Tag: South Dinajpur

South Dinajpur

  • Balurghat: বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি, অভিনব আন্দোলনে বিশিষ্টজনেরা

    Balurghat: বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি, অভিনব আন্দোলনে বিশিষ্টজনেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বালুরঘাটে (Balurghat) মেডিক্যাল কলেজের দাবি জোরাল হতে শুরু করেছে। শাসক, বিরোধী সব নেতা মন্ত্রীদের পাশাপাশি এবারে জেলার বিশিষ্টজনেরাও এই আন্দোলনে শামিল হতে চলেছেন। প্রতিদিন ১০ জন করে জেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা( নাট্যকর্মী, কবি, সাহিত্যিক আইনজীবী প্রমূখ) মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মেডিক্যাল  কলেজের দাবিতে চিঠি দেবেন। এদিন থেকে সেই চিঠি পাঠানোর কাজ শুরু করেছেন তাঁরা। মেডিক্যাল কলেজের দাবি নিয়ে জেলায় লাগাতর আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া অরাজনৈতিক সংস্থা প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ড অর্গানাইজেশন। এদিন বালুরঘাট হেড পোস্ট অফিসে এসে সেই চিঠিগুলি প্রদান করা হয়।

    বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজের দাবি (Balurghat)  

    দক্ষিণ দিনাজপুর সীমান্ত জেলা  হিসেবে বরাবরই পিছিয়ে পড়া জেলা। এই জেলার সদর হাসপাতালে বহু রোগের চিকিৎসা হয় না। যার ফলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে সামান্য জটিলতা দেখা দিলে ভিন জেলা বা রাজ্যে ছুটতে হয়। এছাড়াও জেলা থেকে প্রতিবার বহু ছেলেমেয়ে বাইরে ডাক্তারি পড়তে যায়। এই জেলায় যে শুধুমাত্র চিকিৎসা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, তা নয়,  ওয়াকিবহালের মতে অর্থনীতিক ক্ষেত্রেও মেডিক্যাল কলেজের প্রয়োজন রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলার হিলি দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ কলকাতা বা চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে যায়। এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলে বাংলাদেশীরাও চিকিৎসা করতে আসবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের সমস্ত পরিকাঠামো রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে ৩৩.৭২ একর জমি রয়েছে। যা মেডিক্যাল কলেজের জন্য পর্যাপ্ত বলেই দাবি স্বাস্থ্য কর্তাদের। কিন্তু আজ পর্যন্ত এই মেডিকেল কলেজ স্থাপনে কোনও উচ্চবাচ্য না থাকা নিয়ে সরব হয়ে হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরবাসী। লোকসভা ভোটের আগে যা নিয়ে সরগরম হতে চলেছে জেলা রাজনীতি।

    ১০টি করে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রতিদিন চিঠি পাঠানো হবে

    প্রত্যুষ ও ইকো ফ্রেন্ড অর্গানাইজেশনের সম্পাদক কৃষ্ণপদ মণ্ডল বলেন,  এই জেলার চিকিৎসা ব্যবস্থা ভালো না। এখানে গরিব  ও নিম্নবিত্ত মানুষের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজ অতি প্রয়োজনীয়। সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলেও এই জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে না।তাই মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের দাবি জানিয়ে আমরা আজ থেকে প্রতিদিন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ১০ টি করে চিঠি পাঠাবো।  যতদিন না পর্যন্ত মেডিক্যাল কলেজ ঘোষণা হচ্ছে,ততদিন শহরের বিশিষ্টজনেরা এই চিঠি পাঠাবেন।

    বিজেপি বিধায়কের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাটের বিজেপি বিধায়ক তথা বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ী বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা অত্যন্ত পিছিয়ে পড়া জেলা। তিন দিক বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ঘেরা একটা প্রত্যন্ত এলাকা। কলকাতা থেকে অনেক দূরে অবস্থিত এই জেলায় চিকিৎসা ব্যবস্থা ভাল নয় বললেই চলে। কিন্তু, সরকারের একটি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল রয়েছে এখানে। সেটিকেই যদি মেডিক্যাল কলেজে উন্নীত করা যায় বা কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প রয়েছে যে প্রতিটা জেলা হাসপাতালে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এখানে যেমন মানুষ চিকিৎসা পাবেন,তেমনি  এখান থেকে পড়াশুনা করে ডাক্তারও অনেকে হবেন।

    রাজ্যের মন্ত্রী কী বললেন?

    রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, বালুরঘাটে মেডিক্যাল কলেজ হওয়ার কথা চলছে। তবে যখন রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ পেল, তখনই হওয়ার কথা ছিল কিন্তু হয়নি। আমি রাজ্য সরকারকে জানিয়েছি, সব জেলায় মেডিক্যাল কলেজ হলে এখানে কেন হবে না? আমার ধারণা, মুখ্যমন্ত্রী এই জেলায় এসে বিষয়টি দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপি করার মাশুল? ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ বৃদ্ধ নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতেও ব্যর্থ!

    Balurghat: বিজেপি করার মাশুল? ভোটার তালিকায় ‘মৃত’ বৃদ্ধ নিজেকে জীবিত প্রমাণ করতেও ব্যর্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায় কলমে মারা গিয়েছেন। কিন্তু, তাঁরা দিব্যি চলে ফিরে বেড়াচ্ছেন। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্তীগ্রামে। এই এলাকার শম্ভুচন্দ্র দাস, মলিনা সরকাররা প্রশাসনের খাতায় মৃত। নিজেদের জীবিত করতে প্রশাসনের এই দরজা থেকে ওই দরজায় তাঁরা ঘুরছেন। তাঁদের আর্জি, ভোটার তালিকায় যেন আবার তাঁদের নাম তোলা হয়। কারণ, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় তাঁদের বন্ধ হয়ে গিয়েছে সরকারি সুযোগ-সুবিধা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।

    বিজেপি করার জন্য ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ! (Balurghat)

    বৃদ্ধ শম্ভু চন্দ্র দাস পেশায় কৃষক। তাঁর বাড়ি বালুরঘাট (Balurghat) ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্তীগ্রামে। বছর দেড়েক আগে তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ভোটার তালিকা দেখে তিনি হতবাক হয়ে গিয়েছেন। কারণ, তাঁর মৃত স্ত্রীর নাম ভোটার তালিকায় জ্বল জ্বল করলেও তাঁর নাম বাদ গিয়েছে। খাতায় কলমে তিনি মৃত। কেন, কীভাবে বাদ হয়ে গেলেন তা বোঝার আগেই চলে আসে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওই নির্বাচনে তিনি ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এরপর থেকে তিনি নিজের নাম ভোটার তালিকায় তুলতে ও স্ত্রীর নাম বাদ দিতে প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু, এখনও তিনি ভোটার তালিকায় তুলতে পারেননি। তিনি বলেন, বিজেপিকে সমর্থন করি বলে হয়তো আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। মলিনা সরকার নামে আর এক মহিলা বলেন, আমাকে মৃত বলে আমার নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর কারণ আমি কিছুটা বুঝতে পারছি। আমি বিজেপি করি বলে, শাসকদলের মদতেই আমার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই গণতন্ত্রের দেশে এভাবে ভূত হয়ে বেঁচে থাকতে হবে এ কেমন কথা? গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে আমি ভোট দিতে পারিনি। আগামী লোকসভা নির্বাচনেও পারব কি না জানিনা।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    বিজেপির স্থানীয়  মণ্ডল সভাপতি প্রবীর মণ্ডল বলেন, গ্রামে গ্রামে এমন মানুষের সংখ্যা প্রচুর। শুধুমাত্র বিজেপি করার অপরাধে নানা কায়দাতে এভাবে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এসব অন্যায় চলতে পারে না।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল নেতা বালুরঘাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অরূপ সরকার বলেন, বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে। যদি ওই বাসিন্দাদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়ে থাকে, তবে নিয়ম মেনে আবেদন করলেই নাম উঠে যাবে। নাম না উঠলে আমরা সাহায্য করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: গরু তুমি কার! প্রকৃত মালিক খুঁজতে নাজেহাল অবস্থা পুলিশের, কী হয়েছে জানেন?

    Balurghat: গরু তুমি কার! প্রকৃত মালিক খুঁজতে নাজেহাল অবস্থা পুলিশের, কী হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু তুমি কার! গরুর প্রকৃত মালিক খুঁজতে ঘুম ছুটেছে পুলিশের। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট (Balurghat) থানা এলাকায়। এই ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। গরুর প্রকৃত মালিক কে, তার ফয়সালা করতেই গলদ ঘর্ম দশা পুলিশের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গরুর দাবিদার দুজন। দুপক্ষই থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ একবার ফয়সালার চেষ্টা করেছে। কিন্তু, দুপক্ষই গরুর সম্পর্কে গোপন কিছু কথা তুলে ধরা এবং প্রতিবেশীদের সাক্ষ্য দেওয়াতে পুলিশ আরও সমস্যায় পড়েছে। প্রকৃত গরুর মালিক কিভাবে  চিহ্নিত করা যাবে,  সেই বিষয়েও পুলিশকর্তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নিচ্ছেন। বালুরঘাট (Balurghat) শহরের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোরু নিয়ে বিবাদ শুরু হয় মাস তিনেক আগে। গরুর আসল মালিক বলে যিনি দাবি করছেন সেই কল্পনা ঘোষ,  তার বাড়ির গরুগুলিকে ছেড়ে দিতেন মাঠে খাওয়ার জন্য।  সকালে গোরুগুলি ছেড়ে দেওয়া হলেও, প্রতিদিন রাতেই কল্পনা ঘোষের কংগ্রেসপাড়ার বাড়িতে ফিরে আসত গরুগুলি।  কিন্তু,  মাস তিনেক আগে অন্য গরুগুলি ফিরে এলেও, বিতর্ক তৈরি হওয়া গরুটি ফেরেনি। এরপর  তিনি খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেন। মাস কয়েক ধরে তিনি খোঁজাখুঁজির পর সেটাকে না পেয়ে, সম্প্রতি এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন বালুরঘাট শহরের নেপালি পাড়া এলাকার সাবিত্রী সাহার বাড়িতে  তাঁর গোরুটি বাঁধা রয়েছে। এর পর ওই বাড়িতে গিয়ে তাঁর  গোরুটি খুলে আনতে গেলে বাধা পান তিনি। যদিও ছেলেদের সহায়তায় জোর করে কল্পনা ঘোষ ওই গরুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যান।

    দুই দাবিদারের কী বক্তব্য?

    কল্পনা ঘোষ নামে এক দাবিদার বলেন,  আমার বাড়ির এই  লাল সাদা রঙের গরুটিকে আমরা মাস তিনেক ধরে খুঁজে পাচ্ছিনা। দুদিন আগে খবর পেয়ে ওই সাবিত্রী সাহার বাড়ি থেকে গরুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। এরপরেই সাবিত্রী বালুরঘাট (Balurghat) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আমাদের গরু বেঁধে রেখে, আবার আমাদের নামেই অভিযোগ করেছে।  সাবিত্রী সাহা নামে অন্য এক দাবিদার বলেন, লকডাউনের সময় আমি বাছুরকে মাঠে ছেড়ে দিয়েছিলাম। তারপর থেকে সেটির কোনও হদিশ পাইনি। অবশেষে মাস কয়েক আগে বাছুরের কানে জন্মের দাগ রয়েছে, তা দেখেই চিনি। সেখান থেকেই বাড়িতে নিয়ে যাই। কিন্তু, আচমকা ওরা আমার বাড়ি থেকে জোর করে গরুটিকে নিয়ে গেল। তাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

    পুলিশের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন,  ‘গরুর তো আর মালিকানার কাগজপত্র হয় না। দুজনই দাবি করছেন, গরুটি তাঁদের। এতেই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি, বিষয়টি কী ভাবে সমাধান করা যায়।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের! আড়াই মাস ধরে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি

    TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের! আড়াই মাস ধরে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে দল পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদকে সরিয়ে দেয়। গত আড়াই মাস ধরে উপ পুরপ্রধানের পদ খালি বালুরঘাট পুরসভায়। ঠিক কী কারণে এতদিন পর্যন্ত পুরপ্রধান অশোক মিত্র উপ পুরপ্রধান মনোনীত করতে পারেননি, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনাও। বিজেপির দাবি, গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ?

    উপ পুরপ্রধানের পদ হারালেও এখনও তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার পদে রয়েছেন দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। তিনি নিজেকে গৃহবন্দি করে নেওয়ায় তাঁর ওয়ার্ডের কাজেও প্রভাব পড়েছে। সমস্যায় পড়ছেন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন শংসাপত্র, শরিকি শংসাপত্র, ট্রেড লাইসেন্স নবীকরণ সংক্রান্ত কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এলাকায় পথবাতি খারাপ হলে বা নিকাশি সমস্যা নিয়ে কাকে বলবেন তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল মাসে বালুরঘাটে দণ্ডি কাটিয়ে তিন আদিবাসী মহিলাকে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়। যা নিয়ে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। অভিযোগ যায় রাষ্ট্রপতি, জাতীয় মহিলা কমিশন, এসটি কমিশন সহ নানা জায়গায়। ওই ঘটনায় অভিযোগ ওঠে বালুরঘাট পুরসভার উপ পুরপ্রধান তথা তৎকালীন জেলা মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। প্রথমে দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরানো হয়। পরে জেলায় আসেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মে মাসে তপনে গিয়ে ওই তিন আদিবাসী মহিলার কান্না অভিষেক শোনার পর রাতারাতি প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর উপ পুরপ্রধানের পদ যায়। আইনি ব্যবস্থাও নেয় প্রশাসন। পরে তিনি এই মামলায় আদালত থেকে জামিন নেন। তবে এরপর থেকে তাঁকে আর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যায়নি।

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর উপর পুরসভার যাবতীয় কর আদায়েরও দায়িত্ব ছিল। প্রায় আড়াই মাস ধরে উপ পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকায় সেসব কাজ পুরপ্রধান নিজেই সামলাচ্ছেন। পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই উপ পুরপ্রধানের পদ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওই পদের জন্য ইতিমধ্যেই বহু কাউন্সিলার জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কাছে দরবার করেছেন। দলের তরফেও একটি সম্ভাব্য তালিকা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। তবে শহরে তৃণমূলের একাধিক গোষ্ঠী রয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিও জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব দেখছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান ও জেলা নেতৃত্ব?

    পুরপ্রধান অশোক মিত্র বলেন, ‘উপ পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকলেও পরিষেবায় কোনও খামতি হয়নি। পুর আইন অনুযায়ী প্রাক্তন উপ পুরপ্রধানের সব কাজ আমি সামলাচ্ছি। ওই পদে নিয়োগ কবে হবে জানা নেই। রাজ্য থেকেই তা জানানো হবে।’ তৃণমূলের (TMC) জেলা চেয়ারম্যান নিখিল সিংহ রায় বলেন, ‘উপপুরপ্রধানের পদ পূরণের জন্য আমরা রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি সেই নাম ঘোষণা করা হবে।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, তৃণমূলের (TMC) দলীয় কোন্দলের কারণে ওরা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কাউকে বসাতে পারেনি। আসলে লোক দেখানোর জন্য ওই মহিলা কাউন্সিলারকে সরানো হয়েছে। কিছুদিন পর মানুষ ভুলে গেলে আবার সেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকেই ফের ভাইস চেয়ারম্যান করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South Dinajpur: বেপাত্তা চিকিৎসক, তালাবন্ধ সরকারি হাসপাতাল, রোগী মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    South Dinajpur: বেপাত্তা চিকিৎসক, তালাবন্ধ সরকারি হাসপাতাল, রোগী মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেপাত্তা চিকিৎসক। ৩ দিন ধরে তালা বন্ধ হয়ে রয়েছে সরকারি হাসপাতাল। খোঁজ নেই নার্স ও অনান্য স্বাস্থ্যকর্মীদেরও। আর যার জেরে বিনা চিকিৎসাতেই মৃত্যু হয়েছে এক রোগীর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকের সমজিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এই ঘটনা সামনে আসতেই রীতিমত ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনা নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ দিনাজপুর (South Dinajpur) কুমারগঞ্জ ব্লকের সমজিয়া গ্রামপঞ্চায়েত।  প্রত্যন্ত এলাকায় মানুষের সুবিধার জন্য গড়ে উঠেছিল ১০টি বেডের সমজিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বৃদ্ধি পেয়েছে বেডের সংখ্যাও। বর্তমানে ২০টি বেড রয়েছে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। প্রসূতি মহিলাদের সমস্ত রকম চিকিৎসা ছাড়াও ডায়েরিয়া বা রাতবিরেতে যে কোনও অসুখ  বিসুখের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির দায়িত্বে রয়েছেন একমাত্র চিকিৎসক এস বি মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির পরিচালনার জন্য রয়েছেন ৫ জন নার্স এবং ৭ জন সরকারি কর্মী। অভিযোগ, সরকারি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের একমাত্র চিকিৎসক শুক্রবার থেকে আচমকাই বেপাত্তা হয়ে যান। শুধু তাই নয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নার্স সহ বাকি কর্মীরাও হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়ে যান। যার জেরেই প্রায় ৩ দিন ধরে তালাবন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে সরকারি এই হাসপাতালটি। এদিকে গত ২২ জুলাই স্থানীয় রসুলপুর এলাকার এক যুবক তথা মৎস্যজীবী সাগর মহন্ত আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে তড়িঘড়ি সমজিয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আনা হলেও তার চিকিৎসা হয়নি। তালাবন্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাউকেই খুঁজে পায়নি তাঁর পরিবারের লোকজন। এরপর স্থানীয় কুমারগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    হাসপাতালে পরিষেবা না পেয়ে রোগী মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতাল কেন তালাবন্ধ হয়ে পড়ে থাকবে? একমাত্র চিকিৎসক ছুটিতে থাকলেও তা নিয়ে কেন হেলদোল নেই স্বাস্থ্য দফতরের। বাকি নার্স ও  স্বাস্থ্যকর্মীরাই কেন বেপাত্তা হয়ে থাকল? এই সব প্রশ্ন তুলে ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চরম অব্যবস্থা নিয়ে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই একই সমস্যা চলছে দক্ষিণ দিনাজপুরের (South Dinajpur) এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। হাসপাতাল তালাবন্ধ থাকার কারণে বিনা চিকিৎসাতেই এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। কেন বারবার এসব ঘটনা ঘটছে। এসব বন্ধ হওয়া উচিত। স্বাস্থ্য দফতরের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।

    কী বললেন জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক?

    জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, বিষয়টি শুনেছি। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের ঘটনা যেন আর না ঘটে তারজন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপিকে ভোট দেওয়া বহু বৈধ ব্যালট পড়ে নদীর ধারে, ভোটে জিতল তৃণমূল, বিতর্ক

    BJP: বিজেপিকে ভোট দেওয়া বহু বৈধ ব্যালট পড়ে নদীর ধারে, ভোটে জিতল তৃণমূল, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট গ্রহণ এবং গণনা, দুটোই সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এমনকী ফলাফলও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, তারপরও নদীর ধারে পাওয়া গেল বিজেপি (BJP) ও বামেদের ভোট দেওয়া বৈধ ব্যালট পেপার। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ ব্লকের গণনা কেন্দ্র থেকে কুড়ি মিটার দূরে আত্রেয়ী নদীর ধারে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমারগঞ্জের গণনা কেন্দ্র থেকে ২০০ মিটার দূরে নদীর ধারে প্রায় ৪০টি ব্যালট পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সাদা কাগজের এই ব্যালটে অধিকাংশই বিজেপি প্রার্থীর ওপর ছাপ মারা রয়েছে। রেজাল্ট অনুযায়ী এই বুথে বিজেপি ৩৪১টি, তৃণমূল ৬৯৭টি, সিপিএম ৭২টি ভোট পেয়েছে। জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থীকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন জেলা পরিষদের বিজেপি প্রার্থী  ও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    এই বিষয়ে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এই ঘটনা থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে স্ট্রং রুমে ব্যালট পরিবর্তন করা হয়েছে। বিজেপিতে ছাপ দেওয়া ব্যালট বক্স থেকে বের করে নদীতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এইভাবে মানুষের মতামতকে যেভাবে তৃণমূল কেড়ে নিয়েছে তা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূলকে খেসারত দিতে হবে।

    কী বললেন বিডিও?

    এবিষয়ে কুমারগঞ্জের বিডিও ছেয়াং তামাং বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দ্বারা কড়া নিরাপত্তার সঙ্গে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। এমনটা হওয়ার কথা না। এটা রাজনৈতিক দলেরই কেউ বানাতে পারে। তবে পুরো ঘটনাটি আমরা যাচাই করে দেখব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এবিষয়ে কুমারগঞ্জ তৃণমূল ব্লক সভাপতি উজ্জ্বল বসাক বলেন, ভোট গণনার দুদিন পেরিয়ে গিয়েছে। এতদিন ব্যালট পেপার দেখা যায়নি। দুদিন পরে ব্যালট পেপার উদ্ধার হচ্ছে। আমাদের মনে হয় এটা বিজেপির চক্রান্ত। বিজেপি (BJP) যে অভিযোগ তুলছে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

    মুর্শিদাবাদে বুথে গড়াগড়ি খাচ্ছে বিরোধীদের ভোট দেওয়া ব্যালট পেপার

     মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ ব্লকের তেঁতুলিয়া পঞ্চায়েতের ইন্দ্রডাঙ্গা বেসিক প্রাইমারি স্কুলে ১৬০ নম্বর বুথে বৈধ ব্যালট পেপার গড়াগড়ি খাচ্ছে। ব্যালট পেপারে ভোটারের চিহ্ন দেওয়া জ্বলজ্বল করছে। এই সব বৈধ ব্যালট ছাড়াই কী করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হল, তা নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    গত ৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে এবং তার ফলাফল ঘোষণা কার্যত সারা হয়ে গিয়েছে। এরপরেও চারিদিকে গণনা পর্বে হিংসা এবং অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। যার ফলে ভোটের ফল ঘোষণা হওয়া সত্বেও, আদালতের রায়ের দিকে জিতেও তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে। ফল ঘোষণার পর তেঁতুলিয়া পঞ্চায়েতের ইন্দ্রডাঙ্গা বেসিক প্রাইমারি স্কুলে ১৬০ নম্বর বুথে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু ব্যালট পেপার। বেশ কিছু ব্যালট পেপারে প্রার্থীদেরকে ভোট দেওয়া হয়েছে। আবার কিছু নতুন ব্যালট পেপার যেগুলি ভোটে ব্যাবহার করা হয়নি, সেরকম বহু ব্যালটও পড়ে রয়েছে। কিন্তু, প্রত্যেকটি ব্যালট পেপারে প্রিসাইডিং অফিসারের সই রয়েছে।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের এজেন্ট সফিকুল হাসান বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন এই এলাকার সব বুথ তৃণমূলের দখলে ছিল। বুথে তৃণমূল ছাপ্পা মারে। তখনই কি সিপিএমের প্রার্থীর ব্যালট পেপারগুলি বাইরে বার করে নতুন ব্যালট পেপারগুলিতে ছাপ মেরে ব্যালট বক্সে ভরা হয়। আমাদের প্রশ্ন, কী করে সিপিএম প্রার্থীকে ভোট দেওয়া ব্যালট পেপারগুলি বাইরে এরকম ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকল? তাহলে বিডিও সাহেব গণনার দিন কী করে ব্যালট পেপারের হিসাব ঠিক করলেন। কার ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করা হল?

    কী বললেন বিডিও?

    এই বিষয়ে বিডিও প্রসন্ন মুখোপাধ্যায়কে ফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমার কাছে এরকম কোনও অভিযোগ নেই। যদি কেউ অভিযোগ করত তাহলে আমি অবশ্যই বলতে পারতাম। তবুও, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayate Vote: দক্ষিণ দিনাজপুরে বহু আদিবাসী পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে

    Panchayate Vote: দক্ষিণ দিনাজপুরে বহু আদিবাসী পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আর ৭দিন বাকি। তার আগে আবার তৃণমূলে ভাঙন। শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি বিধানসভার লোহাগঞ্জ এলাকায় একটি যোগদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়৷ যেখানে তৃণমূল ছেড়ে ২০টি আদিবাসী পরিবারের প্রায় ৯০ জন সদস্য বিজেপিতে যোগদান করেন। এদিন বিকেলে সদ্য যোগদানকারীদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী। জেলা সভাপতির পাশাপাশি যোগদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব৷ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ২০টি আদিবাসী পরিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করায় বিজেপির শক্তি (Panchayat Vote) বাড়ল বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল ছেড়ে মানুষ যেভাবে বিজেপিতে যোগাদান করছে, তাতে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলায় বিজেপি ভালো ফল করবে বলে আশাবাদী দলের জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী।

    কী বললেন যোগদানকারীরা (Panchayat Vote)?

    এই বিষয়ে এক যোগদানকারী বলেন, তৃণমূল দল আমাদের দেখে না। আমরা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছিলাম। কিন্তু তৃণমূল নেতারা বলে, আমরা তাদের ভোট (Panchayat Vote) দিইনি। তারা ভোটের সময় খাওয়াদাওয়া দিয়েছিল। সেই খাওয়াদাওয়া দিয়ে পরে বলে, আমরা তোমাদের ভোট কিনে নিয়েছি। তোমরা কোনও সুযোগ সুবিধা পাবে না। তাই আমরা তৃণমূল দল থেকে বেরিয়ে আজ বিজেপিতে ২০ টি পরিবার যোগদান করলাম।

    কী বললেন বিজেপির জেলা সভাপতি (Panchayat Vote)?

    বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, লোহাগঞ্জে এদিন ২০ টি আদিবাসী পরিবার তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদান করল। যোগদানকারীরা সবাই তৃণমূল করত। কিন্তু তৃণমূল দল তাদের কোনও সুযোগ সুবিধা দেয়নি। তৃণমূল তাদের বার বার বলেছে, আমরা ভোট কিনে নিয়েছি, কেন সুযোগ সুবিধা দেব। তৃণমূল এইভাবে দিনের পর দিন এই লোহাগঞ্জ এলাকার মানুষদের বঞ্চিত করেছে। সেই জন্য আজ লোহাগঞ্জের ২০ টি আদিবাসী পরিবার বিজেপিতে যোগদান করল। এরা যোগদান করায় বিজেপির আরও শক্তি বাড়ল ও আগামী দিনে এই এলাকায় বিজেপি আরও ভাল ফলাফল (Panchayat Vote) করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অঞ্চল সভাপতির পদ! তৃণমূলের জেলা সভাপতির ভিডিও ভাইরাল

    TMC: ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অঞ্চল সভাপতির পদ! তৃণমূলের জেলা সভাপতির ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়ার নামে দক্ষিণ দিনাজপুরে তৃণমূলের (TMC) তপনের ব্লক সভাপতির টাকা নেওয়ার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল জেলা। এবারে খোদ তৃণমূলের জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী রয়েছে?

    বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি মৃণাল সরকারের তিনটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে জেলা সভাপতি মৃণাল সরকারকে দলের অঞ্চল সভাপতি করে দেওয়ার নামে টাকাপয়সার কথা বলতে শোনা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে মদের আসরে বসে রয়েছেন শাসক দলের জেলা সভাপতি। অন্য একটি ভিডিওতে বারের মধ্যে মহিলাদের নাচানাচি করতে দেখা যাচ্ছে। তবে, সেখানে তৃণমূলের জেলা সভাপতির কোনও ছবি নেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া তিনটি ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি?

    বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার। তিনি বলেন, এটা দীর্ঘদিন আগেকার একটা ঘটনা, তখন আমি ব্লক সভাপতি ছিলাম। সেই সময় কেউ এটা তুলে থাকবেন। আমি  ঘুমোচ্ছিলাম। তখন কেউ একজন এসব বলে, প্রশ্ন করে ও টাকা দিতে চায়। আমি তার কোনও উত্তর দিইনি। বিজেপির আইটি সেল ভোটের আগে বদনাম করার জন্যই এরকম ভিডিও ভাইরাল করছে। আমি আইনি পদক্ষেপ নেব। প্রসঙ্গত, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট বিলি নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে জোর কোন্দল বেধেছে। বিশেষ করে গঙ্গারামপুর মহকুমার বিভিন্ন ব্লকে গোঁজ প্রার্থী নিয়ে চিন্তায় পড়েছে তৃণমূল। রবিবারই রাজ্যের নির্দেশে ১৯ জন বিদ্রোহীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি। আর তারপরেই এই ভিডিও ভাইরাল হওয়াকে কেন্দ্র করে তোলপাড় জেলা রাজনীতি।  

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এটা তৃণমূলের (TMC) নতুন কিছু নয়। এই দলের টিকিট থেকে পদ, সবই টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর তৃণমূল জেলা সভাপতিও তাই টাকা চাইবেন, এতে আশ্চর্যের কিছু নেই। এটা তৃণমূলের ব্যবসা। টাকা দিয়েই পদ নেবেন, আবার সেই টাকা তুলবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Goat: ছাগলকে নিয়ে নাস্তানাবুদ থানা, ফেসবুক পোস্ট করে কী বার্তা দিলেন আই সি?

    Goat: ছাগলকে নিয়ে নাস্তানাবুদ থানা, ফেসবুক পোস্ট করে কী বার্তা দিলেন আই সি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম-জানা নেই। বয়স-তিন মাস। উচ্চতা-সওয়া ফুট। রঙ-সাদা। বিশেষত্ব-পিঠে কালো দাগ রয়েছে। এটা কোনও নিখোঁজ ব্যক্তিকে খোঁজার জন্য প্রচার নয়। এটি একটি ছাগলের বিবরণ। গত ১০ দিন ধরে এই ছাগল (Goat) নিয়েই নাস্তানাবুদ হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার পুলিশ। ছাগলের মালিকের খোঁজে তাই জনস্বার্থে ফেসবুকে ছবি-সহ  ‘পোস্ট’ দিয়েছেন বংশীহারি থানার আইসি মনোজিৎ সরকার।

    কী বললেন থানার আইসি?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১০দিন আগে তপনের শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাইষষ্ঠী করে ফিরছিলেন বুনিয়াদপুরের কাঁঠালতলির বাসিন্দা দেবা সরকার। সঙ্গে ছিল এই ছাগলটি (Goat)। পুরানো একটি মামলায় দেবাকে ধরতে গিয়েই পুলিশের হাতে পড়ে ওই ছাগশিশু। তারপর থেকেই থানায় “বন্দি” ছাগল। শহরে খোঁয়াড় না থাকায় থানার ভিতরেই বেঁধে রাখা হয়েছিল ছাগলটিকে। ছাগলের চিৎকারে অতিষ্ঠ পুলিশকর্মীরা বাইরে বেঁধে রেখেছিলেন তাকে। সেখান থেকে একবার দড়ি ছিঁড়ে পালিয়ে যাওয়ায় ধরতে গিয়ে পুলিশের হাঁসফাঁস অবস্থা হয়। এ ভাবে দশ দিন কাটলেও খোঁজ নেই আসল মালিকের। তাই আসল মালিকের খোঁজে ফেসবুকে ছবি-সহ এই পোস্ট করেন আইসি। থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, “কে আসল মালিক, সেটা যাচাই করতে ছবি-সহ বিবরণ পোস্ট না করে উপায় ছিল না।”

    ফেসবুক পোস্টে থানার আইসি কী সতর্কবার্তা দিয়েছেন?

    পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশের খাতায় ‘হাত সাফাইয়ের’ কারণে আগে থেকেই দেবার নাম ছিল। রাতে ছাগল নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে দেখে পুলিশ ছাগল-সহ তাকে গ্রেফতার করে। দুই দিন পরে জামিনে দেবা ছাড়া পেলেও মুক্তি পায়নি ছাগলটি (Goat)। ছাগলটি  শ্বশুরের দেওয়া বলে দেবা দাবি করলেও মন গলেনি পুলিশের। তাই সে কথা গ্রামবাসীদের থেকে লিখিয়ে আনতেও বলে পুলিশ। এর মধ্যে তিন চার পক্ষ ছাগলের মালিকানা দাবি করায় জটিলতা বাড়ে। চিঠি নিয়ে থানায় আসেনি দেবা। প্রবল সমস্যায় পড়েছে পুলিশ। ছাগলের (Goat) জন্য দুবেলা কাঁঠালপাতা জোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে পুলিশ। তাই আপাতত থানার সামনে থাকা রুটির দোকানদারের হেফাজতে রাখা হয়েছে ছাগলটিকে। ফেসবুক পোস্টে আইসি-র সতর্কবার্তা, “আগামী সাতদিনের মধ্যে উপযুক্ত প্রমাণ-সহ দাবিদার না মিললে ছাগশিশুটি কারও ‘উদরস্থ’ হলে থানা আর দায়িত্ব নেবে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: বাড়ি তৈরির স্বপ্নপূরণ হল না গঙ্গারামপুরের সুমনের, গ্রামে ফিরল নিথর দেহ

    Train Accident: বাড়ি তৈরির স্বপ্নপূরণ হল না গঙ্গারামপুরের সুমনের, গ্রামে ফিরল নিথর দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়িতে বলে গিয়েছিলেন, ভিন রাজ্য থেকে কাজ করে টাকা নিয়ে এসে বাড়ি বানাবেন। বাড়ি ফিরে বিয়ে-থা করে সংসার করবেন। বাবা-মাকে দেওয়া সেই কথা রাখতে পারলেন না দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের ২২ বছরের সুমন রায়। ভিন রাজ্যে আর তাঁর যাওয়া হল না। বালেশ্বরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident) তাঁর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। রবিবার গঙ্গারামপুর থানার লালচন্দনপুর সর্বমঙ্গলা এলাকায় বাড়িতে এল তাঁর কফিনবন্দি দেহ।

    মৃত যুবকের পরিবারের পাশে বিজেপি নেতৃত্ব

    গত বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে শ্রমিকের কাজ করতে এলাকার মোট পাঁচজন একসঙ্গে রওনা হয়েছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুমনের সঙ্গে সুমন রায় নামে আরও একজন ছিলেন, যাঁর এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে বাকি তিনজনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তাঁরা হলেন জয়ন্ত রায় (১৮), বিপ্লব রায় (২১) ও মনোজ রায় (১৮)। তিনজনই দুর্ঘটনায় (Train Accident) জখম হয়েছেন। জখমদের পরিবারের লোক ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এখনও কেউ এলাকায় ফিরে আসেননি।

    এদিকে রবিবার দুপুরে গঙ্গারামপুরে মৃত যুবকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন দলের অন্যান্য সদস্যরা। দলের পক্ষ থেকে সবরকম ভাবে ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়। স্বরূপ চৌধুরী বলেন, “রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই। তাই, এই এলাকার বেশির ভাগ মানুষ ভিন রাজ্যে কাজ করতে যান। এই গ্রামে পাঁচজন ভিন রাজ্যে কাজে যাচ্ছিলেন। ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) পর পাঁচজন প্রথমে নিখোঁজ ছিলেন। পরে, চারজনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। অসহায় এই পরিবারের পাশে আমরা সব সময় রয়েছি।”

    কী বললেন জেলাশাসক?

    এবিষয়ে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, “শেষ পাওয়া খবর অনুয়ায়ী ট্রেন দুর্ঘটনায় (Train Accident) জেলার ১৪ জন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি একজনের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। আমরা জেলাস্তর ও দুর্ঘটনাগ্রস্ত এলাকা, দুই তরফেই খোঁজ নিচ্ছি। সব পরিবারের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি। আমাদের জেলার কোনও যাত্রী যদি থাকে, তাহলে মালদা থেকে আনার জন্য বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    এই বিষয়ে মৃতের পরিবারের এক সদস্য বলেন, “রাজ্যে কাজ নেই। তাই, ভালো রোজগারের আশায় সুমন ভিন রাজ্যে কাজে যাচ্ছিল। কিন্তু, এভাবে সে কফিনবন্দি হয়ে বাড়ি ফিরবে, তা ভাবতে পারিনি।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share