Tag: Smriti Irani

Smriti Irani

  • RSS: নিতিন নবীনের নয়া সাংগঠনিক দল, আরএসএসের সঙ্গে সমন্বয়-নির্বাচনী প্রস্তুতিতে জোর বিজেপির

    RSS: নিতিন নবীনের নয়া সাংগঠনিক দল, আরএসএসের সঙ্গে সমন্বয়-নির্বাচনী প্রস্তুতিতে জোর বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির নয়া সাংগঠনিক দলকে নিছক নিয়মমাফিক রদবদল হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টির তাৎপর্য ধরা পড়বে না। নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) নেতৃত্বে গঠিত নতুন দলে যাঁদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে, যাঁদের দায়িত্বে রাখা হয়েছে এবং যাঁদের পদোন্নতি হয়েছে, তাঁদের তালিকা থেকে বিজেপির সাংগঠনিক অগ্রাধিকারের একটি স্পষ্ট ছবি উঠে আসছে। দলের নতুন বিন্যাসে আরএসএসের (RSS) সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সমন্বয়, সংগঠনকে শক্তিশালী করার ওপর বাড়তি গুরুত্ব এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করার প্রবণতা স্পষ্ট।

    নয়া সাংগঠনিক কাঠামোর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা (RSS)

    নয়া সাংগঠনিক কাঠামোর সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বার্তাগুলির একটি হল রাম মাধবের প্রত্যাবর্তন। তাঁকে দলের জাতীয় সহ-সভাপতি করা হয়েছে। আরএসএসের দীর্ঘদিনের এই গুরুত্বপূর্ণ মুখ প্রায় এক দশক আগে বিজেপির সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনায় জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এসেছিলেন। সংঘের সঙ্গে বিজেপির সমন্বয় এবং দলের প্রচলিত হিন্দি বলয়ের বাইরে উত্তর-পূর্ব ভারত ও জম্মু-কাশ্মীরে সংগঠন বিস্তারের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সংঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত একজন সাংগঠনিক কৌশলবিদ হিসেবে রাম মাধব বিজেপির ভিতরে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তৈরি করে নিয়েছিলেন। এবার তাঁর প্রত্যাবর্তনের ফলে দলের জাতীয় কাঠামোর মধ্যে অভিজ্ঞ সংঘ-ঘনিষ্ঠ নেতৃত্ব আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পেল। ফলে তাঁর ফিরে আসাকে বিজেপি কিংবা সংঘ—কোনও পক্ষই বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক মহলে এই প্রত্যাবর্তনকে দুই সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    সন্তোষ-তাওড়ে-বনসল

    রাম মাধবের পাশাপাশি সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পদে বিএল সন্তোষকে বহাল রাখা এবং জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিনোদ তাওড়ে ও সুনীল বনসলকে দায়িত্বে রাখাও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে এই তিন নেতাকেই বিজেপির সাংগঠনিক মেরুদণ্ডের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে দেখা হয়। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনজনেরই আরএসএসের সঙ্গে যোগাযোগ ও সাংগঠনিক সম্পর্ক রয়েছে। বিনোদ এবং সুনীলের মতো নেতাদের উপস্থিতি বিজেপির নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে আরও অভিজ্ঞ করে তুলছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে নির্বাচনী সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের অভিজ্ঞতা দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে নতুন কমিটিতে সংগঠন পরিচালনা এবং ভোটের ময়দানে কৌশল প্রয়োগ—দুই ক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাকেই একসঙ্গে কাজে লাগানোর চেষ্টা রয়েছে।সতীশ পুনিয়াকেও নতুন সাংগঠনিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সংগঠন এবং আরএসএসের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর পদোন্নতিও ইঙ্গিত করছে যে, বিজেপি শুধু জনসমক্ষে দৃশ্যমানতা বা নির্বাচনী জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নতুন সাংগঠনিক দল তৈরি করছে না। দলের নিচুতলার কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং আদর্শগত ভিত্তিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (Nitin Nabin)।

    উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রেও নয়া সাংগঠনিক বিন্যাস

    উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রেও নতুন সাংগঠনিক বিন্যাসে বিশেষ নজর রয়েছে। স্বদেশ সিংহকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা এবং মৃগাঙ্ক দেও বর্মনকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে উন্নীত করা সেই দিকটিরই ইঙ্গিত। এঁরা এমন নেতা নন, যাঁদের নাম নিয়মিতভাবে টেলিভিশনের আলোচনাকেন্দ্রে বা বড় নির্বাচনী সমাবেশে সামনে আসে। কিন্তু সাংগঠনিক রাজনীতিতে তাঁদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দলের প্রচার-নির্ভর রাজনীতির বাইরে নিচুতলায় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে এই ধরনের নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তাকে নতুন করে গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে শিবপ্রকাশ ও সৌদান সিংহকে জাতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পদে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রেও। সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং সংঘের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে এমন নেতৃত্বকে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রেখে বিজেপি মূলত দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও সুসংহত করতে চাইছে। নয়া তালিকায় বিপ্লব কুমার দেবের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে উন্নীত হওয়াও উল্লেখযোগ্য। ত্রিপুরায় বিজেপির সংগঠন গড়ে তোলা থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া এবং পরে জাতীয় স্তরের সংগঠনে ফিরে আসা—তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা দলের সাংগঠনিক ব্যবস্থার সঙ্গে সরকারের কাজের অভিজ্ঞতার একটি সমন্বিত উদাহরণ। তাঁর দায়িত্ববৃদ্ধি থেকে বোঝা যায়, সরকার পরিচালনার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক ভিতরে কাজ করার অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে পদ্ম শিবির(RSS)। এদিকে, দলের রাজনৈতিকভাবে পরিচিত মুখগুলিকেও নতুন কাঠামো থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। স্মৃতি ইরানির প্রত্যাবর্তন এবং উত্তরপ্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের দায়িত্ব পাওয়া সংগঠনের মধ্যে নির্বাচনী শক্তিকে আরও জোরদার করবে। জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উত্তরপ্রদেশ। ফলে সেখানে সাংগঠনিক দায়িত্বের সঙ্গে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা যুক্ত করা দলের নির্বাচনী কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে (Nitin Nabin)।

    রাজনীতি ও সংগঠনের মেলবন্ধন

    বিজেপির নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য সম্ভবত এখানেই। দলটি রাজনীতি ও সংগঠনের মধ্যে কোনও একটিকে বেছে নিচ্ছে না, বরং দুই ক্ষেত্রকে একসঙ্গে মেলানোর চেষ্টা করছে। নিতিন নবীনের নেতৃত্বে দলের নতুন সাংগঠনিক বিন্যাসের প্রকৃত তাৎপর্য সম্ভবত এই জায়গায়ই।

    বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই কর্মী সংগঠিত করা, আদর্শগত ঐক্য বজায় রাখা এবং বুথস্তর পর্যন্ত সাংগঠনিক উপস্থিতি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আরএসএসের নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করে এসেছে। কিন্তু বর্তমানে ভারতের নির্বাচনী রাজনীতি ক্রমশ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভোটের লড়াইয়ে রাজনৈতিক ব্যবস্থাপনাও আগের তুলনায় অনেক বেশি জটিল। এই পরিস্থিতিতে পুরনো সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও নিখুঁত ও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর প্রয়োজন বেড়েছে বিজেপির।

    নতুন দায়িত্ব বণ্টন সেই প্রয়োজনেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। শীর্ষস্তরে তুলনামূলকভাবে তরুণ নেতৃত্ব, গুরুত্বপূর্ণ পদে অভিজ্ঞ নির্বাচনী ব্যবস্থাপক এবং সংগঠন বা সংঘের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত নেতাদের সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। এর ফলে বিজেপির রাজনৈতিক প্রচার, নির্বাচনী কৌশল এবং সাংগঠনিক কর্মসূচির মধ্যে আরও নিবিড় যোগাযোগ তৈরি করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে (RSS)।

    আরএসএসের দৃষ্টিকোণ থেকেও এই সাংগঠনিক বিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ। বিজেপি ও সংঘের মধ্যে যে প্রাতিষ্ঠানিক সেতু দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে, নতুন দল সেই সেতুকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। অন্যদিকে নিতিন নবীনের জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদক্ষেপ। নতুন সাংগঠনিক দল গঠনের মাধ্যমে তিনি নিজের সাংগঠনিক পরিচয় ও নেতৃত্বের ধরন স্পষ্ট করার সুযোগ পাচ্ছেন।

    বিজেপির বার্তা স্পষ্ট

    সব মিলিয়ে বিজেপির নতুন সাংগঠনিক দলের বার্তা যথেষ্ট পরিষ্কার। সামনে যে নির্বাচনী পর্ব আসছে, তার আগে দল সংগঠনের ওপর আরও জোর দিতে চাইছে। শুধু জনপ্রিয় মুখ বা নির্বাচনী প্রচারের ওপর নির্ভর না করে বুথস্তর থেকে জাতীয় স্তর পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সঙ্গে দলের সমন্বয়ও আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠছে।

    নিতিন নবীনের নেতৃত্বে এই নতুন বিন্যাস তাই কেবল কয়েকটি পদে পরিবর্তনের ঘটনা নয়। বরং এর মধ্যে দিয়ে বিজেপি আগামী দিনের রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য সংগঠন, আদর্শ, নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বকে একই কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। আগামী নির্বাচনী ফল এই কৌশল কতটা কার্যকর হয়েছে তা শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে (Nitin Nabin)। তবে নতুন সাংগঠনিক দল থেকে আপাতত যে বার্তাটি সবচেয়ে স্পষ্ট, তা হল—বিজেপি সংগঠনকে আরও আঁটসাঁট করছে এবং তার সঙ্গে আরএসএসের সম্পর্কও হয়ে উঠছে আগের তুলনায় ঢের বেশি গুরুত্বপূর্ণ (RSS)।

     

  • BJP: নতুন জাতীয় কমিটিতে বড়সড় রদবদল বিজেপির, বাংলায় গুরুত্ব উত্তরবঙ্গের

    BJP: নতুন জাতীয় কমিটিতে বড়সড় রদবদল বিজেপির, বাংলায় গুরুত্ব উত্তরবঙ্গের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল করল বিজেপি (BJP)। সোমবার দলের নয়া  জাতীয় পদাধিকারীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে একদিকে যেমন একাধিক অভিজ্ঞ নেতাকে তাঁদের পুরনো দায়িত্বেই রাখা হয়েছে, তেমনই অন্যদিকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে জায়গা দেওয়া হয়েছে নতুন মুখকে। বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুই নেতার অন্তর্ভুক্তি (New National Committee)। জাতীয় সহ-সভাপতি পদে জায়গা পেয়েছেন মধুছন্দা কর এবং জাতীয় সম্পাদক করা হয়েছে আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে। ফলে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে বাংলার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গও বিশেষ গুরুত্ব পেল বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    নয়া কমিটিতে কারা (BJP)

    নতুন কমিটি ঘোষণা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। সোমবার থেকেই নতুন কমিটি দায়িত্ব নিয়ে কাজ শুরু করেছে। আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা, রাজ্যগুলিতে সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের প্রভাব বাড়ানোই নতুন কমিটির অন্যতম লক্ষ্য বলেই অনুমান। নতুন তালিকায় জাতীয় সহ-সভাপতি পদে একাধিক পুরনো মুখকে বহাল রাখা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া, তীর্থ সিং রাওয়াত, রাম মাধব, বৈজয়ন্ত জয় পাণ্ডা, ডি. পুরানদ্বেশ্বরী, রেখা বর্মা, বর্ষাবেন নরেন্দ্রভাই জোশী, ভারতী প্রবীণ পাওয়ার, মনপ্রীত সিং বাদল, লাল সিং আর্য, এম নাগরাজ এবং তারিক মনসুর। এই তালিকায়ই নতুন করে জায়গা পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মধুছন্দা। জাতীয় সহ-সভাপতিদের তালিকায় মোট ১৩ জনের মধ্যে পাঁচ জন মহিলা রয়েছেন। ফলে সংগঠনের শীর্ষস্তরে মহিলা নেতৃত্বকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাও এই তালিকা থেকে স্পষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মধুছন্দার অন্তর্ভুক্তি রাজ্য সংগঠনের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    বাংলার প্রতিনিধিত্ব

    জাতীয় সম্পাদক পদেও বাংলার প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজকে জাতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের এই বিজেপি নেতার সর্বভারতীয় সংগঠনে অন্তর্ভুক্তি আগামী দিনে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক গুরুত্ব আরও বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই উত্তরবঙ্গকে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে তুলে ধরা হয়। সেই অঞ্চলের এক সাংসদকে জাতীয় স্তরের সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়ার ফলে উত্তরবঙ্গে দলীয় সংগঠন আরও সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা (BJP)। জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতাকে রাখা হয়েছে। বিনোদ তাওড়ে, সুনীল বনশল, বিপ্লব কুমার দেব, স্মৃতি ইরানি, সতীশ পুনিয়া, গজেন্দ্র প্যাটেল, হরিশ দ্বিবেদী এবং সঞ্জয় ভাটিয়া এই পদে থাকছেন। আট জন জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে একমাত্র মহিলা হিসেবে জায়গা পেয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। তাঁর অন্তর্ভুক্তি নতুন কমিটির অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক। এর আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় তাঁকে জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হল।

    জাতীয় সাধারণ সম্পাদক

    জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বিএল সন্তোষকেও বহাল রাখা হয়েছে। সংগঠনের ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের ভূমিকার উপর দল যে আস্থা রাখছে, নতুন তালিকায়ও তার প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। জাতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিবপ্রকাশ ও সওদান সিংকে (New National Committee)। জাতীয় সম্পাদকদের তালিকায়ও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নাম রয়েছে। কবিতা পাটিদার, কে সুরেন্দ্রন, ভোলা সিং, প্রদীপ বর্মা, জগদীশ ঈশ্বরভাই প্যাটেল, সন্দীপ পাঠক, ফ্যাংনন কোন্যাক, সঙ্গীতা যাদব, অনিল অ্যান্টনি, এম ভেঙ্কটেশন, মনোজ টিগ্গা, সিদ্ধার্থ শম্ভু, স্বদেশ সিং, মৃগাঙ্ক দেব বর্মন, রোহন গুপ্ত এবং জয় প্রকাশকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই তালিকায়ও বিভিন্ন রাজ্য ও সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব রাখার চেষ্টা করা হয়েছে (BJP)। দলের আর্থিক কাঠামোয়ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলকে জাতীয় কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর সহকারী হিসেবে জাতীয় যুগ্ম কোষাধ্যক্ষ পদে রাজেশ মঙ্গলকে রাখা হয়েছে। পীযূষের মতো অভিজ্ঞ নেতাকে দলের আর্থিক দায়িত্বে আনা নতুন কমিটির অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত।

    কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বেও পরিবর্তন

    কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বেও পরিবর্তন হয়েছে। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকছেন তরুণ চুগ। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সম্পাদক করা হয়েছে মহেন্দ্র পাণ্ডেকে। উত্তর-পূর্ব ভারতের সংগঠনের ক্ষেত্রেও পৃথক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। উত্তর-পূর্ব সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন সম্বিত পাত্র এবং যুগ্ম সমন্বয়কের দায়িত্ব পেয়েছেন রাজীব বব্বর। দলের বিভিন্ন শাখায়ও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যুব মোর্চার সভাপতি হয়েছেন হেমাঙ্গ যোশী। মহিলা মোর্চার দায়িত্ব পেয়েছেন রূপকুমারী চৌধুরি। অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির মোর্চার দায়িত্বে রয়েছেন অমরপাল মৌর্য। কৃষক মোর্চার সভাপতি হয়েছেন বংশীলাল গুর্জর। তফশিলি জাতি মোর্চার দায়িত্ব পেয়েছেন শিবেশ কুমার রাম এবং তফশিলি জনজাতি মোর্চার সভাপতি হয়েছেন মান্নালাল রাওয়াত। সংখ্যালঘু মোর্চার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুঁওয়ার বাসিত আলিকে। গণমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালনার ক্ষেত্রেও নতুন দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। গণমাধ্যম আহ্বায়ক হয়েছেন অনিল বলুনি। সহ-আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন আশিস ঊষা আগরওয়াল, প্রদীপ ভাণ্ডারী এবং সিদ্ধার্থ যাদব। সোশ্যাল মিডিয়ার আহ্বায়ক করা হয়েছে দীপক মাসকেকে। সহ-আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন প্রীতি গান্ধী, শিবানন্দ দ্বিবেদী, অলোক ভাট এবং অরুণ যাদব।

    ভারসাম্য রাখার চেষ্টা

    সব মিলিয়ে নতুন জাতীয় কমিটিতে অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের মধ্যে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করেছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব (New National Committee)। পুরনো মুখের উপর আস্থা রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্য, মহিলা নেতৃত্ব এবং সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে মধুছন্দা এবং মনোজের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। মনোজের জাতীয় সম্পাদক হওয়া উত্তরবঙ্গের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের (BJP)। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এখনও দূরে। কিন্তু তার আগেই জাতীয় স্তরে সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিজেপি। নতুন কমিটির দায়িত্ব বণ্টন থেকে স্পষ্ট, রাজ্যভিত্তিক সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার পাশাপাশি মহিলা, যুব, কৃষক, অনগ্রসর শ্রেণি, তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি এবং সংখ্যালঘুদের মধ্যে দলের সাংগঠনিক উপস্থিতি বাড়ানোর উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও নতুন দুই মুখকে জাতীয় দায়িত্ব দিয়ে (New National Committee) রাজ্যে দলের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়েছে পদ্ম-শিবির (BJP)।

     

  • RG Kar Incident: ‘‘ব্যাটাকে সবার আগে ধরা উচিত’’, আরজি কর কাণ্ডে দাবি শুভেন্দুর, নিশানায় কে?

    RG Kar Incident: ‘‘ব্যাটাকে সবার আগে ধরা উচিত’’, আরজি কর কাণ্ডে দাবি শুভেন্দুর, নিশানায় কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকা নিয়ে আরজি করে (R G kar Case) হামলা চালিয়েছে বিজেপি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন ভিত্তিহীন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চাঁচাছোলা ভাষায় তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের বিধায়ক এদিন নিশানা করলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকেও। 

    সন্দীপ ঘোষের তো গুণের শেষ নেই

    আরজি কর কাণ্ডে হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে লাগাতার আক্রমণ করেছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁকেই আরজি করের একাধিক দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড বলে তোপ দেগেছে চিকিৎসক মহলের বড় অংশ। শুক্রবার তাঁকে রাস্তা থেকে পাকড়াও করে সিবিআই। এদিন, সন্দীপ ঘোষকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘সন্দীপ ঘোষের তো গুণের শেষ নেই। ২০২১ সালে ভালো পা-টাকে ব্যান্ডেজে জড়িয়েছিলেন ওঁ। একটা সীমাহীন কৃতজ্ঞতা বোধ তো রয়েছে তাঁর।’’

    গোলমাল করেছে অতীন ঘোষের লোকজন!

    মধ্যরাতে আরজি করে হামলা প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘‘গোলমালটা অতীন ঘোষের লোকরা ওখানে ঘটাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এটা বিজেপি বা সিপিএমের ছেলেরা করেছে বলে দেখানো হয়েছে। কিন্তু আমি আপনাকে একশোটা নাম ছবি দিয়ে দিতে পারি। অশোকনগর থেকে গুন্ডা এনেছে। নারায়ণ গোস্বামীর সঙ্গে ছবি আছে। অতীন ঘোষের মিছিলে এরা লিড করছে।’’

    শুভেন্দুর নিশানায় বিনীত গোয়েল (RG Kar Incident)

    এর পরেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে নিশানা করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘বিনীত গোয়েল ব্যাটাকে (RG Kar Case) সবার আগে ধরা উচিত। সব হয়ে যাওয়ার পর রাত দেড়টায় বিনীত গোয়েল এসেছেন। বেরিয়ে গিয়েছেন চারটের পর। ওই বোনটির (নির্যাতিতা) গাড়ি হাওয়া করার কাজ করেছেন বিনীত গোয়েল। বিনীত গোয়েলকে যদি সিবিআই তুলতে পারে এবং চাপ দিতে পারে, সবটা সামনে চলে আসবে।’’

    আরজি কর কাণ্ড (R G kar Case) নিয়ে কী বলছেন স্মৃতি ইরানি?

    আরজি কর কাণ্ডের আঁচ জাতীয় স্তরেও পৌঁছেছে। এনিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনিও। স্মৃতি বলেন, ‘‘এই ঘটনার আর কারা জড়িত পুলিশের কাছে যদি তথ্য থাকে, সেই তথ্যের ভিত্তিতে কী তদন্ত করেছে? আর কতজনকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ? এই বিষয়ের তথ্য তো চিকিৎসকদের কাছে রয়েছে, সাংবাদিকদের কাছেও রয়েছে, নিগৃহীতার বাবা-মা, এমনকি এখন আদালতের কাছেও রয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: দেশে চলছে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ, কোন কোন আসনে নির্বাচন, হেভিওয়েট কারা?

    Lok Sabha Elections 2024: দেশে চলছে পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ, কোন কোন আসনে নির্বাচন, হেভিওয়েট কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার ২০ মে ভোট (Lok Sabha Elections 2024) রয়েছে দেশের ছয়টি রাজ্য এবং দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। মোট ৪৯টি লোকসভা আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন পঞ্চম দফায়। বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, সাংসদ সহ ৬৯৫ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে। আজকে ভোট রয়েছে মহারাষ্ট্র, বিহার, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খন্ড, লাদাখ, ওড়িশা, উত্তর প্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে। চলতি বছরের ১৬ মার্চ নির্বাচন কমিশন লোকসভা ভোটের দামামা বাজিয়েছিল। প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। সপ্তম দফায় শেষ ভোট গ্রহণ (Lok Sabha Elections 2024) হবে ১ জুন। ষষ্ঠ দফার ভোট গ্রহণ রয়েছে ২৫ মে। ভোট গণনা হবে ৪ জুন। অন্যান্য দফার মত আজকেও সকাল সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হবে এবং তা চলবে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত।

    কোন কোন আসনে ভোট আজ

    মহারাষ্ট্র: ১৩ আসনে ভোট (Lok Sabha Elections 2024) আজ। এগুলি হল- মুম্বই উত্তর, মুম্বই উত্তর-পশ্চিম, মুম্বই উত্তর-পূর্ব, মুম্বই উত্তর-মধ্য, মুম্বই দক্ষিণ-মধ্য, মুম্বই দক্ষিণ, থানে, কল্যাণ, পালঘর, ধুলে, ডিন্ডোরি, নাসিক, ভিওয়ান্ডি

    উত্তরপ্রদেশ: ১৪টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট আজ। এগুলি হল- লখনউ, আমেঠি, রায়বরেলি, মোহনলালগঞ্জ, জালাউন, ঝাঁসি, হামিরপুর, বান্দা, কৌশাম্বি, ফতেহপুর, গোন্ডা, বারাবাঙ্কি, ফৈজাবাদ, কায়সারগঞ্জ

    পশ্চিমবঙ্গ: ৭ আসনে ভোট আজ। এগুলি হল- হাওড়া, হুগলি, আরামবাগ, বনগাঁ, বারাকপুর, শ্রীরামপুর, উলুবেড়িয়া

    বিহার: ৫ আসনে ভোট আজ। এগুলি হল- মুজাফফরপুর, মধুবনি, হাজিপুর, সীতামারহি, সরণ

    জম্মু ও কাশ্মীর: বারামুল্লা লোকসভা আসনে ভোট

    লাদাখ: লাদাখ লোকসভা আসনে ভোট আজ

    ঝাড়খণ্ড: ৩টি লোকসভা আসনে ভোট আজ। এগুলি হল- চাতরা, কোডারমা, হাজারীবাগ

    ওড়িশা: ৫টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট আজ। এগুলি হল- বারগড়, সুন্দরগড়, বোলাঙ্গির, কান্ধমাল, আস্কা

    উল্লেখযোগ্য প্রার্থী কারা (Lok Sabha Elections 2024)

    রাহুল গান্ধী (কংগ্রেস): রায়বরেলি

    দীনেশ প্রতাপ সিং (বিজেপি): রায়বরেলি

    স্মৃতি ইরানি (বিজেপি): আমেঠি

    কিশোরী লাল শর্মা (কংগ্রেস): আমেঠি

    রাজনাথ সিং (বিজেপি): লখনউ

    পীযূষ গোয়াল (বিজেপি): উত্তর মুম্বই

    চিরাগ পাসওয়ান (এলজেপি): হাজিপুর

    করণ ভূষণ সিং (বিজেপি): কায়সারগঞ্জ

    রাজীব প্রতাপ রুডি (বিজেপি): শরণ

    রোহিণী আচার্য (আরজেডি): শরণ

    ওমর আবদুল্লা (জেকেএনসি): বারামুল্লা

    অরবিন্দ সাওয়ান্ত (এসএসইউবিটি): মুম্বই দক্ষিণ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “তিনি কি ইন্ডি জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী?”, রাহুলকে প্রশ্ন স্মৃতির

    PM Modi: “তিনি কি ইন্ডি জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী?”, রাহুলকে প্রশ্ন স্মৃতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) বিতর্কে আহ্বান করেছিলেন তিনি। দেশে চলছে অষ্টাদশতম লোকসভা নির্বাচন। এমতাবস্থায় বিতর্কের আহ্বান কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর। রাহুলের সেই আহ্বানের প্রেক্ষিতেই তাঁকে কার্যত ধুয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বৈরথের ক্ষমতা রাহুলের রয়েছে কিনা, সে প্রশ্নও তুললেন স্মৃতি। একদা কংগ্রেসে ঘাঁটি আমেঠিতেই যিনি দাঁড়াতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, সেই তিনিই কিনা বিতর্ক সভায় প্রধানমন্ত্রীকে আহ্বান করেছেন শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    আমেঠিতে ধরাশায়ী রাহুল (PM Modi)

    ২০০৪ সাল থেকে আমেঠিতে ধারাবাহিকভাবে জয়ী হয়ে আসছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। উনিশের নির্বাচনে স্মৃতির কাছে ধরাশায়ী হন তিনি। তার পর আর আমেঠিতে দাঁড়াতে রাজি হননি রাহুল। কেরলের ওয়েনাড়ের পাশাপাশি রাহুল মনোনয়নপত্র দাখিল করেন রায়বেরিলি কেন্দ্র থেকে। এই কেন্দ্রে দু’দশক ধরে জিতে আসছিলেন সোনিয়া গান্ধী। বয়সজনিত কারণ এবার আর প্রার্থী হতে চাননি তিনি। কেন্দ্রের মৌরসিপাট্টা ধরে রাখতে রাহুলকে প্রার্থী করে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। সেই রাহুলই এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) আহ্বান করেন তর্ক-যুদ্ধে।

    কী বললেন স্মৃতি?

    এরই জবাব দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী তথা আমেঠির বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি। বলেন, “প্রথমত, যিনি সামান্য একজন বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হওয়ার সাহস পান না তাঁর তথাকথিত খাসতালুকেই, তাঁর অহঙ্কার ত্যাগ করা উচিত। আর দ্বিতীয়ত, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিতর্কে বসতে চান। আমি তাঁকে প্রশ্ন করি, তিনি কি ‘ইন্ডি’ জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী?”

    আরও পড়ুুন: “এই নির্বাচন রামভক্ত ও রাম-দ্রোহীদের মধ্যে একপক্ষকে বেছে নেওয়ার”, বললেন যোগী

    সম্প্রতি একটি মহলের তরফে বিতর্ক সভায় আহ্বান করা হয়েছিল রাহুলকে। চিঠিতে রাহুল তাঁদের লিখেছেন, “যেহেতু প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনে লড়ছে, জনগণ তাঁদের নেতাদের মুখ থেকে সরাসরি শুনতে চান তাঁদের বক্তব্য।” এর পরেই তিনি লিখেছেন, “হয় আমি নিজে নয় কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে এরকম তর্ক-যুদ্ধে অংশ নিতে মুখিয়ে রয়েছি।” তিনি বলেন, “এরকম বিতর্কে অংশ নিতে আমি একশো শতাংশ প্রস্তুত। যদিও প্রধানমন্ত্রী এতে রাজি হবেন না।” এরই জবাবে রাহুলের যোগ্যতা নিয়েই (PM Modi) প্রশ্ন তোলেন স্মৃতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: গান্ধী পরিবার মুক্ত আমেঠি, মানুষের জয় বললেন স্মৃতি ইরানি

    Smriti Irani: গান্ধী পরিবার মুক্ত আমেঠি, মানুষের জয় বললেন স্মৃতি ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ানাড়ের (Wayanad) পর রাহুল গান্ধির এবারের ঠিকানা রায়বরেলি (Raybareli)। এই কেন্দ্র থেকে রাহুল গান্ধীর নাম (Rahul Gandhi) ঘোষণা হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির আমেঠি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। কংগ্রেসের যুবরাজের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “ভোট গ্রহণের আগেই রাহুল তাঁর নির্ধারিত পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। যার জন্যই কংগ্রেস এখানে একজন প্রক্সি ক্যান্ডিডেট দিয়েছেন।”

    আমেঠিতে অতিথিদের স্বাগত

    তিনি আরও বলেন, “আমি আমেঠিতে (Amethi) অতিথিদের স্বাগত করব। এখানে এই কেন্দ্রে গান্ধী পরিবার আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। ভোট গ্রহণে এখনও দেরি আছে। কিন্তু আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। সেই কারণে গান্ধী পরিবারের কোনও প্রতিনিধি আমেঠি থেকে দাঁড়াল না। প্রসঙ্গত আমেঠি থেকে কংগ্রেস পরিবারের বহু সদস্য আগে সাংসদ হয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) বলেন, “রায়বেরেলি থেকে রাহুল গান্ধীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত আমেঠির মানুষের বড় জয়। অনেকেই ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করে দিয়েছেন ভারত কংগ্রেসমুক্ত হোক না হোক, আমেঠি গান্ধী পরিবার মুক্ত হয়ে গেছে।”

    আমেঠি কেন্দ্রে উন্নয়ন হয়েছে

    স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) দাবি করেছেন, “আমেঠি কেন্দ্রে প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু মাঝের ২ বছর করোনার জন্য এখানকার মানুষ যে পরিমাণ উন্নয়ন আশা করেছিলেন তা করতে দেরি হয়েছে। আগামী দিনে এই কেন্দ্রে মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ও পরিকাঠামগত উন্নয়নের দিকে নজর দেব”। তাঁর প্রশ্ন, “আমেঠি কেন্দ্র জয়ী হয়েছেন গান্ধী পরিবারের বহু সদস্য। প্রতিদান স্বরূপ তাঁরা এই কেন্দ্রের জন্য কী করেছেন? স্মৃতি ইরানির দাবি, “মোদি সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরেই আমেঠির জন্য একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: সৎ চাকরিহারাদের জন্য সুকান্তকে লিগ্যাল ও সোশ্যাল মিডিয়া সেল খোলার নির্দেশ দিলেন মোদি

    সুরক্ষিত আসনের খোঁজে রাহুল

    এদিন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সেই কথার পুনরাবৃত্তি করেন যেখানে তিনি বলেছিলেন, “কংগ্রেস এবার কেরালাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। রাহুল গান্ধী সেই কারণেই একটি তুলনামূলক সুরক্ষিত আসন খুঁজছেন”। প্রসঙ্গত এবার মায়ের ছেড়ে যাওয়া আসন রায়বরেলি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কংগ্রেসের যুবরাজ। আমেঠি থেকে গান্ধীর পরিবারের যোগাযোগ সেই আশির দশক থেকে। এই কেন্দ্র থেকে ১৯৮০ সালে জয়ী হয়েছিলেন সঞ্জয় গান্ধী। এরপর ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন রাহুল গান্ধীর পিতা রাজীব গান্ধী। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত এ কেন্দ্র থেকে সাংসদদের দায়িত্ব সামলেছেন প্রয়াত রাজীব গান্ধীর স্ত্রী এবং রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়া গান্ধী। রাহুল গান্ধী নিজেও ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত এই কেন্দ্র থেকে সাংসদ ছিলেন। ২০১৯ সালে রাহুল দুই জায়গা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আমেঠির ও ওয়ানাড়। আমেঠি থেকে হেরে গেলেও রাহুলের মান রক্ষা হয় ওয়ানাড়ে। চলতি বছর আর রাহুল গান্ধী এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস দেখাতে পারলেন না। তিনি মায়ের ছেড়ে যাওয়া রায়বরেলি আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন। যদিও রাহুলকে হারিয়ে ২০১৯ সালে জয়ী হওয়া স্মৃতি জুবিন ইরানি (Smriti Irani) এবারও এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বিজেপির ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত। কসবায় (Kasba Incident) বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। পুলিশ (kolkata police) সূত্রে খবর, দুজনকেই সোমবার আদালতে তোলা হবে। সম্প্রতি ভোট প্রচারে (Lok sabha Vote 2024) বেরিয়ে কসবা বিধানসভা এলাকার আনন্দপুরে আক্রান্ত হন বিজেপি নেত্রী (BJP leader) সরস্বতী সরকার। ঘটনার পরেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি নেত্রী। এরপরেই এই ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় নিজের এক্স হ্যান্ডলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok sabha Vote 2024)?

    শনিবার রাতে কয়েক জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আরবান কমপ্লেক্সের কাছে পূর্বপাড়ায় দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা (Lok sabha Vote 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরীর সমর্থনে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, তখনই আচমকা তৃণমূলের লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় তাঁদের পোস্টার, ব্যানার। তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়া হলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সরস্বতী সরকারকে কোপানো (Kasba Incident) হয়।গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তর নাম গৌর হরি গায়েন ও আসরাফ মোল্লা ওরফে ভুতো। দুজনের বিরুদ্ধেই এফআইআরে বিজেপির (BJP) নেত্রীর উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছিল।

    বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতির বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা (South Kolkata) জেলা সভাপতি অনুপম বলেছিলেন, ‘‘দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূলের গড় হলেও এ বারের ভোটে সেই গড় নড়ে যাবে। আমাদের প্রার্থী এবং কর্মীরা ভোটপ্রচারে (Lok sabha Vote 2024) নেমে যে ভাবে সাড়া পাচ্ছেন, তাতে ভয় পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সেই ভয় থেকেই আমাদের মণ্ডল সভাপতি ও কর্মীদের ওপর হামলা (Kasba Incident) চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।’’

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

    ঘটনার প্রতিবাদে ধর্না

    এই ঘটনায় আনন্দপুর পুলিশ স্টেশনের সামনে ধর্নায় বসেন দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী (Lok sabha Vote 2024) দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর দাবি, জামিন যোগ্য ধারায় মামলা করে পুলিশ হামলাকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে পুলিশকে মদত দিচ্ছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারার মামলা করার দাবিও জানিয়েছেন দেবশ্রী। যতক্ষণ না তা করা হবে ততক্ষণ ধর্না (Kasba Incident) চলবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।

    অন্যদিকে শনিবার রাতেই আক্রান্ত বিজেপি নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন কেন্দ্রীয় শিশু ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। একই সঙ্গে, তাঁর যাবতীয় খোঁজ খবরও নিয়েছেন মন্ত্রী৷ বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয় বলেও জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “হিন্দুস্থান রয়েছে, ছিল এবং থাকবেও”, রাহুলকে নিশানা করতে গিয়ে বললেন স্মৃতি

    Lok Sabha Elections 2024: “হিন্দুস্থান রয়েছে, ছিল এবং থাকবেও”, রাহুলকে নিশানা করতে গিয়ে বললেন স্মৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার এই কণ্ঠস্বর যদি রাহুল গান্ধীর কাছ পর্যন্ত পৌঁছায়, তাহলে আমি তাঁকে বলতে চাই, তাঁর মতো অনেকে এলেন, গেলেনও, হিন্দুস্থান রয়েছে, ছিল এবং থাকবেও।” চেন্নাইয়ের এক জনসভায় (Lok Sabha Elections 2024) কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু বিকাশ দফতরের মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।

    রাহুলকে তোপ স্মৃতির

    শনিবার ভেপ্পারি জেলার ওয়াইএমসিএ অডিটোরিয়ামে বিজেপি প্রার্থী বিনয় পি সেলভামের সমর্থনে ভাষণ দিচ্ছিলেন তিনি। সেখানেই তোপ দাগেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে। অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের তাৎপর্যের বিষয়েও এদিন জোর দেন কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী। স্মৃতি বলেন, “এই দেশে অনেক রাজ্য রয়েছে, যেখানে ইন্ডি জোটের শরিকরা জয় শ্রী রাম বলার জন্য মানুষকে হত্যা করেছে। এই ঘটনা ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গে এবং কেরলে। আর আজ? আমাদের সব চেয়ে বড় সৌভাগ্য হল, আমরা ভগবান রামের পায়ে মাথা নত করে দাঁড়িয়ে রয়েছি। মন্দির করে নির্মাণ হবে, তা বলা হয়েছিল, মন্দির নির্মাণ হয়েছে।

    রামের মহিমা

    ভগবান রামের মহিমাও দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। যাঁরা এক সময় রামের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলতেন, তাঁদেরও আজ ভগবান রাম ডাকছেন। রামের নেতৃত্ব নিয়েও তাঁদের ঔদ্ধত্য প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।” প্রসঙ্গত, (Lok Sabha Elections 2024) চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি দ্বারোদ্ঘাটন হয় অযোধ্যার রাম মন্দিরের। এদিনই প্রাণ প্রতিষ্ঠাও হয় রামলালার।

    আরও পড়ুুন: “আইন এবং সংবিধানকে নষ্ট করার দল হচ্ছে তৃণমূল”, তোপ মোদির

    মোদির নিশানাতেও রাহুল

    এদিকে, শনিবার রাজস্থানের এক জনসভা থেকে কংগ্রেসকে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “কংগ্রেস অযোধ্যায় রাম মন্দিরে বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানের বিরোধিতা করেছিল। কংগ্রেসের একজন ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় তাঁকে ছ’বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রাম মন্দির নির্মাণ হয়েছে। তাতে আপনারা খুশি হয়েছেন না হননি? প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যাওয়ার বিরোধিতা করা হয়েছিল। এটা কী ঠিক হয়েছিল? কেবল এটাই নয়, কেউ যদি প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যায়, তাকে দল থেকে ছ’বছরের জন্য বহিষ্কার করা হবে! এদেশে এমনটা ঘটতে পারে? ভগরাম রাম ছাড়া এ দেশের অস্তিত্ব আপনি ভাবতে পারেন (Lok Sabha Elections 2024)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    Smriti Irani: “রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই”, হাওড়ায় তোপ স্মৃতি ইরানির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান রামের বিজয় হল অধর্ম ও অসত্যের বিনাশের সংকেত। যিনি রামচন্দ্রের অপমান করছেন, অধর্মের সাথ দিচ্ছেন, অসত্যের পথে হাঁটছেন, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুশাসন কতদিন চলে দেখব। বৃহস্পতিবার হাওড়ায় সাংগঠনিক  বৈঠকে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি। মধ্য হাওড়ার সতেরো নম্বর ওয়ার্ডের অশান্তির ঘটনার জন্য কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় দাঁড় করান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Smriti Irani)। তিনি বলেন, অযোধ্যায় রামলালার মূর্তি স্থাপন নিয়ে যখন আনন্দ-সমারোহ হচ্ছিল, তখন হাওড়ায় এই ওয়ার্ডে শিব মন্দিরে পাথর ছোড়া হয়। রাম ভক্তদের ওপর হামলা হয়। রামের ছবি ছেঁড়া হয়। যে গুন্ডারা এই কাজ করেছে, তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্রয় পায়।

    এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani)

    সনাতন ধর্মে ইন্ডি জোট ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থা নেই, রয়েছে বিদ্বেষ। হামলার সময় পুলিশ ছিল না। কিন্তু জাতীয় ভোটার দিবসে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবার সময় পুলিশ টিভি বন্ধ করতে হাজির হয়। এটা কি মুখ্যমন্ত্রীর লোকতন্ত্র? প্রশ্ন তোলেন স্মৃতি ইরানি। তিনি আরও বলেন, যেখানে যেখানে ইন্ডি জোটের নেতারা আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছে, সেখানে রামচন্দ্রের প্রতি অপমান আছে, এটা পরিষ্কার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাম মন্দির প্রতিষ্ঠার দিন ঝামেলা হয়েছে মমতার জন্যই। পুলিশ চুপচাপ তামাশা দেখেছে। কেন নরেন্দ্র মোদির প্রতি রাগ, কেন ভগবান রামের প্রতি অপমান-এর জবাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিতে হবে। এদিন ডুমুরজলার সাংগঠনিক বৈঠকে এসে টিকিয়াপাড়ার ঝামেলায় আক্রান্তদের সাথে কথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাদের পাশে থাকার ভরসা দেন। তাঁর (Smriti Irani) আশ্বাসে খুশি আক্রান্তরা।

    অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল (Smriti Irani)

    স্মৃতি ইরানি বলেন, মন্দিরে প্রাণপ্রতিষ্ঠার ঠিক আগে প্রধানমন্ত্রী শিখদের উৎসব উদযাপন করছিলেন। আমিও মদিনায় গিয়েছিলাম। অনেক অহিন্দু প্রাণপ্রতিষ্ঠা উৎসবে শামিল হয়েছিলেন। পার্সিদের প্রধান পুরোহিতও অযোধ্যায় ছিলেন। কিন্তু সনিয়া গান্ধী গেলেন না। স্মৃতি (Smriti Irani) বলেন, অযোধ্যা বিশ্বাসস্থল। ভারতীয় হিন্দুরা ১৮৮০র দশক থেকে এই নিয়ে লড়াই করেছেন। ঈশ্বরের ইচ্ছায় এই ভাবে রামমন্দিরের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সব হিন্দুই সুযোগ পেলে অযোধ্যা যেতেন। আস্থার এই জায়গাটিই কেউ কেউ বোঝেন না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Menstruation Leave: অফিসে ঋতুকালীন ছুটি কাম্য নয়! সংসদে এর ব্যাখ্যা দিলেন স্মৃতি ইরানি

    Menstruation Leave: অফিসে ঋতুকালীন ছুটি কাম্য নয়! সংসদে এর ব্যাখ্যা দিলেন স্মৃতি ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের জায়গায় মহিলাদের বেতনযুক্ত ঋতুস্রাবকালীন ছুটির কোনও প্রয়োজন নেই, অভিমত কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির (Smriti Irani)। সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে স্মৃতি জানান, ঋতুস্রাব মহিলাদের জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ, এটি কোনও প্রতিবন্ধকতা নয়। ঋতুস্রাবের জন্য বিশেষ ছুটি মঞ্জুর করার করা উচিত নয়।

    কোন প্রশ্ন সাপেক্ষে উত্তর

    ঋতুমতী মহিলারা ঋতুচক্রের সময় নানা শারীরিক কষ্ট সহ্য করেন। মহিলাদের সমস্যার কথা মাথায় রেখেই একাধিক দেশে চালু করা হয়েছে মেনেস্ট্রুয়েশন লিভ (Menstruation Leave) বা ঋতুকালীন ছুটি। ভারতেও কি এই ছুটি চালু করা হবে? কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)-র কাছে এই প্রশ্নই রেখেছিলেন আরজেডি সাংসদ মনোজ কুমার ঝা (Manoj Kumar Jha)। জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, “ঋতুমতী মহিলা হিসাবে, ঋতুস্রাব ও ঋতুচক্র নারী জীবনের অত্যন্ত সাধারণ একটি অংশ। আমাদের এমন ইস্যু তৈরি করা উচিত নয় যেখানে তাদের সমানাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হবে শুধুমাত্র একজনের নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গির কারণে, যার ঋতুস্রাব হয় না।”

    আরও পড়ুন: বালুর স্ত্রী-কন্যার নামে ৫৮টি ফিক্সড ডিপোজিট রেশন ‘দুর্নীতি’র টাকায়? অনুমান ইডির

    অকপট স্মৃতি

    মাসিক ছুটির ফলে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের প্রতি বৈষম্য হতে পারে বলে স‌ংসদে সকলকে সতর্ক করেন স্মৃতি। ঋতুস্রাবের সময় স্বাস্থ্যবিধির গুরুত্ব কথা বিবেচনা করে স্মৃতি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক কর্তৃক জাতীয় নীতি প্রণয়ন করার কথা ঘোষণা করেন। এই নীতির লক্ষ্য হবে দেশবাসীকে ঋতুস্রাবের বিষয়ে আরও বেশি সজাগ করা, ঋতুস্রাবের সময় স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে সতর্ক করা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী লিখিত জবাবে বলেন, “অল্প সংখ্যক মহিলা অত্যাধিক ডিসমেনোরিয়া বা এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা ওষুধের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু ঋতুচক্র ও তার সঙ্গে জড়িত কার্যকলাপকে আড়ালে রাখা হয়। সামাজিক ছুৎমার্গের কারণে স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা হয়। সাধারণ কাজ করতে বাধা দেওয়া হয়, যা শেষ অবধি হেনস্থা ও সমাজে বিতাড়িত করার পর্যায়ে পৌঁছয়। যখন কোনও কিশোরী শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং এই পরিবর্তন সম্পর্কে অবগতই না হয়, তখন বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share