Tag: Spoorti Mandir

  • Nashik: নাসিকের আইটি সংস্থায় কেলেঙ্কারি! ফাঁস হল হিন্দু মহিলা কর্মীদের ধর্মীয় নিপীড়ন ও যৌন হেনস্থার চিত্র

    Nashik: নাসিকের আইটি সংস্থায় কেলেঙ্কারি! ফাঁস হল হিন্দু মহিলা কর্মীদের ধর্মীয় নিপীড়ন ও যৌন হেনস্থার চিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের নাসিকে (Nashik) একটি প্রথম সারির আইটি সংস্থায় হিন্দু মহিলা কর্মীদের ওপর ভয়াবহ ধর্মীয় নিপীড়ন এবং যৌন হেনস্থার অভিযোগ প্রকাশ্যে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এবং অপরাধীদের হাতেনাতে ধরতে সাতজন মহিলা পুলিশ কর্মী ছদ্মবেশে ওই সংস্থায় অভিযান চালান। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। বেছে বেছে হিন্দু ধর্মের মেয়েদের টার্গেট (Love jihad) করে দুষ্কৃতীরা। তবে অভিযোগ এটাও উঠেছে যে অভিযুক্তরা কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। লাভ জেহাদই  তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।

    নিয়মিত হেনস্থা করা হত (Nashik)

    বেশ কিছুদিন ধরে অভিযোগ আসছিল যে, নাসিকের (Nashik) এই আইটি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তারা মহিলা কর্মীদের ওপর ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিচ্ছেন। কেবলমাত্র টার্গেট করে হিন্দু মহিলা কর্মীদের নিয়মিত হেনস্থা করা হত এবং তাঁদের সিঁদুর পরা বা ধর্মীয় রীতি পালনে বাধা দেওয়া হত। এছাড়াও অনেককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টাও হয়েছে। অভিযুক্তরা অনেকেই নিজের ধর্মীয় পরিচয় গোপন করে লাভ জেহাদের মাধ্যমে প্রতারণা করেছে। বেশ কিছু দিন ধরে এভাবে ধর্মান্তকরণ (Love jihad) করার অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সকলেই মুখ খুলেছেন। এরপর প্রশাসন তড়িঘড়ি করে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

    পুলিশি অভিযান ও গ্রেফতার

    অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে নাসিক পুলিশ একটি বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করে। সাত মহিলা পুলিশ কর্মী চাকরিপ্রার্থী (Nashik) সেজে ওই সংস্থায় ছদ্মবেশে প্রবেশ করেন। সেখানে কাজ করার সময় তাঁরা দেখেন, কীভাবে মহিলা কর্মীদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট ধর্মীয় (Love jihad) আচরণ পালনে বাধ্য করা হচ্ছে। এই ঘটনায় যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হল, আসিফ আনসারি, শফি শেখ, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার (সবাই টিম লিডার হিসেবে কর্মরত ছিলেন) এবং পুনে-ভিত্তিক এক নারী এইচআর কর্মকর্তা (যিনি এই অপরাধে সহায়তা করতেন বলে অভিযোগ)।

    ৯টি পৃথক এফআইআর-এ (FIR) যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি হল–

    ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা

    মহিলা কর্মীদের হিন্দু ধর্মীয় (Love jihad)  চিহ্ন বর্জন করতে এবং ইসলামিক রীতিনীতি মেনে চলতে বাধ্য করা হত।

    যৌন হেনস্থা

    মহিলা কর্মীদের অনুপযুক্তভাবে স্পর্শ করা এবং অফিসের বাইরেও তাদের পিছু নেওয়ার (stalking) অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ সময় ধরে মানসিক চাপের মাধ্যমে কর্মীদের দুর্বল করা এবং একঘরে করে রাখার অভিযোগও মিলেছে।

    পুরুষ কর্মীর ধর্মান্তর

    কেবল মহিলারাই নন, একজন পুরুষ কর্মীও অভিযোগ করেছেন যে গত দু’বছর ধরে তাঁকে জোর করে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    মহারাষ্ট্র (Nashik) পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে। পুলিশের ধারণা, তদন্ত এগোলে আরও অনেক ভুক্তভোগী সামনে আসতে পারেন। কেন্দ্রীয় বিভিন্ন সংস্থাও এই ঘটনার ওপর নজর রাখছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহের জন্য পুলিশ ৪০টি সিসিটিভি ক্যামেরার রেকর্ডিং খতিয়ে দেখছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, “কোম্পানির প্রধান কর্মকর্তার নিষ্ক্রিয়তার কারণে ভুক্তভোগীদের প্রতি অভিযুক্তের অপরাধমূলক আচরণ নির্লজ্জভাবে চলতে থাকে। ভুক্তভোগীরা অভিযুক্তের অশোভন আচরণের বিষয়ে প্রধান কর্মকর্তার কাছে একাধিকবার মৌখিকভাবে অভিযোগ দায়ের করলেও, তিনি কোনও পদক্ষেপ নেননি  নিতে ব্যর্থ হন। তাই নির্যাতন চলতেই থাকে। অভিযোগকারী যখন এই ঘটনাগুলি সম্পর্কে কোম্পানির প্রধান কর্মকর্তার কাছে বারবার অভিযোগ করেন, তখন তিনি শ্লীলতাহানির বিষয়ে তাঁর অভিযোগ জানালেও কোনওরকম সক্রিয়তা দেখা যায়নি।”

    ২০২২ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে যৌন হয়রানি ও ধর্মীয় নিপীড়নের সঙ্গে জড়িত ন’টি ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে।

    জুলাই ২০২২–ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    অভিযুক্ত দানিশ শেখ, তৌসিফ আত্তার এবং নিদা খান হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করে এক মহিলা কর্মীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত তৌসিফ আত্তার ওই ভুক্তভোগীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। দানিশ অফিসের লবিতে ওই একই নির্যাতিতার সঙ্গে অশ্লীল কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে তাঁর শ্লীলতাহানি করে।

    মে ২০২৩–১৯ মার্চ ২০২৬

    রাজা মেমন ও শাহরুখ কুরেশির বিরুদ্ধে এক মহিলা কর্মচারীর দিকে কুদৃষ্টি দেওয়া, তাঁকে অশালীনভাবে স্পর্শ করা এবং তাঁর দাম্পত্য জীবন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে। নির্যাতিতা প্রধান কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করলেও, তিনি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেননি।

    ২০২২–ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    অভিযুক্ত শফি শেখ দফতরে বৈঠকে নির্যাতিতার দিকে কামনার দৃষ্টিতে তাকাত এবং তাঁকে উপহাস করত। অভিযুক্ত তৌসিফ বিবাহিত। ভুক্তভোগীর সন্তান না থাকায় তাঁকে বিদ্রূপ করতেন এবং লজ্জাজনক মন্তব্য করত। সেই সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টাও করে।

    ৪ মে, ২০২৫–ডিসেম্বর ২০২৫

    অভিযুক্ত তৌসিফ আত্তার এক ভুক্তভোগীকে তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অশ্লীল প্রশ্ন করেন এবং অশালীন অঙ্গভঙ্গি করেন। তিনি হিন্দু মহিলা কর্মচারীদের সামনে হিন্দু দেব-দেবী সম্পর্কেও অবমাননাকর মন্তব্য করেন।

    ২০২২–২৩শে মার্চ, ২০২৬

    অভিযুক্ত তৌসিফ আত্তার, দানিশ, শাহরুখ শেখ এবং রাজা মেমন ভুক্তভোগীর ধর্ম নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করে এবং তাঁকে নমাজ আদায় করতে বাধ্য করে। তারা তাকে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দেয়, আমিষ খাবার খেতে বাধ্য করা হয়। অভিযুক্তরা হিন্দু মহিলা কর্মীদের বিরুদ্ধে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন।

    ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪–ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    অভিযুক্ত আসিফ আনসারি ও শফি শেখ এক মহিলা কর্মীর শরীর নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে অশালীনভাবে স্পর্শ করে। অভিযুক্ত তৌসিফ আত্তার হিন্দু দেব-দেবীগণের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষাও ব্যবহার করে।

    ২০২৫–মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত

    অভিযুক্ত আসিফ আনসারি, শাহরুখ কুরেশি, রাজা মেমন, তৌসিফ আত্তার এবং শফি শেখ নির্যাতিতাকে অপমান করে, তাঁর সম্পর্কে অশ্লীল মন্তব্যও করে। অশালীনভাবে স্পর্শও করেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভুক্তভোগীর ধর্মের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করে সম্মিলিতভাবে কলুষিত করার জন্য নানা অপকর্ম করে।

    জানুয়ারি ২০২৫–বর্তমান

    অভিযুক্ত রাজা মেমন এবং শফি শেখ নির্যাতিতার ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেছিল। অভিযুক্ত শফি যেমন প্রস্তাব দেয়, অন্যদিকে রাজা মেমন তার শরীর নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য করে এবং অশালীনভাবে স্পর্শ করার চেষ্টাও করে।

    জানুয়ারি ২০২৬–১ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত

    অভিযুক্ত রাজা মেমন এবং শাহরুখ কুরেশি ভুক্তভোগীর সঙ্গে অশ্লীল কথাবার্তা ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। ভুক্তভোগীর আপত্তি সত্ত্বেও, ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করা, তাঁর ওপর নজর রাখা এবং তাঁর শরীর নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে হয়রান করতে থাকে।

  • RSS: কান্দাকুর্তিতে ‘স্ফূর্তি মন্দির’ উদ্বোধন করলেন ভাগবত, আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ারের পৈতৃক গ্রামে বিশেষ অনুষ্ঠান

    RSS: কান্দাকুর্তিতে ‘স্ফূর্তি মন্দির’ উদ্বোধন করলেন ভাগবত, আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ারের পৈতৃক গ্রামে বিশেষ অনুষ্ঠান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক ডঃ মোহন ভাগবত তেলঙ্গনার নিজামাবাদ জেলার কান্দাকুর্তিতে নবনির্মিত ‘স্ফূর্তি মন্দির’ (Spoorti Mandir) উদ্বোধন করেছেন। উল্লেখ্য, এই কান্দাকুর্তি গ্রামটি আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ডঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারের পৈতৃক ভিটে।

    দেশপ্রেমের প্রেরণা জোগায় (RSS)

    শনিবার আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি আরএসএস (RSS) প্রতিষ্ঠাতার আদর্শ এবং জাতির প্রতি তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন। ভাগবত বলেন, “কান্দাকুর্তি কেবল একটি গ্রাম নয়, এটি ত্যাগের একটি পবিত্র স্থান যা দেশপ্রেমের প্রেরণা যোগায়।”

    ঐতিহাসিক গুরুত্ব

    কান্দাকুর্তি গ্রামটি গোদাবরী, মঞ্জিরা এবং হরিদ্রা নদীর ত্রিবেণী সঙ্গমে অবস্থিত। হেডগেওয়ারের পূর্বপুরুষরা এখান থেকেই নাগপুরে চলে গিয়েছিলেন। নবনির্মিত এই স্মারক ভবনটি ডঃ হেডগেওয়ারের জীবন এবং তাঁর প্রদর্শিত পথের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে সেবামূলক কাজের অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ভাগবতের বার্তা

    সরসঙ্ঘচালক ভাগবত (Mohan Bhagwat) তাঁর ভাষণে জোর দিয়ে বলেন যে, ডঃ হেডগেওয়ার চেয়েছিলেন ভারত যেন বিশ্বগুরুর আসনে অধিষ্ঠিত হয়। আর সেই স্বপ্ন পূরণে প্রত্যেক নাগরিককে চরিত্র গঠন এবং সমাজ সেবায় মনোনিবেশ করতে হবে। অনুষ্ঠানে আরএসএস-এর (RSS) পদস্থ কার্যকর্তারা ছাড়াও বিপুল সংখ্যক গ্রামবাসী এবং স্বেচ্ছাসেবক উপস্থিত ছিলেন। কান্দাকুর্তিতে এই স্মারকটি নির্মাণের ফলে গ্রামটি আগামী দিনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কর্মীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্রে পরিণত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ডঃ হেডগেওয়ারের পৈতৃক ভিটেবাড়িটিকে সংরক্ষণ করার পাশাপাশি সেখানে বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

  • Bangladesh: ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় ‘মাজার’ প্রধানকে কুপিয়ে-পিটিয়ে খুন

    Bangladesh: ধর্ম অবমাননার অভিযোগে কুষ্টিয়ায় ‘মাজার’ প্রধানকে কুপিয়ে-পিটিয়ে খুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে একটি মাজারে হামলা চালিয়ে প্রধানকে (Sufi shrine) পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে উত্তেজিত জনতা। শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬ দুপুরে উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম শামীম রেজা (৫৫), যিনি এলাকায় ‘জাহাঙ্গীর’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি ফিলিপনগর ইউনিয়নের ওই মাজার পরিচালনা করতেন। অভিযুক্তরা সকলেই কট্টরপন্থীর সমর্থক বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনার বিবরণ (Bangladesh)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে একদল লোক বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শামীম রেজার (Sufi shrine) মাজারে হামলা চালায়। হামলাকারীরা সেখানে ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পর আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় আস্তানার ভেতরে থাকা শামীম রেজাকে তারা নির্বিচারে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।  হামলায় তাঁর আরও কয়েকজন অনুসারীও জখম হয়েছেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    দৌলতপুর (Bangladesh) থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি আরিফুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ভিডিওটি পুরনো বলেই মনে হচ্ছে, তবে সেটি নতুন করে সামনে আসায় এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    তিনি আরও জানান, শামীম রেজাকে (Sufi shrine) এর আগে ২০২৩ সালের মে মাসেও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আবারও তাঁর কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।

    কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “পুরানো একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।”

LinkedIn
Share