Tag: song

song

  • Sheikh Shahjahan: ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান নাকি ‘জাতির জনক’! অনুগামীদের গানে বিতর্ক তুঙ্গে

    Sheikh Shahjahan: ফেরার তৃণমূল নেতা শাহজাহান নাকি ‘জাতির জনক’! অনুগামীদের গানে বিতর্ক তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি হানার পর থেকে সন্দেশখালির ‘ডন’ শেখ শাহজাহান এখন গর্তে ঢুকে রয়েছেন। পুলিশ তার টিকি ছুঁতে পারছে না। শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন এলাকার মহিলারা। আর তাকে কেন্দ্র করেই অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে সন্দেশখালি। এই আবহের মাঝে তৃণমূলের ফেরার নেতা শাহজাহানকে নিয়ে গান ভাইরাল হয়েছে। আর সেই গানে তৃণমূল নেতাকে ‘জাতির জনক’ হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    ভাইরাল হওয়া গানে কী রয়েছে? (Sheikh Shahjahan)

    এমনিতেই এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাভাজন হতে অনেকেই তাঁকে নানা মণীষীর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। অনেক সময় মণীষীদের সঙ্গে তাঁর ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। যা নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চাও হয়েছে। এবার সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচারকারী তৃণমূল নেতা শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) ‘জাতির জনক’ বলায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। মহাত্মা গান্ধীকে জাতির জনক বলা হয়। শাহজাহানের মতো কুখ্যাত নেতাকে জাতির জনক বলায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ভাইরাল গানটিতে দেখা যাচ্ছে রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে হাঁটছেন। কোথাও আবার ঝাঁঝালো বক্তৃতা দিচ্ছেন। আর তাতেই মন মজেছে শাহজাহানের অনুগামীদের। গানের প্রতিটি লাইনে বারবার বলা হয়েছে, ‘বাদশা তুমি শাহজাহান ভাই, উত্তর ২৪ পরগনা তোমাকেই চায়’। কোথাও তিনি ‘বাদশা’, কোথাও ‘জাতির জনক’, কোথাও ‘নারীদের ত্রাতা” থেকে ‘গরিবের রবিন হুড’ হেন কোনও বিশেষণ বাদ দেননি তাঁর অনুগামীরা। আর এই নিয়ে একটি গানও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শাহজাহান বাহিনী সুন্দরী মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করত। সেই সময় তৃণমূল নেতার অনুগামীদের তৈরি করা গানে বলা হচ্ছে তিনিই নারীদের ত্রাতা। গানের লাইন ঠিক এই রকম, ‘বাজি রেখে প্রাণ, যে বাঁচায় নারীর সম্মান, রাখি মন কুটিরে, স্বপ্ন জুড়ে ভাই শাহজাহান।’ এখানেই শেষ নয়, অনুগামীরা মজেছেন শাহজাহানের হাসিতেও। গানে-গানে তাই গাইতে শোনা গিয়েছে, ‘তোমার মিষ্টি হাসি-ভালবাসি লাভ ইউ সুলতান।’

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    শাহজাহানের অন্যতম সাগরেদ উত্তম সর্দারকে সাসপেন্ড করে বার্তা দিয়েছে তৃণমূল। এখন শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) মাথা থেকে হাত সরায়নি শাসক দল। তবে, সন্দেশখালি ইস্যুতে যেভাবে দিনে দিনে পায়ের তলায় মাটি হারাচ্ছে তৃণমূল, তাতে শাহজাহানের ওপর কতদিন দল আস্থা রাখতে পারে, তা নিয়ে অনুগামীরাও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তাই, শাহজাহানের স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তুলে ধরার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন তাঁর অনুগামীরা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জাতির জনক বলতে আমরা মহাত্মা গান্ধীতে বুঝি। এভাবে মহিলাদের ওপর নির্যাতনকারী, তোলাবাজকে জাতির জনক বলায় মহাত্মা গান্ধীকে অপমান করা। এই ধরনের গান অবিলম্বে বন্ধ হওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Music Day: শারীরিক ও মানসিক শান্তি এনে দিতে পারে গান বা সঙ্গীত

    World Music Day: শারীরিক ও মানসিক শান্তি এনে দিতে পারে গান বা সঙ্গীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন খারাপ হোক বা ভালো। সব কিছুর সঙ্গী গান বা সঙ্গীত। এই সঙ্গীতের আছে এমন শক্তি, যা আপনাকে ও আপনার মস্তিষ্ককে শান্তি এনে দিতে পারে। এই সঙ্গীত মনের অবস্থা ব্যক্ত করতে, সমাজের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে ভীষণ ভাবে উপযোগী। প্রত্যেক বছর ২১ শে জুন বিশ্ব সঙ্গীত দিবস (World Music Day) পালন করা হয়। সমস্ত সঙ্গীত প্রেমীদের কাছে এই দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম।

    কীভাবে ও কবে শুরু হয় এই বিশ্ব সঙ্গীত দিবস (World Music Day)?

    ১৯৮২ সালে ফরাসি মন্ত্রী জ্যাক ল্যাং-এর হাত ধরে এই দিবসের সূচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। ১৯৮৫ সালের ২১ জুন প্রথম গোটা ইউরোপ এই দিবস পালন শুরু করে। পরে গোটা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এই দিবস। ‘গান হতে হবে মুক্ত, সংশয়হীন’-এই স্লোগানটি তখন জনপ্রিয় হয় এবং এই স্লোগানকে সামনে রেখে ১১০ টি দেশ যুক্ত হয় এই বিশ্ব সঙ্গীত দিবসের সাথে। বিশ্ব সঙ্গীত দিবসকে (World Music Day) ফরাসি ভাষায় বলে, ‘ফেট ডে লা মিউজিক’।

    কেন পালন করা হয় এই দিবস (World Music Day)?

    বর্তমানে বিশ্বের সমস্ত সঙ্গীতজ্ঞদের সম্মান জানাতে এই বিশেষ দিনটিকে (World Music Day) বেছে নেওয়া হয়। বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় আজকের দিনে অনেক অনুষ্ঠান এবং বিশেষ বিশেষ অভিজ্ঞ সঙ্গীতকারদের সম্মান জানানো হয়। প্রত্যেক বছর একটি নির্দিষ্ট থিম নির্বাচন করা হয় এই দিনটির জন্য। একটি বিশেষ দিন ও সময়কে এই বিশ্ব সঙ্গীত দিবস হিসাবে পালন করা হয় কেন? তার পিছনে আবার আছে একটি ইতিহাস। পৃথিবী সূর্যের চারপাশে যখন প্রদক্ষিণ করে, তখন ২১ শে জুন পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধ থাকে সূর্যের সব থেকে কাছাকাছি। দিন সব থেকে বড় হয় এবং রাত সব থেকে ছোট হয়। এর ওপর নির্ভর করে পশ্চিমী দেশগুলিতে এই দিনটি থেকেই গ্রীষ্মকালের সূচনা হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। বিশেষ করে পশ্চিমে কয়েকটি দেশে গ্রীষ্মকাল খুবই সুখদায়ক। কারণ সেখানে বেশিরভাগ অঞ্চল শীতপ্রধান। তাই এই বিশেষ দিনটিকে গান-বাজনার সাথে সেলিব্রেট করার মাধ্যমে পালন করা শুরু হয়। ১৯৮২ সালে প্রথম ফ্রান্সে এই দিনটির সূচনা হয়। এর পর ভারত সহ আরও ১২০ টি দেশ এই দিবস পালন শুরু করে। সারা বিশ্ব জুড়ে নানান ঘরানার সঙ্গীত গেয়ে পালন করা হয় এই দিনটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share