Tag: Sikkim

Sikkim

  • Sikkim Disaster: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু বেড়ে ৫৬, এখনও নিখোঁজ শতাধিক

    Sikkim Disaster: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু বেড়ে ৫৬, এখনও নিখোঁজ শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে (Sikkim Disaster) লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। এখনও পর্যন্ত যা খবর, মৃতের সংখ্যা ৫৬ হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে সিকিমে। বাকি ৩০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সেনা জওয়ান সহ নিখোঁজ আরও শতাধিক।

    মৃত্যু বেড়ে ৫৬, নিখোঁজ শতাধিক

    সিকিম বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) ঘটনার পর তিন দিন কেটে গিয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় পুরোদমে উদ্ধার প্রক্রিয়া চলছে। আর তাতেই বেরিয়ে পড়ছে মৃতদেহগুলি। মূলত তিস্তা নদীর পাড় থেকেই একের পর এক দেহ উদ্ধার হচ্ছে। সিকিমে এ পর্যন্ত ২৬টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। সিকিম প্রশাসন জানিয়েছে, মংগন জেলা থেকে ৪, গ্যাংটক থেকে ৬, পাকিয়ং থেকে ১৬ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সাত জওয়ানের দেহ। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের তিস্তা অববাহিকায় ৩০টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকাজ এগোলে এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

    ভেসে আসা গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করছে সেনা

    এদিকে, সেনা ছাউনি থেকে হড়পা বানে (Sikkim Disaster) যে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ভেসে গিয়েছে, তা জনসাধারণের হাতে এসে যাওয়ায় নতুন আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই, তিস্তার জলের তোড়ে ভেসে আসা মর্টার শেলের বিস্ফোরণে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে মৃত্যু হয় দুই শিশুর। গুরুতর জখম হন ছ’জন। এর পরই, সেনা ও প্রশাসনের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বিস্ফোরক উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করতে তৎপর সেনা। যেখানেই মর্টার শেল বা ওই জাতীয় বিস্ফোরক উদ্ধার করা হচ্ছে, তা সেখানেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে।

    ঝুঁকি নিয়ে চলছে উদ্ধারের কাজ

    প্রাকৃতিক দুর্যোগে (Sikkim Disaster) তছনছ সিকিম। চারদিকে শুধুই ধ্বংসের ছবি। তার মধ্যেই প্রবল ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েছে সেনা ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর টিম। এনডিআরএফ-এর মোট ৮টি টিম সিকিম ও উত্তরবঙ্গে রয়েছে। সিকিমের সিংতাম, গ্যাংটক,  রংপোয় রয়েছে উদ্ধারকারী দল। এছাড়া, জলপাইগুড়ির গাজোলডোবা, ওদলাবাড়ি, মাল ব্লক, কতোয়ালি-সহ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন রয়েছে এনডিআরএফ। শুক্রবার থেকেই উত্তর সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরাতে এয়ারলিফ্টিং শুরু করা হচ্ছে বলে জানানো হয়। বিকল্প রাস্তাও খুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা চলছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর’! এক লোনক হ্রদ ফেটে সিকিমে ভয়াবহ অবস্থা (Sikkim Disaster)। তিস্তা নদীতে আসা হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে সবকিছু (Sikkim Flood Situation)। তছনছ হয়েছে ছবির মতো সুন্দর উত্তর সিকিম। হড়পা বানে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। নিখোঁজ শতাধিক। সিকিম যখন এই বিপর্যয় মোকাবিলায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই আরেকটি বিপর্যয়ের আশঙ্কা ঘনাচ্ছে এই পাহাড়ি-রাজ্যে। 

    সাকো চো হ্রদ ফাটার আশঙ্কা!

    মঙ্গলবার গভীর রাতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের লোনক হ্রদের হিমবাহ বিস্ফোরিত হয়ে বানভাসী হয়ে যায় চুংথামের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর পর বুধবার ভোরে তিস্তা নদীর জল বেড়ে বানভাসী হয় সংলগ্ন এলাকা। প্রায় দোতলা বাড়ি সমান জল উঠে যায়। ভয়াল তিস্তার গ্রাসে তলিয়ে যান শতাধিক মানুষ (Sikkim Disaster)। এরই মধ্যে উত্তর সিকিমে আরেকটি হ্রদ ফাটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। জানা যাচ্ছে, সিকিমের মানগান জেলায় রয়েছে সাকো চো হ্রদ। সেই হ্রদ ফেটে বিপর্যয় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ছাঙ্গু উপত্যকা থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হ্রদের দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৩ কিলোমিটার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আশঙ্কা সত্যি হলে সিকিমের বুকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

    আরও পড়ুন: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    সরানো হচ্ছে স্থানীয়দের

    জানা গিয়েছে, এই হ্রদটিও হিমাবহের জল থেকে তৈরি। গত কয়েক দিনে এই হ্রদেরও জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, বৃদ্ধি পেয়েছে জলের তাপমাত্রাও। কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে আগে থেকেই এই এলাকার বাসিন্দাদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন (Sikkim Flood Situation)। মাইকিং করে বাসিন্দাদের সরানোর হচ্ছে। গ্যাংটক জেলার সিংটামের গোলিতার এলাকা, মানগন জেলার ডিকচু এলাকা, রংপো আইবিএম এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই মানুষজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ

    এই মুহূর্তে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) মধ্যে দিয়ে চলছে সিকিম। মেঘভাঙা বৃষ্টি-হ্রদ ফাটা-হড়পা বান— এই সব মিলিয়ে এখন বিধ্বস্ত এই পার্বত্য রাজ্য। তার ওপর, এখনও কয়েকদিনে সিকিমে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ফলে, এখনই যে নিস্তার মিলছে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে, যে কোনও প্রাণহানির ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্ক সিকিম প্রশাসন। বন্য-বিধ্বস্ত চার জেলায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করল সিকিমের শিক্ষা দফতর। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়োং, গ্যাংটক, নামচি ও মঙ্গন জেলার সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পর্যটকদের আসতে মানা সিকিম প্রশাসনের

    সিকিমের মূল আয়ের উৎস হল পর্যটন। ছবির মতো সুন্দর সিকিমে বছরভর পর্যটকদের যাতায়াত। বিশেষ করে, ছুটি বা পুজোর মরশুমে সিকিমে উপচে পড়ে ভিড়। সিকিমজুড়ে থাকে পর্যটকদের ঢল। কিন্তু, বর্তমান সিকিমের পরিস্থিতি (Sikkim Flood Situation) একেবারে উল্টো। পুরো লন্ডভন্ড। তছনছ। বিধ্বস্ত। এই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সিকিমের পর্যটন দফতরের তরফে পর্যটকদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, এখন যাঁরা সিকিমে বেড়াতে আসার পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা যেন তা বাতিল করেন। পর্যটকদের জন্য এখন অনুকূল পরিস্থিতি নেই। ছাঙ্গু এবং নাথু লা যাওয়ার উপরেও অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে (Sikkim Disaster)।

    এখনও সাত হাজার পর্যটক আটকে সিকিমে!

    এদিকে, সিকিমে এখনও আটকে রয়েছেন কয়েক হাজার পর্যটক (Sikkim Flood Situation)। সূত্রে খবর, সিকিমে এখনও মোট সাত হাজার পর্যটক রয়েছেন যার মধ্যে ২ হাজার পর্যটক বাংলার। যোগাযোগের মূল রাস্তা ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ তিস্তার করালগ্রাসে তলিয়ে যাওয়ায় ফিরতে বিস্তর সমস্যায় পড়ছেন পর্যটকরা। অনেকে এখন গ্যাংটক থেকে রানিপুল, পেডং, লাভা, গোরুবাথান হয়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। তার ওপর উত্তর সিকিমে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা পুরো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। যোগাযোগের ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। উত্তর সিকিমের লাচেন, লাচুং সহ এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের কপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারের কাজ শুরু হবে বলে শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সেখানে সেনা পৌঁছে গেছে (Sikkim Disaster)। 

    আরও পড়ুন: সিকিমের বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ল পাহাড়ের পর্যটনেও! হু হু করে বাতিল হচ্ছে বুকিং

    হেল্পলাইন নম্বর চালু পুলিশ-সেনার

    উত্তর সিকিম এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। সেখানে জল বা বিদ্যুতের সরবরাহ নেই। চরম অসহায় অবস্থায় হোটেলে আটকে রয়েছেন পর্যটকরা। মোবাইলের নেটওয়ার্ক না থাকায় তাঁরা যোগাযোগও করতে পারছেন না। আটকে পড়া পর্যটকদের পরিবার-পরিজনদের জন্য হেল্পলাইন চাল করল সিকিম সরকার (Sikkim Disaster)। সিকিম পুলিশের হেল্পলাইনগুলো হল, ০৩৫৯২-২০২৮৯২, ০৩৫৯২-২২১১৫২ এবং ৮০০১৭৬৩৩৮৩। এছাড়াও ০৩৫৯২-২০২০৪২ নম্বরে ফোন করেও সাহায্য পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে হেল্পলাইন চালু করেছে সেনাও। উত্তর সিকিমের বাসিন্দাদের জন্য এই হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫০৮৮৭৭৭৪ এবং পূর্ব সিকিমের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫৬৯৯১৮৯৫।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Flash Flood: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    Flash Flood: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তার হড়পা বানের (Flash Flood) জেরে দু’ভাগ হয়ে গিয়েছে জাতীয় সড়ক। তাই সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সিকিমের। মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণেই এমনটা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের একটা বড় অংশের। তবে সিংহভাগ বিজ্ঞানীর দাবি, সিকিমের এই বিপর্যয়ের নেপথ্যে রয়েছে নেপালের মঙ্গলবারের ভূমিকম্প।

    পাড় ভাঙল লোনকের

    বিষয়টি তবে খুলেই বলা যাক। বুধবার কাকভোরে ফেটে যায় উত্তর সিকিমের পাহাড়ি হ্রদ লোনকের পাড়। হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে বিশাল জলরাশি। পড়ে তিস্তায়। একলপ্তে তিস্তার জলস্তর বেড়ে যায় ১৫-২০ ফুট। হড়পা বান চলে আসায় লন্ডভন্ড হয়ে যায় উত্তর সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশ। কোথাও ভেঙে গিয়েছে সেতু, কোথাও জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে সড়ক। বাড়িঘরের পাশাপাশি ভেসে গিয়েছে মানুষ ও তাঁদের পোষ্যরা। বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। নিখোঁজ শতাধিক।

    নেপালে ভূমিকম্প

    সিকিমের এই বিপর্যয়ের কারণ কেবল হড়পা বান (Flash Flood) নয়। বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে নেপালের ভূমিকম্প। গত মঙ্গলবার ভূমিকম্প হয় নেপালে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬। এদিন ঘণ্টাখানেকের ব্যবধানে পরপর চারবার কেঁপে উঠেছিল নেপাল। সেই কম্পনের আঁচ পেয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, চণ্ডীগড়, জয়পুর এবং উত্তরাখণ্ডের কিছু অংশের বাসিন্দারা। বিজ্ঞানীদের মতে, এই ভূকম্পনের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়। এর পর মেঘভাঙা বৃষ্টির জল এসে পড়ায় জলের চাপ সহ্য করতে পারেনি দুর্বল বাঁধ। যার জেরে দেখা দেয় বিপর্যয়।

    আরও পড়ুুন: হড়পা বানে বিধ্বস্ত সিকিম, চারদিকে ধ্বংসলীলার ছবি, আটকে ৩ হাজার পর্যটক

    সম্প্রতি লোনকের একটি উপগ্রহচিত্র প্রকাশ করেছে হায়দরাবাদের ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার। তাতে দেখা গিয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বর হ্রদের যা বিস্তৃতি ছিল, তা কমে গিয়েছে। ১৬৮ হেক্টর এলাকা নিয়ে লোনক হ্রদ। তা কমে গিয়ে বর্তমানে হ্রদের আয়তন দাঁড়িয়েছে ৬০ হেক্টরে। যার অর্থ, জল ডাঙায় উঠে এসেছে। জলস্তরের সব সীমা পেরিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন।

    এর আগে একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছিল, লোনক হ্রদের আয়তন ক্রমেই বাড়ছিল। বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে হিমবাহ গলে সেই জল জমছিল হ্রদে। বুধবার যখন এই এলাকায় মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়, তখন আর নিজেকে সামলাতে পারেনি লোনক। বিশাল জলরাশি হুড়মুড়িয়ে এসে পড়ে তিস্তায় (Flash Flood)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Teesta River Sikkim: সিকিমে আটকে দু’হাজার বাঙালি পর্যটক! তিস্তার জল ছাপিয়ে রাস্তায় 

    Teesta River Sikkim: সিকিমে আটকে দু’হাজার বাঙালি পর্যটক! তিস্তার জল ছাপিয়ে রাস্তায় 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে ফুঁসছে তিস্তা। নদীর তাণ্ডবে আশপাশের এলাকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে। নিখোঁজ ২৩ জওয়ান। ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। জলের তোড়ে ভেঙেছে এনএইচ ১০। বন্ধ হয়ে গিয়েছে সিকিম থেকে দার্জিলিং-শিলিগুড়ির যাতায়াতের রাস্তা। অপরদিকে, সিকিমের চুংথাংয়ের লোনার লেকের প্রাচীর ভেঙে জল ঢুকে পড়েছে গ্রামে। শুধু তিস্তা নয়, রংফু নদীর জলস্তরও বেড়েছে। ধসের কারণে আনুমানিক দু হাজার বাঙালি পর্যটক সিকিমে আটকে রয়েছে, বলে খবর। 

    তিস্তার জলে প্লাবিত সিকিম

    তিস্তায় হড়পা বানের জেরে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পাকিয়ং, গ্যাংটক, নামচি এবং মঙ্গন জেলা। ভেসে গিয়েছে বহু সেতু। জলমগ্ন বাড়িঘর। কিছু জায়গায় জলের তোড়ে সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে পড়েছে বড় বড় বিল্ডিং। কাদাস্রোতের তলায় চাপা পড়ে রয়েছে বহু বসতি, রাস্তাঘাট, সেনাছাউনি। স্বভাবতই তিস্তার ধ্বংসলীলায় কত প্রাণহানি হয়েছে, সেই প্রশ্ন উঠছে। সূত্রের খবর, এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উত্তর সিকিমের বিকচুতে তিন জনের দেহ উদ্ধার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। পরিস্থিতি জরিপ করে আগামী ৮ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়ং, গ্যাংটক, নামচি এবং মঙ্গনের সমস্ত স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চালু করা হয়েছে একাধিক জরুরি পরিষেবার নম্বর। তিস্তার জলস্তর প্রায় ১৫ থেকে ২০ ফুট বেড়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তিস্তায় জল বাড়ার প্রভাব গোটা উত্তরবঙ্গ জুড়ে পড়ার আশঙ্কা। তিস্তা জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন অংশ দিয়েও বয়ে চলে যায়। সে কারণে পাহাড়ের পাশাপাশি সমতলেও জলের স্রোত বাড়লে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, টানা বৃষ্টিতে জলের তলায় কলকাতা, আর মেয়র ধর্না দিচ্ছেন দিল্লিতে!

    ১০ নং জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত

    পুজোয় বাকি আর হাতে গোনা মাত্র ১৬ দিন। এরই মধ্যে ভয়াবহ বিপর্যয় উত্তর সিকিমে। পুজোর সময় সিকিমে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে বহু মানুষের। স্বাভাবিকভাবেই এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ বেড়েছে পর্যটকদের। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, বাংলার অন্তত দু’হাজার পর্যটক সিকিমে আটকে পড়েছেন। জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ। ফলে আপাতত অবরুদ্ধ ফেরার পথও। রাজ্য প্রশাসনের তরফে সিকিম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সিকিমের সঙ্গে সমতলের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। ১০ নং জাতীয় সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। কালিম্পঙ যাওয়ার জন্য লাভা, গোরুবাথান হয়ে ঘুরপথে যেতে হচ্ছে। সেই পথের অবস্থাও ভাল নয়। আটক পর্যটকদের পক্ষ থেকে কেন্দ্র ও রাজ্যের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, আটকে পড়া পর্যটকদের এয়ারলিফ্‌টিং করে উদ্ধার করার। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Flash Flood: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে তিস্তায় হড়পা বান, সিকিমে নিখোঁজ ২৩ সেনা জওয়ান

    Sikkim Flash Flood: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে তিস্তায় হড়পা বান, সিকিমে নিখোঁজ ২৩ সেনা জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ভোরে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের চুংথামে লোনক হ্রদ ফেটে যায়। সেই জল হু-হু করে ঢুকে যায় তিস্তা নদীতে। তাতেই বেধে যায় বিপর্যয়। আচমকা ধেয়ে আসা হড়পা বানে (Sikkim Flash Flood) ভেসে যায় সড়ক। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে সেনার বহু গাড়ি সহ সেনা ছাউনিও। নিখোঁজ হন ২৩ সেনা জওয়ান (Army Jawans Missing)। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।

    লোনাক হ্রদে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে বিপত্তি

    গুয়াহাটিস্থিত সেনার জনসংযোগ আধিকারিক ট্যুইটারে লেখেন, ‘‘উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে লাচেন উপত্যকার কাছে তিস্তা নদীতে হড়পা বান (Sikkim Flash Flood) আসে। তাতে ২৩ জওয়ান নিখোঁজ (Army Jawans Missing) হয়েছেন।’’ বেশ কয়েকটি জায়গায় ধসও নেমেছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর। এই ঘটনার জেরে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চুংথাম। গতরাত থেকেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে সিকিমে। মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে গতরাতেই অন্তত সাতজন নিখোঁজ হন। ৬টি সেতু ধুয়ে যায়। আর আজ সকালে হড়পা বানে তলিয়ে গেল সেনার গাড়ি। 

    তলিয়ে গেছে ৪১টি ট্রাক সমেত গোটা সেনা ছাউনি!

    এদিন সকালে সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের মুখপাত্র জানান, মেঘভাঙা বৃষ্টিতে উত্তর সিকিমের লাচেন উপত্যকার লোনক হ্রদ উপচে পড়ে। চুংথাম বাঁধ ভেঙে বিপুল পরিমাণ জল চলে আসে তিস্তা নদীতে। এর ফলে মুহূর্তে তিস্তার জলস্তর প্রায় ১৫ থেকে ২০ ফুট বেড়ে যায়। সিংতমের কাছে বরদঙে নদীর ধারে একটি রাস্তায় দাঁড় করানো ছিল বেশ কয়েকটি সেনার গাড়িটি। হড়পা বান (Sikkim Flash Flood) আসায় ট্রাকগুলি তলিয়ে যায় নদীতে (Army Jawans Missing)। সেনা জানিয়েছে, অন্তত ৪১টি ট্রাক তলিয়ে গিয়েছে। ভেসে গিয়েছে ছাউনির প্রায় সমস্ত কিছুই। জলের তলায় চলে গিয়েছে গাড়ি-সহ গোটা সেনা ছাউনি। এর মধ্যে আবার ধস নামতে শুরু হয়েছে। এত বড় ঘটনা সিকিমের বুকে এই প্রথম বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। 

    ভয়াবহ পরিস্থিতি সিকিমে

    প্রশাসন সূত্রে খবর, সিংথামে তিস্তার উপর একটি ফুটব্রিজ ছিল। নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ার জেরে সেই সেতুটি ভেঙে পড়েছে। এ ছাড়াও তিস্তার দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিকিমের গোটা লাচেন উপত্যকাই। বহু বাড়ি ভেসে গিয়েছে। বহু মানুষও নিখোঁজ হয়েছেন বলে আশঙ্কা (Sikkim Flash Flood)। ২০১৩ সালে উত্তরাখণ্ড বিপর্যয় দেখেছিল গোটা ভারত। এবার সিকিমের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে সকলে। সিকিমে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সিকিম রাজ্য প্রশাসন মানুষকে তিস্তা নদী থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। সিংথাম ও রংপোয় সরানো হয়েছে বাসিন্দাদের।

    কার্যত বিচ্ছিন্ন সিকিম

    সিকিমের চুংথামে ব্যাপক জলস্ফীতি হয়েছে। সিকিমের উঁচু এলকায় ঢুকে পড়েছে নদীর জল। চুংথাম এলাকা কার্যত সিকিম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। জলের তোড়ে ভেঙেছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। বন্ধ হয়ে গিয়েছে সিকিম থেকে দার্জিলিং-শিলিগুড়ির যাতায়াতের রাস্তা (Sikkim Flash Flood)। সামনেই পুজো। পাহাড়ে ঘুরতে যেতে পছন্দ করেন অনেক পর্যটক। হোটেল বুকিংও হয়েছে। শুধু তাই নয়, বহু পর্যটক সিকিমের পাহাড়ি এলাকায় রয়েছেন। তাঁরা কিন্তু এই মুহূর্তে আটকে গিয়েছেন। যাঁরা পুজোয় আসবেন বলে ঠিক করেছেন, তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Landslide: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    Landslide: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাড়ে চলা অতিভারী বৃষ্টির জেরে ধস (Landslide) নামল উত্তর সিকিমের (Sikkim) রাস্তায়। বৃহস্পতিবার রাতে চুংথাংয়ের কাছে পেগংয়ে ওই ধস নেমেছে। রাস্তার ওপর দিয়েই প্রবল বেগে বইছে ঝর্নার জল। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে লাচুং, লাচেন এবং ইয়ুমথাংয়ের সঙ্গে। ঘটনার জেরে উত্তর সিকিমে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন। জাতীয় সড়ক থেকে ধস সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এমতাবস্থায় শুক্রবার উত্তর সিকিমে বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস 

    সিকিম আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা (Landslide) গোপীনাথ রাহা বলেন, “উত্তর সিকিমের বিভিন্ন এলাকা ধসে বিপর্যন্ত। এমন বৃষ্টি হচ্ছে যে, আগামী পাঁচ দিন পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক হবে না। বিশেষ করে উত্তর সিকিমে অতিভারী বর্ষণ হবে। উত্তরবঙ্গেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গ ও সংলগ্ন সিকিম জুড়ে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে, যা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই অঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই অঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক, কেন জানেন?

    হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্টের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ। বিভিন্ন এলাকা ধসের কবলে। আমরা খোঁজ নিচ্ছি পর্যটকদের কী পরিস্থিতি বা কোথায় কতজন পর্যটক আটকে রয়েছেন।” নাগাড়ে বৃষ্টির (Landslide) জেরে ফুঁসছে পূর্ব ও পশ্চিম সিকিমের একাধিক নদী। পশ্চিম সিকিমের রিম্বি নদীতে ভেসে গিয়েছেন এক বৃদ্ধ। নর্থ সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে নেমেছে সেনাবাহিনী।

    এদিকে, রাতভর বৃষ্টির জেরে জলস্তর বেড়েছে তিস্তা ও রংফু নদীর। ওই নদীগুলিতে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, “তিস্তা সহ বেশ কয়েকটি পাহাড়ি নদীর জলস্তর কাল রাত থেকে বেড়েছে। ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে স্থানীয়দের। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Changu Lake: সিকিমে তুষার ধসে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ২ বাঙালিও, সমবেদনা মোদির

    Changu Lake: সিকিমে তুষার ধসে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ২ বাঙালিও, সমবেদনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমে (Changu Lake) তুষার ধসে দুই বাঙালি সহ সাতজন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৩ জন। মঙ্গলবার দিনভর উদ্ধারকাজ চালানোর পর রাতে এনডিআরএফের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর কোনও পর্যটক বরফের নিচে চাপা পড়ে নেই। তাই বন্ধ করা হচ্ছে উদ্ধার কাজ। এদিনের তুষার ধসে যে দুই বাঙালির মৃত্যু হয়েছে তাঁরা হলেন কলকাতার বাসিন্দা বছর আটত্রিশের প্রীতম মাইতি এবং শিলিগুড়ির বাসিন্দা বছর সাতাশের সৌরভ চৌধুরী। আর বাকি পাঁচ পর্যটকের মধ্যে তিনজন নেপালের বাসিন্দা, দুজন উত্তর প্রদেশের।

    সিকিমের ছাঙ্গু (Changu Lake) রোডে ধসে ক্ষতি…

    মঙ্গলবার পর পর দু বার ধস নামে সিকিমের ছাঙ্গু (Changu Lake) রোডে ১৭ মাইল এলাকায়। পাহাড়ের ওপর থেকে হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে বরফের স্রোত। সেই সময় পাহাড়ের ঢালে দাঁড়িয়ে যাঁরা প্রকৃতির শোভা উপভোগ করছিলেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই চাপা পড়ে যান তুষারের নিচে। পরে সেনা নামিয়ে সামাল দেওয়া হয় পরিস্থিতি। তুষারধসের জেরে কেবল পর্যটকরাই নন, বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। যে অঞ্চলে ধস নেমেছে, তার আশপাশের বহু বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বরাত জোরে যাঁরা প্রাণে বেঁচেছেন, তাঁরা জানাচ্ছেন, তুষারের নিচে চাপা পড়ে যাওয়ায় হাত-পা নাড়ানোর সুযোগটুকুও পাচ্ছিলেন না তাঁরা। পরে অন্যান্য পর্যটক, সেনাবাহিনী ও এনডিআরএফের সাহায্যে উদ্ধার করা হয় তাঁদের।

    মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, সিকিমে (Changu Lake) তুষার ধসে চাপা পড়ে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। উদ্ধারকার্য চলছে। ধসের জেরে যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সম্ভাব্য সব রকম সাহায্য করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, সেনাবাহিনী মোট ২২ জন পর্যটককে উদ্ধার করে সেখান থেকে নিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে খোঁজ নেওয়া হয়েছে সিকিমের পরিস্থিতি নিয়ে। পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে কিনা, সে ব্যাপারেও খোঁজখবর নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বিপর্যয়ের কথা মাথায় রেখে সিকিম সরকার উত্তর ও পূর্ব সিকিমের পারমিট দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: যারা রামনবমীর শোভাযাত্রায় বোমা মেরেছিল, মুখ্যমন্ত্রী তাদের প্রেরণা দিচ্ছেন, অভিযোগ সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।   

     

  • Avalanche In Sikkim: সিকিমে ভয়াবহ তুষার ধসের বলি অন্তত ৭, বরফের নিচে আটকে বহু পর্যটক

    Avalanche In Sikkim: সিকিমে ভয়াবহ তুষার ধসের বলি অন্তত ৭, বরফের নিচে আটকে বহু পর্যটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমের গ্যাংটকে ভয়াবহ তুষার ধসে (Avalanche In Sikkim) মৃত্যু হল কমপক্ষে সাতজন পর্যটকের। আরও অনেক জন বরফের নিচে চাপা পড়ে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে গ্যাংটকের সঙ্গে নাথুলা পাসের সংযোগকারী জওহরলাল নেহেরু সড়কের ওপর ১৫ মাইল এলাকায়। যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চারজন পুরুষ, একজন মহিলা এবং এক শিশু। পরে উদ্ধার হয় আরও একটি দেহ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা।

    যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে সেনার ত্রিশক্তি কোর, সিকিম পুলিশ (Police), সিকিমের ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন এবং পর্যটন দফতর। সিকিম পুলিশ জানিয়েছে, বরফের তলায় আটকে পড়া ৩০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে গ্যাংটকের এসটিএনএম হাসপাতাল ও সেন্ট্রাল রেফারেন্স হাসপাতালে।

    ভয়াবহ তুষার ধস (Avalanche In Sikkim)…

    জানা গিয়েছে, এদিন গ্যংটক থেকে নাথু লা যাওয়ার পথে ১৫ মাইল এলাকায় আচমকাই পর্যটক বোঝাই একটি গাড়ির ওপর ধস নামে। সেই সময় ৫-৬টি গাড়ি করে নাথু লা যাচ্ছিলেন পর্যটকরা। সবমিলিয়ে জনা তিরিশেক পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ধসের কারণে পর্যটকরা খাদের দিকে ছিটকে পড়েন। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত ১৪ জনকে বরফের মধ্যে থেকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের দ্রুত সেনার বেস ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৭ জন মারা যান। বাকিদের শুশ্রূষা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। বতুষার ধসে আটকে পড়া পর্যটকদের দ্রুত উদ্ধার করতে নামানো হয়েছে সেনাও। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাস্তার যে এলাকায় ধস নেমেছে তার একদিকে আটকে রয়েছেন ৩৫০ জন, অন্যদিকে প্রায় ৪৫০ জন।

    যাঁরা সিকিম বেড়াতে যান, তাঁদের কাছে ছাঙ্গু লেক (Tsong Po) খুবই জনপ্রিয় একটি পর্যটনস্থল। সেখানে যাওয়ার পথে ধস নামায় আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। নাথু লা-কে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি পর্যটনস্থলে যাওয়া যায়। তাই এই অঞ্চলে তুষার ধস নামায় পর্যটন ব্যবসা মার খাবে বলেই আশঙ্কা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। পর্যটনস্থলের পাশাপাশি নাথু লা দিয়ে চিন ও ভারতের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য চলে। ২০০৬ সাল থেকে এখান দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য চলছে এই দুই দেশের। মাঝে ২০১১ সালে সিকিমে ভূমিকম্প ও ২০১৭ সালে ডোকলাম বিতর্কের জেরে সাময়িক বন্ধ ছিল নাথু লা দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য।

    আরও পড়ুুন: ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলির মধ্যে সব চেয়ে বেশি বিপজ্জনক তৃণমূল, বললেন জেঠমালানি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Earthquake in Sikkim: সকাল সকাল ভূমিকম্প সিকিমে! কম্পনের মাত্রা ৪.৩

    Earthquake in Sikkim: সকাল সকাল ভূমিকম্প সিকিমে! কম্পনের মাত্রা ৪.৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল প্রতিবেশী রাজ্য সিকিম।  সোমবার ভোর ৪টে ১৫ মিনিট নাগাদ সিকিমের ইউকসাম শহরে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৩। ভূমিকম্পে এখনও অবধি কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি। তবে রবিবারই অসমে ভূমিকম্প হওয়ার ঠিক পরেই এ দিন ভোরে এবার সিকিমেও ভূমিকম্প হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

    জাতীয় ভূকম্পনকেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, সিকিমে ভূমিকম্পের উৎস ছিল মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ইউকসাম শহরের ৭০ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে মাটির গভীরে ভূমিকম্প হয়। তার জেরে কেঁপে ওঠে বিস্তীর্ণ এলাকা।

    ভূমিকম্পের তীব্রতা

    সিকিমের রাজধানী গ্যাংটক থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে ইউকসাম শহরে বেড়াতে যান পর্যটকেরা। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এ দিন সকালের ভূমিকম্পে বিশেষ কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে পার্বত্য এলাকা হওয়ায় আফটারশক ও তার জেরে বাড়িঘরে ফাটলের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে গোটা এলাকা পর্যবেক্ষণ করে দেখা হবে। সপ্তাহ খানেক আগেই তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল তুরস্ক এবং সিরিয়া। ৭.৮ মাত্রার সেই কম্পনের পর অন্তত ১০০ বার আফটার শক অনুভূত হয়। পর পর কম্পনে বিধ্বস্ত পশ্চিম এশিয়ার দুই দেশে এখনও পর্যন্ত ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

    আরও পড়ুুন: ভারত দেনেওয়ালা হয়ে গিয়েছে, লেনেওয়ালা নেই, এটাই বিকাশ, জানালেন নাড্ডা

    রবিবারই ভূমিকম্প হয় অসমে। বিকেল ৪টে ১৮ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয় অসমের নওগাঁওয়ে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল নওগাঁও এলাকায়, ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। কম্পনের মাত্রা কম থাকায় কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও ঘটনা ঘটেনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share