Tag: Sikh

Sikh

  • Veer Bal Diwas: ক্রিসমাসে পালিত হয় বীর বাল দিবস, কী কারণে জানেন?

    Veer Bal Diwas: ক্রিসমাসে পালিত হয় বীর বাল দিবস, কী কারণে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন পালন করেন খ্রিস্টানরা। এই সময় বীর শহিদদের স্মরণ করেন পঞ্জাবিয়াত ও শিখ পন্থ অনুসরণকারীরা (Veer Bal Diwas)। ১৭০৪ সালের ২১ থেকে ২৭ ডিসেম্বরের মধ্যে শহিদ হন চার সাহিবজাদে অজিত সিংজি, জুজহার সিংজি, জোরাওয়ার সিংজি এবং ফতেহ সিংজি। এই চারজন হলেন দশম শিখ গুরু গুরু গোবিন্দ সিংহের চার ছেলে (The Unforgettable Sacrifice)। স্নেহভরে তাঁদের সাহিবজাদে বলে ডাকা হয়।

    অসীম বীরত্ব গাথা (Veer Bal Diwas)

    এই সপ্তাহটা শিখেরা সাহিবজাদের অসীম বীরত্বের কথা স্মরণ করেন। সাহিবজাদে বলতে বোঝায় ভদ্র ও উজ্জ্বল বংশোদ্ভূত তরুণদের। ১৭০৪ সালের ২০ ডিসেম্বরের শীতের রাতে, গুরু গোবিন্দ সিংজি, তাঁর স্ত্রী মাতাজিতোজি, তাঁদের চার পুত্র, পঞ্চ পিয়ারে এবং পন্থ অনুসরণকারী বেশ কয়েকজন যোদ্ধা আনন্দপুর সাহিব দুর্গ ত্যাগ করেন। মুঘল ও পাহাড়ি রাজা তাদের নিজ নিজ ধর্মে পবিত্র কোরআন এবং গরুকে সাক্ষী রেখে শপথ করেছিল যে তারা দুর্গ আক্রমণ করবে না। তবে ২০-২১ ডিসেম্বরের রাতে, মুঘলরা তাদের প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করে। আনন্দপুর সাহিব থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে সরসা নদীর তীরের একটি জায়গায় মুঘলরা গুরু গোবিন্দ সিংজি ও তাঁর দলের ওপর আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণের জায়গাটি “পরিবার বিচোরা” নামে পরিচিত। এর স্মরণে নির্মিত গুরুদ্বারকে “গুরুদ্বার পরিবার বিচোরা সাহিব” বলা হয়। এই আক্রমণের ফলে গুরুর পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরু গোবিন্দি সিংজির ভাই মণি সিং দিল্লির দিকে যাত্রা করেন।

    শহিদ দুই সাহিবজাদে

    ডিসেম্বর ২১ তারিখ বিকেলে, গুরু গোবিন্দ সিংজি দুই জ্যেষ্ঠ সাহিবজাদে, পাঁচজন পাঞ্জ পিয়ারা এবং চল্লিশজন যোদ্ধাকে নিয়ে শিখ পন্থ অনুসরণ করে চমকৌর যাত্রা করেন। ডিসেম্বর ২২ তারিখে, খালসা ও জ্যেষ্ঠ সাহিবজাদারা, যারা বড় সাহিবজাদে নামে পরিচিত – মাত্র ১৮ এবং ১৪ বছর বয়সে বিশাল মুঘল সেনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে শহিদ হন। এই যুদ্ধ ইতিহাসে চমকৌরের যুদ্ধ বা চমকৌর সাহিবের যুদ্ধ নামে পরিচিত (The Unforgettable Sacrifice)। পন্থ অনুসরণকারী ৪০ জন যোদ্ধা এবং তিনজন পাঞ্জ পিয়ারা দশ হাজার মুঘল সৈন্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে জীবন দেন (Veer Bal Diwas)। গুরু গোবিন্দ সিংয়ের মতো আর এক সদস্য সংঘত সিং, গুরুর মতো পোশাক পরেন ও সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। আলোচনার চেষ্টা ব্যর্থ হলে, যোদ্ধারা বিপুল মুঘল সৈন্যদের সঙ্গে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন, যা গুরুকে সরে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়। পরদিন সকালে শেষ যোদ্ধারা মুঘল সৈন্যদের হাতে নিহত হন। সংঘর্ষ চলাকালীন গুরু গোবিন্দ সিংয়ের দুই কনিষ্ঠ পুত্র বাবা জোরাওয়ার সিং ও ফতেহ সিং এবং তাঁদের ঠাকুরমা, মাতাজি গুজরি, অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।

    আরও পড়ুন: ভারতে আসতে মুখিয়ে ওলি, ‘পাত্তা’ই দিচ্ছে না দিল্লি, কেন জানেন?

    ইসলাম ধর্ম গ্রহণ না করার পরিণাম

    বাবা জোরাওয়ার সিং, বাবা ফতেহ সিং এবং তাদের ঠাকুমা ১৭০৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সকালে মরিন্দার কর্মচারী জনি খান এবং মণি খান রঙ্গরের দ্বারা আটক হন। পরের দিন তাদের সিরহিন্দে পাঠানো হয়, যেখানে তাদের দুর্গের ঠান্ডা টাওয়ারে রাখা হয়। এই স্থানের স্মৃতিতে বিখ্যাত গুরুদ্বার ফতেহগড় সাহিব গড়ে উঠেছে। ১৭০৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর, চমকৌর থেকে ফিরে আসা ফৌজদার নবাব ওয়াজির খান ও তার সামন্ত মিত্র মালেরকোটলার নবাব শের মুহাম্মদ খান, বাবা জোরাওয়ার সিংজি এবং বাবা ফতেহ সিংজিকে তাদের সামনে হাজির করেন। ওয়াজির খান তাঁদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে রাজি (Veer Bal Diwas) করানোর জন্য সম্পদ ও সম্মানের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু সাহিবজাদারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

    প্রাণনাশের হুমকিতেও অটল

    তিনি তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। তবুও তাঁরা তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেননি। শেষমেশ এই দুজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। শের মুহাম্মদ নিরপরাধ শিশুদের জীবন রক্ষা করার জন্য অনুরোধ করার পর, সাহিবজাদাদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। তীব্র শীতের (The Unforgettable Sacrifice) মধ্যে, সাহিবজাদা জোরাওয়ার সিং এবং তার ভাই তাদের বৃদ্ধ ঠাকুমার কোলে ঠান্ডা টাওয়ারে অতিরিক্ত দুদিন কাটান। তা সত্ত্বেও দুই সাহিবজাদা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। খালসা পন্থের প্রতি অটল ও বিশ্বস্ত থেকে যান। এরপর ওয়াজির খান তাঁদের চারপাশে ইটের প্রাচীর নির্মাণের নির্দেশ দেন। জীবন্ত সমাধিস্থ হয়ে শহিদ হন দুই সাহিবজাদা।

    মারা যান মাতাজি গুজর কৌরও

    পরে যখন মাতাজি গুজর কৌর জানতে পারেন যে তাঁর ছোট দুই নাতি শহিদ হয়েছেন, শোক সহ্য করতে না পেরে সেদিনই তিনি মারা যান। ১৭০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর, সিরহিন্দের মাটিতে এই ভয়াবহ অপরাধ সংঘটিত হয়। “ছোটে সাহিবজাদে”, যাদের বয়স ছিল মাত্র ৬ এবং ৯ বছর, সিরহিন্দে মুঘলদের দ্বারা নিহত হন। ফতেহগড় সাহিব, পঞ্জাব, ভারতের এই স্থানের নাম দেওয়া হয়েছে জ্যোতি স্বরূপ গুরুদ্বার সাহিব। প্রতি বছর ২১ থেকে ২৭ ডিসেম্বর, ফতেহগড় সাহিব গুরুদ্বারে এই শহিদদের স্মরণে শাহিদি জোড় মেলা অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনটি তরুণ সাহিবজাদাদের (Veer Bal Diwas) সাহস, বীরত্ব এবং আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তার পর থেকে এই দিনটি পালিত হয় বীর বাল দিবস হিসেবে। সপ্তাহব্যাপী স্মরণ করা হয় এই তরুণ বীরদের (The Unforgettable Sacrifice)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Air India: হিন্দু ও শিখ যাত্রীদের হালাল-খাবার দেওয়া যাবে না, বিরাট ঘোষণা এয়ার ইন্ডিয়ার

    Air India: হিন্দু ও শিখ যাত্রীদের হালাল-খাবার দেওয়া যাবে না, বিরাট ঘোষণা এয়ার ইন্ডিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হালাল প্রত্যায়িত খাবারের (Halal-certified Food) বিরুদ্ধে অনেক দিন ধরেই সরব হয়েছিলেন অ-মুসলমান ধর্মাবলম্বীরা। কেন জোর করে ইসলামি হালাল খাবার খেতে হবে হিন্দু-শিখ ধর্মাবলম্বীদের? এটা ছিল আমজনতার প্রশ্ন। এবার দীর্ঘ সময়ের জন্য সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপ (Air India)। হিন্দু ও শিখদের হালাল-খাবার পরিবেশন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটার মালিকানাধীন এই উড়ান সংস্থা। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের সাধারণ নাগরিকগণ। এবার থেকে হালাল জাতীয় খাবার আর দেওয়া হবে না অ-মুসলিম বিমানযাত্রীদের। সামাজিক মাধ্যমে নেট- নাগরিকদের নানা মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। বেশিরভাগই এয়ার ইন্ডিয়াকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

    খাবার পরিবেশনের রীতিতে এবার বদল

    টাটা গ্রুপের (Air India) ব্যবস্থাপনায় এয়ার ইন্ডিয়া একটি সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করায় হিন্দু এবং শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে গভীরভাবে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে। গ্রুপের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, হিন্দু ও শিখ যাত্রীদের হালাল-প্রত্যায়িত খাবার (Halal-certified Food) পরিবেশন করা যাবে না। মুসলিম যাত্রীদের জন্য পৃথকভাবে এমওএমএল বা মুসলিম মিল স্টিকার বা লেবেল যুক্ত খাবার ‘বিশেষ’ বলে বিবেচিত হবে। টিকিট বুক করার সয়ম কোনও ব্যক্তি এমওএমএল বা হালাল-খাবারের অপশন টিক করলে তবেই কেবলমাত্র নথিভুক্ত ব্যক্তিদের হালাল খাবার পরিবেশন করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি বহু বছর ধরে খাবার পরিবেশনের রীতিতে এবার বদল ঘটতে শুরু করবে। ধর্মী ও সাংস্কৃতিক অনুশীলনগুলিকে আরও ভালোভাবে যাতে সম্মান করা যায়, সেই দিকেও নজর থাকবে বলে জানা গিয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে, হালাল-প্রত্যায়িত খাবার কেবলমাত্র নির্দিষ্ট রুটেই উপলব্ধ হবে।

    হালালের ‘একচেটিয়া’ রাজত্ব ছিল

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে, হিন্দু এবং শিখ ধর্মাবলম্বী যাত্রীরা এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) ফ্লাইটে খাবারের বিকল্প ব্যবস্থার দাবি তুলে আসছিলেন। বিশেষ করে হালাল-খাবারের একচেটিয়া পরিবেশন রীতি মানুষের মনে প্রশ্ন তৈরি করেছিল। কিছু কর্মী এবং ধর্ম সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা এই ব্যবস্থাকে হালালের ‘একচেটিয়া’ রাজত্ব হিসাবে বর্ণনা করেছেন। যাঁরা ইসলাম ধর্মাবলম্বী নন, অর্থাৎ অ-মুসলিম তাঁদের উপর একটি খাদ্যাভ্যাসকে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হল, হালাল শংসাপত্রের বাইরে উপলব্ধ বিকল্প খাবারগুলি যাতে সমস্ত যাত্রীদের খাদ্যতালিকায় থাকে সেই বিশ্বাসকে সম্মান করতে হবে।

    যাত্রীদের বিভিন্ন চাহিদা মেটানোই লক্ষ্য

    জানা গিয়েছে, টাটা গ্রুপের এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সাম্প্রতিক পদক্ষেপের একাটাই লক্ষ্য যাত্রীদের বিভিন্ন চাহিদা মেটানো। হিন্দু, শিখ এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাঁদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় রীতিগুলির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ খাবারের বিকল্প পরিষেবাগুলিকে উপলব্ধ করা। এই ঘোষণা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোচনা ও প্রশংসা হচ্ছে। বিশেষ করে হিন্দু এবং শিখ ধর্মের মানুষেরা এই ধরনের পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষায় ছিলেন।

    আরও পড়ুনঃ রাম মন্দিরে হামলার হুমকি খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুনের, অযোধ্যায় জারি সতর্কতা

    সনাতন ডায়েট বোর্ড সার্টিফাইড প্রয়োজন

    সামাজিক মাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া এসেছে। যেমন-‘মেঘ আপডেট’ নামে এক্স হ্যান্ডলের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক পোস্ট ব্যাপক ঝড় তুলেছে। একে এক প্রকার আলোড়ন বলা বললেও কম বলা হবে। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় সবচেয়ে বড় পদক্ষেপগুলির (Air India) মধ্যে একটি। ১.৬ বিলিয়ন হিন্দু, ০.৫ বিলিয়ন বৌদ্ধ এবং জৈন-শিখ-সহ মোট ২.০ বিলিয়ন সনাতনীদের জন্য ভালো খবর (Halal-certified Food)। সনাতন ডায়েট (SATVIC/SANATAN DIET) বোর্ড সার্টিফাইড এবং সার্টিফিকেশনের প্রয়োজন এই সময়ে। এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) দারুণ খবর।”

    অন্য একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “সংখ্যালঘু প্রভাবের কারণে এখনও পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই কেবলমাত্র ভুগছেন। ভাবা যায়! অবাক কাণ্ড, একবার কল্পনা করুন।” আবার আরও একজন উল্লেখ করে লিখেছেন, “এটি ভালো খবর। আমি অবাক হয়েছি যে এই দিকে এত বছর ধরে কেন নজর দেওয়া হয়নি। সকলের অলক্ষ্যে ছিল।” একই ভাবে একাধিক ধর্মীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে খাদ্য তালিকা এবং পছন্দগুলির স্বীকৃতির জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) এই ঘোষণায় দেশজুড়ে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Canada Relation: কানাডাভূমে শক্তি প্রদর্শন হিন্দুদের, প্রতিবাদে শামিল শিখরাও

    India Canada Relation: কানাডাভূমে শক্তি প্রদর্শন হিন্দুদের, প্রতিবাদে শামিল শিখরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডাভূমে শক্তি প্রদর্শন হিন্দুদের! রবিবার কানাডার ব্রাম্পটনে হিন্দু সভা মন্দিরে হামলা চালায় (India Canada Relation) খালিস্তানপন্থীরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার হাজার হাজার ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষ পথে নামেন। এদিনের (Justin Trudeau) প্রতিবাদ মিছিলে বেশ কিছু শিখকেও হাঁটতে দেখা গিয়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকার যে খালিস্তানিদের তোল্লাই দিচ্ছে, তার বিরুদ্ধেই একজোট হয়েছেন কানাডার ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিন্দু ও শিখরা।

    হিন্দু জাগরণ! (India Canada Relation)

    এদিন প্রতিবাদীদের একদল যখন রাস্তা অবরোধ করছিলেন, তখন অন্যদল খালিস্তানপন্থীদের আক্রমণের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছিলেন। এদিনের এই প্রতিবাদ-যাত্রার আয়োজক ছিল উত্তর আমেরিকার হিন্দুদের সংগঠন কোয়ালিশন অফ হিন্দুজ ইন নর্থ আমেরিকা। এই প্রতিবাদ মিছিলের লক্ষ্যই ছিল, খালিস্তানিদের অযৌক্তিক সহিংসতার মোকাবিলায় ঐক্য ও সাহসিকতার বার্তা দেওয়া। কানাডার সাংবাদিক ড্যানিয়েল বোর্ডম্যান বলেন, “এটি হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য এক ধরনের (India Canada Relation) জাগরণ। আগে কখনও হাজারে হাজারে হিন্দু এমনভাবে পথে নেমে প্রতিবাদ করেনি। খালিস্তানপন্থীরা সীমা অতিক্রম করেছে। আর হিন্দুরা সংগঠিত হয়ে সাড়া দেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেছে।” তিনি জানান, এদিন সব সম্প্রদায়ের মানুষই খালিস্তানপন্থীদের বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’’, কানাডায় হিন্দু মন্দিরে হামলা প্রসঙ্গে কড়া প্রতিক্রিয়া জয়শঙ্করের

    পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “আমি হিন্দু সভা মন্দিরে ছিলাম। যেখানে হাজার হাজার হিন্দুদের পাশাপাশি শিখ, ইহুদি, খ্রিস্টান এবং ইরানি সম্প্রদায়ের মানুষ মন্দিরে খালিস্তানপন্থীদের আক্রমণ ও পিল পুলিশের ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন জানাতে এসেছিলেন।” সাংবাদিক মোচা বেজিরগান জানান, খালিস্তানপন্থীদের আক্রমণ ও সরকারের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ বৃদ্ধি পায়। সড়ক অবরোধ ও যানবাহন ভাঙচুরের মাধ্যমে অশান্ত হয়ে ওঠে ব্রাম্পটন। এদিনের প্রতিবাদে হিন্দু এবং শিখ উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই অংশগ্রহণ করেন। পিল পুলিশের বিরুদ্ধে স্লোগানও দেন তাঁরা। পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও তোলেন প্রতিবাদীরা।

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক প্রতিবাদী বলেন, “শিখরা আমাদের ভাই। খালিস্তানপন্থীরা শিখ নয়। আমার শিখ বন্ধু ও ভাইয়েরা আছেন এবং তাঁরা হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে এই ঘৃণার সঙ্গে যুক্ত নয়। আমি চাই (Justin Trudeau) কানাডাবাসী এটি জানুক।” তিনি বলেন, “একটি মন্দিরে আক্রমণ করা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়। আমরা একত্র এবং ঐক্যবদ্ধ (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jagdish Tytler: শিখ বিরোধী দাঙ্গা, জগদীশ টাইটলারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের নির্দেশ দিল্লির আদালতের

    Jagdish Tytler: শিখ বিরোধী দাঙ্গা, জগদীশ টাইটলারের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের নির্দেশ দিল্লির আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী দাঙ্গায় (1984 Anti Sikh Riots) অন্যতম অভিযুক্ত কংগ্রেস নেতা জগদীশ টাইটলারের (Jagdish Tytler) বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। গতকাল শুক্রবার ৩০ অগাস্ট আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইকে। বিচারপতি রাকেশ সিয়াল বলেন যে জগদীশ টাইটলারের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, যাতে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো যায়।

    কোন কোন ধারায় চার্জ গঠন (Jagdish Tytler) 

    প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে চালু রয়েছে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী যে সময়ে ঘটনা ঘটেছে, সেই সময়ের আইন অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া চলবে। এভাবেই জগদীশ টাইটলারের (Jagdish Tytler) বিরুদ্ধে লাগু হতে চলেছে আইপিসি-এর অনেকগুলি ধারা। ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারা (বেআইনি জমায়েত), ১৪৭ ধারা (দাঙ্গা), ১৫৩ এ ধারা (দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ বাধানো), ১৮৮ ধারা (সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা দান), ২৯৫ ধারা (ধর্মস্থান অবমাননা), ৪৩৬ ধারা (অগ্নিসংযোগ), ৪৫১ ধারা (অবৈধভাবে বাড়িতে প্রবেশ ও লুট), ৩৮০ ধারা (চুরি), ১৪৯ ধারা (সাধারণ উদ্দেশে বেআইনি জমায়েত), ৩০২ ধারা (খুন) ১০৯ ধারা (অপরাধে উস্কানি) ইত্যাদি ধারায় মামলা দায়ের করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।

    কংগ্রেস নেতার (Jagdish Tytler) প্ররোচনা

    চলতি বছরের গোড়াতেই ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে সিবিআই দাবি করেছিল যে অনেক প্রত্যক্ষদর্শী রয়েছেন, যাঁরা নিজের চোখে দেখেছেন জগদীশ টাইটলার একটি ভিড়কে উস্কানি দিচ্ছেন, দাঙ্গা করার প্ররোচনা দিচ্ছেন ১৯৮৪ সালে। জানা যায়, জগদীশ টাইটলারের এই উস্কানির ফলেই দিল্লির গুরুদুয়ারায় তিনজন মানুষকে খুন করা হয়। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মে মাসেই সিবিআই তাদের চার্জশিটে জানিয়েছিল যে জগদীশ টাইটলারের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়া, প্ররোচনা দেওয়ার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে যা সংঘটিত হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর দিল্লিতে। এরপরেই ১ লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান জগদীশ টাইটলার ২০২৩ সালের অগাস্ট মাসে। প্রসঙ্গত, ইন্দিরা গান্ধীর মৃত্যুর পরেই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে শিখ-বিরোধী দাঙ্গা। এই দাঙ্গা চলে ১৯৮৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত। অজস্র কংগ্রেসী নেতা এই দাঙ্গায় অভিযুক্ত হন। এই সময়ে ৩,৩৫০ জন সাধারণ শিখ নাগরিককে (1984 Anti Sikh Riots) নির্মমভাবে হত্যা করে কংগ্রেস সমর্থকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Afghanistan Relations: হিন্দু, শিখদের সম্পত্তি ফেরাবে তালিবান সরকার! স্বাগত জানাল ভারত

    India Afghanistan Relations: হিন্দু, শিখদের সম্পত্তি ফেরাবে তালিবান সরকার! স্বাগত জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে হিন্দু ও শিখদের সম্পত্তির অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে দেশের তালিবান সরকার। আফগানিস্তানের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত (India Afghanistan Relations)। শুক্রবার এনিয়ে মতামত ব্যক্ত করেছেন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। সিরিয়ায় ইরানের দূতাবাসে ইজরায়েলের হামলায় ভারত যে উদ্বিগ্ন, তাও এদিন জানিয়েছেন তিনি।

    সম্পত্তি ফেরাতে কমিশন গঠন (India Afghanistan Relations)

    আফগান হিন্দু ও আফগান শিখদের সম্পত্তি ফেরাতে কমিশন গঠন করেছে তালিবান সরকার। সরকার ও তালিবানদের সংঘাতের জেরে যখন অশান্ত হয়ে উঠেছিল কাবুল, তখনই বেহাত হয় আফগান হিন্দু ও আফগান শিখদের সম্পত্তি। তালিবান সরকারের এই সিদ্ধান্তকেই স্বাগত জানিয়েছে ভারত (India Afghanistan Relations)। শুক্রবার বিদেশমন্ত্রকের তরফে রণধীর বলেন, “আমরা এই বিষয়ে রিপোর্ট দেখেছি। যদি তালিবান প্রশাসন তাদের আফগান হিন্দু ও শিখ সম্প্রদায়ের নাগরিকদের সম্পত্তির অধিকার পুনরুদ্ধার করার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে আমরা একে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবেই দেখছি।”

    উদ্যোগকে স্বাগত জানাল ভারত

    আফগানিস্তানের বিচার মন্ত্রকের সিদ্ধান্তের পরে সেখানকার শিখ নেতা নরেন্দ্র সিং খালসা কাবুলে ফিরে আসেন। তখনই তাঁকে এবং সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের অন্য সদস্যদের তাঁদের সম্পত্তির অধিকার সুরক্ষিত করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয় তালিবান সরকারের তরফে। এজন্য গঠন করা হয়েছে কমিশনও। তালিবান সরকারের এহেন উদ্যোগকেই স্বাগত জানিয়েছে ভারত।

    গত চার দশকে আফগানিস্তানের অস্থির রাজনৈতিক পটভূমিতে কেবল হিন্দু এবং শিখদের সম্পত্তিই দখল করা হয়নি, অনেক আফগান, যাঁদের সেভাবে প্রভাব ছিল না, তাঁরাও এঁটে উঠতে পারেননি প্রভাবশালীদের সঙ্গে। সমর্পণ করতে হয়েছিল সম্পত্তি। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে তালিবান কাবুলের ক্ষমতা দখলের পর ভারত-আফগান সম্পর্ক গিয়ে ঠেকে তলানিতে। এখনও পর্যন্ত আফগানিস্তানের তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি ভারত। সম্প্রতি ভারতে দূতাবাসও বন্ধ করে দিয়েছে আফগানিস্তান। তবে দীর্ঘকাল আফগানিস্তানের নানা উন্নয়ন প্রকল্পে সাহায্য করেছিল ভারত। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই ঋণ শোধ করতেই আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের নয়া উদ্যোগ (India Afghanistan Relations)।

    আরও পড়ুুন: ২ ঘণ্টা দাবি মুখ্যমন্ত্রীর! দার্জিলিং থেকে দিঘা, ২৮ দিন রাজ্যে ছিল ধৃত আইএস জঙ্গিরা, পাল্টা এনআইএ

    এদিকে, ইরান-ইজরায়েলের দ্বন্দ্বের জেরে এশিয়ার আকাশে ক্রমেই ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ। এ প্রসঙ্গে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে রণধীর বলেন, “১ এপ্রিল সিরিয়ায় ইরানের দূতাবাসে হামলা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। পশ্চিম এশিয়ায় এই অশান্তি নিয়েও আমরা উদ্বিগ্ন। এর জেরে আরও হিংসার উদ্রেক হতে পারে। নষ্ট হতে পারে স্থিতিশীলতা (India Afghanistan Relations)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan: পাকিস্তানে ফের আক্রান্ত সংখ্যালঘু শিখরা, কূটনীতিককে তলব করে প্রতিবাদ দিল্লির

    Pakistan: পাকিস্তানে ফের আক্রান্ত সংখ্যালঘু শিখরা, কূটনীতিককে তলব করে প্রতিবাদ দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংখ্যালঘু শিখ (Sikh Minority) সম্প্রদায়ের ওপর হামলা পাকিস্তানে (Pakistan)। গত তিন মাসে এ নিয়ে চারবার হামলা হল সে দেশে বসবাসকারী শিখদের ওপর। ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার নয়াদিল্লির পাক হাইকমিশনের এক পদস্থ কূটনীতিককে তলব করে প্রতিবাদ জানাল নয়াদিল্লি। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়ে পাক দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলবে বলে জানিয়েছে ‘ইউনাইটেড শিখস’ নামে শিখদের একটি সংগঠন।

    শিখদের ওপর হামলা

    পাকিস্তানে (Pakistan) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর হামলার ঘটনা নতুন নয়। কখনও ব্যক্তিগত রোষের জেরে, কখনওবা জোর করে সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার অছিলায়, কখনও আবার ধর্মীয় কারণে সে দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছেই। গত কয়েকদিনে খাইবার-পাখতুনখোয়া প্রদেশের রাজধানী পেশোয়ারে আক্রান্ত হয়েছেন শিখ সম্প্রদায়ের দুই ব্যক্তি। এঁদের মধ্যে একজন চিকিৎসক। তাঁকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল। শনিবার হিংসার বলি হন মনমোহন সিংহ নামে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী।

    পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি

    পুলিশ সূত্রে খবর, পেশোয়ারের রশিদগঢ়হী বাজারের কাছেই একটি দোকান চালাতেন মনমোহন। শনিবার দোকান বন্ধ করে ফিরছিলেন তিনি। সেই সময় বাইকে চড়ে মনমোহনের (Pakistan) পিছু নেয় দুই দুষ্কৃতী। কিছুটা দূরে গিয়ে মনমোহনের পথ আগলায় তারা। তার পরেই পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শিখ সম্প্রদায়ের ওই ব্যক্তির।  

    শুক্রবার রাতেও স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলা হয়। তাঁকেও লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। গুলি লাগে তাঁর পায়ে। চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। সবকটি ঘটনাই ঘটে পেশোয়ার শহরে। আফগান সীমান্তবর্তী পেশোয়ারে হাজার পনের শিখের বাস। সেখানেই ঘটে চলেছে একের পর এক হামলার ঘটনা।

    আরও পড়ুুন: ঝাড়গ্রামে ক্যান্সার আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীকে সপাটে চড় থানার ওসির, ভাইরাল ভিডিও

    পাঁচ বছর আগে এই পেশোয়ারেই (Pakistan) গুলি করে খুন করা হয় শিখ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট নেতা চরণজিৎ সিংহকে। তিন বছর আগে ফের গুলি করে খুন করা হয় সংবাদ মাধ্যমের সঞ্চালক বিন্দর সিংহকে। এই পেশোয়ারেই ২০১৬ সালে খুন হয়েছিলেন সুরেন সিংহ। তিনি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ নেতা তথা জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। শনিবারের ঘটনার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে ইসলামিক স্টেট নামে একটি সংগঠন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Khalistan: ‘আমরা ভারতকে ভালবাসি, ভালবাসি পঞ্জাবকে’, বললেন শিখ নেতা  

    Khalistan: ‘আমরা ভারতকে ভালবাসি, ভালবাসি পঞ্জাবকে’, বললেন শিখ নেতা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মিলিয়নেরও বেশি শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করেন উত্তর আমেরিকায়। তার মধ্যে ভারতীয় দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ দেখিয়েছে জনা পঞ্চাশেক। ভারতের (India) বাইরে খালিস্থানপন্থীদের (Khalistan) হামলা নিয়ে এই ভাষায়ই প্রতিক্রিয়া জানালেন যশদীপ সিং নামে আমেরিকার এক শিখ (Sikh) নেতা।

    খালিস্থানপন্থীদের (Khalistan) হামলা…

    সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইংল্যান্ড এবং আমেরিকায় শুরু হয়েছে খালিস্তানপন্থীদের দাপাদাপি। কোথাও ভাঙা হচ্ছে মন্দির, কোথাও আবার মন্দিরের দেওয়ালের গায়ে লিখে দেওয়া হচ্ছে ভারত বিরোধী স্লোগান। আবার কোথাও পুজো করতে গিয়ে খালিস্তানপন্থীদের হুমকির মুখে পড়ছেন ভক্তরা। ভারতীয় দূতাবাসের সামনেও তাণ্ডব চালিয়েছে তারা। কোথাও দূতাবাসের সামনে থাকা ভারতের জাতীয় পতাকা টেনে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার ওড়ানো হয়েছে কল্পিত খালিস্তানের (Khalistan) ঝান্ডা। তবে এ সবই যে হাতে গোণা কয়েকজনের কাজ, তা জানিয়ে দিলেন আমেরিকার শিখ নেতা যশদীপ।

    তিনি বলেন, ভারতের বাইরে কানাডা, আমেরিকায় যা দেখানো হচ্ছে, তা মিডিয়ার অতিরঞ্জিত করা খবর। তিনি বলেন, উত্তর আমেরিকায় এক মিলিয়নেরও বেশি শিখ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেবলমাত্র ৫০ জন ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। যশদীপ বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গা মিলিয়ে ২৫০-র মতো মানুষ এদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তার জেরে ভারতে এবং বিদেশে বিপদে পড়ছেন শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ। অথচ তাঁরা ভারতকে ভালবাসেন, ভালবাসেন পঞ্জাবকে।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও বাধ্যতামূলক আধারকার্ড, এ কোন ‘মমতা’?

    প্রসঙ্গত, পঞ্জাব প্রদেশ নিয়ে পৃথক খালিস্তান (Khalistan) রাষ্ট্রের দাবি করে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। প্রথমে ভারতের পঞ্জাব ও পাক পঞ্জাব নিয়ে পৃথক খালিস্তান রাষ্ট্র গঠনের কথা বলা হলেও, আটের দশকে দাবি করা হয় হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা ও রাজস্থানের কিছু অংশ। সম্প্রতি এই আন্দোলন মাথাচাড়া দিয়েছে। কারণ স্বঘোষিত ধর্মগুরু অমৃতপাল সিং পৃথক খালিস্তানের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন। দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও ভারতীয়দের ওপর হামলা চালাচ্ছে খালিস্তানপন্থীরা। অমৃতপালকে পাকিস্তান মদত দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই বাড়বাড়ন্ত খালিস্তানি আন্দোলনের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SC on Hijab Row: শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Hijab Row: শিখদের পাগড়ি কিংবা কৃপাণের সঙ্গে তুলনা চলে না হিজাবের, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিখদের পাগড়ি (Turban) কিংবা কৃপাণের (Kirpan) সঙ্গে হিজাবের (Hijab) তুলনা চলে না। হিজাব বিতর্কে (Hijab Row) রায় গিয়ে বৃহস্পতিবার এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বর্তমানে দেশের শীর্ষ আদালতের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে চলছে হিজাব মামলার শুনানি। ওই মামলায় রায় দিয়ে গিয়ে আদালতে জানায়, শিখদের পাগড়ি এবং কৃপাণ ব্যবহারের অনুমতি সংবিধান স্বীকৃত।

    কিছুদিন আগেই হিজাব বিতর্কে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা কর্নাটক। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন মুসলিম পড়ুয়ারা। অশান্তির জেরে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে বেশ কিছুদিন বন্ধ রাখতে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই বিক্ষোভের মাঝেই ১৫ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিজাব পরায় নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে বহাল রেখে দেয় হাইকোর্ট। 

    কর্নাটক হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে বেশ কয়েকটি আবেদন দাখিল হয়েছে। কর্নাটক হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয়। কেবল অপরিহার্য ধর্মীয় আচরণই সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষা পেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই কর্নাটক হাইকোর্ট সেই রাজ্যের মুসলিম পড়ুয়াদের ক্লাসে হিজাব পরার আবেদন খারিজ করে দেয়।

    আরও পড়ুন : রুদ্রাক্ষ বা ক্রসের সঙ্গে হিজাবের তুলনা চলে না! শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পোশাকবিধি নিয়ে মত সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী নিজামউদ্দিন পাশা। তিনি নিজেও একজন আবেদনকারী। তিনি ইসলাম এবং অ্যারাবিকের ছাত্র। তিনিই শিখদের পাগড়ি এবং কৃপাণের সঙ্গে হিজাবের তুলনা টানার চেষ্টা করেছিলেন। তাঁর যুক্তি, হিজাব পরিধান মুসলিম মহিলাদের একটি ধর্মীয় অনুশীলন। তাই তাঁদের হিজাব পরে স্কুলে আসতে নিষেধ করা যায় না। তিনি বলেন, শিখ ছাত্ররা তো পাগড়ি পরেন। তাঁর যুক্তি, সাংস্কৃতিক আচার রক্ষা করা উচিত। তথনই বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা বলেন, শিখদের সঙ্গে এ ব্যাপারে তুলনা টানা যায় না। কারণ শিখদের কৃপাণ ব্যবহার সংবিধান স্বীকৃত। আদালতের মন্তব্য, তাই দুটোর সঙ্গে তুলনা করা যায় না। বিচারপতি গুপ্তা বলেন, পাগড়ি পরার প্রয়োজন রয়েছে। এবং এগুলি দেশের সংস্কৃতির অঙ্গীভূত। আইনজীবী পাশা তখন এ ব্যাপারে ফ্রান্সের রেফারেন্স টানতে যান। বিচারপতি গুপ্তা সঙ্গে সঙ্গে বলেন, ফ্রান্স কিংবা অষ্ট্রিয়ার সঙ্গে তুলনা চাই না। আমরা ভারতীয় এবং ভারতেই থাকতে চাই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Pakistan: পাকিস্তানে শিখ মহিলাকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ধর্মান্তকরণ, জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপ দাবি

    Pakistan: পাকিস্তানে শিখ মহিলাকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ধর্মান্তকরণ, জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপ দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সাম্প্রদায়িক হিংসার শিকার পাকিস্তানের (Pakistan) সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। দিনা কৌর (Dina Kaur) নামে এক শিখ (Sikh) মহিলাকে জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ (Convertion) করতে বাধ্য করা হয়। ২০ অগাস্ট ঘটনাটি ঘটেছে খাইবার পাখতুনখার বানার জেলায়। প্রথমে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়, তারপর সেই অপহরণকারীর সঙ্গে পুলিশ এবং প্রশাসনের সামনেই জোর করে ওই মহিলার বিয়ে দেওয়া হয়। 

    এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। শিখ সম্প্রদায় বিক্ষোভে সামিল হয়েছে। সোমবার এই নিয়ে একটি বিবৃতি জারি করেছে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন। বিবৃতিতে বলা হয়, যেসব শিখরা ভারতের বাইরে থাকছেন, তাঁরা খারাপ অবস্থায় রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: তিনদিনের স্বস্তি, আগাম জামিন মঞ্জুর ইমরান খানের, গ্রেফতার করা যাবে না ২৫ অগাস্ট অবধি

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের (NCM) চেয়ারম্যান ইকবাল সিং লালপুরা ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে (S Jaishankar) বিষয়টিতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছেন। এরকম ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে সে বিষয়টি দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন। পাকিস্তানে শিখদের সুরক্ষাকে নিশ্চিত করা হোক।” 

    সংখ্যালঘু সংগঠনের তরফ থেকে এই বিবৃতি আসার আগে, ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) নেতা মনজিন্দর সিং সিরসা (Manjinder Singh Sirsa) বিদেশ মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব জেপি সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেন। দিনা কৌরকে অপহরণ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করার বিষয়ে পাকিস্তান হাইকমিশনারকে তলব করার অনুরোধ করেন।

    আরও পড়ুন: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! কাশ্মীর নিয়ে কী বললেন শাহবাজ শরিফ জানেন? 

    সিরসা বলেন, “আমরা পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি আন্তর্জাতিকস্তরে উত্থাপন করার জন্য বিদেশ মন্ত্রককে অনুরোধ করেছি। জেপি সিং জি আমাদের এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।” 

    বিজেপি নেতা আরও বলেন, “নির্যাতিতার বাবা গুরুচরণ সিং থানায় গেলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। শিখ সম্প্রদায়ের চাপ সত্ত্বেও, পুলিশ ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি পুলিশ, মেয়ের সঙ্গে বাবা- মাকে দেখা করতেও বাধা দেয়।”

  • Sikh Killing in Pakistan: পেশোয়ারে জঙ্গির গুলিতে মৃত দুই শিখ, নিন্দা পাক প্রধানমন্ত্রীর

    Sikh Killing in Pakistan: পেশোয়ারে জঙ্গির গুলিতে মৃত দুই শিখ, নিন্দা পাক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) জঙ্গি হামলার বলি হলেন দুই শিখ (Sikh) ব্যবসায়ী। ঘটনাটি ঘটেছে আফগানিস্তানের সীমান্ত ঘেঁষা পেশোয়ারে (Peshawar)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত দুই ব্যক্তির নাম কুলজিৎ সিং(৩৮) এবং রঞ্জিত সিং (৪২)। মশলার ব্যবসা ছিল তাঁদের। রবিবার সরবন্দ অঞ্চলের বট্টাতাল চকে নিজেদের দোকানে বসে বিকিকিনিতে ব্যস্ত ছিলেন ওই দু’জন। সেই সময়ই তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বাইকে চড়ে আসা দুই আততায়ী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই গুলিবিদ্ধ হন দু’জন। ঘটনাস্থলেই মারা যান দুই ব্যক্তি। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন আইসিস (ISIS)। ঘটনার পরপরই আইসিসের খোরাসান (Khorasan) ইউনিটের তরফে জানানো হয়, পেশোয়ারে দুই শিখকে হত্যা করেছে তারা। 

    ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ভারতের পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, আমি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে অনুরোধ করছি, তিনি যেন পাক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সেদেশে বসবাসকারী হিন্দু ও শিখদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

    [tw]


    [/tw]

     

    এই ঘটনার নিন্দা করে পাকিস্তান সরকারকে নিশানা করেছে শিখ নেতৃত্ব। এই ঘটনার নিন্দা করেছে শিরোমণি গুরুদ্বারা প্রবন্ধক কমিটি (SGPC)। শিখদের বিভিন্ন উপাসনালয়ের দেখভাল করে এই কমিটি। তাঁদের তরফে বলা হয়েছে, “এই ধরনের হত্যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পাকিস্তান সরকারের উচিৎ অবিলম্বে আততায়ীদের গ্রেফতার করা। নিজেদের কর্তব্য যেন ভুলে না যায় পাকিস্তান।” সংখ্যালঘুদের হত্যার বিষয়টি সারা পৃথিবীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

     

    [tw]


    [/tw]

     

    এই হত্যার নিন্দা করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (Shehbaz Sharif)। ট্যুইট করে তিনি লিখেছেন, “খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে আমাদের শিখ নাগরিকদের হত্যার (Terrorist Attack) ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। ঘটনার তদন্ত করতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। মৃতদের পরিবারের প্রতি আমার সহানুভূতি জানাচ্ছি।” 

    [tw]


    [/tw]

    হত্যার নিন্দা করে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত সিং মান জানান, এই ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। গত সেপ্টেম্বরেও পেশোয়ারেই এক শিখ ব্যবসায়ীকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই হামলার নেপথ্যেও ছিল আইসিস জঙ্গিরা। রবিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান পাকিস্তানের শিখরা। পেশোয়ারে শিখরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানায় স্থানীয় বাসিন্দারা। অবিলম্বে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে মিছিল করেছেন সেখানকার শিখরা। 

     

LinkedIn
Share