Tag: Skin Problems

Skin Problems

  • Festival of colors: রঙের উৎসবে খেয়াল থাকুক ত্বক ও চোখে! কেন বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    Festival of colors: রঙের উৎসবে খেয়াল থাকুক ত্বক ও চোখে! কেন বাড়তি সতর্কতা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা! আর তার পরেই রঙের উৎসব! দোল উদযাপনে (Festival of colors) আপামর বাঙালি। তবে এই রঙিন উৎসবের আনন্দে সামিল হওয়ার জন্য কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দোলের উৎসবের পরেই ত্বক এবং চোখের নানান সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বিশেষত শিশুদের বাড়তি নানান সমস্যা দেখা দেয়। শিশুদের কানেও নানান সমস্যা এবং সংক্রমণ হয়। তাই তাঁদের পরামর্শ, এই উৎসবে আনন্দ করার সময় বাড়তি সতর্কতা জরুরি। তবেই সুস্থ ভাবে উদযাপন সম্ভব হবে। এখন দেখা যাক, কী ধরনের সমস্যার আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকেরা?

    ত্বকে অ্যালার্জি, চোখে সংক্রমণ (Festival of colors)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দোলের উদযাপনে অনেকেই নানান রকমের রঙ ব্যবহার করেন। সব রঙের গুণমান সমান হয় না। কম মানের রঙ ব্যবহার করলে ত্বকে নানা ধরনের অ্যালার্জি হতে পারে। চুলকানি, Rash, গোলগোল চাকা দাগ এমন নানান উপসর্গ দেখা দিতে পারে। যা দীর্ঘদিন ভোগান্তি তৈরি করে। আবার চোখেও নানান সংক্রমণ হতে পারে। চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রায় প্রত্যেক বছরেই দোলের পরে চোখের সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বাড়ে। অনেকের চোখে রঙ ঢুকে নানান ধরনের অ্যালার্জি হয়। আবার অনেকের চোখ ফুলে যায়। সংক্রমণ জটিল হয়ে গেলে দৃষ্টিশক্তিতেও প্রভাব ফেলে‌।

    কানে যন্ত্রণা

    অনেক সময় কানের সমস্যাও দেখা দেয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই সমস্যায় আক্রান্তেরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিশুরা হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, আবির জাতীয় রঙ খেলার সময় (Festival of colors) সময়েই অসাবধানতার জন্য শিশুদের কানের ভিতরে রঙ ঢুকে যায়। এর ফলে পরে কানে যন্ত্রণা হয়। অনেক সময়েই জটিল সংক্রমণ দেখা দেয়।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Festival of colors)

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, দোলের উৎসব উদযাপনের সময় বাড়তি সতর্কতা বজায় রাখলেই এই ধরনের বিপদ আটকানো সম্ভব হবে। ত্বকের সমস্যা এড়ানোর জন্য রঙের গুণমানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, পরিবেশবান্ধব রঙ এখন পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করলে ত্বকের নানান সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমে‌।
    তাছাড়া বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, ভালোভাবে ত্বকে ময়েশ্চারাইজার জাতীয় ক্রিম মেখে নিতে হবে। এতে চট করে রঙ চামড়ায় ছাপ ফেলবে না। রঙ ওঠানোও সহজ হবে।
    শিশুদের রঙের উৎসবে সামিল করার আগে বাড়তি সতর্কতা দরকার। যাতে চোখ ও কানের ভিতরে রঙ ঢুকে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। রঙিন নানা রকম উইগ এবং মুখোশ ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, মাথায় উইগ কিংবা মুখে মুখোশ পরলে শিশুদের কান এবং চোখে কিছুটা আচ্ছাদন থাকে। ফলে অনেক ভোগান্তি সহজেই এড়ানো সম্ভব হয়।
    উৎসবের (Festival of colors) পরিচ্ছন্নতার দিকে নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শিশুদের পাশাপাশি বাড়ির বড়দেরও এই পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে নজর দিতে হবে। হাত, নখ, চুল, চোখে যাতে রঙ ঢুকে না থাকে, তার জন্য ভালোভাবে পরিষ্কার হতে হবে। তবেই নানান রোগে আক্রান্ত (skin and eyes) হওয়ার ঝুঁকি কমবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Skin Problems: শীতের শুরুতে বাড়ছে ত্বকের শুষ্কতা! কোন কোন খাবারে কমবে সমস্যা? 

    Skin Problems: শীতের শুরুতে বাড়ছে ত্বকের শুষ্কতা! কোন কোন খাবারে কমবে সমস্যা? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করেছে। শীত জাঁকিয়ে পড়ার কথা হাওয়া অফিস জানায়নি। কিন্তু শীতের আঁচ এসেছে। আর তার সঙ্গে এসেছে শুষ্কতা। ত্বকের শুষ্কতার সমস্যায় অনেকেই কাবু হয়ে যান। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, শীত পড়ার আগেই খাবারে বিশেষ নজরদারি রাখলে শীতকালে আর ত্বকের শুষ্কতার (Skin Problems) সমস্যায় ভুগতে হবে না।

    কোন ধরনের খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা? 

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের শুরুতে ত্বক সুস্থ রাখতে নিয়মিত টমেটো খাওয়া দরকার। তাঁরা জানাচ্ছেন, টমেটোতে থাকে ভিটামিন ই, যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। ত্বকের শুষ্কতা কমাতে, সান বার্ন থেকে ত্বক বাঁচাতে টমেটো খুব উপকারী সব্জি। তাই স্যালাড হিসাবে হোক কিংবা রান্নায় ব্যবহার করে, যে কোনও ভাবে নিয়মিত টমেটো খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে। 
    নিয়মিত বাদাম জাতীয় ড্রাই ফ্রুটস খেলেও ত্বকের শুষ্কতা কমবে বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, পেস্তা, আখরোট, কাজু, যে কোনও ধরনের বাদামে থাকে ভিটামিন ই। যা ত্বককে যে কোনও রকম ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। তাই বাদাম নিয়মিত খেলে শীতের শুষ্ক ত্বক (Skin Problems) রুখতে সুবিধা হবে। 
    প্রত্যেক দিন লেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, কমলালেবু হোক কিংবা মাল্টা, শীতে একাধিক রকমের লেবু বাজারে দেদার পাওয়া যায়। আর এই সময়ে ত্বক ভালো রাখতে লেবু খাওয়া জরুরি। কারণ, লেবুতে থাকে ভিটামিন সি। আর এই ভিটামিন সি ত্বক মসৃণ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। নিয়মিত লেবু খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    ডিম-মাছ খাওয়ার পরামর্শ

    নিয়মিত ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমের কুসুমে রয়েছে একাধিক ভিটামিন। ডিমের সাদা অংশে রয়েছে ক্যালসিয়াম। এই দুই উপাদান শরীরে এনার্জি জোগায়। যা ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই শীতে নিয়মিত ডিম খেলে ত্বকের একাধিক সমস্যা (Skin Problems) কমবে বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। 
    যাদের ত্বকের শুষ্কতার সমস্যা বেশি, সপ্তাহে অন্তত তিন দিন তাদের চর্বিযুক্ত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, খাদ্যতালিকা থেকে অনেকেই চর্বিযুক্ত মাছ সম্পূর্ণ বাদ দেন। কিন্তু চর্বিযুক্ত মাছ অস্বাস্থ্যকর, এ ধারণা ভুল। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাছের চর্বিতে থাকে ওমেগা থ্রি। যা শরীরে জন্য বিশেষ উপকারী। চর্বিযুক্ত মাছ খেলে ত্বকের শুষ্কতা কমে। তাই যাদের ত্বকের শুষ্কতার সমস্যা বেশি, তাদের সপ্তাহে কমপক্ষে তিনদিন চর্বিযুক্ত মাছ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Acne Sollution: ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন কী করবেন আর কী করবেন না 

    Acne Sollution: ব্রণের সমস্যায় ভুগছেন? জেনে নিন কী করবেন আর কী করবেন না 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সঠিক নিয়ম মেনে দৈনন্দিন ত্বকের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরী। আপনার যদি ব্রণ (Acne) হওয়ার প্রবণতা থাকে তাহলে এই কাজ অপরিহার্য। সহজ কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই আপনি পেতে পারেন সুন্দর, স্বচ্ছ ত্বক।

    সবার আগে সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে ত্বক (Skin Care)। ত্বকের অতিরিক্ত তেল, মেকআপের অবশিষ্টাংশ, ঘাম, ময়লা, সাবান বা ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করুন। এতে ব্রন হওয়ার প্রবণতা কমবে।  আপনার ত্বকের প্রয়োজন বুঝে বেছে নিন ক্লেনজার, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান বা ফেসওয়াশ। খেয়াল রাখবেন যাতে তা বেশি শুষ্ক না করে ত্বক। দৈনিক দুবার পরিষ্কার করুন ত্বক। বিশেষ করে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখ পরিষ্কার করতে ভুলবেন না।         

    ব্রণ (Pimple) কমাতে অবশ্যই জানতে হবে এর আসল কারণ। নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন ত্বকের মৃত কোষ এবং অয়েল পোর্স পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। এতে কমেডোনের বৃদ্ধি কমে এবং ত্বককে মসৃণ ও নরম করতে সাহায্য করে। তবে দানাদার স্ক্রাব ব্রণযুক্ত ত্বকের জন্যে ক্ষতিকারক। সাবধানে ব্যবহার না করলে স্ক্রাব ত্বকের সমস্যা বাড়াতেও পারে।   
     
    ত্বক পরিষ্কার করার পরে টোনার এবং অ্যাস্ট্রিনজেন্ট ব্যবহার করতে হবে। ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয় অ্যাস্ট্রিনজেন্টকে। কিছু অ্যাস্ট্রিনজেন্টে অ্যান্টি-ব্লেমিশ পদার্থ যেমন স্যালিসিলিক অ্যাসিড থাকে। কিন্তু ব্রণহীন ত্বকে এই উপাদানগুলির প্রয়োজন নেই।  
     
    ত্বকের যত্ন নিতে অনেক টাকা বা সময় খরচ করার প্রয়োজন নেই। দিনে দুবার মাত্র কয়েক মিনিটই যথেষ্ট। ত্বক পরিষ্কার থাকলে ব্রণের অর্ধেক সমস্যা মিটে যায়।  সমস্যা বেশি হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। 

     

LinkedIn
Share