Tag: speaker

  • Iran Speaker: ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিল ইরান, হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী বললেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার?

    Iran Speaker: ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিল ইরান, হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী বললেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন দাবি উড়িয়ে দিলেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের গালিবাফ (Iran Speaker)। মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তিনি মিথ্যে প্রচার করার অভিযোগে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, “ওয়াশিংটনের এই বয়ান দিয়ে না জেতা যাবে যুদ্ধ, না সফল হবে আলোচনা।” গালিবাফ এই মর্মে সতর্ক করে দেন যে বিশ্বের অন্যতম (Hormuz Strait) গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণের পথ হরমুজ প্রণালী খোলা থাকবে না, যদি আমেরিকা ইরানের বন্দরগুলিতে তাদের নৌ-অবরোধ চালিয়ে যায়। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, প্রণালীর মাধ্যমে যে কোনও চলাচল এখন সম্পূর্ণভাবে ইরানের অনুমতি ও নির্ধারিত রুটের ওপর নির্ভর করবে। এ থেকে একটি জিনিস স্পষ্ট, তা হল চাপ অব্যাহত থাকলে তেহরান নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করতে প্রস্তুত।

    ইরানের বক্তব্য (Iran Speaker)

    ইরানের তরফে এই সতর্কবার্তা এসেছে এমন একটি সময়ে, যখন তেহরান নিজেই কিছুটা পরস্পরবিরোধী সংকেত দিচ্ছে। গালিবাফের মন্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান ঘোষণা করেছিল, বর্তমানে যে যুদ্ধবিরতি চলছে, সেই সময় প্রণালীটি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ খোলা। যদিও সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘিচি বিশ্ববাজারকে শান্ত করার চেষ্টা করে বলেন, “ইরানের পূর্ব-অনুমোদিত রুট ধরে জাহাজগুলি নিরাপদে চলাচল করতে পারবে।” এদিকে, ওয়াশিংটন তাদের অবস্থানে অনড়। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে একটি বৃহত্তর চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নৌ- অবরোধ চলবে। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, আলোচনা একেবারে শেষ পর্যায়ে (Iran Speaker)। ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেন, “আলোচনা ফলপ্রসূ না হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফের বোমা ফেলা শুরু করতে পারে।”

    ভিত্তিহীন দাবি, বলল ইরান

    অন্যদিকে, তেহরান (ইরানের রাজধানী) ট্রাম্পের বেশ কয়েকটি বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিশেষ করে, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে—এমন দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ইরানি আধিকারিকরা। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন, এই ধরনের কোনও প্রস্তাব কখনও আলোচনার অংশই ছিল না। প্রসঙ্গত, এহেন অচলাবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে হরমুজ প্রণালী—একটি সরু কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যার মাধ্যমে বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ করা হয়। যদিও ইরান এটি ফের খোলার কথা ঘোষণা করেছে, তা সত্ত্বেও রয়ে গিয়েছে অনিশ্চয়তা। নিরাপত্তা নিয়ে স্পষ্ট নিশ্চয়তা না মেলায় হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল করছে সতর্কতা অবলম্বন করে (Hormuz Strait)।

    বিশ্লেষকদের মতে, কৌশলগতভাবে হরমুজ প্রণালী এখন শুধু একটি বাণিজ্য পথ নয়, এটি কার্যত একটি চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার, প্রায় প্রতিরোধমূলক অস্ত্রের মতো, যার মাধ্যমে সরাসরি সামরিক সংঘর্ষ ছাড়াই ইরান বিশ্ব অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে যে চিত্রটি সামনে এসেছে, তা অত্যন্ত ভঙ্গুর। যদিও বাস্তবে পারস্পরিক অবিশ্বাস, সামরিক চাপ এবং তীব্রভাবে ভিন্ন বয়ানের দ্বারা পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রিত (Iran Speaker)।

  • Justice Yashwant Varma: নগদ উদ্ধারকাণ্ডে বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে শুরু হয়ে গেল ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া

    Justice Yashwant Varma: নগদ উদ্ধারকাণ্ডে বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে শুরু হয়ে গেল ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারপতি যশবন্ত বর্মার (Justice Yashwant Varma) বাসভবন থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল পরিমাণ টাকা। তার জেরে শুরু হয়ে গেল ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া। মঙ্গলবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের (Probe Panel) কথা ঘোষণা করলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তিন সদস্যের এই কমিটিতে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অরবিন্দ কুমার, মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মনিন্দর মোহন এবং প্রবীণ আইনজীবী বিভি আচার্য। এদিন মোট ১৪৬ জন সাংসদের সই-সহ ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব গ্রহণ করেন স্পিকার। তিনি জানান, যত দ্রুত সম্ভব রিপোর্ট জমা দেবে কমিটি।

    ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া (Justice Yashwant Varma)

    সংবিধানের ১২৪ (৪) ধারা অনুযায়ী চালিত হয় কোনও বিচারপতির ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া। এজন্য সবার আগে প্রস্তাব পেশ করা হয় লোকসভায়। সেই প্রস্তাবের পক্ষে স্বাক্ষর করতে হয় সাংসদদের। পরে তা জমা দিতে হয় স্পিকারের কাছে। এর পরেই স্পিকার গঠন করেন কমিটি। তদন্ত করে সেই কমিটিই রিপোর্ট দেয় স্পিকারের কাছে। লোকসভার স্পিকার যে কমিটি গঠন করেন, সেই কমিটির হাতে থাকে প্রমাণ সংগ্রহ ও সাক্ষীদের জেরা করার ক্ষমতা। অভিযুক্ত বিচারপতি দোষী প্রমাণিত হলে, যে সংসদে প্রথমে প্রস্তাবটি তোলা হয়েছিল, সেখানেই পেশ করা হয় রিপোর্ট। তারপর হয় ভোটাভুটি। এই প্রক্রিয়া চলে দুই কক্ষেই। সংসদের উভয় কক্ষেই উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের অন্তত দুই-তৃতীয়াংশের সমর্থন পেলেই কার্যকর হবে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া।

    নগদ টাকার সন্ধান

    প্রসঙ্গত, গত ১৪ মার্চ দিল্লিতে বিচারপতির সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের সময় নগদ টাকার সন্ধান মেলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যায়, ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে (Probe Panel) হাতখানেক উঁচু টাকার স্তূপ। সেই সময় অবশ্য বাড়িতে ছিলেন না বিচারপতি বর্মা (Justice Yashwant Varma)।

    এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দিল্লি হাইকোর্ট থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয় এলাহাবাদ হাইকোর্টে। যদিও তাঁর হাতে আর কোনও বিচারকার্যের ভার দেওয়া হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের ইন হাউস তদন্ত কমিটি ৫৫ জন সাক্ষীর বয়ান শোনার পর জানিয়ে দেয়, অভিযোগের যথেষ্ট (Probe Panel) ভিত্তি রয়েছে। তার পরেই বর্মাকে অপসারণের সুপারিশ করা হয় (Justice Yashwant Varma)।

LinkedIn
Share