Tag: south Africa

south Africa

  • U19 Women Cricket World Cup: টি২০ বিশ্বকাপজয়ী ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলকে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার বোর্ডের

    U19 Women Cricket World Cup: টি২০ বিশ্বকাপজয়ী ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলকে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার বোর্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দুবার বিশ্বজয়। দ্বিতীয়বার টি-২০ বিশ্বকাপের খেতাব জয় করল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা ক্রিকেট দল। রবিবার, তারা ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯ উইকেটে হারায়। ফাইনাল ম্যাচে ভারতের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করলেন গঙ্গাদি তৃষা। টিম ইন্ডিয়ার এই পারফরম্যান্সের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড বিশাল অঙ্কের আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করল। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, গোটা দলের হাতে ৫ কোটি টাকা পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

    ৫ কোটি টাকার আর্থিক পুরস্কার

    ২০২৩ সালে প্রথমবার মহিলাদের অনূর্ধ্ব-১৯ টি-২০ বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিল। সেখানে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। সেই দলে ছিলেন রিচা ঘোষ, তিতাস সাধুর মতো ক্রিকেটাররা। দুবছর পর সেই সাফল্য ধরে রাখলেন তৃষারা। গোটা টুর্নামেন্টে একের পর এক প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিল ভারত। খেতাবি লড়াইয়েও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধরাশায়ী করলেন নিকি প্রসাদরা। দুর্ধর্ষ জয়ের পর গোটা দলকে বিশেষ বার্তা দিয়েছে বিসিসিআই। বোর্ডের তরফে বলা হয়েছে, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের তাজ ধরে রাখার জন্য মহিলা ব্রিগেডকে আন্তরিক অভিনন্দন। এই সাফল্যকে সম্মান জানাতেই আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করছে বিসিসিআই। কোচ নুহসিন আল খাদের, প্রত্যেক ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফ- গোটা দলের জন্য ৫ কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।’

    ভারতের দাপট

    প্রায় একতরফা ভাবে ফাইনাল জিতে নিল ভারতীয় দল। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকার অনূর্ধ্ব-১৯ মহিলা দলের অধিনায়ক কায়লা রেনেকে। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্তের মর্যাদা দিতে পারেননি দলের ব্যাটাররা। ভারতের বোলিং আক্রমণের কোনও জবাবই দিতে পারলেন না দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটারেরা। কুয়ালা লামপুরের বাইশ গজে প্রথম থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন তাঁরা। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারানোর চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতের সফলতম বোলার গঙ্গাদি তৃষা ১৫ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। বিশ্বকাপের জন্য ৮৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুধু ওপেনার জি কমলীনির (৮) উইকেট হারিয়েই জয় ছিনিয়ে নেয় ভারতীয় দল। অন্য ওপেনার তৃষা ৩৩ বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। ৮টি চার এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। তিন নম্বরে নামা সনিকা চালকে অপরাজিত থাকেন ২২ বলে ২৬ রান করে। ৪টি বাউন্ডারি মারেন তিনি।

    শুভেচ্ছা বার্তা

    পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের সভাপতি রজার বিনিও এই বিজয়ী দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপজয়ী আমাদের দেশের মেয়েদের জন্য একরাশ শুভেচ্ছা রইল। এই অভিযান যথেষ্ট কঠিন ছিল। সেই লড়াইয়ে অপরাজিত থাকা কম বড় কথা নয়। গতকাল রাতে নমন অ্যাওয়ার্ড চলাকালীন ওদের পারফরম্যান্স নিয়ে আমরা কথা বলছিলাম। আর আজই ওরা গোটা দেশকে গৌরবান্বিত করল। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট যে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে, সেটা এই খেতাবই স্পষ্ট করে দিচ্ছে।’

  • INDIA: টি টোয়েন্টিতে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ জয় টিম ইন্ডিয়ার

    INDIA: টি টোয়েন্টিতে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ জয় টিম ইন্ডিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ সহজেই জিতে নিল ভারত (INDIA)। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারত এদিন দলগতভাবে সর্বোচ্চ স্কোরও করে। টার্গেট দেয় ২৮৪ রানের। প্রসঙ্গত, সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতেছিল ভারত। তারপর দ্বিতীয় ম্যাচে হার। এরপরে সেঞ্চুরিয়ানের জয় পায় টিম ইন্ডিয়া। ভারতের দুই ব্যাটসম্যান তিলক ও সঞ্জুর সেঞ্চুরির কারণে শেষ দুটি ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। সেঞ্চুরিয়ানের সেঞ্চুরি হাকান তিলক (INDIA )। জোহানেসবার্গে ফের আবার তিলক-সঞ্জুর জুটি সেঞ্চুরি হাঁকায়।

    ম্যাচের বিবরণ

    লক্ষ্য তাড়া করতে মাঠে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa) প্রথম দুই ওভারেই দুটি উইকেট খুইয়ে ফেলে। এরপর ১০ রানের মাথায় চারটি উইকেট পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa)। তারপর থেকে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি। ক্রিস্তান স্টাবস ও ডেভিড মিলারের জুটি মাঝখানে কিছুটা চেষ্টা করে। তাঁরা দুজনে ৭৩ রান তোলেন। কিন্তু ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনা কখনও ছিলই না। শুধু বোঝা যাচ্ছিল যে কুড়ি ওভার অন্তত ব্যাট করতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপরে বোলার বরুণ চক্রবর্তী তুলে নেন মিলারের উইকেট। ২৭ বলে ৩৬ জনের ইনিংস খেলেন মিলার। এর পরেই আউট হন ত্রিস্তান স্টাবস। ৯৬ রানের মাথায় পরপর দুই বলে ২ উইকেট পড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার নবম উইকেটে পতন হয় ১৪১ রানে। অবশেষে ১৬৮ রানে শেষ হয় প্রোটিয়াদের ইনিংস। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৩৫ রানের বিরাট ব্যবধানে জিতে যায় টিম ইন্ডিয়া (INDIA )।

    তিলক-সঞ্জুর জোড়া সেঞ্চুরি 

    কোনও টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই প্রথম ভারতের (INDIA) দু’জন ব্যাটার শতরান করলেন। তিলক ৪৭ বলে ১২০ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। সঞ্জুর পর ভারতের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে পর পর দু’টি ২০ ওভারের ম্যাচে শতরান করার নজির গড়লেন তিলক। এদিকে, টানা দু’ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর শতরান এল সঞ্জুর ব্যাট থেকেও। ৫৬ বলে ১০৯ রান করে অপরাজিত ইনিংস খেললেন তিনি।

    পুত্র সন্তানের পিতা হলেন রোহিত

    অন্যদিকে, ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং তার স্ত্রী ঋতিকা দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিলেন। শুক্রবার ১৫ নভেম্বর তাঁরা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, শর্মা দম্পতির বর্তমানে এক কন্যা রয়েছে। তার নাম সামাইরা। ২০১৮ সালে প্রথম সন্তানের জন্ম দেন ঋতিকা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs South Africa: আন্তর্জাতিক স্তরে তিলকের প্রথম শতরান, প্রোটিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে ভারত

    India vs South Africa: আন্তর্জাতিক স্তরে তিলকের প্রথম শতরান, প্রোটিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলকের শতরান ও অর্শদীপের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa) বিপক্ষে শুক্রবার সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে নামবে ভারত। বুধবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম শতরান পেলেন তিলক ভার্মা (Tilak Verma)। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে ১০৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন তরুণ হায়দরাবাদী। তাঁর ব্যাটে ভর করেই এদিন জয়ের তিলক পড়ল সূর্যদের ললাটে। ভারতীয় ক্রিকেটে হায়দরাবাদের ব্যাটারদের আলাদা কদর রয়েছে। মহম্মদ আজহারউদ্দিন, ভিভিএস লক্ষ্ণণদের সেই ধারাই বয়ে নিয়ে চলেছেন তিলক।

    রেকর্ড-বুকে তিলক

    একটা সময় ক্রিকেট শিখতে যাওয়ার টাকাও ছিল না তিলক ভার্মার কাছে। বাবা নাম্বুরি নাগারাজু ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। মা গায়ত্রী দেবী গৃহবধূ। টানাটানির সংসারে কষ্ট করে ছেলেকে ক্রিকেটার তৈরি করেছেন তাঁরা। তাঁদের সেই কষ্টের প্রতিদান দিচ্ছে তিলকের ব্যাট। গত কয়েক বছর ধরে দেশের তরুণ ক্রিকেটারদের মধ্যে প্রথম সারিতে জায়গা করে নেওয়া তিলকের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ২০২৩ সালের ৩ অগাস্ট। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দিয়ে শুরু। সেই ২০ ওভারের ক্রিকেটেই প্রথম শতরান পেলেন তিলক। বুধবার একটি রেকর্ডও গড়েছেন তিলক। সর্বকনিষ্ঠ ব্যাটার হিসাবে টি-টোয়েন্টির ক্রমতালিকায় প্রথম ১০-এ থাকা কোনও দলের বিরুদ্ধে শতরান করেছেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২২ বছর ৫ দিন বয়সে তিনি এই কীর্তি করেছেন। আগে এই রেকর্ড ছিল পাকিস্তানের আহমেদ শেহজাদের। ২০১৪ সালে ২২ বছর ১২৭ দিন বয়সে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শতরান করেছিলেন তিনি। সেই রেকর্ড ভাঙলেন তিলক।

    প্রশ্ন তুলল ভারতের ব্যাটিং

    বুধবার দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa) বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে পরের দিকের ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ভারতীয় দলের ইনিংস যত দূর পৌঁছবে বলে মনে হচ্ছিল, তার বেশ কিছুটা আগেই থেমে গেল। শেষ ওভারে উঠল মাত্র ৪ রান। এদিন তিলক ভার্মার শতরান ও অভিষেক শর্মার অর্ধশতরান ছাড়া বড়ই বেহাল ভারতের ব্যাটিং। তিলক ৮টি চার এবং ৭টি ছক্কার সাহায্যে ৫৬ বলে ১০৭ রানের ইনিংস খেললেন। এ ছাড়া অভিষেকের ২৫ বলে ৫০ রান এবং অতিরিক্ত হিসাবে পাওয়া ১৯ রান বাদ দিলে বাকি ভারতীয় ব্যাটারদের সম্মিলিত অবদান ৪৩। সূর্যকুমারের দলের ব্যাটিং দুর্বলতা ঢেকে দিচ্ছেন বোলারেরা। দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা স্পিন বলের বিরুদ্ধে কোনও দিনই তেমন দক্ষ নন। সেটাই কাজে লাগাচ্ছেন সূর্যকুমাররা। এদিন অর্শদীপের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং রবি বিষ্ণোই ও বরুণ চক্রবর্তীর স্পিন আক্রমণই শেষ পর্যন্ত ভারতকে টান টান উত্তেজনার ম্যাচে ১১ রানে জয় এনে দেয়। ভারতীয় দলের ইনিংস শেষ হওয়ার পর তিলক বলেছেন, ‘‘এই মুহূর্তটার জন্য দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করেছি। চোট সারিয়ে ফেরার পর শতরান করতে পেরে দারুণ লাগছে। শুরুতে পিচ একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। পিচে দু’রকম গতি ছিল। পরে অবশ্য কিছুটা সহজ হয়ে গিয়েছে। বাড়তি কিছু করার চেষ্টা করিনি। লক্ষ্যে স্থির থাকার চেষ্টা করেছি। আমি এবং অভিষেক শর্মা দু’জনেই চাপে ছিলাম একটা সময় পর্যন্ত। অভিষেকও খুব ভাল ব্যাট করেছে। আমার চাপ কমিয়ে দিয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup: শাপমুক্তি, ট্রফি এল ঘরে! রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিককে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত

    T20 World Cup: শাপমুক্তি, ট্রফি এল ঘরে! রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিককে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। ১৩ বছর পর ফের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। সাত মাস আগে যে যন্ত্রণা নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন রোহিতরা, আজ তা অতীত। ১১ বছর পর আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে ভারতের শাপমোচন। বার্বাডোজে রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৭ রানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য টি-২০ ক্রিকেটে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত। কথায় আছে , ‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে’! তিনি কিং, শচীন পরবর্তী যুগে ভারতের ব্যাটিং গুরু। অধিনায়ক তথা বন্ধু রোহিতের কথায়,’জাত ক্রিকেটার, যে কোনও সময়ে রানে ফিরবে।’ তাই হল কোচ দ্রাবিড়, ক্যাপ্টেন রোহিতের আস্থা রেখে বিশ্বকাপ ফাইনালে রানে ফিরলেন বিরাট কোহলি। তাঁর ধ্রুপদী ব্যাটিংয়ে টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে (T20 World Cup) দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa) সামনে ভারতের স্কোর দাঁড়াল ১৭৬। ম্যাচের সেরাও তিনি।  

    টস ফ্যাক্টর

    শনিবার, টসে জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুটা বেশ ভালোই করেন দুই ওপেনার বিরাট কোহলি (Virat Kohli) এবং রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। কিন্তু হঠাৎই ছন্দপতন। সুইপ শট মারতে গিয়ে, ক্যাচ দিয়ে ফেলেন রো-হিট। মাত্র ৯ রানে ফিরে যান তিনি। দ্রুত ফিরে যান ঋষভ পন্থ (Rishabh Pant) ও সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav)। বার্বাডোজে ভারতীয় সমর্থকরা তখন চুপ। কিন্তু  বিরাট যে বড় ম্যাচের প্লেয়ার। তা এদিন আবারও প্রমাণিত। হাল ধরলেন সেই কিং কোহলি এবং যোগ্য সঙ্গত দিলেন অক্ষর প্যাটেল (Axar Patel)। একটা সময় ভারতের স্কোর ছিল ৩ উইকেট হারিয়ে ২৩ রান। সেই জায়গা থেকেই তাদের দুজনের অনবদ্য পার্টনারশিপ টিম ইন্ডিয়াকে (Team India) লড়াইয়ের জায়গায় নিয়ে যায়। অক্ষর রান-আউট হন ৪৭ রানে। তখন ভারতের স্কোর ১০০ পেরিয়ে গিয়েছে। ভুল বোঝাবুঝিতে অক্ষর রান আউট না হলে স্কোরবোর্ডে আরও ২০ রান যোগ করতে পারত ভারত। হাল ছাড়েননি বিরাট, লড়াই চালিয়ে যান তিনি।

    বিরাট-ব্যাটে ভাল রান

    অর্ধশতরান করেই কার্যত, বিধ্বংসী ব্যাটিং শুরু করেন কোহলি। ৫৯ বলে ৭৬ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন বিরাট। শেষ দিকে শিবম দুবে করেন ১৬ বলে ২৭ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে, ৭ উইকেট হারিয়ে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ১৭৬ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ২টি করে উইকেট পান কেশব মহারাজ এবং আনরিখ নর্টজে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup 2024: অধরা মাধুরী স্পর্শ করতে মরিয়া রোহিতরা! ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফেভারিট ভারতই

    T20 World Cup 2024: অধরা মাধুরী স্পর্শ করতে মরিয়া রোহিতরা! ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ফেভারিট ভারতই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরেকটি আইসিসি ইভেন্টের ফাইনালে ভারত। আরেকবার রোহিত শর্মার সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। গত এক বছরে তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই বিশ্বসেরার ফাইনাল মঞ্চে পৌছেছে ভারত। কিন্তু টেস্ট বা ওয়ান ডে কোনওটাতেই কাপে চুম্বন করা হয়নি রোহিতদের। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে সেই অধরা মাধুরী স্পর্শ করতে চান রোহিতরা। অন্যদিকে প্রথমবার কোনও বিশ্বকাপের (T20 World Cup) ফাইনাল খেলতে নামছে দক্ষিণ আফ্রিকা (India vs South Africa)। গোটা টুর্নামেন্টে যারা অপরাজেয়। 

    কোচের আস্থা

    ভারতীয় দলের কোচ হিসাবে শনিবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) ফাইনালে শেষ বার সাজঘরে থাকবেন দ্রাবিড়। যদি না আবার ভবিষ্যতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেন। ক্রিকেটার জীবনে বিশ্বকাপ জেতার সুযোগ হয়নি দ্রাবিড়ের। ২০০৩ এবং ২০২৩ দু’বার এক দিনের ক্রিকেটের বিশ্বকাপে ফাইনালে উঠেও জেতা হয়নি। এক বার ক্রিকেটার হিসাবে, আর এক বার কোচ হিসাবে ব্যর্থ হয়েছেন। কোচ দ্রাবিড় চান বার্বাডোজের ২২ গজে ট্রফি জিতুন রোহিত, বিরাট কোহলি, যশপ্রীত বুমরারা। কারণ তাঁরা এই ট্রফির যোগ্য। দ্রাবিড় বলেছেন, ‘‘ছেলেদের বলেছি, চাপ নেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। আর একটা দিন মাঠে উপভোগ করার চেষ্টা করো। পরিকল্পনাগুলো ঠিক ভাবে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করো। আমাদের ক্রিকেটারদের দক্ষতা এবং যোগ্যতা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। ছেলেদের মানসিকতা দুর্দান্ত। ওদের জেতা উচিত।”

    বৃষ্টির সম্ভাবনা

    ভারত-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল ম্যাচ বৃষ্টির জন্য বার বার বিঘ্নিত হয়েছে। গায়ানা থেকে বার্বাডোজে ফাইনাল খেলতে গিয়েও স্বস্তি নেই রোহিত শর্মাদের। সেখানেও বৃষ্টি। ফাইনালের দিন শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির জন্য সেমিফাইনাল দেরিতে শুরু হওয়ায় শুক্রবার আর অনুশীলন করতে পারেননি রোহিতরা। ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেওয়ার জন্যই অনুশীলন বাতিল করা হয়। প্র্যাক্টিস বাতিলে আরও একটা ইঙ্গিত যেন পাওয়া যায়, ফাইনালের কম্বিনেশনে কোনও বদলে আনার ভাবনা নেই ভারতীয় শিবিরে।

    পিচ কেমন

    ফাইনাল (T20 World Cup) ম্যাচটি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বার্বাডোজে অবস্থিত কেনসিংটন ওভাল মাঠে। এখনও পর্যন্ত এখানে মোট তিনটি ম্যাচ খেলেছে ভারতীয় দল। বার্বাডোজের এই স্টেডিয়ামে ব্যাটার ও বোলারদের আধিপত্য রয়েছে। এখানে মাঝের ওভারগুলোতে স্পিনাররা বাড়তি সহায়তা পান। এখানে পেসাররাও স্যুইংয়ে বাড়তি সুবিধা পান। দ্রুত আউটফিল্ডের কারণে এখানে সহজেই রান ওঠে। টস জিতে সাধারণত এখানে প্রথমে ব্যাট করতে দেখা গিয়েছে দলগুলোকে। এই স্টেডিয়ামে এখনও পর্যন্ত মোট ৩২টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমে ব্যাট করা দল জিতেছে ১৯ বার। যেখানে রান তাড়া করা দল জিতেছে ১১ বার। ২টি ম্যাচ অমীমাংসিত ছিল। তাই টসে জিতে স্কোরবোর্ডে বড় রান তোলাই রোহিতদের প্রাথমিক লক্ষ্য। তারপর তো বুমরা-কুলদীপ-অক্ষররা রয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • T20 World Cup 2024: হতাশ আয়োজক আমেরিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ! সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড

    T20 World Cup 2024: হতাশ আয়োজক আমেরিকা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ! সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৩ উইকেটে হেরে টি-২০ বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2024) থেকে বিদায় নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আয়োজক দেশের বিদায়ে স্বাভাবিকভাবেই হতাশ ক্যারিবিয়ান সমর্থকরা। জয়ের সুবাদে দু’নম্বর গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সেমি-ফাইনালে জায়গা করে নিল প্রোটিয়া বাহিনী। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে আমেরিকার বিরুদ্ধে জিততেই হত ইংল্যান্ডকে। তারা শুধু জিতলই না, আমেরিকাকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে দিল। হ্যাটট্রিক করলেন  ক্রিস জর্ডন।

    ম্যাচে দাপট দক্ষিণ আফ্রিকার

    এদিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু শুরুতেই একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ক্যারিবিয়ান ব্রিগেড। একটা সময় স্কোর ছিস ৫ রানে ২ উইকেট। গত ম্যাচের নায়ক সাই হোপ (০) ও নিকোলাস পুরান (১) দ্রুত মাঠ ছাড়েন। ওপেনার কাইল মেয়ার্স করেন ৩৫ রান। ব্যর্থ ক্যাপ্টেন রভম্যান পাওয়েল (১)। তবে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত লড়লেন রোস্টন চেজ। ৪২ বলে করলেন ৫২ রান। হাঁকালেন তিনটি চার ও দু’টি ছক্কা। ১৫ করে রান আউট হন আন্দ্রে রাসেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে তোলে ১৩৫। 

    হতাশ ক্যারিবিয়ান সমর্থকরা

    স্বল্প পুঁজি নিয়েও শুরুটা ভালোই করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের (T20 World Cup 2024)  বোলাররা। দ্বিতীয় ওভাকের হেনডরিকস (০) ও কুইন্টৱনন ডি’কককে (১২) আউট করে লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন আন্দ্রে রাসেল। তার পরেই নামে বৃষ্টি। খেলা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর বৃষ্টি থামার পর ডাকয়ার্থ-লুইস নিয়মে দক্ষিণ আফ্রিকার টার্গেট দাঁড়ায় ১৭ ওভারে ১২৩। পাঁচ বল বাকি থাকতেই জয়ের কড়ি জোগাড় করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে রান চেজ করতে গিয়ে কালঘাম ছোটে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানদের। ক্যাপ্টেন আইডেন মার্করাম আউট হন ১৮ রানে। হেনরিখ ক্লাসেন ফেরেন ২২ রানে। দু’টি উইকেটই নেন আলজারি জোসেফ। তারপর রোস্টন চেজ তুলে নেন ডেভিড মিলারের (৪) উইকেট। একটা সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৫ উইকেটে ৯৩। কিন্তু মার্কো জানসেন ১৪ বলে ঝোড়ো ২১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে দলকে জেতান। সাত উইকেট হারিয়ে ১৬.১ ওভারেই ১২৭ রান তুলে ম্যাচ জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা। দশ বছর পর টি-২০ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। স্বভাবতই খুশির হাওয়া ম্যান্ডেলার দেশে। অন্যদিকে বিষাদের সুর ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে।

    ব্যাটে-বলে দাপট ইংল্যান্ডের

    আমেরিকার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের (England) অধিনায়ক বাটলার। প্রথম ওভারেই আন্দ্রিস গৌসকে আউট করেন রিচি টপলে। দ্বিতীয় উইকেটে ভালো জুটি বাঁধেন স্টিভেন টেলর ও নীতীশ কুমার। পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে টেলরকে আউট করেন স্যাম কারেন। মাঝের ওভারে আমেরিকার ব্যাটারদের সমস্যায় ফেলেন আদিল রশিদ। তাঁর লেগ স্পিন,গুগলি বুঝতেই পারলেন না অ্যারন জোনসেরা ৫ উইকেট পড়ার পরে দলকে টানছিলেন কোরি অ্যান্ডারসন ও হরমিত সিং। দলের রান ১০০ পার করেন তাঁরা। দেখে মনে হচ্ছিল, অন্তত ১৩০ রান করার চেষ্টা করছে আমেরিকা। কিন্তু দ্বিতীয় স্পেলে আমেরিকার লোয়ার অর্ডার শেষ করে দেন জর্ডন। ১১৫ রানের মাথায় আমেরিকার ষষ্ঠ উইকেট পড়ে। হরমিতকে ২১ রানে ফেরান কারেন।

    পরের ওভারে জর্ডনের হাতে বল তুলে দেন বাটলার। প্রথম বলেই অ্যান্ডারসনকে ফেরান তিনি। পরের বল ব্যাটে লাগাতে পারেননি আলি খান। উইকেটের পাশ দিয়ে সেই বল বেরিয়ে যায়। তৃতীয় বল আবার ব্যাটে লাগাতে পারেননি আলি। বল এ বার গিয়ে লাগে উইকেটে। চতুর্থ বলটি নশথুশ কেনজিগের প্যাড লক্ষ্য করে করেন জর্ডন। বল গিয়ে প্যাডে লাগে। আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি কেনজিগে। পঞ্চম বলে সৌরভ নেত্রাভলকরকে বোল্ড করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন জর্ডন। আমেরিকার বিরুদ্ধে ২.৫ ওভারে ১০ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন জর্ডন। চারটি উইকেটই আসে একই ওভারে। তাঁর দাপটে ১১৫ রানে ৫ উইকেট থেকে ১১৫ রানে অল আউট হয়ে যায় আমেরিকা। আমেরিকার রান মাত্র ৯.৪ ওভারে তাড়া করে জিতলেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও ফিল সল্ট। ৩৮ বলে ৮৩ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা মারেন তিনি। সল্ট ২১ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup 2024: কম রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের রেকর্ড, বাংলাদেশকে ৪ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

    T20 World Cup 2024: কম রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের রেকর্ড, বাংলাদেশকে ৪ রানে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাকিস্তানের পর, বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ ওভারে নাটকীয় পরিস্থিতিতে ৪ রানে বাংলাদেশকে হারাল প্রোটিয়াসরা। সোমবার এই ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১১৩ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ১০৯ রান তোলে বাংলাদেশ। এত কম রানের পুঁজি নিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে (T20 World Cup 2024) যে জয় সম্ভব তা বারাবার দেখাচ্ছে চলতি বিশ্বকাপ। আগের দিনই ১২০ রান করে পাকিস্তানের বিপক্ষে জয় পায় ভারত।

    লো-স্কোরিং ম্যাচ

    চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) শুরু থেকেই চর্চায় নিউ ইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইশগজ। পিচ যে বিশ্বকাপের মানের নয়, সেটা প্রকারান্তরে মেনে নিয়েছে আইসিসিও। হতে পারে বোলিং সহায়ক বাইশগজে বিস্তর রান উঠছে না, যেমনটা দেখতে অভ্যস্ত ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে লো-স্কোরিং ম্যাচ কত উত্তেজক রূপ নিতে পারে, সেটা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে পরপর ২ দিনেই। রবিবার মাত্র ১১৯ রান করেও শেষ ওভারের থ্রিলারে পাকিস্তানকে হারায় ভারত। সোমবার আরও কম রান তুলে ম্যাচ জেতে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়ারা মাত্র ১১৩ রান তুলেও শেষ ওভারে রুদ্ধশ্বাস জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে।

    দুরন্ত বোলিং-ফিল্ডিং

    এদিন দক্ষিণ আফ্রিকা টসে জিতে ব্যাটিং নিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। বাংলাদেশের হয়ে ভাল বল করলেন তানজিম হাসান। চাপের মুখে মাথা ঠান্ডা রেখে ব্যাট করেন ক্লাসেন ও মিলার। ৪৪ বলে ৪৬ রান করেন ক্লাসেন, মিলার করেন ২৯ রান। ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৩ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ব্যাটারাও বেকায়দায় পড়েন। শেষ পর্যন্ত হাল ধরেন তৌহিদ হৃদয় এবং মাহমুদুল্লাহ। দু’জনে মিলে পঞ্চম উইকেটে ৪৪ রানে জুটি গড়েন। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে তৌহিদ ফেরার পর চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তখনও উইকেটে ছিলেন মাহমুদুল্লাহ। শেষ ওভারে মাত্র ১১ রান দরকার ছিল জেতার জন্য। কিন্তু মাহমুদুল্লাহ সে ভাবে ব্যাট করার সুযোগই পেলেন না। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে এক রান নেন। তার পর পঞ্চম বলে আউট।  কেশব মহারাজের ফুলটস বল সপাটে মেরেছিলেন তিনি। কিন্তু ব্যাটে-বলে সংযোগ ঠিক মতো হয়নি। লং অন বাউন্ডারির একদম ধার থেকে দু’হাত বাড়িয়ে ছোঁ মেরে সেই বল ধরে নেন এডেন মার্করাম। সেখানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের (Bangladesh) জয়ের স্বপ্ন। 

    আম্পায়ারিং নিয়ে অসন্তুষ্ট

    একসময়ে ২৪ বলে ২৭ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। হাতে তখনও ছয় উইকেট। ক্রিজে জমে গিয়েছিলেন তৌহিদ হৃদয় ও মাহমুদুল্লাহ। ১৭ তম ওভারে বার্টমানের বল আছড়ে পড়ে মাহমুদুল্লাহের প্যাডে। আউট দিয়ে দেন আম্পায়ার। যদিও সেই বল পায়ে লেগে বাউন্ডারি লাইন পার হয়ে যায়। ডিআরএস (DRS) নিলে দেখা যায় আউট ছিলেন না বাংলাদেশি ব্যাটার। আম্পায়ারও সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেন। কিন্তু তার আগে আউট দেওয়ায় নিয়মমতো বল ‘ডেড’ হয়ে যায়। ফলে অতিরিক্ত চার রান জোড়েনি বাংলাদেশের খাতায়। আর শেষ পর্যন্ত ৪ রানেই হারেন হৃদয়রা। ওই চার রান দিলে ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত। এই ঘটনায় বিরক্তি প্রকাশ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফর।


    এই ঘটনার সময় বাংলাদেশের (Bangladesh) অধিনায়ক শান্তকেও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতে দেখা যায়। পরে অবশ্য তিনি বলেন, “আমাদের এই ম্যাচ জেতা উচিত ছিল। শেষ কয়েক ওভার ওরা খুব ভালো বল করেছে। কিন্তু ক্রিকেটে এটা হতেই পারে।” তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন হৃদয়। তাঁর মতে, “নিয়ম আমাদের হাতে নেই। কিন্তু ওই সময়ে চার রান আমাদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার মতে, আম্পায়ারের আউট সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া মুশকিল। ওই চার রান ম্যাচের ছবি বদলে দিতে পারত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: অসমান-বাউন্স! প্রশ্ন নিউ ইয়র্কের পিচ নিয়ে, জিতে বিশ্বকাপ শুরু দক্ষিণ আফ্রিকার

    T20 World Cup 2024: অসমান-বাউন্স! প্রশ্ন নিউ ইয়র্কের পিচ নিয়ে, জিতে বিশ্বকাপ শুরু দক্ষিণ আফ্রিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024) প্রথম ম্যাচে লজ্জার মুখে পড়ল শ্রীলঙ্কা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৭৭ রানে অলআউট হয়ে গেল তারা। অনরিখ নর্টজে, রাবাডা, মহারাজদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে শ্রীলঙ্কার ব্যাটারা মুখ থুবড়ে পড়ে। তবে মাত্র ৭৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে গিয়েও সমস্যায় পড়েন দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটাররা। যা দেখে নিউ ইয়র্কের পিচ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সোমবারের, এই ম্যাচে দেখা যায় শট খেলতে প্রবল সমস্যায় পড়েছেন ব্যাটাররা। যার অন্যতম কারণ, পিচের (New York) অসমান বাউন্স। বেশির ভাগ ডেলিভারিই হাঁটুর নিচে নামছিল। 

    এখানেই খেলবে ভারত

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2024)  যুগ্ম আয়োজক আমেরিকা। প্রথম বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচটি হয়েছিল ডালাসে। কানাডার মুখোমুখি হয়েছিল আয়োজক আমেরিকা। ডালাসে হাইস্কোরিং ম্যাচ দেখা গিয়েছিল। তবে মূল নজর ছিল নিউ ইয়র্কেই (New York)। তার কারণ, এখানকার পিচ। আমেরিকায় এটি ড্রপ ইন পিচ বলে পরিচিত। আর নিউ ইয়র্কের এই মাঠেই রয়েছে ভারত-পাকিস্তানের মতো হাই ভোল্টেজ ম্যাচ। দক্ষিণ আফ্রিকা-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের পিচ যা দেখা গেল, তাতে ব্যাটাররা চিন্তায় পড়তে বাধ্য। বুধবার এই মাঠেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে। 

    লো-স্কোরিং ম্যাচ

    টসে জিতে এদিন আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। সেই সিদ্ধান্তই তাদের বিপক্ষে গিয়েছে। প্রথম থেকেই নড়বড় করতে থাকে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসারদের খেলতে পারেনি সিংহলি ব্যাটাররা। শ্রীলঙ্কার মাত্র তিন জন ব্যাটার দু’অঙ্কের রান করেছেন। তাঁরা হলেন কুশল মেন্ডিস (১৯), কামিন্দু মেন্ডিস (১১) এবং অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ (১৬)। তিন জনকেই আউট করেছেন নর্টজে। ৪ ওভারে ৭ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। দু’টি করে উইকেট পেয়েছেন কাগিসো রাবাডা এবং ওটনিল বার্টম্যান।

    মাত্র ৭৯ রান তাড়া করতে গিয়েও সমস্যায় পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ওভারে ফিরে যান হেনড্রিক্স (৪)। মন্থর পিচে রান করা বেশ সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। পিচের সাহায্য পেয়ে শ্রীলঙ্কার পেসারেরাও বল করতে থাকেন। কুইন্টন ডি’কক (২০), এডেন মার্করাম (১২), ট্রিস্টান স্টাবস (১৩) কেউ রান পাননি। তবে দলকে জিতিয়ে দেন হেনরিখ ক্লাসেন (অপরাজিত ১৯)। এই ম্যাচে জিতে বিশ্বকাপে ভালই শুরু করল প্রোটিয়ারা। তবে প্রশ্ন উঠল পিচ নিয়ে। এখানেই (New York) ভারতের ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচেও এমন পিচ থাকলে, টি-টোয়েন্টির (T20 World Cup 2024) আনন্দটাই পাওয়া যাবে না। বিরাট, রোহিত, স্কাইদের ধুম-ধারাকা শট দেখতে পাবে না ক্রিকেট-বিশ্ব।

    সহজ জয় আফগানিস্তানের

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উগান্ডার বিরুদ্ধে বড় জয় পেল আফগানিস্তান। গায়ানার মাঠে ১২৫ রানে জিতলেন রশিদ খানেরা। ব্যাটে-বলে দাপট দেখাল আফগানিস্তান। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করেন আফগানিস্তানের দুই ওপেনার রহমানুল্লা গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। দ্রুত রান তুলতে শুরু করেন তাঁরা। উগান্ডার বোলারদের বিরুদ্ধে হাত খুলে খেলেন দুই ব্যাটার। দু জনেই অর্ধশতরান করেন। ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮১ রানে শেষ হয়ে আফগানিস্তানের ইনিংস। এর মধ্যে ১৪.৩ ওভারে বিনা উইকেটে ১৫৪ রান ছিল আফগানিস্তানের। শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারায় তারা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬ ওভারে ৫৮ রানে অল আউট হয়ে যায় উগান্ডা। চার ওভারে ৯ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন ফারুকি। নবীন উল হক ও রশিদ খান ২টি করে উইকেট নেন। ১টি উইকেট নেন মুজিব উর রহমান।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PFI: কুখ্যাত পিএফআই গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার

    PFI: কুখ্যাত পিএফআই গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোস্ট-ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার মোহাম্মদ গাউস নিয়াজি গ্রেফতার। আরএসএস কর্মীকে হত্যার অভিযোগে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। তিনি পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার বা পিএফআই-এর (PFI) কুখ্যাত নেতা হিসেবে পরিচিত। নিয়াজির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ এবং নাশকতামূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে। তিনি ২০১৬ সালে বেঙ্গালুরুতে আরএসএস নেতা রুদ্রেশকে হত্যার জন্য প্রধান অভিযুক্ত। কিন্তু সে ধরার আগেই সরকারকে এড়িয়ে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন দেশে জায়গা বদল করে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাসস্থান স্থাপন করে আত্মগোপন করে ছিল বলে জানা গিয়েছে। অবশেষে গ্রেফতার হল আজ।

    গুজরাট এটিএস তথ্য দিয়েছিল (PFI) 

    গুজরাট অ্যান্টি-টেরোরিজম স্কোয়াড (এটিএস) এই পিএফআই (PFI) নেতা নিয়াজির গতিবিধিকে ট্র্যাক করার জন্য বিশেষ নেতৃত্ব দিয়েছিল। অবশেষে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে তাকে পাকড়াও করতে সুবিধা হয়। সেই সময়ে আরএসএস নেতা রুদ্রেশের হত্যাকাণ্ড নিয়ে সারা দেশে শোকের আবহ তৈরি হয়েছিল। একই সঙ্গে নিয়াজিকে গ্রেফতারের জন্য তীব্র ক্ষোভের প্রকাশ দেখা গিয়েছিল। কুখ্যাত এই নেতা নিয়াজিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় গ্রেফতার করার পর তাকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ প্রক্রিয়ার কাজ দ্রুত শুরু হয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, তাকে প্রথমে মুম্বাইতে নিয়ে আসা হবে। এরপর তাকে আদালতে তোলা হবে।

    কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল

    আরএসএস নেতা রুদ্রেশ একজন দুধ ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁকে দিনের আলোতে খুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। বেঙ্গালুরুতে শিবাজি নগরের আরএসএস শাখার সঙ্ঘ চালক ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে শিবাজি নগর শাখার বিজেপির সম্পাদক ছিলেন। দলের কাজ সেরে নিজের বাইকে করে ফিরছিলেন বাড়িতে। এরপর শহরের প্রাণ কেন্দ্র এমজি রোডে রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সামনে কালো পালসারে করে আসা দুই পিএফআই (PFI) দুষ্কৃতী তাঁর উপর আক্রমণ করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে পরপর কোপ মেরে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতে মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছিল। এরপর খুনের প্রতিবাদে কমার্শিয়াল রোডের থানার সামনে আরএসএস সমর্থকরা ব্যাপক প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ করে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICC ODI World Cup 2023: ইডেনে টিকিটের কালোবাজারি! সাধারণের জন্য টিকিট নেই, সিএবি-কে নোটিস পুলিশের

    ICC ODI World Cup 2023: ইডেনে টিকিটের কালোবাজারি! সাধারণের জন্য টিকিট নেই, সিএবি-কে নোটিস পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস বা বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে মাঠ ফাঁকা থাকলেও ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের জন্য টিকিটের হাহাকার ইডেন-চত্বরে (ICC ODI World Cup 2023)। গান্ধী মূর্তির তলা থেকে কার্জন পার্ক, শহিদ মিনার চত্বরে একটা টিকিটের জন্য হাপিত্যেশ করছে আট থকে আশি। রবিবার বড় ম্যাচ রয়েছে ইডেনে। সেই ম্যাচে টিকিট বিক্রি ঘিরে অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠে এসেছে। এক ক্রিকেটপ্রেমী ময়দান থানায় টিকিট বিক্রি ঘিরে অস্বচ্ছতার অভিযোগ তুলে নালিশ জানিয়েছেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই সিএবিকে নোটিস পাঠানো হয়েছে ময়দান থানার তরফে।

    কী অভিযোগ

    বাংলার ক্রিকেট সংস্থার (সিএবি) কর্তাদের বিরুদ্ধেই টিকিট দুর্নীতির অভিযোগ করলেন এক ব্যক্তি। ময়দান থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। অভিযোগকারীর বক্তব্য, অনলাইনে ম্যাচের টিকিট যে সংস্থার তরফে বিক্রি করা হচ্ছে, সেখানে বিবিধ সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরা ম্যাচের টিকিট পাচ্ছেন না। শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর আরও বক্তব্য, এই ঘটনার পিছনে অনলাইন টিকিট বিক্রয়কারী সংস্থা, বিসিসিআই ও সিএবির একাংশের হাত থাকতে পারে। তিনি সন্দেহ করছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে একটা বড় অংশের টিকিট আলাদা করে সরিয়ে রাখা হয়েছে, যাতে সেগুলি পরে কালোবাজারি করা যেতে পারে। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে ময়দান থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুুন: অরুণাচল প্রদেশে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছেই পরিকাঠামো গড়ছে ভারত, কেন জানেন?

    কী বলছে সিএবি

    মঙ্গলবার ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের টিকিট কালোবাজারি করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তাঁর কাছ থেকে ২০টি টিকিট উদ্ধার করেছিল পুলিশ। ২,৫০০ টাকার টিকিট তিনি ১১,০০০ টাকায় বিক্রি করছিলেন বলে অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে সিএবি সভাপতি স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় জানান, “ময়দান থানা থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল। জানতে চেয়েছিল, আমাদের সঙ্গে অনলাইন টিকিট বিক্রয়কারী সংস্থার কোনও যোগাযোগ রয়েছে কি না। আমরা জানিয়েছি, ওই অনলাইন টিকিট বিক্রয়কারী সংস্থার সঙ্গে আমাদের কোনও যোগ নেই। তাদের যোগাযোগ বিসিসিআই-এর সঙ্গে।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share