Tag: Snowfall

Snowfall

  • Sikkim: পুজোর মুখে মরশুমের প্রথম তুষারপাত সিকিমের ছাঙ্গুতে, কিন্তু পর্যটকরা পৌঁছাবেন কীভাবে?

    Sikkim: পুজোর মুখে মরশুমের প্রথম তুষারপাত সিকিমের ছাঙ্গুতে, কিন্তু পর্যটকরা পৌঁছাবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোর বাকি হাতে গোনা আর কয়েকটা দিন। পুজোর ছুটিতে অনেকেরই ডেস্টিনেশন হয় পাহাড়। ব্যাগপত্র গোছানোও শুরু হয়ে গিয়েছে। এরইমধ্যে অবিরাম বৃষ্টি চলছে পাহাড়ে। নামছে ধস। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টি চলবে পাহাড়-সহ সমতলে। কার্যত বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। বন্ধ রয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। পুজোর ছুটির মুখেই মন ভালো করা খবর এল সিকিম (Sikkim) থেকে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার উত্তর সিকিমের ছাঙ্গুতে তুষারপাত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানাচ্ছে, এটাই এই মরশুমের প্রথম তুষারপাত। দুপুর নাগাদ একটু একটু করে তুষারপাত (Snowfall) শুরু হয়েছিল। চলে বেশ খানিক ক্ষণ। ফলে, তুষারপাতের আমেজ নিতে পর্যটকরা কীভাবে যাবেন তা নিয়ে পর্যটকরা দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

    পর্যটকরা পৌঁছাবেন কীভাবে? চিন্তায় ব্যবসায়ীরা 

    পাহাড়ে নাগাড়ে বৃষ্টি আর ধসের ঘটনায় উদ্বেগ বাড়িয়েছিল। তবে, যাঁরা পুজোয় সিকিমের (Sikkim) দিকে যাচ্ছেন, তাঁদের জন্য এবার দারুণ সুখবর রয়েছে। বছরের প্রথম তুষারপাতের সাক্ষী থাকল সিকিমের ছাঙ্গু ও চোপ্তা ভ্যালি। এই খবর পেয়ে যারপরনাই আনন্দে আত্মহারা হবেন পর্যটকরা। যে পর্যটকরা ইতিমধ্যেই সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন, বছরের প্রথম তুষারপাত হতেই তাঁরা উচ্ছ্বসিত। তুষারপাতের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আশাবাদী পর্যটন ব্যবসায়ীরা। আসন্ন পুজোর ছুটির মরশুমে পর্যটকরা তুষারপাতের টানে পাহাড়মুখী হবেন বলে তাঁদের আশা। তবে, টানা ধসের কারণে বন্ধ রয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। সিকিম (Sikkim) যেতে হলে পর্যটকদের গরুবাথান, লাভা পেরিয়ে আলগাড়া হয়ে যেতে হবে। তা বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু, সেখানেও বিপদ! গরুবাথান থেকে লাভা হয়ে যে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের যোগ্য ছিল, সেটিও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। খুব প্রয়োজন না থাকলে সেই রাস্তা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। সেজন্যই পর্যটকদের আগমন নিয়ে চিন্তায় সিকিমের হোটেল ব্যবসায়ীরা। 

    আরও পড়ুন: রক্ত পরীক্ষার রিএজেন্ট কেনাতেও কোটি টাকার দুর্নীতি! সন্দীপের নয়া কুকীর্তি প্রকাশ্যে

    পাহাড়ে কতদিন চলবে বৃষ্টি? কী বলছে পূর্বাভাস?

    গত দু’দিন ধরে টানা উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিমেও (Sikkim) ভারী বর্ষণ চলছে। দু’দিনের ভারী বর্ষায় ফুঁসছে তিস্তা-সহ অন্যান্য নদী। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত টানা বৃষ্টি চলবে পাহাড়-সহ সমতলে। আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির বেশ কয়েকটি জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির কথা আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিতে পাহাড়ে ধস নামতে পারে। তার মধ্যেই তিস্তায় নতুন করে জলস্ফীতি ঘটায় তিস্তাপারের বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে প্রশাসন। বিপদ এড়াতে কয়েকটি এলাকায় নজরদারি শুরু হয়েছে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক-সহ পাহাড়ি রাস্তাগুলিতে। টানা চার দিনের বৃষ্টিতে বিপদের মুখে পাহাড় এবং সমতলের একাংশ। কালিম্পং তো বটেই, দার্জিলিংয়ের একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। প্রায় সময়ই বন্ধ থাকছে জাতীয় সড়ক। প্রায় লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত উত্তরে বৃষ্টি থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও দুদিন তুষারপাতের সম্ভাবনা সিকিমে (Sikkim)!

    শুক্রবার তুষারপাত (Snowfall) হতে পারে বলে আগেই অবশ্য পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার সিকিম আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর ডক্টর গোপীনাথ রাহা বলেন, “নামচি জেলায় তাপমাত্রা অনেকটাই নেমেছে। যে কারণে ছাঙ্গুতে তুষারপাত হয়। আগামী দু’দিনও সেখানে তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি গোট পাহাড়ে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।” সিকিমের (Sikkim) ব্যবসায়ীদের এখন একটাই প্রার্থনা, বৃষ্টি যেন দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। যাতে তুষারপাতের আমেজ নিতে রাজ্যে আসতে পারেন পর্যটকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranikhet: অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও হিমালয়ের রূপ দর্শন শৈলশহর রানিক্ষেতে যেন বাড়তি পাওনা!

    Ranikhet: অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও হিমালয়ের রূপ দর্শন শৈলশহর রানিক্ষেতে যেন বাড়তি পাওনা!

    নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের কুমায়ুন হিমালয়ের অন্যতম জনপ্রিয় শৈলশহর এবং পর্যটন কেন্দ্র রানিক্ষেত (Ranikhet)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬০০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই রানিক্ষেত এক সময় ছিল চাঁদ বংশের রানি পদ্মিনীর অত্যন্ত প্রিয় স্থান। কারও কারও মতে, রানি পদ্মিনীর প্রিয় স্থান হওয়ায় স্থানের নাম হয়েছে রানিক্ষেত। আরও পরে বৃটিশদের হাত ধরে নতুন সাজে সেজে ওঠে এবং জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হয়ে ওঠে এই রানিক্ষেত। বর্তমানে কুমায়ুন রেজিমেন্টের সদর দফতর বসেছে এই রানিক্ষেতে। শান্ত, নির্জন, অমলিন পরিবেশের মধ্যে দুটি দিন থেকে এখানকার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য Natural Beauty, হিমালয়ের রূপ দর্শন তো করবেনই, সঙ্গে দেখে নেওয়া যায় কুমায়ুন রেজিমেন্টের মিউজিয়ামটিও।

    সংগ্রহশালায় দেখার কী রয়েছে? (Ranikhet)

    এই সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে ভারতের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধে ব্যবহৃত বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র, ভারত-চিন যুদ্ধে ব্যবহার হওয়া রাইফেল, ওয়্যারলেস সেট প্রভৃতি। রয়েছে বিভিন্ন কুমায়ুনী বাদ্যযন্ত্র, কুমায়ুনী মানুষজনের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্র। এই মিউজিয়াম খোলা থাকে প্রত্যেক সোম, মঙ্গল, বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা এবং বিকেল ৩ টে থেকে ৫ টা অবধি। রবিবার খোলা থাকে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা অবধি। বুধবার বন্ধ।

    আপেলের বাগান ও গবেষণা কেন্দ্র

    চৌবাটিয়া-শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে এই চৌবাটিয়াতে আছে আপেলের বাগান ও আপেল গবেষণা কেন্দ্র। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রীতিমতো মন ভরিয়ে দেওয়ার মতো। এখানে এলে একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যায় এখান থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে ঝুলাদেবীর মন্দির (Ranikhet)। এই মন্দিরের আরাধ্যা দেবী হলেন মা দুর্গা। এছাড়াও রানিক্ষেত থেকে দেখে নেওয়া যায় শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত কালীমন্দির, ৬ কিমি দূরে হেরাথান মন্দির প্রভৃতি। আর রানিক্ষেতের অন্যতম আকর্ষণ এখানকার ভারতখ্যাত গল্ফ কোর্সটি।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Ranikhet)

    যাতায়াত-নৈনিতাল থেকে সরাসরি বাস আসছে রানিক্ষেতে। দূরত্ব প্রায় ৬০ কিমি। সময় লাগে প্রায় আড়াই ঘণ্টা। এছাড়াও বাস আসছে হলদোয়ানি, কাঠগুদাম থেকেও। তবে সবচাইতে ভালো নৈনিতাল থেকে স্থানীয় প্যাকেজ ট্যুরে ঘুরে নেওয়া রানিক্ষেত, আলমোড়া, কৌশানি প্রভৃতি। রানিক্ষেতে (Ranikhet) থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে কেএমভিএনের (KMVN) কয়েকটি ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস বা TRH। এগুলির মধ্যে রয়েছে ১)রানিক্ষেত (কালিকা) টিআরএইচ (ফোন-০৫৯৬৬-২২০৮৯৩) ২)রানিক্ষেত টিআরএইচ মোনাল (০৭৫৩৪০০১৭৩১) এবং ৩) রানিক্ষেত টিআরএইচ, চিলিয়ানওয়ালা (ফোন-০৫৯৬৬-২২০৫৮৮। এছাড়াও এখানে রয়েছে বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল ও লজ (Natural Beauty)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বছরের প্রথম দিনেও শীতের সেই দাপট নেই, কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা!

    Weather Update: বছরের প্রথম দিনেও শীতের সেই দাপট নেই, কয়েকটি জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের প্রথম দিনেও শীতের (Weather Update) দাপট কম। নেপথ্যে সেই ঘূর্ণাবর্ত। এমনকী, চলতি সপ্তাহের শেষেই দক্ষিণবঙ্গের পাঁচ জেলায় বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাসও রয়েছে। দক্ষিণে যেখানে বৃষ্টির ভ্রুকুটি, সেখানে উত্তরবঙ্গের শৈলশহর দার্জিলিংয়ে তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অপরদিকে, শীতে জবুথবু উত্তর ভারত। প্রবল ঠান্ডায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অনেক জায়গায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত।

    কেমন কলকাতার আবহাওয়া (Weather Update)?

    নববর্ষের দিনে শহর কলকাতায় শীতের (Weather Update) দেখা নেই। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অনেকটাই বেশি। কবে থেকে কনকনে ঠান্ডা পড়বে তা এখনও স্পষ্ট নয়। আবার সপ্তাহের শেষেই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, জানুয়ারি প্রথম দিনে কলকাতার তাপমাত্রা হল ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। গত নয় দিনের তুলনায় আজ তাপমাত্রা এক ডিগ্রি কম। তবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে সকাল-সন্ধ্যায় কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। দিনের তাপমাত্রা ২৫ এবার রাতের দিকে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে জানা গিয়েছে।

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

    আবার বাংলাদেশ এবং বঙ্গোপসাগরে বায়ুমণ্ডলের (Weather Update) উপরিভাগে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি রয়েছে। পূর্বদিক থেকে বাতস ঢুকছে রাজ্যে। ফলে বাতাসে জলীয়বাস্পের পরিমাণ বাড়ছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের দিকে পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গে জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রার পরিবর্তনের কোনও ইঙ্গিত নেই। সকাল এবং সন্ধ্যায় কুয়াশার ইঙ্গিত রয়েছে। গাঙ্গেয় জেলাগুলির তেমন তাপমাত্রা পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। আবার দার্জিলিং, কালিম্পঙে বৃষ্টিপাত হতে পারে। পর্যটকের কাছে আনন্দের খবর— আগামী সোমবার থেকে দার্জিলিঙে তুষারপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    উত্তর ভারতে লাল সতর্কতা জারি

    দিল্লির মৌসম ভবন জানিয়েছে, সোমবার পাঞ্জাবের অমৃতসর, ফতেগড়, সাহিব, গুরুদাসপুর, জলন্ধর, লুধিয়ানা, পাঠানকোট, রূপনগর ইত্যাদি জেলায় ঘন কুয়াশা (Weather Update) থাকবে। দৃশ্যমান কম হতে পারে কুয়াশার কারণে। রেল, বিমান, সড়কপথে যাতায়াত ব্যাহত হতে পারে। হরিয়ানার আম্বালায় দৃশ্যমানতা কমে গিয়েছে ২৫-এর নীচে। ফলে প্রাণহানির আশঙ্কা থাকার ইঙ্গিত রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর লাল সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়াও রাজস্থান, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যেপ্রদেশে শীতের কারণে কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কনকনে ঠান্ডা এবং ঘন কুয়াশার কারণে দিল্লির অনেক বিমান বাতিল করা হয়েছে। অনেক বিমান দিল্লির বদলে অন্যত্র অবতরণ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী কয়েক দিনে কুয়াশার পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling:  এক সপ্তাহের মধ্যে দার্জিলিংয়ের সান্দাকফুতে ফের তুষারপাত, খুশি পর্যটকরা

    Darjeeling: এক সপ্তাহের মধ্যে দার্জিলিংয়ের সান্দাকফুতে ফের তুষারপাত, খুশি পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) সান্দাকফুতে ফের তুষারপাত। বুধবার সান্দাকফুতে বরফ পড়ায় পাহাড় সহ লাগোয়া এলাকায় প্রবল ঠান্ডা নেমে এসেছে। বরফে ঢেকেছে সান্দাকফু। সান্দাকফুতে তুষারপাত হতেই উল্লসিত পর্যটকরা। এই মুহূর্তে ভিড়ে ঠাসা দার্জিলিং। গত সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় সান্দাকফুতে তুষারপাত হয়েছিল। তাই, তুষারপাত উপভোগ করতে অনেকেই দার্জিলিং থেকে সান্দাকফুতে চলে গিয়েছেন। তুষারপাতের জেরে দার্জিলিয়ের তাপমাত্রা হু হু করে নামতে শুরু করেছে। শিলাবৃষ্টিও শুরু হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকায়। তাই বড়দিনের আগেই বরফের চাদরে ঢাকতে পারে শৈলশহর।

    আশায় বুক বাঁধছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা (Darjeeling)

    মরশুমের প্রথম বরফ পড়াকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছিলেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। সিকিমের লেক বিপর্যয়ের কারণে পুজোর পর্যটনে ধাক্কা লেগেছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার তুষারপাত হওয়ায় বড়দিনের পর্যটনে ব্যাপক সাড়া জাগাবে বলে পর্যটন ব্যবসায়ীরা মনে করছেন। ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সাধারণত এত আগে দার্জিলিং (Darjeeling) পাহাড়ে বরফ পড়ে না। মাসের শুরুতেই তুষারপাত হয়েছিল। এবার আবার তুষারপাত হল। বরফ দেখতে বহু পর্যটক এর মধ্যেই আসতে শুরু করবেন। বুধবার থেকে আচমকাই পাহাড়ে পারদ নামতে শুরু করেছে। মিরিক থেকে ২৭ কিলোমিটার দূরে সুখিয়া ও সীমানা অঞ্চলে শিলাবৃষ্টি হয়। বরফ পড়ে সিঙ্গালিলায়। যার ফলে দার্জিলিং পাহাড়েও তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

    ২৪ ঘণ্টায় তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে

    হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিকিম ও দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) উপরের দিকের এলাকাগুলিতে তুষারপাতের সম্ভাবনা থাকছে। আরও পারদ নামবে বেশ খানিকটা। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে। কালিম্পঙে ইতিমধ্যেই তাপমাত্রা বেশ খানিকটা কমে গিয়েছে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টিও হচ্ছে। বুধবারই দার্জিলিঙের উঁচু জায়গাগুলিতে হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এমনকী পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে দার্জিলিং শহরও মরশুমের বছরের প্রথম তুষারপাতের সাক্ষী থাকতে পারে। সিকিমের পেলিং-সহ লাচুংয়ে বুধবার ভোর থেকেই চলছে তুষারপাত। রাত পোহাতেই সিকিমের সীমানা পেরিয়ে দার্জিলিং জেলাতেও তুষারপাত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chardham Yatra: প্রবল তুষারপাতে সাময়িকভাবে বন্ধ চারধাম যাত্রা! ফের কবে শুরু?

    Chardham Yatra: প্রবল তুষারপাতে সাময়িকভাবে বন্ধ চারধাম যাত্রা! ফের কবে শুরু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চারধাম যাত্রা (Chardham Yatra) আপাতত বন্ধ করল উত্তরাখণ্ড সরকার। উত্তর ভারত জুড়ে খারাপ আবহাওয়া এবং তুষারধসের জেরে আপাতত আর এগোতে দেওয়া হচ্ছে না পুণ্যার্থীদের। সূত্রের খবর, শ্রীনগরে আটকে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। জানা গিয়েছে, উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে ধস নেমেছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বদ্রীনাথ হাইওয়ে। গাড়ি যাতায়াতের পথও সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। চামোলি পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় বাজপুর এলাকায় ধস নামে। যার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে বদ্রীনাথ হাইওয়ে। এই পথ ধরেই তীর্থযাত্রীদের গাড়ি যায়। ফলে সেই রাস্তা খালি না হওয়া পর্যন্ত আটকে পড়েছেন যাত্রীরা। সকলেই বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। খারাপ আবহাওয়ার জেরে শ্রীনগর থেকে তাঁদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বহু মানুষের সঙ্গে সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে রাতে থাকার বন্দোবস্তও করা হয়েছে। 

    যাত্রা শুরু কবে হল

    অক্ষয় তৃতীয়ার দিন অর্থাৎ গত ২২ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে এ বছরের চারধাম যাত্রা (Chardham Yatra)। প্রতি বছর এই পবিত্র তিথিতেই শুরু হয় চারধাম যাত্রা (Chardham Yatra)। গঙ্গোত্রী, যমুনোত্রীর দরজা সেদিন থেকেই খুলে দেওয়া হয়েছে। কেদারনাথ ধামের দরজা খুলেছে গত ২৫ এপ্রিল থেকে। বদ্রীনাথে ভক্তদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে গত ২৭ এপ্রিল থেকে।

    প্রবল তুষারপাত বদ্রীনাথে 

    এদিকে, বদ্রীনাথ ধামে প্রবল তুষারপাত চলছে। IMD-র পূর্বাভাস মোতাবেক ৩০ এপ্রিল এবং ১ মে বদ্রীনাথ এবং কেদারনাথে তুষারপাত চলবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চারধামের (Chardham Yatra) এই দুই ধামে যাত্রা বন্ধ রাখা হয়েছে। হাজার হাজার পুণ্যার্থী দর্শনের জন্য জোড়ো হয়েছিলেন। কিন্তু, আবহাওয়ার জেরে হতাশ হয়ে পড়েছেন সকলেই।

    ফের কবে শুরু হবে যাত্রা

    উত্তরাখণ্ড সরকার জানাচ্ছে, আবহাওয়া কিছুটা পরিষ্কার হলে আগামী ৪ মে থেকে ফের কেদারনাথের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পারেন পুণ্যার্থীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: উধাও ঠান্ডা, চড়ছে পারা, শীতের পথে কাঁটা কে জানেন?

    Weather Update: উধাও ঠান্ডা, চড়ছে পারা, শীতের পথে কাঁটা কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বাভাস ছিলই। সেই পূর্বাভাসই মিলে যাচ্ছে। কলকাতা থেকে উধাও হয়ে গেল কনকন ঠান্ডা (Weather Update)। ক্রমেই বাড়ছে সিটি অফ জয়ের তাপমাত্রার পারদ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবারের তুলনায় শনিবার তাপমাত্রা বেড়েছে এক ডিগ্রি। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা বেড়ে হয়েছে ১৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়বে।

    দক্ষিণবঙ্গে হা-শীত দশা

    আবহবিদরা জানান, দক্ষিণবঙ্গে হা-শীত দশা চললেও, উত্তরবঙ্গ কাঁপবে ঠান্ডায়। ২৫ ডিসেম্বর বৃষ্টি ও তুষারপাত হতে পারে দার্জিলিংয়ে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ২৫, ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দার্জিলিং ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকা। হতে পারে তুষারপাতও। তবে দক্ষিণবঙ্গে এখনই বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই হাওয়া অফিস সূত্রে খবর।

    উধাও ঠান্ডা

    ঠিক কী কারণে পৌষেও হাড় কাঁপানো ঠান্ডা থেকে বঞ্চিত বাংলা (Weather Update)? হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উধাও ঠান্ডা। রাজ্যে বাড়ছে তাপমাত্রা। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই আগামী তিন দিন তিলোত্তমার তাপমাত্রা আরও তিন ডিগ্রি বাড়তে পারে। তাই বড়দিন ও নতুন বছরের শুরুতে কনকনে ঠান্ডা থেকে বঞ্চিতই থাকবেন আম-বাঙালি। যেহেতু চড়বে তাপমাত্রার পারা, সেহেতু মাঠে মারা যেতে পারে পিকনিকের মজাও।

    আরও পড়ুুন: শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে হবে আরও আগে, নয়া নির্দেশিকা জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    চলতি বছর প্রায় ডিসেম্বরজুড়েই হা-শীত, হা-শীত করেছেন ঠান্ডাপ্রেমীরা। মাসের মাঝখানে কয়েকটা দিন ভালো ঠান্ডা পড়লেও, ফের উধাও হয়েছে ঠান্ডা। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টি হয়েছিল। ওই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবও পড়েছিল এ রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে দিন তিনেক ধরে। ঘূর্ণঝড়ের তাণ্ডব শেষে মেঘ কেটে ওঠে রোদ। তার জেরেই নামতে শুরু করেছিল পারদ। সেই ঠান্ডাই এবার উধাও হয়ে গিয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে। তাই সান্তাক্লজ যখন এ বঙ্গে পা রাখবেন, তখন হি হি করা ঠান্ডা নয়, থাকবে শীতের আমেজ। ফের কবে ঠান্ডা পড়বে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেনি আবহাওয়া দফতর। তবে হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় থাকবে কুয়াশার দাপট (Weather Update)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Sikkim Snowfall: তুষারপাতে অবরুদ্ধ সিকিম! বরফ কেটে হাজারের বেশি পর্যটককে উদ্ধার ভারতীয় সেনার

    Sikkim Snowfall: তুষারপাতে অবরুদ্ধ সিকিম! বরফ কেটে হাজারের বেশি পর্যটককে উদ্ধার ভারতীয় সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মানবিকতার পরিচয় দিল ভারতীয় সেনা। প্রবল ঠান্ডায় পর্যটকদের নিজেদের ক্যাম্প ছেড়ে দিলেন সেনা জওয়ানরা। তুষারপাতে আটকে থাকা হাজার পর্যটক বুধবার সারা রাত কাটালেন সেনা ছাউনিতে। পূর্ব সিকিমের বিভিন্ন এলাকায় এতটাই ভারী তুষারপাত (Heavy Snowfall in Sikkim) হয়েছে যে বিস্তৃর্ণ এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন। ভারতীয় সেনার ত্রিশক্তি কর্পস বাহিনীর (Indian Army’s Trishakti Corps) তরফে বুধবার সারাদিন ধরে পূর্ব সিকিমের বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে হাজারের বেশি পর্যটককে উদ্ধার করা হয়েছে। 

    সেনা ছাউনিতে পর্যটকরা

    সিকিমে ঘুরতে গিয়ে অনেক পর্যটক তুষারপাতের মধ্যে আটকে পড়েছেন। তাঁদের উদ্ধার করতে আসরে নেমেছেন সেনা জওয়ানরা। পূর্ব সিকিমে উচু পার্বত্য এলাকা থেকে ১০০০-র বেশি পর্যটককে বুধবার সন্ধ্যায় উদ্ধার করেছে ভারতীয় সেনা। বৃহস্পতিবার সকালেও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে সেনা। তুষারপাত বিপর্যস্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হচ্ছে পর্যটকদের। সেনা ছাউনিতেই রাত্রিবাস করেন পর্যটকেরা। সেখানেই পর্যটকদের জন্য গরম জামা-কাপড়, খাবার-দাবার ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার বন্দোবস্ত করেছে ভারতীয় সেনা। আজ, বৃহস্পতিবারের মধ্যে আটকে পড়া সমস্ত পর্যটককে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলেই প্রত্যশা ভারতীয় সেনার। 

    আটকে গাড়ি

    একাধিক স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ভারী তুষারপাতের জন্য সিকিমের বিভিন্ন পর্যটনস্থলগুলিতে প্রায় ৪০০-র বেশি গাড়ি আটকে পড়েছিল। ভয়ঙ্কর শৈত্য প্রবাহও চলছে সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকেও বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বরফের চাদরে ঢেকেছে উত্তর সিকিম। লাচেন, লাচুং ও পেলিং বরফের তলায়। এরই সঙ্গে বুধবার সেখানে হয় শিলাবৃষ্টিও। 

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে ধর্মীয়স্থানে নিষিদ্ধ মাইক, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় নির্দেশ মোহনের

    তুষারপাত দার্জিলিংয়ে

    কনকনে ঠান্ডায় কাঁপছে দার্জিলিংয়ের পাহাড়ও। এদিন তুষারপাত হয় দার্জিলিংয়ের সান্দাকফু ও সীমান্ত এলাকাতেও। সামনেই বড়দিন। তার আগে সান্দাকফুতে তুষারপাত শুরু হয়েছে তাতে পর্যটকদের ভিড় আরও বাড়বে বলেই মনে করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। এদিকে মিরিক এলাকায় শিলাবৃষ্টিরও খবর পাওয়া গিয়েছে। তুষারপাত হয়েছে টংলু, ফালুটেও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share