Tag: solar panel

solar panel

  • PM Surya Ghar Scheme: প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পে সাফল্য, প্রথম বছরেই ৮.৫ লক্ষ বাড়িতে বসল সৌর বিদ্যুৎ

    PM Surya Ghar Scheme: প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পে সাফল্য, প্রথম বছরেই ৮.৫ লক্ষ বাড়িতে বসল সৌর বিদ্যুৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি ভারতীয়র জন্য অপেক্ষা করে রয়েছে বিশেষ সুখের দিন। দেশের প্রতিটি ঘরে কার্বন মুক্ত বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে যাওয়ার কাজ শুরু করেছে মোদি সরকার। এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর স্কিম’। ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতের ২৭ মিলিয়ন ঘরে এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে। সেই প্রকল্পের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা ঘোষণা করলেন নতুন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের এক বছর পূর্তিতে ৮.৫ লাখ পরিবার সফলভাবে ছাদে সোলার সংযোগ স্থাপন করেছে।

    এই প্রকল্পের লক্ষ্য ও অগ্রগতি

    ২০২৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়া প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর প্রকল্পের লক্ষ্য এক কোটি সোলার-পাওয়ার বাড়ি স্থাপন করা। সংসদে ইতিমধ্যে এবিষয়ে প্রয়োজনীয় অনুমতি মিলেছে। ইতিমধ্যে ১ দশমিক ৪৫ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। সমস্ত কাজ শেষ হলে মোট ৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ঘরে চলবে এই বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পরিষেবা। এই এই প্রকল্পের জন্য মোট খরচ পড়বে ৭৫,০২১ কোটি টাকা। দেশের মোট ১ কোটি বাড়ির ছাদে বসানো হবে এই সৌর বিদ্যুৎ পরিষেবা। এই কাজে সরকার ভর্তুকি দেবে। প্রথমে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল। গত ডিসেম্বর মাসে, সংসদীয় স্থায়ী কমিটি শক্তি বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছিল যে, অক্টোবর ২০২৪ পর্যন্ত শুধুমাত্র ৫ লাখ ইনস্টলেশন সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও ২০ লাখ আবেদন পোর্টালে জমা পড়ার কথাও বলে তারা। প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত দেরির কারণ হিসেবে সরকার আবহাওয়া সম্পর্কিত প্রতিবন্ধকতাকে দায়ী করেছে। তবে, সরকারের আশা ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ১২ লাখ ইনস্টলেশন সম্পন্ন হবে।

    সৌর শক্তির ব্যবহার এগিয়ে ভারত

    এই প্রকল্পের অধীনে, সরকারের তরফে ২ কিলোওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার সিস্টেমে ৬০ শতাংশ এবং ২-৩ কিলোওয়াট ক্ষমতার অতিরিক্ত সিস্টেমের জন্য ৪০ শতাংশ সাবসিডি দেওয়া হচ্ছে, যা ৩ কিলোওয়াটের ক্ষমতা পর্যন্ত সীমিত। বর্তমান বাজার মূল্য অনুযায়ী, ১ কিলোওয়াটের জন্য ৩০,০০০ টাকা, ২ কিলোওয়াটের জন্য ৬০,০০০ টাকা এবং ৩ কিলোওয়াট বা তার বেশি সিস্টেমের জন্য ৭৮,০০০ টাকা সাবসিডি দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি ফিকি আয়োজিত ইন্ডিয়া এনার্জি ট্রানজিশন কনফারেন্সে মন্ত্রী প্রলহাদ জোশী ভারতের নবীকরণযোগ্য শক্তি খাতে উন্নতির কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রতি বছর ৫০ গিগাওয়াট নতুন ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির সক্ষমতা যোগ করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং গত দশকে ভারতের নবীকরণযোগ্য শক্তির সক্ষমতা ২০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে ২০১৪ সালে ৭৫.৫২ গিগাওয়াট শক্তি পাওয়া যেত সেখানে ২০২৩ সালে ২২০ গিগাওয়াটে পৌঁছনো গিয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সোলার শক্তির দাম ২০১০-১১ সালে প্রতি ইউনিট ১০.৯৫ টাকা থেকে ৮০ শতাংশ কমে ২.১৫ টাকা হয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, ভারত বর্তমানে সাশ্রয়ী সোলার শক্তিতে বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।

  • Ram Mandir Inauguration: ‘রামের আলো’ থেকে বিদ্যুৎ! ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’র ঘোষণা মোদির

    Ram Mandir Inauguration: ‘রামের আলো’ থেকে বিদ্যুৎ! ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’র ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’র (Pradhanmantri Suryodaya Yojana) আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন নরেন্দ্র মোদি। সোমবার অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার পরে তাঁর ঘোষণা, সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন দিশা দেখাবে তাঁর সরকারের এই কর্মসূচি। দেশের এক কোটি নাগরিকের বাড়িতে সোলার রুফ টপ সিস্টেম (Solar Roof Top System) বসানোর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্য দিয়ে গরিব ও মধ্যবিত্তের বিদ্যুৎ-এর বিল কম হবে। এর পাশাপাশি শক্তি সম্পদের দিক থেকেও ভারত আত্মনির্ভর হবে।

    মোদির নয়া ঘোষণা

    দিল্লিতে ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’ সংক্রান্ত বৈঠকের পরে মোদি তাঁর সরকারি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘বিশ্বের সব ভক্ত সর্বদা সূর্যবংশী ভগবান শ্রীরামের আলো থেকে শক্তি পান। আজ, অযোধ্যায় প্রাণ প্রতিষ্ঠার শুভ দিবসে, আমার সংকল্প আরও দৃঢ় হয়েছে যে ভারতের জনগণের বাড়ির ছাদে তাদের নিজস্ব ‘সোলার রুফ টপ সিস্টেম’ (সৌরবিদ্যুতের প্যানেল) থাকা উচিত।’’ 

    প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

    প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর এই কাজেও এনেছেন রামের ছোঁয়া। দেশবাসীকে বাড়ি বাড়ি ‘রাম-জ্যোতি’ জ্বালিয়ে স্বাগত জানানোর আর্জি রাখেন মোদি। আর দিনান্তে ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’ নিয়ে তাঁর বিশেষ বার্তা, ‘‘অযোধ্যা থেকে ফিরে আসার পর আমি প্রথম যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা হল, আমাদের সরকার দেশের কোটি বাড়িতে ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর লক্ষ্য নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্যোদয় যোজনা’ চালু করবে। এটি শুধু দরিদ্র ও মধ্যবিত্তের বিদ্যুৎ খরচই কমাবে না, ভারতকে শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বনির্ভর করে তুলবে।’’ সেই প্রকল্পের আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের ছবিও সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন মোদি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambag: ৭ কোটি টাকার ‘গ্রিন সিটি’ প্রকল্পে দুর্নীতি? কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ

    Arambag: ৭ কোটি টাকার ‘গ্রিন সিটি’ প্রকল্পে দুর্নীতি? কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকার গ্রিন সিটি প্রকল্পের উদ্বোধনী ফলক প্রকাশ্যে জ্বলজ্বল করছে। কিন্তু সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ কিছুই হয়নি। তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ বিরোধী দলগুলির। কাজ না হওয়ায় সরকারি বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে সোলার প্যানেল খোলার আবেদন জানানো হল পুরসভাকে। পুরসভার (Arambag) বর্তমান তৃণমূলের চেয়ারম্যান বিগত তৃণমূল বোর্ডের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।

    বিদ্যালয়গুলি সোলার প্যানেল খুলে নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে

    আরামবাগ (Arambag) পুরসভার উদ্যোগে স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সহায়তায় গ্রিন সিটি প্রকল্পে সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সোলার প্যানেল বসানো হয়। ৭ কোটি ২৪ লক্ষ টাকার প্রকল্পে পুরসভার বিভিন্ন সরকারি বিদ্যালয় সহ রাস্তাঘাটে সৌর আলো লাগানো হয়। আরামবাগ পুরসভা থেকে ই টেন্ডার করে ঠিকাদারের মাধ্যমে এই কাজের বরাত দেওয়া হয়। সেইমতো আরামবাগ শহরে অবস্থিত বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর প্যানেল বসানোর কাজও হয়। কিন্তু উদ্বোধনের ফলক থাকলেও জ্বলেনি আলো, চলেনি পাখা। এমতাবস্থায় বিদ্যালয়গুলি সোলার প্যানেল খুলে নেওয়ার লিখিত আবেদন জানিয়েছে আরামবাগ পুরসভায়। সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প কার্যকর না হওয়ায় বিরোধী দলগুলিও পুরবোর্ডের দিকে আঙুল তুলেছে।
    উল্লেখ্য, আরামবাগ পুরসভা এলাকার ৩৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিশুশিক্ষা কেন্দ্র, ১১ টি আপার প্রাইমারি ও হায়ার সেকেন্ডারি বিদ্যালয়ের ছাদে সোলার প্যানেল বসে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭৬৪.৪৬ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন। যা এই সমস্ত বিদ্যালয় ছাড়াও আরামবাগ পুরসভার স্টিট লাইটে ব্যবহার করা হবে। ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে আরামবাগ পুরসভা থেকে গ্রিন সিটি প্রকল্পে সোলার বিদ্যুৎ প্যানেলের জন্য ই টেন্ডার হয়। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের কাজও শুরু হয়। অডিট রিপোর্টে দেখা যায়, ২৭.০৪.২০১৯ তারিখে গ্রিন সিটির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ওই তারিখেই ফাইনাল পেমেন্ট হয়ে গেছে।

    কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক?

    গ্রিন সিটি নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি বিভিন্ন সময় আরটিআই-এর মাধ্যমে পুরসভায় (Arambag) জানতে চেয়েছে, কত টাকা মঞ্জুর হয়েছে, কাজটি কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু পুরসভা থেকে কোনও RTI এর সদুত্তর দিতে পারেনি। এমতাবস্থায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে সরজমিনে তদন্ত শুরু করতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। বিদ্যালয়ের ছাদে কোথাও সোলার প্যানেল লাগানো আছে। কিন্তু মেশিন ও ব্যাটারি নেই। কোথাও বা সোলার প্যানেল লাগানোই হয়নি। কোনও কোনও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে রাজি হচ্ছেন না। তবে আরামবাগ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক বিকাশচন্দ্র রায় মুখ খুলেছেন। কয়েক মাস আগেই গ্রিন সিটির প্রকল্পের সৌর বিদ্যুতের সোলার প্যানেল খোলার দাবিতে প্রায় ৩০ টি বিদ্যালয় পুরসভাকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। বিদ্যালয় থেকে কেউ কেউ তো সরাসরি অভিযোগ করেছেন, সোলার বিদ্যুৎ পাননি। কিন্তু বিদ্যালয়ের ছাদে সৌর বিদ্যুতের প্যানেল বসানোয় ছাদ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

    নয়ছয়ের অভিযোগে কী বললেন চেয়ারম্যান (Arambag)?

    ইতিমধ্যেই বিরোধী দল বিজেপি ও সিপিএম গ্রিন সিটি প্রকল্পের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছে। বিজেপি তো সরাসরি কোর্টে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে। যদিও এই নিয়ে আরামবাগ (Arambag) পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভান্ডারি বিগত পুরবোর্ডের দিকেই আঙুল তুলেছেন। আর বিগত আরামবাগ পুরবোর্ডের চেয়ারম্যান তথা বর্তমান ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলা্র, আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি স্বপনকুমার নন্দী বলেছেন, এটা বিরোধীদের অপপ্রচার। তিনি বলেন, আগেই অডিট হয়েছে। সেই রিপোর্ট পুরসভায় আছে। এ বিষয়ে রাজ্য বিজেপির সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, যাদের যা স্বভাব তাই করেছে। তদন্ত হবে, অবশ্যই আইন অনুযায়ী দোষীরা শাস্তি পাবে। আইনের ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা আছে। ইতিমধ্যেই আমরা অভিযোগ জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Solar Powered Village: দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের সূর্য মন্দিরের গ্রাম!

    Solar Powered Village: দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের সূর্য মন্দিরের গ্রাম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ গ্রাম বিখ্যাত ছিল সূর্য মন্দিরের জন্য। এবার নয়া পরিচিতি পাচ্ছে গুজরাটের মেহসানা জেলার মধেরা গ্রাম। আজ, শুক্রবার থেকে এ গ্রামকে দেশবাসী চিনবে সৌরশক্তির গ্রাম (Solar Powered Village)  হিসেবে। আজ্ঞে, হ্যাঁ। এটিই দেশের প্রথম সৌরশক্তির গ্রাম। এ গ্রামের সব কিছুই চলবে সৌরশক্তির সাহায্যে। মধেরা গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে পুষ্পবতী নদী। এই গ্রামেই রয়েছে সূর্য মন্দির। প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করবেন সৌরশক্তির গ্রামের (Solar Powered Village)। আরও কয়েকটি প্রকল্পের শিলান্যাসও করবেন তিনি।

    মধেরাকে সৌরশক্তির গ্রামে (Solar Powered Village) রূপান্তরিত করতে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে বসানো হয়েছে হাজারেরও বেশি সৌর প্যানেল। গুজরাট সরকারের দাবি, এর ফলে গ্রামবাসীদের আর বিদ্যুৎ কষ্টে ভুগতে হবে না। গ্রামে সৌর বিদ্যুৎ থাকবে ২৪ ঘণ্টাই। গ্রামবাসীরা নিখরচায় ভোগ করবেন সৌর বিদ্যুৎ। বৃহস্পতিবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, আমি জানাতে খুশি হচ্ছি ক্লিন এনার্জি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপূরণে গুজরাট আরও একবার নেতৃত্ব দিচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির মাধ্যমে ভারতের শক্তির চাহিদার ৫০ শতাংশ উৎপাদন করতে তাঁর সঙ্কল্প পূরণে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আরও পড়ুন : ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    ছবির মতো সাজানো গ্রাম মধেরা। শেষ জনগণনা অনুযায়ী, গ্রামে বাস করেন ৬ হাজার ৭৩৮ জন। এই সৌরশক্তি প্রকল্পের জন্য গুজরাট সরকার বরাদ্দ করেছে ১২ হেক্টর জায়গা। কেন্দ্র ও রাজ্য মিলিয়ে প্রকল্পের কাজে খরচ করেছে মোট ৮০ কোটি ৬৬ লক্ষ টাকা। জানা গিয়েছে, সৌরশক্তির এই গ্রামে (Solar Powered Village) দিনের বেলায় শক্তি সরবরাহ করবে সৌর প্যানেল। সন্ধেয় সেই শক্তি বাড়িতে সরবরাহ করবে বিইএসএস। এই গ্রামেই প্রথম বৈদ্যুতিক যানের চার্জিং স্টেশনও স্থাপন করা হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী গুজরাটে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে মধেরার সূর্য মন্দিরে হবে স্পেকট্যাকুলার লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো। এই শোয়ে থ্রি-ডি প্রজেকশনের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে মধেরার ইতিহাস। এই শো-ও হবে সৌরশক্তির সাহায্যে। এখনও যে গ্রামের মন্দিরে নিত্য পুজো হয় সূর্যদেবের, সেই গ্রামেই দিবানিশি আলো দেবেন দিবাকর!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share