Tag: Sita

Sita

  • Bibah Panchami: শুক্রবার রাম-সীতার বিবাহ জয়ন্তী, গুজরাট থেকে জনকপুর গেল ১০৮ মিটারের ওড়না

    Bibah Panchami: শুক্রবার রাম-সীতার বিবাহ জয়ন্তী, গুজরাট থেকে জনকপুর গেল ১০৮ মিটারের ওড়না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান রাম (Lord Ram) ও মাতা সীতার বিবাহ-উৎসব বিবাহ পঞ্চমী নামে পরিচিত (Bibah Panchami)। চলতি বছরে তা পালিত হবে শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর। মাতা সীতার জন্মস্থান বলে পরিচিত নেপালের জানকী মন্দিরে ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ওড়না পাঠানো হল গুজরাট থেকে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়, উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের, তারপরে এই প্রথমবারের জন্য বিবাহ পঞ্চমী পালিত হচ্ছে।

    জিন মাতা ট্রাস্ট নামের একটি সংস্থা পাঠিয়েছে ওই ওড়না

    জানা গিয়েছে, ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ওড়নাটি লাল রঙের এবং তা পাঠিয়েছে জিন মাতা ট্রাস্ট নামের একটি সংস্থা (Bibah Panchami)। অন্যতম উদ্যোক্তা মনোজ রানগাতা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আজকে প্রথমবারের জন্য গুজরাটের জিনমাতা ট্রাস্ট থেকে পাঠানো হল ১০৮ মিটার দৈর্ঘ্যের ওড়না। তা পাঠানো হয়েছে নেপালের জনকপুরে (Bibah Panchami)। সেখানকার মানুষজন অত্যন্ত খুশি মনে তা গ্রহণ করেছেন এবং এই ওড়না নিয়ে সেখানে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। ভক্তরা শোভাযাত্রার মাধ্যমে সেই ওড়নাকে নেপালের জানকী মন্দির পর্যন্ত নিয়ে গিয়েছেন।’’

    রাম-সীতার বিবাহ দেবেন ৪০ জন বৈদিক ব্রাহ্মণ

    প্রসঙ্গত, মনে করা হয় নেপালের জনকপুরেই ছিল মাতা সীতার পিতা জনকের রাজ্য। সেখানেই বিবাহ পঞ্চমী (Bibah Panchami) ধুমধাম করে পালিত হতে চলেছে। প্রসঙ্গত, গত মাসের ৩ নভেম্বর ভগবান রামচন্দ্রের বারাত বা বরযাত্রীরা জনকপুরে পৌঁছান। সংখ্যা ছিল প্রায় পাঁচশোর বেশি। তাঁরা প্রত্যেকেই ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে গিয়েছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে রয়েছেন ৪০ জন বৈদিক ব্রাহ্মণ, যাঁরা প্রত্যেকেই তিরুপতি থেকে এসেছেন। এই ব্রাহ্মণরা মাতা সীতা এবং ভগবান রামচন্দ্রের প্রতীকী বিবাহ দেবেন জনপুরধামে। জানা গিয়েছে, এই ব্রাহ্মণরা সরাসরি জনকপুরে পৌঁছেছেন বিবাহ উৎসবে অংশগ্রহণ করতে। পুরাণ অনুযায়ী, ভগবান রাম (Lord Ram) ছিলেন রাজা দশরথের সন্তান এবং অযোধ্যার রাজপুত্র। তিনি বিবাহ করেন জনকপুর ধামের রাজা জনকের কন্যা সীতার সঙ্গে। এই বিবাহ অনুষ্ঠান জনপুর ধামে সম্পন্ন হয়েছিল বলেই মনে করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    Purulia: অযোধ্যা পাহাড়ে শ্রীরামচন্দ্রের ‘পাতালভেদী’ বাণে সৃষ্টি হয়েছিল সীতাকুণ্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র পুরুলিয়া (Purulia) জেলার অযোধ্যা পাহাড়। পুরুলিয়া শহর থেকে ৪০-৪২ কিমি দূরে সবুজের গালিচায় মোড়া আর ঢেউ খেলানো পাহাড় দিয়ে সাজানো অযোধ্যা শুধুমাত্র প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকেরই নয়, ট্রেকার এবং পাখি দেখতে যাঁরা ভালোবাসেন, তাঁদের জন্যও এক আদর্শ স্থান। আদিবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলটি শাল, শিরীষ, মহুয়া, সেগুন প্রভৃতি গাছের ছায়ায় আবৃত। চারদিকে উঁকি দিচ্ছে একের পর এক পাহাড়ের সারি। এখানকার সর্বোচ্চ গিরিশিখরটির নাম “গোর্গাবুরু, যার উচ্চতা প্রায় ২৮৫০ ফুট। অযোধ্যা পাহাড়ের অরণ্যের ব্যাপ্তি প্রায় ৩৪৫১৭ একর। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা এই অরণ্যে বাস হরিণ, নেকড়ে, বুনো শুকর, হাতি প্রভৃতি প্রাণীর। আর দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির।

    পুরাণে কী বলা আছে?

    পুরাণ মতে, অজ্ঞাতবাসকালে দণ্ডক যাওয়ার পথে শ্রীরামচন্দ্রের সঙ্গে এই পাহাড়ের পথে যাচ্ছিলেন সীতাদেবী। সেই সময় তাঁর হঠাৎ-ই খুব তৃষ্ণা পায়। সেই তৃষ্ণা মেটানোর জন্য তখন “পাতালভেদী” বাণ প্রয়োগ করে মাটি-পাথরের বুক থেকে জল নির্গত করেন শ্রীরামচন্দ্র। সৃষ্টি হয় এক কুণ্ড বা কূপ (Purulia)। এখনও বুদ্ধ পূর্ণিমার দিন “দিসুম সেন্দ্রা” অর্থাৎ শিকার উৎসবে দূর-দূরান্ত থেকে আসা আদিবাসী মানুষ এখানে থাকা দুটি জলপ্রপাত, বামনি ফলস আর তুরগা ফলসে স্নান করেন। তারপর এই সীতাকুণ্ড, যার অপর নাম “বুড়বুড়ি”, তার পবিত্র জল পান করে পবিত্র হয়ে ” বুইয়া” নিনাদে মেতে ওঠেন শিকার করার জন্য। এই বুড়বুড়ি কুণ্ডের সামনের শাল জঙ্গলে রয়েছে “সীতাকেশ”। সীতাদেবীর পায়ের চিহ্নও রয়েছে “সীতা চাতালে”। দেখে নেওয়া যায় যোগিনী বা ময়ূরী পাহাড়ের চূড়ায় বসে চারদিকের অপূর্ব সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।

    আর কী কী দেখবেন? (Purulia)

    এছাড়াও এক যাত্রাতেই দর্শন করে নেওয়া যায় অযোধ্যা পাহাড়ে চড়ার শিক্ষাপ্রদান কেন্দ্র, এশিয়ার দ্বিতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি, ঠান্ডেশ্বরী ফলস, মুরগুমা ড্যাম প্রভৃতি। আর প্রাণ ভরে উপভোগ করে নেওয়া যায় প্রকৃতির অমলিন, অনাবিল, সবুজ সৌন্দর্য।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Purulia)

    যাতায়াত–হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে যেতে হবে পুরুলিয়া। যাচ্ছে ১২৮২৭ পুরুলিয়া এক্সপ্রেস , ১২৮৮৩ রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস প্রভৃতি ট্রেন। পুরুলিয়া থেকে বাস অথবা গাড়ি নিয়ে যেতে হবে অযোধ্যা পাহাড়। থাকা খাওয়া–এখানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের বনবাংলো, পুরুলিয়া (Purulia) পাম্পড স্টোরেজ প্রজেক্টের গেস্ট হাউজ, ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের আশ্রম। এছাড়াও রয়েছে কয়েকটি হোটেল। প্রয়োজনে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করে নেওয়া যায় এগুলিতেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকবর-সীতা বিতর্ক এড়াতে রাজ্যকে সিংহের নাম বদলের পরামর্শ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বৃহস্পতিবার রাজ্যের উদ্দেশ ওই সিংহ দম্পতির নাম বদলে দিতে বলেন। বৃহস্পতিবার মামলাকারীকে জনস্বার্থ মামলা হিসেবে মামলা দায়ের করার নির্দেশও দেন তিনি।

    কী বললেন বিচারপতি?

    এদিন মামলাটির শুনানি হয় কলকাতা হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে। বিচারপতি ভট্টাচার্য (Calcutta High Court) বলেন, “কারা এই নাম রেখেছেন? কারা এত বিতর্ক তৈরি করছেন? কোনও পশুর নাম কি কোনও দেবতা, পৌরাণিক নায়ক, স্বাধীনতা সংগ্রামী অথবা নোবেলজয়ী ব্যক্তির নামে রাখা যায়? সিংহ-সিংহীর নাম আকবর ও সীতার নামে রেখে শুধু শুধু বিতর্ক ডেকে আনা হয়েছে। এই বিতর্ক এড়ানো যেত। শুধু সীতা নয়, আকবর নামটিও রাখা উচিত নয়। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের মহান সম্রাট ছিলেন। অত্যন্ত দক্ষ এবং ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলেন। রাজ্যের উচিত ছিল এই ধরনের নামের বিরোধিতা করা।”

    বিচারপতির গুচ্ছ প্রশ্ন

    আলিপুর চিড়িয়াখানর প্রসঙ্গ টেনে বিচারপতি বলেন, “কত সাধারণ নাম রয়েছে, যা নিয়ে বিতর্ক হয় না। আলিপুর চিড়িয়াখানায় একটি সিংহীর নাম শ্রুতি, তা নিয়ে তো বিতর্ক হয় না।” বিচারপতি বলেন, “আপনি কি কোনও সিংহের নাম দেবেন হিন্দুদের কোনও দেবতার নামে? অথবা কোনও মুসলমান প্রফেটের নামে? কিংবা খ্রিস্টানদের দেবতার নামে? অথবা কোনও স্বাধীনতা সংগ্রামীর নামে? কিংবা কোনও নোবেলজয়ীর নামে? সাধারণত আমাদের দেশে যাঁরা শ্রদ্ধার পাত্র কিংবা বিখ্যাত তাঁদের নামে?”

    আরও পড়ুুন: বিজেপি-র মহিলা মোর্চাকে বাধা! শাহজাহান অনুগামীর ভেড়ির আলাঘর জ্বালিয়ে দিল জনতা

    গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরার বিশালগড়ের সিপাহিজল জুলজিক্যাল পার্ক থেকে জলপাইগুড়ির সাফারি পার্কে নিয়ে আসা হয় ওই সিংহ দম্পতিকে। সিংহটির নাম আকবর, সিংহীর নাম সীতা। সেখানে তাদের একই ঘেরাটোপে রাখা হয়। সিংহ দম্পতির এই নামে আপত্তি তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। অভিযোগ, এক ঘেরাটোপে এই নামের সিংহ ও সিংহীকে রেখে আঘাত করা হয়েছে ধর্মীয় ভাবাবেগে (Calcutta High Court)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share