Tag: Singer KK demise

Singer KK demise

  • KK Death: কেকে-র মৃত্যুর পর সতর্কতা! ৯ দফা নির্দেশিকা পুলিশের, কী আছে তাতে?

    KK Death: কেকে-র মৃত্যুর পর সতর্কতা! ৯ দফা নির্দেশিকা পুলিশের, কী আছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেকে-র মৃত্যুর (KK Death) ঘটনায় কাঠগড়ায় আয়োজক-উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে হল ও অডিটোরিয়াম কর্তৃপক্ষ।  এমনকি, বাদ যায়নি পুলিশও। সকলের বিরুদ্ধেই উঠেছে চরম উদাসীনতা, অপেশাদারিত্ব, অপরিণামদর্শিতার অভিযোগ। সমাজ থেকে শুরু করে সমাজ-মাধ্যম— সর্বত্র কেকে-র (KK) মৃত্যু নিয়ে চলছে দোষারোপের পালা। চলছে আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণ।

    পুলিশের বিরুদ্ধেও উঠেছে অভিযোগের আঙুল। যে হল-এ সদ্যপ্রয়াত সঙ্গীতশিল্পীর অনুষ্ঠান ছিল, সেই নজরুল মঞ্চের (Nazrul Manch) ব্যবস্থাপনায় একের পর এক খামতির খতিয়ান প্রকাশ্যে আসতে শুরু হওয়ায় প্রশ্নের মুখে আরক্ষা বাহিনীর পারদর্শিতা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কী করে, পুলিশের তরফে এত বড় খামতি থেকে গেল? কী করেই বা ২৪০০ আসন বিশিষ্ট হলে ৭০০০ মানুষ ঢুকে পড়ল? 

     

    প্রশ্ন উঠছে, কেন অনুষ্ঠানে এক ঘণ্টার জন্য এসি বন্ধ ছিল? কেন কেকে বারবার অনুরোধ করা সত্বেও মঞ্চে গরম স্পটলাইট নেভানো হয়নি? কেন ফায়ার এক্সটিংগুইশার স্প্রে করা হচ্ছিল? একের পর এক গাফিলতি ও অবহেলার অভিযোগ ওঠায় গোটা ঘটনায় পুলিশ বাহিনীকে যে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    এখন কেকে-র মৃত্যুর পর ঘুম ভাঙল পুলিশের। সারা দেশ তোলপাড় হওয়ার পর শেষে নড়েচড়ে বসল পুলিশ। কলকাতায় কনসার্ট করা নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল লালবাজার! অবশেষে জারি করা হয়েছে ৯ দফা নির্দেশিকা। আয়োজকদের একটি আন্ডারটেকিং নিতে হবে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনুষ্ঠান সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য আগে জানাতে হবে স্থানীয় থানাকে। আসন সংখ্যার বেশি পাস ইস্যু করা যাবে না। আয়োজকদের লিখিতভাবে জানাতে হবে যে, দর্শক সংখ্যা হলের ক্যাপাসিটির ঊর্ধ্বে হবে না।

     

    এছাড়া, ৯ দফার নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে— পাস ছাড়া হলে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে না। একটি পাসে একজনই প্রবেশ করতে পারবেন। অনুষ্ঠানের সময় প্রবেশ ও প্রস্থানের প্রত্যেকটি পয়েন্টে যথেষ্ট পরিমাণ নিরাপত্তারক্ষী/স্বেচ্ছাসেবক রাখতে হবে। এছাড়া, অনুষ্ঠানের ভেন্যুতে অ্যাম্বুল্যান্স, চিকিৎসকের ব্যবস্থা রাখতে হবে। পাশাপাশি, কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে নিকটবর্তী কোনও হাসপাতালে আইসিইউ সমেত আগাম ব্যবস্থা রাখতে হবে। 

  • Singer KK Death: মাথায়-ঠোঁটে চোটের চিহ্ন! কে কে-র মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

    Singer KK Death: মাথায়-ঠোঁটে চোটের চিহ্ন! কে কে-র মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বলিউডের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath) ওরফে কে কে-র (K K) মৃত্যুতে অভিযোগ দায়ের হয়েছে নিউমার্কেট থানায় (New Market Police Station)। বুধবার সকালে কে কে-র সঙ্গীরা গায়কের অস্বাভাবিক মৃত্যুর (Unusual Death) মামলা (FIR) দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে নিউ মার্কেট থানার পুলিশ।  অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই নিউ মার্কেট এলাকায় যে হোটেলে কেকে ছিলেন, সেখানকার ম্যানেজার এবং হোটেলের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যেয় এক কলেজের অনুষ্ঠানে নজরুল মঞ্চেই (Nazrul Manch) অসুস্থ বোধ করেন গায়ক। মঞ্চে দাঁড়িয়েই ভীষণ ঘামতে থাকেন। গরম লাগছে বলে বার বার এসি চালাতেও বলেন উদ্যোক্তাদের। বন্ধ করতে বলেন আলো। অনুষ্ঠান শেষে হোটেলে ফিরে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। হোটেলে পড়ে গিয়ে মাথাতেও চোট পান। এফআইআরে তার উল্লেখও রয়েছে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন কে কে। অটোপ্সি রিপোর্ট সামনে এলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে। এসএসকেএম হাসপাতালে অটোপ্সি হবে গায়কের পার্থিব শরীরের। 

    আরও পড়ুন: “সব বয়সের মানুষের মন ছুঁয়েছে তাঁর গান”, কেকে-র মৃত্যুতে শোকবার্তা মোদির

    গতকালের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা কে কে-র কিছু ভক্ত অনুষ্ঠান উদ্যোক্তাদের গাফিলতিকেই গায়কের মৃত্যুর জন্যে দায়ী করছেন। তাঁদের প্রশ্ন, অডিটোরিয়ামের আসন সংখ্যার প্রায় চারগুণ দর্শক কী করে ঢুকে পড়ল? কী করছিল কর্তৃপক্ষ? তাঁদের আরও দাবি, বদ্ধ অডিটোরিয়ামে বেশিরভাগ এসি-ই কাজ করছিল না। তাই ভীষণ গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁদের প্রিয় গায়ক। 

    জানা গিয়েছে, ২৪০০ আসন সংখ্যার নজরুল মঞ্চে এদিন ঢুকে পড়ে আট হাজার মানুষ। ভিড় সামলাতে অপারগ হয় অনুষ্ঠান উদ্যোক্তারা। এত মানুষের ভিড়ে গরম লাগতে শুরু করে গায়কের। বার বার ঘাম মুছতে দেখা যায় তাঁকে। গানের মাঝে মাঝে অনেকক্ষণ বিরতিও নেন। অসুস্থতার ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল গায়কের মুখে। 

    আরও পড়ুন: তবুও শ্রোতারা তাঁকে দিল না ছুটি…গানই শেষ সঙ্গী, দর্শকই বন্ধু, সুরলোকে কে কে

    অডিটোরিয়ামে অব্যবস্থার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন নজরুল মঞ্চে কর্মরত এক কর্মী। তাঁর কথায়, তিনি ১২ বছরে এ দৃশ্য দেখেননি। আসন সংখ্যার চেয়ে বহুগুণ বেশি মানুষ ঢুকে যায়। এসি ঠিক ছিল। কিন্তু এত মানুষের ভিড়ে কাজ করছিল না সে যন্ত্র। দরজা খোলা থাকায় এসির হাওয়াও বেরিয়ে যাচ্ছিল। 

    কেকে-র সহকারীদের বক্তব্য, হোটেলের ঘরে পৌঁছেই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন গায়ক। বমিও করেন। এরপরেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতাল সূত্রের খবর, গায়ককে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তখন তাঁর মাথায় ও ঠোঁটে চোট ছিল। 

     

  • KK Demise: শিল্পী বেঁচে থাকে তাঁর সৃষ্টিতে! কে কে-এর কালজয়ী ১০টি গান

    KK Demise: শিল্পী বেঁচে থাকে তাঁর সৃষ্টিতে! কে কে-এর কালজয়ী ১০টি গান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গাইল সে শেষ গান, পরে শেষ মালা..”।  শিল্পীর ছুটি নেই। সে বেঁচে থাকে তাঁর সৃষ্টির মধ্য দিয়ে। গান গাইতে গাইতেই সুরলোকে পারি দিলেন বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক সিঙ্গার কে কে (K K Demise)। মাত্র ৫৪ বছর বয়সে থেমে গেল কণ্ঠ। না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন কৃষ্ণকুমার কুনাথ ওরফে কেকে।

    কিন্তু শিল্পীর কি আর মৃত্যু হয়? তাঁদের সৃষ্টি থেকে যায় ভক্ত ও শ্রোতাদের মনে। বার বার কলকাতাকে প্রিয় শহর বলেছেন কে কে। তাই এখানে আসার আগে উৎসাহী কে কে ফেসবুক পোস্টে বলেন, ”কলকাতা, গেট রেডি। আমি আসছি। ৩০ এবং ৩১ মে শহরে শো রয়েছে। ৩০ তারিখ বিবেকানন্দ কলেজের আয়োজিত ফেস্টে নজরুল মঞ্চে এবং গুরুদাস মহাবিদ্যালয়ের জন্য শো ৩১ মে।” তিনি এলেন, গাইলেন, রেখে গেলেন ‘পেয়ার কে পল…’।
     
    দেখে নিন কেকে এর কালজয়ী ১০টি গান:

    ১) পল্ (Pal)
    KK এর বিখ্যাত মিউজিক অ্যালবাম ‘পল্’ ৯০ এর দশকের বিখ্যাত গানগুলোর একটি। মানুষ এখনও তার অ্যালবাম ‘পল’পছন্দ করে।  লাইভ কনসার্টে এটিই তার শেষ গাওয়া গান।

    ২) তু হি মেরি সব হে ( Tu HI Meri Shab Hai)
    কঙ্গনা রানাউত, ইমরান হাশমি এবং শাইনি আহুজা অভিনীত ফিল্ম গ্যাংস্টার-এর বিখ্যাত গান ‘তু হি মেরি সব হ্যায়’ কে কে তার সুরেলা কণ্ঠে গেয়েছিলেন।

    ৩) আওয়ারাপন বাঞ্জারাপন ( Awarapan Banjarapan)
    জিসম ছবির ‘আওয়ারাপন বাঞ্জারাপন’ গানটিও কেকে-এর সেরা গানগুলির মধ্যে একটি।  গায়কের গানটি শ্রোতাদের খুব পছন্দ।

    ৪) ম্যায়নে দিল সে কাহা (Maine Dil Se Kaha)
    রোগ ছবির ‘ম্যায়নে দিল সে কাহা’ গানটিও কে কে তার নিজের সুর দিয়ে সাজিয়েছিলেন।  

    ৫) খুদা জানে (Khuda Jaane)
    কে কে রণবীর কাপুর, দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ছবি ‘বাচনা এ হাসিনো’-এর বিখ্যাত গান ‘খুদা জানে’ গেয়েছেন।  এই গানটি শীর্ষ রোমান্টিক গানের মধ্যে একটি।

    আরও পড়ুুুুন: তবুও শ্রোতারা তাঁকে দিল না ছুটি…গানই শেষ সঙ্গী, দর্শকই বন্ধু, সুরলোকে কে কে

    ৬) তদাপ তদাপ (Tadap Tadap)
    প্লেব্যাকে তাঁর প্রথম বড় ব্রেক বলিউডে সঞ্জয় লীলা বনশালীর সুপারহিট ছবি ‘হম দিল দে চুকে সনম’। সালমান খান, ঐশ্বর্যা রাই এবং অজয় ​​দেবগণ অভিনীত এই সিনেমায় গাওয়া কে কে-এর ‘তড়প তড়প কে’ গানটি বহু ভগ্ন হৃদয়ের মলম হয়ে উঠেছিল।এর আগে মাচিস ছবি দিয়ে বলিউডে জার্নি শুরু কে কে-র। ‘ছোড় আয়ে হাম ও গলিয়া’ গানে হরিহরণের সঙ্গে গান গেয়েছিলেন কে কে। 

    ৭) জারা সি দিল মে দে ( Zaraa Si Dil Main)
    ইমরান হাশমির সুপারহিট ছবি ‘জন্নত’-এর বিখ্যাত গান ‘জারা সি দিল মে দে’ এখনও শ্রোতাদের প্রিয় গানগুলির মধ্যে একটি।  এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কেকেও।

    ৮) বিতে লামহে (Beete Lamhein)
    কে কে ইমরান হাশমির ফিল্ম ‘দ্য ট্রেন’-এর বিখ্যাত গান ‘বিতে লামহে’ ও গেয়েছেন।  এই গানটি বিরহের মধ্যে পথ দেখায়।

    ৯) সাচ কেহ রাহা হ্যায় দিওয়ানা ( Sach Keh Raha Hai)
    এর সুপারহিট হিন্দি ছবি ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’-র বাম্পার হিট গান ‘সচ কহ রহা হ্যায় দিওয়ানা’। আসমুদ্র হিমাচল এই গানে মেতে উঠেছিল… ভালোবাসা জাহিরেও যেন মুশকিল আসান ছিল কে কে-র এই গান।

    ১০) ইয়ারোঁ দোস্তি বাদি হাসিন হ্যায় (Yaro Dosti Badi Hassin Hai)
    কে কে এর কণ্ঠে গাওয়া ‘ইয়ারোঁ দোস্তি বাদি হাসিন হ্যায়’ গানটি নব্বই দশকের একটি বিখ্যাত গান।  আজও এই গানটি শুনলে সবার মনে পড়ে তাদের বন্ধু ও বন্ধুত্বের কথা।  কে কে-এর এই গানটি সত্যিই বন্ধুত্বকে সংজ্ঞায়িত করে।

    এছাড়া, তাঁর গাওয়া কালজয়ী গানগুলির তালিকায় রয়েছে—

     

    ক্যায়া মুঝে প্য়ায়ার হ্যায় (ছবি: ও লমহে্)

    আঁখো মে তেরে (ছবি: ওম শান্তি ওম)

    তু জো মিলা (ছবি: বজরঙ্গী ভাইজান)

    তু আশিকী হ্যায় (ছবি: ঝনকার বিট্স)

    আলবিদা (ছবি: লাইফ ইন আ মেট্রো)

  • Singer KK Demise: কলকাতায় লাইভ শো চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু শিল্পী কে কে-র

    Singer KK Demise: কলকাতায় লাইভ শো চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু শিল্পী কে কে-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতবর্ষের নতুন প্রজন্মের কাছে হার্টথ্রব গায়ক কেকের (singer KK) জীবনাবসান। মাত্র ৫৪ বছর বয়সেই আকস্মিকভাবে স্তব্ধ হল এই ‘সুরের জাদুকর’-এর জীবন। পুরো নাম কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath)। কিন্তু, আসমুদ্র হিমাচলে ছড়িয়ে থাকা অগুণতি ভক্তরা তাঁকে কেকে নামেই চিনতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতার নজরুল মঞ্চে (Nazrul Manch) উল্টোডাঙ্গা গুরুদাস কলেজ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Viral Bhayani (@viralbhayani)

    কলকাতায় তিনি এসে উঠেছিলেন শহরের একটি পাঁচতারা হোটেলে। শহরে পরপর ২ দিন তাঁর শো ছিল। সোমবারও একটি শোয়ে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মঙ্গলবার অনুষ্ঠান চলাকালীন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তড়িঘড়ি তিনি হোটেলে ফিরে আসলেও তিনি হোটেলের লবিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার ডায়মন্ড হারবার রোডের পাশে একটি বেসরকারি হাসপাতলে। কিন্তু নিয়ে যাওয়ার পরই চিকিৎসকরা তাকে ‘ব্রেন ডেথ’ বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিক অনুমান, সম্ভবত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর জীবনাবসান হয়েছে। যদিও, পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করেছে। 

    বাংলা গান বা হিন্দি গান নয় ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রাদেশিক ভাষায় সঙ্গীত পরিবেশন করে তিনি গত কয়েক বছরে গোটা দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে ছিলেন। বাংলা, হিন্দি, তামিল, কণ্ণড়, মালয়ালাম, মারাঠি, অসমীয়া ভাষায় গান গেয়েছেন। মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে মঞ্চে গেয়েছিলেন তাঁর বিখ্যাত “হম রহে ইয়া না রহে কল…” গানটি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও এখন ভাইরাল।

    [tw]


    [/tw]

    এই ঘটনায় বাংলার শ্রোতারা যেমন হতবাক ঠিক তেমনিভাবেই শোকোস্তব্ধ গোটা দেশের সঙ্গীত মহল। শোকস্তব্ধ বলিউড। কেকে-র আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে গোটা দেশ। শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)।

    [tw]


    [/tw]

  • KK Demise: “আলবিদা..!” গানই  শেষ সঙ্গী, দর্শকই বন্ধু, সুরলোকে কে কে

    KK Demise: “আলবিদা..!” গানই শেষ সঙ্গী, দর্শকই বন্ধু, সুরলোকে কে কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ‘অলবিদা…’। ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’ সিনেমায় তাঁর গাওয়া বিখ্যাত গান। সুরের শহর কলকাতাকে সেই কথাই হয়তো জানাতে এসেছিলেন কেকে (K K Demise)। 

    পুরো নাম কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath), তবে পরিচিত ছিলেন কেকে (K K) নামেই। দিল্লিতে ১৯৬৮ সালের ২৩ অগাস্ট তাঁর জন্ম। ছোটবেলায় ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কিরোরিমল কলেজে পড়াশোনা করেছেন কে কে। বাণিজ্যে স্নাতক। পরে একটি হোটেলে কাজ করতেন। তবে আট মাস পর হোটেলের সেই চাকরি ছেড়ে দেন ভবিষ্যতের তারকা।

    ‘মাচিস’ ছবির  বিখ্যাত গান ‘ছোড় আয়ে হাম ও গলিয়া…’ দিয়ে বলিউডে পা রাখেন কেকে। সেই গানে তাঁর সঙ্গে গলা মিলিয়েছিলেন  হরিহরণ। এরপর এক এক করে বলিউডে কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন।হিন্দি ছাড়াও বাংলা, তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালায়লাম, মারাঠি, ভাষায় প্লেব্যাক করেছেন। ২০০৫ সালে তামিল ভাষায় সেরা নেপথ্যশিল্পী নির্বাচিত হন।

    ২০১০ সালে কন্নড় ভাষায় দক্ষিণের ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পান। অসংখ্য কালজয়ী গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কেকে। প্রেম, বন্ধুত্ব বা বিরহ সব ধরনের গান সমানতালে চালিয়ে গেছেন তিনি। মঙ্গলবার কলকাতায় একটি লাইভ কনসার্টে এসেছিলেন জনপ্রিয় এই শিল্পী। তাঁর এই আসা যে শেষ যাত্রায় পরিণত হবে এ কথা কে জানত! মাত্র ৫৩ বছর বয়সে থেমে গেল কণ্ঠ। না ফেরার দেশে পাড়ি দিয়েছেন কেকে।

    জীবনের শেষ দিনেও গানই ছিল তাঁর সঙ্গী। অগণিত শ্রোতা ছিল তাঁর বন্ধু। একের পর এক গান করে চলেছেন প্রিয় গায়ক। পরনে টি শার্ট। কেকে-কে মঞ্চে দেখে উন্মাদনার শেষ নেই ভক্তদের মধ্যে। তাঁরাও গলা মেলাচ্ছিলেন প্রিয় গায়কের সঙ্গে। পর মুহূর্তে কী ভয়ানক সংবাদ অপেক্ষা করে রয়েছে, তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি কেউ। ৩১ তারিখ শ্রী গুরুদাস মহাবিদ্যালয়ের জন্য শো করতে নজরুল মঞ্চে (Nazrul Manch) ওঠেন তিনি। এদিন সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ তিনি মঞ্চে ওঠেন। এরপর একের পর এক গানে মঞ্চ মাতিয়ে রেখেছিলেন তিনি। শিল্পীকে চোখের সামনে দেখে উল্লাসে, আনন্দে ফেটে পড়ছিলেন ভক্তরা। 

    [tw]


    [/tw]

    কণ্ঠে সুরের ঝাঁপি আর হাতে মাইক্রোফোন নিয়ে দর্শকদের মনোরঞ্জন করছিলেন তিনি। হাততালিতে ফেটে পড়ছিল হল। গান শুরু হতেই উৎসাহ-উত্তেজনায় দর্শকদের গলা ফাটিয়ে চিৎকার। হবে না-ই বা কেন! মঞ্চে যিনি গান গাইতে উঠেছেন, তিনি তো আর সাধারণ কেউ না। বলিউডের তারকা নেপথ্যগায়ক কেকে। নজরুল মঞ্চে হাজির দর্শক-শ্রোতারা দেখলেন, ৫৩ বছর বয়সি এক জন গায়ক কতটা তরতাজা।

    গান গাইতে গাইতে মঞ্চের এ পাশ থেকে অন্য পাশে দাপিয়ে বেড়াতেও দেখা গেল কেকে-কে। কখনও দর্শকদের উদ্দেশে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়ে দিচ্ছেন, তো কখনও আবার গান গাইতে গাইতে নিজের মনেই লাফাচ্ছেন। তবে অনুষ্ঠানের শেষের দিকে বেশ ক্লান্ত লাগছিল। স্পটলাইট নিভিয়ে দিতে বলেন। যাঁর গানের সুরে ভারতের আপামর শ্রোতা মুগ্ধ, তাঁর আবার স্পটলাইটের দরকারই কী! স্পটলাইট নেভাতেই শতাধিক ফোনের ফ্ল্যাশলাইটের ঝলকানি গানের পরিবেশে অন্য এক মাত্রা যোগ করে দিল।

    গান গাইতে গাইতে গায়ককে দরদর দরদর করে ঘামছিলেন। মাঝে মাঝে সাদা তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছে নিচ্ছিলেন। তবে চোখে মুখে বিরক্তির লেশমাত্র ছিল না। অনুষ্ঠান শেষ হতেই চলে যান ধর্মতলার বিলাসবহুল হোটেলে। সেখানে পৌঁছে শারীরিক অবস্থার অবনতি। সঙ্গে সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তত ক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন, মৃত্যু হয়েছে কেকে-র (K K)।

    প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু। শারীরিক কষ্ট উপেক্ষা করেই কি অনুষ্ঠান করেছিলেন কেকে? উঠছে প্রশ্ন? তবে নিজে বুঝে থাকলেও, শারীরিক অসুবিধার কথা বুঝতে দেননি দর্শকদের। দক্ষ জাদুকরের মতো সুরের জাদু দেখিয়েছেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। 

    “হাম রহে ইয়া না রহে কাল… ইয়াদ আয়েগি ইয়ে পল” 

  • KK Autopsy Report: প্রকাশ্যে কেকে-র অটোপসি রিপোর্ট, কী আছে রিপোর্টে?

    KK Autopsy Report: প্রকাশ্যে কেকে-র অটোপসি রিপোর্ট, কী আছে রিপোর্টে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হৃদরোগে আক্রান্ত (Cardiac Arrest) হয়েই মৃত্যু গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Kishnakumar Kunnath) ওরফে কেকে-র (KK)। এমনটাই জানাল ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট (Autopsy Report)। মৃত্যুতে কোনও অস্বাভাবিকতা পাওয়া যায়নি ময়নাতদন্তে। পুলিশ জানিয়েছে, ৭২ ঘণ্টা পরে ময়নাতদন্তের পূর্ণ রিপোর্ট এলে সবটা জানা যাবে। 

    ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মৃত্যুতে কোনও সন্দেহজনক কিছু বা অস্বাভাবিকতা নজরে পড়েনি। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টই (cardiac arrest) মৃত্যু হয়েছে গায়কের। মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনই (myocardial infarction) মৃত্যুর মূল কারণ। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে কেকের হৃদযন্ত্রের সমস্যা ছিল।   

    আরও পড়ুন: নজরুল মঞ্চে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থাই কি প্রাণ নিল শিল্পীর?

    মঙ্গলবার একটি কলেজের অনুষ্ঠানে নজরুল মঞ্চে গান গাইতে যান গায়ক। সেখানেই শরীর খারাপ হওয়া শুরু হয়। অনুষ্ঠান শেষে হোটেলে ফিরে গেলে, ঘরে ঢুকতেই পড়ে যান কেকে। তারপর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

    হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়, কেকে-কে যখন নিয়ে আসা হয়েছিল, তখন তাঁর ঠোঁটে ও মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। শুরু হয় জল্পনা। এরপরই থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর সঙ্গীরা।পুলিশ হোটেলে গিয়ে তদন্তও চালায়। হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হয়।

    লবিতে রাখা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গলায় তোয়ালে জড়িয়ে হেঁটে চলেছেন কেকে। তাঁর হাঁটাচলায় তখনও কোনও জড়তা নেই। কোনও কষ্ট নেই। অন্তত দেখে সেরকমটা মনে হচ্ছে না। পাশে রয়েছেন ম্যানেজার। জানা গিয়েছে, হোটেলে ঢোকার মুখেও ভক্তদের আবদার মেনে সেলফি তুলেছেন। নিজেও বুঝতে পারেননি শরীর ততক্ষণে বিদ্রোহ করা শুরু করেছে। 

    আরও পড়ুন: বেহাল ব্যবস্থাপনাই প্রাণ কাড়ল কে কে-র! দাবি বিশেষজ্ঞ থেকে ভক্তদের

    গায়কের হঠাৎ চলে যাওয়ায় মৃত্যুতে অস্বাভাবিকতা রয়েছে বলে প্রশ্ন তুলেছিলেন ভক্তরাও। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে সেই বিতর্ক খানিকটা প্রশমিত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। 

     

  • KK Demise: বেহাল ব্যবস্থাপনাই প্রাণ কাড়ল কে কে-র! দাবি বিশেষজ্ঞ থেকে ভক্তদের

    KK Demise: বেহাল ব্যবস্থাপনাই প্রাণ কাড়ল কে কে-র! দাবি বিশেষজ্ঞ থেকে ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath) ওরফে কে কে (K K)। কলকাতার নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠান করতে এসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গায়কের মৃত্যুতে অনুষ্ঠান উদ্যোক্তাদের অব্যবস্থাপনার ছবি স্পষ্ট হয়ে উঠে আসছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আসন সংখ্যার থেকে অনেক বেশি মানুষ ঢুকে পড়ে অডিটোরিয়ামে। অভিযোগ, ২৪০০ জনের আসন থাকলেও, আদতে মঙ্গলবার উপস্থিত ছিলেন সাত থেকে ৮ হাজার দর্শক! উদ্যোক্তারা ভিড় সামলাতে অসফল হয়েছেন। বদ্ধ অডিটোরিয়ামে এসি কাজ করছিল না বলেও দাবি করেছেন অনেকে। ভক্তরা তাঁদের প্রিয় গায়কের মৃত্যুর জন্যে অনুষ্ঠান কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন।

    জানা গিয়েছে, মঞ্চেই নাকি কেকে বারবার জানাচ্ছিলেন তাঁর শরীর খারাপ লাগছে। স্পটলাইট অফ করতেও বলছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে হোটেলে ফিরে যান তিনি, সেখানে আরও অসুস্থ হওয়ার পর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। 

    আরও পড়ুন: কলকাতায় লাইভ শো চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু শিল্পী কে কে-র

    বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ কুনাল সরকার গায়কের মৃত্যুর জন্যে অব্যবস্থাপনাকেই দায়ী করেন। নিজের টুইটে তিনি লেখেন, “বিষয়টি দুঃখের এবং লজ্জার। বেসামাল ভিড়, এসি বেহাল, গরম, মুখের ওপর জোরালো আলো, ২ ঘণ্টার ওপর সময় নষ্ট করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল। আমাদের ক্ষমা কর।”  

    [tw]


    [/tw]

    গতকালের নজরুল মঞ্চের অনুষ্ঠানে যারা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা অনেকেই দাবি করেছেন, অনুষ্ঠান চলাকালীনই গায়ক যে অস্বস্তিতে রয়েছেন তা সকলে বুঝতে পারছিলেন। বার বার রুমাল দিয়ে ঘাম মুছছিলেন, মঞ্চের আলো নেভাতে বলছিলেন বার বার। বদ্ধ অডিটোরিয়ামে কেন এসি চলছে না তাও বার বার জিজ্ঞেস করছিলেন। নিজের অস্বস্থির কথাও বলেছেন। 

    ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা কে কের এক ভক্তের মতে, অনুষ্ঠান কর্তৃপক্ষের গাফিলতি এই মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ। ভিড় সামলাতেও ব্যর্থ হয়েছে তারা। এমনকি বদ্ধ অডিটোরিয়ামে এসি কাজ করছে না সেদিকেও নজর দেওয়া হয়নি। বার বার এসি চালাতে এবং স্পটলাইট বন্ধ করতে অনুরোধ করেন গায়ক। কিন্তু লাভ হয়নি।

    অব্যবস্থার অভিযোগে সরব হয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরিও। ট্যুইটারে উদ্যোক্তাদের গাফিলতিকেই দায়ী করেন তিনি। 

    [tw]


    [/tw]

     

  • K K Demise: সঙ্গীতশিল্পী কে কে-র প্রয়াণে শোকপ্রকাশ ক্রীড়াজগতের

    K K Demise: সঙ্গীতশিল্পী কে কে-র প্রয়াণে শোকপ্রকাশ ক্রীড়াজগতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতে একটি কনসার্টে পারফর্ম করার পরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৩ বছর বয়সে মারা যান সঙ্গীতশিল্পী কেকে (KK)। পারফরম্যান্সের পরে কেকে হোটেলে ফিরে  অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    গায়কের আসল নাম কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath)। কিন্তু, আসমুদ্র হিমাচল তাঁকে চিনত কেকে নামেই। হোটেলের কর্মকর্তারা জানান, তিনি সন্ধ্যায় প্রায় ঘণ্টা দেড়েক দক্ষিণ কলকাতার নজরুল মঞ্চে (Nazrul Mancha) একটি কলেজ আয়োজিত কনসার্টে গান করেছিলেন। এরপর তিনি হোটেলে পৌঁছানোর পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে নিকটবর্তী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসকরা বলেছেন যে ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট’ (Cardiac Arrest)-এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়েছে।

    তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর সহযোগীরা এবং ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকজ্ঞাপন করেন। প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বীরেন্দ্র শেওয়াগ (Virender Sehwag) এবং ভিভিএস লক্ষ্মণ (VVS Laxman) সহ ক্রীড়া সম্প্রদায়ের অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এমনকি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (Kolkata Knight Riders) থেকে শুরু করে রাজস্থান রয়্যালস (Rajasthan Royals) এবং ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে (Harsha Bhogle) সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    বিরাট কোহলি (Virat Kohli) লিখেছেন, “আমাদের সময়ের এক প্রতিভাবান সঙ্গীতশিল্পীকে আমরা হারিয়ে দিলাম। তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই”।

    [tw]


    [/tw]

    “কলকাতায় পারফর্ম করার সময় অসুস্থ হয়ে কেকে মারা যাওয়ার কথা শুনে আমি দুঃখিত। জীবন কতটা ক্ষণস্থায়ী তাই আবার মনে করিয়ে দিল। তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা জানাই। ওম শান্তি,”  ট্যুইটারে লিখেছেন শেওয়াগ।

    [tw]


    [/tw]

    ভিভিএস লক্ষ্মণ লিখেছেন, “প্রতিভাবান সঙ্গীতশিল্পীর অকালমৃত্যুতে আমি খুবই দুঃখিত। তিনি তাঁর গানের মাধ্যমে বেঁচে থাকবেন। তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা জানাই। ওম শান্তি।”

    [tw]


    [/tw]

    হর্ষ ভোগলে লিখেছেন, “আমি বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমরা কেকে-কে হারিয়ে ফেলেছি। ইস্তানবুলে তাঁর পারফরমেন্স ও তাঁর সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের স্মৃতিগলো খুবই ভালো ছিল।”

    [tw]


    [/tw]

    রাজস্থান রয়্যালসও ট্যুইট করে লিখেছে, “কেকে, আপনার আত্মার শান্তি কামনা করি”।

    [tw]


    [/tw]

    কলকাতা নাইট রাইডার্স ট্যুইট করে লিখেছে, “হাম রহে ইয়া না রহে ইয়াদ আয়েঙ্গে ইয়ে পল”। “কেকে, আপনার আত্মার শান্তি কামনা করি”।

    [tw]


    [/tw]

  • Bollywood on KK Death: কেকে-এর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড তারকারা

    Bollywood on KK Death: কেকে-এর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বলিউড তারকারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বিখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী কেকে (KK) ওরফে কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath)। কেকে-র অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সর্বত্র। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন বলিউড থেকে টলিউড তারকারা। কেকে কলকাতার নজরুল মঞ্চে কনসার্ট করতে এসেছিলেন এবং তাঁর শো শেষ হওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে তৎক্ষণাৎ কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। তাঁর এই অকাল মৃত্যু কেউই মেনে নিতে পারছেন না। ইতিমধ্যেই অনেক বলিউড তারকা যেমন- অক্ষয় কুমার, বিশাল দাদলানি, রাহুল বৈদ্য সহ আরও অনেকে তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শিল্পীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন।

    অক্ষয় কুমার শোকজ্ঞাপন করে লিখেছেন, “কেকে-এর অকালমৃত্যুর খবর শুনে খুবই দুঃখিত। ওম শান্তি!”

    [tw]


    [/tw]

    গায়ক তথা সুরকার বিশাল দাদলানি কেকে-এর কথা স্মরণ করে ট্যুইট করে লেখেন, “চোখের জল থামাতে পারছি না। কী অসাধারণ মানুষ ছিলেন তিনি। কি কন্ঠস্বর! কি হৃদয়! কেকে চিরকালের জন্য থাকবেন”।

    [tw]


    [/tw]

    গায়ক রাহুল বৈদ্য বলেন, “আমি কেকে-এর প্রয়াণের খবর পেলাম। ভালো মানুষদের মধ্যে একজন তিনি।খুব তাড়াতাড়িই চলে গেলেন।”

    [tw]


    [/tw]

    অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জিও লেখেন, “কেকে আর নেই, বিশ্বাস করতে পারছি না।”

    [tw]


    [/tw]

    গায়ক আরমান মালিক এই বছরকে ভারতীয় সঙ্গীতের জন্য অন্ধকার বছর বলেছেন। তিনি লেখেন, “লতা দিদি, বাপ্পি দাদা, সিধু পাজির পর এবার কেকে। এই হারানোর ব্যথাকে ব্যক্তিগতভাবে অনুভব করতে পারছি।”

    [tw]


    [/tw]

    অভিনেতা ফারহান আখতার কেকে-র মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি মর্মাহত। তিনি ট্যুইটে লিখেছেন, “কেকে মারা গেছেন শুনে একেবারে স্তব্ধ হয়ে গেলাম, ভাই আপনি খুব তাড়াতাড়ি চলে গেছেন.. পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। এটি হৃদয়বিদারক।”

    [tw]


    [/tw]

    করণ জোহর লিখেছেন, “এমন অবিশ্বাস্য প্রতিভার হঠাৎ মৃত্যু খুবই হৃদয় বিদারক।  বিনোদন জগতের একজন সত্যিকারের শিল্পীকে আজ আমরা  হারিয়েছে। ওম শান্তি।”

    [tw]


    [/tw]

    শোকজ্ঞাপন করেছেন সলমন খান, প্রিয়ঙ্কা চোপড়াও। সলমন লেখেন, সঙ্গীতের জন্য তুমি সকলের মনে থেকে যাবে। 

    [tw]


    [/tw]

    প্রিয়ঙ্কা লেখেন, 

    [tw]


    [/tw]

     

    এ আর রহমান লেখেন, 

    [tw]


    [/tw]

    হৃতিক রোশন লেখেন, 

    [tw]


    [/tw]

  • KK Last Rites: চোখের জলে শেষ বিদায়, মুম্বাইয়ের ভারসোভায় পঞ্চভূতে বিলীন কেকে 

    KK Last Rites: চোখের জলে শেষ বিদায়, মুম্বাইয়ের ভারসোভায় পঞ্চভূতে বিলীন কেকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোখের জলে কেকে-কে (KK) বিদায় জানালেন পরিবার-পরিজন-ভক্তরা। মুম্বাইয়ে ভারসোভা (Varsova) শ্মশানে গায়কের শেষকৃত্য (Last Rites) সম্পন্ন হল। মুখাগ্নি করলেন ছেলে নকুল কুন্নাথ। শেষ যাত্রায় উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী জ্যোতি ও মেয়ে তামারা কুন্নাথ।   

    প্রিয় বন্ধুকে শেষবারের জন্যে দেখতে এদিন গায়কের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন শ্রেয়া ঘোষাল, হরিহরণ, অভিজিৎ ভট্টাচার্য, আকৃতি কক্কর, সেলিম মার্চেন্ট, রাঘব সাচার, সুদেশ ভোঁসলে, অলকা ইয়াগনিক, জাভেদ আলি, জাভেদ আখতার, শঙ্কর মহাদেবন-এর মত সঙ্গীত জগতের ব্য়ক্তিত্বরা। শ্মশানের বাইরে প্রিয় গায়ককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শ্মশানের বাইরে উপস্থিত ছিলেন অসংখ্য গুনমুগ্ধ ভক্ত। চোখের জলে শেষ বিদায়। পঞ্চভূতে বিলীন হলেন কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ। দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। চিতার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে কেকে-র অটোপসি রিপোর্ট, কী আছে রিপোর্টে?

    মঙ্গলবার কলকাতায় নজরুল মঞ্চে এক কলেজের অনুষ্ঠানে গান গাওয়ার পরে হোটেলে ফিরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন কেকে। একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলা হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে গায়কের। বুধবার সকালে তাঁর পরিবার মুম্বাই থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছয়। 

    আরও পড়ুন: শিল্পী বেঁচে থাকে তাঁর সৃষ্টিতে! কে কে-এর কালজয়ী ১০টি গান

    বুধবার কলকাতায় গানস্যালুটের মাধ্যমে শেষ বিদায় জানানোর পর রাতে মুম্বই পৌঁছয় কেকে’র নশ্বর দেহ ৷ বিকেলেই কলকাতা থেকে মুম্বই রওনা দিয়েছিল শিল্পীর পরিবার ৷ তারা রাত সওয়া আটটা নাগাদ পৌঁছে যায় মুম্বইয়ে৷ ভারসোভা এলাকার পার্ক প্লাজা কমপ্লেক্সে থাকতেন কেকে ৷ সেখানকারই হলেই আজ সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত তাঁর দেহ শায়িত ছিল ৷ শিল্পীকে সেখানেই শেষশ্রদ্ধা জানান পরিজন, বন্ধুবান্ধব ও ভক্তরা ৷ এরপর শ্মশানের উদ্দেশ্যে শিল্পীকে নিয়ে রওনা হয় তাঁর পরিবার। 

    কেকে-র মৃত্যু নিয়ে নানা মহলে নানা জল্পনা থাকলেও, প্রাথমিক ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশনেই মৃত্যু হয়েছে গায়কের। 

     

     

     

     

LinkedIn
Share