Tag: Sir Creek

Sir Creek

  • Operation Sindoor: ‘অপারেশন সিঁদুরে’র পর ফের তৈরি জঙ্গিঘাঁটি! প্রকাশ্যে বাহাওয়ালপুর, সাওয়াই নালা, মুজফফরাবাদে নির্মাণের ছবি

    Operation Sindoor: ‘অপারেশন সিঁদুরে’র পর ফের তৈরি জঙ্গিঘাঁটি! প্রকাশ্যে বাহাওয়ালপুর, সাওয়াই নালা, মুজফফরাবাদে নির্মাণের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হওয়া পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক জঙ্গিঘাঁটি ফের গড়ে তোলা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের হাতে আসা একাধিক এক্সক্লুসিভ ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে ওই ঘাঁটিগুলিতে নতুন করে নির্মাণকাজের চিহ্ন। নতুন ইট ও নতুন দেওয়াল দিয়ে ফের কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে ওই সংবাদ প্রতিবেদনে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সময় ভারতের হামলায় বাহাওয়ালপুর, সাওয়াই নালা এবং মুজফফরাবাদে থাকা জঙ্গি পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছিল। এবার সেখানেই নতুন করে নির্মাণের প্রমাণ মিলেছে।

    লস্কর-ই-তৈবার সাওয়াই নালা শিবিরের ছবি (Operation Sindoor)

    প্রতিবেদনে প্রকাশিত প্রথম ভিডিয়োটি লস্কর-ই-তৈবার সাওয়াই নালা শিবিরের বলে দাবি করা হয়েছে। এই শিবিরটি জঙ্গিদের থাকার জন্য ব্যবহৃত (POK) হত। অপারেশন সিঁদুরের সময় শিবিরটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে সেখানেই ফের শুরু হয়েছে নির্মাণকাজ।

    দ্বিতীয় যে ছবি সামনে এসেছে, সেটি পাক অধিকৃত কাশ্মীরের মুজফফরাবাদের সাইদা বিলাল শিবিরের। এই ঘাঁটিটি জইশ-ই-মহম্মদের অন্যতম কেন্দ্র। অপারেশন সিঁদুরের সময় এখানেও হামলা চালানো হয়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছিল। এখন সেখানেও নতুন ইট দিয়ে নতুন করে দেওয়াল নির্মাণের ছবি দেখা যাচ্ছে।

    ধ্বংস হওয়া ঘাঁটি ফের গড়ে তোলার চেষ্টা?

    প্রতিরক্ষামন্ত্রকের রিপোর্টেও ওই জঙ্গিঘাঁটিগুলির উল্লেখ ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর অভিযানে এই জঙ্গি পরিকাঠামোগুলি সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছিল।

    তবে নতুন করে নির্মাণের ছবি সামনে আসায় প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের মাটিতে ফের জঙ্গি পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা শুরু হয়েছে কি না। নতুন দেওয়াল এবং ইটের কাঠামো সেই সম্ভাবনারই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

    অপারেশন সিঁদুরে ভারতের অবস্থানে বড় পরিবর্তন’

    গত মাসে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে বলেছিলেন, অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের কৌশলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। তাঁর বক্তব্য, এই অভিযানে শুধু সীমান্তের কাছাকাছি থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করা হয়নি, প্রতিবেশী দেশের গভীরে থাকা জঙ্গিদের মদতদাতাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    অপারেশন সিঁদুর চালানো হয়েছিল পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর। নারাভানে বলেন, জঙ্গিদের যারা মদত দেয়, তারা দেশের যে প্রান্তেই থাকুক না কেন, ভারতীয় পদক্ষেপ থেকে তাদেরও রেহাই নেই—এই বার্তাই ওই অভিযানের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে।

    তিনি বলেন, এর আগে ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়া মূলত সীমান্তের কাছাকাছি থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। উরি এবং পুলওয়ামার হামলার পরের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নারাভানে বলেন, “এর আগে যখনই এই ধরনের হামলা হয়েছে—উরির পর কিংবা পুলওয়ামার পর বালাকোটে হামলার সময়—আমরা মূলত সীমান্তের কাছাকাছি থাকা জঙ্গিঘাঁটিগুলিকেই টার্গেট করতাম।”

    সির ক্রিকে পাকিস্তানের তৎপরতা নিয়েও মন্তব্য

    সির ক্রিক এলাকায় পাকিস্তানের তৎপরতা বৃদ্ধি এবং তথাকথিত ‘অপারেশন আবাবিল’ চালানোর খবর নিয়েও প্রশ্ন করা (Operation Sindoor) হয়েছিল প্রাক্তন সেনাপ্রধানকে। নারাভানে জানান, এই ধরনের কার্যকলাপ হয়ে থাকে। তবে ওই অভিযান সম্পর্কে তাঁর কাছে সম্পূর্ণ তথ্য নেই।

    ভারত-চিন সম্পর্ক নিয়েও বার্তা নারাভানের

    ভারত-চিন সম্পর্কের প্রসঙ্গে নারাভানে বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সাম্প্রতিক বৈঠককে দুই দেশের দীর্ঘদিনের (POK) সীমান্ত বিরোধের প্রেক্ষাপটে দেখতে হবে।

    তিনি জানান, এটি দুই দেশের বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের ২৫তম দফার আলোচনা। অর্থাৎ এই বৈঠক প্রথমবারের ঘটনা নয়। তাঁর মতে, এই (Operation Sindoor) আলোচনার ক্ষেত্রে মূল বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি—ভারত ও চিনের মধ্যে এখনও সীমান্ত বিরোধ রয়েছে।

     

  • Rajnath Warns Pakistan: ‘‘ইতিহাস ও ভূগোল দুই-ই বদলে দেবে ভারত’’, স্যর ক্রিক নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    Rajnath Warns Pakistan: ‘‘ইতিহাস ও ভূগোল দুই-ই বদলে দেবে ভারত’’, স্যর ক্রিক নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার স্যর ক্রিক (Sir Creek) নিয়ে পাকিস্তানকে সরাসরি কড়া হুঁশিয়ারি (Rajnath Warns Pakistan) দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বললেন, ‘স্যর ক্রিক এলাকায় পাকিস্তানের যে কোনও আগ্রাসনের যোগ্য দেওয়া হবে যা ইতিহাস এবং ভূগোল দুটোই বদলে দিতে পারে ভারত।’

    কী বললেন রাজনাথ?

    বৃহস্পতিবার দশেরার দিনে গুজরাটের ভুজ সীমান্ত ঘাঁটিতে সেনাদের সঙ্গে অস্ত্রপুজো করে তিনি বলেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং বিএসএফ যৌথভাবে এবং সজাগভাবে ভারতের সীমান্ত রক্ষা করছে। যদি পাকিস্তান স্যর ক্রিক (Sir Creek) এলাকায় আগ্রাসন দেখানোর চেষ্টা করে বা কোনও প্রকার দুঃসাহসিক প্রচেষ্টা করে, তবে এমন জবাব দেওয়া হবে যা ইতিহাস ও ভূগোল দুই-ই বদলে দেবে ভারত।’’ এই প্রসঙ্গে তিনি ইসলামাবাদকে স্মরণ (Rajnath Warns Pakistan) করিয়ে বলেন, ‘‘১৯৬৫ সালের যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনী লাহোরে পৌঁছনোর ক্ষমতা প্রদর্শন করেছিল। ২০২৫ সালে এসে পাকিস্তানের মনে রাখা উচিত যে করাচি যাওয়ার একটি পথ এই প্রণালীর মধ্যে দিয়ে গিয়েছে।’’ রাজনাথ স্পষ্ট করে দেন, লেহ হোক বা স্যর ক্রিক— ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তি ভাঙার চেষ্টা করা হলে, ভারতীয় সেনা পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পুরোপুরি অক্ষম করে দেবে।

    কী এই স্যর ক্রিক?

    স্যর ক্রিক (Sir Creek) হল গুজরাটের কচ্ছের রণ এবং পাকিস্তানের মধ্যে প্রায় ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি প্রণালী। সিন্ধু নদের ব-দ্বীপে তৈরি হয়েছে এই খাঁড়ি। দুই দেশের মধ্যে সমুদ্র সীমান্ত হিসেবে এই এলাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই স্যর ক্রিককে ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ। ১৯৯৯ সালে স্যর ক্রিক এলাকাতেই অনুপ্রবেশকারী পাক নজরদার বিমানকে ধ্বংস করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। ওই ঘটনায় ১৬ জন পাক সেনা নিহত হয়েছিলেন।

    স্যর ক্রিক অঞ্চলে নির্মাণ পাক সেনার

    সম্প্রতি স্যর ক্রিক (Sir Creek) অঞ্চলে পাকিস্তানি সেনার বেশ কিছু নির্মাণ লক্ষ্য করা গিয়েছে। স্যর ক্রিক সংলগ্ন এলাকায় পাকিস্তানি সেনা বেশ কিছু সামরিক অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। যে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখছে ভারতীয় সেনা। যা নিয়ে শুরু বিতর্ক। এই অঞ্চলে নজরদারির দায়িত্বে রয়েছে বিএসএফের বিশেষ বাহিনী ‘ক্রিক ক্রোকোডাইল’। রাজনাথ বলেন, ‘‘স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও, স্যর ক্রিক এলাকায় সীমান্ত নিয়ে বিরোধ চলছে। ভারত আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেছে, কিন্তু পাকিস্তানের উদ্দেশ্যের মধ্যে ত্রুটি রয়েছে (Rajnath Warns Pakistan)। ওদের অভিপ্রায় স্পষ্ট নয়। সম্প্রতি পাকিস্তান সেনাবাহিনী স্যর ক্রিক সংলগ্ন এলাকায় যেভাবে সামরিক পরিকাঠামো সম্প্রসারণ করেছে, তাতে তাদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে।’’

  • Sir Creek: ‘করেছি নিজেদের জমিতে’, স্যর ক্রিকে ছাউনি নির্মাণ নিয়ে পাক-আপত্তি ওড়াল ভারত

    Sir Creek: ‘করেছি নিজেদের জমিতে’, স্যর ক্রিকে ছাউনি নির্মাণ নিয়ে পাক-আপত্তি ওড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে বিবাদের কথা উঠলেই সবার প্রথমে সামনে আসে সীমান্ত নিয়ে সংঘাতের কথা। এমনই ভারতের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত গুজরাটের স্যর ক্রিক নিয়েও ভারত-পাকিস্তানের বিবাদ জারি। এবারে সেই জায়গায় ভারতের বিওপি তৈরি করা নিয়েই আপত্তি জানিয়েছে পাকিস্তান। তাদের দাবি, ভারত পাকিস্তানের জায়গাতে বিওপি বা বর্ডার আউট পোস্ট বানানোর কাজ শুরু করেছে। তবে ভারতও তাদের এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, বিএসএফ ভারতের আয়ত্তে থাকা জায়গাতেই তিনটি বর্ডার অফ পোস্ট বানাচ্ছে।

    কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর, গত মাসে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সঙ্গে স্থানীয় কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই বিওপি নির্মাণ নিয়ে আপত্তি জানায় পাকিস্তান। ভারতীয় এক সেনা আধিকারিক সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, “যেখানে বিওপি তৈরি করা হচ্ছে সেই এলাকায় ভারতীয় বাহিনী নজরদারি চালায়। কিন্তু পাকিস্তান দাবি করছে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে ১ কিমি দূরে এসে ভারত নির্মাণ কাজ করছে। তার জন্য তাদের কাছে প্রমাণও রয়েছে।” যদিও তা অসত্য বলে জানিয়েছেন ওই সেনা আধিকারিক। তাঁর মতে ভারত নিজেদের ভূখন্ডেই বিওপি নির্মাণ করছে।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপির কিছু লুকোনোর নেই, ভয় পাওয়ারও নেই’, আদানিকাণ্ডে বললেন শাহ

    স্যর ক্রিকের জন্য টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের

    ২০২২ সালের শেষের দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্যর ক্রিকে আটটি বহুতল বাঙ্কার তথা অবজার্ভেশন পোস্ট তৈরির জন্য ৫০ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। লাখপত ওয়ারি বেট, ডাফা বেট এবং সমুদ্র বেট— এই তিনটি বিওপি তৈরির জন্যই এই টাকা দেওয়া হয়েছে। ওই এলাকায় পাকিস্তানি জেলে ও মাছ ধরার নৌকার ক্রমাগত অনুপ্রবেশের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিওপি নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বিএসএফদের যাতে ওই সীমান্ত এলাকায় নজরদারি চালাতে আরও কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্যই এটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

    ভারত এই বিওপিগুলি নির্মাণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কারণ এই বিওপি বিএসএফকে স্যর ক্রিক এবং ‘হারামি নালা’  জলাভূমিতে আন্তর্জাতিক সীমান্তে অবস্থান করার কৌশলগত সুবিধা দেবে। সরকারী তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে গুজরাটের এই অঞ্চল থেকে বিএসএফ ২২ জন পাকিস্তানি জেলে, ৭৯ টি মাছ ধরার নৌকা এবং ২৫০ কোটি টাকার হেরোইন জব্দ করেছিল। ফলে পাকিস্তানিদের অনুপ্রবেশে বাধা দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের।

    বিওপি নির্মাণ

    এক একটি বাঙ্কারের উচ্চতা হবে প্রায় ৪২ ফুট। ওই বাঙ্কারগুলিতে র‌্যাডার থেকে শুরু করে নজরদারির সমস্ত অত্যাধুনিক সরঞ্জাম থাকবে। একসঙ্গে ১৫ জন সেনাকর্মী থাকতে পারবেন এক একটি তলায়। তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসও রাখা যাবে সেখানে।

    পাকিস্তানরা যেই বিওপি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে, সেটি হল সমুদ্র বেট। পাকিস্তান ‘সমুদ্র বেট’-এর নির্মাণকাজকে তারা ‘মৌর্য বেট’ বলে অভিহিত করছে ও দাবি করছে, ওই এলাকা নিজেদের আয়ত্তে রয়েছে।

    এক সেনা আধিকারিক জানান, পুরোদমে নির্মাণকাজ চলছে। কেন্দ্রীয় পূর্ত মন্ত্রক ওই বিওপিগুলি তৈরির কাজ করছে। বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (বিআরও) বিওপিগুলিতে যাওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই রাস্তা তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলেছে। বিএসফকে সবটাই জানানো হয়েছে। কারণ, পাকিস্তানের বিওপি নিয়ে আপত্তি-প্রতিবাদ, এই বিষয়টি স্পর্শকাতর বলে গোটা ঘটনার কথা বিএসফকে জানিয়ে রাখা হয়েছে।

LinkedIn
Share