Tag: Sikkim

Sikkim

  • Landlside in North Sikkim: সড়কপথে বিচ্ছিন্ন উত্তর সিকিম! চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার রাস্তায় ধস

    Landlside in North Sikkim: সড়কপথে বিচ্ছিন্ন উত্তর সিকিম! চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার রাস্তায় ধস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধস নামল উত্তর সিকিমে। মঙ্গলবার সিকিমের মুন্সিথাংয়ে (Munshethang) বড় ধরনের ধস (Landslide) নামে। ফলে কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় চুংথাং-লাচেন রাস্তার (Chungthang-Lachen road) একটা বড় অংশ। আপাতত গ্যাংটক থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উত্তর সিকিমের লাচেন। এর ফলে (Landlside in North Sikkim) ভরা মরশুমে সিকেমে পর্যটন পুনরায় ধাক্কা খেল।

    বন্ধই থাকছে উত্তর সিকিম!

    মঙ্গলবার সকালে চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার রাস্তায় পাহাড়ের উপর থেকে নেমে আসে (Landlside in North Sikkim) পাথর এবং মাটি। এই মর্মে ধসের একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। অবরুদ্ধ হয়ে যায় গোটা রাস্তাই। এই ধস নামার কারণে গোটা উত্তর সিকিম বাকি রাজ্যের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ল বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে সরকারি ভাবে উত্তর সিকিমে পর্যটকদের যেতে দেওয়া হয় না। তবে পূর্ব সিকিম হয়ে উত্তর সিকিমের কিছু দ্রষ্টব্য স্থানে যেতেন পর্যটকেরা। তবে এই পথ ছিল যেমন দুর্গম, তেমনই ব্যয়সাপেক্ষ। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছিল, বহু দিন পরে চলতি বছরের শেষে ফের উত্তর সিকিমে যাওয়ার রাস্তা পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে নতুন করে ধস নামায় সেই সম্ভাবনা কার্যত রইল না বলেই মনে করা হচ্ছে। কেননা বিকল্প কোনও রাস্তা নেই। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by The Voice Of Sikkim (@thevoiceofsikkim)

    ব্যাহত পর্যটন

    ইতিমধ্যেই সিকিমে শুরু হয়েছে তুষারপাত সেই কারণে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন প্রচুর পর্যটক। পর্যটনের ভরা মরশুমে রাস্তায় ধস পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল স্বাভাবিক ভাবেই চিন্তায় মাথায় হাত পড়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। উল্লেখ্য, গত বছরের ৪ অক্টোবর সাউথ লোনাক লেক বিপর্যয়ের জেরে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় উত্তর সিকিম। ওই সময় থেকেই প্রায় এক বছর ধরে উত্তর সিকিমে পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু গত মাসেই এক বৈঠকে উত্তর সিকিমের লাচেন, লাচুংয়ের মত জায়গাগুলিতে ফের পর্যটকদের প্রবেশে অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সিকিম প্রশাসন। সেই বৈঠকে ঠিক হয়, লাচেন, লাচুং খুলে দেওয়া হলেও পর্যটকদের গাড়ির সংখ্যা বেধে দেওয়া হবে। উত্তর সিকিম খুলে যাবে এই খবরে আশার আলো দেখা দিয়েছিল পর্যটন মহলে। কিন্তু সেই আশায় বাধ সাধল এই ধস (Landlside in North Sikkim)। ধসের ব্যাপকতা দেখে অনেকেরই অনুমান ধ্বংসস্তূপ সরাতে সময় লাগবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian army: সিকিমের চিন সীমান্তে হতে চলেছে ভারতীয় সেনার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক, থাকবেন রাজনাথ

    Indian army: সিকিমের চিন সীমান্তে হতে চলেছে ভারতীয় সেনার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক, থাকবেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে শীত। ইতিমধ্যেই সিকিমের নানা জায়গায় বরফ পড়তে শুরু করছে। শীতের আগে উত্তর-পূর্বে চিন সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে ও নিরাপত্তা আঁটসাঁট করতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমস্ত সিনিয়র কমান্ডাররা একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। ১০ এবং ১১ অক্টোবর বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রথম সিকিমে চিন সীমান্তে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে ভারতীয় সেনার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হবে। 

    বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা

    বিগত বেশ কয়েক বছর ভারত ও চিনের মধ্যকার সম্পর্কে চিড় ধরেছে। লাদাখ থেকে অরুণাচলে চিনা আগ্রাসন লক্ষ্য করা গিয়েছে। এই আবহে সিকিম সীমান্তে বৈঠকে বসছেন ভারতীয় সেনার উচ্চ পর্যায়ের অফিসারেরা। এই সম্মেলনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা থাকবেন। এই বৈঠকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ, বিশেষ করে এলএসি বরাবর চলমান পরিস্থিতি, লাদাখ এবং অরুণাচল প্রদেশের সংবেদনশীল অঞ্চলগুলিতে নানা সমস্যা নিয়ে কথা হবে। এই অঞ্চলে ভারত ও চিন সেনা বারবার মুখোমুখি সংঘাতে মিলিত হয়। তাই এই অঞ্চলকেই বৈঠকের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন:কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা, পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেলেন হপফিল্ড ও হিন্টন

    সেনা প্রধান হিসেবে এই বৈঠকটি জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর প্রথম বৈঠক। সম্প্রতি, জেনারেল দ্বিবেদী চিনের সাথে সীমান্ত পরিস্থিতিকে “স্থিতিশীল কিন্তু স্বাভাবিক নয়” বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁর কথায় চিনের সীমান্তে উত্তেজনা একটি চলমান জটিলতার প্রতিফলন। যা চার বছর ধরে অব্যাহত রয়েছে। সামনে শীত। প্রবল ঠান্ডার সুযোগ নিয়ে এর আগেও চিন ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল। এবার সেই চেষ্টাকে প্রতিহত করার জন্য আগে থেকেই সতর্ক ভারত। সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বটি ২৮ ও ২৯ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সীমান্ত সমস্যা মেটাতে বরাবরই সক্রিয় ভারত। তবে কোনওভাবেই দেশের এক ইঞ্চি জমিও ছাড়া হবে না বলে আগেই জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: পুজোর মুখে মরশুমের প্রথম তুষারপাত সিকিমের ছাঙ্গুতে, কিন্তু পর্যটকরা পৌঁছাবেন কীভাবে?

    Sikkim: পুজোর মুখে মরশুমের প্রথম তুষারপাত সিকিমের ছাঙ্গুতে, কিন্তু পর্যটকরা পৌঁছাবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর বাকি হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন। পুজোর ছুটিতে অনেকেরই ডেস্টিনেশন হয় পাহাড়। ব্যাগপত্র গোছানোও শুরু হয়ে গিয়েছে। এরইমধ্যে অবিরাম বৃষ্টি চলছে পাহাড়ে। নামছে ধস। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টি চলবে পাহাড়-সহ সমতলে। কার্যত বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। বন্ধ রয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। পুজোর ছুটির মুখেই মন ভালো করা খবর এল সিকিম (Sikkim) থেকে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার উত্তর সিকিমের ছাঙ্গুতে তুষারপাত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানাচ্ছে, এটাই এই মরশুমের প্রথম তুষারপাত। দুপুর নাগাদ একটু একটু করে তুষারপাত (Snowfall) শুরু হয়েছিল। চলে বেশ খানিক ক্ষণ। ফলে, তুষারপাতের আমেজ নিতে পর্যটকরা কীভাবে যাবেন তা নিয়ে পর্যটকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

    পর্যটকরা পৌঁছাবেন কীভাবে? চিন্তায় ব্যবসায়ীরা 

    পাহাড়ে নাগাড়ে বৃষ্টি আর ধসের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়িয়েছিল। তবে, যাঁরা পুজোয় সিকিমের (Sikkim) দিকে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য এবার দারুণ সুখবর রয়েছে। বছরের প্রথম তুষারপাতের সাক্ষী থাকল সিকিমের ছাঙ্গু ও চোপ্তা ভ্যালি। এই খবর পেয়ে যারপরনাই আনন্দে আত্মহারা হবেন পর্যটকরা। যে পর্যটকরা ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন, বছরের প্রথম তুষারপাত হতেই তাঁরা উচ্ছ্বসিত। তুষারপাতের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আশাবাদী পর্যটন ব্যবসায়ীরা। আসন্ন পুজোর ছুটির মরশুমে পর্যটকরা তুষারপাতের টানে পাহাড়মুখী হবেন বলে তাঁদের আশা। তবে, টানা ধসের কারণে বন্ধ রয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সিকিম (Sikkim) যেতে হলে পর্যটকদের গরুবাথান, লাভা পেরিয়ে আলগাড়া হয়ে যেতে হবে। তা বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু, সেখানেও বিপদ! গরুবাথান থেকে লাভা হয়ে যে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের যোগ্য ছিল, সেটিও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। খুব প্রয়োজন না থাকলে সেই রাস্তা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। সেজন্যই পর্যটকদের আগমন নিয়ে চিন্তায় সিকিমের হোটেল ব্যবসায়ীরা। 

    আরও পড়ুন: রক্ত পরীক্ষার রিএজেন্ট কেনাতেও কোটি টাকার দুর্নীতি! সন্দীপের নয়া কুকীর্তি প্রকাশ্যে

    পাহাড়ে কতদিন চলবে বৃষ্টি? কী বলছে পূর্বাভাস?

    গত দু’দিন ধরে টানা উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিমেও (Sikkim) ভারী বর্ষণ চলছে। দু’দিনের ভারী বর্ষায় ফুঁসছে তিস্তা-সহ অন্যান্য নদী। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টি চলবে পাহাড়-সহ সমতলে। আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির বেশ কয়েকটি জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির কথা আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিতে পাহাড়ে ধস নামতে পারে। তার মধ্যেই তিস্তায় নতুন করে জলস্ফীতি ঘটায় তিস্তাপারের বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে প্রশাসন। বিপদ এড়াতে কয়েকটি এলাকায় নজরদারি শুরু হয়েছে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক-সহ পাহাড়ি রাস্তাগুলিতে। টানা চার দিনের বৃষ্টিতে বিপদের মুখে পাহাড় এবং সমতলের একাংশ। কালিম্পং তো বটেই, দার্জিলিংয়ের একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। প্রায় সময়ই বন্ধ থাকছে জাতীয় সড়ক। প্রায় লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত উত্তরে বৃষ্টি থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও দুদিন তুষারপাতের সম্ভাবনা সিকিমে (Sikkim)!

    শুক্রবার তুষারপাত (Snowfall) হতে পারে বলে আগেই অবশ্য পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার সিকিম আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর ডক্টর গোপীনাথ রাহা বলেন, “নামচি জেলায় তাপমাত্রা অনেকটাই নেমেছে। যে কারণে ছাঙ্গুতে তুষারপাত হয়। আগামী দু’দিনও সেখানে তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি গোট পাহাড়ে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।” সিকিমের (Sikkim) ব্যবসায়ীদের এখন একটাই প্রার্থনা, বৃষ্টি যেন দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। যাতে তুষারপাতের আমেজ নিতে রাজ্যে আসতে পারেন পর্যটকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    Sikkim: কোটি টাকা উপার্জন করলেও, দিতে হবে না কর! আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি সিকিমবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম হল ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে কাউকেই কোনও আয়কর (Income Tax) দিতে হয় না। সেখানে মানুষ যদি কোটি টাকাও উপার্জন করেন, তাহলেও এক টাকাও কর দিতে হয় না। এমনকী, শেয়ার এবং ডিভিডেন্ড থেকে আয় করলেও তাঁদের কোনও কর দিতে হয় না। ১৯৭৫ সালে সিকিম ভারতের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। সেই সময় সিকিমের (Sikkim) শর্ত ছিল যে তারা শুধু তাদের পুরনো নিয়ম-নীতিই মেনে চলবে এবং স্পেশাল স্টেটাসে থাকবে। আর তাই সেই সময় থেকেই আয়করের আওতার বাইরেই থেকেছে সিকিম। 

    দেশের আয়করের আওতায় বাইরে সিকিম (Sikkim) 

    ভারতে যোগদানের আগে, সিকিমের নিজস্ব কর ব্যবস্থা ছিল এবং সেখানকার বাসিন্দারা ভারতীয় আয়কর (Income Tax) আইনের অধীনে ছিলেন না। কিন্তু পরে সিকিম যখন ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল, সেই সময় এই শর্তই তাদের দাবিতে ছিল। সেই মোতাবেক, সিকিমের (Sikkim) বাসিন্দারা ১৯৭৫ সালের অন্তর্ভুক্তি চুক্তি এবং সংবিধানের ৩৭১এফ ধারা অনুসারে করের আওতায় পড়েন না। তাই এই রাজ্যের বাসিন্দাদের উপর ১৯৬১ সালের আয়কর আইন কার্যকর হয় না। তবে ১৯৭৫ সালের ২৬ এপ্রিলের আগে থেকে যে সমস্ত আদি বাসিন্দারা বা ‘সিকিমিজ’-রাই কেবল এই সুবিধে পাবেন। 

    সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের

    কিন্তু, এই ‘সিকিমিজ’-এর সংজ্ঞা নিয়ে অনেকে অসন্তুষ্ট ছিলেন। এই নিয়ে তারা সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, ১৯৭৫ সালের যুক্তিটি অন্যায্য এবং বৈষম্যমূলক। তাঁদের যুক্তি, ১ এপ্রিল, ১৯৭৫ সালের আগে সিকিমে বসতি জমানো ভারতীয়দেরও — অর্থাৎ, সিকিম ভারতের অঙ্গরাজ্য হিসেবে যোগদানের আগে থেকে ওই রাজ্যে বসবাস শুরু করা ভারতীয়দেরও ‘সিকিমিজ’- হিসেবে গণ্য করতে হবে (যা বর্তমানে করা হয় না)। উপরন্তু, যে সকল সিকিমিজ মহিলা নন-সিকিমিজদের বিয়ে করেছেন, তাঁদেরও এই ছাড়ের আওতা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি ভারতবাসীর দারিদ্র্য মুক্তি স্মার্টফোনেই! ডিজিটাল ভারতের প্রশংসায় রাষ্ট্রসঙ্ঘ

    আদালতের রায় 

    এরপর সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ রায় দিয়েছে যে, ২০০৮ সালের ১ এপ্রিলের পরে অ-সিকিমি পুরুষদের সঙ্গে বিবাহিত সিকিমিজ মহিলাদের কর ছাড় অস্বীকার করা সত্যিই বৈষম্যমূলক, অবিলম্বে তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত। আদালত তরফে জানানো হয়েছে আইন সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত, এই ব্যক্তিদের ১০(২৬ এএএ) ধারার অধীনে কর ছাড় দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: সিকিম যাওয়ার পথে বন্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    Sikkim: সিকিম যাওয়ার পথে বন্ধ ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক! বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম (Sikkim) যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে গেল, সড়ক পথ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে খারাপ আবহাওয়ার কারণে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন পর্যটকরা। উত্তরবঙ্গে টানা বৃষ্টি চলেছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক (National highway 10)। ইতিমধ্যে কালিম্পং, সিকিম যেতে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় মানুষ। আর তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসার উপর। যদিও মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কালিম্পং জেলা প্রশাসনের বক্তব্য(Sikkim)

    কালিম্পং জেলা প্রশাসন থেকে বলা হয়েছে, আগামী ১৪ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত এই রাস্তা বন্ধ থাকবে। পূর্ত দফতর এই সড়কের মেরামতি করবে। বিকল্প পথ হিসেবে মনসং হয়ে রংপো লাভা রোড খোলা থাকছে। সেখান দিয়েই চলাচল করছে গাড়ি। লাভা হয়ে কালিম্পং শিলিগুড়ির রাস্তায় খোলা থাকছে। যদিও এতদিন আলগাড়া লাভা হয়ে ঘুরপথে সিকিমে (Sikkim) যাওয়া হচ্ছিল। এই পথ গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাই সিকিম সড়কপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

    তিস্তার একাংশ নদীর জলে ভেসে গিয়েছে

    টানা ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ের একাধিক জায়গায় ধস নামতে শুরু করেছে। শ্বেতী ঝোড়া থেকে চিত্রে, সেলফি দাড়ার কাছে বিশাল ধসের ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে পড়েছে। কিন্তু দার্জিলিং থেকে সিকিম (Sikkim) যাওয়ার পথ খোলা রয়েছে। আবার পাবনু হয়ে কালিম্পং, শিলিগুড়ির রাস্তা খোলা আছে। এই পথে পৌঁছানো যাবে সিকিম। তবে যেতে সময় লাগবে ৭ ঘণ্টা। যেতে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হবে। এই ভূমি ধসের ফলে এখন কবে ১০ নম্বর সড়ক (National highway 10) খোলে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তিস্তার একাংশ নদীর জলে ভেসে গিয়েছে। সেবক থেকে তিস্তাবাজার যাওয়ার পথে বেশ কিছু এলাকার জাতীয় সড়কের অংশ জলের তলায় তলিয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ কপিল মুনির আশ্রমের রাস্তায় ধস! কোটি কোটি টাকা কি জলে? তৃণমূলকে তোপ বিজেপির

    আবহাওয়া দফতরের বক্তব্য

    এদিকে আবহাওয়া দফতর থেকে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের তীব্র সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের পাঁচ জেলায় হবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিপাত। শনিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির ফলে নদীগুলির জলস্তর যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, ঠিক তেমনি জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিচু জায়গাগুলি ইতি মধ্যে বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Landslides in North Bengal: ফুঁসছে তিস্তা! ধসে যাচ্ছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক!

    Landslides in North Bengal: ফুঁসছে তিস্তা! ধসে যাচ্ছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না উত্তরবঙ্গে। শনিবার রাত থেকে একটানা বৃষ্টি চলছে ধুপগুড়ি-সহ ডুয়ার্সে। বৃষ্টি ও ঝড়ো হওয়ায় বিভিন্ন রাস্তায় উপরে পড়েছে গাছ। এদিকে একটানা বৃষ্টির জেরে জলস্তর বেড়েছে সমস্ত নদীতে। তিস্তায় জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। আর এর ফলে বিপর্যয়ের মুখে শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং এবং সিকিম যাওয়ার ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। ধসের (Landslides in North Bengal) কারণে ওই রাস্তা দিয়ে যান চলাচল আপাতত বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট জাতীয় সড়কটি তিস্তা নদীর পার ধরে গিয়েছে। ওই অংশটি ক্রমশ বসে যাচ্ছে বলে খবর।

    ধসের মুখে সিকিমের ‘লাইফলাইন’ (Landslides in North Bengal) 

    এনএইচ১০ সিকিমের ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত। শিলিগুড়ি থেকে কালিম্পং এবং সিকিমের মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী এই সড়ক ধসের (National highway 10 affected) কারনে বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিপাকে পড়েন বহু মানুষ। প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের গেইলখোলার কাছে সেলফিধরায় ধস নেমেছে। নতুন করে কালিঝোরা এবং হনুমান ঝোরায় ধস নেমে পুরো রাস্তাটাই বসে গিয়েছে। ফলে বিকল্প রাস্তা হিসাবে সেবকের করোনেশন সেতু হয়ে ওদলাবাড়ি, ডামডিম, গরুবাথান, লাভা, লোলেগাঁও হয়ে কালিম্পং যাতায়াত করছে যানবাহন। সিকিম যাওয়ার জন্যও আপাতত ওই রাস্তার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: হোয়াটসঅ্যাপের নতুন সংযোজন মেটা এআই! জানেন এর কাজ কী?

    বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তিস্তা

    জানা গিয়েছে, মাঝে কয়েক দিন বিরতির পর গত মঙ্গলবার রাত থেকে ফের পাহাড়ে শুরু হয়েছে ভারী বৃষ্টি। গত ২৪ ঘণ্টায় জলপাইগুড়িতে বৃষ্টি হয়েছে ১৩৬ মিলিমিটার। অন্যদিকে রবিবার সকালেই গজল ডোবা তিস্তা ব্যারেজ থেকে প্রায় ২৬০০ কিউমেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছে।  বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তিস্তার জল। দফায় দফায় প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিম ও কালিম্পং। একাধিক এলাকায় ধস (Landslides in North Bengal) নেমেছে। তবে প্রশাসন সূত্রে খবর, পাহাড়ে অতি বৃষ্টির ফলে ধসকবলিত যে সব এলাকা রয়েছে, সেখানকার রাস্তা ঠিকঠাক করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baichung Bhutia: ক্রমাগত হারের ধাক্কায় রাজনীতিতে থেকে বিদায় নিলেন বাইচুং

    Baichung Bhutia: ক্রমাগত হারের ধাক্কায় রাজনীতিতে থেকে বিদায় নিলেন বাইচুং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমাগত হারের ধাক্কা না সামলাতে পেরে রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিয়ে নিলেন পাহাড়ি বিছে বাইচুং ভুটিয়া। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে (Baichung Bhutia) জানিয়ে দিলেন আর সংসদীয় রাজনীতিতে দেখা যাবে না তাঁকে। ফুটবল জীবন থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার পর রাজনীতিতে এসেছিলেন তিনি। ফুটবল জীবনে তারকা হলেও অল্প সময়ের সংসদীয় রাজনৈতিক জীবনে দাগ কাটতে না পেরে বিদায় নিয়ে নিলেন।

    বাইচুঙের রাজনৈতিক জীবন

    বাইচুঙের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ থেকে। রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত নিলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Baichung Bhutia) তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিট দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালে জোড়া ফুল প্রতীকে দার্জিলিং বিধানসভা আসন থেকে জীবনের প্রথম ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। এস এস আলুওয়ালিয়ার কাছে পরাজিত হন। ২০১৬ সালে সিলিগুড়ি আসন থেকে ফের প্রার্থী করা হয় তাঁকে। সেবার সিপিআইএম প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্য তাঁকে হারিয়ে দেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকে সেই যে হারের যাত্রা শুরু রাজনৈতিক জীবনে সিকিমেও জয়ের মুখ দেখেননি তিনি। সেখানে হামরো সিকিম পার্টি তৈরি করেন। ভোটেও লড়েন। সেখানেও পরাজিত হন। এরপর হামরো সিকিম পার্টিকে সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-এর সঙ্গে মিশিয়ে দেন। তাতেও জয় আসেনি। ২০২৪ এর বিধানসভা নির্বাচনে সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চা ৩২ টির মধ্যে ৩১ টি আসনে জয়ী হয়। সিকিম ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (SDF) পায় মাত্র ১টি আসন। বাইচুং ভুটিয়া এবার বারফাঙ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চার প্রার্থী রিকসাল দর্জি ভুটিয়ার কাছে ৪,৩৪৬ ভোটে পরাজিত হন। ১০ বছরের ৬ বার হেরে (পড়ূন ৬ গোল খেয়ে) অবশেষে রাজনীতি থেকে বিদায় নিলেন বাইচুং।

    রাজনীতি থেকে বিদায় (Baichung Bhutia)

    সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট বলেন, “সংসদীয় রাজনীতি আমার জন্য নয়। আমি সিকিমের পর্যটন ও খেলার উন্নয়নের জন্য অনেক কিছু ভেবেছিলাম। যদি জয়ী হতাম তাহলে সেগুলি করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমি সেই সুযোগ পাইনি। আমার একমাত্র দুঃখ আমি রাজ্যের উন্নয়নে অংশ নিতে পারলাম না। তবে আশা করছি আরও বহু মানুষ আছেন, যারা রাজ্যের উন্নতির জন্য আরও ভালো ভাবনা নিয়ে এগিয়ে আসবেন। সিকিমের মানুষ সিকিম ক্রান্তিকারী মোর্চাকে (SKM) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছেন। আশা করব তাঁরা জনগণের জন্য কাজ করবেন এবং যা মানুষকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা পূরণ করবেন।”  রাজনীতি ছাড়ার সময়ও পরাজিত বাইচুং (Baichung Bhutia) স্পোর্টসম্যান স্পিরিট দেখালেন।

    আরও পড়ুন: ইন্ডি জোটে ফাটল, স্পিকার নির্বাচনে একতরফা প্রার্থী দিয়েছে কংগ্রেস, ক্ষুব্ধ তৃণমূল

    নিজের রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে বলতে গিয়ে গৌতম বুদ্ধের প্রসঙ্গ টানেন তিনি। বলেন, “গৌতম বুদ্ধ বলেছিলেন মানুষের উদ্দেশ্য ভালো হওয়া উচিত। রাজনীতিতে আসার আমার একটাই উদ্দেশ্য ছিল, মানুষের জন্য কাজ করা। রাজ্য ও দেশের উন্নতি করা। ফুটবল জীবনেও সৎ থেকেছি। রাজনৈতিক জীবনেও সৎ ছিলাম।” নিজের সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বাইচুং বলেন দীর্ঘ সময় যারা পাশে ছিলেন, তাঁরা আজ ব্যথিত। তবে এখানেই সবকিছু শেষ হয় হয়ে যাবে না। আমি এখন নিজেকে সময় দিতে চাই। জীবনে আর কী কী করতে পারি, সেগুলি অন্বেষণ করব। নতুনভাবে আমার উদ্দেশ্য আবিষ্কার করতে চাই।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: উত্তর সিকিমে আটকে থাকা শেষ ১৫৮ পর্যটককেও উদ্ধার করল প্রশাসন

    Sikkim: উত্তর সিকিমে আটকে থাকা শেষ ১৫৮ পর্যটককেও উদ্ধার করল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যা বৃষ্টিতে বিধ্বংস্ত সিকিমে (Sikkim) সাত দিনের বেশি সময় আটকে থাকার পর অবশেষে বাড়ির পথে রওনা হলেন সব পর্যটকেরা। বুধবার সকাল থেকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিয়ে বিকেলের মধ্যে শেষ ১৫৮ জন পর্যটককে গ্যাংটকে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অসুস্থ তিন জনকে স্ট্রেচারে করে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের সেনা হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করানো হয়।

    সব পর্যটকদের সুস্থভাবে উদ্ধার

    উত্তর সিকিমের (Sikkim) মংগনের জেলা শাসক হেমকুমার ছেত্রীর কথায়, ‘পর্যটকদের সুরক্ষিত ভাবে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। একাধিক দফতর, স্থানীয় মানুষজন, সেনা ও প্রশাসনের মিলিত প্রচেষ্টায় নির্বিঘ্নে উদ্ধারকাজ সম্পন্ন হয়েছে।’ লাচুং ও চুংথাং এলাকাতেই মূলত বেশির ভাগ পর্যটক আটকে ছিলেন। অনেকে আবার আশ্রয় নিয়েছিলেন গুরুদ্বারে।  এ নিয়ে গত তিন দিনে মোট ১,৪৪৭ জন পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার কাজের প্রথম দিন ৬৪ জন, দ্বিতীয় দিন ১,২২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল। এদিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, সিকিমের কোনও প্রান্তে নতুন করে পর্যটকদের আটকে থাকার খবর আপাতত নেই। তেমন কোনও খবর মিললে প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

    স্থানীয় বাসিন্দারাও নিরাপদ স্থানে

    লাগাতার বৃষ্টির জেরে বিপর্যস্ত হয় সিকিম। কোথাও রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, কোথাও সেতু ভেঙে পড়ে, কোথায় আবার ধস (Sikkim Landslides) নেমে সংযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়। একটানা বৃষ্টির জেরে মংগন ও সিংতাম সহ উত্তর সিকিমের একাধিক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। বন্ধ হয়ে গিয়েছে মংগন থেকে গ্যাংটক, চুংথাং, লাচেন, ডিকচুর সহ একাধিক এলাকার রাস্তা। টানা বৃষ্টি হওয়ার পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হয়। চুংথাংয়ের স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নিরাপদ স্থানে।

    বেড়েছে তিস্তার জলস্তর, বিপর্যস্ত কালিম্পঙ

    সিকিম (Sikkim) লাগোয়া কালিম্পং জেলায়ও একটানা বৃষ্টি চলছে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে ভালুখোলা ও লিকুভিরের পরিস্থিতিও তথৈবচ। দুই এলাকাতেই পাহাড় থেকে পাথর গড়িয়ে পড়তে থাকে। টানা বৃষ্টিতে বেড়েছে তিস্তার জলস্তর। প্লাবিত হয়েছে তিস্তাবাজার এলাকার দার্জিলিংগামী রাস্তা। বুধবার বিকেল থেকে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রিত ভাবে গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বড় ও ভারী গাড়ি চলবে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। অন্যদিকে ছোট গাড়ি সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।

    আরও পড়ুন: ডাক্তারিতে সুযোগ, পরে আইএএস! চাকরি ছেড়ে ২৬ হাজার কোটির কোম্পানি রোমান সাইনির

    উত্তরে কেন এত বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশ থেকে সিকিম পর্যন্ত উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত একটি নতুন নিম্নচাপ অক্ষরেখা সক্রিয় রয়েছে। বুধবার থেকেই বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন উত্তরবঙ্গের উপরে তৈরি হয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। এর প্রভাবে আগামী চার-পাঁচ দিন পাহাড় এবং সংলগ্ন পাদদেশের পাঁচ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের সিকিমের (Sikkim Landslides) ভারপ্রাপ্ত অধিকারিক গোপীনাথ রাহা বলেন, ‘‘ঘূর্ণাবর্ত এবং নিম্নচাপ বঙ্গোপসাগর থেকে উত্তরবঙ্গে প্রচুর জলীয় বাষ্প টেনে আনছে বলেই পাহাড় ও তার পাদদেশে এত বৃষ্টি হচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikkim: উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই চলছে উদ্ধার কাজ

    Sikkim: উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই চলছে উদ্ধার কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির জেরে বেহাল সিকিম (Sikkim)। আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার কোনও লক্ষণই নেই। উত্তরবঙ্গ সহ সিকিমে আরও বেশ কয়েকদিন যে দুর্যোগ চলবে সেই পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এই পরিস্থিতিতে সিকিমে আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।

    চলছে উদ্ধার কাজ

    বিগত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টি হয়েছে সিকিমে। একাধিক রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধসের কারণে। তাই সিকিমে আটকে থাকা অন্তত ১২০০ পর্যটককে উদ্ধার করতে কিছুটা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে উদ্ধারকারী দলকে। তবে শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২ দিনে ৬০ জনের বেশি পর্যটককে উদ্ধার করা গিয়েছে। মঙ্গলবার সিকিমের লাচুং এবং মঙ্গন  (North Sikkim) জেলা থেকে ১৫ জন পর্যটককে উদ্ধার করে গ্যাংটক নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে সোমবার ৫০ জনকে গ্যাংটক নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

    উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন

    প্রতিকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির মধ্যেই বিআরও-র অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ফের একবার ধসে বিধ্বস্ত উত্তর সিকিমের (North Sikkim) সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়েছে। মংগন জেলার গুয়াহাটি বেসের ডিফেন্স পাবলিক রিলেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহেন্দ্র রাওয়াত বলেন, ‘রাস্তা থেকে বড় বড় পাথরের টুকরো সরাতে একাধিক মেশিন এবং শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছিল। অধিকাংশ রাস্তায় বর্তমানে সাফ করা গিয়েছে।’ বিআরও প্রায় দু’দিনের মধ্যে ভেঙে যাওয়া সেতু পুনর্নির্মাণ করে ফেলেছে ৷ ফলে আবার উত্তর সিকিমের সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ স্থাপনও সম্ভব হয়েছে ৷ তবে এখনও গাড়ি চলাচল স্থগিত রয়েছে। উত্তর সিকিমের বিপদসংকুল পাহাড়ি পথ টুং থেকে মঙ্গন পর্যন্ত পায়ে হেঁটেই আসতে হচ্ছে পর্যটকদের। 

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছেই

    মঙ্গলবারও নতুন করে সিকিমের (Sikkim) বহু এলাকায় ধস নামার কারণে পরিবহণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় আটকে পড়া অনেক পর্যটককে এয়ারলিফ্ট করে উদ্ধার করাও সম্ভব হচ্ছে না।সিকিমে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে দুর্যোগ। এতদিনেও পরিস্থিতির সেরকম উন্নতি হয়নি। প্রশাসন সূত্রের খবর,  গ্যাংটকে রাখা হয়েছে দুটি হেলিকপ্টার। প্রয়োজনে বাগডোগরা থেকেও সেনাবাহিনীর কপ্টার আনার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু লাগাতার বৃষ্টি এবং মেঘ থাকার কারণে হেলিকপ্টার চালানো যাচ্ছে না। তাই উদ্ধারকাজে যথেষ্ট ব্যাঘাত ঘটছে। এই প্রেক্ষিতে সড়কপথই পর্যটকদের উদ্ধারের জন্য একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sikkim: পায়ে হেঁটে সমতলের পথে আটকে পড়া পর্যটকেরা, সিকিমে শুরু উদ্ধার কাজ

    Sikkim: পায়ে হেঁটে সমতলের পথে আটকে পড়া পর্যটকেরা, সিকিমে শুরু উদ্ধার কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর সিকিমে (Sikkim) আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধার কাজ শুরু করল প্রশাসন। সোমবার বিকেল পর্যন্ত টুং থেকে মোট ন’জন পর্যটককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সোমবার দুপুরে পর্যটকদের উত্তর সিকিমের বিপদসংকুল পাহাড়ি পথ টুং থেকে মংগন পর্যন্ত হেঁটে সরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়। তাঁরা সকলেই চুংথাংয়ের গুরুদ্বারে আটকে পড়েছিলেন। তবে, এখনও পর্যন্ত লাচুংয়ে (Lachung) আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধার কাজ শুরু করা যায়নি।

    প্রতিকূল পরিস্থিতিতে উদ্ধারের চেষ্টা

    সোমবার জেলা প্রশাসনিক দল, পর্যটন ও অসামরিক বিভাগ এবং সিকিমের পর্যটন সংস্থা উদ্ধারকাজ শুরু করে। বৃষ্টির পাশাপাশি ধসে ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক দুর্গম পথ পার করে পর্যটকদের সমতলের দিকে হেঁটে আসতে হয়েছে। প্রথম ব্যাচে অপেক্ষাকৃত তরুণ পর্যটকরা ছিলেন। যে পর্যটকেরা চুংথাংয়ে আটকে ছিলেন, তাঁদের দুপুর ১২টা নাগাদ উদ্ধার করা হয়েছে। টুং থেকে মঙ্গন হয়ে তাঁদের বার করে আনা হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে পর্যটন এবং অসামরিক বিমান পরিবহণ দফতর একত্রে হাত লাগিয়েছে যাতে নির্বিঘ্নে সমস্ত পর্যটককে উদ্ধার করে আনা যায়। টানা বৃষ্টি এবং একের পর এক ধসে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। ওই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে উদ্ধার কাজ অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে। তাই একসঙ্গে সবাইকে নিয়ে, দফায় দফায় উদ্ধারের কাজ করছে প্রশাসন।

    বেহাল অবস্থা সিকিমে

    লাগাতার বৃষ্টির জেরে বেহাল অবস্থা সিকিমে (Sikkim)। আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার কোনও লক্ষণই নেই। বহু পর্যটক আটকে রয়েছেন। একের পর এক ধস নামছে। ডিকচু-সংকলন-টুং, মঙ্গন-সংকলন, সিংথাম-রাংরাং এবং রাংরাং-টুং সহ উত্তর সিকিমের দিকে যাওয়ার একাধিক রাস্তা ভারী বৃষ্টির জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উত্তর সিকিম এবং জংগু অঞ্চলে প্রাথমিক সংযোগ ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম সংকলন সেতু। সেই সেতুই ভেঙে পড়ায় পরিস্থিতি শোচনীয় হয়ে ওঠে।নতুন করে ধসের জেরে সিকিমের অন্যান্য অঞ্চলের সঙ্গে মংগন জেলার সড়ক সংযোগ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। কোনও দিক দিয়েই সড়ক পথে মংগনে পৌঁছনো সম্ভব হচ্ছে না। সিকিমে আটকে থাকা পর্যটকদের উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। বিপদসংকুল সড়কপথে হেঁটে সমতলের পথে পর্যটকরা।

    পরিস্থিতি উন্নতির চেষ্টা

    স্থানীয় প্রশাসনের (Sikkim) তরফে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রাস্তা মেরামতির কাজ সম্পূর্ণ করে পুনরায় সংযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ধস নামার কারণে উত্তর সিকিমে একাধিক এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক রাস্তা। রাস্তাগুলি মেরামতি করে দ্রুত ওই সব এলাকার সঙ্গে পুনরায় সংযোগ স্থাপন করতে ও সেখানকার আটকে থাকা মানুষজনদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share