Tag: smriti mandhana

smriti mandhana

  • ICC Cricket Award: আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার বুমরা, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নজির মন্ধানার

    ICC Cricket Award: আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার বুমরা, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নজির মন্ধানার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২৪ সালের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার হিসাবে বেছে নিয়েছে জসপ্রীত বুমরাকে। ১৩টি টেস্টে ৭১টি উইকেট নিয়ে এই স্বীকৃতি পেয়েছেন ভারতের অন্যতম সেরা বোলার। ষষ্ঠ ভারতীয় হিসাবে SF কৃতিত্ব অর্জন করেছেন বুমরা। একমাত্র অস্ট্রেলিয়ারই ছয় ক্রিকেটার আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হয়েছেন। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারে আঙিনায় ভারতের জয়গান গেয়েছেন স্মৃতি মান্ধানাও। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ২০২৪ সালের সেরা মহিলা এক দিনের ক্রিকেটার হিসাবে বেছে নিয়েছে মন্ধানাকে।

    বাজিমাত বুমরার

    আইসিসি কর্তৃপক্ষ এই নিয়ে ছ’জন ভারতীয়কে বছরের সেরা টেস্ট ক্রিকেটার হিসাবে বেছে নিলেন। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে ২০০৪ সালে প্রথম বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটারের সম্মান পেয়েছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। তাঁর পর ২০০৯ সালে গৌতম গম্ভীর, ২০১০ সালে বীরেন্দ্র সেওয়াগ, ২০১৬ সালে রবিচন্দ্রন অশ্বিন এবং ২০১৮ সালে বিরাট কোহলি এই সম্মান পেয়েছিলেন। বুমরার সাফল্যে ভারত ছুঁয়ে ফেলল অস্ট্রেলিয়ার রেকর্ড। অস্ট্রেলিয়ারও ছয় ক্রিকেটার আইসিসির বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হয়েছেন। একমাত্র স্টিভ স্মিথ দু’বার এই সম্মান পেয়েছেন। তিনি ২০১৫ এবং ২০১৭ সালে বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার হন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে বুমরা দ্বিতীয় ব্যক্তি, যিনি এই সম্মান পেলেন। ২০২৪ সালে টেস্ট ক্রিকেটে উইকেট নেওয়া ক্ষেত্রে বিশ্বের কোনও বোলার বুমরার ধারে কাছেও নেই। তাঁর ১৩টি ম্যাচে ৭১ উইকেটের পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ইংল্যান্ডের গাস অ্যাক্টিনসন। তিনি ১১টি টেস্টে ৫২টি উইকেট নিয়েছিলেন।

    মান্ধানার মুকুট

    ভারতের মহিলা ক্রিকেটে ইতিহাস স্মৃতি মন্ধানার। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার আইসিসির বর্ষসেরা এক দিনের ক্রিকেটারের সম্মান পেলেন মন্ধানা। এমন কৃতিত্ব ভারতের আরও কোনও মহিলা ক্রিকেটারের নেই। ভারতীয় মহিলা দলের সহ-অধিনায়ক ২০২৪ সালে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে করেছেন ৭৯৪ রান। তাঁর গড় ৫৭.৪৬। মন্ধানার ব্যাট থেকে এসেছে চারটি শতরান। মহিলাদের এক দিনের ক্রিকেটে তিনিই গত ক্যালেন্ডার বছরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে এক ক্যালেন্ডার বছরে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে চারটি শতরান করার কৃতিত্বও গড়েছেন মন্ধানা। মহিলাদের আসন্ন এক দিনের বিশ্বকাপে ভারতের অন্যতম ভরসা বাঁহাতি ওপেনিং ব্যাটার।

  • India vs Ireland: বাইশগজেও নারীশক্তির জয়গান, রোহিতদের টপকে গেলেন স্মৃতিরা

    India vs Ireland: বাইশগজেও নারীশক্তির জয়গান, রোহিতদের টপকে গেলেন স্মৃতিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাইশগজে নারীশক্তির জয়গান। একদিনের ক্রিকেটে রোহিত-বিরাটদের করা ৪১৮ রানকে টপকে গেলেন স্মৃতিরা। প্রথমবার একদিনের ম্যাচে ৪০০ রানের গণ্ডি টপকাল ভারতের মেয়েরা। স্মৃতি মান্ধানার নেতৃত্বে একের পর এক রেকর্ড ভাঙছে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ আগেই জিতে নিয়েছিল ভারত। তেমনই রেকর্ডও গড়েছিল। এই সিরিজের আগে পর্যন্ত মেয়েদের ওডিআই-তে ভারতের সর্বাধিক স্কোর ছিল ৩৫৮। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ান ডে-তে জেমাইমা রডরিগেজের প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরিতে সেই রেকর্ড ভাঙে ভারত। গত ম্যাচে ৩৭০ রান তুলেছিল ভারতীয় দল। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের তৃতীয় তথা শেষ ওয়ান ডে-তে ৪০০ পার ভারতের।

    মেয়েদের ওডিআই-তে সর্বাধিক স্কোরে সেরা পাঁচে ভারত!

    বুধবার টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ৪৩৫ রান তোলে ভারত। এর ফলে মেয়েদের একদিনের ক্রিকেটে সর্বাধিক স্কোরের নিরিখে প্রথম পাঁচে ঢুকে পড়ল ভারত। মেয়েদের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক স্কোরের রেকর্ড নিউজিল্যান্ডের দখলে। ২০১৮ সালে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেই ৪ উইকেটে ৪৯১ রান করেছিল নিউজিল্যান্ড। দ্বিতীয় স্থানেও তারাই। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে ৪৫৫ করেছিল নিউজিল্যান্ড। অবাক করা বিষয় যদিও নয়, তৃতীয় স্থানও নিউজিল্যান্ডেরই। সেটি আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৪৪০-৩। চতুর্থ স্থানে উঠে এল ভারত। 

    দুরন্ত স্মৃতি-প্রতিকারা

    এদিন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বল থেকেই ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা এবং প্রতীকা রাওয়াল। ২৩৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন স্মৃতি-প্রতীকা। ৭০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন স্মৃতি। অবশেষে ৮০ বলে ১৩৫ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। তাঁর ইনিংসে আছে ৭টি ছক্কা এবং ১২টি বাউন্ডারি। এটা তাঁর কেরিয়ারের দশম সেঞ্চুরি। ভারতীয়দের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন স্মৃতি মান্ধানা। সঙ্গে এই সিরিজে ভারতের প্রাপ্তি ওপেনার প্রতিকা রাওয়ালও কেরিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। এদিন ১২৯ বলে ১৫৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে আউট হন প্রতিকা। রিচা ৪২ বলে ৫৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। ৫০ ওভার ব্যাট করে ৫ উইকেটে ৪৩৫ রান তোলে ভারত। পুরুষদের একদিনের ক্রিকেটে ভারতের সর্বাধিক রান ৪১৮-৫। তাই রেকর্ড গড়ে স্মৃতি-দীপ্তিরা টপকে গেলেন রোহিত-বিরাটদেরও। বাইশগজেও নারীশক্তির জয়গান রচনা করলেন স্মৃতি-প্রতিকা-রীচারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Australia: তিতাসের ৪ উইকেট, অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টি২০ সিরিজ শুরু ভারতের

    India vs Australia: তিতাসের ৪ উইকেট, অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে টি২০ সিরিজ শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেস্ট সিরিজে জয়, অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে হার , বাংলার তিতাসের অসাধারণ স্পেলে টি-২০ সিরিজটা জয় দিয়েই শুরু করল ভারত। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের মেয়েরা ৯ উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া মহিলা দলকে। ভারতের হয়ে সেরা বোলিং করেন তিতাস সাধু। এদিন অজিরা কার্যত কোনও লড়াই দিতে পারেনি। তিন ম্য়াচের সিরিজ ১-০ এ জিতে মানসিক দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে গেল হরমনপ্রীত কৌররা।

    দুরন্ত তিতাস

    এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।  শুরু থেকেই আগ্রাসী বল করে তিতাসরা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বেথ মুনি এবং অ্যালিসা হিলি শুরুটা ভালই করেছিলেন। মুনিকে (১৭) ফিরিয়ে প্রথম ধাক্কাটা দেন তিতাসই। বাংলার বোলারের বলে হরমনপ্রীত কৌরের হাতে ক্যাচ দেন মুনি। পরের ওভারেই হিলিকে (৮) তুলে নেন রেণুকা সিং। নিজের দ্বিতীয় এবং দলের ষষ্ঠ ওভারে পর পর দু’টি উইকেট নেন তিতাস। পঞ্চম বলে তিনি ফেরান তাহলিয়া ম্যাকগ্রাকে (০)। পরের বলেই তিতাসের হাতে ক্যাচ দেন অ্যাশলে গার্ডনার (০)। ৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া। এলিস পেরি ও ফোব লিচফিল্ড দলের হাল ধরেন। ৩৩ রান থেকে তিনি দলকে টানেন ১১২ রান পর্যন্ত। এতেই অনেকটা অক্সিজেন পেয়ে যায় অজিরা। তারা শেষ করে ১৪১ রানে। 

    রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চালিয়ে খেলতে থাকেন স্মৃতি এবং শেফালি। এক সময় মনে হতে থাকে ভারত ১০ উইকেটেই জিতে যাবে। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার থেকে পাঁচ রান দূরে থাকা অবস্থায় ফেরেন স্মৃতি। ৭টি চার এবং ১টি ছয়ের সাহায্যে ৫২ বলে ৫৪ রান করেন। শেফালি অপরাজিত থাকেন ৪৪ বলে ৬৪ রানে। জয়ের রান আসে জেমাইমা রদ্রিগেসের (৬) ব্যাট থেকে। পরবর্তী ম্যাচ ৭ জানুয়ারি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ind-W vs Aus-W Test: ইতিহাস হরমনপ্রীতদের, টেস্টে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ভারতীয় মেয়েরা

    Ind-W vs Aus-W Test: ইতিহাস হরমনপ্রীতদের, টেস্টে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে হারাল ভারতীয় মেয়েরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়া-বধ। বাইশ গজে ইতিহাস রচনা করলেন হরমনপ্রীত কৌর, রিচা ঘোষরা। মহিলাদের ক্রিকেটের ইতিহাসে এই প্রথমবার অস্ট্রেলিয়াকে টেস্টে (Ind-W vs Aus-W Test) হারাল ভারত। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভারত মহিলা বনাম অস্ট্রেলিয়া মহিলাদের একমাত্র টেস্ট ম্যাচ। এই ম্যাচটি ৮ উইকেটে জিতে নেয় ভারত। এর ফলে টেস্ট সিরিজও জেতে হরমনপ্রীতরা। 

    ৪৬ বছরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে জয়

    ১৯৭৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলছে ভারতের মহিলা দল। ৪৬ বছর পর প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্টে জয়ের স্বাদ পেল প্রমিলা-বাহিনী (Ind-W vs Aus-W Test)। মেয়েদের ক্রিকেটে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ১১ বার মুখোমুখি হয়েছে। দু’দলের মধ্যে এর আগে পর্যন্ত পাঁচটি সিরিজ হয়েছিল। তিন বার জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। দু’বার সিরিজ ড্র হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এই প্রথম কোনও ম্যাচ ও সিরিজ জিতল ভারতের মেয়েরা।

    টস জিতে প্রথম ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। যদিও পূজা ভাস্ত্রাকর, স্নেহ রাণা, দীপ্তি শর্মাদের দাপটে মাত্র ২১৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় অ্যালিসা হিলির দল। জবাবে প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ৪০৬ রান। স্মৃতি মান্ধানা (৭৪), রিচা ঘোষ (৫২), জেমিমা রদ্রিগিস (৭৩), দীপ্তি শর্মারা (৭৮) ভারতকে বড় রানে পৌঁছে দেন। দ্বিতীয় ইনিংসে অজিরা তোলে ২৬১ রান। অস্ট্রেলিয়ার শেষ পাঁচ উইকেট পড়ে যায় মাত্র ২৮ রানে। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে স্নেহ রানা ৪টি এবং রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় ও হরমনপ্রীত কৌর ২টি করে উইকেট নেন। ১টি উইকেট যায় পূজার ঝুলিতে (Ind-W vs Aus-W Test)। 

    ১৯ ওভারেই লক্ষ্য পূরণ

    প্রথম ইনিংসে ১৮৭ রানের লিড থাকার সুবাদে ভারতের সামনে মাত্র ৭৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু, ওপেনার শেফালি ভার্মা মাত্র ৪ রান করেই প্রথম ওভারে কিম গ্যারেথের শিকার হন৷ ১৩ রানের মাথায় আউট হয়ে ফেরেন টেস্ট অভিষেক করা রিচা ঘোষ। তবে, এর পর আর বেগ পেতে হয়নি হরমনপ্রীতদের। বাকি কাজ করেন স্মৃতি মান্ধানা ও জেমাইমা রড্রিগেজ। ১৮.৪ ওভারেই ২ উইকেট খুইয়ে ম্যাচে জিতে যায় ভারত। ভারতের জয় দেখতে ছুটির দিন সকাল সকালই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভিড় করেছিলেন সমর্থকরা। বেশ কয়েক হাজার দর্শক চিৎকার করে উৎসাহ দিচ্ছিলেন রিচাদের। জয়ের পর উল্লাসে ফেটে পড়েন সকলে (Ind-W vs Aus-W Test)। 

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Women T20 World Cup: মাইল ফলক ছুঁলেন হরমনপ্রীত! আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    Women T20 World Cup: মাইল ফলক ছুঁলেন হরমনপ্রীত! আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে ৫ রানে হারিয়ে আইসিসি টি-২০ মহিলা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত। এই জয়ের সুবাদে ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ভারত লিগ টেবিলের প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে। ইংল্যান্ড আগেই বি-গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে কারা, তা নির্ভর করছে পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড ম্য়াচের ফলাফলের উপর। ইংল্যান্ড এই গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হলে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে এ গ্রুপের প্রথম দল অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে ভারত। 

    ম্যাচ রিপোর্ট

    এদিন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামে ভারত। তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৫৫ রান তোলে। স্মৃতি মন্ধনা ৮৭, শেফালি বর্মা ২৪, জেমিমা রডরিগেজ ১৯ ও হরমনপ্রীত কউর ১৩ রান করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ড ৮.২ ওভারে ২ উইকেটের বিনিময়ে ৫৪ রান তুললে বৃষ্টিতে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। নতুন করে খেলা শুরু না হওয়ায় ভারত জয়ী ঘোষিত হয়। 

    হরমনপ্রীতের জোড়া রেকর্ড

    ব্যাটে বেশি রান না পেলেও সোমবার জোড়া নজির গড়ে ফেললেন ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউর। বিশ্বের প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসাবে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার নজির গড়লেন তিনি। পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ৩০০০ রান হয়ে গেল তাঁর। পুরুষ এবং মহিলা সব ধরনের ক্রিকেটার মিলিয়ে হরমনপ্রীতই প্রথম, যিনি ১৫০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেললেন। টসে জেতার পর তিনি বলেন, “আমার কাছে এটা বিরাট সম্মান। দলের তরফেও আবেগপূর্ণ বার্তা পেয়েছি। বিসিসিআই এবং আইসিসি-কে ধন্যবাদ, যারা আমাদের এত ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিয়েছে।”


    আরও পড়ুন: তৃতীয় ও চতুর্থ টেস্টের জন্য দল ঘোষণা করে দিল বিসিসিআই

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jhulan Goswami: ‘‘ঝুলুদির জন্য এই সিরিজ জিততে চাই…’’, প্রথম ওডিআই জিতে বললেন মান্ধানা

    Jhulan Goswami: ‘‘ঝুলুদির জন্য এই সিরিজ জিততে চাই…’’, প্রথম ওডিআই জিতে বললেন মান্ধানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসর নিয়ে সরকারি কোনও ঘোষণা নেই। ঝুলন গোস্বামীও (Jhulan Goswami) কিছু বলেননি। চুপ বিসিসিআইও (BCCI)। তবে ভারতীয় ক্রিকেটের আনাচেকানাচে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, ইংল্যান্ডের (England) বিরুদ্ধে চলতি একদিনের সিরিজই ঝুলন গোস্বামীর আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শেষ মঞ্চ হতে চলেছে। এই সিরিজ শুধু বাংলার পেসারটির কাছে নয়, সতীর্থদের কাছেও স্পেশ্যাল। ঝুলনের বিদায়ী মঞ্চকে স্মরণীয় করে রাখতে চান ভারতীয় মহিলা দলের ভাইস-ক্যাপ্টেন স্মৃতি মান্ধানা (Smriti Mandhana)। প্রথম একদিনের ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে মান্ধানা বলেছেন, ‘এই ওডিআই সিরিজ ঝুলুদির জন্য জিততে চাই। ওঁর অবদান কখনও ভোলার নয়। ওঁর লড়াই আমাদের কাছে অনুপ্রেরণা।’

    আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকেও ছিটকে গেলেন শামি, কেন জানেন?

    জয়ের জন্য ভারতের সামনে ২২৮ রানের টার্গেট দিয়েছিল ইংল্যান্ড। যদিও সেই বাধা টপকাতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি ভারতের মেয়েদের। শেফালি ভার্মা (১) দ্রুত ড্রেসিংরুমে ফিরলেও, ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও যস্তিকা ভাটিয়ার অনবদ্য পার্টনারশিপ ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেয়। যস্তিকা ৪৭ বলে করেন ৫০ রান। তারপর ক্যাপ্টেন হরমনপ্রীত কৌরের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দলের জয় নিশিচত করেন মান্ধানা। ৪৪.২ ওভারে মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। তবে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন স্মৃতি। ৯১ রানে আউট হন তিনি। হরমনপ্রীত ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে দীপ্তি শর্মা সর্বাধিক দু’টি উইকেট নিলেও বল হাতে কামাল দেখিয়েছেন ঝুলনও। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২টি মেডেন সহ মাত্র ২০ রানের বিনিময়ে তিনি তুলে নেন একটি উইকেট। তাঁর এমন কৃপণ বোলিং প্রশংসা কুড়িয়েছে ক্রিকেট মহলে। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, বয়সের নিরিখে ঝুলনকে অবসর নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। ও এখনও যেভাবে পারফর্ম করছে, তাতে আরও কয়েকটা বছর অনায়াসে খেলে দিতে পারে।

    আরও পড়ুন : তুমিই শিখিয়েছ কত ভালভাবে টেনিস খেলা যায়! ফেডেরারের অবসরে আবেগপ্রবণ আগাসি

    এসব মন্তব্যের অবশ্য আর কোনও মূল্য নেই। ঝুলনের অবসরের মঞ্চ ঠিক হয়ে গিয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি ওয়ান ডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচেই তিনিই বুট জোড়া তুলে রাখবেন পাকাপাকিভাবে। যবনিকা পড়বে তাঁর দীর্ঘ দু’দশকের বেশি সময়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে। যার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু সুখ-দুঃখের কাহিনী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Commonwealth Games: বড় মঞ্চে আবারও পরাজিত পাকিস্তান! কমনওয়েলথ ক্রিকেটে দাপুটে জয় ভারতের

    Commonwealth Games: বড় মঞ্চে আবারও পরাজিত পাকিস্তান! কমনওয়েলথ ক্রিকেটে দাপুটে জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসে ক্রিকেটে পদকের আশা জিইয়ে রাখলেন হরমনপ্রীত কৌররা। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হেলায় হারাল ভারত। বিসমা মারুফদের বিরুদ্ধে ১১.৪ ওভারেই ১০২ রান তুলল ভারত। পর পর দুই ম্যাচ হেরে চাপে বিসমারা। আর ৮ উইকেটে পাকিস্তানকে হারিয়ে গ্রুপ তালিকায় শীর্ষে ভারতের মেয়েরা।

    এদিন বৃষ্টির জন্য এজবাস্টনে দেরিতে শুরু হয় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের মহিলা দলের ম্যাচ। গত ম্যাচে বার্বাডোজের বিরুদ্ধে হারের পর, ভাগ্য বদলের আশায় ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাক অধিনায়িকা বিসমাহ মারুফ। প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে ম্যাচ শুরু হওয়ায় তা ২০ ওভারের বদলে ১৮ ওভারে অনুষ্ঠিত হয়।

    আরও পড়ুন: আশা করি এবার একটা সিনেমা দেখার সুযোগ পাবে! অচিন্ত্যর প্রশংসায় মোদি

    ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই মেঘনা সিংহ ইরাম জাভেদকে শূন্য রানে সাজঘরে ফিরিয়ে ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন। তবে মন্থর গতিতে হলেও অধিনায়িকা বিসমা ও মুনিবা দলের ইনিংসকে সামলানোর চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় উইকেটে দুইজনে মিলে ৫০ রান যোগও করেন। তবে তারপরেই হার্লিন দেওলের পরিবর্তে এই ম্যাচে সুযোগ পাওয়া স্নেহ রানা বিসমাকে সাজঘরের রাস্তা দেখান। ওই একই ওভারে সেট মুনিবাকেও ফেরান স্নেহ। তিনি ৩২ রানে আউট হন। ম্যাচের রাশ ভারতের দখলে চলে আসে। নির্দিষ্ট ১৮ ওভারে মাত্র ৯৯ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। মুনিবা আলির ৩২ ছাড়া বাকিরা কেউ ২০ রানের গণ্ডি টপকাতে পারেননি। ভারতের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন স্নেহ রানা এবং রাধা যাদব।

    আরও পড়ুন: পাঁচদিনের মাথায় ভারতের ছটি পদক কমনওয়েলথ গেমসে! কে কোন পদক পেলেন ছবিতে দেখে নিন

    জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রানে পৌঁছতে কোনও বেগই পেতে হয় না ভারতকে। আগ্রাসী মেজাজে শুরু করেন দুই ওপেনার স্মৃতি মন্ধানা এবং শেফালি বর্মা। বেশি আগ্রাসী ছিলেন সহ-অধিনায়ক মন্ধানা। দুই ওপেনার মাত্র ৫ ওভারেই তুলে নেন ৫২ রান। এর পর ভারতের জয় ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তাতেও আগ্রাসী মেজাজের কোনও পরিবর্তন হয়নি ভারতের ব্যাটারদের। নেট রান রেট ভাল রাখার লক্ষ্য নিয়ে পাক শাসন অব্যাহত রাখেন তাঁরা। ৯ বলে ১৬ রান করে শেফালি আউট হওয়ার পরেও শুরু ছন্দই ধরে রেখেছিলেন মন্ধানা। সেই মেজাজেই পূর্ণ করলেন অর্ধশতরান। মাঠ ছাড়লেন দলকে জিতিয়ে। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ৪২ বলে ৬৩ রান করে। মারলেন ৮টি চার এবং ৩টি ছক্কা।

    প্রসঙ্গত, এর আগে পাক ব্রিগেডের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে কুয়ালালামপুরে এবং ২০১০ সালে ব্যাসেটেরেতে যথাক্রমে ২৩ এবং ২০ বল বাকি থাকতে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারত। এ দিন সেই সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেল হরমনপ্রীত কৌররা।

     

LinkedIn
Share