Tag: SP

SP

  • Maha Kumbh 2025: ‘অমৃত কুম্ভে’র সন্ধানে ‘বিলম্বিত’ স্নান অখিলেশের, কটাক্ষ বিজেপির

    Maha Kumbh 2025: ‘অমৃত কুম্ভে’র সন্ধানে ‘বিলম্বিত’ স্নান অখিলেশের, কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুণে গুণে ১১টা ডুব দিলেন। প্রয়াগরাজে অখিলেশ যাদবের পুণ্যস্নানের সেই ছবি এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে সমাজবাদী পার্টি। রবিবার উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ। কুম্ভমেলা (Maha Kumbh 2025) শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি। এতদিন পরে কুম্ভস্নান করায় অখিলেশকে নিশানা করেছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম পার্টির মতে, অখিলেশের মহাকুম্ভে পা রাখার ঘটনা ‘রাজনৈতিক মোক্ষ’। প্রতি ১২ বছর অন্তর প্রয়াগরাজে হয় পূর্ণকুম্ভ। ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে হয় মহাকুম্ভ। এবার সেই যোগ।

    মিডিয়ার নজর কাড়ার চেষ্টা!

    হিন্দুদের বিশ্বাস, প্রয়াগরাজের ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করলে মোক্ষ লাভ হয়। যেহেতু এবার মহাকুম্ভ, তাই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন এসে জড়ো হয়েছেন প্রয়াগরাজে। ১ ফেব্রুয়ারি ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান সারবেন বিশ্বের ৭৩টি দেশের কূটনীতিকরা। ৫ ফেব্রুয়ারি স্নান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর কুম্ভস্নানের আগে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান সেরে মিডিয়ার ফোকাস হয়ে কৌশলে প্রচার সেরে ফেললেন অখিলেশ।

    বিলম্বিত বোধদয়

    কুম্ভস্নান শুরু হওয়ার পর থেকে ইতিমধ্যেই কুম্ভস্নান করেছেন ১০ কোটিরও বেশি মানুষ। এক এক করে স্নান করেছেন বিজেপির নেতামন্ত্রীরা। ১০ ফেব্রুয়ারি স্নান করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। বিরোধীদের কাউকে এতদিন কুম্ভস্নান করতে দেখা যায়নি। সেই রীতি ভেঙে প্রথম অমৃতস্নান সারলেন ইন্ডি জোটের নেতা অখিলেশ। এদিন কুম্ভস্নান (Maha Kumbh 2025) শেষে বাবা মুলায়ম সিং যাদবের মূর্তিতে মাল্যদান করেন অখিলেশ। পরে সাক্ষাৎ করেন কুম্ভমেলায় আগত পুণ্যার্থী ও সাধু-সন্তদের সঙ্গে। কুম্ভ-ডুব শেষে অখিলেশ বলেন, “সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভ মুহূর্তে সঙ্গমে ১১ ডুব দেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। আজকের বিশেষ দিনে ভেদাভেদ ভুলে, সৌভ্রাতৃত্ব ও সহনশীলতাকে সঙ্গী করে দেশ গঠনের প্রতিজ্ঞা করা উচিত আমাদের।”

    বিজেপির কটাক্ষ

    অখিলেশের ‘বিলম্বিত’ কুম্ভস্নানকে কটাক্ষ করেছে পদ্ম শিবির। উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ব্রজেশ পাঠক বলেন, “বেটার লেট দ্যান নেভার। আজ তিনি বিশ্বাসের ঢেউ প্রত্যক্ষ করলেন।” তিনি বলেন, “তাঁর অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত। সনাতন সবার জন্য এবং এখানকার ব্যবস্থাপনাও চমৎকার (BJP)। তিনি নিজের চোখে দেখলেন, কীভাবে সারা বিশ্বের মানুষ এখানে জড়ো (Maha Kumbh 2025) হয়েছেন।”

    পদ্ম শিবিরের দাবি

    পদ্ম শিবিরের দাবি, মহাকুম্ভ (Maha Kumbh 2025) হল হিন্দু ঐক্যের এক বিরাট প্রদর্শন। হিন্দুদের এই একতা দেখে ভয় পেয়েছেন অখিলেশ যাবদ। যার জেরেই রাজনীতির মোক্ষলাভে কুম্ভে ডুব দিয়েছেন তিনি। উদ্দেশ্য, হিন্দু ভোট নিজের দিকে টানা। তবে সমাজবাদী পার্টির মাফিয়ারাজ ও তোষণের রাজনীতি আগেই দেখেছে উত্তরপ্রদেশ। তাই এই ডুবে বিশেষ কাজ হবে না।

    রাহুলের কুম্ভস্নান

    অখিলেশের কুম্ভস্নানের পরে কুম্ভ যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। কংগ্রসের দাবি, প্রয়াগরাজে কুম্ভস্নান করেছেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। কংগ্রেস সূত্রে খবর, এবার (BJP) তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করবেন রাহুলও। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি কবে কুম্ভস্নানে যাবেন, তা এখনও জানা যায়নি। তবে কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, অমৃস্নানের এখনও তিনটি তিথি রয়েছে। একটি ৩ ফেব্রুয়ারি, বসন্ত পঞ্চমীর দিন, আর একটি ৪ ফেব্রুয়ারি মৌনী অমাবস্যা, এবং শেষ কুম্ভস্নান হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি, মহা শিবরাত্রির দিন। কংগ্রেস সূত্রে খবর, মোক্ষ লাভের আশায় বসন্ত পঞ্চমীর দিন পুণ্যস্নান সারতে পারেন রাহুল।

    কুম্ভে অমিত শাহ

    এদিকে, আজ, সোমবার প্রয়াগরাজে কুম্ভস্নান করার কথা (Maha Kumbh 2025) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। পাঠক বলেন, “আমরা অমিত শাহজিকে স্বাগত জানাতে উত্তেজিত, যিনি দেশের যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং উত্তরপ্রদেশের মানুষের মানুষের প্রতি অপার ভালোবাসা দেখিয়েছেন। ২৫ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই।”

    সরকারি, বিবৃতি অনুযায়ী, শাহ প্রয়াগরাজে পৌঁছে অমৃতস্নান করবেন ত্রিবেণী সঙ্গমে। তিনি বড়ে হনুমানজির মন্দির, অক্ষয়বট এবং জুনা আখড়া পরিদর্শন করবেন। সাধু-সন্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎও করবেন তিনি। মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তাঁদের সঙ্গে। গুরু শরণানন্দজির আশ্রমেও যাওয়ার কথা তাঁর। শৃঙ্গেরি, পুরী এবং দ্বারকা থেকে (BJP) আগত শঙ্করাচার্য-সহ বিশিষ্ট ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে (Maha Kumbh 2025) সাক্ষাৎ করবেন তিনি।

  • INDI Block Rift: ফের প্রকাশ্যে ‘ইন্ডি’ জোটের ফাটল, কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে গরহাজির তৃণমূল, সপা

    INDI Block Rift: ফের প্রকাশ্যে ‘ইন্ডি’ জোটের ফাটল, কংগ্রেসের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে গরহাজির তৃণমূল, সপা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইন্ডি’ জোটের (INDI Block Rift) বৈঠকে গরহাজির ছিল তৃণমূল। একবার নয়, দু’দু’বার। তখনই বোঝা গিয়েছিল ফের ফাটল ধরেছে ইন্ডি জোটে। আদানি ঘুষকাণ্ডে ফের একবার প্রকাশ্যে এল ইন্ডি জোটের অন্দরের কোন্দল। আদানি ঘুষকাণ্ডে মঙ্গলবার কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন যৌথ প্রতিবাদে যোগ দিল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল এবং অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি (TMC SP Skip)।

    বিজেপির কটাক্ষ (INDI Block Rift)

    এদিন ঘুষকাণ্ডের প্রতিবাদে সংসদ চত্বরে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোটের বিভিন্ন শরিকদল। এই কর্মসূচিতে সামনের সারিতে ছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে শামিল হয়নি তৃণমূল এবং সমাজবাদী পার্টি। ইন্ডি জোটের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে আসায় হাতে অস্ত্র পেয়ে গিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূল এবং সমাজবাদী পার্টির অনুপস্থিতিকে বিরোধী জোটে ফাটল (INDI Block Rift) বলে দাবি করেছে পদ্ম পার্টি। রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “কংগ্রেস যেখানেই যায়, মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করে।” ইন্ডি জোটের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আপনারা অবস্থাটা দেখুন। কখনও তৃণমূল থাকে না, তো কখনও আবার আম আদমি পার্টি থাকে না।”

    তৃণমূলের সাফাই

    ইন্ডি জোটের প্রতিবাদ সভায় গরহাজির থাকার (INDI Block Rift) প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল সাংসদ তথা লোকসভার উপদলনেতা কাকলি ঘোষদস্তিদারের সাফাই, “আমাদের দল সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলি সংসদে তুলে ধরবে।” তিনি জানান, তৃণমূল চায় মসৃণভাবে সংসদের কাজ পরিচালিত হোক। কাকলি বলেন, “আমরা সংসদ অচল করতে চাই না। বিভিন্ন বিষয়ে ব্যর্থতার জন্য আমরা এই সরকারের জবাব চাই।”

    প্রসঙ্গত, সোমবার সংসদে কক্ষ সমন্বয় নিয়ে ইন্ডি জোটের বৈঠকেও যায়নি তৃণমূল। তার আগে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের বাসভবনে আয়োজিত ইন্ডি জোটের বৈঠকেও গরহাজির ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে শামিল হল না অখিলেশের দলও (INDI Block Rift)। এদিকে, সমাজবাদী পার্টির সাংসদরা এদিন দেখা করেছেন লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে। সাম্ভাল ইস্যুতে আলোচনার (TMC SP Skip) জন্য অনুরোধও করেছেন। সমাজবাদী পার্টির নেতাদের মতে, আদানির বিষয়টি সাম্ভালের মতো বড় নয়। সাংসদ সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব বলেন, “আমাদের কাছে আদানির চেয়ে কৃষকরা একটি বড় সমস্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Gangrape Case: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    Ayodhya Gangrape Case: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যা গণধর্ষণকাণ্ডে (Ayodhya Gangrape Case) অভিযুক্তদের ডিএনএ টেস্টের (DNA Test Row) দাবি জানিয়েছিলেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। ওই ঘটনায় ৩০ জুলাই অযোধ্যা পুলিশ গ্রেফতার করেছিল সমাজবাদী পার্টির কার্যকর্তা মইদ খানকে। ভাদরসা এলাকায় তিনি একটি বেকারি চালান। নাবালিকাকে ধর্ষণে তাঁর পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয় তাঁর কর্মী রাজু খানকে।

    ডিএনএ টেস্টের দাবি (Ayodhya Gangrape Case)

    বারো বছর দু’মাসের ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের যাবতীয় তথ্য পুলিশ দিয়েছে। নাবালিকাটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় ধর্ষণের ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। এই ঘটনায় শনিবারই ওই নাবালিকাকে ধর্ষণে অভিযুক্তদের ডিএনএ টেস্টের দাবি জানিয়েছিলেন অখিলেশ। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি বলেছিলেন, ‘কেবল অভিযোগ এবং রাজনীতি না করে এই মামলায় প্রয়োজন অভিযুক্তদের ডিএনএ টেস্ট করা। যেই দোষী হোক, তাকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া উচিত। তবে ডিএনএ টেস্টের পর যদি অভিযোগ মিথ্যে বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে এর সঙ্গে যেসব সরকারি কর্মচারী জড়িত, তাদেরও রেয়াত করা উচিত হবে না। এটাই বিচারের দাবি।’

    রাজ্যে সমালোচনার ঝড়

    যাদবের ডিএনএ টেস্টের দাবির প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহল। সমাজবাদী সুপ্রিমোকে নিশানা করে বিজেপি বলছে, সমাজবাদী পার্টি ‘পেডোফিলিয়া’ রক্ষা করছে। সেই দলের ছেলেরা ছেলেদের মানসিকতার হবে। এই সময় ইন্ডি ব্লকের নেতারা অদ্ভুতভাবে নীরব। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘ধর্ষক মইদ খান একজন মুসলমান। আর ধর্ষণের শিকার নাবালিকা নিষাদ সম্প্রদায়ের। তাই মইদকে বাঁচাতে এত উদ্বেগ। তারা যে পিডিএ সম্পর্কে কথা বলে, সেটা কী কেবল ভোটের স্বার্থে? এটা মুসলিম তোষণের সর্বোচ্চ পর্যায়। সমাজবাদী পার্টি সব সময় পিছিয়ে পড়া শ্রেণিকে নষ্ট করেছে। কিন্তু এখন আর অবিচার চলতে দেওয়া যাবে (Ayodhya Gangrape Case) না।’

    আরও পড়ুন: ছেলে যাচ্ছে মহাকাশে, ভীত নয়, গর্বিত শুভাংশুর পরিবার

    অখিলেশকে কংগ্রেসের ‘দাবার বোড়ে’ বলে উল্লেখ করেছেন উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য। তিনি বলেন, “অখিলেশ যাদব ধর্ষণের শিকার নিষাদ সম্প্রদায়ের, আপনি পিডিএ, দলিত এবং সংখ্যালঘুদের কথা ভুলে গিয়েছিলেন। আপনি তাদের ডিএনএ পরীক্ষার কথা বলেছিলেন। এখন আপনি আদালতের কথা বলে বিপথে চালিত করতে চাইছেন। ভোটব্যাঙ্ক হারানোর ভয়ে আপনি ভীত। রাজ্যবাসী বিচার চাইছে। দোষীর শাস্তি চাইছে। সরকার তার দায় পূরণ করবে।’ অখিলেশের সমালোচনা করেছেন (DNA Test Row) (Ayodhya Gangrape Case) বিএসপি সুপ্রিমো মায়াবতীও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ED: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের ২৫০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    ED: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের ২৫০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজবাদী পার্টির সাংসদের কয়েকশো কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)। কেবল তাই নয়, বাবু সিং কুশওয়াহা নামে সমাজবাদী পার্টির ওই নেতার জমিতে থাকা নির্মাণও ভেঙে দিয়েছেন (NRHM Scam) ইডির আধিকারিকরা। কুশওয়ার যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি, সেটা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের কানপুর রোডে।

    এনআরএইচএম কেলেঙ্কারি (ED)

    কেন এই পদক্ষেপ ইডি-র? জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল রুরাল হেল্থ মিশন কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত করছে ইডি। এই মামলায় কুশওয়াহার যোগ প্রকাশ্যে এসেছিল আগেই। এই ঘটনারই তদন্তে নেমে সমাজবাদী পার্টির ওই নেতার ২৫০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। এই সম্পত্তিতে থাকা সব বেআইনি নির্মাণও বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার লোকজন।

    সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    প্রসঙ্গত, এনআরএইচএম কেলেঙ্কারির সময় কুশওয়াহা ছিলেন উত্তরপ্রদেশের বিএসপি সরকারের পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। এই মামলায় ইতিমধ্যেই চার বছর জেলও খেটেছেন তিনি। এবার বাজেয়াপ্ত করা হল তাঁর সম্পত্তি। গ্রেফতার হওয়ার আগে কুশওয়াহা ছিলেন মায়াবতীর বিএসপিতে। জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে তিনি অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে জৌনপুরে প্রার্থী হন সমাজবাদী পার্টির। জিতেও যান। তার পর এদিন তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি (ED)।

    আরও পড়ুন: বিধ্বস্ত ওয়েনাড়ে নাকি ‘স্মরণীয় দিন’ কাটিয়েছেন শশী! তুলোধনা করল বিজেপি

    ২০১১ সালে ন্যাশনাল রুরাল হেল্থ মিশনে ব্যাপক কেলেঙ্কারি হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই সময় উত্তরপ্রদেশের কুর্সিতে ছিল মায়াবতী সরকার। বিএসপি সরকারের বিরুদ্ধে ১০ হাজার কোটিরও বেশি টাকা কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে। তদন্তে নেমে সিবিআই গ্রেফতার করে কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্তাকে। গ্রেফতার করা হয় কুশওয়াহাকেও। কেবল এই কেলেঙ্কারিই নয়, আয় বহির্ভুত সম্পত্তি মামলায়ও দোষী সাব্যস্ত হন সমাজবাদী পার্টির এই সাংসদ। জানা গিয়েছে, সব মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ২৫টি। ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ৮টি মামলায়।

    উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি দিল্লি, হরিয়ানা এবং মধ্যপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন এলাকার ৬০টিরও বেশি জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। সেই সময় অভিযান চালানো হয়েছিল কুশওয়াহার (ED)  বাড়িতেও।এর পরেও একাধিকবার (NRHM Scam) হয়েছে অভিযান।,

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Police: সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় এতদিনে টনক নড়ল, সরানো হল বসিরহাটের এসপি’কে

    West Bengal Police: সন্দেশখালিতে হামলার ঘটনায় এতদিনে টনক নড়ল, সরানো হল বসিরহাটের এসপি’কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিকস্তরে একাধিক রদবলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নবান্ন থেকে রাজ্যে একাধিক আইএএস, আইপিএস এবং ডব্লুবিসিএস অফিসারদের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের উপর দুষ্কৃতীদের আক্রমণের ঘটনায় বসিরহাটের এসপি জোবি থমাসকে বদলি করা হল এবার। উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির তদন্তকাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। শাহজাহানের অনুগামীরা ব্যাপক সংখ্যায় জমায়েত হয়ে হামলা করেছিল। ঘটনায় ইডির তিন জন অফিসারের মাথা ফেটেছিল। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু ঘটনার পর এতদিন কেটে গেলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। কমিশনের নজরদারি শুরু হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই কি আগেভাগে এসপি’কে বদলি করা হল? এমন প্রশ্ন স্বাভাবিক কারণেই উঠতে শুরু করেছে।

    একই ভাবে অতিরিক্ত নিরাপত্তা অধিকর্তা হিসাবে নতুন দায়িত্ব পেলেন জাভেদ শামিম। সব মিলিয়ে বুধবার মোট ৪৫ জন আইপিএস অফিসারকে বদল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    কোন কোন অফিসারের বদলি হল (West Bengal Police)?

    লোকসভা ভোটের আগে একাধিক পুলিশ আধিকারিকদের (West Bengal Police) রদবদল করা হল। আইবি দফতর থেকে মনোজ ভার্মাকে বদলি করা করা হয়েছে আইজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে। কলকাতা পুলিশ, বিধাননগর কমিশনারেটরের অনেক অফিসারকে বদলি করা হয়েছে। আবার একই সঙ্গে বারাসত, বনগাঁ, কালিম্পং, বসিরহাটেও বেশ কিছু জেলা পুলিশ সুপারকে বদল করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের ডিসি উত্তর পদে থাকা তরুণ হালদারকে বদলি করা হয়েছে সিআইডির ডিআইজি দফতরে। ডিসি দক্ষিণ-পূর্ব শুভঙ্কর ভট্টাচার্যকে কলকাতার পুলিশের যুগ্ম কমিশনার করা হয়েছে। আবার বিধাননগর কমিশনারেটের ডিসি ট্রাফিক ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে পাঠানো হচ্ছে কলকাতা পুলিশের ডিসি সেন্ট্রাল পদে। একই সঙ্গে ডব্লুবিপিএস অফিসার সুমন্ত কবিরাজকে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার পদ থেকে সরিয়ে পাঠানো হল বনগাঁ পুলিশ জেলার অতিরিক্ত সুপার পদে।

    জেলাশাসক বদল

    রাজ্যের পুলিশ আধিকারিকের (West Bengal Police) সঙ্গে সরকারি আমলাদের ক্ষেত্রেও বদল করা হয়েছে। বীরভূম এবং পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে বদল করা হয়েছে। আগে বীরভূমের জেলাশাসক ছিলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি এবার থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকের কাজ সামলাবেন। অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাঝিকে বদল করা হয়েছে। এছাড়াও একাধিক অতরিক্ত জেলাশাসক এবং মহকুমা শাসকদেরও এদিন বদল করা হয়েছে। লোকসভা ভোটের আগে এই বদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন ভোট কৌশলীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: কেউ আইএএস নন! বাংলার ৪ জেলাশাসককে সরিয়ে দিল কমিশন

    Lok Sabha Elections 2024: কেউ আইএএস নন! বাংলার ৪ জেলাশাসককে সরিয়ে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। তার আগে পশ্চিমবঙ্গের চার জেলাশাসককে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এই জেলাগুলি হল, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম এবং বীরভূম। অবিলম্বে নির্দেশিকা কার্যকর করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। গুজরাটের ছোটা উদয়পুর ও আমেদাবাদ গ্রামীণের এসপিকেও বদলি করা হয়েছে।

    বদল হয়েছে ডিজিপি-ও (Lok Sabha Elections 2024)

    ১৮ মার্চ বাংলায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল ডিজিপি রাজীব কুমারকে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন বিবেক সহায়। পরের দিনই সরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকেও। তাঁর জায়গায় বসানো হয় (Lok Sabha Elections 2024) আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পদে ছিলেন তনভির আফজল। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক ছিলেন সুনীল আগরওয়াল। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক ছিলেন বিধান রায়। আর বীরভূমের ডিএম ছিলেন পূর্ণেন্দ মাজি। এই চারজনকেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ওই চার জেলার জেলাশাসকেরা কেউই আইএএস ক্যাডারের অফিসার নন। তাঁরা ডব্লিউবিসিএস আধিকারিক। তাই তাঁদের জেলাশাসক পদ থেকে সরানো হল।

    তিন রাজ্যের ডিএম-এসপি বদল

    পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি গুজরাট, পাঞ্জাব ও ওড়িশার বিভিন্ন ডিএম ও এসপিদের বদলির নির্দেশও দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। বদলি করা হয়েছে পঞ্জাবের পাঠানকোট, জলন্ধর গ্রামীণ ও মালেরকোটলা জেলার এসপিদের। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ওড়িশার ঢেঙ্কানলের জেলাশাসক, দেওঘর ও কটক গ্রামীণের এসপিদেরও। বদলি করা হয়েছে পঞ্জাবের ভাটিন্ডার এসএসপি, অসমের শোনিতপুরের এসপিকেও বদলি করা হয়েছে সেখানকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জন্য (Lok Sabha Elections 2024)। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠকের শেষেই জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চে রয়েছেন তিনজন। জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও সুখবীর সিং সান্ধু।

    আরও পড়ুুন: “আগামী ২৫ বছরের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করে রেখেছি”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    গত সপ্তাহেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। দেশজুড়ে নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। এদিন ভোট হবে দেশের ১০২টি আসনে। নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেই লাগু হয়ে যায় আদর্শ আচরণ বিধি। তখন আর সরকার নয়, ক্ষমতার ভরকেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায় নির্বাচন কমিশন। সেই কমিশনের নির্দেশেই সরিয়ে দেওয়া হল বাংলার চার ডিএমকে (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

       

  • Rajya Sabha Election 2024: রোখা গেল না ক্রশ ভোটিং, হিমাচলে হার কংগ্রেস প্রার্থী সিংভির

    Rajya Sabha Election 2024: রোখা গেল না ক্রশ ভোটিং, হিমাচলে হার কংগ্রেস প্রার্থী সিংভির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার হল রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election 2024) ১৫টি আসনে নির্বাচন। ৫৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪১জন জিতে গিয়েছিলেন আগেই। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন বিভিন্ন দলের ওই ৪১জন। বাকি আসনগুলিতে হয়েছে নির্বাচন। এই আসনগুলি উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটক ও হিমাচল প্রদেশের।

    নজরে উত্তরপ্রদেশ

    জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে রাজ্যসভার আসন খালি ছিল ১০টি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপি জিতেছে সাতটিতে। তিনটিতে জয়ী হতে পারে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। কর্নাটকে রাজ্যসভার আসন রয়েছে চারটি। প্রার্থী পাঁচজন। এখানে কংগ্রেস জয়ী হয়েছে তিনটি আসনে। বিজেপি জিতেছে একটিতে। কংগ্রেসের তরফে জয়ী হয়েছেন অজয় মাকেন, জিসি চন্দ্রশেখর এবং সঈদ নাসির হুসেন। আর পদ্ম প্রতীকে জয়ী হয়েছেন নারায়ণসা কে ভাণ্ডেজ। মাকেনও জিতেছেন ক্রশ ভোটিংয়ের জেরে। বিজেপি বিধায়ক এসটি সোমশেখর ভোট দিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থীকে। ভোট দানে বিরত ছিলেন শিবরাম হেব্বার।

    হিমাচলে দোদুল্যমান কংগ্রেস!

    হিমাচল প্রদেশে (Rajya Sabha Election 2024) ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। তা সত্ত্বেও এখানে মুখ থুবড়ে পড়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। বিজেপির চেয়ে তাদের বিধায়ক সংখ্যাও ঢের বেশি। তা সত্ত্বেও বিজেপি প্রার্থী হর্ষ মহাজন জয়ী হয়েছেন ক্রশ ভোটিংয়ের জেরে। এখানে হর্ষর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন কংগ্রেসের অভিষেক মনু সিংভি। তাঁকে জেতাতে হুইপ জারি করেছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। তার পরেও রোখা যায়নি ক্রশ ভোটিং। সিংভি বলেন, “গতকাল রাত থেকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। এটি খুবই দুঃখজনক ঘটনা।”

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগেই লাগু সিএএ আইন! নোটিশ জারি কবে জানেন?

    তবে হর্ষকে অভিনন্দন জানান সিংভি। তিনি বলেন, “হর্ষ মহাজনকে অভিনন্দন জানাই। উনি জয়ী হয়েছেন। আমি শুধু ওঁর দলকে একটি কথাই বলতে চাই, আয়নায় নিজেদের দেখুন। এক নৈশভোজেই মানুষ পাল্টে যায় ভাবলে তা মূর্খের দুনিয়ায় বাস করার সমতুল।” প্রসঙ্গত, ১৩টি জেলায় ৫০টি রাজ্যসভা আসনের সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২ এপ্রিল। ওড়িশা ও রাজস্থানের ছয় রাজ্যসভার সাংসদ অবসর নেবেন ৩ এপ্রিল (Rajya Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: “কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না”, কেন বললেন বিজেপি নেতা?

    BJP: “কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না”, কেন বললেন বিজেপি নেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধে পূর্ণ। তাই কংগ্রেস-সমাজবাদী পার্টির জোট হবে না।” এমনই মত পোষণ করলেন বিজেপির (BJP) উত্তরপ্রদেশের প্রধান ভূপেন্দ্র চৌধুরী। বিজেপির এই নেতার প্রশ্ন, “সতেরোর উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনে ভোটাররা যে জোটকে প্রত্যাখান করেছিলেন, সেই জোট এবার ম্যাজিক কিছু করে ফেলবে, তা কীভাবে সম্ভব?”

    ‘ইন্ডি’র অন্দরে অশান্তি

    বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে জোট বেঁধেছিল ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ‘ইন্ডি’। জন্মলগ্ন থেকেই অশান্তির চোরা স্রোত বইছে ‘ইন্ডি’র অন্দরে। ‘ইন্ডি’ জোটে রয়েছে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টিও। রয়েছে কংগ্রেসও। সেই কংগ্রেসের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা না করে দু’ দফায় তিরিশটিরও বেশি আসনে একতরফা প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ। সম্প্রতি সেই অখিলেশকেই ‘অখিলেশ ওয়াকিলেশ’ সম্বোধন করেন কংগ্রেস নেতৃত্ব।

    কী বললেন বিজেপি নেতা?

    ভূপেন্দ্র বলেন, “কংগ্রেস অখিলেশকে অখিলেশ ওয়াকিলেশ সম্বোধন করেছে। আর অখিলেশের দল কংগ্রেসকে চালু পার্টি বলেছে। এই যখন অবস্থা, তখন দুই দলের জোট হবে কীভাবে?” উত্তরপ্রদেশে (BJP) অখিলেশের দল ১৭টি আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ বিজেপির প্রধান বলেন, “উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস সমাজবাদী পার্টিকে ১৭টি আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাদের মাত্র একজন সাংসদ রয়েছেন, বিধায়ক রয়েছেন দুজন। এবং যাঁদের নেতারা উত্তরপ্রদেশকে ভার্চুয়ালি এড়িয়ে চলছেন। এটা প্রমাণ করে সমাজবাদী পার্টির আত্মবিশ্বাসের অভাব ঠিক কতটা। ভোটাররা জানতে চান, সতেরোর নির্বাচনে যে জোটকে মানুষ ছুড়ে ফেলেছিল, কোন জাদুবলে তাদের ফের গ্রহণ করবে মানুষ।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ, তাই কি বাতিল শাহি সফর?

    তিনি বলেন, “এই যে জোট, এটা ব্যর্থ হবে। কারণ এটি রাজনৈতিক দলের জোট, মানুষের নয়। এই জোটে রয়েছে এমন একটি দল যারা অযোধ্যায় করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। আর অন্য দলটি তো আবার ভগবান রামের অস্তিত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে।” কেবল অখিলেশের পার্টিই নয়, ‘ইন্ডি’ জোটের মধ্যে বিদ্রোহ করেছে আরও কয়েকটি রাজনৈতিক দলও। জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার তো আবার জোট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে ভিড়ে গিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। তাই ‘ইন্ডি’ জোটের ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে জোটের অন্দরেও।

    এহেন জোট কীভাবে বিজেপিকে ধাক্কা দেবে, তা বুঝতে পারছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     
     
  • Bhim Army: উত্তর প্রদেশে গুলিবিদ্ধ ভীম আর্মি প্রধান ‘রাবণ’, দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি

    Bhim Army: উত্তর প্রদেশে গুলিবিদ্ধ ভীম আর্মি প্রধান ‘রাবণ’, দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুলিবিদ্ধ ভীম আর্মি (Bhim Army) প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ (Chandrashekhar Azad) ওরফে রাবণ। বুধবার বিকেলে উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন ভীম আর্ম প্রধান। এদিন বিকেলে সাহারানপুরে উত্তর প্রদেশের এই দলিত নেতার কনভয় লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একটি সাদা গাড়িতে করে দুষ্কৃতীরা এসেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। তারা তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে মোট চার রাউন্ড গুলি চালায়। একটি গুলি লাগে তাঁর পিঠে। সাহারানপুর জেলা পুলিশের সিনিয়র সুপার বিপিন টডা বলেন, দুষ্কৃতীদের খোঁজ চলছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। 

    গুলি লাগে আজাদের পিঠে

    জানা গিয়েছে, এদিন সাহারানপরে এক সমর্থকের বাড়ির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ভীম আর্মি (Bhim Army) প্রধান চন্দ্রশেখর। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, দুর্বৃত্তরা হরিয়ানার নম্বর প্লেট লাগানো একটি গাড়িতে করে এসেছিল। বিপিন বলেন, চন্দ্রশেখর আজাদের কনভয় লক্ষ্য করে গুলি চালায় কয়েকজন দুষ্কৃতী। একটি গুলি লাগে তাঁর গায়ে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। ভীম আর্মি প্রধান গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়তেই কয়েক হাজার ভীম আর্মি এবং আজাদ সমাজ পার্টির কর্মী-সমর্থকরা ভিড় করেন হাসপাতাল চত্বরে। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে চলে না যায়, তাই হাসপাতাল চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল বাহিনী।

    আজাদ সমাজ পার্টির প্রতিষ্ঠা

    ২০২০ সালের মার্চ মাসে আজাদ সমাজ পার্টি গড়েছিলেন চন্দ্রশেখর (Bhim Army)। বাইশের উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। গোরক্ষপুর (শহর) কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন চন্দ্রশেখর। যদিও হেরে যান। চন্দ্রশেখরের গড়া ভীম আর্মি একটি সামাজিক সংগঠন।

    এই সংগঠনের ব্যানারে গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন রাজ্যে দলিত ও অনগ্রসরদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছে ভীম আর্মি। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন ভীম সেনা প্রধান।

    আরও পড়ুুন: ‘৩ মাসের মধ্যে বিদায় দেব চোরেদের সরকারকে’, ভোটপ্রচারে হুঙ্কার শুভেন্দুর

    চন্দ্রশেখর গুলিবিদ্ধ হওয়ায় কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টি প্রধান অখিলেশ যাদব। তিনি বলেন, ভীম আর্মি (Bhim Army) প্রধান ভাই চন্দ্রশেখর আজাদের ওপর গুলি চালনার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। বহুজন মিশন আন্দোলন বন্ধ করতেই তাঁকে গুলি করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবি জানাচ্ছি। তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবিও জানাচ্ছি। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে জঙ্গলরাজের সঙ্গে তুলনা করেন অখিলেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Atiq Ahmed: ‘আতিকের খুনিদের সঙ্গে যোগ নেই বজরং দলের’, দাবি ভিএইচপি নেতার

    Atiq Ahmed: ‘আতিকের খুনিদের সঙ্গে যোগ নেই বজরং দলের’, দাবি ভিএইচপি নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যাংস্টার-রাজনীতিক আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed) ও তাঁর ভাইকে খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তর প্রদেশ পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন তিন অভিযুক্ত। এদের সঙ্গে বিশ্বহিন্দু পরিষদ (VHP) কিংবা বজরং দলের (Bajrang Dal) কোনও সম্পর্কই নেই। সোমবার এমনই দাবি করা হয়েছে বিশ্বহিন্দু পরিষদের তরফে। আতিক সমাজবাদী পার্টির টিকিটে সাংসদ হয়েছিলেন। তিনি খুন হওয়ার পরে পরেই অভিযোগের আঙুল ওঠে বজরং দলের দিকে। বজরং দলের দিকে ওঠা এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে বিশ্বহিন্দু পরিষদের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট অলোক কুমার বলেন, বিশ্বহিন্দু পরিষদ ও বজরং দল আইন এবং সংবিধান মেনে কাজ করে।

    আতিক আহমেদ (Atiq Ahmed) খুনে…

    তিনি বলেন, আমরা যথাযথভাবে তদন্ত করেছি। আতিক ও তাঁর ভাই খুনে যে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে বিশ্বহিন্দু পরিষদ কিংবা বজরং দলের কোনও সম্পর্কই নেই। যা রটানো হচ্ছে, তা নিতান্তই মিথ্যে। অলোক কুমার বলেন, আইন হাতে তুলে নেওয়ার কথা আমরা কখনওই চিন্তা করি না। আমরা বিশ্বাস করি, তদন্তে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে। প্রসঙ্গত, শনিবার রাতে খুন হন আতিক (Atiq Ahmed) ও তাঁর ভাই আশরাফ। আতিকের শরীরে ৯টি গুলি বিঁধেছে বলে জানা গিয়েছে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। জানা গিয়েছে, আতিক ও তাঁর ভাই আশরাফকে যখন নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন সাংবাদিক সেজে তাঁদের নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভিতরে ঢুকে পড়ে জনৈক লাভলেশ তিওয়ারি, সানি এবং অরুণ মৌর্য। খুব কাছ থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া হয়।

    আরও পড়ুুন: লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলার ঘটনার তদন্ত করবে এনআইএ

    বছর ষাটের আতিকের গায়ে ৯টি গুলি লাগলেও, আশরাফের গায়ে লাগে পাঁচটি বুলেট। ঘটনার পর গ্রেফতার করা হয় তিন আততায়ীকেই। পুলিশের দাবি, জেরায় তারা জানিয়েছে যে, আতিক (Atiq Ahmed) ও আশরাফকে খুন করে নিজেরা গ্যাংস্টার হওয়ার আশায়ই এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তারা। এর পরেই খুনের দায় চাপিয়ে দেওয়া হয় বজরং দলের ঘাড়ে। যদিও সেই অভিযোগ যে মিথ্যা, তা জানিয়ে দেওয়া হয় বিশ্বহিন্দু পরিষদের তরফে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share