Tag: Smita Pandey

  • Suvendu Adhikari: ৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোট শেষে নয়া বোর্ড কলকাতা পুরসভায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোট শেষে নয়া বোর্ড কলকাতা পুরসভায়, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনের ঘণ্টা বাজিয়ে দিলেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার পুরসভা স্বচ্ছতা কর্মসূচির অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি ঘোষণা করেন, আগামী ছ’মাসের মধ্যেই কলকাতা পুরসভার নির্বাচন হয়ে যাবে এবং ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নবনির্বাচিত পুরবোর্ড গঠন করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এহেন ঘোষণায় এটা স্পষ্ট হয়ে গেল, ডিসেম্বরের শুরুতেই হয়ে যাচ্ছে কলকাতা পুরসভা নির্বাচন।

    মুখ্যমন্ত্রীর কথায় জল্পনার অবসান (Suvendu Adhikari) 

    রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই কলকাতা পুরসভায় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছিল। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে তৃণমূল ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়ার পরেই তাদের দখলে থাকা কলকাতা পুরসভায়ও ভাঙন ধরে। মেয়র পদে ইস্তফা দেন ফিরহাদ হাকিম। তাঁর পদত্যাগের পরেই পুরবোর্ড বাতিল করে দেয় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পান্ডেকে দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রশাসক হিসেবে। নির্বাচিত বোর্ড না থাকায় প্রশাসকের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে পুরসভার যাবতীয় কাজকর্ম। যদিও পুরসভার নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়ে শুরু হয়ে যায় জল্পনা। সোমবার সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ভোট করে নয়া বোর্ড গড়া হবে।

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পর ডামাডোল

    কলকাতা পুরসভার নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের এপ্রিল-মে মাসে। করোনা অতিমারীর কারণে নির্বাচন হয়নি। ভোট হয় ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে। পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৩৭টিতে জিতে বোর্ড গড়ে তৃণমূল। ওই নির্বাচনে বিরোধীরা ব্যাপক কারচুপি, ছাপ্পা ভোট ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছিলেন। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে গোহারা হেরে গিয়ে ক্ষমতা হারায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার। রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হন জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী। তার পরেই শুরু হয়ে যায় পদত্যাগের হিড়িক, যার আঁচ লাগে কলকাতা পুরবোর্ডেও। ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগের পর পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর নতুন মেয়রের নাম জানতে চেয়ে নোটিশ জারি করলেও, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনও নাম জানানো হয়নি তৃণমূলের তরফে। এরপরেই রাজ্য সরকার কলকাতা পুরসভার বোর্ড ভেঙে দিয়ে দায়িত্ব তুলে দেয় স্মিতার হাতে।

    শুভেন্দুর অনুষ্ঠানে হাজির কাজরী-ফিরহাদ

    এদিকে, এদিন পুরসভার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় (Kajari Banerjee)। ছিলেন তৃণমূলেরই জুঁই বিশ্বাস, দেবাশিস কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক কাউন্সিলর। উপস্থিত ছিলেন সদ্য-প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমও। জুঁই বলেন, “আমি ২০১০ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত কর্পোরেশনের কাউন্সিলর। আজ পর্যন্ত কোনও মুখ্যমন্ত্রী কর্পোরেশনে আসেননি। এই প্রথম কোনও মুখ্যমন্ত্রী এসে কাউন্সিলরদের উদ্দেশে বার্তা দেবেন। এটা নিঃসন্দেহে একটা বড় পদক্ষেপ। আশাকরি, সব কাউন্সিলরই সহযোগিতা করবেন।” কাজরী বলেন, “অন্য দল বলে উনি (মুখ্যমন্ত্রী) কোনও বিভেদ করেননি। বিরোধীদের সমান গুরুত্ব দিয়ে ডেকেছেন।”

     

  • Kolkata Municipal Corporation: কলকাতা পুরনিগমের বোর্ড বিলুপ্ত, প্রশাসক পদে নিযুক্ত হলেন পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে

    Kolkata Municipal Corporation: কলকাতা পুরনিগমের বোর্ড বিলুপ্ত, প্রশাসক পদে নিযুক্ত হলেন পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দননগর ও বিধাননগরের পর এবার কলকাতা পুরনিগমেও (Kolkata Municipal Corporation) প্রশাসক বসাল রাজ্য সরকার। পুর বিষয়ক দফতরের এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বর্তমান পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে (Smita Pandey) কলকাতার নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনিই এই পদে বহাল থাকবেন।

    পদত্যাগ করেন ফিরহাদ হাকিম

    সম্প্রতি রাজ্যের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের জেরে বিভিন্ন পুরনিগম (Kolkata Municipal Corporation) ও পুরসভার কাউন্সিলররা পদত্যাগ করতে শুরু করেন, যার ফলে একের পর এক নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে যায়। সেই রাজনৈতিক ডামাডোলের আঁচ এসে পড়ে কলকাতা পুরনিগমেও। গত ৫ জুন কলকাতার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেন ফিরহাদ হাকিম। মেয়রের ইস্তফার পর বর্তমান বোর্ডের অস্তিত্ব ও বৈধতা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দেয়।

    মেয়রের পদত্যাগের দিনই পুর দফতর থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করে পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের (Smita Pandey) কাছে জানতে চাওয়া হয়— কেন বর্তমান বোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না? এই বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য তাঁকে তিন দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়, এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নতুন মেয়র নির্বাচনের জন্য কোনও আবেদন জমা না পড়লে বোর্ড বিলুপ্ত করে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে।

    ১৯৮০-র ১১৭ ধারার উপধারা (১) প্রয়োগ

    সোমবার পুর কমিশনারের (Kolkata Municipal Commissioner) কাছে জানতে চাওয়া হয়, মেয়র নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও চিঠি বা প্রস্তাব তাঁর কাছে এসেছে কি না। জবাবে স্মিতা পাণ্ডে জানান, কোনও পক্ষ থেকেই এমন কোনও আবেদন তিনি পাননি। পাশাপাশি, সরকারের নির্দেশ অনুসারে তিনি যথাসময়ে তাঁর উত্তর জমা দিয়েছেন। এর পরেই সোমবার সন্ধ্যায় পুর বিষয়ক দফতরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ড বিলুপ্তির চূড়ান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়।

    সরকারি চিঠিতে জানানো হয়েছে, কলকাতা পুরনিগম আইন, ১৯৮০-র ১১৭ ধারার উপধারা (১) প্রয়োগ করে এই নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দেওয়া হলো। এর ফলে মেয়রের পাশাপাশি ‘মেয়র-ইন-কাউন্সিল’ এবং উক্ত আইনের অধীনে গঠিত পুরনিগমের সমস্ত কমিটি ও চেয়ারম্যান পদের অবলুপ্তি ঘটল। এখন থেকে পুর আইনের ১১৮ ধারার উপধারা (১)-এর দফা (খ) অনুযায়ী রাজ্য সরকার নিযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমেই পরিচালিত হবে পুরনিগমের সমস্ত কাজ।

    এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়াররাই তদারকি করবেন

    রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বর্তমানে এমআইসি (MIC)-রা পুরনিগমে আসছেন না। তবে এই পরিস্থিতিতে নাগরিক পরিষেবা যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন নবনিযুক্ত প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে। তিনি জানান, উচ্চপদস্থ এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়াররাই মূলত সমস্ত প্রশাসনিক কাজ তদারকি করেন এবং আগামীদিনেও তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবেন। এটি একটি সরকারি দফতরের নিয়ম মেনেই এখানে কাজ সচল রয়েছে।

    সামনে বর্ষাকাল হওয়ায় কলকাতা পুর-এলাকায় (Kolkata Municipal Corporation) জল জমার (ওয়াটার লগিং) দীর্ঘদিনের সমস্যা রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগামী ১০ জুন উচ্চপদস্থ ইঞ্জিনিয়ারদের নিয়ে একটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন প্রশাসক। তিনি জানান, শহরের নিকাশি নালাগুলি পরিষ্কারের ওপর এখন থেকেই বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে এবং যেখানেই সমস্যার খবর মিলছে, সেখানেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

LinkedIn
Share