Tag: Shuvendu Adhikari

Shuvendu Adhikari

  • Shuvendu Adhikari: “অভিষেক এত চুরি করেছে যে তাঁকে জেলে ঢোকাবে বিজেপি সরকার”, বলে দিলেন শুভেন্দু

    Shuvendu Adhikari: “অভিষেক এত চুরি করেছে যে তাঁকে জেলে ঢোকাবে বিজেপি সরকার”, বলে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গে গেরুয়া ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপির (Shuvendu Adhikari) আঁচে শুকিয়ে কাঠ ক্ষমতার দম্ভে মত্ত ঘাসফুল। বঙ্গে (Abhishek Banerjee) তুষ্টিকরণের যে রাজনীতির চল চালু হয়েছিল বাম জমানায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে যাতে ফলতে শুরু করেছিল বিষবৃক্ষের ফল, সেই তৃণমূলকে সমূলে উৎপাটিত করে আস্তাকুঁড়ে ফেলে দিয়েছে বিজেপি। যে ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি ধরে রেখেছিলেন মমতা, সেই ভবানীপুরেও প্রাক্তন সতীর্থ শুভেন্দু অধিকারির কাছে গোহারা হেরে কার্যত ঘরে ঢুকে গিয়েছেন তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    শুভেন্দুর বাক্য-বাণ (Shuvendu Adhikari)

    এহেন আবহে তৃণমূলকেই নিশানা করলেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু। নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরেও জয় নিশ্চিত হওয়ার পর ঘাসফুল শিবিরকে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, “যারা গুন্ডা, চোর তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বিজেপি সরকার। রাহুল গান্ধী শেষ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও শেষ। আগামী নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশে শেষ হয়ে যাবে অখিলেশ যাদবও।” শুভেন্দু বলেন, “পুরো হিন্দু সমাজ মিলে এক সঙ্গে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খিদিরপুরে ২০ হাজার ভোটে লিড পেয়েছে, বাকি জায়গায় আমি লিড পেয়েছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো জরুরি ছিল।”

    অভিষেককে জেলে ঢোকাবে বিজেপি

    তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু। বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানেই থাকুক, এত চুরি করেছে যে আগামিদিনে তাঁকে জেলে ঢোকানোর কাজ করবে বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “এই আসন না জিতলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নপূরণ হত না। বাংলায় এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছে ৩০০ বিজেপি কর্মীর আত্মবলিদান। হিন্দু শহিদ হরগোবিন্দ দাস-সহ যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, এই জয় তাঁদের উৎসর্গ করছি।”

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের ঢের আগেই শুভেন্দু ঘোষণা করেছিলেন (Shuvendu Adhikari), দল যদি তাঁকে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও প্রার্থী করেন, তিনি তাঁকে প্রাক্তন করে ছাড়বেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কথা রেখেছেন শুভেন্দু। ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে মমতাকে হারিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমোর ফের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আশায় জল ঢেলে দিয়েছেন তিনি। তৃণমূলের ক্ষমতায় আসার অন্যতম ভরকেন্দ্র পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামেও তৃণমূলের পবিত্র করকে (Abhishek Banerjee) প্রায় ১০ হাজার ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। দেখিয়ে দিয়েছেন তাঁর কলজের জোর (Shuvendu Adhikari)!

     

  • Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গো-হারান হারাতে কোমর বেঁধে নির্বাচনী ময়দানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি শুভেন্দু পদ্ম-প্রার্থী হয়েছেন ভবানীপুরেও। এই ভবানীপুরেই মমতা প্রার্থী (Assembly Election 2026) হবেন বলে অনেক আগেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রথম সারির এক নেতা। অতএব, ভবানীপুরে (Amit Shah) লড়াই হবে জোরদার। বৃহস্পতিবার এই ভবানীপুর কেন্দ্রেই মনোনয়নপত্র পেশ করবেন শুভেন্দু। ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র পেশ করতে যাবেন শুভেন্দু। সেই দিনই তাঁর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে।

    বাংলায় আসছেন শাহ (Assembly Election 2026)

    বিজেপি সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই দিল্লি থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী মনোনয়ন পেশ করার আগে হাজরা মোড়ে জনসভা করতে পারেন শাহ। তার পর সেখান থেকে এক কিলোমিটার রোড শো করে সার্ভে বিল্ডিংয়ের আগে পর্যন্ত যাবেন। শেষে ২০০ মিটার পথ যাবেন হেঁটে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে সোমবারই মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Assembly Election 2026)। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে। তাতে এক সঙ্গে অনেকগুলি বার্তা দেওয়া যাবে। এক, এটা বোঝানো যাবে যে শুভেন্দুর প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর সতীর্থ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আর দ্বিতীয় বার্তাটি হল, ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমোকে হারিয়ে মুখের মতো জবাব দেবেন ‘জায়ান্ট কিলার’ বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Amit Shah)।

    সেটিং-তত্ত্ব খারিজ

    বঙ্গবাসীর একাংশের অভিযোগ ছিল বিজেপি এবং তৃণমূলের সেটিং রয়েছে। সূত্রের খবর, এবার নির্বাচনের ঢের আগে শুভেন্দু দলীয় নেতাদের বুঝিয়েছিলেন, সাধারণ মানুষের জল্পনায় জল ঢেলে দেওয়া যাবে দুভাবে। এক, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির যে অভিযোগ রয়েছে, তার তদন্তে যদি তৎপরতা শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। আর দ্বিতীয় পথটি হতে পারে, ভবানীপুরে মমতাকে চ্যালেঞ্জ জানানো। সে ক্ষেত্রে তিনিই প্রার্থী হতে প্রস্তুত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দ্বিতীয় অপশনটিকেই বেছে নিয়েছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা (Assembly Election 2026)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    ভবানীপুর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এসআইআরের পর তো ভবানীপুর বিজেপির হয়েই গিয়েছে। আমি জিতলে বিজেপি ভবানীপুরে প্রথমবার জিতবে এমন নয়। কারণ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যখন মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, সেবার লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তথাগত রায়। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি পড়ে প্রাক্তন সাংসদ তথাগতের লোকসভা কেন্দ্রে। সেবার ভবানীপুর কেন্দ্রে দুহাজারেরও ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি।” শুভেন্দু আরও বলেন, “চুরি-চামারি, ছাপ্পা, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে জিততেন। এসআইআরের পর সেটা আর সম্ভব নয়। মোদিজি, নীতিন নবীনজি আমায় ভবানীপুরে প্রার্থী করেছেন গুন্ডামি রোখার জন্য।” তিনি বলেন, “২৩ তারিখ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম এবং গোটা রাজ্যে থাকব। ২৪ তারিখ সকাল থেকে ভবানীপুরে থাকব। ২৯ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর কাজ (Amit Shah) শেষ করে, স্ট্রং রুম সিল করে ভবানীপুর ছাড়ব। ৪ মে দেখা হবে।” প্রসঙ্গত, বঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফায় ভোট হবে ২৩ এপ্রিল, আর দ্বিতীয় দফায় হবে ২৯ তারিখে (Assembly Election 2026)।

    নন্দীগ্রামে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের

    গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হাজার দুয়েক ভোটে মমতাকে ধরাশায়ী করেছিলেন শুভেন্দু। মমতার বিশ্বাস ছিল, নন্দীগ্রামবাসী তাঁকে বিমুখ করবেন না। তাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিজেই প্রার্থী হন মমতা। তিনি ভেবেছিলেন, শুভেন্দু তাঁর ছায়া, কায়া নয়। তাই শুভেন্দুকে হারবেন। যদিও নির্বাচনের ফল বেরলে দেখা যায় মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। হেরে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূলেশ্বরীই। পরে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী হয়ে জয় পেয়ে কোনওক্রমে বাঁচান মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শি। এর পর নানা সময় শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, দল তাঁকে ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে বললে তিনি দাঁড়াবেন এবং তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রীকে ধরাশায়ী করবেন। এবার সেই দ্বৈরথই দেখতে চলেছেন ভবানীপুরবাসী (Assembly Election 2026)।

  • WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে রাজ্যের দুই হেভিওয়েট বিজেপি নেতার। এঁদের একজন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari), আর অন্যজন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এমনই অভিযোগ তুলে সিইও দফতরের দ্বারস্থ হলেন (WB Assembly Election 2026) ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

    কী বললেন শুভেন্দু 

    সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু পুলিশের কয়েকজন পদস্থ কর্তার নামও নিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,  “এসটিএফের (STF) জাভেদ শামিম, আইবি-র বিনীত গোয়েল, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে মণ্ডল স্তরের বিজেপি নেতাদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করছে, আমাদের কাছেও পাল্টা তথ্য প্রমাণ রয়েছে।” শুভেন্দুর দাবি, সিআইডি, এসটিএফ, আইবি ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনকে। নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়কের অভিযোগ, “ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মনোজ ভার্মা কীভাবে সব রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছেন, সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতাদের এখনও আগের মতোই সুবিধা করে দিচ্ছেন।” শুভেন্দুর আরও (WB Assembly Election 2026) অভিযোগ, জঙ্গিপুরের এসপি মেহেদি হাসান, পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি পলাশ ঢালিও কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন।

    মমতার বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ

    শুভেন্দু বলেন, “মমতা বলেছেন বিজেপি কর্মীদের পোস্টার দিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না। এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সরাসরি খুনের হুমকি দিচ্ছেন তিনি।” প্রসঙ্গত, গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে ভোটের প্রচারে গিয়ে মমতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত (Suvendu Adhikari)। প্রার্থী রামমোহন রায়ের হাত উঁচু করিয়ে মমতা বলেন, “আমার প্রার্থীকে বলে দিয়ে গিয়েছে, ওঁকে নাকি গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলছি, এসব করতে যেও না। নির্বাচনের পরে পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি (WB Assembly Election 2026) না।” এ নিয়ে সোমবারই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে নালিশ করে এসেছেন। মমতাকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়ে এসেছে বিজেপি। শুভেন্দু বলেন, ” আমরা বিগত দিনে দেখেছি, রাহুল সিনহা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সকলের বক্তব্যের মিস কোট করে তৃণমূল অভিযোগ করলেই কাউকে ৩ দিন, ২ দিন ১ দিন নির্বাচন প্রচারে ব্যান করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন করা হবে না? মনোজ আগরওয়ালের কাছে দাবিপত্র রেখেছি (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • Geetapath: লক্ষ লক্ষ কণ্ঠে গীতার বাণীতে মুখরিত ব্রিগেড, অনুষ্ঠানের ধারা বিবরণী

    Geetapath: লক্ষ লক্ষ কণ্ঠে গীতার বাণীতে মুখরিত ব্রিগেড, অনুষ্ঠানের ধারা বিবরণী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাখ লাখ কণ্ঠে গীত হচ্ছে গীতা (Geetapath)। ব্রিগেডজুড়ে (Brigade) ভাবগম্ভীর পরিবেশ। ধূপের গন্ধে ম ম করছে গোটা চত্বর। সাধু-সন্তদের পাশাপাশি গীতা পাঠ করছে আমজনতাও। এই জনতার ভিড়ে যেমন ছিলেন হিন্দুরা, তেমনি সংখ্যায় কম হলেও, ছিলেন ভিন ধর্মের কিছু মানুষও। সবার সঙ্গেই গলা মেলালেন তাঁরাও। বস্তুত, রবিবার ভোর থেকেই জনতা ছিল ব্রিগেডমুখী। হাওড়া এবং শিয়ালদহ থেকে দলে দলে লোক যোগ দিতে যান গীতা পাঠের আসরে। ঘোড়ার গাড়িতে করে মঞ্চে এসেছেন বেশ কয়েকজন সাধু-সন্তও। ঘড়ির কাঁটায় যখন ঠিক ন’টা বাজে, তখনই এক সঙ্গে বেজে উঠল কয়েক হাজার শাঁখ। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ভিড়ও।

    সনাতন সংস্কৃতি পর্ষদ (Geetapath)

    ব্রিগেডে এদিন পাঁচ লাখ কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন করেছে সনাতন সংস্কৃতি পর্ষদ। এদিন প্রথমে হয়েছে সমবেত কণ্ঠে বেদপাঠ। পরে হয় গীতা আরতি। এই আরতির সময় ঢাক, খোল এবং করতাল নিয়ে ভাবাবিষ্ট হয়ে নৃত্য করতে দেখা যায় জনতার একাংশকে। এই সময় উলুধ্বনিও দিতে থাকেন মহিলারা। অনুষ্ঠানে সভাপতি পদে বরণ করে নেওয়া হয় জ্ঞানানন্দজি মহারাজকে। ব্রিগেডের এই ভিড় সামাল দিতে বিভিন্ন রুটে ২০টি স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছিল রেল। শিয়ালদহের পাশাপাশি হাওড়া শাখায়ও চলছে বিশেষ ট্রেন। ট্রেন এসেছে কৃষ্ণনগর, শান্তিপুর, বনগাঁ, হাসনাবাদ, লক্ষ্মীকান্তপুর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যানিং থেকেও। ট্রেনগুলিতে কার্যত তিল ধারণের জায়গা ছিল না। প্রবীণ ব্যক্তিদের অনেকের মতে, দীর্ঘদিন পরে এমন জনসমাবেশ দেখল ব্রিগেড। এদিনের ভিড় ছাপিয়ে গিয়েছে অতীতের সব রেকর্ড।

    আয়োজনের পুরোধা

    এদিন এই আয়োজনের পুরোধা ছিলেন স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ, যাঁকে কার্তিক মহারাজ বলেই চেনেন সবাই। তাঁর সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন নির্গুনানন্দ ব্রহ্মচারী, বন্ধুগৌরব দাস মহারাজেরাও (Geetapath)। বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা সাধু-সন্তরা ছিলেন মূল মঞ্চে। বাকি দুটি মঞ্চে ছিলেন এরাজ্যের সাধু-সন্ত এবং বিশিষ্টজনেরা। গীতা পাঠের (Brigade) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় গোটা এলাকা। মাঠজুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে ২৫টি গেট। সব মিলিয়ে মঞ্চ বাঁধা হয়েছে তিনটি। মূল মঞ্চের পাশেই রয়েছে আরও দুটি মঞ্চ। মঞ্চের নীচে সোফায় বসার ব্যবস্থা ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যদের। ভিআইপিদের বসার জন্যও ছিল লাল রংয়ের চেয়ার। ব্রিগেডের শেষ প্রান্তের মানুষজনও যাতে অনুষ্ঠান চাক্ষুষ করতে পারেন, সেজন্য টাঙানো হয়েছিল বেশ কয়েকটি জায়ান্ট স্ক্রিন। ভিড়ের কারণে সেই স্ক্রিনেই মূল অনুষ্ঠান দেখতে বাধ্য হয়েছেন বহু মানুষ (Geetapath)।

    গীতা আরতি

    এদিন গীতা পাঠ করতে ব্রিগেডে আসা মানুষকে সাহায্য করতে দুটি শিবির করা হয়েছিল হাওড়া স্টেশনের বাইরে। এই শিবির তৈরি করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী পরিষদের তরফে। ভিড়ে চোটে যাঁরা বুঝতে পারছেন না, ঠিক কোন দিকে যাবেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে, তাঁরা নানা প্রশ্ন নিয়ে চলে গিয়েছেন ক্যাম্পে। তারপর কেউ ফেরি চড়ে, কেউবা বাসে চড়ে রওনা দেন গন্তব্যের দিকে। পায়ে হেঁটেও অনেকেই দেখা গেল ব্রিগেডের দিকে যেতে। এদিনের অনুষ্ঠানে অবশ্য গোটা গীতা পাঠ করা হয়নি। পাঠ করা হয়েছে কেবল প্রথম, নবম এবং অষ্টাদশ অধ্যায়। এর আগে মঞ্চে প্রতিষ্ঠা করা হয় গীতাকে। পরে হয় আরতি। তারও পরে শুরু হয় গীতা পাঠ। সব শেষে হয়েছে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রবচন (Geetapath)। এদিনের এই (Brigade) অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যেমন মানুষ এসেছেন তামাম ভারত থেকে, তেমনি লোকজন এসেছেন নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকেও।

    এত বড় সমবেত কণ্ঠে গীতা পাঠ

    উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে, এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। তবে অসমর্থিত একটি সূত্রের খবর, অনুষ্ঠানে হাজির হননি মমতা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কে যাতে টোল না লাগে, তা-ই এদিনের অনুষ্ঠান সযত্নে এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সনাতন সংস্কৃতি পরিষদের দাবি, কলকাতা বা কেবল বাংলা নয়, ভারতের ইতিহাসেও এত বড় সমবেত কণ্ঠে গীতা পাঠ এই প্রথমবার (Geetapath)। গত বছরই প্রথমবারের জন্য লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়েছিল এই ব্রিগেডেই। তবে সেবার মাঠ ভরেনি বলেই দাবি করেছিল রাজ্যের শাসক দল। এবার লক্ষ কণ্ঠ নয়, গীতা পাঠ করেছেন পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ। এই প্রথম ব্রিগেড (Brigade) প্রত্যক্ষ করল ভারতে রয়েছে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের ছবি।

  • Durgapur Gangrape: “ওড়িশার এক মেয়েকে আমরা এখানে সুরক্ষিত রাখতে পারলাম না!”, আক্ষেপ শুভেন্দুর

    Durgapur Gangrape: “ওড়িশার এক মেয়েকে আমরা এখানে সুরক্ষিত রাখতে পারলাম না!”, আক্ষেপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ওড়িশার এক মেয়েকে আমরা এখানে সুরক্ষিত রাখতে পারলাম না! আমরা লজ্জিত, ক্ষমাপ্রার্থী।” সোমবার দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডের (Durgapur Gangrape) শিকার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari)। সোমবার দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সামনে ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে ধর্না মঞ্চ বেঁধেছিল বিজেপি। পদ্মশিবিরকে সেই মঞ্চ বাঁধায় পুলিশ প্রথমে বাধা দিয়েছিল বলে অভিযোগ। তা নিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে উপস্থিত পুলিশ কর্তাদের তর্কাতর্কি পর্যন্ত শুরু হয়ে যায়। পরে ওই মঞ্চে উপস্থিত হন শুভেন্দু। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অভিযোগে সোচ্চার হন তিনি।

    ‘আমরা লজ্জিত’ (Durgapur Gangrape)

    এই মঞ্চ থেকেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সটান চলে যান নির্যাতিতার বাড়িতে। পরে বলেন, “ওঁর পরিবার জানিয়েছে, আরও ভালো চিকিৎসার জন্য মেয়েটিকে ওরা ভুবনেশ্বর এইমসে নিয়ে যেতে চায়। আমি শুনে আরও লজ্জিত হয়েছি যে, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসেননি, ফোনও করেননি। অথচ ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝি ফোন করে সহানুভূতি জানিয়েছেন।” এদিকে, দুর্গাপুরের ওই গণধর্ষণকাণ্ডে (Durgapur Gangrape) সোমবার পর্যন্ত গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫। রবিবার তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সোমবার সকালে আরও একজনকে ধরা হয়। তাকে জেরা করে পরে আরও একজনকে গ্রেফতার করে আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিশ।

    শুভেন্দুর তোপ

    অন্যদিকে, দুর্গাপুরকাণ্ডের মেডিক্যাল রিপোর্টে ইতিমধ্যেই ধর্ষণের ইঙ্গিত মিলেছে। দুর্গাপুরের এই কাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে তৃণমূল-যোগের অভিযোগে সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “এখনও পর্যন্ত মোট চারজন গ্রেফতার হয়েছে। আজকে যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি দুর্গাপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী, তৃণমূলের ক্যাডার। ওঁর বাবা পার্টির পোর্টফোলিও হোল্ডার।” তিনি বলেন, “এই গণধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের পদাধিকারী জড়িত। শাসক যেখানে শোষক, সেখানে আইনের শাসন ও বিচার পাওয়ার কোনও জায়গা নেই।” এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের বয়ানেও একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে।

    তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা যখন জঙ্গলের মধ্যে নির্যাতিতা ও তাঁর সহপাঠীকে ঘিরে ধরেছিলেন, তখন বেশ কিছুক্ষণের জন্য তাঁর সহপাঠী তাঁকে সেখানে ফেলে চলে এসেছিলেন। আধঘণ্টা পরে তিনি আবারও সেখানে যান এবং নির্যাতিতাকে নিয়ে আসেন। কেন তিনি প্রথমে চলে গিয়েছিলেন, কেনই বা পরে সহপাঠীকে ফেরত নিতে এসেছিলেন (Shuvendu Adhikari), সেই সব মিসিং লিঙ্ক খোঁজার চেষ্টা করছে পুলিশ (Durgapur Gangrape)।

  • Nagrakata Incident: নাগরাকাটার ঘটনায় এখনও গ্রেফতারি শূন্য! শাহের উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে জল্পনা

    Nagrakata Incident: নাগরাকাটার ঘটনায় এখনও গ্রেফতারি শূন্য! শাহের উত্তরবঙ্গ সফর ঘিরে জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা বিধ্বস্ত নাগরাকাটা পরিদর্শন (Nagrakata Incident) করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। এই হামলার নিন্দা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি সমাজমাধ্যমে বাংলায় লিখেছেন, ‘‘যে ভাবে আমাদের দলের সহকর্মীরা—যাঁদের মধ্যে একজন বর্তমান সাংসদ ও বিধায়কও রয়েছেন—পশ্চিমবঙ্গে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি তৃণমূল কংগ্রেসের অসংবেদনশীলতা এবং রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার করুণ রূপের স্পষ্ট প্রতিফলন।’’

    নাগরাকাটার ঘটনায় এখনও গ্রেফতারি শূন্য

    ত্রাণ দিতে গিয়ে প্রকাশ্যে হামলার ঘটনায় এখনও গ্রেফতারি শূন্য। নাগরাকাটায় আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের ওপর হামলার ঘটনায় ক্যামেরাবন্দি হয়ে আছে হামলাকারীরা। নির্দিষ্ট করে ৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও দায়ের হয়েছে। তাও এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। পুলিশের সামনেই বেনজির এই গুন্ডামির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিকে ফেসবুক পোস্টে চার জনের ছবি দিয়ে নাম উল্লেখ করে শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, তৃণমূলের সেই এক ‘সন্ত্রাসবাদ মডেল’। ঘটনা প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “এই রাজ্যে কোনও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, কোনও আইন-শৃঙ্খলা বলে কোনও কিছু অবশিষ্ট নেই। এই সরকার কার্যত একটা লুটেরাদের সরকার হয়ে গেছে।”

    কী ঘটেছিল নাগরাকাটায়

    ডুয়ার্সের নাগরাকাটা। সাম্প্রতিক বন্যায় এলাকার মানুষ একেবারে সর্বস্বান্ত। ঘরবাড়ি জলমগ্ন, ফসল নষ্ট, বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছে ত্রাণ শিবিরে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতেই বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে যান বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আলিপুরদুয়ারের সাংসদ খগেন মূর্মূ। উদ্দেশ্য ছিল বানভাসি মানুষের দুঃখ-দুর্দশা সরেজমিনে দেখা এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেওয়া। কিন্তু ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, বিধায়ক ও সাংসদের গাড়ি নাগরাকাটার ভেতর প্রবেশ করার সময় হঠাৎ একদল উত্তেজিত লোক তাঁদের ঘিরে ধরে। অভিযোগ উঠেছে, ওইসময় ইট-পাথরের বৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই ভাঙচুর চালানো হয় শংকর ঘোষের গাড়িতে। গাড়ির জানলার কাচ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। অভিযোগ বিক্ষোভকারীরা বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু মাথা নদীর পাথর ছুড়ে ফাটিয়ে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থাতেই তাঁকে গাড়িতে তুলে দেয় তার নিরাপত্তারক্ষীরা। শঙ্কর ঘোষকেও হেনস্থা করে বিক্ষোভকারীরা।

    খগেন মুর্মুকে এমসে নিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা

    সোমবার সকালের এই হামলায় রক্তাক্ত অবস্থায় খগেন মুর্মুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, বর্তমানে তিনি হাসপাতালের আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন। খগেন মুর্মুর বেশ কয়েকটি সেলাই পড়েছে। সাংসদকে এমসে নিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। সোমবার সন্ধ্যায় শঙ্কর ঘোষকে ফোন করে তাঁর ও খগেন মুর্মুর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তাঁরা কেমন রয়েছেন তা খোঁজ খবর নেওয়ার পাশাপাশি খগেন মুর্মুকে চিকিৎসার জন্য দিল্লির এমসে নিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলেও সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন।

    মোদির নিশানায় মমতা সরকার

    জলপাইগুড়ির নাগরাকাটায় হিংসার জন্য সরাসরি পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সঙ্গে বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের বিজেপি নেতাদেরও। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমার একান্ত কামনা পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেস এই কঠিন পরিস্থিতিতে হিংসায় লিপ্ত না হয়ে মানুষের সাহায্যে আরও মনোযোগী হোক। আমি বিজেপি কার্যকর্তাদের আহ্বান জানাই, তাঁরা যেন জনগণের পাশে থেকে চলতি উদ্ধার কাজে সহায়তা করে যান।’’

    তীব্র নিন্দা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের

    রাজ্য বিজেপি নেতাদের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সাংবাদিক বৈঠক করে নিন্দা জানিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর দফতর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, স্পিকার ওম বিড়লা ও রাজ্যপালকে নালিশ জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে, আজ, মঙ্গলবার নাগরাকাটায় যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বন্যা বিধ্বস্ত এলাকায় যাবেন সুকান্ত মজুমদারও। বিজেপির দুই জনপ্রতিনিধির উপর হামলার ঘটনার নিন্দা করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও।

    শাহের উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে জল্পনা

    বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের ওপর ন্যক্করজনক হামলা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমেই বাড়ছে। এই আবহে উত্তরবঙ্গ সফরে আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রের খবর, ৮ অক্টোবর উত্তরবঙ্গে আসতে পারেন তিনি। তবে বঙ্গ বিজেপির নেতারা এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাইছেন না। তাঁদের বক্তব্য, “বর্তমানে আমাদের অগ্রাধিকার দুর্গত মানুষদের পাশে থাকা।” তবে রাজনৈতিক মহলের দাবি, খগেন মুর্মুর উপর হামলার পর বিজেপির কৌশল বদলাতে পারে উত্তরবঙ্গে। তাই শাহের সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই বাড়ছে জল্পনা।

  • Shuvendu Adhikari: অনুব্রত কেন রাজ্যসভায় যাননি জানেন, খাপ খুলে দিলেন শুভেন্দু

    Shuvendu Adhikari: অনুব্রত কেন রাজ্যসভায় যাননি জানেন, খাপ খুলে দিলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অনুব্রত মণ্ডলকে আরও ৪ বছর জেল খাটতে হবে।” সোমবার সন্ধ্যায় বোলপুর চৌমাথায় দাঁড়িয়ে এই তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে এই হুমকিই দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি (BJP) নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Shuvendu Adhikari)। অনুব্রতর কুকথাকাণ্ডের প্রতিবাদে এদিন বোলপুরে নারী সম্মান যাত্রায় অংশ নেন শুভেন্দু। বোলপুরের ট্যুরিস্ট লজ মোড় থেকে চৌমাথা পর্যন্ত পদযাত্রা করেন শুভেন্দু। পরে এক জনসভায় যোগ দেন তিনি। সেখানে আগাগোড়াই তিনি আক্রমণ শানান তৃণমূলকে।

    কী বললেন শুভেন্দু

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনুব্রত মণ্ডলকে এসআরডিএ-র চেয়ারম্যান করে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে রেখেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতবার বীরভূমে এসেছেন, অনুব্রত মণ্ডলকে তাঁর পাশে দেখা গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ডিজিপি ও এসপিকে বলেছেন, আপনারা অনুব্রতর নির্দেশে চলবেন।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আমরা কেষ্টকে রাজ্যসভায় পাঠাতে চেয়েছিলাম। তিনি যাননি। কারণ তিনি দিল্লিতে যেতে চান না।” শুভেন্দু বলেন, “দিল্লিতে গেলে এখানকার পাথর, বালি, জেলা পরিষদ, পুরসভা, ১০০ দিনের কাজ, আবাস, কয়লা, গরুপাচার, টাকা তুলবেন কখন? আর বোলপুরের প্রাসাদে বসে গুণবেন কখন? আর মুড়ির টিনে করে মমতা ব্যানার্জির কালীঘাটে পাঠাবেন কখন? তাই তিনি রাজ্যসভায় যাননি।” বোলপুরের আইসির মা ও স্ত্রীকে উদ্দেশ করে কুকথা বলায় ক্ষমতায় এসে অনুব্রতকে ৫ বছরের জন্য জেলে ভরবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    অনুব্রতকে শুভেন্দুর (Shuvendu Adhikari) হুঁশিয়ারি, “অনুব্রত মণ্ডলকে যে ধারায় ইডি গ্রেফতার করেছে, তাতে সর্বোচ্চ ৬ বছর জেল খাটতে হয়। অনুব্রত মণ্ডল দু’বছর জেল খেটেছে। দেশের আইন ঠিক থাকলে আরও ৪ বছর জেল খাটতে হবে। সব অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নিলাম (BJP) শুরু হল বলে। এদেরকে আমরা শিকড়-সহ তুলব। যাতে আর একটা পাতাও না গজায়।” শুভেন্দু বলেন, “যে ভাষায় অনুব্রত মণ্ডল বোলপুরের মা ও আইসিকে অপমান করেছেন, তা মুখে আনা যায় না, কানে শোনা যায় না। এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে যদি যোগী আদিত্যনাথ থাকতেন, তাহলে ধরে নিয়ে যেতেন। ১৪ দিন হেফাজতে রাখতেন। প্রতিদিন শুকনো লঙ্কা জ্বালানো হত। আর নাকে নল ঢোকানো হত। যেদিন পাতা উল্টে দেবেন, তার পরের দিনই এই মামলা রিওপেন হবে। মারতে মারতে তুলে নিয়ে যাবে পুলিশ। পকসো আইনে পাঁচ বছর জেলে রাখব। রেকর্ড করে রাখুন।” তিনি বলেন, “বোলপুরের আইসির চামড়া মোটা হতে পারে, কিন্তু তাঁর মায়ের (BJP) ও স্ত্রীর অপমান গোটা বাংলার নারীদের অপমান (Shuvendu Adhikari)।”

  • Suvendu Adhikari: সন্দেশখালি থেকে নজর ঘোরাতেই খালিস্তানি-ইস্যু তৃণমূলের? পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সন্দেশখালি থেকে নজর ঘোরাতেই খালিস্তানি-ইস্যু তৃণমূলের? পুলিশকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে কার্যত লেজেগোবরে দশা তৃণমূলের। এহেন আবহে সন্দেশখালি থেকে দৃষ্টি ঘোরাতে ‘খালিস্তানি’ গল্প ফেঁদেছে তৃণমূল। অন্তত এমনই অভিযোগ বিরোধীদের (Suvendu Adhikari)। এক্স হ্যান্ডেলে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী একজন শিখ পুলিশ অফিসারকে খালিস্তানি বলার অভিযোগ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রমাণ করার জন্য এডিজিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। অন্যথায় তাঁকে পরিণতির মুখোমুখি হতে প্রস্তুত থাকতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আড়ালে থেকে যা খুশি করতে পারে না রাজ্য পুলিশ।”

    ২৪ ঘণ্টা সময়

    অভিযোগ প্রমাণ করতে শুভেন্দু স্বয়ং এডিজি দক্ষিণবঙ্গকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলছেন, “কর্তৃপক্ষ যদি দাবি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে মানহানির মামলা করব।” শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) যেদিন সন্দেশখালি যাচ্ছিলেন, সেদিন তাঁকে ধামাখালিতে বাধা দিতে এক শিখ আইপিএসকে মোতায়েন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আইপিএস যশপ্রীত সিংহ তাঁকে সন্দেশখালি যেতে বাধা দেন। সেই সময় শুভেন্দু খালিস্তানি শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ। অভিযোগ অস্বীকার করেন শুভেন্দু।

    মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি

    তিনি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগ প্রমাণ করতে বলেছেন এডিজিকে। তা না হলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। রাজ্য পুলিশের এডিজি সুপ্রতীম সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমি সুপ্রতীম সরকারকে চব্বিশ ঘণ্টা সময় দিলাম। যদি ওই সময়ের মধ্যে ধামাখালিতে পুলিশ অফিসারকে আমি খালিস্তানি বলেছি তা প্রমাণ করতে না পারেন, তাহলে আমি রাজ্য পুলিশের এডিজি সুপ্রতীম সরকারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেব।”

    আরও পড়ুুন: ‘সন্দেশখালি না গিয়ে শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী’, তোপ সুকান্তর

    মঙ্গলবার সুপ্রতীম বলেন, “জনৈক পুলিশ অফিসার যশপ্রীত সিংকে যেভাবে খালিস্তানি বলেন আক্রমণ করা হয়েছে, তা তাঁর এবং একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগকে আক্রমণ করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা এমন মন্তব্য করতে পারেন না। আমরা বিরোধী দলনেতার খালিস্তানি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আইনি যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেব।” শুভেন্দু বলেন, “সন্দেশখালিতে যেভাবে আমার যাওয়ার পর জন সুনামি হয়েছিল, তা থেকে নজর ঘোরাতেই প্লট তৈরি করা হয়েছে (Suvendu Adhikari)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুশি করতে এবং ভালো পোস্টিং পেতে নিজে এ কথা বলেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: পঞ্চায়েত মামলায় কমিশনের বিরুদ্ধে কি রুল জারি করবে আদালত? জানা যাবে বৃহস্পতিবার

    Calcutta High Court: পঞ্চায়েত মামলায় কমিশনের বিরুদ্ধে কি রুল জারি করবে আদালত? জানা যাবে বৃহস্পতিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে আদালত অবমাননার অভিযোগ। এই মামলায় ২১ সেপ্টেম্বর নির্দেশ দেবে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ। তার আগে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য জানবে আদালত। তার পরেই জানা যাবে, কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি হবে নাকি আদালত অবমাননার মামলা খারিজ করবে আদালত।

    ২৬ মামলা দায়ের

    চলতি বছর পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক অশান্তি হয় রাজ্যে। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করার পরপরই শুরু হয় রাজনৈতিক হিংসা। পুরো নির্বাচন-পর্বে যার বলি হন একজন ভোটার সহ মোট ৫৪ জন। নির্বাচন পর্বে সব মিলিয়ে দায়ের হয় ২৬টি মামলা। এর মধ্যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, কংগ্রসের নেতা অধীর চৌধুরী, প্রিয়ঙ্কা টিব্রেওয়াল এবং সিপিএমের জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের মামলাই মূল মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে, এই মর্মে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করেন শুভেন্দু, অধীর সহ আরও অনেকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে অসহযোগিতা করা হয় বলেও অভিযোগ।

    হলফনামা চাইল আদালত 

    আদালত অবমাননা প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য ও কমিশনের কাছ থেকে হলফনামা তলব করেছে। জানতে চাওয়া হয়েছে, পঞ্চায়েত নির্বাচনে কতজন মারা গিয়েছেন, কতজন হোমগার্ডকে নির্বাচনের কাজে নিযুক্ত করা হয়েছিল, রাজ্যের প্রকল্প অনুযায়ী কোন কোন মৃতের পরিবার ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন, আহত বা গুরুতর আহতরা কেন পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ পাবেন না। নির্বাচন-পর্বে যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের নাম-ধাম সহ সম্পূর্ণ তালিকা দিতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ৬ দিন পার! এখনও চলছে অনন্তনাগ অভিযান, উদ্ধার এক জঙ্গির পোড়া দেহ

    মৃতদের পরিবারের যাঁরা হোমগার্ডের চাকরি পেয়েছেন এবং যাঁরা দু’ লক্ষ করে টাকা পেয়েছেন, তাঁদের সবার নাম সহ যাবতীয় তথ্য হলফনামা আকারে ২৬ সেপ্টেম্বর জমা দিতে হবে। মামলাকারীর অভিযোগ, এতদিনে মাত্র ১৭ জন সেই চাকরি পেয়েছেন। বাকিদের কী হল, তা-ই জানতে চায় আদালত (Calcutta High Court)। এ নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাশাসকদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Panchayat Election 2023: সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের! কমিশন, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    Panchayat Election 2023: সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের! কমিশন, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেখানেও মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। ধাক্কা খেয়েছে কমিশনও। দেশের শীর্ষ আদালতও বহাল রেখেছে হাইকোর্টের রায়। সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়কে স্বাগত জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    মঙ্গলবার বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ সাংগঠনিক জেলার দফতরে বসে তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামছে, তাই বাহিনীর কমান্ডান্টদের ওপরেও যাতে রাজ্য সরকার তাদের বসিয়ে রাখতে না পারে। এটা কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের সুপারিশে হচ্ছে না, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল। আমরা সেটা করাব। কারণ ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামটা হচ্ছে অমিত শাহ।”

    আক্রমণ কমিশনকে

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আইনজীবী মারফত যা খবর পেয়েছি, তাতে এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Panchayat Election 2023) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে আদালত। রাজ্য সরকারের কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আপত্তি থাকতে পারে, কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরোধিতার কারণ কী? তারা তো যত বেশি বাহিনী পাবে, তত নির্বিঘ্নে নির্বাচন করাতে পারবে। রাজ্য সরকার কোথা থেকে বাহিনী এনে দিল, তা দেখা তো তাদের কাজ নয়। আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মের ওপর নজর রাখব। দরকারে প্রতিদিন আদালতে লড়াই হবে।”

    এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও নিশানা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজে গোলমাল পাকিয়ে এখন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার হিসেবে যে তিনজনের নাম জমা পড়েছিল, তা নিয়ে রাজ্যপাল সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। তা না করে তিনি নিজে থেকে রাজীব সিনহাকে নিয়োগ করেছেন। যার ফলে এতগুলো মানুষের প্রাণ গেল।”

    এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

    তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার যাওয়ার আগেই আমি জানিয়েছিলাম, রাজ্যের মুখ পুড়বে। যা এদিন চূড়ান্ত হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পরেই প্রথমে এক গালে চড় খেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এবার সুপ্রিম রায়ে দু গালেই চড় খেয়ে লাল হয়ে ফিরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    আরও পড়ুুন: “পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী”! পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share