Tag: Social Media Influencers

Social Media Influencers

  • Social Media Influencers: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Social Media Influencers: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের (Social Media Influencers) জন্যে নয়া নিয়ম জারি করল কেন্দ্র। না মানলে ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা অবধি জরিমানা হতে পারে। বর্তমানে এই ইন্টারনেটের যুগে, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নামটি ব্যাপক ভাবে জনপ্রিয়। অনেক সাধারণ মানুষ এদের অনুসরণ করে থাকেন। বিশেষ করে কম বয়সী ছেলে মেয়েদের ওপর বড় প্রভাব রয়েছে ইনফ্লুয়েন্সারদের। শুধু শহরেই নয়, গ্রামেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু ইনফ্লুয়েন্সার। ইনফ্লুয়েন্সাররা তাদের পেজ বা চ্যানেলকে মনিটাইজ করে বহু অর্থ উপার্জন করেন। ইনফ্লুয়েন্সার নিয়ে ২০ জানুয়ারি কনসিউমার অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রক এক নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার গাইডলাইন লঙ্ঘন করলে ইনফ্লুয়েন্সারদের ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। যদি বার বার এই নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে জরিমানার পরিমান ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করা হতে পারে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক।

    কী বলা হয়েছে গাইডলাইনে?  

    কনজিউমার অ্যাফেয়ার্স মিনিস্ট্রি গত ২৪শে ডিসেম্বর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের (Social Media Influencers) জন্য নতুন নির্দেশিকা লাগু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল৷ এই নতুন গাইডলাইনের অধীনে, প্রত্যেক ইনফ্লুয়েন্সারকে নিজেদের ফলোয়ারদের কাছে ঘোষণা করতে হবে যে তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইগুলিতে পোস্ট করা ভিডিও বা ছবিতে দেখানো প্রোডাক্টের প্রচারের জন্য অর্থ পেয়েছেন। আর যদি এই নিয়মের অবমাননা করা হয়, তবে বিনা ঘোষণায় কোনও পণ্যের পেইড প্রমোশন করার জন্য সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় নেতাজির জন্মদিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত  

    নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র রোজগারের লোভে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা (Social Media Influencers), পোস্ট বা ভিডিওর মাধ্যমে প্রচার করা প্রোডাক্টগুলিকে অনেক সময় নিজেরা ব্যবহার না করেই ভালো রিভিউ দিয়ে থাকেন। একইসঙ্গে মানুষকে তা কেনার জন্য পরামর্শ দেন। ওই সব ইনফ্লুয়েন্সারদের ওপর ভরসা করে কোনও রকম বিবেচনা না করেই অনেকেই সেই প্রোডাক্ট ব্যবহারও করে থাকেন। এই পরিস্থিতিতে একটি প্রোডাক্টের গুনাগুন পরীক্ষা না করেই তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া যাবে না বলেও ওই নির্দেশিকায় বলে হয়েছে। কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
  • TDS New Rules: চিকিৎসকদের পাওয়া ফ্রি স্যাম্পল, উপহারও আসতে চলেছে টিডিএস-এর আওতায়?

    TDS New Rules: চিকিৎসকদের পাওয়া ফ্রি স্যাম্পল, উপহারও আসতে চলেছে টিডিএস-এর আওতায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুলাই থেকে টিডিএসের (TDS) নতুন নিয়ম লাগু হতে চলেছে। আয়কর আইনে (Income Tax Act) যোগ হয়েছে ‘194R’ ধারা। কর আদায়ের পরিধি বাড়াতে চলতি অর্থবর্ষে নতুন নিয়ম এনেছে কেন্দ্র। এবার থেকে ব্যবসায়িক কারণে পাওয়া বিনামূল্যের উপহারের ওপর দিতে হবে টিডিএস। সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সর (Social Media Influencers) এবং চিকিৎসকদের (Doctors) কোনও সংস্থার প্রচারের জন্যে পাওয়া ‘ফ্রি স্যাম্পেলে’ কর গুনতে হবে। করের হার বাকিদের মতোই থাকবে ১০%।   

    আরও পড়ুন: আয়কর রিটার্ন জমা দিচ্ছেন না? বেশি কর দেওয়ার জন্যে প্রস্তুত হন 

    বর্তমানে কোনও পণ্য বা পরিষেবা বাজারে আসার আগেই সামাজিক মাধ্যমে তার প্রচার চালায় সংস্থাগুলি। ‘কোলাবরেশন’ করে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সরদের সঙ্গে। এছাড়া চিকিৎসকদেরও বিনামূল্যে ওষুধ বা উপহার পাঠায় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। ইনফ্লুয়েন্সররা বা চিকিৎসকরা বিনামূল্যে পান ওই পণ্য। এতদিন পর্যন্ত এ ধরনের পণ্য বা পরিষেবার জন্য কোনওরকম কর দিতে হত না। কিন্তু আগামী ১ জুলাই থেকে বদলে যাচ্ছে নিয়ম।

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের (Ministry of Finance) তরফে জানানো হয়েছে, এখন থেকে বিনামূল্যে পাওয়া জিনিস বা উপহারের উপর টিডিএস (ট্যাক্স ডিডাকক্টেড অ্যাট সোর্স) দিতে হবে। যে সব পণ্যের প্রচারের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সর বা চিকিৎসকদের বিনামূল্যে উপহার পাঠানো হয়, তার উপর ১০ শতাংশ টিডিএস বসানো হবে। তবে, যদি কেউ প্রোমোশনের পর ওই পণ্য সংস্থাকে ফিরিয়ে দেন, তাহলে তাঁকে কর দিতে হবে না। এই ধরনের কাজ থেকে বছরে ২০ হাজার টাকার কম সুবিধা পেলে টিডিএস লাগবে না। বিজ্ঞপ্তিটি জারি করেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডিরেক্ট ট্যাক্সেস (CBDT)। যে সমস্ত পণ্যের উপর টিডিএস বসবে, তার মধ্যে রয়েছে গাড়ি, টিভি, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, সোনার কয়েন, মেডিসিন স্যাম্পেল, বিদেশে যাওয়ার জন্য বিমানের টিকিট, আইপিএল টিকিট ইত্যাদি।   

    আরও পড়ুন: বিয়ে করলে বাড়ে বেতন এবার কর্মীদের জীবনসঙ্গীও খুঁজে দেবে সংস্থা

    কিন্তু হাসপাতালে কর্মরত কোনও চিকিৎসক যদি বিনামূল্যে ওষুধের স্যাম্পেল পান, তাহলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালকে তার জন্যে টিডিএস দিতে হবে। তবে কোনও চিকিৎসক যদি হাসপাতালে কনসালট্যান্ট হিসেবে কর্মরত থাকেন, তাহলে টিডিএস প্রথমে হাসপাতালের নামে কাটা হবে। পরে ওই হাসপাতালে ‘১৯৪ আর’ ধারায় সংশ্লিষ্ট টিকিৎসককে কর জমা করতে বলবে। এই নিয়ম বেসরকারি হাসপাতালের জন্যে। সরকারি হাসপাতালে এই নিয়ম কার্যকর হবে না।

      

LinkedIn
Share