Tag: SIR in Bengal

  • SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহেই এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা দেওয়ার শেষ দিন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত ২৭ লক্ষ ৭১ হাজার ফর্ম আন কালেকটেড। এর মধ্যে মৃত ১৫ লক্ষ ৫৩ হাজার মৃত। খুঁজে পাওয়া যায়নি ২ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটারকে। স্থানান্তরিত হয়েছেন ৮ লক্ষ ৮৮ হাজার। ডুপ্লিকেট বা ডবল এন্ট্রি রয়েছে ৫৮ হাজার ১৬৪ ভোটারের নাম। তাঁদের নাম খসড়ায় আসবে না। তাঁদের আলাদা তালিকা বের করবে কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকার পর এটা প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করতে রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে কমিশন।

    আলাদা আলাদা করে প্রকাশিত হবে তালিকা

    কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, সবার নামই থাকবে খসড়া তালিকায়। কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বুথে তালিকা বেরোবে। মৃত বা অন্য কারণে বাদ পড়াদের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে। মৃত ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, কিন্তু বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিতে গিয়ে যখন বিএলও-রা দেখতে পাবেন, সেই ব্যক্তি মৃত, সেটা মার্ক করে ডিলিট করা যাবে। ২০২৫-এর তালিকায় নাম রয়েছে, অথচ নির্দিষ্ট ঠিকানায় বাড়ি গিয়ে তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল না, তাঁদের নাম বাদ যাবে। যাঁদের ‘ডবল এন্ট্রি’ রয়েছে, অর্থাৎ একই কেন্দ্রে বা আলাদা কেন্দ্রে নাম রয়েছে ভোটারের, সেই নাম বাদ যাবে।

    বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র

    একই সঙ্গে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, আরও বেশি সংখ্যক ভোট গ্রহণ কেন্দ্র তৈরির ক্ষেত্রে নতুন ভাবনা-চিন্তা শুরু করা হয়েছে। বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র। ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গোটা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বস্তি এলাকা, উঁচু বহুতল আসান, আর গেটেড কমপ্লেক্সে নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। আর পুরো কাজ করতে হবে কমিশনের নির্দেশ মেনেই। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে ইতিমধ্যেই সেই চিঠি এসেছে। সেই চিঠিতেই কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মধ্যে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি হলে সেই অনুযায়ী করতে হবে পদক্ষেপ। বাস্তবতা মাথা রেখেই বহুতল আবাসন, বস্তি, নতুন টাউনশিপের জন্য নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০ হাজারের সামান্য বেশি। এবার প্রায় আরও ১৪ হাজার বুথ বাড়তে চলেছে বলে খবর। সেই ক্ষেত্রের রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে বুথের সংখ্যা হতে পারে ৯৪ হাজারের বেশি।

    রোল অবজার্ভার নিয়োগ

    রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal) আরও স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করতে কমিশন পশ্চিমবঙ্গের জন্য একজন স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে। ১৯৯০ ব্যাচের রাজ্য ক্যাডারের আইএএস সুব্রত গুপ্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশও জারি হয়েছে। এবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় আলাদা করে নির্বাচনী রোল অবজার্ভারও নিয়োগ করেছে কমিশন। ১২টি বড় জেলার জন্য ১২ জন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসারকে রোল অবজার্ভার পদে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তাদের কাজ হবে-জেলা স্তরে ডিইও অর্থাৎ জেলা শাসক এবং ইআরও-দের কাজ পর্যালোচনা করা। কোথাও ভুল হলে ধরিয়ে দেওয়া এবং এসআইআরের প্রতিটি ধাপ যেন কমিশনের নির্দেশ মতো হয়, তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি কোনও রাজনৈতিক দলকে সিইওর সঙ্গে দেখা করতে হলে আগাম সময় চেয়ে নিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়।

     

     

     

     

     

  • SIR in Bengal: মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিতে তৎপর কমিশন, শুধুমাত্র অনলাইনেই নাম তুলতে পারবেন নতুন ভোটাররা

    SIR in Bengal: মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিতে তৎপর কমিশন, শুধুমাত্র অনলাইনেই নাম তুলতে পারবেন নতুন ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর পেরোলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ভোটার তালিকাকে নির্ভুল রাখতে ক্রমাগত তৎপরতায় নির্বাচন কমিশন। চলছে এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়া। প্রাথমিক কাজ প্রায় শেষের পথে। এদিকে, এসআইআর নিয়ে নিয়ম ঘিরে বহু প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। সদ্য কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন ভোটাররা অফলাইনে তাঁদের নাম তুলতে পারবেন না। কেবলমাত্র অনলাইনেই তাঁরা নাম তুলতে পারবেন। অনলাইনে ফর্ম-৬ পূরণ করে তাঁরা নাম তুলতে পারবেন।

    মৃত ভোটারের নাম বাদ দিতে তৎপরতা

    এতদিন পর্যন্ত অফলাইন ও অনলাইন দুই ভাবেই নাম তোলা যেত নতুন ভোটারের। এছাড়াও বৃহস্পতিবার কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, মৃত ভোটারের ফর্ম পূরণ করা হলে, কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারের নাম বাদ দিতে তৎপরতায় রয়েছে কমিশন। কোথাও যদি মৃত ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ হয়, তাহলে যিনি পূরণ করছেন তিনি জিজ্ঞাসাবাদের কোপে পড়বেন। এছাড়াও মৃত ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ হলে, ডিইও থেকে বিএলও সকলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে কমিশন বলে জানানো হয়েছে। ফলত, কোনও মৃত ভোটারের নাম যাতে তালিকায় না থাকে, তা নিয়ে কড়া হতে চলেছে কমিশন। ইউআইডিএআই, কমিশনকে জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মৃত ভোটারের সংখ্যা। সেই সংখ্যা এই প্রতিষ্ঠানের কাছে আগেই জানতে চেয়েছিল কমিশন। আপাতত জেলার ভিত্তিতে সেই তালিকা তৈরি হচ্ছে। রাজ্যের ২৪ জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে তা পাঠানো হবে।

    আধার কার্ড বাধ্যতামূলক

    কমিশন সূত্রে খবর, নতুন ভোটারদের নাম অনলাইনে তোলার ক্ষেত্রে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ‘ই-সাইন’ আধার কার্ডের মাধ্যমে ওটিপি দিয়ে করা হবে। তবে নতুন ভোটারদের নাম তোলার আবেদন আগামী ৯ ডিসেম্বর এসআইআর-র খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই করা যাবে অনলাইনে। এসআইআরে (SIR in Bengal) বহু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা ছড়িয়েছিল। সেই আশঙ্কাকে সত্যি প্রমাণ করে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ম্যাচিং হওয়া ৬ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৬ লক্ষ ভোটারের হদিশ মিলছে না বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। জমা পড়া এমুনারেশন ফর্মের ম্যাচিং যত এগোবে, এই সংখ্যা তত বাড়বে বলে জানাচ্ছেন কমিশনের এক কর্তা। একই সঙ্গে ম্যাচিংয়ের সময় অনলাইনে নাম না মিললে ছাপানো ভোটার তালিকার সাহায্যও নেওয়া যাবে বলে নতুন নির্দেশিকায় জানিয়েছে কমিশন।

     

     

     

     

     

     

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal)। আগামী ৯ ডিসেম্বর নতুন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তার আগে প্রতিদিনই ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ভোটার। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১৪ লক্ষ ভোটার বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। প্রতিদিন যে হারে তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ছে, তাতে সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কমিশনও।

    বাদ আরও কয়েক লক্ষ নাম

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআরে সোমবার পর্যন্ত ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার হিসাব ছিল ১০ লক্ষ। ২৪ ঘণ্টা পর তা আরও কিছুটা বেড়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে ওই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার। প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ এনুমারেশন ফর্ম কমিশনের সাইটে আপলোড করছেন বিএলওরা। ফলে প্রতিদিনই নাম বাদ দেওয়ার হিসেব বাড়বে। সব এনুমারেশন ফর্ম জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিনও বলেন, “আমি ৯৫ সাল থেকে ভোটে লড়ছি। আমি বলছি, লিখে রাখুন ১ কোটির উপর নাম বাদ যাবে। যদিও এখানে ১০০ শতাংশ এসআইআর হবে না। তারপরও এক কোটির উপর নাম বাদ যাবে। ১০০ শতাংশ হলে আর একটু বেশি নাম বাদ যেত।”

    বেশি নাম বাদ পড়তে পারে কলকাতাতেই

    গত ৪ নভেম্বর থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলবে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মধ্যে এখনও পর্যন্ত শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়তে পারে উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায়। তার পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিসেবই চূড়ান্ত নয়। যেসব তথ্যের ভিত্তিতে নাম বাদ যাওয়ার প্রাথমিক সংখ্যা মিলছে, সেগুলি হল, মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটার।

  • Governor CV Ananda Bose: হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন রাজ্যপালের, শাহের মন্ত্রককে রিপোর্ট দেবেন বোস

    Governor CV Ananda Bose: হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন রাজ্যপালের, শাহের মন্ত্রককে রিপোর্ট দেবেন বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো ভোটার বা আধার কার্ড তৈরি করে ভারতের যে কোনও প্রান্তে থাকলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন করে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। তিনি জানান, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের পুশব্যাক এবং বর্তমানে হাকিমপুর সীমান্তের কী অবস্থা তা নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা হবে। শুধু হাকিমপুর নয় মুর্শিদাবাদেও যাবেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। যে সীমান্তগুলি তিনি ঘুরে দেখবেন, সেখানকার পরিস্থিতি দেখে তৈরি করা হবে রিপোর্ট। এই রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জমা করবেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠাবেন রাজ্যপাল

    রাজ্যে এসআইআর শুরু হতেই সম্প্রতি শিরোনামে আসে হাকিমপুর সীমান্তের চিত্র। প্রচুর মানুষকে ব্যাগ গুছিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্তে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমের সামনে অনেকেই বলেছেন, তাঁরা অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অনেকেরই কাছেই ভোটার, আধার কার্ড আছে, সরকারি সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন রাজ্যে। এমনকী খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সেখানে আক্রমণের মুখেও পড়তে হয় সংবাদমাধ্যমকে। এই আবহে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল। হাকিমপুরের সীমান্ত চৌকি, বিএসএফ ক্যাম্প, স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তবে সেই বৈঠকে অনুপ্রেবশ সংক্ৰান্ত কী কী বিষয় উঠে এসেছে, তা নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি রাজ্যপাল।

    হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শনে রাজ্যপাল

    হাকিমপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপাল বলেন, ‘যাঁরা এই ধরনের ফেক ভোটার কার্ড ব্যবহার করছেন বা অনৈতিক ভাবে ভোটার বা আধার কার্ড বানিয়েছেন, তাঁরা অপরাধী। তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিন রাজ্যপাল হাকিমপুর চেকপোস্টে নেমে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তারপর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের অংশে বিএসএফের তাৎপরতা এবং নজরদারি পরিদর্শনে যান। বিএসএফ সূত্রে খবর, কতজন বাংলাদেশিকে এখনও পর্যন্ত ওপারে পাঠানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে কতটা পুলিশ সাহায্য করছে, কীভাবে বাংলাদেশিরা গিয়ে হোল্ডিং এরিয়ায় কাছে ভিড় করছে, তাদের কতদিনের বসবাস- এই ধরনের একাধিক বিষয় রাজ্যপাল বিএসএফ আধিকারিকদের কাছ থেকে জেনে নেন। রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose)সফরকে কেন্দ্র করে স্বরূপনগর থানার বিথারী হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাকিমপুর সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়। ১৪৩ নম্বর ব্যাটালিয়ান বিএসএফের ডিআইজি, সিও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal)-এ আপাতত ১০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে বলে কমিশনের প্রাথমিক ধারণা। বাদ পড়ার ক্ষেত্রে শতাংশের বিচারে উত্তর কলকাতা এগিয়ে রয়েছে। এসআইআর (SIR) শুরুর পর কমিশন জানিয়েছিল, বর্তমানে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্য়া ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের অধিক। ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে মোট ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম। আর এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষ ৩৩ হাজার ভোটার তাঁদের ফর্ম সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলওর কাছে জমা দেননি।

    সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার

    সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল সাংবাদিক বৈঠকে জানান, এখনও পর্যন্ত ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১০ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের ভিত্তিতে যে দশ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে, তার মধ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার। এছাড়া স্থানান্তরিত ভোটারও রয়েছেন। আবার অনেকে এনুমারেশন ফর্ম নেননি। কিংবা নিলেও বিএলও-কে ফর্ম জমা দেননি। উত্তর কলকাতায় ১০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। কিছুদিন আগে আধার কর্তৃপক্ষ সিইও-কে জানিয়েছিল, রাজ্যের ৩৪ লক্ষ মৃতের আধার নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, প্রতি বছর ভোটার তালিকা আপডেটের জন্য সামারি রিভিশন হয়। সেখানেও অনেক মৃত ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।

    মোট কতজন ভোটারের নাম বাদ

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রতি দিনই তথ্য আসছে। আপাতত বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-দের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসেব মিলেছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ফর্ম বিলি করতে গিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন। সব এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। প্রথমে বুথে বুথে বিএলও-রা ফর্ম বিলি করেছেন। পরে পূরণ করা ফর্ম তাঁরা সংগ্রহ করেছেন। সেই সময় বিএলও-রা তথ্য পেয়েছেন, কাদের কাদের ফর্ম পূরণ না হয়েই ফেরত এল। এই ১০ লক্ষের মধ্যে ৬.৫ লক্ষ মৃত ভোটার রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছেন একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটারও। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহের মধ্যে পুরো তথ্য চলে আসার কথা। তখন এই সংখ্যাটি কত দাঁড়ায় তা দেখার। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের তালিকা থেকে মোট কত নাম বাদ পড়ল তা জানা যাবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।

    ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি

    কমিশন (Election Commission) জানাচ্ছে, ২৪ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে ৯৯.৭৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়েছে। খুবই অল্প সংখ্যক ফর্ম বিতরণ বাকি রয়েছে। পূরণ করা ফর্ম ডিজিটাইজ করা হয়ে গিয়েছে ৪ কোটির বেশি (৫৯.৪ শতাংশ)। এখনও পর্যন্ত ওই কাজ চলছে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘আমরা ভোটারদের কাছে অনুরোধ করেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এনুমারেশন ফর্ম জমা দিন। ৪ ডিসেম্বর শেষ দিন, তার কোনও পরিবর্তন হয়নি।’’ কমিশনের তথ্য বলছে, এখনও প্রায় ২ লক্ষ মানুষের হাতে ফর্ম পৌঁছনো বাকি। মোট ভোটারের ২.৫ শতাংশের ম্যাপিং-ও বাকি রয়েছে। হাতে এখনও এক সপ্তাহের বেশি সময় রয়েছে। দ্রুত কাজ চলছে বলে জানান মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক।

    কোন জেলায় কী রকম কাজ

    কমিশনের (Election Commission) তরফে আরও জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত এসআইআরের যা কাজ হয়েছে, তাতে রাজ্যের পাঁচটি জেলা এগিয়ে রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানে ৬৬.৪৭ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৬৬.৪১ শতাংশ, উত্তর দিনাজপুরে ৬৫.৪৩ শতাংশ, মালদহে ৬৬.২৩ শতাংশ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৬৫.২৭ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কাজ হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার গোসাবায়। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১২১ জন বিএলও। ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ কাজ সেরে ফেলেছেন। বিএলও-দের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের মুখে। তিনি বলেন, ‘‘বিএলও-রা প্রচুর কাজ করছেন। তাঁরাই এসআইআরের হিরো!’’

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি

    এসআইআর (SIR in Bengal) পর্বে বার বার রাজ্যে  ‘অনুপ্রবেশ’ -এর কথা বলেছে বিজেপি। রবিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের দাবি করেছেন, এসআইআর হলে এক কোটি ভোটারের নাম বাদ যাবে। তাতে মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় থাকা এক নামের পাশাপাশি বাদ পড়বেন অনুপ্রবেশকারীরাও।

  • SIR in Bengal: বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনেও মিলবে এনুমারেশন ফর্ম, জানেন কীভাবে পূরণ করবেন?

    SIR in Bengal: বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইনেও মিলবে এনুমারেশন ফর্ম, জানেন কীভাবে পূরণ করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) এনুমারেশন ফর্ম পাওয়া যাবে অনলাইনেও। বৃহস্পতিবার থেকে কারা, কী ভাবে সেই ফর্ম পূরণ করতে পারবেন তা জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। আগ্রহীরা কমিশনের ওয়েবসাইটে গেলে ফর্মের লিঙ্ক মিলবে। এ ছাড়া, কমিশনের একটি অ্যাপও রয়েছে এই কাজের জন্য। বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও) রাজ্য জুড়ে মঙ্গলবার থেকে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা শুরু করেছেন। কমিশন জানিয়েছে, যাঁরা বিএলওদের কাছ থেকে সশরীরে ফর্মটি নিতে পারছেন না, তাঁরা এখন থেকে অনলাইন ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে পারবেন।

    কারা অনলাইনে ফিল আপ করবেন

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, মূলত, কর্মসূত্রে যাঁরা বাইরে থাকেন, তাঁদের জন্য এই ব্যবস্থা। মঙ্গলবার থেকেই অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ চালু হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে তা সম্ভব হয়নি। কমিশন জানিয়েছিল, যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে। বুধবার অনলাইনে ফর্ম পাওয়ার দিন ঘোষণা করা হল। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের ওয়েবসাইটে (https://ceowestbengal.wb.gov.in/) অনলাইন এনুমারেশন ফর্ম মিলবে। কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট-এ গিয়েও কেউ চাইলে ওই ফর্ম পূরণ করতে পারেন।

    আপলোডের প্রক্রিয়া পোর্টালেই বিস্তারিত বলা থাকবে

    ইতিমধ্যে রাজ্য জুড়ে ৮০ হাজারের বেশি বিএলওকে এসআইআর-এর কাজে নিয়োগ করেছে কমিশন। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন, ফর্ম বিলি করছেন এবং ভোটারদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত রাজ্যে ১ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়ে গিয়েছে। বিএলওদের কাজ পর্যবেক্ষণ এবং ভোটারদের সাহায্যের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এজেন্ট (বিএলএ) নিয়োগ করেছে। কমিশনের এক সিনিয়র আধিকারিক জানান, “ফর্মগুলি অনলাইনে চলে এলে, যারা বিএলও-দের কাছ থেকে ফর্ম নিতে পারছেন না, তারা অনলাইনেই ফর্ম পূরণ করে জমা করতে পারবেন। প্রথমে ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে এবং অনলাইনে পূরণ করতে হবে। এরপর পূরণ করা ফর্মটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে আপলোড করতে হবে। আপলোডের প্রক্রিয়া পোর্টালেই বিস্তারিত বলা থাকবে।”

    কীভাবে ফর্ম পূরণ করবেন

    ফর্মের একেবারে ওপরে ভোটারের নাম, ভোটার কার্ড নম্বর এবং ঠিকানা ছাপা থাকবে। সেই সঙ্গে ছাপা থাকবে পার্ট নম্বর, বুথ নম্বর এবং ভোটার কার্ডের পুরনো ছবি। এখানে পুরনো ছবির পাশে লাগাতে হবে ভোটারের এখনকার ছবি। লিখতে হবে, জন্মের তারিখ ও মোবাইল নম্বর। আধার নম্বর দিতেও পারেন, নাও পারেন। নিচে এই কলামে লিখতে হবে বাবার নাম এবং যদি থাকে, তাহলে বাবার এপিক নম্বর। এরপর লিখতে হবে মায়ের নাম। এবং যদি থাকে মায়ের ভোটার কার্ডের নম্বর। বিবাহিত হলে জানাতে হবে স্বামী বা স্ত্রীর নাম। স্বামী বা স্ত্রীর এপিক থাকলে দিতে হবে তার নম্বর। ২০০২-এর ভোটার তালিকায় কারও নিজের নাম থাকলে, তাঁকে ফর্মের বাঁদিকের টেবল ফিল-আপ করতে হবে। সেখানে নিজের নাম, ভোটার আইডি নম্বর, বাবা বা মায়ের নাম, সম্পর্ক, জেলার নাম, রাজ্যের নাম এবং ২০০২ সালে যে বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট দিয়েছিলেন, তার নাম এবং নম্বর দিতে হবে।

    যাঁদের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই

    ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ভোটার কিংবা তাঁর মা-বাবা-ঠাকুরদা কারও নাম না থাকলে কী করণীয়? সেক্ষেত্রে তাঁকে নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট করে দেওয়া নথি পেশ করতে হবে। যাঁদের নিজের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নেই, তবে তাঁর মা-বাবার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে, সেই ভোটারদের ডানদিকের টেবলটি ফিল-আপ করতে হবে। প্রথমে যিনি ফর্ম ফিলাপ করছেন তাঁর মা বাবা অথবা ঠাকুরদা ঠাকুমার মধ্যে যার নাম ২০০২ এর তালিকায় আছে সেই ব্যক্তির নাম লিখতে হবে। এখানে সেই ব্যক্তির ভোটার আইডি নম্বর দিতে হবে । ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় সেই ব্যক্তির যে আত্মীয়র নাম ছিল তা লিখতে হবে। ভোটার তালিকায় যে সম্পর্কের উল্লেখ ছিল তা দিতে হবে। এরপর জেলার নাম রাজ্যের নাম দিতে হবে । এরপর ২০০২ এর ভোটার তালিকা যে বিধানসভা কেন্দ্রে নাম ও নম্বর উল্লেখ ছিল তা দিতে হবে।

    কোন কোন নথি লাগবে?

    নিম্নলিখিত ডকুমেন্টগুলির যেকোনও একটি হলেই হবে—

    ১) সরকারি কর্মচারীর পরিচয়পত্র বা পেনশন স্লিপ।

    ২) ১ জুলাই ১৯৮৭ তারিখের আগের ব্যাঙ্ক/পোস্ট অফিস/এলআইসি ইত্যাদি নথি।

    ৩) বার্থ সার্টিফিকেট।

    ৪) পাসপোর্ট।

    ৫) মাধ্যমিক বা হায়ার সেকেন্ডারির সার্টিফিকেট।

    ৬) সরকারি কর্তৃপক্ষের দেওয়া বাসস্থানের সার্টিফিকেট।

    ৭) ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট।

    ৮) কাস্ট সার্টিফিকেট।

    ৯) ন্যাশানাল সিটিজেন রেজিস্টার(যেক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।

    ১০) স্থানীয় প্রশাসনের পারিবারিক রেজিস্টার।

    ১১) জমি বা বাড়ির দলিল।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে ৩ ধাপে হবে এসআইআর, তিন মাসে প্রায় ৩.৫ কোটি ভোটার যাচাই করতে হবে কমিশনকে

    SIR in Bengal: রাজ্যে ৩ ধাপে হবে এসআইআর, তিন মাসে প্রায় ৩.৫ কোটি ভোটার যাচাই করতে হবে কমিশনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শুরু হতে চলেছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)। নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের তালিকা এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা গিয়েছে— দু’টির মধ্যে মাত্র ৫২ শতাংশ ভোটারের তথ্য মিলে গিয়েছে। রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা এখন ৭.৬ কোটি, অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক ভোটারের তথ্য মিলছে না। কমিশনকে (Election Commission) আগামী তিন মাসের মধ্যেই যাচাই করতে হবে রাজ্যের প্রায় ৩.৫ কোটি ভোটার। কমিশন সূত্রে খবর, বিহারে ২ কোটি ভোটারকে এই প্রক্রিয়ায় যাচাই করতে হয়েছিল।

    তিন ধাপে চলবে প্রক্রিয়া

    কমিশন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে (SIR in Bengal) ভোটার যাচাইয়ের কাজ হবে তিন ধাপে। প্রথম ধাপ হল ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করানো হবে। তথ্য জোগাড় করবেন। সমস্ত কিছু গণনা করা হবে। এই ধাপটি চলবে প্রায় ৩০–৩৫ দিন। দ্বিতীয় ধাপ হল তার এক সপ্তাহের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে খসড়া ভোটার তালিকা। এরপর ভোটার বা রাজনৈতিক দলগুলি এই তালিকা নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে তা জানাতে পারবেন। বাদ পড়া নাম যুক্ত করা, ভুল সংশোধন করা যাবে এই পর্বে। দ্বিতীয় ধাপের এই কাজ চলবে প্রায় এক মাস। তৃতীয় ধাপ হল সংশোধন ও আপত্তি নিষ্পত্তির পর তৈরি হবে চূড়ান্ত তালিকা। সমস্ত যাচাই করার পর, পরবর্তীতে এক সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার লিস্ট বের হবে। এই প্রক্রিয়া চালাতে ব্লক লেভেল অফিসার (BLO)-দের প্রশিক্ষণ ও ফর্ম বিতরণের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

    নির্বাচন কমিশনের এক কর্তা জানিয়েছেন, “এটা আমাদের জন্য বিশাল চ্যালেঞ্জ। কারণ, এত বড় পরিসরে ভোটার যাচাইয়ের কাজ একসঙ্গে করা খুবই জটিল। তবু আমরা চেষ্টা করছি যাতে সব ভোটার তালিকাভুক্ত হন।” প্রতিটি জেলায় এবং শহরাঞ্চলে হেল্পডেস্ক খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে অভিবাসী শ্রমিক ও বাইরের রাজ্যের কর্মীদের সাহায্যের জন্য। কমিশন সূত্রে খবর, অক্টোবরের শেষে বা নভেম্বরের প্রথমে শুরু হতে পারে। তাই তৎপরতা একেবারে তুঙ্গে।

LinkedIn
Share