Tag: Siliguri

Siliguri

  • Siliguri: দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ! অনশনে তৃণমূল কাউন্সিলার

    Siliguri: দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ! অনশনে তৃণমূল কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) নিয়ন্ত্রিত বাজারের দখলদারি তথা তোলাবাজি নিয়ে তৃণমূলের কাজিয়া চরমে। আইএনটিটিইউসির দার্জিলিং (সমতল) জেলা কমিটির বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও রাজ্য সরকারের প্রশাসনের বিরুদ্ধে অব্যবস্থার অভিযোগে অনশন বসেছেন তৃণমূলেরই নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পারিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন।

    কেন অনশনে তৃণমূল নেতা?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার মেয়র পারিষদ সদস্য দিলীপ বর্মনের অভিযোগ, শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত বাজারে ভিন রাজ্যের  শ্রমিক নিয়োগ করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলছেন আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি নির্জল দে ও তাঁর লোকজন। তাঁরা অন্যায়ভাবে পুরনো শ্রমিক ছাঁটাই করছেন। এর পাশাপাশি  বাজারে অবৈধ নির্মাণ ও চূড়ান্ত অব্যবস্থা চলছে। তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রিত বাজার কমিটি থেকে শুরু করে প্রশাসনের শীর্ষকর্তাদের জানিয়েও এখানকার অনিয়ম বন্ধ করা যায়নি। তাই এবার অনশনে বসেছি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে। বুধবার বিকেল থেকে আইএনটিটিইউসির ব্যানারে তিনি এই অনশন মঞ্চে বসেছেন।

    কী বলছে প্রশাসন?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) রেগুলেটেড মার্কেটের সরকারি কমিটির সচিব তমাল দাস বলেন, দিলীপ বর্মন ও তাঁর লোকেরা বাজারে অবৈধ নির্মাণ, স্টল বন্টনে অনিয়ম নিয়ে যে অভিযোগ করেছেন তার কোনওটাই ঠিক নয়। আর শ্রমিক নিয়োগ স্টল মালিকের ইচ্ছেতেই হবে। সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। আইএনটিটিইউসির দুই গোষ্ঠীর বিবাদ থেকেই এটা হচ্ছে। সরকারি জমিতে অনশন মঞ্চ করা হয়েছে। কিন্তু রেগুলেটেড মার্কেট কমিটির কোনও অনুমতি দিলীপ বর্মনদের কাছে নেই। অনশনে বসার ব্যাপারে তিনি আমাদের চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা কোনও অনুমতি দিইনি। এতে অভিযোগ উঠেছে, দিলীপ বর্মন নিজের মর্জি মতো তৃণমূলের প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে অনশন মঞ্চ করেছেন।

    কী বললেন আইএনটিটিইউসি নেতৃত্ব?

    আইএনটিটিইউসি-র দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি নির্জল দে বলেন, দিলীপ বর্মন আইএনটিটিইউসির কেউ নন। তিনি যে অভিযোগ করেছেন, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই বাজারের দখল নিতেই তিনি এসব করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে এক যুবককে গুলি করে খুন করা হল, অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা

    Siliguri: প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে এক যুবককে গুলি করে খুন করা হল, অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিকোণ প্রেম। প্রেমিকা কার? এই লড়াইয়ে খুণ হতে হল এক যুবককে। প্রেমিকাকে পেতে এক প্রেমিককে গুলি করে খুন করার অভিযোগ উঠল অন্য এক প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে শিলিগুড়ির (Siliguri) চম্পাসারির দেবীডাঙ্গার কোয়ার্টার লাইন এলাকা। ক্ষোভে এদিন সকালে অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় মৃত যুবকের পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।  অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মৃত যুবকের নাম অমৃত গোস্বামী।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    প্রতিবেশী ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ির (Siliguri)  চম্পাসারি এলাকায় এক কিশোরীর সঙ্গে এলাকারই দুই যুবক অমৃত গোস্বামী ও অরুণ লোহারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই ত্রিকোণ প্রেমের জেরে ওই দুই যুবকের মধ্যে বেশ কয়েকদিন ধরেই গণ্ডগোল চলছিল।  সোমবার গভীর রাতে অরুণ গণ্ডগোল মিটিয়ে নেওয়ার নাম করে  অমৃতকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপরই অমৃতকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। স্থানীয় বাসিন্দা সুশীল কুমার বলেন, ত্রিকোণ প্রেমের জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার গভীর রাতে গুলি করে খুনের ঘটনা ঘটে।

    পুড়িয়ে দেওয়া হল অভিযুক্তের বাড়ি

    ঘটনার খবর পেয়ে এদিন সকালে মৃত অমৃতের পরিবারের লোকেরা এবং স্থানীয় এলাকাবাসীরা অরুণের বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকলে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রধাননগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, দমকল ও পুলিশ  সময় মতো না পৌঁছলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেত। অপরাধীর কড়া শাস্তি হোক।”

    পুলিশের কী বক্তব্য?

    ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল অভিযুক্ত অরুণ লোহার ও তার পরিবারের লোকজন। পরে, শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রধাননগর থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতকে জেরা করা হচ্ছে। আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল অভিযুক্ত যুবক তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: “হাসপাতালের অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রীর চোখ দিয়ে জল পড়বে”, কেন বললেন রাজু বিস্তা?

    BJP: “হাসপাতালের অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রীর চোখ দিয়ে জল পড়বে”, কেন বললেন রাজু বিস্তা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালের বেহাল অবস্থা দেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও চোখ দিয়ে জল পড়বে।  উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখে একথা বললেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি (BJP) সাংসদ রাজু বিস্তা। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি অন্তত এক ঘণ্টার জন্য এই হাসপাতাল পরিদর্শনে আসার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। আমি নিশ্চিত এখানকার করুণ পরিস্থিতি দেখার পর তাঁর চোখ দিয়ে জল পড়বে। জল না বেরলে  আমি আমার নাম বদলে দেব। এখানে কর্মীর অভাব রয়েছে। পরিকাঠামোর অনেক খামতি রয়েছে।  চারদিক নোংরা আবর্জনায় ভরে রয়েছে। এক অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে রয়েছেন এখানকার রোগীরা। প্রসঙ্গত, খুশি বর্মন নামে নকশালবাড়ির এক শিশুকে দেখতে সাংসদ রাজু বিস্তা ও নকশালবাড়ি – মাটিগাড়ার বিধায়ক আনন্দময় বর্মন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন। খুশি বর্মনের দু’টি কিডনি খারাপ। হাসপাতালে সংকটজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হয়েছে।  রাজু বিস্তা বলেন, তার কিডনি প্রতিস্থাপন বা উন্নত কোনও চিকিৎসার  প্রয়োজন হলে আমি তার দায়িত্ব নিচ্ছি”।

    উত্তরবঙ্গবাসীর উন্নত চিকিৎসার সুযোগ কেড়ে নিয়েছে তৃণমূল, তোপ সাংসদের

    বিজেপি (BJP) সাংসদ বলেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষের কাছ থেকে বিনামূল্যে উন্নত অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবার সুযোগ কেড়ে নিয়েছে তৃণমূল সরকার। উত্তরবঙ্গের জন্য এইমস অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ থেকে সেই এইমস সরিয়ে কল্যাণীতে নিয়ে গিয়েছেন। এখানে এইমস হাসপাতাল হলে আজ উত্তরবঙ্গের মানুষকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে এতটা নাজেহাল হতে হত না,  কাউকে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে হত না। রাজ্য সরকার যদি আমাকে লিখিতভাবে দায়িত্ব দেয় তাহলে এই হাসপাতালের ভোল বদলে দেব”।

     কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

     উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তথা শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন,  “রাজু বিস্তার মুখে এধরনের শিশুসুলভ কথা মানায় না। বিজেপি (BJP) সাংসদের এ ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ কথা বলার  কোনও অধিকার নেই। রাজ্য সরকারের চেষ্টায় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবার মান অনেক উন্নত হয়েছে। তিনি না জেনে এসব বলছেন। এসব ভাবনা ছেড়ে আমি বলব, সুপার স্পেশালিটি ব্লক দ্রুত চালু করার জন্য তিনি বরং দিল্লিতে দরবার করুন”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri TMC: শিলিগুড়িতে কোন্দলে জেরবার তৃণমূল, জেলা সভানেত্রীকে সরাতে মরিয়া বিরোধী গোষ্ঠী

    Siliguri TMC: শিলিগুড়িতে কোন্দলে জেরবার তৃণমূল, জেলা সভানেত্রীকে সরাতে মরিয়া বিরোধী গোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের (Siliguri TMC) গোষ্ঠী কোন্দল চরমে। দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ নিজেই বলছেন, আমাকে কালিমালিপ্ত করতে তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আমার বিরুদ্ধে চারিত্রিক এবং অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ জানিয়েছে দলের স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশ। সম্প্রতি দলের জেলা কমিটির বৈঠকে সভানেত্রীর এই বক্তব্যে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও জটিল আকার নিয়েছে।

    গোষ্ঠী কোন্দলে হতাশ পাপিয়া স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি

    শিলিগুড়ি পুরসভা ও মহকুমা পরিষদ নির্বাচনের পর থেকেই পাপিয়া ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী জোটবদ্ধ হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। পাপিয়া অনুগামীদের বক্তব্য, চেয়ারম্যান অলোক চক্রবর্তীর নেতৃত্বে এই বিদ্রোহ মঞ্চ তৈরি হয়। শিলিগুড়ি পুরসভার ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ও মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অমরনাথ দাস, ফাঁসিদেওয়া ব্লক সভাপতি আখতার আলি সহ আরও কিছু নেতার সঙ্গে পাপিয়া ঘোষের সংঘাত (Siliguri TMC) শুরু হয়। এর পিছনে অলোক চক্রবর্তীর মদত রয়েছে বলে মনে করছেন পাপিয়া অনুগামীরা।
    দল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ করার বদলে রাজ্যের কিছু নেতার ভূমিকায় হতাশ হয়ে পাপিয়া ঘোষ গত মাসে নিজেকে দলের সব রকম কর্মসূচি থেকে গুটিয়ে নিয়ে স্বেচ্ছায় গৃহবন্দি হয়েছিলেন। ফোনও ধরেননি। সম্প্রতি শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোডের একটি হোটেলে জেলা কমিটির বৈঠকে পাপিয়া ঘোষ তাঁর বিরোধীদের বার্তা দিয়ে বলেন, কাউকে আমার প্রমাণ দেওয়ার কিছু নেই। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আগে আয়নায় আমি আমার মুখটা দেখি। রাতে বাড়ি ফিরেও দেখি। তাতে দেখেছি, আমি ঠিক আছি। আমি নিজের কাছে পরিষ্কার রয়েছি।সততার সঙ্গে দলকে এগিয়ে নিয়ে চলেছি। মাঝে কিছুদিনের জন্য কেন নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম, তার কারণ পরে বলব। দলের (Siliguri TMC) মিডিয়া হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে পাপিয়া ঘোষ নিজেই তাঁর এই বক্তব্যের ভিডিও পোস্ট করেছেন। ওই ভিডিওতে পাপিয়াদেবীকে বলতে শোনা গিয়েছে, আমার বিরুদ্ধে চারিত্রিক ও অর্থনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়ে কেউ কেউ আমাকে এই পদ থেকে সরাতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি সততার সঙ্গে তৃণমূল করি। আমি এ ধরনের কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই।

    কে পাপিয়া, কেন সভানেত্রী

    ২০১১ সাল থেকে রাজ্যের সর্বত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝড়ে তৃণমূলের জয় জয়কার। তখন শিলিগুড়িতে (Siliguri TMC) একের পর এক নির্বাচনে পর্যুদস্ত হয়েছে তৃণমূল। দু’বার জেলা সভাপতি পরিবর্তন করেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি। দু’বছর আগে আলোচনার বাইরে থাকা পঞ্চায়েত এলাকা থেকে পাপিয়া ঘোষকে দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের সভানেত্রী করে দলের রাজ্য নেতৃত্ব। চেয়ারম্যান করা হয় কংগ্রেসের আইএনটিইউসির প্রাক্তন জেলা সভাপতি অলোক চক্রবর্তীকে। প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী ও কোচবিহারের প্রাক্তন জেলা তৃণমূল সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষের মেয়ে পাপিয়াদেবী দায়িত্ব নিয়েই শিলিগুড়ি পুরসভা ও মহকুমা পরিষদ নির্বাচনে তৃণমূলের বিপুল জয় এনে দেন। এই সাফল্যে তিনি রাজ্য নেতৃত্বের সুনজরে পড়ে যান।

    কেন কোন্দল, সংঘাত

    দল সূত্রে খবর, বিরোধী গোষ্ঠী পাপিয়ার এই সাফল্য মেনে নিতে পারেনি। তখন থেকেই শুরু হয় পাপিয়া দেবীর বিরুদ্ধে নানা ধরনের চক্রান্ত। কেননা তিনি শিলিগুড়িতে তৃণমূলের (Siliguri TMC) গোষ্ঠী কোন্দল সরিয়ে নেতা-কর্মীদের এককাট্টা করে তোলেন। বসে যাওয়া পুরনো নেতা-কর্মীদের সম্মান দিয়ে দলের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনেন। যা দলের একটা অংশ মেনে নিতে পারেননি, তাদের একচেটিয়া দাপট খর্ব হওয়ার আশঙ্কায়। শিলিগুড়ির এক প্রবীণ তৃণমূল নেতা বলেন, তারপর থেকেই পাপিয়া ঘোষকে সরাতে পরিকল্পিত ভাবে ষড়যন্ত্র করছে দলের কিছু নেতা। তাদের মধ্যে সভাপতি পদের প্রত্যাশী রয়েছেন একাধিক নেতা। ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্যই সভাপতি হওয়ার এই নোংরা লড়াই। বিরোধীদের বক্তব্য, রাজ্য নেতৃত্ব সব জানে। তদন্ত হলে কে ঠিক প্রমাণ হয়ে যাবে।

    কী বলছেন অলোক চক্রবর্তী

    অলোক চক্রবর্তী  বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমার জানা নেই। পাপিয়া ঘোষ সম্প্রতি দলের (Siliguri TMC) জেলা কমিটির বৈঠকে যে অভিযোগ করেছেন, এ ব্যাপারে তিনি আমাদের জানাননি। জানালে আমরা নিশ্চয়ই ব্যবস্থা নিতাম। আমার বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ উঠলেও আমি বলব, পাপিয়া ঘোষ ভালো কাজ করছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NJP: শুরু হল এনজেপি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান, কবে থেকে চলবে এই ট্রেন?

    NJP: শুরু হল এনজেপি-গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান, কবে থেকে চলবে এই ট্রেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গবাসীর কাছে খুশির খবর। তবে, শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, রাজ্যবাসীও এই খবর শুনে আনন্দিত হবে। কারণ, এনজেপি (NJP) – হাওড়ার পর এবার এনজেপি -গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হতে চলেছে।  আগামী ২৫মে  বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তারই প্রস্তুতি হিসেবে রবিবার সকালে এনজেপি (NJP) – গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান হল। উল্লেখ্য রাজ্যের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এনজেপি -হাওড়ার চালু হওয়ার পর  দক্ষিণবঙ্গের তথা দেশের অন্যান্য প্রান্তে পর্যটকদের ঢল নেমেছে উত্তরবঙ্গে। এনজেপি- গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হলে পর্যটকদের ভিড় আরও বাড়বে।

    ট্রায়াল রানে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস গুয়াহাটি যেতে কতক্ষণ সময় নিল?

    ঘোষণা আগেই ছিল। এনজেপি (NJP) -হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালুর পরপরই এনজেপি- গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপারেস চালুর কথা জানিয়েছিল রেল দফতর। সম্প্রতি হাওড়া – পুরি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর এনজেপি- গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস শীঘ্রই চালু হওয়ার সম্ভাবনা জোরাল হয়ে ওঠে। এই ট্রেনটি চালু হতে যে আর বেশি দেরি নেই তা এদিন ট্রায়াল রানের মধ্য দিয়ে তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। এটি উত্তর- পূর্ব ভারতের প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস হবে। এদিন সকাল ৬.১০ মিনিট নাগাদ এনজেপি থেকে গুয়াহাটির উদ্দেশ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান শুরু হয়। গুয়াহাটিতে এদিনই  সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ ট্রেনটি পৌঁছায়। সবমিলিয়ে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা সময় লাগে। এনজেপি- হাওড়া, হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পরপরই এনজেপি গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার মধ্য দিয়ে রেল দফতর সর্বত্র পর্যটনের বিকাশের ক্ষেত্রে  নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করে চলেছে বলে মনে করছেন ট্যুর অপারেটররা।

    কী বললেন এডিআরএম?

    এদিন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের এডিআরএম সঞ্জয় চিলওয়ারওয়ার বলেন, আমরা দেখে নেব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রেনটি গন্তব্যে পৌঁছচ্ছে  কি না। কোথাও গতি কম বা বেশি করতে হলে সে বিষয়টি ট্রায়ালের মধ্য দিয়েই ধরা পড়বে। এখনও পর্যন্ত আমাদের কাছে রেল দফতর থেকে যে নির্দেশিকা এসেছে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য তাতে আগামী ২৫ মে  এনজেপি (NJP)  – গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার কথা রয়েছে। আমরাও সবকিছু প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। কাজেই ২৫ মে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হতে আর সমস্যার কিছু নেই। এদিন ট্রায়াল রান দিয়েই আমরা চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে নেওয়া হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL: দোকানের আড়ালে চলছে আইপিএলের বেটিং চক্র! কারা জড়িত জানেন?

    IPL: দোকানের আড়ালে চলছে আইপিএলের বেটিং চক্র! কারা জড়িত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে ফের আইপিএল (IPL) বেটিং চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার দুই যুবক। মুদিখানার, সোনার দোকানের পর এবার ধরা পড়লো  মাংসের দোকানের মালিক। এই দোকানের আড়ালে  অনলাইনে আইপিএল বেটিং চলত বলে অভিযোগ। পরপর এভাবে দোকানের আড়ালে বেটিং চালানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    জাল ছড়িয়েছে গোটা শহরে

    গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে ১৮ মে রাতে পুলিশ শিলিগুড়ি শহরের  বাগড়াকোট এলাকায় একটি মাংসের দোকানে অভিযান চালায়। সেখানে হাতেনাতে ধরা পড়ে দুই যুবক। পুলিশ জানিয়েছে,  ধৃতদের নাম মহম্মদ সরফরাজ ও মহম্মদ নাফিস আলম। দু’জনেরই বাড়ি বাগরাকোটে।  ধৃতদের  দুটি মোবাইল ফোন এবং নগদ কয়েক হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গত ১২ মে রাতে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় সিটি সেন্টারে শপিংমলে একটি সোনার দোকানে হানা দিয়ে আইপিএল (IPL) বেটিং চালানোর অভিযোগে হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই ব্যক্তির কাছ থেকে নগদ ৯৮ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছিল। তারও দুদিন আগে শিলিগুড়ি পুরসভার ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের হায়দারপাড়া এলাকা থেকে এক ব্যক্তিকে আইপিএল বেটিং চালানোর অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সেই ব্যক্তি নিজের মুদিখানার দোকানের আড়ালে আইপিএল (IPL) বেটিং চক্র চালাচ্ছিল। তার কাছ থেকে নগদ ৬ হাজার ৯০০ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন পেয়েছিল পুলিশ।

    বেটিং চক্র নিয়ে কী বললেন পুলিশ আধিকারিক?

    আইপিএল (IPL) শুরু থেকেই  শিলিগুড়িতে বেটিং চক্রের সন্ধান মিলেছে। বিগত বছরগুলিতেও শিলিগুড়িতে রমরমিয়ে আইপিএল বেটিং চলেছে। পুলিশের জালে  অনেকে ধরাও পড়েছে। পুলিশের নজরকে ফাঁকি দিতে এবার  বেটিং চক্র নতুন পন্থা নিয়েছে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের এক পদস্থ অফিসার  বলেন, শিলিগুড়ি শহরে  মুদিখানা দোকান, মাংসের দোকান, সোনার দোকানের পাশাপাশি ছোট ছোট রেস্তোরাঁ, ক্যাফেতেও গোপনে বেটিং চক্র চলছে বলে আমাদের কাছে খবর রয়েছে। আমরা সে মতো ধারাবাহিক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত যারা ধরা পড়েছে তারা  এই বেটিং চক্রের এজেন্ট। এদের পিছনে আরও অনেক বড় মাথা রয়েছে। শুধু  শিলিগুড়ি বা উত্তরবঙ্গ নয়, এর বাইরেও এই বেটিং চক্রের জাল বিস্তৃত। ধৃত ব্যক্তিরা  মোবাইল অ্যাপের সাহায্যে বিভিন্ন আইডি তৈরি করে আইপিএল বেটিং চালাচ্ছিল। প্রাথমিক তদন্তে এই দিকটি উঠে এসেছে। শিলিগুড়িতে এরকম আরও অনেক এজেন্ট থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। তা জানতে ধৃতদের লাগাতার জেরা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Rail: গাইসালে ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের বগির ব্রেকে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি

    Indian Rail: গাইসালে ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের বগির ব্রেকে আগুন, আতঙ্কে হুড়োহুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার দুপুরে আপ ক্যাপিটাল এক্সপ্রেসের (Indian Rail) একটি বগির ব্রেকে আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ট্রেন যাত্রীরা ধোঁয়া দেখতে পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয় ট্রেন। প্রাণ বাঁচাতে যাত্রীরা হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। রেলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কুড়ি মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পর ট্রেনটি গন্তব্যস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। এর পরই ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

    রেলকর্মী জ্যোতিষ পাসমান জানিয়েছেন, পাটনা-দানাপুর থেকে শিলিগুড়িগামী আপ ক্যাপিটাল এক্সপ্রেস (Indian Rail) গাইসালের কাছে পৌঁছলে আগুন দেখতে পাওয়া যায়। জানা গেছে, ব্রেক সু থেকেই আগুন লাগে। রেলকর্মীরা দ্রুতই আগুন নিভিয়ে ফেলেন। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই। বর্তমানে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক বলে জানিয়েছেন তিনি। এই ধরনের ঘটনার পিছনে গাফিলতি আছে বলে তিনি মনে করেন না। তাঁর মতে, ব্রেক গরম হয়ে এরকম হতেই পারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই ঘটনার পর যাত্রীরা স্বাভাবিক কারণেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তবে আগুনের ব্যাপকতা তেমন ছিল না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে! জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শিলিগুড়িতে তৃণমূলের (TMC) দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল (TMC) নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন। জেলা সভানেত্রীও দলীয় ওই নেতার বিরুদ্ধে দলের কী অবস্থান, তা জানিয়ে দিলেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।  

    ঠিক কী হয়েছিল?

    গত মঙ্গলবার তৃণমূলের ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য দিলীপ বর্মন। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা (সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ ও অন্যান্য নেতৃত্ব। দিলীপ বর্মনকে দেখেই তিনি অন্য নেতাদের মাধ্যমে তাঁকে সেই অনুষ্ঠান ছেড়ে চলে যেতে বলেন। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বারবার দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে বিতর্কিত অভিযোগ জমা পড়ায় জেলা নেতৃত্ব সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয়, দিলীপ বর্মন দলীয় কোনও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। সেই নির্দেশ অমান্য করে ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় জেলা নেতৃত্ব মঙ্গলবার তাকে সেখান থেকে বের করে দেয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন শিলিগুড়ির পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্য?

    এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দলের জেলা সভানেত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন দিলীপ বর্মন। তিনি যে জেলা সভানেত্রী তথা জেলা কমিটিকে মানেন না, সেকথাও বুধবার সাংবাদিকদের  জানিয়েছেন। এদিন তিনি বলেন, শিলিগুড়ি পুরভোটে আমাকে এখান থেকে কেউ টিকিট দেয়নি। কলকাতা থেকে আমার টিকিট এসেছে। আর ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছেন। কাজেই তৃণমূলের (TMC) এখানকার নেতানেত্রীরা আমাকে জেতাননি।  তাই, এখানে কে কী বলছেন, আমি সে নিয়ে ভাবতে রাজি নই। পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের আমন্ত্রণেই আমি গিয়েছিলাম। আমি গোটা ঘটনা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লিখিতভাবে জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC)  জেলা সভানেত্রী?

    এদিকে দিলীপ বর্মনের এই চ্যালেঞ্জের জবাব দিলেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বারবার দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে নানা ধরনের বিতর্কিত অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছিল।  জেলা কমিটিতে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, দিলীপ বর্মন দলীয় কোনও কর্মসূচিতে যোগ দিতে পারবেন না। সেইমতো মঙ্গলবার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি থেকে তাঁকে চলে যেতে বলা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন না। এটা আমাদের দলগত সিদ্ধান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বঞ্চনা করেছে তৃণমূল সরকার! কেন বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    BJP: উত্তরবঙ্গ উন্নয়নে বঞ্চনা করেছে তৃণমূল সরকার! কেন বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ উত্তরবঙ্গের ব্যাপক উন্নয়ন করার স্বপ্ন দেখিয়ে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে গঠন করে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর। আর সেই সঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন পর্ষদকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়। নতুন দপ্তর গঠন করে এই দপ্তর উত্তরবঙ্গের শহর থেকে গ্রাম, প্রত্যন্ত অঞ্চলের জন্য কাজ করবে। ফলে, উত্তরবঙ্গের মানুষের আর কোনও অভাব, অভিযোগ থাকবে না। আর উন্নয়নের সেই স্বপ্নফেরি করে মা মাটি মানুষের সরকার গত এক যুগ ধরে ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। কিন্তু,বাস্তবে মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণা মতো কাজ হয়নি। এমনকী  সেভাবে উন্নয়ন যে হয়নি তা এই ১২ বছরে উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন হারে হারে বুঝতে পারছেন। আর উত্তরবঙ্গের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের সীমাহীন এই বঞ্চনার অভিযোগে আন্দোলনে নামতে চলেছে বিজেপি। বিজেপি (BJP)  বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ শিলিগুড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই উত্তরবঙ্গের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের আন্তরিকতার উদ্যোগের কথা বলুন না কেন বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও মিল নেই। রাজ্যের তৃণমূল সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষ প্রতি সীমাহীন বঞ্চনা করে চলেছে আর সেটা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাজেটেই প্রতিফলিত হচ্ছে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে মুখ্যমন্ত্রীর ঘনঘন উত্তরবঙ্গ সফর নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

    উত্তরবঙ্গকে বঞ্চনা নিয়ে কী বললেন বিজেপি বিধায়ক? BJP  

     গত কয়েক বছরের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ বাজেটের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন শিলিগুড়ির বিজেপি (BJP)   বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, ২০১৯- ২০ সালে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর ৬০৭ কোটি টাকা বাজেটে বরাদ্দ করেছিল। তাতে খরচ হয়েছে ৪৪৬ কোটি টাকা । তারপরের আর্থিক বছরে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বরাদ্দ ছিল ৭১০ কোটি টাকা। আর কাজ হয়েছে মাত্র ২৪৬ কোটি টাকা।  ২০২১-২২ আর্থিক বর্ষে বরাদ্দ হয়েছিল ৭৫৯ কোটি টাকা। সেই আর্থিক বছরে কাজ হয়েছে ১৭০ কোটি টাকা।  ২০২২-২৩ আর্থিক বর্ষে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাজেট বরাদ্দ ছিল ৭৮২ কোটি টাকা। আর কাজ হয়েছে ৩০৮ কোটি টাকার। বাজেটে যা বরাদ্দ  হচ্ছে তার ২২ থেকে ৪০ শতাংশ মাত্র কাজ হচ্ছে। 

    উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে কী করছে কেন্দ্রীয় সরকার? BJP

    উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকার উন্নয়নের বাজেটে যে পরিমাণ  অর্থ বরাদ্দ করে, তার থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ এই উত্তরবঙ্গের জন্য কেন্দ্রের বিজেপি (BJP)   সরকার বরাদ্দ করে বলে শঙ্করবাবু দাবি করেন। তিনি বলেন, বালাসন থেকে শালুগাড়া পর্যন্ত রাস্তাটি তৈরি হতে চলেছে কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতায়। তার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৩০০ কোটি টাকা।  তাহলে এরপরেও কি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন নিয়ে কৃতিত্ব দাবি করবেন। উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর আন্তরিকতার কথা বলবেন? উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে বিজেপি (BJP)    লাগাতার আন্দোলনে নামবে। উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রতি রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বঞ্চনার পুরোটাই আমরা মানুষের সামনে তুলে ধরব।

    বঞ্চনা নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

     বিজেপি বিধায়কের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছে তৃণমূল। তুণমূলের দার্জিলিং জেলার ( সমতল) মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলে, উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তর পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ করে চলেছে। তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হয়েছে। আর উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের বাইরে অন্যান্য দপ্তর যেমন, পূর্ত, সেচ, স্বাস্থ্য সহ বিভিন্ন দপ্তর থেকে যে ব্যাপক কাজ হচ্ছে সেই হিসেব কেন তুলে ধরছেন না বিজেপি (BJP)  বিধায়ক?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    Narendra Modi: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শিলিগুড়ি থেকে উত্তরবঙ্গের জন্য চার হাজার পাঁচশো কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ লাগোয়া কাওয়াখালি ময়দানে প্রধানমন্ত্রী শিলিগুড়ি -রাধিকাপুর নতুন ডেমু ট্রেন চালু করার পাশাপাশি একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। সরকারি উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ছিল জনসভা। বিপুল জনসমাবেশের মাঝে একগুচ্ছ প্রকল্প উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে তিনি ফের উত্তরবঙ্গবাসীর মন জয় করে নিলেন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর কনভয় কাউখালির মাঠে পৌঁছতেই উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ তাঁকে স্বাগত জানান।

    কী কী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী? (Narendra Modi)

    নিউ জলপাইগুড়িতে রেলের ইলেক্ট্রনিক ইন্টারলকিং সহ আমবাড়ি ফালা- আলুয়াবাড়ে শাখায় স্বয়ংক্রিয় ব্লক সিগন্যাল ব্যবস্থা, বারসোই- রাধিকাপুর শাখার বৈদ্যুতিকরণ, রানিনগর, জলপাইগুড়ি – হলদিবাড়ি শাখার বৈদ্যুতিকরণ, শিলিগুড়ি – আলুয়াবাড়ি শাখা বৈদ্যুতিকরণ,শিলিগুড়ি- সেবক- আলিপুরদুয়ার, শামুকতলা শাখার বৈদ্যুতিকরণ ও মণিগ্রাম -নিমতিতা ডবল লাইন প্রকল্প উৎসর্গ করেন জাতির উদ্দেশ্যে। এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন ২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর ঘোষপুকুর থেকে ধূপগুড়ি পর্যন্ত  চার লেন রাস্তা এবং ওই জাতীয় সড়কের ওপর ইসলামপুরে বাইপাসের।

     উজ্জীবিত উত্তরবঙ্গবাসী

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে এদিন প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) শুধু উত্তরবঙ্গের জন্য একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন বিজেপিকে বাড়তি শক্তি দেবে বলেই বিজেপি নেতৃত্বের দাবি। কেননা রাজ্যে তৃণমূল সরকার আসার পর থেকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন ও অবহেলা নিয়ে বিজেপি সরব হয়েছে। বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, রাজ্য সরকার বঞ্চনা করলেও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে রাজ্যকে টাকা দিয়ে চলেছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে সুযোগ-সুবিধা থেকে উত্তরবঙ্গের মানুষকে বঞ্চিত করে  তৃণমূল সরকার কাটমানিতে সেই টাকা আত্মসাত করেছে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে রেল সহ কেন্দ্রের হাতে থাকা বিভিন্ন দফতরের মাধ্যমে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার উত্তরবঙ্গের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে চলেছে। এদিনের একগুচ্ছ প্রকল্প উদ্বোধন তারই অঙ্গ। শিলিগুড়ির এক বাসিন্দা মোনজ বর্মন বলেন, উত্তরবঙ্গবাসীর জন্য মোদি এত প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন তা ভাবা যায় না। আমরা উত্তরবঙ্গবাসী হিসেবে খুবই খুশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share