Tag: siddiqullah chowdhury

siddiqullah chowdhury

  • Siddiqullah Chowdhury: শাহজাহান দলের ক্যান্সার-জন্ডিস, শাস্তি হওয়া দরকার, তোপ সিদ্দিকুল্লার

    Siddiqullah Chowdhury: শাহজাহান দলের ক্যান্সার-জন্ডিস, শাস্তি হওয়া দরকার, তোপ সিদ্দিকুল্লার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি আধিকারিকদের উপর হামলার পর সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ফের রাতারাতি খবরের শিরোনামে চলে এসেছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি বেপাত্তা। তাঁকে নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী (Siddiqullah Chowdhury)। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    শাহজাহানের মতো অপরাধীর শাস্তি হওয়া প্রয়োজন (Siddiqullah Chowdhury)

    শনিবার হুগলির জাঙ্গিপাড়া গ্রন্থমেলায় যোগ দিতে এসে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, ‘ শেখ শাহজাহান দলের জন্ডিস- ক্যান্সার। তবে, ক্যান্সার(Siddiqullah Chowdhury)তো দুরারোগ্য, মরে যাবে, আর জন্ডিস সারবে না, জন্ডিস না সারলে সে মরবে আর দশজন মরবে, ওরা দলের জন্ডিস। পাশাপাশি মন্ত্রী বলেন, ইয়াস ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রায় লক্ষাধিক টাকার ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছিলাম, সেই সময় এই শাহজাহান আমাকে পুলিশের সামনে হেনস্থা করেছিলেন। শাহজাহান সিপিএম-এর জমানায় হার্মাদ বাহিনী থেকে এই দলে এসেছে। সেই বদ রক্তের কারণে ক্ষতিটা আরও বেশি হচ্ছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, আমি চাই এরকম অপরাধীদের শাস্তি হোক, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক, যাতে ভালো মানুষেরা দল করতে পারেন।’

    ইডি-র আধিকারিকদের ওপর হামলা করা ঠিক হয়নি

    ইডি-র হামলা প্রসঙ্গে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী (Siddiqullah Chowdhury) বলেন, আমি বিশ্বাস নিয়ে বলতে পারি, এই হামলার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ ছিল না। শাহজাহান নিজের শক্তির বড়াই দেখাতে গিয়ে ফেঁসেছে। দল দলের জায়গায় কাজ করুক, দল তাঁর সঙ্গে নেই। কেউ যদি মনে করে আমি আইনের ঊর্ধ্বে, তবে তাঁকে শাস্তি পেতেই হবে। মারধর করে অন্যায় করেছে। আর এসবের জন্য তৃণমূল দল দায়ী নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক দায়ী নন, যে করেছেন তিনি দায়ী। ইডি আধিকারিকদের ঘেরাও পর্যন্ত চলতে পারতো। অফিসারদের এইভাবে মারধর করা বৈধ কাজ নয়।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bardhaman: সরকারি হাসপাতালেই এক্স-রে হল না রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহর, পদত্যাগ চাইল বিজেপি

    Bardhaman: সরকারি হাসপাতালেই এক্স-রে হল না রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহর, পদত্যাগ চাইল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতে লোক নেই, তাই সরকারি হাসপাতালে এক্স-রে হল না রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহর। স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নের জোয়ারের কথা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের ঢাক পিটিয়ে প্রায় বলতে শোনা যায়। অথচ রাজ্যের খোদ মন্ত্রীর মুখেই এবার শোনা গেল বর্ধমানের (Bardhaman) এক সরকারি হাসপাতালে পরিষেবা না পাওয়ার কথা। অবাক রাজ্যের মন্ত্রী! ঘটনায় রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার জীর্ণদশার কথা ফের একবার উঠে এল। পাল্টা মন্ত্রীর পদত্যাগ চাইল বিজেপি। উল্লেখ্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও গত কয়েক মাস আগে এসএসকেএমে নিজের পায়ের চিকিৎসার বিষয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মুখের কথাই যেন ফের আওড়ালেন এবার গ্রন্থাগারমন্ত্রী।

    কী বললেন সিদ্দিকুলাহ (Bardhaman)?

    গত মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরি শৌচাগার থেকে বের হওয়ার সময় পড়ে গিয়ে আহত হন। ডান পায়ের কনিষ্ঠ আঙুলে চোট লাগে। এরপর রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এরপর সন্ধ্যায় যন্ত্রণা বাড়তে থাকলে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান (Bardhaman) মেমারি গ্রামীণ হাসপাতালে যান। চিকিৎসকেরা জানধ, এক্স-রে করতে হবে। কিন্তু হাসপাতালের ওপিডিতে দিনে এক্স-রে হলেও রাতে তা করার কোনও ব্যবস্থা নেই বলে জানতে পারেন মন্ত্রী। কথা শুনেই অবাক হয়ে যান তিনি। এরপর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “এই বিরাট হাসপাতালে এক্স-রে হবে না! আমার জানা ছিল না। সব সময় হলে মানুষের অনেক উপকার হবে। আমি উদ্যোগ নিয়ে এই কাজটি করাবো। মানুষের সুবিধার জন্য চেষ্টা করব। মানুষ যাতে সুযোগ পান সেই দিকেই নজর রাখবো। রাজ্যে ৪২-৪৩টি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল রয়েছে। আমি সরকারি হাসপাতালেই দেখাই, প্রাইভেটে দেখাই না।”

    বিজেপির বক্তব্য

    মন্ত্রীর এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করে বিজেপি। বিজেপির পূর্ব বর্ধমান (Bardhaman) জেলার সহ সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ বলেন, “সরকারি হাসপাতালে যদি রাজ্যের মন্ত্রীর এই অবস্থা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হাল হবে। রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য ন্যূনতম পরিষেবার ব্যবস্থা নেই। তাই রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুলাহ সাহেবের পদত্যাগ করা উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share