Tag: south bengal

south bengal

  • Electricity Crisis: এপ্রিলেই ভাঙল গত বছরের জুনের রেকর্ড! রাজ্য কি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে?

    Electricity Crisis: এপ্রিলেই ভাঙল গত বছরের জুনের রেকর্ড! রাজ্য কি বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের মুখে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মরুশহরকে টেক্কা দিয়ে রেকর্ড গড়ছে কলকাতার গরম। পাশাপাশি বিদ্যুতের (Electricity Crisis) চাহিদা ব্যাপক আকার নিয়েছে। সিইএসসি এবং বণ্টন সংস্থার সর্বকালীন চাহিদা এখন শীর্ষে। শহর কলকাতার নাগরিকদের একটা বড় অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ভুগতে হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা নেই বিদ্যুৎ। চরম গরমে নাকাল মানুষের জীবন। অথচ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ জোগানের ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছে। কিন্তু মানুষের জীবন নাজেহাল।

    পথ অবরোধ বেলগাছিয়ায় (Electricity Crisis)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কাল শনিবার বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যার প্রতিবাদ জানিয়ে বেলগাছিয়া লাল ময়দান এলাকার মানুষ পথ অবরোধ করেছিলেন। সকাল সাড়ে ৮ টা নাগাদ তাঁরা বেলগাছিয়া সেতুর কাছে মূল রাস্তায় বসে প্রতিবাদ করেন। ফলে সাময়িক ভাবে রাস্তায় বেশ কিছু সময়ের জন্য যানজট হয়ে যায়। এমনকী আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে প্রবল সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় রোগীদের। অবশেষে সকাল ৯ টার সময় পুলিশ কোনও রকম বুঝিয়ে অবরোধ তুলতে সক্ষম হয়।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    এলাকার এক বাসিন্দা মহম্মদ এতেশাম নামে এক অবরোধকারী বলেন, “গত তিন দিন ধরে পরিস্থিতি একদম খারাপ। বিদ্যুৎ (Electricity Crisis) এই থাকে এই নেই। সিইএসসি-কে বার বার ফোন করেও লাভ হচ্ছে না। গত বছর এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থার তাতে কিছুই যায় আসে না। এই বছর অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হচ্ছে না। তাই মানষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছেন।” আবার বেলগাছিয়ার মিল্ক কলোনির এক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বয়স্ক মাকে দিনে চারবার নেবুলাইজার নিতে হয়। বেলা ১১ টায় হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যায়। নেবুলাইজারে ওষুধ তখন অর্ধেক ব্যবহার করা গিয়েছিল। পরে যতক্ষণে বিদ্যুৎ এসেছিল ততক্ষণে সেই ওষুধ ব্যবহার করার সুযোগ হয়নি। তীব্র গরমে প্রশাসনের উচিত মানুষের অসুবিধাগুলিকে নজরে রাখা।”

    রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির বক্তব্য

    রাজ্য বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে ডব্লউবিএসইডিসিএল জানিয়েছে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা পৌঁছেছিল ৯৯৩৫ মেগাওয়াট। যা ছিল সর্বকালীন রেকর্ড। আবার গত বছর সর্বোচ্চ চাহিদা পৌঁছেছিল ৯২০০ মেগাওয়াট। গতবারের ১৮ জুনের চাহিদা এবারে এপ্রিল মাসেই ছাপিয়ে গিয়েছে। আবার শুক্রবার ৩ টে ১৫ মিনিটে সিইএসসি সবথেকে বেশি চাহিদা ছিল ২৭২৮ মেগাওয়াট। যা এই বছরের সবথেকে বেশি চাহিদা। একই ভাবে গত বছর ১৬ জুন এই চাহিদার পরিমাণ ছিল ২৬০৬ মেগাওয়াট। তবে চাহিদা ভালো ভাবেই মেটানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থা। তবে গরম বাড়লে বিদ্যুৎ চাহিদা বাড়বে এটাও স্বাভাবিক। ফলে গত বছরের চাহিদাকে মাথায় রেখে এই বছর কেন অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না তাই মানুষের মনে বড় প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন:চাঁদিফাটা রোদে হিট স্ট্রোক এড়াতে কী কী করবেন? দেখে নিন এক নজরে

    বিদ্যুৎ মন্ত্রীর বক্তব্য

    রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস জানিয়েছেন, “জোগানে (Electricity Crisis) কোনও খামতি নেই। কয়েকমাস আগে থকেই সেই দিকে আমরা নজরে রেখেছি। সিইএসসি সংস্থার সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। সমস্যা যাতে দ্রুত সমাধান হয় সেই দিকে আমরা নজর দেওয়ার চেষ্টা করব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: রাজ্যে বৃষ্টি দূর অস্ত! দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে নিস্তার কবে?

    Heatwave: রাজ্যে বৃষ্টি দূর অস্ত! দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টির পথ চেয়ে গোটা দক্ষিণবঙ্গ। কিন্তু এখনই বৃষ্টির কোনো রকম আশা দেখাতে পারছেনা আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আপাতত এই পরিস্থিতিই চলবে আরও বেশ কয়েকদিন। মে মাসের শুরুতেও থাকবে এই দহন-জ্বালা। রবিবারেও দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহের (Heatwave) সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি তাপপ্রবাহের থাবা রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। রবিবার উত্তরবঙ্গের ৩টি জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে।

    উত্তরে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Heatwave)

    দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে অবশ্য হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। জলপাইগুড়িতেও ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া দিতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেও জলপাইগুড়িতে স্বস্তি মিলবে না। অন্যদিকে দক্ষিণদিনাজপুর, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে তাপপ্রবাহের হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।

    তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি অব্যহত

    তবে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে দুর্বিষহ (Heatwave) পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী ১ মে পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের জেলায়-জেলায় তাপপ্রবাহের দাপট জারি থাকবে। কোথাও তীব্র তাপপ্রবাহের জেরে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হবে, কোথাও আবার টানা তাপপ্রবাহের জেরে আরও নাকাল পরিস্থিতি তৈরি হবে। দক্ষিণবঙ্গে ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়বে তাপমাত্রা। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, কলকাতা (kolkata) সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহ চলবে। অতি তীব্র তাপপ্রবাহ টের পাওয়া যেতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই জেলাগুলিতে বইবে লু। এর ফলে চরমে উঠবে আবহাওয়া। পশ্চিমের সব জেলাতেই শুকনো গরমের সতর্কতা জারি। কলকাতা সহ উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে দুপুরে লু এর পরিস্থিতি বাকি সময়ে গরম ও আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই

    উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের (Heatwave) কারণে ৪৪ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছে তাপমাত্রা (Temperature)। আপাতত এই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থেকে মুক্তির কোনও আশা নেই। অর্থাৎ তাপমাত্রা বাড়বে বই কমবে না। তবে শুধু পশ্চিমাঞ্চলই নয় দক্ষিণবঙ্গেও  (South bengal) এপ্রিল ও মে মাস জুড়ে চলবে তাপপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি। ফলে দীর্ঘ দগ্ধ দিনের হাত থেকে এখনই নিস্তার নেই। নেই বৃষ্টিপাতের সম্ভবনাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave Alert: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    Heatwave Alert: কলাইকুন্ডায় তাপমাত্রা ৪৬ ছুঁইছুঁই! তীব্র তাপপ্রবাহে দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবদাহে (Heatwave Alert) জ্বলছে দক্ষিণবঙ্গ। বেশিরভাগ জেলায় বইছে লু। আগামী ৭ দিন গরম থেকে রেহাই নেই রাজ্যবাসীর। হু হু করে চড়ছে তাপমাত্রার (Temperature) পারদ। আর এরই মধ্যে রেকর্ড গড়ল রাজ্য। শনিবার দেশের উষ্ণতম স্থান ছিল কলাইকুণ্ডা। তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রি ছুঁই ছুঁই। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুরের কাছে কলাইকুন্ডায় (kalaikunda Weather Update) এদিন তাপমাত্রার পারদ উঠে গিয়েছিল ৪৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এই নিয়ে পর পর দুই দিন দেশের উষ্ণতম শহর কলাইকুন্ডা।

    দেশের মধ্যে সর্বাধিক তাপমাত্রা (Heatwave Alert) 

    উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডার তাপমাত্রা (Heatwave Alert) দেশের মধ্যে সর্বাধিক বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামীকাল থেকে আরও পারদ চড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিনে আরও ২ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের।

    শনিবারও জ্বালাপোড়া গরম জেলায় জেলায়

    অন্যদিকে কলাইকুন্ডা (kalaikunda Weather Update) পাশাপাশি তাপপ্রবাহের (Heatwave Alert) পরিস্থিতি চলবে কলকাতাতেও। শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪১.১ ডিগ্রি। এর আগে ৪৪ বছর আগে ১৯৮০ সালের এপ্রিল মাসে শহর কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁয়েছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও শনিবার বর্ধমান, ব্যারাকপুর, ঝাড়গ্রাম শহরে দিনের তাপমাত্রা (Temperature) ৪৩ ডিগ্রির গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছিল। শ্রীনিকেতন, কৃষ্ণনগর, আসানসোল, পুরুলিয়া, সিউড়ির তাপমাত্রা ছিল ৪২-এরও বেশি। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৭ দিন বৃষ্টির (Rain fall) সম্ভাবনা নেই বলেই মনে করছে আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছিল শাহজাহানের, মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ

    আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা

    কলাইকুন্ডার তাপমাত্রার (kalaikunda Weather Update) কথা মাথায় রেখে এমত পরিস্থিতিতে (Heatwave Alert) আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা, প্রয়োজন ছাড়া সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টে পর্যন্ত রোদে বেরোবেন না। বেরোলেও সাথে ছাতা, টুপি সানগ্লাস এবং পর্যাপ্ত জল নিয়ে বেরোতে হবে। সাদা বা হালকা রঙের সুতির জামা পরতে হবে। সর্বোপরি নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সপ্তাহের শেষেই তাপমাত্রা ৩৬-৪০ ডিগ্রি, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে চড়ছে পারদ

    Weather Update: সপ্তাহের শেষেই তাপমাত্রা ৩৬-৪০ ডিগ্রি, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে চড়ছে পারদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই চৈত্রের কাঠ-ফাটা রোদে পথে বেরনো দায় হয়ে পড়েছে। শহরে তীব্র গরমে কাহিল জনজীবন। চলতি সপ্তাহের শেষেই তাপমাত্রা (Weather Update) ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি হতে পারে, পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দফতরের। দক্ষিণবঙ্গের সমস্ত জেলাগুলিতেই বাড়বে তাপমাত্রার পারদ। হাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সপ্তাহেই কলকাতার তাপমাত্রার পারদ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে। বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। এদিন বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সর্বাধিক ৯২ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ৫৩ শতাংশ।

    তাপপ্রবাহের আশঙ্কা

    আলিপুর আবহাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস বলছে, চলতি সপ্তাহের শেষে দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম বর্ধমানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলতে পারে । অর্থাৎ, চৈত্র মাসে গরমের এই পূর্বাভাস বৈশাখে তাপপ্রবাহের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। আগামী দু-তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।  তবে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়লেও উত্তরবঙ্গে মনোরম আবহাওয়া থাকবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায়। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। 

    আরও পড়ুন: প্রয়াত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    এল নিনো কী

    সম্প্রতি ২০২৩ সালকে ‘উষ্ণতম বর্ষ’-এর তকমা দিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া (Weather Update) সংস্থা (ডব্লুএমও)। ছিল এল নিনো পরিস্থিতি। এর আগে উষ্ণতম বছর বলা হয়েছিল ২০১৬ সালকে। এবারও তাপমাত্রার পারদ চড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে মৌসম ভবন। প্রশান্ত মহাসাগরে জলের উষ্ণতা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে এল নিনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যার ফলে ভারত সহ বিশ্বের একটা বড় অংশ জুড়ে তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে বৃষ্টিপাতও কমে। গতবছর দেশে বর্ষার মরশুম শুরু হওয়ার পর এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হয়। যার ফলে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হয়। সেক্ষেত্রে লা নিনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পরেও বিশ্বের উষ্ণতা বাড়ার প্রবণতা বজায় থাকে কি না, সেদিকে বিশেষজ্ঞদের নজর থাকবে। আর বিশ্ব উষ্ণায়নের সময় ভারত যে পুড়বে তা বলাই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North Bengal: উত্তরবঙ্গ জুড়ে রমরমিয়ে চলছে গরু-মহিষ পাচার! কোন পথে জানেন?

    North Bengal: উত্তরবঙ্গ জুড়ে রমরমিয়ে চলছে গরু-মহিষ পাচার! কোন পথে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন জেলে রয়েছেন। দক্ষিণবঙ্গে এই পাচারচক্র ততটা এখন সক্রিয় না হলেও উত্তরবঙ্গ (North Bengal) জুড়ে রমরমিয়ে শুরু হয়েছে মহিষ এবং গরু পাচার। পুলিশের একটা অংশকে হাতিয়ার করে এই পাচারচক্র চলছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার মানুষ।

    কোন পথে পাচার? (North Bengal)

    বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত উত্তরবঙ্গের (North Bengal) উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং জেলার বিধাননগর, ঘোষপুকুর পেরিয়ে ফুলবাড়ি হয়ে জলপাইগুড়ি ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি, বানারহাট, বীরপাডা হয়ে বারোবিষা সীমান্ত দিয়ে অসমে ঢুকে পড়ছে বেআইনি গরু ও মহিষ বোঝাই গাড়িগুলি। অসমের কয়েকটি জেলা পার হয়ে সোজা মেঘালয়ে চলে যায় গাড়িগুলি। উত্তরের ছয়টি জেলা পার হতে পারলে কেল্লাফতে এই পাচারকারীদের। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ থেকে মহিষ এবং গরু নিয়ে এসে পাঞ্জিপাড়ায় সেগুলোকে নামানো হয়। সেখান থেকে কন্টেনার গাড়ি করে (যে গাড়িগুলি চারদিক বন্ধ) অসম এবং মেঘালয়ের উদ্দেশে রওনা করা হয়। একেবারে অস্বাস্থ্যকর এবং দমবন্ধ পরিবেশে গাড়িগুলিতে ওই মহিষগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়। বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই যে ওই গাড়ি গুলিতে গরু-মহিষ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতি গাড়িতে ২৪-২৬ টি মহিষ নিয়ে যাওয়া হয়। যার অধিকাংশেরই বৈধ কাগজ নেই। গাড়িগুলিরও লাইভ স্টক পারমিট নেই বলেই জানা গেছে।

    কীভাবে সম্ভব এই পাচার?

    সম্প্রতি, বীরপাড়ায় একটি স্পেশাল চেকিংয়ে ৬ টি কন্টেনার গাড়ি থেকে ২৩৮ টি মহিষ উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জিপাড়া ও আসামের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু, কীভাবে সম্ভব এই পাচার? পাঞ্জিপাড়া থেকে গাড়ি লোড হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই গাড়ির নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট থানাগুলিতে, যে থানার অধীনের রাস্তা ব্যবহার করে গাড়িগুলি পার হবে। এই এলাকাগুলি পেরিয়ে গেলে বারোবিষা বা বক্সিরহাট সীমান্তে সেই গাড়িগুলির নম্বর মিলিয়ে দেখা হয় এবং বিনা চেকিং করেই গাড়িগুলি ছেড়ে দেওয়া হয়। পাঞ্জিপাড়া থেকে অসম রাজ্য বিনা বাধায় গাড়ি প্রতি একটা পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ হয়। সেই অর্থই সংশ্লিষ্ট থানা এবং কিছু আধিকারিকের কাছে পৌঁছে যায়। প্রতিদিন প্রায় ৩৫-৪০ টি গাড়ি করে এই ভাবেই গরু-মহিষ পাচার হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বর্ষশেষ ও নববর্ষে শীত অধরাই, তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নীচে নামার সম্ভাবনা নেই

    Weather Update: বর্ষশেষ ও নববর্ষে শীত অধরাই, তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির নীচে নামার সম্ভাবনা নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠান্ডার কামড় কী, তা এই ভরা শীতের মরশুমেও মানুষ ভুলতে বসেছে। বাতাসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করছে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। মাঝে আর মাত্র একটা দিন। তার পরই বর্ষশেষের উন্মাদনায় গা ভাসিয়ে দেবে আপামর জনতা। একই সঙ্গে চলবে ইংরাজি নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পালা। সবার মনেই একটা প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। তা হল, ওই সময় কেমন থাকবে বাংলার আবহাওয়া (Weather Update)। শীত কি ফের ঘুরে দাঁড়াবে, নাকি এমনটাই চলবে আরও কয়েক দিন। এসবেরই উত্তর মিলেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে।

    কী জানালেন আবহাওয়া অফিসের কর্তা? (Weather Update)

    সঞ্জীববাবু যা জানিয়েছেন, তাতে আপাতত দক্ষিণবঙ্গে আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার খুব একটা পরিবর্তন হবে না (Weather Update)। আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক, অর্থাৎ বৃষ্টি হবে না। ওই ৫ দিন পর সামান্য তাপমাত্রা বাড়তে পারে। ৩১ শে ডিসেম্বর থেকে ১ লা জানুয়ারির মধ্যে রাতের তাপমাত্রা খুব সামান্য কমতে পারে। সেটা এক ডিগ্রির বেশি নয়। মোটের উপর একই রকম আবহাওয়া থাকবে আগামী সাতদিন। একই সঙ্গে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে আটকে উত্তর-পশ্চিমের শীতল হাওয়া। তাই আগামী ৭ দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নামার সম্ভাবনা নেই। কলকাতায় দিনের তাপমাত্রাও বেশি থাকার কারণে শীতের পোশাক হয়তো গায়ে তুলতে হবে না। এর পাশাপাশি পূবালি হাওয়ায় জলীয় বাষ্প ঢুকছে। আর তার ফলে খুব ভোরে বা সকালের দিকে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা (Weather Update) থাকছে দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গে।

    ফের তুষারপাতের সম্ভাবনা দার্জিলিঙে (Weather Update)

    উত্তরবঙ্গেও দুটি জেলা ছাড়া সর্বত্র আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। তবে রবিবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে তুষারপাতের সম্ভাবনা (Weather Update) রয়েছে দার্জিলিঙে। হালকা বৃষ্টি হতে পারে দার্জিলিং এবং কালিম্পয়ে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই দার্জিলিঙের উঁচু পার্বত্য এলাকায় হালকা তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Flood: বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি, বহু পুজোমণ্ডপ জলের তলায়! দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা

    Flood: বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি, বহু পুজোমণ্ডপ জলের তলায়! দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো শুরু হতে আর দু’সপ্তাহ বাকি। এখনও আকাশের মুখ ভার হয়ে রয়েছে। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বীরভূমে জারি রয়েছে লাল সতর্কতা। পাশাপাশি দক্ষিণের বাকি সব জেলায় জারি কমলা সতর্কতা। বৃহস্পতিবারও দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। ইতিমধ্যেই এদিন বেলা ১১টা নাগাদ ডিভিসি-র মাইথন থেকে ৩০ হাজার কিউসেক এবং পাঞ্চেত থেকে ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছিল। এদিকে ইতিমধ্যেই বন্যার (Flood) জলে ভেঙে পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের জমিনদারি বাঁধ। পশ্চিম মেদিনাপুর, হুগলি সহ একাধিক জেলায় পুজোমণ্ডপ জলের তলায়। জল না নামলে পুজো কীভাবে হবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় উদ্যোক্তারা।

    জলমগ্ন পুজোমণ্ডপ! (Flood)

    নিম্নচাপের লাগাতার বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির ছাড়া জলে আরামবাগ মহকুমায় কয়েক হাজার হেক্টর কৃষিজমি চলে গিয়েছে জলের তলায়। তাতেই মাথায় হাত এলাকার কৃষকদের। এরই মধ্যে মেদিনীপুর থেকে আরামবাগ, রাজ্যের একাধিক প্রান্তে ভারী বর্ষণের জেরে তৈরি হয়েছে বন্যা (Flood) পরিস্থিতি। একই অবস্থা পাশের এলাকা জাঙ্গিপাড়ারও। দামোদর নদের জলে প্লাবিত হুগলির জাঙ্গিপাড়া ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা। সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতেও মিলছে না সরকারি সহযোগিতা। এমনই অভিযোগ বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের। জাঙ্গিপাড়া ব্লকের রশিদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আকনা, সেনপুর, হরিহরপুর এবং পশপুর গ্রাম জলমগ্ন। পাশাপাশি রাজবলহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ছিটখোলা গ্রামও চলে গিয়েছে জলের তলায়। এই সব এলাকার একাধিক মণ্ডপ জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের কলমিজোড় এলাকায় জলস্তর বিপদসীমায় পৌঁছেছে। ঘাটাল মহকুমার বাঁকা, গদাইঘাট, গোপিগঞ্জ, কলমিজোড়, রানিচক প্রভৃতি এলাকায় প্রায় বিপদ সীমার উপর দিয়ে জল বইছে যথাক্রমে শিলাবতী ও রূপনারায়ণে। কেলেঘাই, কপালেশ্বরীর ভয়ঙ্করী রূপে কপাল পুড়তে পারে বেলদা-নারায়ণগড় থেকে গোটা সবং-পিংলার। ঘাটালের হরিশপুর থেকে বন্দর যাওয়ার খেয়াঘাট সহ রূপনারায়ণের প্রায় সব খেয়াঘাট বন্ধ। জলের তলায় কয়েকশো হেক্টর চাষযোগ্য জমি। ফুঁসছে কপালেশ্বরী নদী। নন্দপুরা, চক খুনখুনিয়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। এই সব এলাকায় মণ্ডপ তৈরির জন্য বাঁশের কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। সেই মণ্ডপও এখন জলমগ্ন হয়ে রয়েছে।

    পুজোর উদ্যোক্তারা কী বললেন?

    পুজোর এক উদ্যোক্তা বললেন, মণ্ডপ থেকে জল কবে নামবে, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারণ, পুজোর প্যান্ডেল আদৌ করা যাবে কি না তা বুঝতে পারছি না। নতুন করে বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে। প্লাবিত এলাকায় জল নামতে কতদিন সময় লাগবে তা নিয়ে ধন্দে রয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mango:  একসঙ্গে বাজার মাতাবে দুই বঙ্গের আম, ফলনে রেকর্ড গড়বে মালদহ

    Mango: একসঙ্গে বাজার মাতাবে দুই বঙ্গের আম, ফলনে রেকর্ড গড়বে মালদহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ রেকর্ড ফলনের আশায় দিন গুনছেন মালদহের আম (Mango) চাষিরা। অন্যবারের তুলনায় অনেক আগেই গাছে মুকুল চলে এসেছে। জেলার আম (Mango) চাষিদের পাশাপাশি উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিকরাও ভালো ফলনের বিষয়ে সহমত পোষণ করেছেন। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের আমও একসঙ্গে বাজারে আসবে। আর ভালো ফলন হলেই এবার দামও কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আম বাঙালির রসনা তৃপ্তির জন্য আমের জোগানে এবার কোনও ঘাটতি হবে না বলে উদ্যান পালন দপ্তরের আধিকারিকরা মনে করছেন।

    গত বারের তুলনায় এবার আমের ফলন কতটা বাড়বে? Mango

    আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার কারণে সময়ের অনেক আগেই মালদহে আম (Mango) বাগান গুলিতে গাছে মুকুল ফুটেছে। আগে মুকুল ফোটাই আম অনেক আগেই পরিপূর্ণ হয়ে পাকতে শুরু করবে বলে আম চাষিরা মনে করছেন। মূলত প্রতিবছর মালদহের আম জৈষ্ঠ মাসের মাঝামাঝি বা শেষের দিক থেকে ব্যাপক হারে পাকতে শুরু করে। সাধারণ নিয়ম মত দক্ষিণবঙ্গের জেলা গুলিতে মুকুল আগে ফোটে। স্বাভাবিকভাবে গাছে আমও পাকে অনেক আগে। আর উত্তরবঙ্গের তুলনায় দক্ষিণবঙ্গের আম (Mango) প্রথমে বাজারে আসে। এই জেলাতেও দক্ষিণবঙ্গের আমই প্রথমদিকে বাজার দখল করে থাকে। কিন্তু, আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার কারণে এই বছর ব্যতিক্রম চিত্র ধরা পড়়েছে এই জেলায়। জেলা উদ্যান পালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বছর সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই জেলার বাগান গুলিতে আমের (Mango) মুকুল ফুটে গিয়েছে। এর কারণ এই বছরের আবহাওয়ার হেরফের। শীত পড়লেও অনেক আগে ঠান্ডার আবহাওয়া কেটে গিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। মার্চে প্রথমদিকে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তাই বাগান গুলিতে আমের (Mango) মুকুল আগেই চলে এসেছে। সাধারণত ৩১ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমি জুড়ে আমের উত্পাদন করা হয়। প্রতি বছর ১০০-২০০ হেক্টর জমির পরিমাণে হেরফের হয়। গতবার এই জেলায় ২ লক্ষ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন আমের ফলন হয়েছিল। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ফলন কিছুটা মার খেয়েছিল। এবার সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কম। জেলা উদ্যান পালন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এবছর আম গাছের পর্যাপ্ত পরিমাণ মুকুল এসেছে।  সামনে কাল বৈশাখী বা শিলাবৃষ্টি না হলে এবছর ৩ লক্ষ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণত, দক্ষিণবঙ্গে আগে ফলন হয়। পরে, উত্তরবঙ্গের আম বাজারে আসে। কিন্তু, এবার আগেই মুকুল চলে আসায় ফলনও দুই বঙ্গে এক সঙ্গে হবে।

    চাষিদের বক্তব্য,আগে মুকুল আসায় মালদহের আমের কোনও ক্ষতি হবে না। এতে আমাদের মতো চাষিদের অনেক সুবিধা হবে। লাভবান হবেন জেলার আম ব্যবসায়ীরা। কারণ, এক সঙ্গে গোটা রাজ্যের আম পাকতে শুরু করলে মালদহের আম সকলে কিনবেন। রেকর্ড ফলনের আশায় দিন গুনছেন জেলার চাষিরা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বসন্তেই রাজ্যে ‘হাওয়া’ বদল, কবে কোথায় বৃষ্টি জানেন?

    Weather Update: বসন্তেই রাজ্যে ‘হাওয়া’ বদল, কবে কোথায় বৃষ্টি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তেই রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update)। বুধবার থেকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভবনা দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায়। বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গেও। অন্তত এমনই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ

    হাওয়া অফিসের খবর, বুধবার বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলা। এই জেলাগুলিতে হতে পারে হালকা বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই। বৃষ্টি হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি। শুক্রবারও বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দুই চব্বিশ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরের কয়েকটি এলাকা।

    ভিজতে পারে উত্তরও

    হাওয়া অফিসের তরফে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। আজ, সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং জেলায়। বুধবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায়। হালকা বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর ও মালদা জেলায়। বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গের সব জেলায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে (Weather Update) বৃষ্টি হতে পারে শুক্রবার। তবে বৃষ্টি হলেও, আর ঠান্ডা পড়বে না। হাওয়া অফিসের খবর, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে রাজ্যে তাপমাত্রার পারদ চড়তে পারে তিন থেকে চার ডিগ্রি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য বৃষ্টির কোনও সম্ভবনা নেই। আকাশ থাকবে পরিষ্কার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘নির্ভয়ে কথা বলুক নির্যাতিতারা’’, সন্দেশখালিতে জাতীয় মহিলা কমিশন

    চড়ছে কলকাতার পারদ

    তাপমাত্রা যে বাড়তে চলেছে, তার আঁচ মিলেছে সোমবারই। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সেই তাপমাত্রা বেড়ে হয়েছে ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার এটা হতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহেই রাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হতে পারে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চৌকাঠ। পশ্চিমের জেলাগুলির তাপমাত্রা আরও দু ডিগ্রি বেড়ে গিয়ে হতে পারে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস (Weather Update)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: উধাও ঠান্ডা, চড়ছে পারা, শীতের পথে কাঁটা কে জানেন?

    Weather Update: উধাও ঠান্ডা, চড়ছে পারা, শীতের পথে কাঁটা কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্বাভাস ছিলই। সেই পূর্বাভাসই মিলে যাচ্ছে। কলকাতা থেকে উধাও হয়ে গেল কনকন ঠান্ডা (Weather Update)। ক্রমেই বাড়ছে সিটি অফ জয়ের তাপমাত্রার পারদ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবারের তুলনায় শনিবার তাপমাত্রা বেড়েছে এক ডিগ্রি। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা বেড়ে হয়েছে ১৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়বে।

    দক্ষিণবঙ্গে হা-শীত দশা

    আবহবিদরা জানান, দক্ষিণবঙ্গে হা-শীত দশা চললেও, উত্তরবঙ্গ কাঁপবে ঠান্ডায়। ২৫ ডিসেম্বর বৃষ্টি ও তুষারপাত হতে পারে দার্জিলিংয়ে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ২৫, ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দার্জিলিং ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকা। হতে পারে তুষারপাতও। তবে দক্ষিণবঙ্গে এখনই বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই হাওয়া অফিস সূত্রে খবর।

    উধাও ঠান্ডা

    ঠিক কী কারণে পৌষেও হাড় কাঁপানো ঠান্ডা থেকে বঞ্চিত বাংলা (Weather Update)? হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উধাও ঠান্ডা। রাজ্যে বাড়ছে তাপমাত্রা। এই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই আগামী তিন দিন তিলোত্তমার তাপমাত্রা আরও তিন ডিগ্রি বাড়তে পারে। তাই বড়দিন ও নতুন বছরের শুরুতে কনকনে ঠান্ডা থেকে বঞ্চিতই থাকবেন আম-বাঙালি। যেহেতু চড়বে তাপমাত্রার পারা, সেহেতু মাঠে মারা যেতে পারে পিকনিকের মজাও।

    আরও পড়ুুন: শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে হবে আরও আগে, নয়া নির্দেশিকা জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    চলতি বছর প্রায় ডিসেম্বরজুড়েই হা-শীত, হা-শীত করেছেন ঠান্ডাপ্রেমীরা। মাসের মাঝখানে কয়েকটা দিন ভালো ঠান্ডা পড়লেও, ফের উধাও হয়েছে ঠান্ডা। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টি হয়েছিল। ওই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবও পড়েছিল এ রাজ্যে। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে দিন তিনেক ধরে। ঘূর্ণঝড়ের তাণ্ডব শেষে মেঘ কেটে ওঠে রোদ। তার জেরেই নামতে শুরু করেছিল পারদ। সেই ঠান্ডাই এবার উধাও হয়ে গিয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে। তাই সান্তাক্লজ যখন এ বঙ্গে পা রাখবেন, তখন হি হি করা ঠান্ডা নয়, থাকবে শীতের আমেজ। ফের কবে ঠান্ডা পড়বে, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেনি আবহাওয়া দফতর। তবে হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় থাকবে কুয়াশার দাপট (Weather Update)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share