মিল নিয়ে ডিম বাদ পড়ার সম্ভাবনা ঘিরে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর অনেকেই দাবি করেছিলেন, ডিম না থাকলে খাবারের পুষ্টিমান কমে যেতে পারে। সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সপ্তাহে দু’দিন পড়ুয়াদের ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এ দিন ইসকনের ‘সেন্ট্রাল কিচেন’ পরিদর্শনে গিয়ে রান্নার ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইসকন আয়োজিত যজ্ঞে অংশ নেন তিনি। পরে রান্নাঘরে গিয়ে মিড-ডে মিল তৈরির প্রক্রিয়া দেখার পাশাপাশি রান্নার কাজেও সহযোগিতা করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল এবং স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাঁচটি স্কুলের ৪০ জন পড়ুয়াও উপস্থিত ছিল। রান্নাঘর উদ্বোধনের পাশাপাশি একটি বৈদ্যুতিক গাড়িরও উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। মিড-ডে মিলের পরিষেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা তুলে ধরে শুভেন্দু বলেন, “ইসকনের মাধ্যমে খাবার সরবরাহ শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই পরিষেবা আড়াই লাখ পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে (ISKCON Mid Day Meal)।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ইসকন অত্যন্ত পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে এবং খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেই স্কুলগুলিতে খাবার পৌঁছে দেবে। শুধু উন্নয়ন নয়, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ত্রুটিমুক্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলাও সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি (CM Suvendu Adhikari)।

    রাঁধুনিদেরও কাজে রাখা হবে

    ইসকনের হাতে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব যাওয়ায় এত দিন যে রাঁধুনিরা স্কুলে খাবার তৈরি করতেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। এ দিন তাঁদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কোনও রাঁধুনিকে কাজ থেকে সরানো হবে না। তাঁদেরও ইসকনের ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। শুভেন্দু বলেন, “এক মাস আগে মিড-ডে মিলের রাঁধুনিদের নিয়ে একটি মিছিল দেখেছিলাম। কিছু বলিনি। সেই মিছিলকারীদের উদ্দেশে বলি, একজন রাঁধুনি দিদিও কর্মচ্যুত হবেন না। রান্না এবং মিড-ডে মিল বিতরণ প্রক্রিয়ায় তাঁদের জুড়ে দেওয়া হবে।” মিড-ডে মিলের রাঁধুনিদের পারিশ্রমিকও বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অগাস্ট থেকে তাঁদের মাসিক ভাতা আরও ১,০০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে তাঁদের মোট মাসিক পারিশ্রমিক ৩,০০০ টাকা হবে বলে জানান তিনি।

    আন্ডা আন্ডা’ বলে আন্দোলন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কটাক্ষ

    স্কুলের মিড-ডে মিলে ডিম থাকবে কি না, তা নিয়ে শুরু থেকেই যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, এ দিন তারও জবাব দেন শুভেন্দু। তিনি জানান, ইসকনের নিজস্ব রীতিনীতি রয়েছে। তবে তার সঙ্গে সমন্বয় রেখেই পড়ুয়াদের ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে (ISKCON Mid Day Meal)। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ইসকনের একটি নিজস্ব রীতিনীতি রয়েছে। তার বাইরেও ওড়িশায় আমাদের একটি দল পাঠানো হয়েছিল। জানতে পেরেছি সেখানে স্কুলে এক দিন ডিম সিদ্ধ দেওয়া হয়। আমরা ঠিক করেছি আলাদা করে বাচ্চাদের দু’দিন ডিম বিতরণ করব (CM Suvendu Adhikari)।” ডিম নিয়ে আগাম আন্দোলন ও সমালোচনার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রথম থেকেই আন্ডা আন্ডা বলে মিছিল বের করে দিলেন! কিছু না জেনে এ সব নিয়ে বলা শুরু করে দিলেন!” শুভেন্দুর বক্তব্য, মিড-ডে মিল নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইসকনের কী চুক্তি হয়েছে, তা জানতে শিক্ষা দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা যেত। প্রয়োজন হলে ইসকনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব ছিল। কিন্তু তা না করেই শুরু থেকে ডিম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে আন্দোলন করা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

    কলকাতায় পাইলট প্রকল্প, পরে গোটা রাজ্যে?

    রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মিড-ডে মিল ব্যবস্থার মানোন্নয়নের কথা বলা হয়েছিল। পড়ুয়াদের পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার লক্ষ্যেই ইসকনকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সরকারের বক্তব্য। প্রাথমিক পর্যায়ে কলকাতার সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলিতে এই পরিষেবা চালু করা হচ্ছে (ISKCON Mid Day Meal)। ১ অগস্ট থেকে কলকাতার স্কুলগুলিতে ইসকনের মাধ্যমে মিড-ডে মিল সরবরাহের কথা আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সেই পাইলট প্রকল্পের সূচনা হল। প্রকল্পের কার্যকারিতা ও ফলাফল পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে গোটা রাজ্যে এই ব্যবস্থা চালু করা হতে পারে (CM Suvendu Adhikari)। ইসকনের নিরামিষ খাবার নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন, পুষ্টির ক্ষেত্রে কোনও ঘাটতি রাখা হবে না। এখন সপ্তাহে দু’দিন আলাদা ব্যবস্থায় ডিম দেওয়ার ঘোষণায় সেই বিতর্কেও জল দিল রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার।

     

  • CM Suvendu Adhikari: জনগণনা শুরু রাজ্যে, অনলাইনে ৩৩ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ‘স্ব-শুমারি’ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

    CM Suvendu Adhikari: জনগণনা শুরু রাজ্যে, অনলাইনে ৩৩ প্রশ্নের উত্তর দিয়ে ‘স্ব-শুমারি’ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার সকাল ১০টা থেকে রাজ্যে শুরু হল জনগণনার কাজ। দেশের অন্যান্য প্রান্তের মতো এ রাজ্যেও প্রথম বার সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনগণনা করা হচ্ছে। এই পর্বে অনলাইনে ৩৩টি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে স্ব-শুমারি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। নবান্নে বসেই তিনি নিজের পরিবারের তথ্য নথিভুক্ত করেন। পাশাপাশি রাজ্যবাসীকেও (Census) স্ব-শুমারির সুবিধা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    স্ব-শুমারি প্রথম বার (CM Suvendu Adhikari)

    এ বারের জনগণনায় স্ব-শুমারি এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ—এই দুই বিষয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এ বারের জনগণনায় দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। ১০০ শতাংশ ডিজিটাল জনগণনা হচ্ছে। সেলফ এনুমারেশন অর্থাৎ স্ব-শুমারি হচ্ছে প্রথম বার।” মুখ্যমন্ত্রী জানান, ১ থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের যাবতীয় তথ্য অনলাইনে জমা দেওয়া যাবে। নাগরিকদের দেওয়া তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “রাজ্যবাসীর দেওয়া তথ্য গোপন এবং আইনগত ভাবে সুরক্ষিত থাকবে। একমাত্র পরিসংখ্যান, পরিকল্পনা এবং উন্নয়নের জন্য তা ব্যবহার করা হবে। ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ বা অপব্যবহারের সুযোগ নেই।”

    ‘জনগণের জনকল্যাণ’

    এ বারের জনগণনার মূল বার্তা ‘জনগণের জনকল্যাণ’। জনগণনা সফল ভাবে সম্পন্ন হলে উন্নত ভারত গঠনের পরিকল্পনায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। জনগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের সহযোগিতা করার জন্যও সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ১৫ অগস্ট স্ব-শুমারি পর্ব শেষ হওয়ার পর শুরু হবে বাড়ি বাড়ি তথ্য যাচাইয়ের কাজ। ১৬ অগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জনগণনাকর্মীরা বাড়িতে গিয়ে নাগরিকদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতি মিলিয়ে দেখবেন। কোথাও ভুল বা অসঙ্গতি ধরা পড়লে তা সংশোধনের সুযোগও থাকবে। এ বার গোটা জনগণনা প্রক্রিয়াই ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। তথ্য সংগ্রহের জন্য গণনাকারীদের বিশেষ মোবাইল ব্যবস্থা দেওয়া হয়েছে। সংগৃহীত তথ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে পাঠানো হবে। প্রশাসনের দাবি, এর ফলে তথ্য সংগ্রহের কাজ আগের তুলনায় দ্রুত ও নির্ভুল হবে। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং কাগজের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে (CM Suvendu Adhikari)।

    মিলবে জাতিগত সুবিধা

    স্ব-শুমারির ৩৩টি প্রশ্নে নাগরিকের ব্যক্তিগত পরিচয়, পরিবারের সদস্যসংখ্যা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, বসবাসের ধরন-সহ নানা তথ্য জানতে চাওয়া হচ্ছে। এই জনগণনায় প্রথম বার জাতিগত পরিচয় সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে জাতিগত ভিত্তিতে স্থায়ী পরিসংখ্যান তৈরি করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এর ফলে সাধারণ মানুষ জাতিগত সুবিধা পাবেন। আলাদা করে তাঁদের লাইনে দাঁড়াতে হবে না। জাতিগত তথ্যে স্থায়ী পরিসংখ্যান থাকবে।” জনগণনার প্রস্তুতি নিয়ে আগের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, আগের সরকার সময়মতো কাজ শুরু করেনি। বর্তমান সরকার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    স্ব-শুমারিতে অংশ নিতে পারবেন যাঁরা

    এ দিকে, যাঁদের নাম বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনার তালিকায় এখনও বিবেচনাধীন, তাঁরা স্ব-শুমারিতে অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই বিষয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে প্রায় ২৭ লক্ষ মানুষের নাম বিবেচনাধীন ছিল। এর মধ্যে কিছু নাম তালিকায় যুক্ত হয়েছে, ট্রাইবুনালও হয়েছে এবং প্রায় সাত লাখ মানুষ ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন। প্রায় ২০ লাখ মানুষের তরফে কোনও জবাব দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে এ দেশে আসা মানুষদের নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, তাঁদের মধ্যে একাংশ অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন এবং অন্য অংশ শরণার্থী। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি (CM Suvendu Adhikari)।

    শরণার্থীদের প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী

    শরণার্থীদের প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অন্যেরা হলেন শরণার্থী। সিএএর আওতায় হিন্দু, শিখ, জৈন পারসিরা কিন্তু শরণার্থীর পর্যায়ে পড়েন। ২০১৯ সালের আইন, ২০২৪ সালের রুলে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, তাঁরা শরণার্থী। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রাণ, ধর্ম বাঁচানোর জন্য বাংলাদেশ থেকে যাঁরা এ রাজ্যে এসেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও মামলা হবে না। পুলিশ হয়রানি করতে পারবে না।” জনগণনার (Census) মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য ভবিষ্যতের সরকারি পরিকল্পনা, উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এবং বিভিন্ন নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই মনে করছে প্রশাসন। এখন নজর আগামী ১৫ অগস্ট পর্যন্ত চলা স্ব-শুমারি পর্বে রাজ্যের মানুষ কতটা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন, তার দিকে (CM Suvendu Adhikari)।

     

  • PM Modi: “পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে গিয়েছিল শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তারকেশ্বরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থেকে গিয়েছিল শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তারকেশ্বরে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে থেকে যাওয়ার নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা মনে করিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi)। শনিবার, ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschim Banga Divas) উপলক্ষে হুগলির তারকেশ্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ‘দেশভাগের সময় পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার ষড়যন্ত্র চলছিল। সেই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব হাল ছেড়ে দিলেও, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় দৃঢ়ভাবে তার বিরোধিতা করেছিলেন, এবং পশ্চিমবঙ্গকে ভারতের সঙ্গে রাখার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন।’ শনিবার বিকেলে তারকেশ্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। সভামঞ্চে তাঁকে ডোকরার দুর্গামূর্তি, তারকনাথের ছবি, রসগোল্লা এবং জলভরা সন্দেশ উপহার দিয়ে স্বাগত জানান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল আর এন রবিও।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০ জুন পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। ১৯৪৭ সালের এই দিনেই বাংলার প্রাদেশিক আইনসভায় পশ্চিমবঙ্গকে পৃথক করে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” এদিন সকালে কলকাতায় আসার আগে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে আমার বোন ও ভাইদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। এই রাজ্য সাহিত্য, সঙ্গীত, শিল্প, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও ব্যবসা, সমাজ সংস্কার এবং আরও অনেক বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে তার অবদানের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাসকে রূপদান করেছে। ভারতের জাতীয় চেতনাকে সমৃদ্ধ করেছে।’’ পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে ২০ জুন দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই দিনেই নিশ্চিত করা হয়েছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অংশ হিসাবে থাকবে। এর নেপথ্যে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অমূল্য অবদান ছিল। ২০২৬ সালে আমরা তাঁর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পালন করছি (PM Modi)।’’

    পশ্চিমবঙ্গ দিবস

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন নিয়ে অতীতে ঢের রাজনৈতিক বিতর্ক হয়েছে। তবে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার ২০ জুনকেই সরকারিভাবে পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই উপলক্ষেই তারকেশ্বরে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানেই শ্যামাপ্রসাদের অবদান স্মরণ করা হয় বিশেষভাবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে তারকেশ্বরজুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা। সভাস্থল পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যের নানা প্রতীক দিয়ে সাজানো হয়েছিল (Paschim Banga Divas)। কলকাতার হলুদ ট্যাক্সি, হাতে টানা রিকশা, দক্ষিণেশ্বর মন্দির, বেলুড় মঠের প্রতিরূপের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের নানা ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল (PM Modi) মঞ্চ।

     

LinkedIn
Share