Tag: snake

snake

  • Snake: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    Snake: জ্যান্ত কেউটেকে দুধ-গঙ্গাজল দিয়ে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হয় বর্ধমানের চার গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ বলেন কেউটে, কারও দাবি গোখরো। গ্রামের বয়স্করা বলেন কালনাগিনী (Snake)। পূর্ব বর্ধমানের চার গ্রামে জ্যান্ত সাপকে দেবী জ্ঞানে পুজো করা হয়। এখানে তাই কেউ সাপ বলেন না, সাপ এখানে ‘ঝাঁকলাই’ নামে পরিচিত। ফি বছর ঝাঁকলাইয়ের পুজো হয়। এবার পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পলসোনা গ্রামে দেখা গেল, মন্দিরে এক পুরোহিতের লাঠির মধ্যে জড়িয়ে রয়েছে বিশাল একটি সাপ। অন্য পুরোহিত তখন মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে সেই কেউটের মাথায় দুধ, গঙ্গাজল ঢালছেন। নিজের হাতে সিঁদুর মাখিয়ে দিচ্ছেন ফণাধারী কেউটের মাথায়। সোমবার এ ভাবেই জ্যান্ত কেউটেকে দেবীজ্ঞানে পুজো করা হল।

    কবে থেকে শুরু হয়েছে পুজো? (Snake)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ৯০০ বঙ্গাব্দ থেকে শুরু হয়েছে এই পুজো। প্রতি বছর আষাঢ় মাসের শুক্লা প্রতিপদ তিথিতে ভাতারের বড়পোশলা, শিকোত্তর, মুকুন্দপুর এবং মঙ্গলকোটের ছোটপোশলা, পলসোনা, মুশারু, নিগন মিলে মোট সাতটি গ্রামে ঝাঁকলাইয়ের (Snake) পুজো হয়। স্থানীয়রা জানান, এক সময় সাতটি গ্রামেই দেখা যেত ঝাঁকলাই। তবে এখন বড়পোশলা, ছোটপোশলা, মুশারু এবং পলসোনা এই চার গ্রামেই শুধু দেখা মেলে এই কেউটের। সাপ এখানে ঘরের লোক। কাছের আত্মীয়। বিষধর জীব নয়, বরং দেবতা। সাপের সঙ্গে দিব্যি খেলে কচিকাঁচারা। প্রতি ঘরে সাপের বিশ্রামের জন্য বিছিয়ে রাখা হয় খড়ের গাদা। সাপে-মানুষে দিব্যি সহাবস্থান এখানে। সাপের কামড়ানোকে গ্রামবাসীরা প্রসাদ বলেন। কাউকে সাপে কামড়ালে তাঁর চিকিৎসা না করিয়ে মন্দিরের মাটি শরীরে বুলিয়ে দেওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশ রুখতে অভিযান সেনার, জখম এক জওয়ান

    ঝাঁকলাইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে লোককথা!

    মুশারু,পলসোনা, বড়পোশলা, ছোটপোশলার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে মনসামঙ্গলের বেহুলা-লখিন্দরের উপাখ্যান। ঝাঁকলাই নিয়ে অনেক লোককথা। গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, ঝাঁকলাই আসলে ‘কালনাগিনী’। লখিন্দরকে লোহার বাসরঘরে দংশন করে পালানোর সময় বেহুলা কাজললতা ছুড়ে মেরেছিলেন। সেই কাজললতার আঘাতে কালনাগিনীর (Snake) লেজ কেটে যায়। পূর্ব বর্ধমানের কয়েকটি গ্রামে যে ঝাঁকলাইয়ের দেখা মেলে, তাদেরও লেজ কাটা। মনসামঙ্গলে কালনাগিনী বেহুলার শাপে মর্ত্যে আসে। গ্রামবাসীরা আরও বলেন, ‘ঝঙ্কার’ শব্দটা এসেছে বেহুলার বালার আওয়াজ থেকে। লোহার বাসরে লখিন্দরকে ছোবল মারার পরে কালনাগিনীর (Snake) বিষ প্রয়োগের ক্ষমতা চলে যায়। বেহুলা শর্ত দেন, নির্বিষ হয়ে তাকে সাত গ্রামে লুকিয়ে থাকতে হবে। পূর্ব বর্ধমানের (Burdwan) এই সাত গ্রামেই নাকি এখন কালনাগিনীর বাস। তারই নাম ‘ঝাঁকলাই।’ তাকেই ঝঙ্কেশ্বরী দেবী রূপে পুজো করা হয় গ্রামে।

     মহারাষ্ট্রের কেউটে গ্রামের সঙ্গে মিল রয়েছে

    বর্ধমান-কাটোয়া রাস্তা ধরে বলগোনা পেরিয়ে নিগনের ঠিক আগে বাস থামে মুশারুতে। এখান থেকে ভ্যান রিকসা বা ই-রিকসা চেপে যাওয়া যায় গ্রামের ভিতরে। পলসোনাতে যাওয়ার পথও এখান থেকেই। মহারাষ্ট্রের কেউটে গ্রাম শেতপালের মতো বাংলার পূর্ব বর্ধমানের এই চারটে গ্রাম। গ্রামবাসীদের কথায়,ঝাঁকলাই (Snake) কামড়ায় না। পরোপকারী বন্ধু। বংশ পরম্পরায় সাপের পুজো করি আমরা।

    কী বললেন সর্প বিশেষজ্ঞ?

    সর্প বিশেষজ্ঞ ধীমান ভট্টাচার্য বলেন, “ঝাঁকলাই একটি বিরল প্রজাতির সাপ। এই গ্রামবাসীদের এই ভক্তি এবং শ্রদ্ধার জন্যই বিরল প্রজাতির সাপটি এখনও টিকে রয়েছে এখানে। এটা অবশ্যই এক বিরল ঘটনা। তবে, সিঁদুরে রাসায়নিক থাকে। ঝাঁকলাইয়ের পুজোর সময় সিঁদুর মাখানো এড়িয়ে যাওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC: সাপের বিষ পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের ব্লক সভাপতির ভাইয়ের, শোরগোল

    TMC: সাপের বিষ পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের ব্লক সভাপতির ভাইয়ের, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার, কয়লা পাচারে অনেক তৃণমূল (TMC) নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অনুব্রত মণ্ডল তো গরু পাচার মামলায় তিহার জেলে রয়েছেন। এবার সাপের বিষ পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের ব্লক সভাপতির ভাইয়ের। মঙ্গলবার ফাঁসিদেওয়ার মুরলিগছে সাপের বিষ-সহ উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বাসিন্দা তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে একজন ইসলামপুরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনের ভাই ফজলে রব্বি সিদ্দিকের ‘ঘনিষ্ঠ’। ফজলে রব্বি পেশায় ঠিকাদার। তিনি আগডিমঠি খুন্তি অঞ্চল কমিটির সদস্য।

    তৃণমূল নেতার ভাইয়ের গাড়িতেই সাপের বিষ পাচার! (TMC)

    গাড়ি এবং একটি স্কুটার থেকে কাচের দু’টি জার উদ্ধার হয়। বন দফতরের বাগডোগরা রেঞ্জ, কার্শিয়াং ডিভিশনকে নিয়ে ‘ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল বুরো’র তরফে যৌথ অভিযান চালানো হয়। দুটি কাচের জারে সাপের বিষ পাচারের আগে, মুরলিগছ এলাকা থেকে ধরা পড়েন মহম্মদ শাহানওয়াজ, তৌহিদ আলম এবং মহম্মদ আজমল। তিনজনই উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বাসিন্দা। মহম্মদ তৌহিদ আলম নামে ধৃত ওই যুবক তৃণমূল নেতার ভাই রব্বি সিদ্দিকের গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে বাড়ির বাজার-সহ রোজকার কাজকর্ম করতেন। ঘটনার দিন অভিযুক্তের কাছেই তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতির ভাইয়ের গাড়িটিও ছিল। সেই গাড়িতেই সাপের বিষ পাচার হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ‘ক্রাইম কন্ট্রোল বুরো’র এক আধিকারিক বলেন, কয়েক দিন ধরে অভিযুক্তদের উপরে নজরদারি চলছিল। বহুমূল্য সাপের বিষ আগেও পাচার করেছে কি না, চক্রে আরও কারা জড়িত, সব দেখা হচ্ছে।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও তাঁর ভাই কী সাফাই দিলেন?

    শাসক দলের ব্লক সভাপতি জাকির বলেন, গাড়ি যাঁর, তিনি বলতে পারবেন। তৃণমূল (TMC) নেতার ভাই ফজলে রব্বি সিদ্দিকের কথায়, আমার বাড়ির তিনটি বাড়ি পরেই তৌহিদের বাড়ি। আমার গাড়ি চালায়, বাজার করে, বাড়িতেও থাকে। ঘটনার দিন আমি বাড়িতে ছিলাম না। স্ত্রীর কাছ থেকে ও গাড়ির চাবি নিয়ে যায়। এমন কাজে জড়িত বুঝতেই পারিনি। আমাকে বদনাম করে দিল। আমি এসবে কোনওভাবে জড়িত নই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • President Of India: বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে আসছেন রাষ্ট্রপতি, কার আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের?

    President Of India: বিশ্বভারতীর সমাবর্তনে আসছেন রাষ্ট্রপতি, কার আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ সমাবর্তন অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুড়ে সাজ সাজ রব। আর পাঁচদিন পর ২৮ মার্চ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাষ্ট্রপতি (President of India) দ্রৌপদী মুর্মু আসছেন। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর এই প্রথম রাজ্য সফরে আসছেন তিনি। তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কড়াকড়ি থাকবে। রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তায় কোনও ধরনের খামতি রাখতে নারাজ ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি, জেলা পুলিশ ও প্রশাসন। সেই কারণে দেশের প্রথম নাগরিকের সফরের আগেই শান্তিনিকেতন সহ যে যে সম্ভাব্য জায়গায় তিনি যেতে পারেন, তা নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে। তবে, বিষধর সাপই এখন রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ। ফলে, নিরাপত্তার জন্য বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বনদপ্তরের  কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি শুক্রবার সাপ ধরায় পারদর্শী বন দপ্তরের একটি দল বিশ্বভারতী গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    রাষ্ট্রপতি সফরের বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা হয়? President of India

    রাষ্ট্রপতির (President of India)  সফরকে ঘিরে তুঙ্গে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি। এ নিয়ে ইতিমধ্যেই ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটির নির্দেশে শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জে একটি বৈঠকও হয়। বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি (President of India)  যে সকল সম্ভাব্য জায়গাগুলিতে যেতে পারেন, তাও পরিদর্শন করেন আধিকারিকরা। রবীন্দ্র ভবন, রবীন্দ্র অতিথি গৃহ, বিনয় ভবন লাগোয়া হেলিপ্যাডও ঘুরে দেখেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা। রাস্তার ধারে থাকা বিভিন্ন আগাছা ছেঁটে ফেলারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলেও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় বিষধর সাপ। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর পরিদর্শনের সময় সাপের উপদ্রবের বিষয়টির কথা আধিকারিকরা জানতে পারেন। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বভারতীতে বিষধর সাপের উপদ্রব রয়েছে। জঙ্গল ঘেরা লালবাঁধ, পম্পা লেকে বিষধর সাপ রয়েছে বলে জানিয়েছেন পড়ুয়া থেকে শুরু করে অধ্যাপকরা। সেই কারণে রাষ্ট্রপতির সফর চলকালীন স্নেক ক্যাচার রাখার নির্দেশ দিয়েছেন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা।

     বিষধর সাপ নিয়ে কী বক্তব্য বনদপ্তরের? President of India

    বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্রভবনের অতিথিশালা, শ্যামলী, কোনার্ক, উদয়ন, লালবাঁধ, পম্পা লেক এই এলাকাগুলিতে প্রচুর ঝোঁপ-জঙ্গল রয়েছে। তার উপর সূর্যের আলো না পড়ায় স্যাঁতসেতে। তাই সাপের আশ্রয়স্থল। সাপের উপস্থিতি দেখেই ঘুম গিয়েছে রাষ্ট্রপতির (President of India)  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের। সঙ্গে সঙ্গেই বন দপ্তরকে বিষয়টি জানানো হয়। এরপরেই বনদফতরের আধিকারিকরা বিশ্বভারতীতে যান। এডিএফও শ্রীকান্ত ঘোষ বলেন, বুধবারই বন দফতরের টিম বিশ্বভারতীতে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। আমি নিজেও গিয়েছিলাম। উদয়ন, কলাভবনের বেশ কিছু জায়গায় সাপ আছে। ইতিমধ্যেই বন দপ্তরের একটা টিম বিশ্বভারতীতে পৌঁছে গেছে। যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার সব নেওয়া হবে। আজ থেকে রাষ্ট্রপতির (President of India)  সফর শেষ হওয়া পর্যন্ত বিশ্বভারতীতে থাকবে ওই দলটি। আমাদের দিক থেকে সমস্ত রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Snake Rescue: অমিত শাহের বাসভবনে মিলল ৫ ফুট লম্বা জলঢোঁড়া সাপ

    Snake Rescue: অমিত শাহের বাসভবনে মিলল ৫ ফুট লম্বা জলঢোঁড়া সাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বাসভবনে ৫ ফুট লম্বা সাপ (Snake Rescue)। সাপটিকে দেখার পরেই উত্তেজনা ছড়ায় নিরাপত্তা কর্মীদের মধ্যে। জানা গিয়েছে বিশাল এই সাপটি নির্বিষ ঢোঁড়া প্রজাতির। এর পোশাকি নাম চেকারড কিলব্যাক (Checkered keelback) বা এশিয়াটিক ওয়াটার স্নেক (Asiatic water snake)। বাংলায় যাকে জলঢোঁড়া বলে।

    কিন্তু সবার চোখ এড়িয়ে ৫ ফুটের লম্বা সরীসৃপ কীভাবে ঢুকে পড়ল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে , উঠছে প্রশ্ন।

    [tw]


    [/tw]  

    অমিত শাহর বাড়ির চত্বরে নিরাপত্তা কর্মীদের নজরে প্রথমে আসে সাপটি। গার্ড রুমের কাছে সাপটি দেখে তাঁরা চমকে ওঠেন। তৎক্ষণাৎ ওয়াইল্ডলাইফ এসওএস নামক এনজিও সংস্থার হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করা হলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই সংস্থার দুই কর্মী যাবতীয় সরঞ্জাম নিয়ে উপস্থিত হন এবং আধ ঘণ্টার চেষ্টায় গার্ড রুম থেকে উদ্ধার করা হয় সাপটিকে (Snake Rescue)।

    আরও পড়ুন: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ 

    সাপটি নিরাপত্তা আধিকারিকদের ঘরের সামনে একটি কাঠের প্যানেলের ভিতর ঢুকে ছিল বলে জানা গিয়েছে। এই ধরনের সাপ সচরাচর পুকুর, ডোবার মতো ছোট জলাশয়ে থাকে। ১৯৭২ সালের বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ আইনে এই ধরনের সাপকে সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সুরজকুণ্ডে অমিত শাহের চিন্তন শিবিরে ডাক, যোগ দেবেন কি মমতা? 

    ওয়াইল্ডলাইফ এসওএস এনজিও-র প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও কার্তিক সত্যনারায়ণ বলেন, আমরা কৃতজ্ঞ যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নিরাপত্তারক্ষীরা ওই সাপটিকে উদ্ধারের (Snake Rescue) জন্য আমাদের ফোন করেছিলেন। এতে তারা নিজেদের মানবিক দিকটিকেই তুলে ধরেছেন এবং বাকিদের কাছেও উদাহরণ প্রতিস্থাপন করেছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষজন মনে করেন সাপেরা নগরজীবনের বোঝা। তাদের মেরে ফেলেন অনেকেই।

    আরও পড়ুন: হিমাচলে লাগু আদর্শ আচরণ বিধি, প্রার্থী কত টাকা খরচ করতে পারবেন জানেন? 

    দিল্লি প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, বর্ষার মরসুমে দিল্লির নানা প্রান্ত থেকে এমন ৭০টি সাপকে উদ্ধার করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Snake in Flight: বিমানের ব্যাগেজে মিলল ২২টি সাপ, চেন্নাইয়ে আটক মহিলা যাত্রী

    Snake in Flight: বিমানের ব্যাগেজে মিলল ২২টি সাপ, চেন্নাইয়ে আটক মহিলা যাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপ নিয়ে উঠেছিলেন বিমানে (Snake in Flight)। কুয়ালামপুর থেকে ওঠা ওই মহিলা যাত্রীকে আটকানো হল চেন্নাই বিমানবন্দরে। সেখানেই ব্যাগেজ পরীক্ষা করতে গিয়ে চক্ষু চড়ক গাছ হওয়ার জোগাড় বিমানবন্দরে থাকা শুল্ক দফতরের কর্তাদের। ব্যাগেজে মিলল বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপ। ট্যুইট-বার্তায় চেন্নাই শুল্ক বিভাগ জানিয়েছে, ২৮ তারিখে এক মহিলা যাত্রী যিনি একে ১৩ নম্বর ফ্লাইটে কুয়ালালামপুর থেকে উঠেছিলেন, তাঁকে শুল্ক দফতরের কর্তারা আটকেছেন। তাঁর ব্যাগেজ পরীক্ষা করে বিভিন্ন প্রজাতির ২২টি সাপের সন্ধান মেলে। একটি চ্যামেলিয়নও উদ্ধার হয়েছে। শুল্ক আইনে এবং বন্যপ্রাণ আইনে আটক করা হয়েছে সেগুলি।

    বিমানে সাপ (Snake in Flight)…

    জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেও প্রায় এরকমই একটি ঘটনা ঘটেছিল। সেবারও চেন্নাই বিমানবন্দর থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছিল ৪৫টি বল পাইথন, তিনটি মার্মোসেট, তিনটি স্টার কচ্ছপ এবং আটটা কর্ন সাপ। শুল্ক দফতরের কর্তারা জানিয়েছেন, পরিত্যক্ত দুটি ব্যাগেজ থেকে সেবার উদ্ধার হয়েছিল ওই সাপ, মার্মোসেট, স্টার কচ্ছপ এবং কর্ন সাপ। ব্যঙ্কক থেকে উঠেছিলেন ওই যাত্রী। উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলিকে পরের দিনই ফের ব্যাঙ্কক পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুুন: ‘বিজয়া দশমীর মতো উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    জানুয়ারি মাসেই এক মহিলা যাত্রীর হাতব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় একটি সাপ (Snake in Flight)। ব্যাগের মধ্যে জুতো, ল্যাপটরের পাশে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে ছিল সাপটি। বোয়া কনস্ট্রিক্টর গোত্রের ফুট চারেকের ওই সাপটি বিষধর না হলেও, শিকারকে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলতে পারে। আমেরিকার ফ্লরিডা প্রদেশের ট্যাম্পা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল।

    বিমানের ককপিটে গোখরো সাপের দেখা পেয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার পাইলট রুডল্ফ ইরাসমাস। মাস কয়েক আগে আচমকাই তাঁর আসনের তলা থেকে একটি সাপকে (Snake in Flight) মুখ বাড়াতে দেখেন ওই পাইলট। বিমান তখন মাঝ আকাশে। দ্রুত অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন ওই পাইলট। শেষমেশ চার যাত্রী সহ নিরাপদেই অবতরণ করে বিমানটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mid Day Meal: মিড ডে মিলের খাবারে সাপ! স্কুলেই অসুস্থ একাধিক পড়ুয়া

    Mid Day Meal: মিড ডে মিলের খাবারে সাপ! স্কুলেই অসুস্থ একাধিক পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) খাবারে মিলল সাপ। বীরভূমের স্কুলের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে গোটা এলাকায়। অভিযোগ, সেই খাবার খাওয়ার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়ে স্কুলের চার পড়ুয়া। স্কুলেই বমি করতে শুরু করে তারা।

    বীরভূম জেলার ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের প্রাথমিক স্কুলে মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) ডালের বালতিতে পড়েছিল ছোট একটি সাপ। অভিযোগ, সাপ-সমেতই রান্না করা হয় ডালটি। ঘটনা সামনে আসতেই চরম উত্তেজনা ছড়ায়। ওই রান্না খাওয়ার পরই চার পড়ুয়া স্কুলেই বমি করে বলে অভিযোগ। প্রায় ১৫ জন পড়ুয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: সুপ্রিমকোর্টে জোর ধাক্কা খেল রাজ্য, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা ফিরল হাইকোর্টে

    এদিকে সোমবার সকালে ময়ূরেশ্বর ২ ব্লকের দাসপলতা মণ্ডলপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঘটনায় (Mid Day Meal) বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। এরপর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আপাতত নিরাপত্তার খাতিরে প্রধান শিক্ষককে স্কুলের ঘরে রেখেছে পুলিশ। রাঁধুনীকে নিরাপত্তা দিয়েছে গ্রামের বাসিন্দারাই।  

    কী ঘটেছে?

    প্রতিদিনের মতো এদিনও ৩৬ জন স্কুল পড়ুয়ার জন্যে রান্না করেন চামেলি বাগদি। শুরুতে ১৪ জন পড়ুয়া খেতে বসেন। তাদের মধ্যে চারজন খাওয়া শুরুও করে দেন। বাকিরাও খাওয়া শুরু করবেন এমন সময় রাঁধুনি বালতি থেকে ডাল (Mid Day Meal) নিতে গিয়ে দেখেন নিচের দিকে কিছু একটা পড়ে রয়েছে। হাতা দিয়ে তুলতেই দেখা যায় সেটি একটি আস্ত সাপ। চিতি সাপ। সঙ্গে সঙ্গে খাবার দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, দুই শিক্ষক ১৪ জন পড়ুয়াকে নিয়ে প্রথমে বাসুদেবপুর হাসপাতালে পরে বেসরকারি হাসপাতালে যান। সেখানে পড়ুয়াদের পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্য়ে চার ছাত্র বমি করছিল।     

    এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই (Mid Day Meal) স্কুলে ছুটে আসেন অভিভাবকসহ অন্যান্য গ্রামবাসীরা। তারা স্কুল ঘিরে বিক্ষোভ দেখায়। প্রধান শিক্ষকের গাড়িও ভাংচুর করা হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Snake Bite: মর্মান্তিক! সাপের কামড়ে মৃত দাদার সৎকারে গিয়ে সর্পাঘাতে মৃত ভাই-ও

    Snake Bite: মর্মান্তিক! সাপের কামড়ে মৃত দাদার সৎকারে গিয়ে সর্পাঘাতে মৃত ভাই-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্পদষ্ট (Snake Bite)  দাদার শেষকৃত্যে (Funeral) যোগ দিতে গিয়েছিলেন ভাই। সর্পাঘাতে মৃত্যু হল তাঁরও। পর পর দুই ভাইয়ের সাপের কামড়ে মৃত্যুতে শোকে পাথর উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) ভবানীপুর গ্রাম।

    উত্তর প্রদেশের ভবানীপুর গ্রাম। ছবির মতো সাজানো গোছানো এই গ্রামেই বাড়ি অরবিন্দ মিশ্রের। প্রবল গরমে ঘরের দাওয়ায় ঘুমোচ্ছিলেন বছর আটত্রিশের অরবিন্দ মিশ্র। গভীর রাতে ঘুমের ঘোরে কোনওভাবে সাপে কামড়ায় তাঁকে। আর্ত চিৎকারে জেগে ওঠেন বাড়ির লোকজন। দ্রুত চলে আসেন পড়শিরাও। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সেখানেই মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। খবর পেয়ে লুধিয়ানা থেকে চলে আসেন অরবিন্দের ভাই গোবিন্দ মিশ্র। বছর বাইশের গোবিন্দের সঙ্গে লুধিয়ানা থেকে দেশের বাড়ি ফেরেন চন্দ্রশেখর পাণ্ডে। আত্মীয়তা সূত্রে মিশ্র বাড়িতেই থাকেন তিনিও।

    অরবিন্দকে দাহ করে বাড়ি ফেরেন গোবিন্দ এবং চন্দ্রশেখর। গরমের চোটে ওই রাতে দাওয়ায় ঘুমোচ্ছিলেন গোবিন্দ এবং চন্দ্রশেখরও। ঘুমোঘোরে তাঁদের দুজনকেও সাপে কামড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে এই দুজনকেও নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গোবিন্দকে মৃত ঘোষণা করেন। বছর বাইশের চন্দ্রশেখর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঞ্জা লড়ছেন মৃত্যুর সঙ্গে।

    আরও পড়ুন :মানসিক ভারসাম্যহীন সন্তানকে পাঁচ তলা থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিলেন দন্ত চিকিৎসক মা, গ্রেফতার

    একই গ্রামের একই বাড়িতে পরপর তিনজনের সর্পদষ্ট হওয়ার ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। সিনিয়র মেডিক্যাল এবং প্রশাসনিক আধিকারিকরা এদিনই যান ওই গ্রামে। স্থানীয় বিধায়ক কৈশাশ নাথ শুক্লা দেখা করেছেন মিশ্র পরিবারের সঙ্গে। এক সঙ্গে রোজগেরে দুই ছেলেকে হারিয়ে শোকে পাথর মিশ্র পরিবারকে জানিয়েছেন সমবেদনা। দিয়েছেন পাশে থাকার আশ্বাসও। ভবিষ্যতে যাতে ফের এই ঘটনা না ঘটে, সেজন্য প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।  

    পুলিশের সার্কেল অফিসার রাধারমণ সিং বলেন, গোবিন্দ মিশ্রকেও সাপে কামড়েছে। তিনিও ঘুমোচ্ছিলেন। ওঁর এক আত্মীয় চন্দ্রশেখরকেও সাপে কামড়ায়। সর্পাঘাতে মৃত অরবিন্দের শেষকৃত্যে যোগ দিতে এসেছিলেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন : অভিবাদন প্রিয়তমা! যুদ্ধ ভুলে ভারতে হিন্দু রীতিতে বিয়ে ইউক্রেনীয়-রুশ যুগলের

LinkedIn
Share