মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁচা বাড়ি থাকলেও আবাসের তালিকায় নাম নেই গ্রামের অনেকেরই, অথচ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও তাঁর ছেলে সহ পরিবার ও আত্মীয় পরিজন মিলে ৯ জনের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (PMAY) তালিকায় নাম রয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপির ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের দ্বারি কৌতলা গ্রামে। বিষয়টি জানা জানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দারা জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঠিক কী অভিযোগ?(PMAY)
তৃণমূলের ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা মমতাজ বিবি মিস্ত্রির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা। অভিযোগ, আবাসের তালিকায় পঞ্চায়েত সদস্যার নিজের পুত্রসহ পরিবার ও আত্মীয় পরিজন মিলে ৯ জনের নাম আবাস (PMAY) তালিকায় রয়েছে। অথচ তাদের প্রত্যেকের পাকা বাড়ি রয়েছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি ও আই এস এফের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধুমাত্র ঢোলা গ্রাম পঞ্চায়েতে নয়, প্রত্যেকটি জায়গায় তৃণমূল নেতারা স্বজন পোষণ করেছেন। প্রশাসন অবিলম্বে সঠিকভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক। ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে আক্রান্ত সংখ্যালঘুরা, হিন্দুদের জেগে ওঠার ডাক দিলেন শুভেন্দু
পঞ্চায়েত সদস্য কী বললেন?
এই বিষয় নিয়ে পঞ্চায়েত সদস্য মমতাজ বিবি বলেন, “আমি কিছুদিন আগে পঞ্চায়েত সদস্যা হয়েছি। কিন্তু, যখন আবাসের (PMAY) তালিকা তৈরি করা হয়. তখন আমাদের মাটির বাড়ি ছিল। পরে, পাকা বাড়ি হয়েছে। প্রশাসন সার্ভে করছে। এ বিষয়ে আমার আর কিছু বলার নেই।” তবে প্রশ্ন উঠছে যখন তিনি জানতে পারলেন তার পাকা বাড়ি এসেছে, তখন কেন নিজের থেকে ব্লক প্রশাসনকে বিষয়টি জানালেন না।
আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি বিজেপির
বিজেপি নেতা কৃত্তিবাস সর্দার বলেন, আবাসের (PMAY) তালিকা নিয়ে ঘুঘুর বাসা তৈরি হয়েছে। যদি পঞ্চায়েত সদস্যাই ৯ খানা বাড়ি পান, তাহলে সাধারণ উপভোক্তারা কি আর বাড়ি পাবে? এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। আমরা দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে আন্দোলনে নামব। আইএসএফের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন মোল্লা বলেন, এই বিষয় নিয়ে আমরা বারে বারে ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছি। তারপরেও কাজ হয়নি। এবারে কাজ না হলে বিডিও অফিস ঘেরাও করব।
দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পে