Tag: SIT Probe

  • CM Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই মিলবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা, ঘোষণা নয়া মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: বুধবার থেকেই মিলবে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা, ঘোষণা নয়া মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকল্পের নাম ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ (Lakshmir Bhandar Fraud), মহিলাদের জন্য। অথচ তার সুবিধা পাচ্ছে ‘পেঁচা’রাও! অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই বিতর্কে জল ঢালতেই হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “অনেক বড় রহস্য ফাঁস হয়েছে।” সোমবার নবান্নে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে লক্ষ্মীর ভান্ডারে হওয়া ‘কেলেঙ্কারির বাক্স’ খুলতে সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ দিতে গিয়ে ‘পেঁচা’র খোঁজ (CM Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “অনেক বড় রহস্য ফাঁস হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২২টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে। এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে পুরুষরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছে। এমন আরও অনেক অ্যাকাউন্ট পাওয়া যাবে বলে অনুমান। ১৫টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী তুলিকার। ৬টি অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে তারিকুল রহমানের। কেবলমাত্র জঙ্গিপুরেই ৩ হাজার ভুয়ো নাম বেরবে। কী চিটিংবাজ! যোগ্য প্রাপকরা নিশ্চয়ই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন।” তিনি বলেন, “বাজার থেকে একটা ঢ়্যাড়স কিনতে গেলেও টিপে দেখেন, তাহলে ফর্মে তথ্য যাচাই করা হবে না? ৩৬ হাজার টাকা দেবে সরকার, একটু সহযোগিতা করে দেখুন না! একটু ভরসা করে দেখুন!” মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভুয়ো বার্ধক্য ভাতা এবং বিধবা ভাতা নেওয়ার জন্য (Lakshmir Bhandar Fraud) গ্রেফতার করা হয়েছে চন্দ্রকোণার টিএমসি নেতা উত্তম সাউকে।

    ১১ পাতার ফর্ম কেন, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    অন্নপূর্ণ যোজনার সুবিধা পেতে গেলে কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে, এদিন তার ব্যাখ্যাও দেন শুভেন্দু। বলেন, “জনগণের দ্বারা রিজেক্টেড নেতা ও তাঁর দলের লোকেদের বলব, অপপ্রচার না করে বুঝে নিন কেন ১১ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করতে হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা তো পাচ্ছেই, মহিলা নন তৃণমূলের এমন হাজার হাজার লোক লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা লুট করছে। সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। এসআইআরে বাদ যাওয়া অন্তত ৩০ লাখ মানুষও ভুয়ো লক্ষ্মীর ভান্ডারে নাম তুলছেন। কত হাজার কোটি টাকা জনগণের কীভাবে লুট করেছে এই লুটেরাদের পার্টি, এটাই তার প্রমাণ। তৃণমূল স্তর থেকে দুর্নীতি নির্মূল করব।”

    লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিস্তর ঘাপলা

    প্রসঙ্গত, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল-আপ করতে গিয়েই ভিরমি খাওয়ার জোগাড় আবেদনকারীদের। সেই সুযোগটাকেই কৌশলে কাজে লাগাচ্ছে কোনও কোনও রাজনৈতিক দল। তারা প্রচার করছে, ৩ হাজার টাকা দিতে গিয়ে হাঁড়ির খবর নিয়ে নিচ্ছে সরকার! যদিও রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের বক্তব্য, লক্ষ্মীর ভান্ডারে বহু ভুয়ো নাম ঢুকেছিল। তাই প্রতিটি পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করেই দেওয়া হবে অন্নপূর্ণা যোজনার প্রতিশ্রুত অর্থ (CM Suvendu Adhikari)। অন্নপূর্ণা যোজনা প্রকল্পের ঘোষণা করার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অগ্নিমিত্রা পাল দু’জনেই জানিয়েছিলেন, যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প পাচ্ছেন, তাঁদের ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে অন্নপূর্ণা যোজনায়। ফর্ম ফিল-আপের প্রয়োজন পড়বে না। পরে প্রকল্প চালু করতে গিয়ে শুভেন্দুর সরকার দেখে, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বিস্তর ঘাপলা হয়েছে। তার পরেই শুরু হয় চাল থেকে কাঁকর বাছার প্রক্রিয়া (Lakshmir Bhandar Fraud)। তাতেই উঠতে শুরু করেছে রাঘব-বোয়ালরা।

    বুধবার থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা

    বুধবার থেকেই যে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ঢুকতে শুরু করবে, এদিন তাও জানিয়ে দেন পদ্ম-মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেন, ‘‘গত দু’-তিন ধরে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়েও কিছু বিভ্রান্তি, কিছু মিথ্যা প্রচার যাঁরা চালিয়েছিলেন, এখন তাঁরা নিজেরাই ফর্ম ফিল-আপের জন্য এগিয়ে এসেছেন। আমরা এর আগে অফলাইনে চালু করেছিলাম। আজ থেকে অনলাইনেও চালু হয়ে গিয়েছে। ২০ জন আধিকারিক জেলায় জেলায় গিয়ে এই কাজ নজরদারি করছেন। আমরা আশা করছি, বুধবার বড় সংখ্যায় উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে শুরু করব (CM Suvendu Adhikari)।’’

    ফি মাসে ৩০ লাখ টাকা গায়েব!

    শুভেন্দুর সরকার কেন বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে, এদিন তার ব্যাখ্যাও দেন মুখ্যমন্ত্রী। টেনে আনেন রাকিবুল শেখের প্রসঙ্গ। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা রাকিবুল দীর্ঘ দিন ধরে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। কীভাবে একজন পুরুষ হয়ে রকিবুল এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পরেই পুলিশ রাজ্যজুড়ে ‘লক্ষ্মীর পেঁচা’দের খোঁজ শুরু করেছে (CM Suvendu Adhikari)। আরও কয়েক জনের খোঁজও মেলে। তৃণমূল জমানার সেই সব দৃষ্টান্ত তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘এই তালিকা অনেক বড় হবে। পুলিশকে তদন্তের গতি আরও বাড়াতে বলেছি। সংখ্যাটা ঠিক কত হবে, আমি জানি না। অনুপ্রবেশকারীরা তো পেতেনই, হাজার হাজার তৃণমূল নেতাও মহিলা না হয়েও, লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা নিচ্ছিলেন। যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডারের (Lakshmir Bhandar Fraud) টাকা লুট করছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়ব না। আমি ডিজিপিকে বলেছি সিট গঠন করতে।’’ তিনি বলেন, ‘‘আমরা হিসেব করে দেখেছি, ভুয়োভাবে অন্তত ৩০ লাখ টাকা তোলা হচ্ছিল। আইনের মাধ্যমে একেবারে তৃণমূল স্তর থেকে এই দুর্নীতি রোধ করব (CM Suvendu Adhikari)।’’

     

  • CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    CID SIT Probe: অভিষেককে তলবের মাঝেই বড় পদক্ষেপ সিআইডির! সই জালিয়াতি মামলায় বিশেষ সিট গঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ ঘিরে তদন্তে আরও তৎপর হল সিআইডি (CID)। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে তলব করার পাশাপাশি মামলার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এক ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে এই দলে রয়েছেন এক ডিএসপি, দুই ইনস্পেক্টর এবং আরও কয়েকজন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

    সইকাণ্ডে সিট গঠন সিআইডির

    সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে। তবে সম্প্রতি সোনারপুরে হেনস্তার ঘটনার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি নির্ধারিত দিনে উপস্থিত থাকতে পারবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সিট গঠনের সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন তদন্তকারী মহলের একাংশ। সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করেই আলাদা তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। দ্রুত তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করাই এই দলের মূল লক্ষ্য। ইতিমধ্যেই তৃণমূল বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বাহারুল ইসলাম এবং কুণাল ঘোষের কাছেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।

    বিতর্কের কেন্দ্রে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন

    বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। গত ৬ মে কালীঘাটে তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করা হয় এবং উপস্থিত বিধায়কেরা হাত তুলে সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। তবে সেই সময় বিধানসভায় জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পূর্ণ করা হয়নি। পরবর্তীতে ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় শপথগ্রহণের সময় বিধায়কদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়। এরপর ১৯ মে কালীঘাটে আরেকটি বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সই নেওয়া হয়। অভিযোগ, ওই স্বাক্ষরের ভিত্তিতেই ৭০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল।

    গণস্বাক্ষরে জালিয়াতির সন্দেহ…

    বিধানসভার সচিবালয় নথি যাচাই করতে গিয়ে কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষরে অসঙ্গতি খুঁজে পায়। দুটি পৃথক নথিতে স্বাক্ষরের অমিল ধরা পড়ায় জালিয়াতির সন্দেহ তৈরি হয়। এরপর বিধানসভার সচিব থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, কারা স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিলেন, কী পরিস্থিতিতে নথি প্রস্তুত হয়েছিল এবং কোনও স্বাক্ষর জাল করা হয়েছিল কি না। প্রয়োজনে আরও কয়েকজন বিধায়ক ও দলের নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলেও সূত্রের দাবি। এদিকে, গোটা ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্তকারী সংস্থা। তাঁর সম্ভাব্য হাজিরার আগেই সিট গঠন হওয়ায় স্পষ্ট, মামলার তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সিআইডি।

LinkedIn
Share