Tag: sneh rana

sneh rana

  • Indian Women’s Cricket Team: ঝুলনের রেকর্ডে ভাগ বসালেন স্নেহ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ী ভারতের মেয়েরাও

    Indian Women’s Cricket Team: ঝুলনের রেকর্ডে ভাগ বসালেন স্নেহ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ী ভারতের মেয়েরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোহিত-বিরাটরা দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। হরমনপ্রীতরাও পিছিয়ে নেই। দেশের মাটিতে টেস্ট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে পর্যদুস্ত করল ভারতের মেয়েরা (Indian Women’s Cricket Team)। ভারতের ৬০৬ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে প্রোটিয়ারা ২৬৬ রানে অল আউট হয়ে যায়। দ্বীতীয় ইনিংসে তাঁরা ৩৭৩ রান করেন। জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ৩৭ রান। সহজেই সে রান তুলে নেয়ে দেশের মেয়েরা। হরমনপ্রীতদের এই লড়াইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিসিসিআই (BCCI)সচিব জয় শাহ।

    ম্যাচ আপডেট (India Women vs South Africa Women)

    এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই টেস্ট ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত ব্যাটং করেন ভারতের শেফালি বর্মা। ১৯৪ বলে তিনি দুর্দান্ত একটি ডবল সেঞ্চুরি করেন। এই ইনিংসে তিনি ২২টি বাউন্ডারি এবং আটটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেট দল (Indian Women’s Cricket Team) প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ৬০৬ রান তোলার পর ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেয়। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে প্রোটিয়ারা মাত্র ২৬৬ রানে  অলআউট হয়ে যায়। প্রথম ইনিংসে একাই আট উইকেট শিকার করেছেন স্নেহ রানা (Sneh Rana)। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে লরা উলভার্ট এবং সিউন লুস দুর্দান্ত ব্যাটিং শুরু করেছিলেন। তাঁরা দুজনেই শতরান করেন। লরার ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসে ১২২ রানের ইনিংস। অন্যদিকে সিউন ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন। এই ইনিংসেও দুটি উইকেট নেন স্নেহ। ম্যাচে মোট ১০টি উইকেট নিয়ে ঝুলন গোস্বামীর রোকর্ডে ভাগ বসালেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে শেষপর্যন্ত ৩৭৩ রান করে এবং টিম ইন্ডিয়ার সামনে ৩৭ রানের টার্গেট রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। 


    ঝুলনের রেকর্ডে ভাগ

    ভারতের জার্সিতে যে যে মহিলা ক্রিকেটার (Indian Women’s Cricket Team) টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন, তাঁদের মধ্য প্রথমেই রাখতে হয় ভারতীয় কিংবদন্তি ঝুলন গোস্বামীর নাম। তিনি টনটনে ২০০৬ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন। এরপর এই তালিকায় রয়েছেন স্নেহ রানা। ভারতের ডান হাতি বোলার স্নেহ রানা দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ২৫.৩ ওভারে ৭৭ রান খরচ করে ৮টি উইকেট নিয়েছিলেন। তাতে ছিল ৪ ওভার মেডেন। আর তিনি প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে ৪০ ওভারে ১১১ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট।

    এই তালিকায় তিন, চার ও পাঁচ নম্বরে রয়েছেন যথাক্রমে — দীপ্তি শর্মা (২০২৩ সালে মুম্বইয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে), হরমনপ্রীত কৌর (২০১৪ সালে মাইসোরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে) এবং নীতু ডেভিড (১৯৯৫ সালে জামশেদপুরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Commonwealth Games: বড় মঞ্চে আবারও পরাজিত পাকিস্তান! কমনওয়েলথ ক্রিকেটে দাপুটে জয় ভারতের

    Commonwealth Games: বড় মঞ্চে আবারও পরাজিত পাকিস্তান! কমনওয়েলথ ক্রিকেটে দাপুটে জয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসে ক্রিকেটে পদকের আশা জিইয়ে রাখলেন হরমনপ্রীত কৌররা। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে চির প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হেলায় হারাল ভারত। বিসমা মারুফদের বিরুদ্ধে ১১.৪ ওভারেই ১০২ রান তুলল ভারত। পর পর দুই ম্যাচ হেরে চাপে বিসমারা। আর ৮ উইকেটে পাকিস্তানকে হারিয়ে গ্রুপ তালিকায় শীর্ষে ভারতের মেয়েরা।

    এদিন বৃষ্টির জন্য এজবাস্টনে দেরিতে শুরু হয় দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের মহিলা দলের ম্যাচ। গত ম্যাচে বার্বাডোজের বিরুদ্ধে হারের পর, ভাগ্য বদলের আশায় ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাক অধিনায়িকা বিসমাহ মারুফ। প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে ম্যাচ শুরু হওয়ায় তা ২০ ওভারের বদলে ১৮ ওভারে অনুষ্ঠিত হয়।

    আরও পড়ুন: আশা করি এবার একটা সিনেমা দেখার সুযোগ পাবে! অচিন্ত্যর প্রশংসায় মোদি

    ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই মেঘনা সিংহ ইরাম জাভেদকে শূন্য রানে সাজঘরে ফিরিয়ে ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন। তবে মন্থর গতিতে হলেও অধিনায়িকা বিসমা ও মুনিবা দলের ইনিংসকে সামলানোর চেষ্টা করেন। দ্বিতীয় উইকেটে দুইজনে মিলে ৫০ রান যোগও করেন। তবে তারপরেই হার্লিন দেওলের পরিবর্তে এই ম্যাচে সুযোগ পাওয়া স্নেহ রানা বিসমাকে সাজঘরের রাস্তা দেখান। ওই একই ওভারে সেট মুনিবাকেও ফেরান স্নেহ। তিনি ৩২ রানে আউট হন। ম্যাচের রাশ ভারতের দখলে চলে আসে। নির্দিষ্ট ১৮ ওভারে মাত্র ৯৯ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। মুনিবা আলির ৩২ ছাড়া বাকিরা কেউ ২০ রানের গণ্ডি টপকাতে পারেননি। ভারতের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন স্নেহ রানা এবং রাধা যাদব।

    আরও পড়ুন: পাঁচদিনের মাথায় ভারতের ছটি পদক কমনওয়েলথ গেমসে! কে কোন পদক পেলেন ছবিতে দেখে নিন

    জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রানে পৌঁছতে কোনও বেগই পেতে হয় না ভারতকে। আগ্রাসী মেজাজে শুরু করেন দুই ওপেনার স্মৃতি মন্ধানা এবং শেফালি বর্মা। বেশি আগ্রাসী ছিলেন সহ-অধিনায়ক মন্ধানা। দুই ওপেনার মাত্র ৫ ওভারেই তুলে নেন ৫২ রান। এর পর ভারতের জয় ছিল স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তাতেও আগ্রাসী মেজাজের কোনও পরিবর্তন হয়নি ভারতের ব্যাটারদের। নেট রান রেট ভাল রাখার লক্ষ্য নিয়ে পাক শাসন অব্যাহত রাখেন তাঁরা। ৯ বলে ১৬ রান করে শেফালি আউট হওয়ার পরেও শুরু ছন্দই ধরে রেখেছিলেন মন্ধানা। সেই মেজাজেই পূর্ণ করলেন অর্ধশতরান। মাঠ ছাড়লেন দলকে জিতিয়ে। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকলেন ৪২ বলে ৬৩ রান করে। মারলেন ৮টি চার এবং ৩টি ছক্কা।

    প্রসঙ্গত, এর আগে পাক ব্রিগেডের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে কুয়ালালামপুরে এবং ২০১০ সালে ব্যাসেটেরেতে যথাক্রমে ২৩ এবং ২০ বল বাকি থাকতে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারত। এ দিন সেই সব রেকর্ডকে ছাপিয়ে গেল হরমনপ্রীত কৌররা।

     

LinkedIn
Share