Tag: sri lanka economic crisis

sri lanka economic crisis

  • Sri Lanka Economic Crisis: ‘ভারত সর্ব শ্রেষ্ঠ’, দৃপ্ত ঘোষণা শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি স্যাব্রির

    Sri Lanka Economic Crisis: ‘ভারত সর্ব শ্রেষ্ঠ’, দৃপ্ত ঘোষণা শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি স্যাব্রির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India) সর্ব শ্রেষ্ঠ। শুক্রবার এই ভাষায়ই ভারত-প্রশস্তি গাইল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। দুর্দিনে (Sri Lanka Economic Crisis) কলম্বোর পাশে দাঁড়ানোয় ভারতের প্রশংসা করলেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী এমইউএম আলি স্যাব্রি। বিপদের দিনে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়ানো এবং সে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ভারতের অবদানের জন্য নয়াদিল্লিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, বিশ্বের সব দেশ মিলে শ্রীলঙ্কাকে যে পরিমাণ সাহায্য করেছে তার চেয়েও ঢের বেশি করেছে ভারত। আলি স্যাব্রি বলেন, আমাদের স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং ঘুরে দাঁড়াতে যারা সাহায্য করেছে, তাদের মধ্যে সর্ব শ্রেষ্ঠ হল ভারত। তিনি বলেন, ভারত আমাদের জন্য যা করেছে, তা অন্য সব দেশের সাহায্যের তুলনায় ঢের বেশি। ভারতের ৩.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সাহায্য করেছে। ভারতের কাছে আমরা খুবই কৃতজ্ঞ।

    শ্রীলঙ্কার দুর্দিন (Sri Lanka Economic Crisis)…

    শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka Economic Crisis) মুখে ভারত-প্রশস্তি অবশ্য এই প্রথম নয়, সপ্তাহ তিনেক আগেও আলি স্যাব্রি ভারতের ব্যাপক প্রশংসা করেছিলেন। সেই সময় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সে দেশে ছিলেন। মালদ্বীপ সফর সেরে তিনি গিয়েছিলেন কলম্বো। সেখানকার রাষ্ট্রপতি রনীল বিক্রমসিংহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জয়শঙ্কর। দেখা করেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও। তখনই শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি স্যাব্রি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এটা বললে অতিরঞ্জিত হবে না যে ভারতের ব্যাপক সাহায্য আমাদের কিছুটা আর্থিক স্থিরতা দিতে পেরেছে।

    আরও পড়ুুন: নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা কোয়াড গোষ্ঠীর, কেন জানেন?

    শুক্রবার শ্রীলঙ্কার বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি (Sri Lanka Economic Crisis) সম্পর্কেও জানান আলি স্যাব্রি। তিনি বলেন, বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে। দেশীয় মুদ্রার মূল্যমানেও স্থিরতা এসেছে। আলি স্যাব্রি বলেন, গত মে-জুন মাসে দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ার পর অনেকটা সময় পেরিয়ে এসেছে শ্রীলঙ্কা। আমাদের মুদ্রাস্ফীতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে। দেশীয় মুদ্রাও স্থিতিশীল। ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পর্যটন শিল্প। তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কা ঋণ হিসেবে নেওয়া অর্থ ফেরত দিতেও শুরু করেছে। তিনি বলেন, আমরা ক্রমেই স্থিতাবস্থার দিকে এগোচ্ছি। আশা করি, এই মাসের শেষেই আইএমএফের ইএফএফ প্রোগ্রাম শেষ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তাই আমার মনে হয়, আমরা এবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Sri Lanka Crisis: রাজনৈতিক পটবদল, আগামী সপ্তাহেই নতুন রাষ্ট্রপতি পাবে শ্রীলঙ্কা 

    Sri Lanka Crisis: রাজনৈতিক পটবদল, আগামী সপ্তাহেই নতুন রাষ্ট্রপতি পাবে শ্রীলঙ্কা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি ভেঙে (Sri Lanka economic crisis) পড়েছে। রান্নার গ্যাস, বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা গিয়েছে দেশজুড়ে। জনতার রোষে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে দ্বীপরাষ্ট্র। রাষ্ট্রপতির বাড়ির দখল নিয়েছে সাধারণ মানুষ। প্রাণভয়ে লুকিয়ে রয়েছেন রাষ্ট্রপতি। বুধবার রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে যাচ্ছেন গোতাবায়া রাজাপক্ষ। এরই মাঝে খবর, শ্রীলঙ্কার পার্লামেন্ট ২০ জুলাই নতুন রাষ্ট্রপতি (New President) নির্বাচন করবে। সোমবার এমনটাই জানিয়েছেন, স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেওয়ার্দেনা। আবেওয়ার্দেনা এক বিবৃতিতে বলেছেন, “শুক্রবার পুনরায় লোকসভা অধিবেশন বসবে এবং পাঁচ দিন পরে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোট হবে।”

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কায় সর্বদলীয় সরকার গঠনে সহমত, পাশে থাকার বার্তা ভারতের         
     
    তিনি আরও বলেন, “দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সামলানোর জন্যে পুনরায় সরকার গড়া আবশ্যক। ক্ষমতাসীন দল বলেছে যে প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভা অন্যান্য সদস্যরা পদত্যাগ করতে প্রস্তুত।”   

    সাত দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি। সপ্তাহান্তে, রাজধানী কলম্বোতে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজপক্ষের (Gotabaya Rajapaksa) সরকারী বাসভবনে হামলা চালায় এবং শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের ব্যক্তিগত বাসভবনে আগুন ধরিয়ে দেয়। পালাতে বাধ্য হন রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে তাঁরা পদত্যাগ করার কথা ঘোষণা করেন। রবিবার দুই নেতার পদত্যাগের ঘোষণার পর বিরোধী দলগুলো সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়।

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ শ্রীলঙ্কা, প্রাসাদ থেকে উদ্ধার বিপুল অর্থ! কোথায় পালালেন রাষ্ট্রপতি?       

    এএনআই সূত্রে খবর, শ্রীলঙ্কার প্রধান বিরোধী, সামাগি জনা বালাওয়েগয়া (SJB) সোমবার সর্বসম্মতিক্রমে অন্তর্বর্তী রাষ্ট্রপতি পদের জন্য সাজিথ প্রেমাদাসাকে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এসজেবি পার্টির সচিব রঞ্জিত মাদুমা বান্দারা প্রস্তাবটি জমা দিয়েছেন এবং সংসদীয় গ্রুপে পার্টির চেয়ারম্যান ফিল্ড মার্শাল শরথ ফনসেকা প্রস্তাবটিকে সমর্থন করেছেন। সংসদে এসজেবির প্রায় ৫০  জন সাংসদ রয়েছে এবং সংসদ ভোটে জিততে তাদের ১১৩ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন৷    

    শ্রীলঙ্কার সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী উভয়েই পদত্যাগ করলে স্পিকার সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সংসদকে তার সদস্যদের থেকে ৩০ দিনের মধ্যে একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। তিনি রাষ্ট্রপতি গোতাবায়ার মেয়াদের বাকি দুই বছরের জন্য পদে বহাল থাকবেন।     

      

  • Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কায় সর্বদলীয় সরকার গঠনে সহমত, পাশে থাকার বার্তা ভারতের

    Sri Lanka Crisis: শ্রীলঙ্কায় সর্বদলীয় সরকার গঠনে সহমত, পাশে থাকার বার্তা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বদলীয় সরকার (All Party Government) গড়তে সহমত হল শ্রীলঙ্কার (Srilanka) সমস্ত বিরোধী দল (Oppositions)। আগামী বুধবার রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইস্তফা দেবেন বলে জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কার বর্তমান রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষে (President Gotabaya Rajapaksa)। রাষ্ট্রপতির ইস্তফার পর দেশ চালানোর জন্য সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকার গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে দেশের রাজনৈতিক দলগুলি। রবিবার একটি বৈঠকের পর এই কথা জানিয়েছে বিরোধী দলগুলি।

    দ্বীপরাষ্ট্রের অর্থনীতি ভেঙে (Sri Lanka Economic Crisis) পড়েছে। ভারতের এই প্রতিবেশী দেশজুড়ে সরকার বিরোধী বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন নেতা, ক্রিকেটার থেকে সাধারণ মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, শ্রীলঙ্কাকে আর্থিক সঙ্কট থেকে টেনে তুলতে ব্যর্থ সরকার। বিক্ষোভ কর্মসূচী হিসেবে রাষ্ট্রপতির বাসভবনের দখলও নিয়েছে দেশের জনতা। এই পরিস্থিতিতে সরকার চালানোর বিষয়ে রবিবার বৈঠকে বসে বিরোধী দলগুলি। তার পরেই শ্রীলঙ্কা পদুজানা পেরামুনা (SLPP) দলের নেতা বিমল বীরাবানসা বলেন, ‘‘কিছু সময়ের জন্য ঐক্যবদ্ধ সরকার গড়তে আমরা সব দল সম্মত হয়েছি।’’ 

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কায় গণবিদ্রোহ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আগুন, রাষ্ট্রপতির বাড়ির দখল নিল জনতা  

    বিমল আরও বলেন, ‘‘এই সরকারে সব দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে।’’ এসএলপিপির আরেক নেতা বাসুদেব নানাইয়াক্কারার বলেন, “১৩ জুলাই গোতাবায়ার ইস্তফার জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়। তার আগেই সরকার গড়া উচিত।” 

    শনিবার বিক্ষোভ শুরু হতেই বিরোধী নেতারাও রাষ্ট্রপতির ইস্তফা দাবি করেন। সেই বার্তা গোতাবায়ার কাছে পৌঁছে দেন স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেওয়ার্দেনা। তারপরেই ১৩ জুলাই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেন গোতাবায়া । ইস্তফা দেবেন প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমেসিঙ্ঘে।

    আরও পড়ুন: কলম্বোর রাস্তা কার্যত গাড়ি শূন্য! জ্বালানি সংকটে শ্রীলঙ্কা

    প্রধান বিরোধী দল সমাগী জন বলাওয়েগায়া দলের নেতা র়ঞ্জিত মাদ্দুমা বানদারা বলেন, ‘‘নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সর্বদলীয় অন্তর্বর্তী সরকার গড়ায় সম্মত হয়েছি আমরা। এর পর দেশে সংসদীয় নির্বাচন হবে।’’

    হাল ছাড়েননি রাষ্ট্রপতি: তবে এখনও হাল ছাড়েননি রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া রাজাপক্ষ। জনরোষের ভয়ে অজ্ঞাত স্থানে লুকিয়ে থেকেও দিচ্ছেন সরকারি নির্দেশ। রবিবার শ্রীলঙ্কার সেনাপ্রধান জেনারেল শেভেন্দ্র সিলভা জানান, রাষ্ট্রপতি সরকারি আধিকারিকদের জনগণের মাঝে রান্নার গ্যাস বিতরণের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক সংকট শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের পথ এখনও খোলা রয়েছে, এতে জনতার সমর্থন কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। রাজাপক্ষের এই পদক্ষেপে ফের বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তাহলে এখনও কী পদে থাকার আশা ছাড়েননি তিনি! সত্যিই কী ইস্তফা দেবেন?  

    শ্রীলঙ্কার জনগণের পাশে ভারত: এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের জনগণের পাশে থাকার বার্তা দিল ভারত সরকার। শ্রীলঙ্কার বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বিদেশ মন্ত্রকের (Ministry of External Affairs) মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি (Arindam Bagchi) বলেন, “ভারত শ্রীলঙ্কার নিকটতম প্রতিবেশী। দুই দেশের মধ্যে গভীর বন্ধন রয়েছে। আমরা শ্রীলঙ্কা এবং তার জনগণ যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে সে সম্পর্কে অবগত। অরিন্দম বাগচি আরও বলেছেন, “আমরা চাই শ্রীলঙ্কা খুব অল্প সময়ে এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসুক। ভারত এই বছর শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ অর্থনৈতিক অবস্থার কথা মাথায় রেখে সেই দেশকে প্রায় ৩৮০ কোটি টাকা দিয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবিষয়ে বলেন, “ভারত সরকার শ্রীলঙ্কার বর্তমান অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলার ক্ষেত্রে সমস্ত সম্ভাব্য সাহায্য করবে।”

    শ্রীলঙ্কায় সেনা পাঠাচ্ছে ভারত? সোশ্যাল মিডিয়ায় বলা হচ্ছিল যে ভারত নাকি সেনা পাঠাচ্ছে শ্রীলঙ্কায়। তবে কলম্বোতে ভারতীয় হাই কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ধরনের রিপোর্ট ভারতের অবস্থানের সঙ্গে মেলে না। বিদেশ দফতরের মুখপাত্রও জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত শ্রীলঙ্কার মানুষের পাশে রয়েছে। তারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের মাধ্যমে দেশের উন্নতি চাইছেন। 

  • Sri Lanka crisis: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিংঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    Sri Lanka crisis: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিংঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থনৈতিক সংকটের মোকাবিলা করতে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রোহ ঠেকাতে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) নতুন করে জরুরি অবস্থা জারি করলেন অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংঘে (Acting President Ranil Wickremesinghe)। তিনি বলেছেন, দেশবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং জরুরি পরিষেবার সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এই পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় ছিল।

    এদিন তিনি রাজনৈতিক দলগুলিকে নিজ নিজ বিভেদ সরিয়ে রেখে সর্বদলীয় সরকার গঠন করার করার আহ্বান জানান। দ্বীপরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচত করতে শনিবার থেকেই প্রক্রিয়া শুরু করেছে সেদেশের পার্লামেন্ট। সিঙ্গাপুরে আশ্রয় নেওয়া গোতাবায়া রাজাপক্ষে (Gotabaya Rajapaksa) প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইস্তফা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শ্রীলঙ্কার কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট হন রনিল। আসন্ন নির্বাচনে তিনিই দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। আগামী ২০ তারিখ ভোটাভুটি হওয়ার কথা। 

    আরও পড়ুন: আশ্রয় দেবে না ভারত, কোথায় যাবেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া?

    শ্রীলঙ্কার এই চরম সংকটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সহ কয়েকটি মিত্র রাষ্ট্র। এদিনই দ্বীপরাষ্ট্রে পৌঁছেছে জ্বালানি। দেশে চরম আর্থিক দুরবস্থার জেরে খাদ্য থেকে শুরু করে সার ও ওষুধ আমদানি করার ক্ষমতা নেই প্রশাসনের। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের থেকে সাহায্য নিয়ে কথাবার্তা চলছে শ্রীলঙ্কার।

    এদিকে, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই সদ্যপ্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া। তাঁর থাকার মেয়াদ বৃদ্ধি করা হবে না বলে একপ্রকার জানিয়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার মালদ্বীপ থেকে বিশেষ বিমানে করে সিঙ্গাপুরে পৌঁছন গোতাবায়া। তাঁর সফরকে ব্যক্তিগত বলে উল্লেখ করে সিঙ্গাপুর সরকার। সেদেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, গোতাবায়া সেখানে আশ্রয় চাননি বা তাঁকে আশ্রয় দেওয়াও হয়নি। 

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন?

    শ্রীলঙ্কা ইস্যুতে (Sri Lanka Crisis) সর্বদলীয় বৈঠকে (All-Party Meeting) ডাক দিয়েছে ভারত সরকার। মঙ্গলবার হতে চলেছে সেই বৈঠক। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)। 

     

  • Sri Lanka: অশান্তির আগুনে পুড়ল শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্টের পৈতৃক বাড়ি, বিক্ষোভ হঠাতে গুলি

    Sri Lanka: অশান্তির আগুনে পুড়ল শ্রীলঙ্কা প্রেসিডেন্টের পৈতৃক বাড়ি, বিক্ষোভ হঠাতে গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তির আঁচে উত্তপ্ত দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা (Sri lanka)। ক্রমেই ঘোরালো হচ্ছে পরিস্থিতি। প্রেসিডেন্ট গোতবায়া রাজাপক্ষে (Gotabaya Rajapaksa) ও সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষের (Mahinda Rajapaksa) পৈতৃক বাড়িতে আগুন ধরাল বিক্ষোভকারীরা। আগুন শাসকদলের আরও এক সাংসদ এবং এক প্রাক্তন এক মন্ত্রীর বাড়িতেও। বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজাপক্ষ ও তাঁর সহকারীদের সুরক্ষায় নামানো হল সেনা। মাহিন্দার সরকারি আবাসন থেকে গুলিবর্ষণ করা হয় বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে। এরপরেই খেপে যান বিক্ষোভকারীরা। তারা প্রথমে মূল ফটক ভেঙে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস।

    মাসকয়েক ধরে অর্থনৈতিক সঙ্কটে (economic crisis) ভুগছে শ্রীলঙ্কা। দেশের বিদেশি মুদ্রার হাল তলানিতে। বিদেশি দেনার দায়ে বন্ধ নিউজপ্রিন্ট আমদানি। কাগজের অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা। জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দর লাগামছাড়া। নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের। ভিটেমাটি ছেড়ে দ্বীপরাষ্ট্র ছেড়ে দলে দলে লোকজন ঠাঁই নিচ্ছেন পড়শি দেশের শরণার্থী শিবিরে। এমতাবস্থায় ক্রমেই চড়ছে সরকার বিরোধী বিক্ষোভের আঁচ। প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিরোধীরা। বিক্ষোভ সামাল দিতে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে সরকার। জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়ে ইস্তফা দেন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে। তাতেও অবশ্য দমানো যায়নি বিক্ষোভকারীদের।

    আরও পড়ুন :প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    শনিবার রাতে মাহিন্দার পৈতৃক বাড়মেদামুলানা ওয়ালাওয়াতে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীদের। উত্তেজিত জনতা মেদামুলানাতে ডিএ রাজাপক্ষে সৌধেও আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীরা আগুন লাগিয়ে দেয় মোরাতুয়া মেয়র শামন ফার্নান্দো, কুরুনেগালা মেয়র থুসারা শানজিওয়া এবং পার্লামেন্ট সদস্য সনৎ নিশান্থা, রমেশ পথিরানা, মহীপালা হেরাথ, থিসা কুট্টিয়ার্চি এবং নিমল লাঞ্জার বাড়িতেও। পরিস্থিতি সামাল দিতে সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজাপক্ষ ও তাঁর সহকারীদের সুরক্ষায় নামানো হয়েছে সেনা। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে মাহিন্দার সরকারি আবাসন থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়। কমবেশি জখম হন অন্তত ১৩০ জন। ক্ষোভে বিক্ষোভকারীরা প্রথমে মূল ফটক ভেঙে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেন। উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস, জল কামান। তার পরেও পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আসেনি। তার জেরেই বিক্ষোভকারীদের কড়া হাতে দমন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেনাকে। কলম্বোয় জারি করা হয়েছে কার্ফু। 

     

  • Sri Lanka: প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    Sri Lanka: প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি অবস্থা জারি হল শ্রীলঙ্কায়। শুক্রবার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে সর্বোচ্চ ক্ষমতা অর্পণ করলেন সামরিক বাহিনীর হাতে। গণবিক্ষোভ সামাল দিতেই এই পদক্ষেপ বলে সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর। প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র জানান, আইনের প্রয়োগ যথাযথ করতেই এই কড়া আইন প্রয়োগ করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে দেশের শ্রমিক সংগঠনগুলি। প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছে তারা।

    ভয়ঙ্কর আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে চলছে দক্ষিণ এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্র। সম্প্রতি, ঋণখেলাপি তকমা লাগে দেশের মাথায়। তলানিতে ঠেকেছে বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার। চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে জ্বালানি সঙ্কট। বিদেশি মুদ্রার অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা। ডলার বাড়ন্তে আমদানি বন্ধ নিউজ প্রিন্ট। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সংবাদপত্র।

    জ্বালানির অভাবে প্রতিদিন প্রায় ১৩ ঘণ্টা করে লোডশেডিং করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই ভিটে ছেড়ে ভারত সহ বিভিন্ন দেশের শরণ নিতে শুরু করেছেন শ্রীলঙ্কাবাসীর একাংশ। এহেন পরিস্থিতিতে শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সহ একাধিক দেশ। তার পরেও হাল ফেরেনি দেশের আর্থিক অবস্থার। তাই নিত্য বিক্ষোভ-অশান্তি। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক সঙ্কটে পড়ে নিজেদের ঋণখেলাপি ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

    মাসকয়েক আগে পদত্যাগ করেছে গোটা মন্ত্রিসভা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নানা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তার পরেও ফেরেনি শ্রীলঙ্কার আর্থিক হাল। এই অবস্থায় রাস্তায় নেমে পড়েছেন পড়ুয়ারাও। সংসদে যাওয়ার প্রধান রাস্তাও অবরোধ করে। আন্দোলনকারীদের হঠাতে কাঁদানে গ্যাস, জল কামান ব্যবহার করেছে পুলিশ। তারপরেও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি। আইইউএসএফ নেতা ওয়াসান্থা লিয়াংগে বলেন, আমরা পার্লামেন্টে যাওয়া-আসার সব রাস্তা বন্ধ করে দেব। তার আগে প্রেসিডেন্টকে ইস্তফা দিতে হবে। এদিকে, অনাস্থা আনতে স্পিকারের কক্ষেও এদিন বিক্ষোভ দেখায় বিরোধীরা।

    ক্রমেই জোরাল হচ্ছে গোতাবায়ার পদত্যাগের দাবি। কূটনৈতিক মহলের দাবি, এই সব পরিস্থিতি সামাল দিতেই তড়িঘড়ি জারি করা হল জরুরি অবস্থা। 

  • Sri Lanka: পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সাংসদরা? “মিথ্যে”, জবাব ভারতীয় হাই কমিশনের

    Sri Lanka: পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার সাংসদরা? “মিথ্যে”, জবাব ভারতীয় হাই কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আক্ষরিক অর্থেই জ্বলছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। ব্যাপক হিংসায় ইতিমধ্যেই নিহত হয়েছেন পাঁচজন বিক্ষোভকারী। এদিকে, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মঙ্গলবার রাজধানী কলম্বো (Colombo) ছেড়ে ত্রিনকোমালিতে (Trincomalee) একটি নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নেন সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে (Mahinda Rajapaksa)। অর্থনৈতিক সঙ্কটের (Economic Crisis) জেরে ক্রমেই পরিস্থিতি ঘোরালো হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কায়। সরকারি দলের সমর্থক ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে হিংসার ঘটনায় উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি।

    দিন দুই আগে মাহিন্দার পৈতৃক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা। দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাকে দেখা মাত্র গুলি (Shoot at Sight) করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নির্দেশে বলা হয়েছে, যে বা যারা কাউকে মারধর করবে কিংবা অন্যের সম্পত্তি নষ্ট করবে, তাদের দেখা মাত্রই গুলি করতে হবে। পরিস্থিতির মোকাবিলায় ৩৬ ঘণ্টার জন্য গোটা দেশে কার্ফু জারি করেছিল সরার। তা উপেক্ষা করেও এদিন যত্রতত্র বিক্ষোভ দেখাতে দেখা গিয়েছে সরকার বিরোধীদের।

    মাহিন্দা, তাঁর স্ত্রী শিরন্তি এবং তাঁদের কনিষ্ঠ পুত্র রোহিত ও তাঁর পরিবার মঙ্গলবার ভোরে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে সুরক্ষিত নৌঘাঁটিতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। মাহিন্দার দ্বিতীয় পুত্র ইয়োসিথা, যিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সচিবও ছিলেন, সপরিবারে দেশ ছেড়েছেন তিনিও। দেশের পরিস্থিতি ক্রমেই হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে স্পিকার মাহিন্দা ইয়াপা আবেবর্দেনা অবিলম্বে সংসদ তলব করার জন্য রাষ্ট্রপতি তথা মাহিন্দার ছোট ভাই গোতাবায়া রাজাপক্ষকে (Gotabaya Rajapaksa) অনুরোধ করেছেন। এদিকে, ক্ষমতাসীন দলের অনেক সংসদ সদস্য দেশ ছেড়ে চলে গিয়ে পড়শি দেশে আশ্রয় নিয়েছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এর পরেই খেপে যান বিক্ষোভকারীরা। মঙ্গলবার তাঁরা বন্দরনায়েকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশ পথে অবরোধ করেন।

    আরও পড়ুন : প্রবল বিক্ষোভের মুখে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া

    তবে শ্রীলঙ্কার শাসক দলের কয়েকজন সাংসদ সদস্য সপরিবারে দেশ ছেড়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে কলম্বোয় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন (India in Sri Lanka)। কমিশনের তরফে এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে,  শ্রীলঙ্কার আইনপ্রণেতা ও তাঁদের পরিবার আশ্রয়ের জন্য ভারতে পালিয়ে যাওয়ার যে খবর ছড়িয়েছে, তা মিথ্যা। ভারত সরকারের মতামত না নিয়েই এধরনের খবর পরিবেশন করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

     

     

  • Ranil Wickremesinghe: আগামী কয়েকমাস শ্রীলঙ্কাবাসীর কাছে কঠিন সময় , ট্যুইট নয়া প্রধানমন্ত্রীর

    Ranil Wickremesinghe: আগামী কয়েকমাস শ্রীলঙ্কাবাসীর কাছে কঠিন সময় , ট্যুইট নয়া প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  সরকারের ভাঁড়ার প্রকৃত অর্থেই খালি জেনে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন রনিল বিক্রমাসিঙ্ঘে। দ্রুত আন্তর্জাতিক মহল এবং ব্য়ক্তিগত স্তরে বিত্তশালীদের সাহায্য না মিললে শ্রীলঙ্কার ঘুরে দাঁড়ানো কার্যত অসম্ভব, বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে কোনওরকম ধোঁয়াশায় না রেখে ট্যুইটবার্তায় তাঁদের সামনে দেশের সাম্প্রতিক অবস্থা তুলে ধরলেন নয়া প্রধানমন্ত্রী। 

    দেশবাসীকে উদ্দেশ্য করে প্রথমেই বিক্রমাসিঙ্ঘে লেখেন, “আগামী কয়েক মাস আমাদের জীবনের সবচেয়ে কঠিন মাস হতে চলেছে। এই বিষয়ে দেশবাসীর কাছে কোনও তথ্য গোপন রাখতে চাই না আমি। এই তথ্য বা পরিসংখ্যান ভয়ের হলেও বাস্তব।” এই মর্মে দেশের মাথায় থাকা ঋণের ভার থেকে শুরু করে জ্বালানি ভাণ্ডার, বিদ্যুৎ থেকে শুরু করে ওষুধ– প্রতিটি জরুরি পণ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেছেন রনিল। 

    [tw]


    [/tw]

    বাজেট: দ্বীপরাষ্ট্রের অর্থনীতি অনিশ্চিত অবস্থার মধ্যে দিয়ে চলছে। পূর্বতন সরকার বাজেটে ২.৪ ট্রিলিয়ন শ্রীলঙ্কান মুদ্রা রাজস্বের কথা বলেছিলেন বাস্তবে তা ১.৬ ট্রিলিয়ন বলে ট্যুইটবার্তায় জানান বিক্রমাসিঙ্ঘে। ঘাটতির পরিমাণ অনেক। যা কোষাগারকে শূন্য করেছে।

    [tw]


    [/tw]

    ঋণ: প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ২০১৯-এর নভেম্বরে শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় ছিল ৭.৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু এখন ট্রেজারিতে ১ মিলিয়ন ডলার খুঁজে পাওয়া চ্যালেঞ্জের। ভারত-চিন সহ অন্যান্য দেশগুলির কাছ থেকে এখন ঋণ চাইতে হচ্ছে শ্রীলঙ্কাকে। 

    [tw]


    [/tw]

    মজুত জ্বালিনি: নগদ আর্থিক সঙ্কটে থাকা ওই দেশে পেট্রল (petrol) ফুরিয়েছে। দেশের কাছে মাত্র একদিনের গ্যাসোলিন মজুত রয়েছে বলে জানান বিক্রমাসিঙ্ঘে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভারতের সহায়তায় শীঘ্রই দেশে পেট্রল ও ডিজেলের দুটি করে মোট চারটি শিপমেন্ট এসে পৌঁছবে। তাতে পরের কয়েকটা দিন চললেও তারপর কী হবে, জানা নেই। শ্রীলঙ্কার জলসীমায় নোঙর করা অপরিশোধিত তেল এবং ফার্নেস অয়েল সহ তিনটি জাহাজের মূল্য পরিশোধের জন্য খোলা বাজারে ডলার অর্জনের জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। ভারতের ক্রেডিট লাইন ব্যবহার করেও পেট্রল ও ডিজেলের সঙ্কট রয়ে গিয়েছে। 

    [tw]


    [/tw]

    বিদ্যুৎ পরিষেবা: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য জ্বালানির প্রয়োজন। দেশে জ্বালানিই মজুত নেই। আগামী দিনে দেশবাসীকে হয়ত বা দিনে ১৫ ঘণ্টা অন্ধকারে কাটাতে হতে পারে। জ্বালানি-সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করছে সরকার। জ্বালানি সহজলভ্য হলেই বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো যাবে।

    [tw]


    [/tw]

    গ্যাস: গ্যাসের জন্য হাহাকার শোনা যাচ্ছে চারিদিকে। গ্যাসের সমস্যা মেটাতে  অন্তত ২০ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। এই প্রয়োজন মেটাতে আমরা কথাবার্তা চালাচ্ছি। 

    [tw]


    [/tw]

    ওষুধ: প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশে ১৪ টি প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, অস্ত্রোপচারের উপকরণ সবরেই খামতি রয়েছে। সরবরাহকারীরা প্রায় চার মাস ধরে তাঁদের বকেয়া পাননি। তা মেটানোর মতো অর্থও এখনই সরকারের কাছে নেই।

    [tw]


    [/tw]

    যদিও বর্তমান সঙ্কট বেশিদিনের নয়। খুব শীঘ্রই তা সমাধানের চেষ্টা করা হবে, বলে জানান বিক্রমাসিঙ্ঘে।  তিনি বলেন, “এর জন্য আমাদের অবিলম্বে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় পরিষদ বা রাজনৈতিক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে,” বন্ধু দেশগুলির সঙ্গেও এ নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাদের থেকে সাহায্যের আশ্বাসও মিলেছে দাবি নয়া প্রধানমন্ত্রীর।

    এদিকে শ্রীলঙ্কার নতুন সরকার লোকসান রোধ করতে এবং শূন্য ভাঁড়ার ভরাতে জাতীয় বিমান সংস্থা বিক্রি করার পরিকল্পনা করেছে, বলে খবর। দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতার জন্য এই পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি বেতন প্রদানের জন্য টাকাও ছাপতে বাধ্য হচ্ছে শ্রীলঙ্কা। তবে যাই হোক কোনওভাবেই নিজের দায়িত্ব থেকে সরবেন না বলে জানান বিক্রমাসিঙ্ঘে। নতুন প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস, দেশ ও দেশবাসীর প্রতি কর্তব্য পালনে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ। 

  • Sri Lanka economic crisis: আর্থিক সঙ্কটে পড়ে নিজেদের ঋণখেলাপি ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

    Sri Lanka economic crisis: আর্থিক সঙ্কটে পড়ে নিজেদের ঋণখেলাপি ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র আর্থিক সঙ্কটের (economic crisis) মুখে পড়ে শেষমেশ নিজেদের ঋণখেলাপি (defaulter) ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা (sri lanka)। বিদেশি ঋণ নিয়ে দু রকম প্রস্তাব দিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রের সরকার। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার (IMF) থেকে সাহায্য মিললে দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে রাজাপক্ষের সরকার।

    ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতা লাভ করে শ্রীলঙ্কা। তার পর থেকে এহেন পরিস্থিতির সম্মুখীন হননি দ্বীপরাষ্ট্রের বাসিন্দারা। এক সময়ের সোনার শ্রীলঙ্কা এখন যেন নেই-রাজ্যের দেশ। চাল-গ্যাস-কেরোসিন-পেট্রোল বাড়ন্ত। কাগজের অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে পরীক্ষা। নিউজ প্রিন্ট আমদানি করার ডলার না থাকায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে খবরের কাগজ ছাপানো। কয়লার অভাবে দিনে প্রায় ১৩ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ ছাঁটাই হচ্ছে। সন্ধে হলেই রাস্তাঘাট নিষ্প্রদীপ। বিদ্যুৎ না থাকায় দহন দিনেও চালানো যাচ্ছে না ফ্যান-এসি। যাঁদের হাতে পয়সা নেই, তাঁর পড়েছেন সব চেয়ে বেশি সমস্যায়। যাঁদের হাতে পয়সা রয়েছে, তাঁদের সমস্যাও বড় কম নয়। বাধ্য হয়েই কোনওক্রমে দিন গুজরান করছেন শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ। 

    এহেন পরিস্থিতিতে দেশকে ঋণখেলাপি ঘোষণা করে দিল রাজাপক্ষের সরকার। শ্রীলঙ্কা সরকারের মাথায় রয়েছে ৫১ বিলিয়ন ডলারের (ভারতীয় মুদ্রায় ৪ লক্ষ কোটি) বৈদেশিক ঋণ। ঋণ শোধের ব্যাপারে সে দেশের সরকার দুটো প্রস্তাব দিয়েছে ঋণদাতা দেশগুলিকে। এক, তারা চাইলে দেয় ঋণের ওপর সুদ চাপাতে পারে। দুই, চাইলে ধার শোধ করা হতে পারে শ্রীলঙ্কার মুদ্রায়। এমতাবস্থায় আইএমএফের দিকে তাকিয়ে রয়েছে শ্রীলঙ্কার সরকার। 

    শ্রীলঙ্কার অর্থমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে আর্থিক অনটন চরমে উঠেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নেওয়া হয়েছে একের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ঋণ শোধের আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে বিদেশি ঋণদাতা দেশগুলিকে। আইএমএফের তরফে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস মিলেছে। তাই আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজাপক্ষের সরকার। এমতাবস্থায় আরও কতদিন তাঁদের নেই-রাজ্যের বাসিন্দা হয়েই থাকতে হবে, তা বুঝতে পারছেন না দ্বীপরাষ্ট্রের ২২ কোটি মানুষ।

      

LinkedIn
Share