Tag: sikkim accident

sikkim accident

  • Sikkim Accident: মঙ্গলবারই শেষ কথা, সিকিমে দুর্ঘটনার পর খোঁজ নেই দুই ভাই সহ তিনজনের, দুশ্চিন্তায় পরিবার

    Sikkim Accident: মঙ্গলবারই শেষ কথা, সিকিমে দুর্ঘটনার পর খোঁজ নেই দুই ভাই সহ তিনজনের, দুশ্চিন্তায় পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোটরবাইক নিয়ে সিকিমে (Sikkim Accident) ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ রায়গঞ্জ শহরের একই পরিবারের দুই ভাই ও তাঁদের এক বন্ধু সহ তিন যুবক। বুধবার সিকিমে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানার পর উৎকণ্ঠায় রয়েছেন তাঁদের পরিবার। নিখোঁজ যুবকের নাম স্বর্ণদীপ মজুমদার ও শ্রীকান্ত মজুমদার। তাদের বাড়ি রায়গঞ্জের উকিল পাড়া ও সেবকপল্লিতে। আর অন্যজনের নাম ঈশান। তাঁর বাড়ি রাঁচি।

    সিকিম ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ! (Sikkim Accident)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৩০ শে সেপ্টেম্বর স্বর্ণদীপ মজুমদার তাঁর খুড়তুতো দাদা শ্রীকান্ত মজুমদার এবং ঝাড়খণ্ডের রাঁচির বাসিন্দা এক যুবক সিকিমের গুরুদংমার লেকের উদ্দেশ্যে বাইক নিয়ে রওনা দেন। মঙ্গলবার রাতে তাঁরা সিকিমের লাচুংয়ের একটি হোটেলে রাতে থাকেন। বুধবার ভোরে তাঁদের নিজেদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর জন্য রওনা দেওয়ার কথা টেলিফোনে পরিবারের লোকেদের জানিয়েছিলেন তাঁরা। মঙ্গলবার রাতে পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হয় তাদের। বুধবার তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে তাঁদের পরিবারের লোকজনেরা। সিকিমে ভয়াবহ দুর্যোগ (Sikkim Accident) নিয়ে আশঙ্কায় নিঁখোজ দুই  পরিবারের লোকজন। রায়গঞ্জ থানার দ্বারস্থ হয়েছেন দুই পরিবারের লোকজনেরা। সিকিমের ভয়াবহ দুর্যোগের খবর জানতে পেরে পরিবারের লোক আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে তাঁদের। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্বর্ণদীপ মজুমদার ও তাঁর রাঁচির বন্ধু কলকাতায় আইটি সেক্টরে কর্মরত। আর শ্রীকান্ত মজুমদার কলকাতায় একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত রয়েছেন।

    পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    নিখোঁজ শ্রীকান্তের বাবা কমল মজুমদার বলেন, গতবছরেও ছেলেরা বাইক নিয়ে বাইরে ঘুরতে গিয়েছিল। তবে, এ বছর ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যাবে তা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি। সিকিমে ২৩ জন সেনা কর্মী নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই আমরা চরম দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছি। নিখোঁজ স্বর্ণদীপের মা মিঠু মজুমদার বলেন, মঙ্গলবার রাতেই ছেলের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছে। এদিন সিকিমের দুর্ঘটনার (Sikkim Accident) কথা জানতে পেরে ছেলের সঙ্গে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। কিন্তু, আর যোগাযোগ করতে পারিনি। সব মিলিয়ে কতক্ষণে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হবে সেই আশায় দিন গুণছেন তাদের পরিবার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Flash Floods: সিকিমের বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ল পাহাড়ের পর্যটনেও! হু হু করে বাতিল হচ্ছে বুকিং

    Sikkim Flash Floods: সিকিমের বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ল পাহাড়ের পর্যটনেও! হু হু করে বাতিল হচ্ছে বুকিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হড়পা বানে বিধ্বস্ত সিকিম। জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। ফলে, যোগাযোগ-বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সিকিম। কবে রাস্তা মেরামত হবে, তা নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারছে না। মঙ্গলবার রাতভর বৃষ্টির জেরে সিকিমের (Sikkim Flash Floods) পুজোর মুখে পর্যটন ব্যবসা বড়সড় ক্ষতির মুখে দাঁড়াতে চলেছে। বুধবার সকালে এই দুর্যোগের খবর জানার পর থেকেই বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা তাঁদের বুকিং বাতিল করতে শুরু করেছেন। কারণ, সিকিমের এই ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর পর্যটকরা আর কেউ দার্জিলিং যাওয়ার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। বাতিল করা হচ্ছে বুকিংও। এতে ট্যুর অপারেটর, গাড়ি ও হোটেল ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত।

    ২০১১ সালের ভূমিকম্পের থেকেও বড় ধাক্কা! (Sikkim Flash Floods)

    ২০১১ সালে মঙ্গনে ভয়াবহ ভূমিকম্পে সিকিমের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু, এভাবে একাধিক রাস্তা বিলীন হয়ে যায়নি। ফলে সেই ধাক্কা কাটিয়ে পর্যটন ব্যবসায় জোয়ার আনতে বেশি সময় লাগেনি। পর্যটনে ভর দিয়েই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল সিকিম। কিন্তু, এবার সিকিমের এই দুর্ঘটনার জেরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ভেঙে পড়ায় ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই অনেক কঠিন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।  

     কী বলছেন ট্যুর অপারেটররা?

    ইস্টার্ন হিমালয়ান ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সন্দীপন ঘোষ বলেন, সিকিমের (Sikkim Flash Floods) প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব উত্তরবঙ্গের পর্যটনেও ছড়িয়ে পড়ছে। বুধবার সিকিমের এই ঘটনার পর থেকেই বিভিন্ন প্রান্তের পর্যটকরা তাঁদের বুকিং বাতিল করতে শুরু করেছেন। অনেকে বাগডোগরা পর্যন্ত এসে ভুটানে যাওয়ার জন্য বুকিং করছেন। করোনা সংক্রমণের সময় যে ক্ষতি হয়েছিল, তার থেকে বড় ধাক্কা। করোনাকালের ক্ষতি গত গ্রীষ্মের পর্যটন মরশুমে কাটিয়ে উঠেছিলাম। এবার পুজোয় যে ধরনের বুকিং ছিল, তাতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ভালো ব্যবসা হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সব শেষ হয়ে গেল। হিমালয়ান ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেল হসপিটালিটি নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, সিকিমের এই দুর্যোগ আমাদের পথে বসিয়ে দিল। এখন দার্জিলিং আর কেউ যেতে চাইছেন না। ভুটান ও ডুয়ার্সে যাওয়ার জন্য যোগাযোগ করছেন। কিন্তু, তাতে এই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়।

    সিকিম পর্যটন দফতরের উপদেষ্টা কী বললেন?

    সিকিম পর্যটন দফতরের উপদেষ্টা রাজ বসু বলেন, সিকিমের দুর্ঘটনার (Sikkim Flash Floods) পর যা অবস্থা, তাতে কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং রাস্তা আগের জায়গায় ফিরে আসবে , তা বলা যাচ্ছে না। এই অনিশ্চয়তার জায়গা থেকে এবার পুজোর ভ্রমণে বহু পর্যটক তাঁদের বুকিং বাতিল করতে শুরু করেছেন।

     টয় ট্রেনেও ধাক্কা!

    সিকিমের দুর্ঘটনার জন্য পর্যটকরা দার্জিলিং থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেই ধাক্কা খাবে টয় ট্রেনের জয় রাইড পরিষেবাও। গত বছর পর্যটকের ঢল নামায় টয় ট্রেন সর্বকালীন রেকর্ড আয় করেছিল। এবার কী পরিস্থিতি হবে, তা নিয়ে রেল আধিকারিকরাও চিন্তায় রয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share