Tag: space missions

space missions

  • Sunita Williams: ১০ দিনের বদলে এক মাস মহাকাশে সুনীতা, কেমন আছেন, কী খাচ্ছেন তিনি? জেনে নিন…

    Sunita Williams: ১০ দিনের বদলে এক মাস মহাকাশে সুনীতা, কেমন আছেন, কী খাচ্ছেন তিনি? জেনে নিন…

    মাধ্যম নিউজ দেস্ক: দশ দিনের মহাকাশ সফরে গিয়েছিলেন সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এবং তাঁর সহযাত্রী বুচ ইউলমোর। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁরা মহাকাশেই আটকে রয়েছেন। ভারতীয় বংশোদ্ভুত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এখন আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনেই (ISS) আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানেই আছেন তাঁর সহযাত্রী বুচ উইলমোর। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁদের ফেরার খবর না থাকায় তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।

    কবে ফিরবেন সুনীতা ইউলিয়ামস (Sunita Williams)

    এমতাবস্থায় নাসা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক স্টেশনে স্পেস স্টেশনে তাঁরা নিরাপদেই আছেন। ১০ জুলাই পৃথিবীবাসীর উদ্দেশে বার্তা পাঠাবেন সুনীতা। শোনা যাবে তাঁর কথা। সুনীতার বার্তা নাসার ওয়েবসাইটেও তুলে ধরা হবে। ১০ দিনের মিশনে গিয়ে ইতিমধ্যেই ১ মাসের বেশি সময় মহাকাশে (ISS) কাটিয়ে ফেলেছেন সুনীতা (Sunita Williams) ও বুচ। এই মুহূর্তে সুনীতা ও বুচ সহ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে মোট ৯ জন মহাকাশচারী রয়েছেন।

    সুনীতার কাজকর্ম

    নাসা সূত্রে জানা গিয়েছে, দৈনন্দিন গবেষণার কাজকর্ম ছাড়াও সাফাইয়ের কাজেও হাত লাগাতে হচ্ছে সুনীতাদের(Sunita Williams)। তাঁরা সিগনস মহাকাশযানের কাছে আবর্জনা ভর্তি ব্যাগও ফেলে এসেছেন। ইতিমধ্যেই চলতি মাসের শেষেই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন (ISS) সিগনসকে বিচ্ছিন্ন করে প্রশান্ত মহাসাগরে নিয়ে আসা হবে।

    মহাকাশের মেনু (ISS)

    মহাকাশচারীরা মহাকাশে কী ধরনের খাবার খান, তা নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে জিজ্ঞাসা রয়েছে। নাসা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (ISS) মেনুতে থাকে শাকসবজি, ফল, মিষ্টি জাতীয় খাবার। এছাড়াও একশোর বেশি ধরনের খাবার থাকে প্রতিটি মহাকাশ মিশনের জন্য। সেই মিশন শুরু হওয়ার আগে থেকেই মহাকাশচারীদের খাবারের তালিকা তৈরি হয়ে যায়। অনেকদিন মহাকাশে থাকার কারণে খাবার নষ্ট হয় না। যাতে কোনওভাবে খাবার নষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যে বিজ্ঞানীদের হালকা সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়। মহাকাশচারীদের খাবার প্রায়ই ডিহাইড্রেটেড এবং ভ্যাকিউম সিল পাউচে প্যাকেট করা থাকে। খাবারে অনেক সময় স্যান্ডউইচ বা স্যুপ জাতীয় খাবারও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ূন: অস্ট্রিয়ায় পৌছলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, চ্যান্সেলরের সঙ্গে নৈশভোজ, আজ কূটনৈতিক বৈঠক

    কেচাপ বা মশলা মহাকাশের গুরুত্ব আকর্ষণ না থাকার ফলে ভেসে বেড়াতে পারে। সেই কথা মাথায় রেখে এগুলিকে বিশেষ ধরনের প্যাকেটে রাখা হয়। মাংসের স্টু, চিকেন কারি এবং পাস্তা এবং পুডিং জাতীয় সুস্বাদু খাবারও দেওয়া হয় মহাকাশচারীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: স্মরণীয় ২০২৩! ২০২৪ সালে কী কী অভিযান রয়েছে ইসরোর তালিকায়?

    ISRO: স্মরণীয় ২০২৩! ২০২৪ সালে কী কী অভিযান রয়েছে ইসরোর তালিকায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুরন্ত ২০২৩ অতিবাহিত করার পর কী অপেক্ষা করছে ২০২৪ সালে? 

    ২০২৩ কেমন গেল ইসরোর?

    ২০২৩ সালটা দুর্দান্ত কাটল ইসরোর। মুকুটে জুড়েছে একাধিক নতুন পালক। মহাকাশ গবেষণায় ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল কোনও মহাকাশযানকে অবতরণ করা— এই সাফল্য কোনও সাধারণ সাফল্য নয়। চিন, আমেরিকা সহ বিশ্বের তারড় তারড় দেশ আজ পর্যন্ত যা করে দেখাতে পারেনি। সেই অনন্য সাধন করে দেখিয়েছে ভারত। যে কারণে ইসরোকে সেলাম জানিয়েছে নাসাও। এর পাশাপাশি, এবছরই সৌরযান আদিত্য-এল১ উপগ্রহেরও সফল উৎক্ষেপণ করেছে ইসরো। সব ঠিকঠাক চললে, জানুয়ারির গোড়ায় তা নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে। সব মিলিয়ে ২০২৩ সালটা ইসরোর কাছে স্মরণীয়।

    চলতি বছর সাফল্যের যে ধারাবাহিকতা দেখিয়ে এসেছে ইসরো, যে নজির স্থাপন করেছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, তারা চাইছে, আগামী বছরও যাতে এই ধারা অব্যাহত থাকুক। আর সেই লক্ষ্যে প্রস্তুত ইসরো। নতুন বছরের কাউন্টডাউন শেষ হলেই, ইসরোর একের পর এক অভিযানের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে যাবে। আগামী বছর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য উৎক্ষেপণ রয়েছে ইসরোর তালিকায়। — 

    নিসার উপগ্রহ উৎক্ষেপণ

    মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে একটি যৌথ প্রকল্পে কাজ করছে ইসরো। সংক্ষেপে এই মিশনের নাম নাসা-ইসরো সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার, সংক্ষেপে নিসার। আগামী বছর, মিশনের অংশ হিসেবে নিসার স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে। এটি প্রথম ডাবল-ব্যান্ড রেডার ইমেজিং স্যাটেলাইট। পৃথিবীর বাইরে থেকে পৃথিবীকে দেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠাবে এটি। এই উপগ্রহের মাধ্যমে পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্র, জলভাগ, বনবিভাগ, ভূ-পৃষ্ঠের উপর বিশেষ নজরদারি রাখা হবে। এই রেডার স্যাটেলাইটটি যে তথ্য সংগ্রহ করবে তা পৃথিবীর ইকোসিস্টেম ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, সুনামি সম্পর্কে জানান দিতে পারবে। শোনা যাচ্ছে, জানুয়ারি মাসেই এই বিশেষ উপগ্রহকে মহাকাশে পাঠানো হবে। 

    থাকছে আরও কৃত্রিম উপগ্রহ

    ইসরোর উৎক্ষেপণ তালিকায় রয়েছে ইনস্যাট থ্রিডিস। এটি আবহাওয়ার গতি-প্রকৃতি এবং বিপর্যয় মোকাবিলার ক্ষেত্রে কাজ করবে। এছাড়াও রয়েছে ইসরোর তালিকায় রিস্যাট-১বি, রিসোর্সস্যাট-৩ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ। ভারতের মধ্যে রিমোট সেন্সিং ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভাবে কাজ করবে এই উপগ্রহগুলি। একই ভাবে ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানে তথ্য পেতে সাহায্য করবে এমন দুটি প্রকল্পের কথাও জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আরেকটি প্রকল্পের কথা জানা গিয়েছে যা হল ওশেনস্যাট-৩। এটি সমুদ্র বিষয়ক গবেষণা এবং পরিবেশ নিয়ে কাজ করবে। 

    পাখির চোখ গগনযান ১

    তবে, ইসরোর ২০২৪ সালে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হতে চলেছে গগনযান। এর মাধ্যমে মহাকাশে মহাকাশচারী পাঠাতে চলেছে ইসরো। ২০২৪-এর জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই গগনযান-১ মিশনের উৎক্ষেপণ হবে। এটি হতে চলেছে মূল গগনযান মিশেনর আগে একটি টেস্ট মিশন। মূল অভিযানে তিন ভারতীয় মহাকাশচারীকে পাঠানো হবে এবং ফিরিয়ে আনা হবে। এবারের এই টেস্ট মডিউলে মানুষের বদলে একটি রোবটকে পাঠানো হবে। 

    মঙ্গল, শুক্রে অভিযান

    এর পাশাপাশি, মঙ্গল ও শুক্র গ্রহেও মহাকাশযান পাঠাতে চলেছে ইসরো। আগামী বছরই মঙ্গলের উদ্দেশে পাড়ি দেবে মঙ্গলযান-২। প্রথমটির সাফল্যের পর এটি হতে চলেছে দেশের দ্বিতীয় মঙ্গলযান। এই আকাশযানটি মঙ্গল গ্রহের মাটি, আবহাওয়া এবং প্রকৃতি সম্পর্কে ধরনা দিতে সাহায্য করবে। ২০২৪ সালে হতে চলেছে শুক্রযান ১। ইসরো একটি বিশেষ মহাকাশযান পাঠাচ্ছে, যা ৫ বছরের জন্য গ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করবে এবং গ্রহটির আবহাওয়া সম্পর্কে তথ্য দিতে সাহায্য করবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share