Tag: Sougata roy

Sougata roy

  • Suvendu Adhikari: “বয়স্ক সাংসদ পোজ দিয়ে জল নিকাশির চেষ্টায়”, সৌগতকে খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “বয়স্ক সাংসদ পোজ দিয়ে জল নিকাশির চেষ্টায়”, সৌগতকে খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী শনিবারই শহরে সপ্তম দফা তথা ২০২৪ এর লোকসভা ভোটের শেষ দফার ভোট রয়েছে। কিন্তু তার আগেই রবিবার মধ্যরাতে রেমাল ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছে শহর ও শহরতলী। একটানা বৃষ্টির প্রভাবে জলমগ্ন হয়েছে কলকাতার একাধিক এলাকা। আর সেই আবহেই এবার তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়ের (Sougata Roy) জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন নিয়ে খোঁচা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    শুভেন্দুর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    দমদম লোকসভা কেন্দ্রে সাংসদ পদে হ্যাটট্রিক করেছেন সৌগত। এবারও সেই এলাকায় তৃণমূলের প্রার্থী তিনি। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে তাঁর এলাকার জলমগ্ন পরিস্থিতির অবস্থা নিয়েই কার্যত খোঁচা দিয়েছেন শুভেন্দু। শুভেন্দুর বক্তব্য, সৌগতর (Sougata Roy) কাজ দেখে মনে হচ্ছে, তৃণমূলে তিনি নব্য। শুভেন্দু বলেন, ”১৫ বছর ধরে সাংসদ। ১৫ বছর ধরে পুরসভার ক্ষমতায়। ১৩ বছর ধরে রাজ্যে ক্ষমতায়। কিন্তু নির্বাচনের আগে, বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার কারণে, জল জমে যাওয়ায় বাঁশ দিয়ে কি খোঁচাচ্ছেন উনিই জানেন! বাঁশটা কিন্তু ভোটারদের চিনিয়ে দিলেন, ১ জুন আপনার জন্য তোলা থাকল।” এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে এদিন এমনই মন্তব্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর পোস্টের ক্যাপশনে শুভেন্দু ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’ ও ‘কাঁচা অভিনেতা’ বলে কটাক্ষ করেছেন। সঙ্গে আরও লিখেছেন, ‘বয়স্ক সাংসদ পোজ দিয়ে জল নিকাশির চেষ্টায়।’ 

    ভোট বলেই কি সাংসদের এমন তৎপরতা?- উঠছে প্রশ্ন 

    প্রসঙ্গত, এদিন ঘূর্ণিঝড়ের পরে এলাকা পরিদর্শনে বের হন তৃণমূল প্রার্থী (Sougata Roy)। কখনও সটান পে লোডারের চালকের সিটে বসে পড়ছেন বছর ৭৬-এর সৌগত, আবার কখনও ধুতি গুটিয়ে নর্দমায় বাঁশ নিয়ে জলে জোর খোঁচাখুচি করছেন। আর ভোটের আগে তাঁর এই চিত্রকেই ‘চিত্রনাট্য’ বলে বর্ণনা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।   
    অন্যদিকে সৌগত রায়ের (Sougata Roy) এমন কর্মকাণ্ডে প্রশ্ন উঠেছে, ভোট বলেই কি সাংসদের এমন তৎপরতা? যদিও শুধু সৌগত নয়, পে লোডারে তাঁর পাশে দেখা গিয়েছে বরানগর উপ নির্বাচনে এবারের তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।  
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panihati: পানিহাটির অচলাবস্থা নিয়ে তদন্তের দাবি জানালেন পুরসভার চেয়ারম্যান, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Panihati: পানিহাটির অচলাবস্থা নিয়ে তদন্তের দাবি জানালেন পুরসভার চেয়ারম্যান, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগে প্রচারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন দমদম লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়। পানীয় জলের সঙ্কটের জন্য তৃণমূল পরিচালিত পুর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছিলেন বাসিন্দারা। এবার সেই বোর্ডেরই পুরপ্রধান পানিহাটি (Panihati) পুরসভার সামগ্রিক অচলাবস্থা নিয়ে তদন্তের দাবি করলেন। ভোটের আগে এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    পানিহাটি অচলাবস্থা নিয়ে তদন্তের দাবি জানালেন চেয়ারম্যান (Panihati)

    পানিহাটি (Panihati) পুরসভায় ওয়ার্ডের সংখ্যা ৩৫টি। গত চার মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ বোর্ড মিটিং। পানীয় জল, জঞ্জাল, বিদ্যুৎ, নিকাশি নিয়ে মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। তার ওপর ঠিকাদারদের প্রায় ১৫ কোটি টাকার মতো বকেয়া থাকায় তারাও কোনও কাজে হাত দিচ্ছেন না। ফলে, থমকে উন্নয়নের কাজ। একপ্রকার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে পানিহাটি জুড়ে। এই অবস্থার মধ্যে চেয়ারম্যানকে সরানোর জন্য কাউন্সিলরদের একটা অংশ সরব হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, পুরবোর্ড ক্ষমতায় থাকার পরও কোনও কাজ হচ্ছে না। আবর্জনার স্তুপে পরিণত হয়েছে শহর। পানীয় জলের সঙ্কট তো রয়েছে। এই অবস্থা কাটিয়ে সুস্থ স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসুক আমরা চাই। অন্যদিকে,পানিহাটি (Panihati) পুরসভার সামগ্রিক অচলাবস্থা নিয়ে তদন্তের দাবি করলেন।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল নেতার নির্দেশে বাড়িতে মজুত বোমা তৈরির মশলা-আগ্নেয়াস্ত্র”, জানালো ধৃত দুষ্কৃতী

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    মানুষের ক্ষোভ যখন দিনে দিনে বাড়ছে তখন পুরপ্রধানের চেয়ারে বসে পানিহাটির (Panihati) সামগ্রিক অচলাবস্থা নিয়ে তদন্তের দাবি করলেন পুরপ্রধান মলয় রায়। তিনি বললেন, ঠিকাদারদের যে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে বলে বলা হচ্ছে সেই কাজ হয়েছে ২০১৯ সালের লোকসভা এবং ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে ওই কাজ করা হয়েছিল। যার বেশিরভাগই হয়েছিল কোনওরকম টেন্ডার, ওয়ার্ক অর্ডার ছাড়া। স্বপক্ষে কাগজপত্রও ঠিকঠাক নেই। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে বিপুল পরিমাণ ওই টাকার কাজ কিভাবে হলো? যদিও তা নিয়ে খোলসা না করলেও পুরো প্রক্রিয়াটার পিছনে কারোর না কারোর মদত ছিল বলে জানিয়েছেন পুরপ্রধান। তিনি বলেন, ‘ আমি পুরপ্রধানের চেয়ারে বসার পর থেকে সমান্তরাল প্রশাসন চালানো হচ্ছে। বোর্ড মিটিং ডাকলে কাউন্সিলরদের একটা অংশ ইচ্ছাকৃত ভাবে হাজির হচ্ছেন না। যাতে বোর্ড মিটিং না হয়। ঠিকাদাররা কাজ করতে চাইছেন না।

    পানিহাটির বিধায়ক কী বললেন?

    পানিহাটির (Panihati) বিধায়ক নির্মল ঘোষ বলেন, ‘ প্রথমত আমি পুরসভা দেখিনা। তার ওপর চেয়ারম্যান তো অসুস্থ।আর সেকারণে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব তাকে পদত্যাগ করতে বললেও তিনি করেননি। তবে আমি নির্বাচনের মুখে মুখ খুলতে চাইনা। কাউকে চটাতেও চাইনা। একটা কথা মাথায় রাখতে হবে পুরসভা চালানোর দায়িত্ব পুরপ্রধানের। উনি যদি নিজের ব্যর্থতাকে তদন্ত দিয়ে ঢাকতে চান করবেন’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panihati: “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    Panihati: “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচারে বেরিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে কদমতলা এলাকায়। ভোটের মুখে পানীয় জলের দাবিতে এভাবে দলীয় প্রার্থী বিক্ষোভের মধ্যে পড়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে শাসক দল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    কার্যত বেহাল পানিহাটির (Panihati) নাগরিক পরিষেবা। পানীয় জল থেকে বিদ্যুৎ, জঞ্জাল থেকে নিকাশি, রাস্তাঘাট কোনওকিছুই বাদ নেই। গরমের মধ্যে পানীয় জলের সমস্যা দীর্ঘ হচ্ছে। জলের জন্য পানিহাটিতে ক্ষোভ বিক্ষোভ লেগেই আছে। এই আবহের মধ্যে সোমবার সকালেই ফের পানীয় জলের দাবিতে বাড়ির মহিলারা রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। এমনিতেই গরমে নাজেহাল অবস্থা, তারমধ্যে পুরসভার দেওয়া পাইপ লাইন দিয়ে একটুও জল পড়ছে না। গরম উপেক্ষা করে মহিলারা রাস্তা অবরোধে সামিল হন। সেই সময় প্রচার সেরে ফিরছিলেন দমদম লোকসভার প্রার্থী সৌগত রায়। তাঁকে মহিলারা চিৎকার করে বলে ওঠেন, ৬ দিন ধরে জল নেই। এই গরমে কী করে বাঁচব? পুরসভার কাছে বার বার গিয়ে আবেদন করেছি। কোনও লাভ হয়নি। আপনি কিছু একটা করুণ। এরপর সৌগত অবরোধকারীদের সামনে পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল তীর্থঙ্কর ঘোষের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, কেএমডিএ-র সঙ্গে কথা বলেন। এরপরই স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরা সেখানে হাজির হন। পানীয় জলের সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়ার পর অবরোধ ওঠে।

    আরও পড়ুন: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় বলেন, আমাকে দেখে বিক্ষোভ কেউ দেখাইনি। আসলে তাঁরা নিজেদের দাবি কথা জানিয়েছেন। ৬দিন ধরে এলাকায় জল নেই। তাই, মহিলারা রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। আমি পুরসভাকে জানিয়েছি। আশা করি, জলের সমস্যা মিটে যাবে। বিজেপি নেতা কৌশিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, এর থেকে লজ্জার আর কিছু হয় না। সাংসদ হিসেবে তিনি যে কিছু করেননি তা আবারও প্রমাণ হয়ে গেল। ভোট বাক্সে মানুষ এর জবাব দেবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে পুলিশকে “অপদার্থ” বললেন সৌগত রায়

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধার কাণ্ডে পুলিশকে “অপদার্থ” বললেন সৌগত রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আবু তালেবের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করল সিবিআই। আর এই ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল যোগ রয়েছে বলে বিরোধীরা সরব হয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছে। এবার সেই বিরোধীদের সুরে দমদম লোকসভার প্রার্থী সৌগত রায় সন্দেশখালিতে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশকে তোপ দেখেছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    পুলিশের অপদার্থতা! (Sandeshkhali)

    শুক্রবার সকাল থেকে তল্লাশি চালানোর পর সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করে সিবিআই। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে পাওয়া গিয়েছে পুলিশের রিভলভারও। বোমা উদ্ধার করতে শুক্রবার নামানো হয়েছিল এনএসজি। আর সেই অস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশের ওপরেই দায় চাপাচ্ছে তৃণমূল নেতাদের একটা অংশ। শুক্রবারই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেন, “পুলিশের গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের নজরে থাকা উচিত ছিল। যারাই ঢুকিয়ে থাকুক, পুলিশের তো আগেই বের করা উচিত ছিল।” অন্যদিকে, দমদমের তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় শনিবার প্রচারে বেরিয়ে সন্দেশখালিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে মন্তব্য করেন। রাজ্যের পুলিশকে ‘অপদার্থ’ বলেও সম্বোধন করেন তিনি। সন্দেশখালি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “যেই অস্ত্র রাখুক না কেন, বেআইনি অস্ত্র ধরা তো পুলিশেরই কাজ। এটা পুলিশের অপদার্থতা।” প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের পুলিশের ওপর দায় চাপালে কি শাসক দলের দিকে আঙুল উঠবে না?

    আরও পড়ুন: ফের সন্দেশখালিতে শাহজাহান ঘনিষ্ঠের বাড়িতে সিবিআই হানা, আবু তালেবের পর এবার কে?

    অস্ত্র উদ্ধারের কৃতিত্ব পুলিশের, দাবি পার্থ ভৌমিকের

    অস্ত্র মজুত এবং উদ্ধার করার বিষয়টি নাটক বলে অভিযোগ তৃণমূলের একটি অংশ। কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দায়ী করার চেষ্টা করছে। এই আবহের মধ্যে বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক আবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন। তিনি বলেন, “শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইডি, সিবিআই তাঁকে গ্রেফতার করেনি। এখন যাদের হেফাজতে রয়েছে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই সব তথ্য মিলছে। আসলে পুলিশের হেফাজতে থাকলেও এই অস্ত্র উদ্ধার হত। আসলে এই অস্ত্র উদ্ধারের সমস্ত কৃতিত্ব হচ্ছে পুলিশের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘‘দাদা আপনার বয়স হয়েছে’’! সৌগতকে ফের খোঁচা শাহের, কেন জানেন?

    Amit Shah: ‘‘দাদা আপনার বয়স হয়েছে’’! সৌগতকে ফের খোঁচা শাহের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সৌগত রায়কে খোঁচা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বুধবার সংসদে ৩৭০ ধারার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে তৃণমূলের সাংসদ বলেন, বিজেপি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতেই এটা বাতিল করেছে, কাশ্মীরিদের লাভের জন্য নয়। সৌগত রায়ের এই মন্তব্যের পরেই পাল্টা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলে ওঠেন, ‘‘দাদা আপনার বয়স হয়েছে!’’ প্রসঙ্গত, নিজের করা মন্তব্যের জন্য বারংবার বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে সৌগত রায়কে। কখনও দলের ভিতরে, কখনও বা দলের বাইরে। দিন কয়েক আগে তাঁকে নিয়ে কটাক্ষ করেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রও। এদিন ফের সংসদ ভবনে খোঁচা খেতে হল তৃণমূলের নারদা কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত এই সাংসদকে।

    দেশের অখণ্ডতা রক্ষার স্লোগানও সৌগতর চোখে রাজনৈতিক!

    প্রসঙ্গত, ভারতীয় জনসঙ্ঘ গঠিত হয় ১৯৫১ সালে। তারপরেই কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। ১৯৫৩ সালের ১১ মে বিনা পারমিটে তিনি কাশ্মীরে প্রবেশ করতে গেলে শেখ আবদুল্লার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। জেলবন্দি অবস্থায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয় কাশ্মীরে ১৯৫৩ সালের ২৩ জুন। ৩৭০ ধারা বাতিল যে দেশের অখণ্ডতার স্বার্থেই প্রয়োজন, তা মনে করতেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। জনসঙ্ঘের তখনকার স্লোগান ছিল, ‘এক প্রধান, এক বিধান, এক নিশান’। দেশের অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার দাবিতে দেওয়া এই স্লোগানকে এদিন রাজনৈতিক স্লোগান বলে আখ্যা দেন তৃণমূলের সাংসদ সৌগত রায়।

    কী বললেন অমিত শাহ?

    সৌগতর এই কথা শুনেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) উঠে দাঁড়ান এবং বলেন, ‘‘এটা খুবই আপত্তিজনক কথা। এক দেশে এক নিশান, এক প্রধান ও এক বিধান থাকবে… একে রাজনৈতিক বিবৃতি বলা হচ্ছে! আমার মনে হয় দাদা আপনার বয়স হয়ে গিয়েছে। এক দেশে দু’জন প্রধানমন্ত্রী কী করে থাকবেন, এক দেশে দু’রকম সংবিধান কীভাবে থাকবে, এক দেশে দু’রকম নিশানই (পতাকা) বা কীভাবে থাকবে। যাঁরা এই কাজ করে গিয়েছিলেন, তাঁরা মহা ভুল করেছেন। নরেন্দ্র মোদি তা শুধরে দিয়ে ঠিকই করেছেন।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: ‘লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত’, কেন বললেন মদন?

    Madan Mitra: ‘লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত’, কেন বললেন মদন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি ইস্যুতে নাজেহাল অবস্থা তৃণমূল পরিচালিত কামারহাটি পুরসভার। ইডি-র ডাকে বার বার সিজিওতে ছুটতে হচ্ছে পুর চেয়ারম্যান গোপাল সাহাকে। এরই মধ্যে বিজয়া সম্মেলনীতে প্রকাশ্যে গোপালকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। গোপালের পাশে দাঁড়িয়ে কার্যত বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাদের মতো দলের বিধায়ক তথা ‘কালারফুল বয়’ মদন মিত্র (Madan Mitra) বেলাগাম আক্রমণ করেছেন। সৌগতবাবুর মতো বর্ষীয়ান নেতাকে যে ভাবে আক্রমণ করা হয়েছে. বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতারাও সেই ঢঙে কথা বলেন না। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই কি কামারহাটি কাণ্ড নিয়ে দমদম লোকসভায় তৃণমূলের চেহারা বেআব্রু হয়ে গেল। সাংসদের নাম করে বিধায়ক মদনের কড়া সমালোচনার ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে এল।

    কামারহাটি নিয়ে সৌগত রায় ঠিক কী বলেছেন?

    কামারহাটিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মেলনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। মঞ্চে উপস্থিত গোপাল সাহার পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, কামারহাটি পুরসভায় ঠিকমতো কাজ হচ্ছে না। কোন অর্ডার পাস হচ্ছে না। মানুষ কোনও পরিষেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ জানাচ্ছেন। পরিষেবা দেওয়াটা সবার আগে দরকার। এই পুরসভায় এত কাউন্সিলার আছে, নিজেদের মধ্যে অন্য গল্প না করে নাগরিক পরিষেবা যাতে আরও উন্নত করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা করা উচিত। এমনকী পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহাকে নাগরিক পরিষেবা উন্নত করার জন্য ধমক দেন তিনি।

    সৌগত রায়কে নিয়ে ঠিক কী বলেছেন মদন? (Madan Mitra)

    সৌগত রায়ের বক্তব্য সামনেই আসতেই মুখ খুলেছেন তৃণমূলের ‘কালারফুল বয়’ (Madan Mitra)। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, ওনার (সৌগত রায়) একটাই উদ্দেশ্য, যেই গোপালকে ইডি ডাকল, তখন উনি বলতে শুরু করলেন, ঠাকুর ঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি’। ‘কী বোঝাতে চাইছেন? পুর দুর্নীতিতে আমি নেই! গোপালরা দুর্নীতি করেছে? যা বলার স্পষ্ট বলুন’। ‘আর ৯ বছরে এসব চোখে পড়ল না, এসব ভোটের আগে ঠিক মনে হল আপনার, কোথায় একটা গন্ধ আছে মনে হচ্ছে’। ‘দলের খাবেন আর সুযোগ পেলেই দলের পিছনে পিন বাজি? অথচ, আপনার বাংলোটা শ্রেষ্ঠ বাংলো, আপনি মন্ত্রী থাকাকালীন ম্যানেজ করে নিয়েছেন, আর এখন গোপাল ভূত, আর আপনি রাজা হয়ে গেলেন’। ‘কিছু বলার থাকলে পার্টির মধ্যে বলুন, তবে আপনার গুণ আছে, পিসি সরকারের ম্যাজিকের মত পাল্টি খাওয়া’।

    লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে যাচ্ছেন সৌগত, দাবি মদনের

    তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, ‘সৌগত রায় ১৫ বছরে ১০টা ছেলে দেখান, যারা আপনার কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছে’। ‘বেশি কিছু বলবেন না, দিনকাল ভালো নয় তো’। ‘হঠাৎ আপনি মেরুকরণ করে গিরগিটির মতো পাল্টাচ্ছেন কেন? জেনে রেখে দেবেন, মদন মিত্র আছে’। ‘আপনার ডানদিকে বাঁদিকে যাঁরা ঘোরেন, ওরা তো সব চোর’ । কংগ্রেস আমলে পুরানো ইতিহাস মনে করিয়ে দিয়ে মদন বলেন,  ‘লোকে জানে আপনি শিক্ষিত, কিন্তু ৭৭ সালে এমন রিগিং করেছিলেন, যে এসডিপিওকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। তারপর থেকে বারাকপুর হাতছাড়া হয়ে গেল’। এরপর এসব বলার জন্য দল ব্যবস্থা নেবে ধরে নিয়ে মদন মিত্র বলেন. ‘পার্টির কাছে ক্ষমা চাইছি, এইসব কথা বলার জন্য আমার শাস্তি হতে পারে, উত্তর চাইতে পারে, কিন্তু উত্তর আমি দেব’। ‘তবে এটাও বলে রাখি, স্পেসিফিক কিছু না পেলে মদন মিত্ৰ বলে না’। ‘ওনার (সৌগত রায়) বলার স্টাইলটা যেন মনে হচ্ছে, লেবুতলা পার্কের রাম মন্দিরের দিকে এগোচ্ছে। তবে, কিছু যায় আসে না, তুড়ি মারব, উড়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: ‘কামারহাটি পুরসভায় কাজ হচ্ছে না’, চেয়ারম্যানকে ধমক দিয়ে বললেন সাংসদ সৌগত

    Kamarhati: ‘কামারহাটি পুরসভায় কাজ হচ্ছে না’, চেয়ারম্যানকে ধমক দিয়ে বললেন সাংসদ সৌগত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে তোলপাড় কামারহাটি (Kamarhati) পৌরসভা। পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহাকে মাঝেমধ্যেই সিজিও তো ডাকছে ই়ডি। তার বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। ইডির তদন্তের মধ্যেই কামারহাটির অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার তমাল দত্তকে সাসপেন্ড করল পুর কর্তৃপক্ষ। এই তমালবাবুর বিরুদ্ধে বিপুল সম্পত্তি তৈরির অভিযোগ ওঠে। তমালবাবুকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। কিছু নথি ও পাওয়া গিয়েছিল তার কাছ থেকে। এরপরেই তাকে সাসপেন্ড করে দেওয়ার ঘটনায় নিয়োগ দুর্নীতির কোনও ইস্যু রয়েছে কিনা তা নিয়েও গোটা পুরসভা জুড়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এই সব ঘটনা নিয়ে যখন কামারহাটি জুড়ে তোলপাড় চলছে, তখন বিস্ফোরক অভিযোগ করলে দমদমের সাংসদ সৌগত রায়। তাঁর কথায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।  প্রকাশ্যে তৃণমূল সাংসদদের বক্তব্যে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে কামারহাটি পুর কর্তৃপক্ষ।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ? (Kamarhati)

    কামারহাটিতে (Kamarhati) তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিজয়া সম্মেলনীর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে হাজির ছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। মঞ্চে উপস্থিত গোপাল সাহার পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, কামারহাটি পুরসভায় ঠিকমতো কাজ হচ্ছে না। কোন অর্ডার পাস হচ্ছে না। মানুষ কোন পরিষেবা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ জানাচ্ছেন। পরিষেবা দেওয়াটা সবার আগে দরকার। এই পুরসভায় এত কাউন্সিলর আছে, নিজেদের মধ্যে অন্য গল্প না করে নাগরিক পরিষেবা যাতে আরও উন্নত করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা করা উচিত।  এমনকী পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহাকে নাগরিক পরিষেবা উন্নত করার জন্য ধমক দেন। সাসপেন্ড হওয়া অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার তমাল দত্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি কি মহাপুরুষ। তিনি নেই বলে কাজ হবে না, এটা তো চলতে পারেনা।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, সৌগত দা আমাদের অভিভাবক। তিনি পুরসভা পরিচালনার ক্ষেত্রে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও ধমক দেননি। তার নির্দেশ মেনে আগামী দিনে পুরসভা পরিচালনা করা হবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন,, আমাদের মতো কোনও বিরোধী দল এই অভিযোগ করছে না। তৃণমূল দলের সাংসদ প্রকাশ্যেই বলছে কামারহাটি পুরসভা কোনও কাজ করছে না। এর থেকে লজ্জার আর কিছু হয় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘‘সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর কোনও অত্যাচার হয়নি’’! ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢাললেন সৌগত

    Sandeshkhali: ‘‘সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর কোনও অত্যাচার হয়নি’’! ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢাললেন সৌগত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির সুন্দরি বউদের তৃণমূলের পার্টি অফিসে ডেকে নির্যাতন চালাতেন শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর লোকজন। সংবাদ মাধ্যমের সামনে, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের কাছে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন নির্যাতিতারা। পুলিশও এই সব ঘটনার অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণের মামলা রুজু করেছে। এত কাণ্ড হয়ে যাওয়ার পর তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় ফের মুখ খুললেন। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) মহিলাদের নিয়ে তিনি যা বললেন তাতে শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পর ক্ষোভের যে আগুন ধিক ধিক করে জ্বলছিল, সেই আগুনে ফের ঘি ঢাললেন তৃণমূল সাংসদ। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ? (Sandeshkhali)

    ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে সৌগত রায়কে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) নারী নির্যাতন প্রসঙ্গে কথা বলতে শোনা গিয়েছে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। দমদমের সাংসদ বলেন, “সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচারের কোনও ঘটনা ঘটেনি। ঘটলে প্রমাণ থাকত। যদি কিছু ঘটেও থাকে, সেক্ষেত্রে মমতার পুলিশ গ্রেফতার করেছে। শাহজাহান, শিবু, উত্তমদের রাজ্য পুলিশই গ্রেফতার করেছে। সিবিআই বা ইডি নয়।” এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালি ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন সাংসদ। সেই সময় তিনি গোটা ঘটনাই সংবাদমাধ্যমের তৈরি বলে দাবি করেছিলেন। এবার আরও একধাপ এগিয়ে নারী নির্যাতনের অভিযোগই সারবত্তাহীন বলে দাবি করে বসেছেন তিনি। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের ভেতরেই অনেকে চাইছেন না সৌগতবাবু ফের সাংসদ হন। টিকিট পাওয়া নিয়ে সংশয়ের পাশাপাশি তিনি জয়ের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু, প্রার্থী পদটা ওঁর জরুরি, তাই আবার তোষামোদ শুরু করেছেন। এমনটাই মনে করছে বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন: শাহজাহান ঘনিষ্ঠ হাতুড়ে চিকিৎসকের বাড়িতে সিবিআই হানা, ভাঙা হল ঘরের তালা

    সাংসদের বক্তব্য নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের নির্যাতন, জমি দখল, খেলার মাঠ দখল নিয়ে এলাকাবাসী সরব হয়েছেন। চাপে পড়়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব নড়েচড়ে বসে। মিনাখাঁ থেকে শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করে। সঙ্গে সঙ্গে কড়া পদক্ষেপ নিয়ে শাহজাহানকে ৬ বছরের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করে। পরে, আদালতের নির্দেশে শাহজাহান মামলা সিবিআইয়ের হাতে যায়। শাহজাহানের শাগরেদদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগেও মামলা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কীভাবে এই দাবি করলেন সৌগত, উঠছে প্রশ্ন। সাংসদের এই বিতর্কিত বক্তব্যের পর নতুন করে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ক্ষোভ বাড়তে শুরু করেছে। সন্দেশখালির বুকে তৃণমূলের ভাবমূর্তি আরও খারাপ হল বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: আপনার বয়স ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে এটা শোভা পায় না! সৌগতকে বললেন বিরক্ত শাহ

    Amit Shah: আপনার বয়স ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে এটা শোভা পায় না! সৌগতকে বললেন বিরক্ত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে বক্তব্য রাখার সময় বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের আচরণে মেজাজ হারালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে মাদক সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিতর্ক চলাকালে তার পক্ষে অনেক বিষয় তুলে ধরা হয়, তবে এদিন বক্তব্য রাখার মাঝেই বিরক্ত হন অমিত। নেপথ্যে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। অমিত শাহের বক্তব্যের সময়ই সংসদে কথা বলতে শুরু করেন সৌগত রায়। এতেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেগে যান। তিনি বলেন, ‘দাদা, আপনি যদি ভাষণ দিতে চান, আমি বসে যাচ্ছি। ১০ মিনিট বলুন।’ আরও রেগে গিয়ে শাহ বলেন, ‘কথার মধ্যে কথা বলার বিষয়টি আপনার বয়স ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে শোভা পায় না।’ লোকসভায় তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ের উপর তুমুল চটে এমনই বললেন অমিত শাহ। 

    এরপর যখন বিরোধী দলের এক সাংসদ জানতে চান কেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেগে গেলন, তখন অমিত শাহ শুধু বলেন যে তিনি রাগ করেননি, তবে বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাচ্ছিলেন।  তাঁর কথায়, “মাঝে মাঝে বড়রা ভুল করলে ছোটদের শুধরে দিতে হয়।”

    আরও পড়ুন: আসানসোলের পদপিষ্ট কাণ্ডে জিতেন্দ্রজায়া চৈতালিকে রক্ষাকবজ দিল হাইকোর্ট

    মাদক প্রসঙ্গে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মাদক ব্যবহার নিয়ে বিতর্কের সময় লোকসভায় শাহ জানান, ভারতে যে রুট ধরে মাদক পাচার করা হয়, তা চিহ্নিত করে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যা দেশের ৪৭২ টি জেলায় ছড়িয়ে আছে। সেইসঙ্গে মাদকের পরিবর্ত হিসেবে যে সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, সেগুলিরও বড় অংশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আগামী দু’বছরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যে কেউ রেহাই পাবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক একটি বড় সমস্যা। মাদকের অর্থ সন্ত্রাসে ব্যবহৃত হয়। এই সমস্যার মোকাবিলা করার তিনটি উপায় আছে – সহযোগিতা, সমন্বয় এবং সহায়তা। এই লড়াইয়ের ক্ষেত্রে এই বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা (মাদক) কোনও একটি সরকার বা রাজনৈতিক দল বা সরকারি এজেন্সির কোনও লড়াই নয়। এটার (মাদক) বিরুদ্ধে সার্বিকভাবে পদক্ষেপ করা উচিত।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share