Tag: South 24 Paraganas

South 24 Paraganas

  • Old Man Beaten: তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি করায় বৃদ্ধকে মারধর, ভোটের আগে উত্তপ্ত রামচন্দ্রপুর

    Old Man Beaten: তৃণমূল ছেড়ে বিজেপি করায় বৃদ্ধকে মারধর, ভোটের আগে উত্তপ্ত রামচন্দ্রপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত ভোট এগিয়ে আসছে তত শাসক দলের দাদাগিরির অভিযোগ সামনে আসছে। নির্বাচনী আবহে রাজ্যের একাধিক জায়গায় শাসক-বিরোধী দ্বন্দ্ব বারবার সমানে এসেছে। আর এবার শেষ দফার ভোটের আগেও তার অন্যথা হলনা। এবার মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া জব কার্ডের টাকা তুলে শাসক দলের নেতা কে না দেওয়ায় বৃদ্ধকে মারধরের (Old Man Beaten) অভিযোগ উঠল বুথ সভাপতি ও স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য তপন মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার (South 24 Paraganas) মন্দিরবাজার বিধানসভার ধনুরহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের রামচন্দ্রপুর এলাকায়। 
    জানা গিয়েছে, সুশীল মন্ডল, প্রবীর মন্ডল সহ এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জব কার্ডে কাজ করে। জব কার্ডের টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢোকার পর সেই টাকা শাসকদলের নেতারা দাবি করেন। কিন্তু টাকা দিতে না চাওয়ার তাদের মারধর করা হয় বলেই অভিযোগ। 

    সুনীল মন্ডলের অভিযোগ (Old Man Beaten) 

    বৃদ্ধ সুনীল মন্ডলের অভিযোগ বাজার থেকে ফেরার পথে সুনীল মন্ডল, সুশীল মন্ডল ও প্রবীর মন্ডল সহ কয়েকজনকে লাঠি নিয়ে মারধর করে তৃণমূল বুথ সভাপতি তপন মুখোপাধ্যায় ও তার দলবলের লোকজন। যদিও মারধরের কথা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বুথ সভাপতি।

    এই বিষয়ে (Old Man Beaten) বুথ সভাপতির পাল্টা দাবি তারা কোনও জব কার্ডের টাকা চাননি বরং বৃদ্ধ সুনীল মণ্ডল তার থেকে বেশ কিছু টাকা ধার নিয়েছিল। সেই টাকাই তিনি চেয়েছেন। অন্যদিকে দল ছেড়ে বিজেপি করার কথা স্বীকার করেছেন ঐ তৃণমূল নেতা। ইতিমধ্যেই মন্দিরবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।  

    আরও পড়ুন: “বাংলায় সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে বিজেপি”, সপ্তম দফার আগেই জানিয়ে দিলেন মোদি

    বিজেপির বক্তব্য 

    ঘটনার (Old Man Beaten) প্রসঙ্গে মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অশোক পুর্কাইত বলেন, “এই লোকসভায় শুধু মথুরাপুর নয় তারা বুঝতে পেরেছে মন্দিরবাজার এলাকাতেও তারা ধরাশায়ী হয়ে যাবে। সেজন্য এখন তাদের মধ্যে টাকার ভাগাভাগি চলছে। ”  এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, “পুলিশ ও তৃণমূলের গুন্ডারা যেভাবে এখানে আক্রমণ চালাচ্ছে সেটা আগামী দিনে খুব ভয়াবহ। ” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Illegal Tree Cutting: বেআইনিভাবে কাটা হয়েছে হাজার হাজার গাছ, সব দেখেও নির্বিকার প্রশাসন!

    Illegal Tree Cutting: বেআইনিভাবে কাটা হয়েছে হাজার হাজার গাছ, সব দেখেও নির্বিকার প্রশাসন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাস্তার পাশেই পড়ে রয়েছে সারি সারি কাটা গাছ। এ ছবি দেখে বিস্মিত হবেন আপনিও। যখন তীব্র তাপপ্রবাহে হাঁসফাঁস করছে গোটা রাজ্যবাসী। বারে বারে বলা হচ্ছে বেশি করে গাছ লাগান। তখন এমন ছবি সত্যিই ভাবিয়ে তোলে প্রত্যেককে। এ ছবি অন্য কোথাও নয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ (Kakdwip) বিধানসভার মধুসূদন পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাত নম্বর শিবকালী এলাকার ঘটনা। 

    প্রতিবাদ জানাতে গেলেই হুমকি

    রাস্তার পাশে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে এইভাবে ১০০০ এরও বেশি গাছ কাটা (Illegal Tree Cutting) হয়েছে। কিন্তু কাটলো কারা? এলাকার মানুষের অভিযোগ, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের নির্দেশেই রাস্তা হওয়ার দোহাই দিয়ে এই ভাবেই হাজার হাজার গাছ কাটা হয়েছে। এর বেশি আর কিছুই জানে না এলাকার মানুষজন। বেশি কিছু বলতে গেলেই তাদের ওপর হুমকি আসছে বলেও জানান তারা। 

    নির্বিকার প্রশাসন (Illegal Tree Cutting) 

    তবে এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় মধুসূদনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি সম্পূর্ণ ঘটনা অস্বীকার করে যান। শরীর খারাপের দোহাই দিয়ে তিনি জানান, তিনি নাকি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না। অন্যদিকে এ ঘটনা এলাকার মানুষজন প্রশাসনকে জানাতে গেলে অপরাধীদের বেশ কয়েকজনকে আটক করলেও পরে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে এবার ইলিশ মিলবে কম দামে, হিলিতে চালু হবে ‘ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট’

    মথুরাপুরের বিজেপি প্রার্থীর হুঁশিয়ারি 

    তবে এই বিষয় নিয়ে শাসক দল ও প্রশাসনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী। তিনি বলেন, “শাসকদলের মদত ও প্রশাসনের মদত ছাড়া এমন কাজ (Illegal Tree Cutting) হতেই পারে না। স্থানীয় পঞ্চায়েত অথবা প্রশাসন এই বিষয়টা কি জানতো না? সমস্তটা জেনেও টাকার লোভে চুপ করেছিল।” এই বিষয়ে দোষীরা শাস্তি না পেলে বৃহত্তর আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।   
    অন্যদিকে এই বিষয় নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বনদপ্তর (Forest department) এর আধিকারিক মিলন মন্ডল কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানায় এই বিষয়ে আমাদের নজরে এসেছে আমরা পদক্ষেপ নেয়ার জন্য প্রশাসনকে জানিয়েছি। 
    তবে প্রশ্ন উঠছে পদক্ষেপ নিলেও কি ফিরে পাওয়া যাবে এই হাজার হাজার গাছ? কেন সবটা জানা সত্ত্বেও প্রশাসন প্রথম থেকে পদক্ষেপ নিল না? যখন তীব্র তাপপ্রবাহে বেশি করে গাছ লাগানোর কথা বলা হচ্ছে, তখনই ১০০০ এরও বেশি গাছ নিধন (Illegal Tree Cutting) করা হলো। আগামী দিনে আরও ভয়ংকর দিন দেখতে হবে না তো মানুষকে? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “ভক্তিতে নয়, ভয়ে এসব করছে”, রাম নবমীর শোভাযাত্রা নিয়ে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ভক্তিতে নয়, ভয়ে এসব করছে”, রাম নবমীর শোভাযাত্রা নিয়ে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পবিত্র রাম নবমীর পুণ্যতিথি উপলক্ষে বাসন্তীতে শোভাযাত্রায় যোগ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল এগারোটা নাগাদ তিনি এসে পৌঁছান বাসন্তী বাজার এলাকায়। সেখানে হরি মন্দিরে পুজো দিয়ে শোভাযাত্রায় যোগদান করেন। আর মিছিলে যোগ দিয়েই রাজ্যে রাম নবমীর ছুটির প্রসঙ্গে তোপ দাগেন তৃণমূলকে (TMC)।

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য (Suvendu Adhikari)

    রাম নবমীর দিনে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্য সরকারের সুমতি হয়েছে, তাই এই প্রথম রাম নবমীতে ছুটি দিয়েছে। ওরা বাধ্য হয়ে এসব করছে। এসব ভক্তিতে নয়, ভয়ে। ভালো লাগছে, জাগরণ হয়েছে।” প্রসঙ্গত, এবছর প্রথম রাম নবমীতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার (State Government)। রাজ্য সরকারের তরফে ছুটির তালিকা দেওয়া ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। লোকসভা নির্বাচনের আগে যেহেতু রাম নবমীর দিন ছুটি দেওয়া হল, তাই অনেকেই মনে করছেন, এই ঘটনা রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

    ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে মুখরিত বাসন্তী

    উল্লেখ্য বাসন্তীর (Basanti) মিছিলে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যোগ দিতেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে মুখরিত হয় গোটা বাসন্তী বাজার চত্বর। শত শত মানুষ যোগ দেন সেই মিছিলে। আর মিছিল পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন রাজ্য পুলিশ সহ কেন্দ্রিয় বাহিনীর (CRPF) জওয়ানরাও। তবে শুধু বাসন্তীতেই নয়, বুধবার সকাল থেকেই চলছে শুভেন্দুর রাম নবমী উদযাপন। সকালেই বিরোধী দলনেতার দেখা মিলেছিল ইকো পার্কে (Eco Park)। রামের কপালে ফোঁটা দিয়ে পুজো সেরেছেন বিরোধী দলনেতা। পুজোর পর শুরু হয় শোভাযাত্রা। সেই শোভাযাত্রায় পা মিলিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও। আর রাম নবমীর (Ram Navami) এই মিছিল দেখতে রাস্তায় উপচে পড়েছিল সাধারণের ভিড়।

    আরও পড়ুনঃ অন্ধকার গর্ভগৃহে রামলালার ললাটে তিলক আঁকল সূর্যরশ্মি, বিজ্ঞানের আশ্চর্য প্রয়োগ

    ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট

    প্রসঙ্গত, আগামী ১৯ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট (Lok sabha vote 2024)। আর তার ঠিক আগে রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে রাম নবমী (Ram Navami)। সকাল থেকে দিকে দিকে ভক্তরা মেতে উঠেছেন রাম নবমী উদযাপনে। সোমবারই কলকাতা হাইকোর্ট, বিশ্ব হিন্দু পরিষদকে হাওড়ায় রাম নবমীর মিছিল করার অনুমতি দিয়েছিল। সেই অনুমতি পেয়েই দিকে দিকে শুরু হয়েছে রাম নবমীর মিছিল। আর এবার সেই মিছিল থেকেই তৃণমূলকে নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Oldest Voter: লোকসভা ভোটে বিরল, জয়নগর কেন্দ্রে ১১৪ বছরের প্রবীণতম ভোটার

    Oldest Voter: লোকসভা ভোটে বিরল, জয়নগর কেন্দ্রে ১১৪ বছরের প্রবীণতম ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরল ইতিহাস গড়ল সুন্দরবন (sundarban)। এখানে এক প্রবীণতম ভোটারের বয়স ১১৪ বছর। আগামী ১ জুন অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Election 2024) নিজের ভোটাধিকার নিজেই প্রয়োগ করবেন এই প্রবীণ বৃদ্ধা হাজারী সরদার। বর্তমানে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের বয়স্কতম ভোটার (Oldest Voter ) তিনি। তাঁকে ঘিরে গণতান্ত্রিক উৎসবে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

    মোট ১৭ বার লোকসভা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন (Oldest Voter)

    ১১৪ বছর বয়স্কা বৃদ্ধা হাজারীদেবীর (Oldest Voter ) কথা জানতে পেরেই তাঁর বিধানপল্লির বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন বাসন্তীর বিডিও (BDO) সঞ্জীব সরকার। তিনি বৃদ্ধাকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘায়ুও কামনা করেন। বয়স শুনে বোঝাই যাচ্ছে হাজারীদেবী পুরাতন আমলের মানুষ। দেশকে স্বাধীন হতে দেখেছেন তিনি। তার আগে দেখেছেন দেশে ইংরেজদের রাজত্বও। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাজারীদেবীর জীবন দশায় মোট ১০ বার পঞ্চায়েত নির্বাচন, ১৭ বার বিধানসভা নির্বাচন এবং ১৭ বার লোকসভা নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এবার ১ জুন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও ১৮ বারের জন্য নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তিনি।

    হাজারীদেবীর জন্ম ১৯১০ সালে

    বাসন্তী ব্লকের ঝড়খালি কোস্টাল থানার বিধানপল্লীর বাসিন্দা শতায়ু এই বৃদ্ধার (Oldest Voter ) জন্ম ১৯১০ সালে পরাধীন ভারতে। স্বামী বল্লভ সরদার অনেক আগেই প্রয়াত হয়েছেন। বৃদ্ধার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বাসন্তী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল বলেছেন, “হাজারীদেবী ইংরেজ শাসন দেখেছেন। দেশকে স্বাধীন হতে দেখেছেন। তিনি সমস্ত নির্বাচনে তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যা এক বিরল ঘটনা।”

    আরও পড়ুনঃ নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    জয়নগর কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৫ লক্ষ

    আবার বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, “আমার বিধানসভা এলাকায় ১১৪ বছর বয়স্কা এক বৃদ্ধা ভোটার (Oldest Voter ) রয়েছেন। এটা আমার গর্ব। এবার লোকসভা নির্বাচনেও তিনি তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চলেছেন।” উল্লেখ্য গোসাবা, বাসন্তী, কুলতলি, ক্যানিং পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, জয়নগর ও মগরাহাট পূর্ব বিধানসভা নিয়ে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৫ লক্ষ। এর মধ্যে বাসন্তী বিধানসভা এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা তিন লক্ষের বেশি। তার মধ্যেই জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের বয়স্কতম ভোটার হলেন (voter) হাজারী সর্দার। তিনি একই ভাবে পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে প্রবীণতম ভোটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lovely Maitra: তৃণমূল বিধায়িকার পুলিশ স্বামীকে সরিয়েছে কমিশন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’, বলল বিজেপি

    Lovely Maitra: তৃণমূল বিধায়িকার পুলিশ স্বামীকে সরিয়েছে কমিশন, ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’, বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী তৃণমূলের বিধায়ক। স্বামী কলকাতা পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার। স্বাভাবিক ভাবেই তার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তাই সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক অরুন্ধতি মৈত্র সিনেমা জগতে যার নাম লাভলী মৈত্র তার স্বামী ডিসিপি সাউথ ওয়েস্ট সৌম্য রায়কে(DCP Soumya Roy) ভোটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। ভোটের কোনও কাজে থাকতে পারবেন না সৌম্য রায়, এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন(election commission), সৌম্যকে অ-নির্বাচনী কোনও পদে বদলি করতে হবে।

     কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন বিধায়ক লাভলী মৈত্র? (Lovely maitra)

    কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই মেজাজ হারিয়ে মুখ খুললেন তৃণমূলের তারকা বিধায়ক লাভলী মৈত্র (Lovely maitra) ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি নেতাদের মতে ঢিলটা যে ঠিক জায়গায় লেগেছে তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। স্বামীর অপসারণে গোঁসা হয়েছে লাভলীর। তাঁর স্বামীকে এভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে পূর্ব পরিকল্পিত বলেই ব্যাখ্যা করছেন তিনি। কিন্তু সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে মুখের যা ভঙ্গি ছিল অভিনেত্রী বিধায়কের তাতে তার আচরণ স্পষ্ট ধরা পড়ে যায়। লাভলী বলেন ” নির্বাচন কমিশন, ইডি, সিবিআই সবটাই বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলে। আগে বিধানসভা নির্বাচনের সময়েও সরিয়েছে।”প্রশ্ন উঠছে কোন বাড়তি সুবিধায় খামতি হয়ে যাবে সৌম্যর অপসারণে। তবে এটাই প্রথম নয় ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের আগেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সৌম্য রায়কে। বিধানসভা ভোটের পর লোকসভা ভোটেও ফের সৌম্য রায়ের অপসারণ। স্ত্রী স্বামীর অপসারণে ক্ষুব্ধ হয়েছে তা মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীও তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এক ডিসিপির অপসারণে মুখ্যমন্ত্রীর কেন বিচলিত তা অবাক করেছে অনেককে। মমতা বলেন, “কেউ বিধায়ক হলে তাঁর স্বামীকে সরে যেতে হবে?’

    নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বলছে বিজেপি

    তবে শুধুমাত্র সৌম্য রায় অপসারিত হয়েছেন এমন নয়। পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের জেলাশাসককেও অপসারিত করা হয়েছে। এর আগে ডিজিপি রাজীব কুমারকে অপসারিত করা হয়েছিল। এবিষয়ে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ প্রত্যেকের উপর নির্বাচন কমিশনের নজর রয়েছে। যেখানে পক্ষপাত পাওয়া যাবে সেখানে ব্যবস্থা নেবে কমিশন। যে অফিসারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাদের পক্ষ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুঝিয়ে দিচ্ছেন আসলে নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” প্রসঙ্গত,কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ-পশ্চিম) পদে সৌম্য রায়ের বদলি কে হবেন তা জানিয়ে রাজ্য সরকারকে কমিশনে তিন জন যোগ্য পুলিশ আধিকারিকের নাম পাঠাতে হবে। ৩ এপ্রিল রাজ্যের কাছ থেকে ওই তিনটি নাম চেয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (election commission)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনায়! বধূকে মাথা মুড়িয়ে দিয়ে শাস্তি

    South 24 Parganas: মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনা দক্ষিণ ২৪ পরগনায়! বধূকে মাথা মুড়িয়ে দিয়ে শাস্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যযুগীয় বর্বরতার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে। চুরির অপবাদ দিয়ে গৃহবধূর মাথা মুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ননদ ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় কাকদ্বীপ থানার নামখানা নারায়ণপুর এলাকার রাজ রাজেশ্বরপুরে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ।

    সন্তানের খাবারের জন্য আলমারি থেকে টাকা বের করার অপরাধ (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে বাড়ির বাইরে থাকেন ওই বধূর স্বামী। ছয় মাসের ছেলেকে নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপে শাশুড়ি এবং ননদের সঙ্গে বাড়িতে থাকেন বধূ। সন্তানের খাবার ও বাড়ির কিছু জিনিস কেনার প্রয়োজন ছিল ওই বধূর। বার বার সকলের কাছে টাকা চেয়েছেন তিনি। কিন্তু, কেউ কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ। তারপর আলমারি খুলে কিছু টাকা নেন ওই মহিলা। সেটা শাশুড়ি জানতে পারেন। তার পরই শুরু হয় চরম নির্যাতন। বধূকে প্রথমে শারীরিক ভাবে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরের পর নাপিত ডেকে তাঁর মাথা কামিয়ে গাছে বেঁধে রাখা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার খবর চাউর হলে প্রতিবেশীরা নির্যাতিত মহিলার পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদে সরব হন। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বধূকে প্রায়শই শাশুড়ি এবং ননদ নির্যাতন করেন। তাঁদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। ঘটনায় খবর দেওয়া হয়  পুলিশকে। খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছে নির্যাতিত গৃহবধূর শাশুড়ি ও  ননদকে আটক করে করে কাকদ্বীপ থানার পুলিশ। তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, পারিবারিক অশান্তি থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    প্রতিবাদে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য,বাচ্চার খাবার ও সংসারের টুকিটাকি জিনিস কেনার প্রয়োজনে ঘরের আলমারি খুলে কিছু টাকা নিয়েছিলেন বধূ। তারজন্য এভাবে কাউকে মাথার চুল কেটে প্রকাশ্যে অত্যাচার করা যায়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ‘হাফ মার্ডার, না ফুল মার্ডার!’ ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে রেট ঘোষণা ‘সুপারি কিলারের’

    South 24 Parganas: ‘হাফ মার্ডার, না ফুল মার্ডার!’ ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে রেট ঘোষণা ‘সুপারি কিলারের’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবাক কাণ্ড! এরকম বিজ্ঞাপন আগে দেখেছেন বলে মনে হয় না। রীতিমতো ভিজিটিং কার্ড ছেপে হাফ মার্ডার না ফুল মার্ডারের সুপারি চেয়ে আবদেন জানানো হচ্ছে। এলাকায় পোস্টারও দেওয়া হয়েছে। এমনই অবাক করা ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) ক্যানিং এলাকায়। এরকম ভিজিটিং কার্ড দেখে চোখ কপালে উঠেছে পুলিশেরও। তবে, স্বঘোষিত সুপারি কিলারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেরি করেনি পুলিশ। ক্যানিংয়ের ধর্মতলা গ্রাম থেকে স্বঘোষিত মস্তান মোরসেলিম মোল্লা ওরফে বুলেটকে গ্রেফতার করা হয়।

    ঠিক কী ঘটেছে? (South 24 Paraganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিগত দু-তিন দিন ধরেই এলাকার বিভিন্ন সূত্র মারফৎ এই ভিজিটিং কার্ডের খবর মিলছিল। পাশাপাশি সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) ক্যানিংয়ের ধর্মতলা এলাকা সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি জায়গায় এ সম্পর্কে পোস্টারও চোখে পড়ে অনেকের। পোস্টারে কার্ড ছাপিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগ ওঠে এক দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। রীতিমত নিজের ছবি, ফোন নম্বর দিয়ে মানুষ মারার জন্য ‘সুপারি কিলিং’এর বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। রেটও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। হাফ মার্ডার করলে ৫০ হাজার এবং ফুল মার্ডার করলে ১ লক্ষ টাকা। ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে এলাকায় পোস্টারিং করে চলছে প্রচার। বিষয়টি জানতে পেরেই ক্যানিং থানার বিশেষ তদন্তকারী দল সাব ইন্সপেক্টর রঞ্জিত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে সোমবার দুপুরে হানা দেয় ধর্মতলা গ্রামে। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে একটি দেশি বন্দুক ও দু রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধৃতকে মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

    ধৃতের বিরুদ্ধে আর কী কী অভিযোগ রয়েছে?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও বেআইনি অস্ত্র পাচারের অভিযোগে গত বছর অগাস্ট মাসে গ্রেফতার হয়েছিল এই মোরসেলিম। এক বছর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) ক্যানিংয়ের গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পঞ্চায়েত সদস্য সহ তিনজনকে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রফিকুল সর্দারের ভাগ্নে ওই যুবক। খুনের ঘটনার তদন্তে নেমেও ক্যানিং থানার পুলিশ এই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। কিন্তু, সেই সময় নাবালক হওয়ার কারণে জামিন পেয়ে যায় মোরসেলিম।

     স্থানীয় বাসিন্দারা কী বলছেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকেই কার্যত এলাকার মানুষকে মাঝে মধ্যেই ভয় দেখাত এই অভিযুক্ত। গত কয়েকদিন ধরে মানুষ খুন করার জন্য সুপারি নেওয়ার বিজ্ঞাপন দিতে শুরু করে সে। পুলিশি জেরায় নিজের অভিযোগ শিকার করেছে অভিযুক্ত। ধৃতের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি মানুষ মারার বিজ্ঞাপনের ভিজিটিং কার্ডও উদ্ধার হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জলের দরে গঙ্গাদেবীর সোনার মূর্তি বিক্রির টোপ, জেলাজুড়ে সক্রিয় প্রতারণা চক্র

    South 24 Parganas: জলের দরে গঙ্গাদেবীর সোনার মূর্তি বিক্রির টোপ, জেলাজুড়ে সক্রিয় প্রতারণা চক্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলের দরে সোনার ঠাকুরের মূর্তি বিক্রির টোপ দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল এক চক্রের বিরুদ্ধে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) সুন্দরবন অঞ্চল কুলতলি, গোসাবা সহ একাধিক জায়গায় প্রতারণা চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। লোক দেখানো করে পুলিশ একজনকে ধরেছে। বাকিদের ধরার বিষয়ে পুলিশের কোনও হেলদোল নেই। ফলে, এই চক্রের ফাঁদে পড়ে আরও হাজার হাজার মানুষের সর্বশান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    কীভাবে প্রতারণা করা হত?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Paraganas) সুন্দরবন অঞ্চলের বাসিন্দারা অধিকাংশই মৎসজীবী। মাছ ধরার কারণে তাদের মাঝে মধ্যেই বাঘের হামলার মুখে পড়তে হয়। সেই হামলা থেকে বাঁচতে তাঁরা গঙ্গাদেবীকে প্রতিনিয়ত স্মরণ করেন। তাঁদের কাছে প্রতারকরা সোনার গঙ্গাদেবীর মূর্তি বিক্রির টোপ দিত। তবে, শুধু গঙ্গাদেবী নয় ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, মহাদেব সকলের মূর্তি প্রতারকরা বিক্রি করত। তাঁদের সেই বিশ্বাসকে পুঁজি করেই সামাজিক মাধ্যমে সম্পর্ক তৈরি করে তাঁদের গঙ্গাদেবীর সোনার মূর্তি বিক্রি করার প্রলোভন দেখানো হত। প্রতারকরা বক্তব্য ছিল, সোনার মূর্তিটি বিদেশ থেকে আনা। বাজারে কয়েক লক্ষ টাকা দাম। কাউকে ৩০ হাজার, কাউকে আবার ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করত। বিক্রির আগে তাঁদের বিশ্বাস অর্জন করার জন্য ঠাকুরের হাতের একটি অংশ তাদেরকে দেওয়া হত, যা ছিল সোনার। সেই হাত তাঁরা কোনও সোনার দোকানে গিয়ে দেখিয়ে পরীক্ষা করালে তাঁদের আরও বিশ্বাস জন্মাতো। অল্প টাকায় সোনার মূর্তি পাচ্ছি দেখে অনেকেই প্রতারকদের খপ্পরে পড়তেন। তারপর নির্দিষ্ট জায়গায় যখন তাঁরা মূর্তি নেওয়ার জন্য হাজির হতেন, তখন তাদের সোনার বদলে পিতলের মূর্তি দিয়ে টাকা নিয়ে পালিয়ে যেত দুষ্কৃতীরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২১ সালের আগে এই ধরণের প্রতারণা চক্রের বাড়বাড়ন্ত দেখা দিয়েছিল এই এলাকায়। তখন পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই চক্রে জড়িত থাকায় মোট ২৮ জনকে গ্রেফতার করে। তারপর এই প্রতারণা চক্র কিছুদিন বন্ধ থাকলেও পুলিশের অপদার্থতায় সম্প্রতি ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। অনেকেই প্রতারিত হচ্ছেন। এই বিষয়ে কুলতুলি থানায় একাধিক অভিযোগও দায়ের হয়েছে। এরপরই পুলিশ ক্রেতা সেজে জালাবেড়িয়া মোড়ে তালিমুল নামে এক প্রতারককে পুলিশ গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে একটি ওয়ান সাটার, লাইভ কার্তুজ, একটি বাইক ও দুটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

    কী বললেন বারুইপুরের এসডিপিও?

    সোনার মূর্তি বিক্রির বড়সড় চক্র রয়েছে তা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পুলিশ জেলার এসডিপিও অতীশ বিশ্বাস স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনায় একটি বড় চক্র কাজ করছে। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা রয়েছে তা জানতে ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ১৪৪ ধারা জারির পরই ফের উত্তপ্ত ভাঙড়, আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষ, বোমাবাজি

    TMC: ১৪৪ ধারা জারির পরই ফের উত্তপ্ত ভাঙড়, আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষ, বোমাবাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জরি করা হয়েছিল। তাতেও রক্ষা হয় না। আইএসএফ -তৃণমূল (TMC) সংঘর্ষে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। স্থানীয় তৃণমূল নেতাকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল আইএসএফের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে এলাকায় বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় বিজয় মিছিল করার জন্য ইজাজ খান নামে এক তৃণমূল (TMC) নেতা ৩ লাখ টাকার দাবি করেছে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে। টাকা না দেওয়ায় তাঁকে মারধর করে বলে অভিযোগ। পাল্টা ওই ব্যবসায়ী সহ তাঁর লোকজন ইজাজকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনার পর জখম ইজাজ খানকে জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রথমে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাঁকে কলকাতার একটু বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ভোগালি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন। সেই বোর্ড গঠনে তৃণমূল কর্মীদের বাঁধা দিতে বোমাবাজি করেছে আইএসএফ। ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাশীপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি হওয়ায় পোড়া সুতলির দড়়ি উদ্ধার করে কাশীপুর থানার পুলিশ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কাশিপুর থানার পুলিশ কর্মীরা।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল নেতার পরিবারের লোকজন?

    আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) নেতা ইজাজ খানের দাদা বলেন, আইএসএফ সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই এলাকায় বোমাবাজি করেছে। আমার ভাইকে রাস্তায় ফেলে ওরা মারধর করেছে। বিষয়টি জানার পর সেখানে গেলে আমাদের লক্ষ্য করে ওরা বোমাবাজি করে। ফলে, আমি পিছু হঠতে বাধ্য হই। পরে, অন্য রাস্তা দিয়ে ভাইয়ের কাছে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল (TMC) নেতা আরাবুল ইসলাম বলেন, আইএসএফ এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। আমাদের দলের লড়াকু সংগঠকের উপর হামলা চালিয়েছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন আইএসএফ নেতৃত্ব?

    আইএসএফের এক নেতা বলেন, এই হামলার সঙ্গে আইএসএফ কোনওভাবে জড়িত নই। আসলে তোলাবাজি করতে গিয়ে ওই তৃণমূল (TMC) নেতা আক্রান্ত হয়েছেন। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: পুকুরে জাল ফেলতেই মাছ নয় উঠলো চার-চারটি ব্যালট বাক্স, হতবাক এলাকাবাসী

    Panchayat Poll: পুকুরে জাল ফেলতেই মাছ নয় উঠলো চার-চারটি ব্যালট বাক্স, হতবাক এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও জালে উঠল পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat poll) ব্যালট বাক্স। একটি বা দুটি নয়, একেবারে চার চারটি ব্যালট বাক্স। এত ব্যালট বাক্স কোথায় ছিল তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর ২ ব্লকের ময়দা পঞ্চায়েতের বটতলা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয় সামনে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনার জন্য তৃণমূলকে দায়ী করেছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব তা অস্বীকার করেছে।

    ভোটের দিন কী ঘটেছিল?

    ভোটের (Panchayat poll) দিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগর ২ ব্লকের বটতলা প্রাইমারি স্কুলের ভোট কেন্দ্রে গোলমাল হয়েছিল। ১৪১, ১৪৩ ও ১৪৪ নম্বর বুথে হয় ঝামেলা হয়। ব্যালট বাক্স লুটের অভিযোগ ওঠে। পরে, পুনর্নির্বাচন হয় এই বুথগুলিতে। যদিও ফের ভোট হওয়ার সময় বুথে কোনও বিরোধীরা ছিল না। এতদিন ব্যালট বক্সের কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। শনিবার সকালে এই স্কুলের পাশের পুকুরে মাছ ধরার জাল ফেলতেই ওঠে ব্যালট বাক্স। একসঙ্গে মাছ ধরার জালে ওঠে ৪টি ব্যালট বাক্স। পুলিশ এসে বাক্সগুলি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    স্থানীয় বিজেপি নেতা কৃষ্ণদাস নস্কর বলেন, পঞ্চায়েতে আমার স্ত্রী প্রার্থী ছিলেন। এলাকায় ভোটের দিন (Panchayat poll) তৃণমূল বুথ দখল করে ব্যালট লুট করেছিল। মানুষ প্রতিহত করেছিল। এলাকার মানুষের প্রতিরোধে তৃণমূল পিছু হঠতে বাধ্য হয়। তৃণমূল ছাপ্পা দেওয়া ব্যালট পুকুরে পড়েছিল। এদিন সেই ব্যালট উদ্ধার হয়েছে। আমি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় জালে ব্যালট উঠতেই থমকে দাঁড়ায়। পরে, পুলিশ প্রশাসন আসে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, এসইউসিআই ও বিজেপি  এই ব্যালট বাক্সগুলি ওই পুকুরে ফেলেছে। শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল, সেটা তারা মেনে নিতে পারেনি। পুকুরে ফেলে দেওয়া ব্যালট বাক্স এবার উদ্ধার হল। এরজন্য বিরোধীরা দায়ী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share