Tag: siddaramaiah

siddaramaiah

  • Karnataka Assembly Election: কর্নাটকের কুর্সিতে সিদ্দারামাইয়া! উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ শিবকুমারের

    Karnataka Assembly Election: কর্নাটকের কুর্সিতে সিদ্দারামাইয়া! উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ শিবকুমারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে রফাসূত্র বার করে কর্নাটকের (Karnataka Assembly Election) কুর্সিতে বসলেন সিদ্দারামাইয়া। শনিবার দুপুরে বেঙ্গালুরুতে উপচে পড়া কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ করলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী হলেন তিনি। এদিন কর্নাটকের রাজ্যপাল থাবরচন্দ গহলৌতের কাছে উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি ডিকে শিবকুমারও। শপথগ্রহণের মঞ্চে সিদ্দা-শিবের হাত ধরিয়ে ঐক্যের ফ্রেম তৈরি করে দেন রাহুল গান্ধী। এই ছবি কত দিন এক ফ্রেমে থাকা তা অবশ্য সময় বলবে!

    কারা শপথ নিলেন

    সিদ্দা এবং শিবকুমারের পাশাপাশি, শনিবার শপথ নিয়েছেন একাধিক পূর্ণমন্ত্রী। মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের ছেলে প্রিয়ঙ্ক খাড়্গে। মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রভাবশালী দলিত নেতা জি পরমেশ্বর।  বাল্মিকী জনগোষ্ঠীর নেতা সতীশ ঝারখিয়োলিও মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। তাঁর দাদা, বিজেপির নেতা রমেশ বিদায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। পাঁচ বারের বিধায়ক তথা প্রভাবশালী লিঙ্গায়েত নেতা এমবি পাতিল, মনমোহন সিংয়ের জমানার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কেএইচ মুনিয়াপ্পা, দলের সংখ্যালঘু নেতা জামির আহমেদ খান এবং কেজে জর্জও মন্ত্রিপদে শপথ নিয়েছেন শনিবার।

    আরও পড়ুন: জি৭-এর মঞ্চ থেকেই চিন, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    শপথ অনুষ্ঠানে কারা ছিলেন

    বেঙ্গালুরুতে কর্নাটক সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও অন্য মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে (Karnataka Assembly Election) এদিন উপস্থিত ছিলেন নীতীশ কুমার, ভূপেশ বাঘেল, অশোক গেহলটের মতো কংগ্রেসি ও অবিজেপি দলের মুখ্যমন্ত্রীরা। ছিলেন এনসিপি প্রধান শারদ পাওয়ার, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন, আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদের ছেলে তথা নীতীশ মন্ত্রিসভার উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেএমএম প্রধান হেমন্ত সোরেন, সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি, সিপিআইয়ের ডি রাজা এবং কাশ্মীরের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী— ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা এবং পিডিপির মেহবুবা মুফতি। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু তিনি যাননি। দূত হিসাবে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে পাঠিয়েছেন মমতা। প্রখ্যাত দক্ষিণী অভিনেতা কমল হাসানও ছিলেন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের মঞ্চে। তাঁকে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রাতেও দেখা গিয়েছিল। কংগ্রেস সভাপতি খাড়্গের পাশাপাশি, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ছিলেন। তবে শারীরিক কারণে ছিলেন না সনিয়া গান্ধী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Karnataka: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে? দু’পক্ষই রাজি ‘আড়াই-আড়াই’ ফর্মুলায়! ঘোষণা বৃহস্পতি-সন্ধ্যায়

    Karnataka: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী কে? দু’পক্ষই রাজি ‘আড়াই-আড়াই’ ফর্মুলায়! ঘোষণা বৃহস্পতি-সন্ধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিদ্দারামাইয়া নাকি শিবকুমার, কর্নাটকের (Karnataka) নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কে শপথগ্রহণ করবেন তা নিয়ে টানা চারদিন আলোচনা চলেই যাচ্ছে হাত শিবিরে। দলের একটি সূত্রের খবর, ২০ মে অর্থাৎ আগামী শনিবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারবেন সিদ্দারামাইয়া। উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে বসতে পারেন শিবকুমার। বুধবার গভীর রাতে এমনই ঐকমত্যে পৌঁছেছেন দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে। অচলাবস্থা কাটাতে বুধবার সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দলের সভাপতি খাড়্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেন। সেই বৈঠকে এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপাল এবং রণদীপ সুরজেওয়ালা উপস্থিত ছিলেন। মধ্যরাত পর্যন্ত চলে সেই বৈঠক। সেখানেই না কি চূড়ান্ত হয় ফর্মুলা।

    আড়াই-আড়াই ফর্মুলা

    দলের একটি সূত্রে খবর, কর্নাটকের (Karnataka) অধিকাংশ কংগ্রেস বিধায়ক সিদ্দারামাইয়াকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে চাইলেও শিবকুমার হাইকমান্ডকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে। শুধু উপমুখ্যমন্ত্রী হয়ে থাকতে তিনি রাজি নন। পাঁচ বছরের সরকারের মেয়াদকাল যদি দু’ভাগে ভেঙে আড়াই বছর করে দু’জনকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়, তা হলে তিনি প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী হবেন। সরকার গঠন হওয়ার পর সিদ্দারামাইয়া মুখ্যমন্ত্রী হবেন, কিন্তু তিনি ২০২৫ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে থাকবেন, তা মানতে রাজি ছিলেন না শিবকুমার। যদি তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা না হয়, তবে তিনি উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদেও বসতে রাজি নন বলে দাবি করেছিলেন শিবকুমার। সে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র প্রদেশ সভাপতি এবং বিধায়ক পদে থাকবেন বলেও জানান তিনি। এরই মধ্যে, রবিবার গোপন ব্যালটে বিধায়কদের থেকে যে মত নেওয়া হয়েছিল, তাতে এগিয়ে ছিলেন সিদ্দারামাইয়া। আর তার ভিত্তিতেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেই ফের একবার গদিতে বসাচ্ছেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সূত্রের খবর, দুই নেতাকেই ‘আড়াই বছরের’ ফর্মুলাতে রাজি করানো হয়েছে। অর্থাৎ, কংগ্রেস সরকারের মেয়াদের প্রথম আড়াই বছর মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন সিদ্দারামাইয়া, আগামী আড়াই বছর মুখ্যমন্ত্রীর গদিতে বসবেন শিবকুমার। 

    কর্নাটক নিয়ে নানা প্রশ্ন ১০ জনপথে

    কর্নাটকের (Karnataka) বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জেতার ৯৬ ঘণ্টা পরও মুখ্যমন্ত্রীর মুখ ঠিক করে উঠতে পারেনি কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। বুধবার দিল্লিতে দফায় দফায় বৈঠকের পরও শতাব্দী প্রাচীন দল এখনও সরকারিভাবে শিলমোহর দিতে পারেনি, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া নাকি কর্নাটকের প্রদেশ সভাপতি ডিকে শিবকুমার, কাকে মুখ্যমন্ত্রী করা হবে! ১০, জনপথের অন্দরে ঘুরছে নানা প্রশ্ন। তা হলে কি রাজস্থানের পাইলট-গেহলত বা মধ্যপ্রদেশের কমলনাথ-জ্যোতিরাদিত্য দ্বন্দ্বের মতোই অবস্থা হবে কর্নাটকেও? ৪৩ শতাংশ ভোট পেয়েও পাঁচ বছর কর্নাটকে শান্তিপূর্ণ ভাবে সরকার চালাতে পারবে না কংগ্রেস? 

    কর্নাটক নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক

    কংগ্রেস সূত্রে খবর, কর্নাটকের (Karnataka) রাজনীতির জট কাটাতে বুধবার খাড়্গে আলাদা আলাদা ভাবে সিদ্দারামাইয়া এবং শিবকুমারের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রথমে শিবকুমারের সঙ্গে বৈঠক হয়। পঞ্চাশ মিনিট শিবকুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর সিদ্দরামাইয়ার সঙ্গেও বৈঠক করেন খাড়্গে। তিনি একাই নন, রাহুল গান্ধীও বুধবার দশ জনপথে সিদ্দারামাইয়া এবং শিবকুমারের সঙ্গে আলাদা ভাবে বৈঠক করেছিলেন।

    আরও পড়ুুন: ‘পদ্ম-বার্তা’ পৌঁছে দিতে পথে বিজেপি, যুব পঞ্চায়েত পদযাত্রা গেরুয়া শিবিরের

    কর্নাটকের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক

    মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? এই আবহে কোনও কংগ্রেস নেতা কর্নাটক (Karnataka) নিয়ে মিডিয়ার সামনে বেফাঁস মন্তব্য করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দল। শিবকুমার প্রকাশ্যে বলছেন, ‘দল যে দায়িত্ব দেবে, আমি পালন করব৷ আমি দায়িত্বশীল ব্যক্তি৷ দলকে পিছন থেকে ছুরি মারব না, ব্ল্যাকমেল করব না৷’ অন্যদিকে সিদ্দারামাইয়ার বক্তব্য, ‘আমার যা বলার ছিল, বলে দিয়েছি৷ জানি না কী হবে!’ এর মধ্যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে নবনির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের বৈঠক ডাকলেন ডিকে শিবকুমার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বেঙ্গালুরুর কুইন্স রোডে প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতর ইন্দিরা গান্ধী ভবনে ওই বৈঠক ডাকা হয়েছে। নবনির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের পাশাপাশি বিধান পরিষদের সদস্য এবং কর্নাটক থেকে লোকসভা এবং রাজ্যসভায় নির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের ডাকা হয়েছে ওই বৈঠকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: খাড়্গের বাসভবনে শিবকুমার, সিদ্দারামাইয়া, মুখ্যমন্ত্রিত্বের শিকে ছিঁড়বে কার কপালে?

    Congress: খাড়্গের বাসভবনে শিবকুমার, সিদ্দারামাইয়া, মুখ্যমন্ত্রিত্বের শিকে ছিঁড়বে কার কপালে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফল বেরিয়েছে শনিবার। তার পর এ পর্যন্তও কংগ্রেস (Congress) ঠিক করতে পারেনি কর্নাটকের কুর্সিতে কাকে বসানো ঠিক হবে। ২২৪টি আসন বিশিষ্ট কর্নাটক (Karnataka) বিধানসভার ১৩৫টির রাশ গিয়েছে কংগ্রেসের হাতে। তার পর থেকেই শোনা যাচ্ছে নানা গুঞ্জন। কংগ্রেসেরই একটি সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন সিদ্দারামাইয়া। অন্য একটি সূত্রের খবর, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর মুকুট উঠতে চলেছে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমারের মাথায়।

    বিপাকে কংগ্রেস (Congress)…

    সোমবার দিল্লিতে যাওয়ার কথা থাকলেও, এদিন জন্মদিনের কথা বলে দিল্লি যাননি শিবকুমার। তবে মঙ্গলবার গিয়েছেন। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে গিয়ে প্রথমে দেখা করেন শিবকুমার। তার পরে পরেই সেখানে পৌঁছান সিদ্দারামাইয়া। এই সিদ্দারামাইয়া-ই দলের ওবিসি মুখ। এদিন শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে দেখা করার আগে খাড়্গে কথা বলে নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। ঘণ্টা দেড়েক ধরে করেন রুদ্ধদ্বার বৈঠক। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের (Congress) সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সুরজওয়ালা এবং এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কেসি বেণুগোপাল। খাড়্গের বাসভবনে ঢোকার আগে শিবকুমার কথা বলেন সাংবাদিকদের সঙ্গে। তখনই জানতে চাওয়া হয়, মুখ্যমন্ত্রিত্ব না পেলে পদত্যাগ করবেন কি না। শিবকুমার বলেন, মা বলতে আমি দলকেই বুঝি। দলই আমার কাছে মা। দলকে দাঁড় করিয়েছি আমরা। তাই পদত্যাগের প্রশ্নই ওঠে না।

    আরও পড়ুুন: মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তিতে উদ্বোধন হচ্ছে নয়া সংসদ ভবনের!

    সিদ্দারামাইয়া ওবিসি জনগোষ্ঠীর নেতা। পুরনো মাইসুরু অঞ্চলের বরুণা কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। জিতেছেনও। জয়ী হয়েছেন শিবকুমারও। তিনি নিজের পুরানো কেন্দ্র বেঙ্গালুরু গ্রামীণ এলাকার কনকপুরায় হারিয়েছেন প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী আর অশোককে। তাই মুখ্যমন্ত্রীত্বের দৌড়ে রয়েছেন দুই নেতাই। কংগ্রেসের (Congress) একটি সূত্রের খবর, কর্নাটকে মুখ্যমন্ত্রী বেছে নেওয়ার দায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে দলের হাইকমান্ডের হাতে। মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন যদি কার পাশে কতজন বিধায়ক রয়েছেন, সেই নিক্তিতে হয়, তাহলে কর্নাটকে সরকারি বাসভবন ‘অনুগ্রহে’র শিকে ছিঁড়তে চলেছে সিদ্দারামাইয়ার কপালেই। আর মুখ্যমন্ত্রিত্বের মানদণ্ড যদি আনুগত্য হয়, তাহলে কর্নাটকের রশি যেতে পারে শিবকুমারের হাতে। শিবকুমারের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পথে অন্য একটি কাঁটাও রয়েছে। সেটি হল দুর্নীতির অভিযোগ। উল্টো দিকে সিদ্দারামাইয়ার ইমেজ ক্লিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share