Tag: space news

space news

  • ISRO: “মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণ প্রয়োজন”, বললেন ইসরো কর্তা

    ISRO: “মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণ প্রয়োজন”, বললেন ইসরো কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আরও বেশি দেশীয়করণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছিলেন ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। শনিবার তিনি বলেছিলেন, “বর্তমানে গ্লোবাল স্পেস অর্থনীতিতে ভারতের অবদান (Gaganyaan) ২ শতাংশ হলেও, আগামী এক দশকের মধ্যেই তা বাড়িয়ে অন্তত ১০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।”

    কী বললেন ইসরো কর্তা (ISRO)

    এদিন অল ইন্ডিয়া রেডিওয় সর্দার প্যাটেল স্মৃতি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন সোমনাথ। সেই সময় তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসন্ন মিশনের নতুন তারিখও জানান। এগুলি হল, মানববাহী মহাকাশ মিশন গগনযান সম্ভবত ২০২৬ সালে, চন্দ্রযান-৪ মিশনের স্যাম্পল রিটার্ন মিশন ২০২৮ সালে, এবং ভারত-মার্কিন যৌথ নিসার মিশনও হবে আগামী বছরে। ইসরোর চেয়ারম্যান জানান, জাপানের মহাকাশ সংস্থা জাক্সার সঙ্গে যৌথভাবে চাঁদে অবতরণের মিশনটি এখন চন্দ্রযান-৫ মিশন হিসাবে পরিকল্পিত। তবে মিশনটি কবে হবে, তার কোনও সময়সীমা উল্লেখ করেননি তিনি। জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান-৫ মিশন শুরু হতে পারে ২০২৮ সালে চন্দ্রযান-৪ মিশনের পরে।

    গুরুত্বপূর্ণ মিশন

    সোমনাথ বলেন, “এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিশন হবে, যেখানে ভারতের পক্ষ থেকে ল্যান্ডার এবং জাপানের পক্ষ থেকে রোভার সরবরাহ করা হবে। চন্দ্রযান-৩-এর রোভারটির ওজন ছিল প্রায় ২৭ কেজি। কিন্তু এই মিশনে ৩৫০ কেজির একটি রোভার থাকবে।” তিনি বলেন, “এটি একটি বিজ্ঞানসমৃদ্ধ মিশন, যা আমাদের চাঁদে মানব অবতরণের এক ধাপ কাছাকাছি নিয়ে যাবে।” তিনি জানান, ভারত ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একটি মানব মিশন পরিচালনার পরিকল্পনা নিয়েছে। ইসরো (ISRO) কর্তা বলেন, “মহাকাশ খাতটি বেসরকারি উদ্যোগের জন্য উন্মুক্ত করা, নয়া সহায়ক নীতিমালা এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের দেখানো উদ্দীপনা ভারতে একটি প্রাণবন্ত মহাকাশ ইকোসিস্টেম সৃষ্টি করেছে।”

    আরও পড়ুন: “ধর্ম হল ভারতীয় সংস্কৃতির সবচেয়ে মৌলিক ধারণা, সংহতির প্রতীক”, বললেন ধনখড়

    তিনি বলেন, “আমাদের বৈশ্বিক মহাকাশ অর্থনীতিতে অবদান এখনও প্রায় ২ শতাংশ। আমাদের লক্ষ্য আগামী ১০-১২ বছরের মধ্যে এটি প্রায় ১০ শতাংশে উন্নীত করা। কিন্তু ইসরো একা এটা অর্জন করতে পারবে না। আমাদের অন্যান্য অংশীদারদের অংশগ্রহণও প্রয়োজন। স্টার্ট-আপ থেকে শুরু করে বড় কোম্পানিগুলি, সবাইকেই (Gaganyaan) এগিয়ে আসতে হবে এবং ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করতে হবে (ISRO)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    Indian Astronaut: আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যাচ্ছেন এক ভারতীয়, ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’-এ বড় ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আন্তর্জাতিক মহকাশ স্টেশনে (International Space Station) যাচ্ছেন এক ভারতীয় (Indian Astronaut)। আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে মহাকাশে পাড়ি দেবেন তিনি। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে পাঠানো হবে ওই মহাকাশচারীকে। এ খবর জানালেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ।

    এএক্স-৪ মিশন (Indian Astronaut)

    নাসা এবং ইসরোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মহাকাশ অভিযানের নাম এক্সিওম স্পেস এএক্স-৪ মিশন। এই অভিযানে ভারত থেকে পাঠানো হবে দুই নভশ্চরকে। এঁরা হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লা ও প্রশান্ত বালকৃষ্ণণ নায়ার। বর্তমানে নাসায় চলছে এঁদের প্রশিক্ষণ। জানা গিয়েছে, এএক্স-৪ মিশনের জন্য ইসরো বেছে নিয়েছেন শুক্লাকে। আর নায়ার হবেন ব্যাকআপ ক্যান্ডিডেট। নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, “একজন ভারতীয় মহাকাশচারী আগামী এপ্রিলের মধ্যে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাবেন।” এবার আজ ২৩ অগাস্ট পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। গত বছর এই দিনে চাঁদে ল্যান্ড করেছিলেন বিক্রম ল্যান্ডার। তারই বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পালিত হবে ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’। তার আগেই এক ভারতীয় মহাকাশচারীর (Indian Astronaut) আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে যাওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু গর্ব দিবস’ পালন বিজেপির, কার সম্মানে পালন হয় জানেন?

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিম

    জাতীয় মহাকাশ দিবসের থিমও জানিয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। এবার থিম হল, ‘টাচিং লাইভস হোয়াইল টাচিং দ্য মুন: ইন্ডিয়াজ স্পেস সাগা।’ এ উপলক্ষে এদিন ইসরোর তরফে চন্দ্রযান-৩ অভিযানের সায়েন্টিফিক ডেটা প্রকাশ করবে ইসরো। গবেষকরা যাতে এই ডেটা ব্যবহার করতে পারেন, তা-ই এই ব্যবস্থা। চন্দ্রযান-৩ সাফল্যের বর্ষপূর্তিতে গত দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে হাজারো অনুষ্ঠান হচ্ছে দেশজুড়ে। ভারত মণ্ডপমে ‘জাতীয় মহাকাশ ডে’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ হ্যাকাথন’ ও ‘ইসরো রোবোটিক্স চ্যালেঞ্জ’ জয়ীদের পুরস্কারও দেবেন তিনি। আসন্ন স্পেস মিশনের বিষয়ে বলতে গিয়ে ইসরোর সায়েন্টিফিক সেক্রেটারি সান্ত্বনু ভাটাদেকর বলেন, “ইসরো-নাসার (International Space Station) যৌথ অভিযান এনআইএসএআর আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির পরেই লঞ্চ করা হবে (Indian Astronaut)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ISRO: তৃতীয়বার সফল অবতরণ ‘পুষ্পকে’র, ইসরোর মুকুটে নয়া পালক

    ISRO: তৃতীয়বার সফল অবতরণ ‘পুষ্পকে’র, ইসরোর মুকুটে নয়া পালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার, ২৩ জুন তৃতীয়বার সফল অবতরণ করল ইসরোর (ISRO) পুষ্পক। এটি আদতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য একটি মহাকাশযান। মহাকাশ বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যাল’। ইসরোর বিজ্ঞানীরা এর নাম রেখেছেন ‘পুষ্পক’। পৌরাণিক আখ্যানে যে পুষ্পক রথের কথা বলা হয়েছে, তার নামেই নামকরণ করা হয়েছে এই রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যালের।

    ‘পুষ্পকে’র অবতরণ (ISRO)

    ‘আরএলভি এলইএক্স-০৩’ নামে পরিচিত এই মিশনটি কর্নাটকের চিত্র দুর্গার অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জ থেকে পরিচালনা করা হয়। ভারতীয় বায়ুসেনার চিনুক হেলিকপ্টার থেকে ৪. কিলোমিটার উচ্চতায় নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় পুষ্পককে। ইসরোর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এলইএক্স-০৩ সিরিজের তৃতীয় এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়েছিল ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৭টা ১০ মিনিটে। কর্নাটকের চিত্র দুর্গার অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জে পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল। দ্রাঘিমা ও পার্শ্বীয় সমতল ত্রুটি সংশোধনের জন্য মিশনটিতে উন্নত নির্দেশিকা যুক্ত অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়েছে।

    এক ঢিলে মরবে একাধিক পাখি

    এই মিশনে আগেরবারের মিশন আরএলভি এলইএক্স-০২-র উইং বডি এবং ফ্লাইট সিস্টেমগুলি ব্যবহার করা হয়েছে। এই মিশনটি ইসরো (ISRO), ভারতীয় বিমান বাহিনী ও অন্য কয়েকটি সংস্থার একটি যৌথ প্রচেষ্টা। ইসরোর এই মিশন সফল হওয়ায় এক ঢিলে অনেকগুলি পাখি মরবে। প্রথমত, পুনর্ব্যবহারযোগ্য যান হওয়ায় মহাকাশে দূষণ কমবে। সর্বোপরি, মহাকাশ অভিযানের খরচ একলপ্তে কমে যাবে অনেকখানি। ইসরো সূত্রের দাবি, ‘পুষ্পকে’র মতো আরএলভিকে মহাকাশ থেকে মাটিতে ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি ভারতের হাতে এসে গিয়েছে। পরে সেটিকে আবারও মহাকাশে ফেরত পাঠানো যাবে।

    আর পড়ুন: নিট কেলেঙ্কারির শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    ‘পুষ্পক’ মিশন সফল হওয়ায় টিম ইসরোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। তিনি বলেন, “পুষ্পকের সফল অবতরণ হ্যাটট্রিক করেছে। এটা ইসরোর বড় সাফল্য। পুষ্পকের অরবিটাল টেস্ট চলছে। মহাকাশে এটিকে একটি রকেটে লঞ্চ করা হবে। তাহলেই এটি নিরাপদে ফিরে আসবে পৃথিবীতে।” তিনি বলেন, “এটি প্রকৃতই একটি গেম চেঞ্জার প্রযুক্তি। এতে মহাকাশে যান পাঠানো অনেক সস্তা হয়ে যাবে। এটি ইসরোর আত্মনির্ভর প্রচেষ্টার সুফল। একবিংশ শতাব্দীতে সম্পূর্ণ স্বদেশি পথে লঞ্চ করা হল রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যাল পুষ্পকের।” ভিএসএসসির ডিরেক্টর এস উন্নীকৃষ্ণণ নায়ার বলেন, “এই ধারাবাহিক সাফল্য ভবিষ্যতের অরবিটাল রি-এন্ট্রি মিশনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির প্রতি ইসরোর আস্থা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে (ISRO)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    Jupiter Moon: ইউরোপায় প্রাণের সন্ধান! বৃহস্পতির উপগ্রহে কার্বণ ডাই অক্সাইডের সমুদ্র, কী বলছেন গবেষকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপাতে প্রাণের সন্ধান! সম্ভব হলেও হতে পারে, দাবি বিজ্ঞানীদের। পৃথিবী ছাড়াও সৌর জগতের আর কোথাও বসতি গড়া সম্ভব কি না, তা নিয়ে বিস্তর জল্পনা কল্পনা চলে বিজ্ঞানীরদের মধ্যে। এই তালিকাতেই নতুন করে যোগ দিয়েছে বৃহস্পতির উপগ্রহ ইউরোপা। 

    কী বলছেন বিজ্ঞানীরা

    হিমশীতল হলেও ইউরোপাতে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা কম নয় বলে মনে করেন গবেষকরা। কর্নেল ইউনিভার্সিটির গ্রহ বিষয়ক বিজ্ঞানী সামান্থা ট্রাম্বো বলেন, “এর আগে, হাবল টেলিস্কোপ টারা রেগিওতে সামুদ্রিক লবণের হদিশ পেয়েছিল। এবার ভাল মাত্রায় কার্বন ডাই অক্সাইডের খোঁজ মিলল। সমুদ্রগর্ভ থেকেই তার উৎপত্তি ঘটেছে বলে অনুমান আমাদের।” ইউরোপা নিয়ে সম্প্রতি দু’টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে, যার মধ্যে একটি লিখেছেন সামান্থা। ২১ সেপ্টেম্বর জার্নাল সায়েন্সে প্রকাশিত হয়েছে সেটি। জানা গিয়েছে, ইউরোপার বুকে স্ফটিকাকার এবং নিরাকার কার্বন, দুইয়েরই খোঁজ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের মতে, ইউরোপার মাটির বয়স অন্তত ৬ কোটি বছর। 

    ইউরোপা কেমন

    আকারে বৃহস্পতির এই উপগ্রহটি চাঁদের থেকে সামান্য একটু ছোট। কিন্তু প্রাণ সঞ্চারের প্রাথমিক শর্ত যেটি, সেই জল নাকি রয়েছে ওই উপগ্রহে। রয়েছে একটা আস্ত সমুদ্র। বিজ্ঞানীরা অন্তত তেমনই দাবি করছেন। তবে ইউরোপার জলে নাকি কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেশি। জীবনের অন্যতম ভিত্তি কার্বন ডাই অক্সাইড। তাই যে সমস্ত জীবের পক্ষে কার্বন ডাই অক্সাইডের সাহায্যে জীবন ধারণ করা সম্ভব, তারা এখানে থাকলেও থাকতে পারে। দেখা গিয়েছে, ইউরোপায় রয়েছে বরফের একটি কঠিন স্তর।আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসার দাবি, ওই বরফের কঠিন স্তরের নিচে রয়েছে একটি মহাসমুদ্র। ওই মহাসমুদ্রে প্রচুর কার্বন সমৃদ্ধ উপাদান রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    ইউরোপায় অভিযান

    প্রসঙ্গত, গোটা সৌরজগতে ইউরোপার মতো বেশি গ্রহ বা উপগ্রহ নেই। প্রাণের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে, এমন সংখ্যা নগণ্য। ফলে কার্বন ডাই অক্সাইডের অস্তিত্ব পাওয়ায় আশার আলো দেখছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপার টারা রেগিও নামের একটি অংশে বেশি পরিমাণে এই গ্যাসের উপস্থিতি দেখা গিয়েছে। সেখান থেকেই কোনও একটি সুখবর পাওয়ার আশায় রয়েছে বিজ্ঞানীরা। আপাতত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে সেদিকটাই খুঁটিয়ে দেখছে নাসা। ইউরোপার উদ্দেশে দু’টি অভিযানের লক্ষ্য রয়েছে গবেষকদের। ২০২৪ সালে নাসার ক্লিপার অভিযানের সূচনা হবে। কক্ষপথ থেকে ইউরোপাকে পর্যবেক্ষণ করবে মহাকাশযানটি। সেখানে প্রাণধারণের উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখবে। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি-র জুপিটার আইসি মুন এক্সপ্লোরার (Juice) আগামী বছর এপ্রিলে রওনা দেবে ইউরোপার উদ্দেশে। ২০৩১ সালে ইউরোপার কাছাকাছি পৌঁছবে সেটি। বৃহস্পতির তিনটি গ্রহ, ইউরোপা, গানিমিড এবং ক্যালিস্টোর চারপাশে ৩৫ বার চক্কর কাটবে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • International Space Station: মুম্বই, বেঙ্গালুরুর ওপর দিয়ে উড়ে গেল ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন, কেমন দেখাল ভারতকে?

    International Space Station: মুম্বই, বেঙ্গালুরুর ওপর দিয়ে উড়ে গেল ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন, কেমন দেখাল ভারতকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই (Mumbai), বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) ওপর দিয়ে উড়ে গেল ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (International Space Station)। এই উড়ন্ত ল্যাবরেটরিটি ভূপৃষ্ঠের চারশো কিলোমিটার ওপর দিয়ে উড়ে চলেছে। এক দেশের ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে ভ্রমণ করছে অন্য দেশ। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এই উড়ন্ত ল্যাবরেটরিটি উড়ে গিয়েছে ভারতের ওপর দিয়ে। গোটা ভারতের ওপর দিয়ে অবশ্য উড়ে যায়নি উড়ন্ত এই ল্যাবরেটরিটি। সেটি উড়ে গিয়েছে কেবল মুম্বই ও বেঙ্গালুরুর ওপর দিয়ে।

    নাসা…

    সম্প্রতি নাসা এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও রিলিজ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের সীমান্তের কাছ থেকে উত্তর-পশ্চিম উপকূল অঞ্চল দিয়ে ভারতে ঢুকছে ওই উড়ন্ত ল্যাবরেটরি। উড়ে যাওয়ার সময় জিরো গ্র্যাভিটি এই ল্যাবটি আরও কয়েকটি শহরের সঙ্গে সঙ্গে অতিক্রম করেছে সাতারা, সাঙ্গালি এবং পুণেও।

    ২২ ডিসেম্বর এটি উড়ে যায় ভারতের (India) ওপর দিয়ে। তখনই স্পেস স্টেশন (International Space Station) থেকে তোলা হয় ছবি। ট্যুইট-বার্তায় ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনের টিম জানান, আজ ভারতের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় আকাশ ছিল পরিষ্কার। পাকিস্তান সীমান্তের কাছ দিয়ে উত্তর-পশ্চিম উপকূল অঞ্চল দিয়ে ভারতে প্রবেশ করলাম। মুম্বই ও বেঙ্গালুরুর ওপর দিয়ে উড়ে গেলাম। সেসব শহরের ওপর দিয়ে এই উড়ন্ত ল্যাবরেটরিটি উড়ে গিয়েছে, তার একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে নাসা।

    আরও পড়ুন: ‘মায়ের শূন্যতা পূরণ করা অসম্ভব’, হীরাবেন মোদির প্রয়াণে শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী, নেতানেত্রীর

    ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনটি (International Space Station) গত তিন দশক ধরে গবেষণামূলক কাজে লিপ্ত রয়েছে। পৃথিবীর বাইরে এটিই মানুষের একমাত্র স্থায়ী ঠিকানা। গত তিন দশক ধরে মহাকাশে একাই ছিল এই ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনটি। সম্প্রতি একটি মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করেছে চিনও। তার পর থেকে মহাকাশে গবেষণার কাজ করছে এই দুই মহাকাশ স্টেশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share